শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা

ফাইজুস সালেহীন
প্রিন্ট ভার্সন
নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা

বাংলাদেশে এই সময়ে সবচেয়ে বেশি আলোচিত রাজনৈতিক ইস্যু কোনটি? আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। মাঠে দলটি না থাকলেও আলোচনায় আছে সবখানে। টেলিভিশন ও সামাজিক মাধ্যমের টক শো এবং স্ট্যাটাসে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে বিস্তর। আওয়ামী লীগকে নিয়ে পলিটিক্স জমেছে বেশ। যে বিএনপি অতীতে বহুবার বলেছে যে তারা নির্বাহী আদেশে কোনো দল নিষিদ্ধ করার পক্ষপাতী নয়। সেই দলটিই পার্লামেন্টে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখে আইন পাস করেছে। পক্ষান্তরে যে জামায়াতে ইসলামী আওয়ামী লীগকে ব্যান করার দাবিতে সোচ্চার ছিল, তারা এখন বলছে যে তারা চায় সব দল দেশে রাজনীতি করুক। বর্তমানে আওয়ামী লীগ প্রশ্নে বিএনপির যে অবস্থান, জামায়াতে ইসলামী তার পক্ষে নয়। সরকারি ও বিরোধী-উভয় পক্ষের কাছে আওয়ামী লীগ যেন ইস্কাপনের টেক্কা। শেষ পর্যন্ত কে কার ওপর টেক্কা মারে সেটাই দেখার বিষয়।

আওয়ামী লীগ প্রশ্নে বিএনপির মনের কথা কী, আর জামায়াতই বা আওয়ামী লীগ ইস্যুটিকে কীভাবে কাজে লাগাতে চায় সে-ও এক চিন্তার বিষয়। ৫ আগস্টের আগে পর্যন্ত বিএনপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল আওয়ামী লীগের সঙ্গে। জামায়াতে ইসলামী ছিল বিএনপির কৌশলগত সহযাত্রী। এখন বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বিতা জামায়াতের সঙ্গে। আওয়ামী লীগ মাঠে নেই। কিন্তু এই দলটির হাজার হাজার কর্মী-সমর্থক আছেন। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত উভয় দলই আওয়ামী লীগ ঘরানার ভোট নিজেদের বাক্সে টানার কৌশল করেছিল। নানাভাবে আওয়ামী লীগমনাদের কাছে টানার চেষ্টা করেছে। বাস্তবে বিএনপি আওয়ামী লীগের ভোট বেশি টানতে পেরেছে। এ ক্ষেত্রে বিএনপির নিজস্ব কৌশলের চেয়ে আওয়ামী লীগ ঘরানার ভোটারদের স্বপ্রণোদিত আদর্শিক নৈকট্যবোধ বেশি কাজ করেছে। তারা মনে করেছে, বিএনপি আর যা-ই হোক স্বাধীনতাবিরোধী দল নয়, বাহাত্তরের সংবিধানের প্রতিও বিদ্বিষ্ট নয়, ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি পুরোপুরি উপেক্ষা করে না, মৌলবাদী চিন্তার ধারকও নয়-ইত্যাদি বিবেচনায় আওয়ামী লীগের ভোটাররা মন্দের ভালো হিসেবে বিএনপিকে বেছে নিয়েছে। তার সর্বোৎকৃষ্ট প্রমাণ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জসহ বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়। বৃহত্তর এই অঞ্চলের মানুষ স্বাভাবিক কারণেই আওয়ামী মনোভাবাপন্ন। সেই জনগণ এবার বিএনপিতে আস্থা রেখে নৈকট্যবোধের পরিচয় দিয়েছেন। সমীকরণটি বিএনপির নীতিনির্ধারকদের না বোঝার কোনো কারণ নেই। তাহলে বুঝেশুনেও দলটি আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা এনডোর্স করল কেন! প্রশ্নটি জটিল, উত্তর সম্ভবত আরও বেশি জটিল। এখানে এ-ও মনে রাখা দরকার যে দল হিসেবে আওয়ামী লীগ কিন্তু নিষিদ্ধ নয়। তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ, তা-ও বিচার সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত। কার বিচার? আওয়ামী লীগের? যতদূর জানি এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের নামে কোনো মামলা হয়নি।

নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষাসাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিনকে গ্রেপ্তার এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে তাঁকে জামিনে মুক্তি দেওয়ায় জনমনে সম্ভব-অসