শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
প্রিন্ট ভার্সন
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না

স্বাধীনতা লাভের অর্ধশতাব্দীর বেশি সময় কেটে গেলেও বাংলাদেশ কেন একটি ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হয়ে উঠতে পারছে না। কারণ যেসব রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় গেছে তারা ক্ষমতার স্বাদ ভোগ করতে যতটা ব্যতিব্যস্ত ছিল, দেশকে ‘আদর্শ রাষ্ট্রে’ পরিণত করতে তাদের ততটাই অনীহা ছিল। রাষ্ট্রক্ষমতা তাদের অধিকাংশের মুনাফা লোটার ও ভাগ্য গড়ার মাধ্যম ছিল মাত্র। যুদ্ধে অনেক রক্ত ঝরিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে। আয়তনের দিক থেকে যত ক্ষুদ্র ভূখণ্ডই হোক না কেন, বাংলাদেশ বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন ও সীমানা চিহ্নিত দেশ। এ দেশের পৃথক একটি পতাকা আছে, সরকার আছে এবং সার্বভৌমত্বও আছে। বিশ্বের প্রায় সব দেশ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশের ৬০টি দূতাবাস ও হাইকমিশনসহ মোট ৮৩টি মিশন দেশে দেশে ছড়িয়ে আছে। পৃথিবীর সংঘাতপূর্ণ দেশগুলোতে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর অন্যতম অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশের সামরিক ও বেসামরিক বাহিনীগুলো প্রায় চার দশক ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে অবকাঠামো উন্নয়নসহ বাংলাদেশের বিকাশও চোখে পড়ার মতো। এমনকি ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার বিভিন্ন সূচকের উন্নয়ন স্ফীত উল্লম্ফন দেখিয়ে দাবি করতে শুরু করেছিল যে বাংলাদেশ অচিরেই ‘স্বল্পোন্নত দেশ’ (এলডিসি) থেকে ‘মাঝারি আয়ের দেশে’ পরিণত হতে যাচ্ছে।

আওয়ামী ঘরানার বাইরের অর্থনীতিবিদরা সন্দিহান ছিলেন বাস্তব কারণেই। কারণ বাংলাদেশে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা কখনোই ছিল না এবং রপ্তানি পণ্য ছিল হাতেগোনা। পাকিস্তান আমলে দেশটির পূর্বাঞ্চলের একমাত্র রপ্তানি পণ্য ছিল পাট ও পাটজাত পণ্য। সত্তরের দশকের শুরুতে কৃত্রিম আঁশ পণ্যের বহুল ব্যবহারে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে পাট ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা প্রায় ফুরিয়েই গিয়েছিল। কাঁচা পাটের মূল্যও বিশ্ববাজারে কমে গিয়েছিল। এক দশক পর রপ্তানি আয়ের ঘাটতি হ্রাস পায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে জনশক্তি রপ্তানি এবং আরও এক দশক পর এর সঙ্গে যুক্ত হয় ইউরোপ ও আমেরিকায় তৈরি পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধি পাওয়ায়। বর্তমানে এ দুটি খাতই বাংলাদেশের রেমিট্যান্স আয়ে প্রধান ভূমিকা রাখছে। এ দুটি খাত সামান্য চাপের মুখে পড়লেই বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ তলানির দিকে চলে যায়।

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জুবাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বভুক্ত দরিদ্র দেশ থেকে জাতিসংঘের ‘এলডিসি’ দেশের তালিকায় উঠে এসেছিল ১৯৭৫ সালে এবং ২০২৬ সালে ‘মাঝারি আয়ের দেশ’ এবং ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ-মাঝারি আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য স্থির করেছিল। আওয়ামী লীগ সরকার দাবি করত, তৈরি পোশাকশিল্পের রপ্তানি আয়ের স্ফীতিতে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ ‘নিম্ন-মধ্য আয়ের দেশে’ পরিণত হয়েছে এবং দেশে ১৯৯১ সালে দারিদ্র্যের হার ৪১.৯ শতাংশ থেকে ২০১৬ সালে ১৩.৫ শতাংশে নামিয়ে তারা সফল হয়েছে। কিন্তু জাতিসংঘের নিজস্ব মূল্যায়ন ছিল এর বিপরীত এবং কিছুটা ভিন্ন ধরনের। জাতিসংঘের মূল্যায়নে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ ‘মাঝারি আয়ের দেশে’ উন্নীত হওয়ার উপযোগী নয় মুখ্যত তাদের প্রাতিষ্ঠানিক সামর্থ্যরে দুর্বলতা, উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং সম্ভাব্য বাজার ধরায় প্রাধান্য না দেওয়ার কারণে। আওয়ামী লীগ উন্নয়নের অনেক ঢাকঢোল পেটালেও তাদের টানা চতুর্থ মেয়াদের প্রথম বছরে মুদ্রাস্ফীতি ছিল ১০.৩ শতাংশ এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ে অর্থাৎ শেখ হাসিনা সরকারের পতনের ঠিক আগের মাসে খাদ্যমূল্য স্ফীতি ছিল রেকর্ড পরিমাণ ১৪.১ শতাংশ। অন্তর্বর্তী সরকারের দ্বিধাদ্বন্দ্বের কারণে বর্তমান সরকার-পূর্ব দেড় বছরে এ বিষয়ে কোনো মনোযোগ দেওয়া হয়নি। গত ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতায় আসীন বিএনপি সরকার এ ব্যাপারে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে, তার ওপর নির্ভর করছে বাংলাদেশের মাঝারি আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার ভবিষ্যৎ। আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ মেয়াদে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দেশে কোনো সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) আসেনি। অবকাঠামোগত উন্নয়ন ঘটেনি এবং একটি অনিশ্চিত পরিস্থিতি বজায় থাকায় গত তিন বছরে উৎপাদনশীলতায় মন্থর অবস্থা বিরাজ করছে। নতুন সরকারের পক্ষে সবকিছু সামলে উঠতে যে সময়ের প্রয়োজন হবে, তত দিনে সরকার তাদের মেয়াদের মধ্যবর্তী সময়ে চলে আসবে।

বাংলাদেশের অস্তিত্বের গত সাড়ে পাঁচ দশকের অভিজ্ঞতা হচ্ছে, একটি রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় গিয়ে যেসব উদ্যোগ গ্রহণ করে, পরবর্তী সময়ে প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো দল যদি সরকার গঠন করে তাহলে পূর্ববর্তী সরকারের সবকিছুতে তারা ভুল, দুর্নীতি অথবা বহু প্রকল্প সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় ও ব্যক্তিস্বার্থে গৃহীত হিসেবে দেখতে পায় এবং হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়ে যাওয়া প্রকল্পগুলো বাতিল করে। ধারাবাহিকতা বজায় রেখে খুব কমসংখ্যক প্রকল্প চালু রাখা হয়। বাংলাদেশের উন্নয়ন মুখ থুবড়ে পড়ে থাকার পেছনে এটাও বড় একটি কারণ। ৫৫ বছরে খুব কম সরকার এসেছে, যারা জনগণকে রাষ্ট্রের মেরুদণ্ড বা চালিকাশক্তি হিসেবে এবং রাষ্ট্রের আইন ও শাসন যে জনগণের জন্যই সে হিসেবে বিবেচনা করেছে। জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হয়ে তারা নিজেদের জমিদার বা সামন্ত প্রভু ভেবেছে এবং জনগণকে তাদের প্রজা বা হুকুমের দাস হিসেবে দেখেছে।

বাংলাদেশের প্রতিটি সরকার যেহেতু রাজনৈতিক দলপ্রধান বা ব্যক্তিনির্ভর ছিল এবং এখনো আছে, অতএব ফেলে আসা সময়ের কোনো পর্যায়েই তারা উপলব্ধি করেনি যে সরকার রাষ্ট্রের একটি সাংগঠনিক কাঠামো, যার মাধ্যমে রাষ্ট্র আইন প্রয়োগ করে, জনসেবা নিশ্চিত করে এবং বৈদেশিক সম্পর্ক পরিচালনা করে। বাংলাদেশে এটি প্রায় প্রতিষ্ঠিতই হয়ে গেছে যে সরকারপ্রধান, তাঁর মর্জি অনুযায়ী সবকিছু করবেন এবং মেয়াদের নির্ধারিত পাঁচটি বছর অতিক্রান্ত হওয়ার আগেই পরের মেয়াদে কীভাবে সরকারে ফিরে আসা যায়, সেই ফন্দিফিকির ও কৌশল রচনা করবেন। প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলো তক্কে তক্কে থাকে যে সরকার কখন তাদের বড় ভুলগুলো করে। তারা সরকারের সঙ্গে জরুরি জাতীয় ইস্যুতেও কখনো একাত্ম অনুভব করে না, বা সরকারও তাদের তোয়াক্কা করে না।

২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে ১০ ট্রাক অস্ত্র এবং শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলার অভিযোগের চেয়ে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছিল বিচারপতি কে এম হাসানকে কেয়ারটেকার সরকারপ্রধান নিয়োগ করার জন্য উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের বয়স ৬৫ থেকে ৬৭ বছরে উন্নীত করে সংবিধান সংশোধন করা। আওয়ামী লীগ সরকারের তো ভুল ও অপরাধের সীমাপরিসীমা ছিল না। বরং বলা যায়, তারা এই বিশ্বাস থেকে অপরাধ করত যে রাষ্ট্রই তাদের অপরাধ সংঘটনের অধিকার প্রদান করেছে। কিন্তু কারও দিন সমান যায় না এবং তাদের অপকর্মই তাদের জন্য কাল ও সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আওয়ামী লীগের লজ্জাজনক পতন ভবিষ্যতের যেকোনো সরকারের জন্য আগাম সতর্কবার্তা ও শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করতে পারে।

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জাতীয় সংহতি ও ঐক্যের ঘাটতির অভাব দেশে স্থায়ীভাবে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে রেখেছে এবং এজন্য যদি একক কোনো দলকে দায়ী করা হয়, সেটি অনিবার্যভাবেই আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশে তারা তাদের প্রতিপক্ষ ছোটবড় প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে হয় ছলেবলে নিজেদের পক্ষে নিয়েছে এবং যারা আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিস্ট দল হিসেবে চিহ্নিত করেছে, সেগুলোকে ধ্বংস করতে এবং দলগুলোর নেতাদের উদ্দেশে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ ও তাদের নামে কুৎসা রটনা করতে, হত্যা, গুম করতে, মিথ্যা মামলায় ফাঁসাতে দ্বিধা করেনি। তা সত্ত্বেও তারা দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দূর করতে সক্ষম হয়নি। কারণ তারা তাদের দলের সূচনাকাল থেকে সব সময় অস্থিতিশীলতাকে পুঁজি করেই রাজনীতিতে তাণ্ডব সৃষ্টি করে রেখেছে। আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করেছে, তখন বিচার বিভাগ থেকে শুরু করে নির্বাচন কমিশন, জাতীয় সংসদসহ প্রতিটি সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানকে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগপ্রধানের মর্জির অধীন করতে চেষ্টা করেছে। ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত এসব কাজে তাদের পথে কেউ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারেনি। মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতাকে তারা একচেটিয়া করে নিয়েছিল। ফলে সার্বিক অর্থে জাতি-গঠন প্রক্রিয়া কখনো শুরুই হতে পারেনি। অতএব রাষ্ট্রের সব বৈধ উপাদান-স্থায়ী জনগোষ্ঠী, সুনির্দিষ্ট ভূখণ্ড, সরকার এবং অন্যান্য রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ একটি ‘আদর্শ রাষ্ট্রে’ পরিণত হতে পারেনি বলে অনেকে বিশ্বাস করেন।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে গণভোট, জুলাই সনদের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কারের ওপর বিতর্ক চলছে, রাজপথে আন্দোলন চলছে। গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোটে প্রায় নিশ্চিতই ছিল যে সংবিধানের আমূল সংস্কার সাধিত হবে। কিন্তু এখন আর তা মনে হচ্ছে না। সংখ্যাগরিষ্ঠ দল স্পষ্ট করেছে যে তারা যেভাবে চাইবে, সেভাবে সংবিধান সংশোধন করবে। কোনো সংস্কার নয়। সংবিধানের কী সংশোধন আনা হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।

শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে প্রণীত সংসদীয় পদ্ধতির সংবিধানের খোলনলচে পাল্টে সেটিকে একদলীয় প্রেসিডেন্টশাসিত সংবিধানে রূপ দিয়েছিলেন। ১৯৭৩-এর নির্বাচনে জাতি শেখ মুজিবকে এই ম্যান্ডেট দেয়নি। আব্রাহামিক ধর্মগুলোকে আদিকাল থেকে অপরিবর্তনীয় বিবেচনা করা হয়। তা সত্ত্বেও অনেকে খ্রিস্টধর্ম ও চার্চকে পুরোপুরি সংস্কার করার পরামর্শ দিয়েছেন। ফরাসি দার্শনিক ভলতেয়ার ধর্ম ও রাষ্ট্র দুটিকেই সংস্কার করতে বলেছিলেন ‘অবশ্যই চার্চকে সংশোধন করতে হবে। আমাদের রাষ্ট্র সংস্কার করতে হবে!’ অতীতে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে যেভাবে ধ্বংস করা হয়েছে, সংস্কারের মাধ্যমে সেগুলোকে কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে না পারলে বাংলাদেশের পক্ষে নিকট-ভবিষ্যতে ‘আদর্শ রাষ্ট্রে’ পরিণত করা সম্ভব হবে না এবং জাতি গঠন প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে উঠবে। কিন্তু কে কার কথা শোনে? নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠনের পর অতীতের সব সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি ভুলে গেছে-এখনো একই ভুলের ধারাবাহিকতা চলছে।

 ♦ লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
ঈদযাত্রা নিয়ে শঙ্কা
ঈদযাত্রা নিয়ে শঙ্কা
শিশুমৃত্যুর ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট
শিশুমৃত্যুর ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট
মহামতি হ্যানিমান
মহামতি হ্যানিমান
ইসলামে আলো যেভাবে ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে
ইসলামে আলো যেভাবে ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে
সুবোধকে ফেরাতে হলে
সুবোধকে ফেরাতে হলে
স্বাধীনতা রক্ষার জাতীয় শপথ
স্বাধীনতা রক্ষার জাতীয় শপথ
ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা
ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা
গাজীপুরে পাঁচ হত্যাকাণ্ড
গাজীপুরে পাঁচ হত্যাকাণ্ড
উন্নয়নের স্বার্থে
উন্নয়নের স্বার্থে
প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ
প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ
লোকসানে রেল
লোকসানে রেল
সাইবার অপরাধ
সাইবার অপরাধ
সর্বশেষ খবর
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সুযোগে ডালপালা মেলছে সোমালিয়ার দস্যুরা
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সুযোগে ডালপালা মেলছে সোমালিয়ার দস্যুরা

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপর্টে’, মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপর্টে’, মন্তব্য ট্রাম্পের

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতলক্ষ্যা নদী থেকে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার
শীতলক্ষ্যা নদী থেকে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সংঘর্ষের পর ট্রাফিক সিগন্যালে আটকে গেল দ্রুতগতির মোটরসাইকেল!
সংঘর্ষের পর ট্রাফিক সিগন্যালে আটকে গেল দ্রুতগতির মোটরসাইকেল!

৪৮ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

মোদি ম্যাজিক নাকি বিভাজনের রাজনীতি?
মোদি ম্যাজিক নাকি বিভাজনের রাজনীতি?

৪৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাঞ্ছারামপুরে গুলিবিদ্ধ তরুণের মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্ত
বাঞ্ছারামপুরে গুলিবিদ্ধ তরুণের মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্ত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মঙ্গলের উপগ্রহ ঘিরে নতুন আশঙ্কা, নিজের ধ্বংসাবশেষেই ভেঙে যেতে ফোবোস
মঙ্গলের উপগ্রহ ঘিরে নতুন আশঙ্কা, নিজের ধ্বংসাবশেষেই ভেঙে যেতে ফোবোস

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় প্রভাব ফেলেছে ‘এসআইআর’, সর্বোচ্চ আদালতে অভিযোগ মমতার
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় প্রভাব ফেলেছে ‘এসআইআর’, সর্বোচ্চ আদালতে অভিযোগ মমতার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের ওপর হামলা কি সাজানো নাটক?
ট্রাম্পের ওপর হামলা কি সাজানো নাটক?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঠাকুরগাঁওয়ে মুরগিবাহী গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুজনকে গণপিটুনি
ঠাকুরগাঁওয়ে মুরগিবাহী গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুজনকে গণপিটুনি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টঙ্গীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
টঙ্গীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

তৃণমূলের প্রচারে যাওয়া প্রসঙ্গে শ্রাবন্তী বললেন ‌‘শিল্পীদের ওপর অনেক চাপ থাকে’
তৃণমূলের প্রচারে যাওয়া প্রসঙ্গে শ্রাবন্তী বললেন ‌‘শিল্পীদের ওপর অনেক চাপ থাকে’

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড্রেনে জমে থাকা পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু
ড্রেনে জমে থাকা পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তরুণদের কর্মসংস্থানে ব্যাপক শিল্পায়ন প্রয়োজন : ত্রাণমন্ত্রী
তরুণদের কর্মসংস্থানে ব্যাপক শিল্পায়ন প্রয়োজন : ত্রাণমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইসরায়েলি পরিকল্পনা রুখে মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছে সৌদি: প্রিন্স তুর্কি
ইসরায়েলি পরিকল্পনা রুখে মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছে সৌদি: প্রিন্স তুর্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমের গুঞ্জনে ঘি ঢাললেন তৃষা, বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী
প্রেমের গুঞ্জনে ঘি ঢাললেন তৃষা, বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যেভাবে বারান্দার গ্রিলে আটকে গেল চোর
যেভাবে বারান্দার গ্রিলে আটকে গেল চোর

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইয়েমেন থেকেও এলো কড়া হুঁশিয়ারি, বিপদে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইয়েমেন থেকেও এলো কড়া হুঁশিয়ারি, বিপদে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে ফের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প
হরমুজে ফের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিপক্ব হলেই আম বাজারে নেওয়া যাবে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিপক্ব হলেই আম বাজারে নেওয়া যাবে

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের সেবা সপ্তাহ শুরু
বরিশালে নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের সেবা সপ্তাহ শুরু

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ
৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

১২ বছর পর খুলছে তুরস্ক-সিরিয়া আকচাকালে সীমান্ত ক্রসিং
১২ বছর পর খুলছে তুরস্ক-সিরিয়া আকচাকালে সীমান্ত ক্রসিং

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে: নিপুণ
জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে: নিপুণ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জয়পুরহাটে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু
জয়পুরহাটে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পোশাক কারখানায় তিন ধাপে ছুটিসহ নানা প্রস্তুতি
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পোশাক কারখানায় তিন ধাপে ছুটিসহ নানা প্রস্তুতি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেঘনায় গোসলে নেমে কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যু
মেঘনায় গোসলে নেমে কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের ময়দানে নামার আগে কেমন ছন্দে আছেন মেসি-রোনালদো?
বিশ্বকাপের ময়দানে নামার আগে কেমন ছন্দে আছেন মেসি-রোনালদো?

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বায়তুল মোকাররমের সামনে ফুটপাতে পড়ে ছিল মরদেহ
বায়তুল মোকাররমের সামনে ফুটপাতে পড়ে ছিল মরদেহ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুমিল্লায় সড়ক নির্মাণ নিয়ে বিরোধে খুনের ঘটনায় মামলা
কুমিল্লায় সড়ক নির্মাণ নিয়ে বিরোধে খুনের ঘটনায় মামলা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামির পদত্যাগ
ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামির পদত্যাগ

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ‘সরিয়ে নেওয়া’ নিয়ে মুখ খুললেন নেতানিয়াহু
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ‘সরিয়ে নেওয়া’ নিয়ে মুখ খুললেন নেতানিয়াহু

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের চার দফা প্রস্তাবে সমর্থন ইরানের
চীনের চার দফা প্রস্তাবে সমর্থন ইরানের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মন্ত্রী না হলে’ সাক্ষাৎ নয়, দিল্লিকে কী বার্তা দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী?
‘মন্ত্রী না হলে’ সাক্ষাৎ নয়, দিল্লিকে কী বার্তা দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী?

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী
উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর, রেটিং বাড়ল বাংলাদেশের
ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর, রেটিং বাড়ল বাংলাদেশের

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ছেলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
ছেলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট
গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন প্রস্তাবের কড়া জবাব : হরমুজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণ চায় ইরান
মার্কিন প্রস্তাবের কড়া জবাব : হরমুজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণ চায় ইরান

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প
যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-সৌদির যুদ্ধ বাঁধাতে ইসরায়েলি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে: সৌদি রাজপরিবারের শীর্ষ সদস্য
ইরান-সৌদির যুদ্ধ বাঁধাতে ইসরায়েলি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে: সৌদি রাজপরিবারের শীর্ষ সদস্য

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা
বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়েতে স্বর্ণ কেনা বন্ধের আহ্বান মোদির, কী সংকটে ভারত
বিয়েতে স্বর্ণ কেনা বন্ধের আহ্বান মোদির, কী সংকটে ভারত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইন্টারনেট 'বোমা', মুহূর্তেই অচল পুরো বিশ্ব!
ইরানের ইন্টারনেট 'বোমা', মুহূর্তেই অচল পুরো বিশ্ব!

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিজের জেনারেলদের ওপর কেন আস্থা হারালেন শি জিনপিং
নিজের জেনারেলদের ওপর কেন আস্থা হারালেন শি জিনপিং

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেনী ও পঞ্চগড়ের সমালোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার
ফেনী ও পঞ্চগড়ের সমালোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী
ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা
বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজের চাকায় আগুন
কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজের চাকায় আগুন

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুরুতেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর, মমতার অভিযোগ ঠিকই ছিলো?
শুরুতেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর, মমতার অভিযোগ ঠিকই ছিলো?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিরপুর থানার হত্যাচেষ্টা মামলা : ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল
মিরপুর থানার হত্যাচেষ্টা মামলা : ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধ থেকে যে বড় শিক্ষা নিচ্ছে চীন: সিএনএন’র বিশ্লেষণ
ইরান যুদ্ধ থেকে যে বড় শিক্ষা নিচ্ছে চীন: সিএনএন’র বিশ্লেষণ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া
জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর
মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেনজেনে প্রবেশ করতে ভ্রমণকারীদের সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ
শেনজেনে প্রবেশ করতে ভ্রমণকারীদের সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চাঁদাবাজি-ছিনতাই-মাদক ঠেকাতে যাদের ফোন দিই তারাই গডফাদার : এডিসি জুয়েল
চাঁদাবাজি-ছিনতাই-মাদক ঠেকাতে যাদের ফোন দিই তারাই গডফাদার : এডিসি জুয়েল

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপে নামার আগে ১০ শর্ত, আসলে কী চাইছে ইরান
বিশ্বকাপে নামার আগে ১০ শর্ত, আসলে কী চাইছে ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মার্কিন চুক্তির প্রভাব আমদানিনীতিতে
মার্কিন চুক্তির প্রভাব আমদানিনীতিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ
ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ভিসা বন্ডের অর্থ পাঠানোর অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ভিসা বন্ডের অর্থ পাঠানোর অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

পেছনের পৃষ্ঠা

অটোরিকশাচালক হত্যা, গ্রেপ্তার ২
অটোরিকশাচালক হত্যা, গ্রেপ্তার ২

দেশগ্রাম

হঠাৎ মৌয়ালের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল বাঘ
হঠাৎ মৌয়ালের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল বাঘ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিকারিদের কাছ থেকে উদ্ধার হরিণ
শিকারিদের কাছ থেকে উদ্ধার হরিণ

দেশগ্রাম

গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করলেই এগোবে বাংলাদেশ
গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করলেই এগোবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

শেনজেন ভিসায় প্রবেশে সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ
শেনজেন ভিসায় প্রবেশে সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ

পেছনের পৃষ্ঠা

চুরির অভিযোগে যুবককে গাছে বেঁধে মারধর
চুরির অভিযোগে যুবককে গাছে বেঁধে মারধর

পেছনের পৃষ্ঠা

এবার হামলা মাজারের খাদেমের ওপর
এবার হামলা মাজারের খাদেমের ওপর

পেছনের পৃষ্ঠা

জামায়াত কর্মী গুলিবিদ্ধ নিজ বাড়ির সামনে
জামায়াত কর্মী গুলিবিদ্ধ নিজ বাড়ির সামনে

পেছনের পৃষ্ঠা

বাজারে অপরিপক্ব লিচু
বাজারে অপরিপক্ব লিচু

দেশগ্রাম

চারজনকে গলা কেটে একজনকে শ্বাস রোধে হত্যা করা হয়েছে
চারজনকে গলা কেটে একজনকে শ্বাস রোধে হত্যা করা হয়েছে

পেছনের পৃষ্ঠা

গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ গৃহকর্তার মৃত্যু
গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ গৃহকর্তার মৃত্যু

নগর জীবন

জ্বালানিসংকট সমাধান ছাড়া আস্থা ফিরবে না বিনিয়োগকারীদের
জ্বালানিসংকট সমাধান ছাড়া আস্থা ফিরবে না বিনিয়োগকারীদের

পেছনের পৃষ্ঠা

২৫০ টাকায় শনাক্ত করা যাবে সবজিতে বিষাক্তের মাত্রা
২৫০ টাকায় শনাক্ত করা যাবে সবজিতে বিষাক্তের মাত্রা

পেছনের পৃষ্ঠা

গ্যাস লাইনে লিকেজে বিস্ফোরণ, দগ্ধ একই পরিবারের চারজন
গ্যাস লাইনে লিকেজে বিস্ফোরণ, দগ্ধ একই পরিবারের চারজন

দেশগ্রাম

স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপে গোলাগুলি
স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপে গোলাগুলি

পেছনের পৃষ্ঠা

গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ প্রকাশ করা যাবে না
গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ প্রকাশ করা যাবে না

পেছনের পৃষ্ঠা

আফজাল নাছের ফের রিমান্ডে
আফজাল নাছের ফের রিমান্ডে

পেছনের পৃষ্ঠা

গর্ত-খানাখন্দে মারণফাঁদ
গর্ত-খানাখন্দে মারণফাঁদ

দেশগ্রাম

অসুস্থ অর্ধশতাধিক শ্রমিক হাসপাতালে
অসুস্থ অর্ধশতাধিক শ্রমিক হাসপাতালে

দেশগ্রাম

পচা ডিম দিয়ে তৈরি হচ্ছিল খাদ্যপণ্য
পচা ডিম দিয়ে তৈরি হচ্ছিল খাদ্যপণ্য

দেশগ্রাম

পানিতে ডুবে প্রাণ গেল পাঁচ শিশুর
পানিতে ডুবে প্রাণ গেল পাঁচ শিশুর

দেশগ্রাম

রত্নগর্ভা সম্মাননা পেলেন ৩৫ মা
রত্নগর্ভা সম্মাননা পেলেন ৩৫ মা

নগর জীবন

দুদকের গণশুনানিতে শতাধিক অভিযোগ
দুদকের গণশুনানিতে শতাধিক অভিযোগ

দেশগ্রাম

তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষ আহত ৮
তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষ আহত ৮

দেশগ্রাম

প্রাকৃতিকভাবে পাকলেই মিলবে চাঁপাইয়ের আম
প্রাকৃতিকভাবে পাকলেই মিলবে চাঁপাইয়ের আম

দেশগ্রাম

বন্ধুকে বাসায় ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা
বন্ধুকে বাসায় ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা

নগর জীবন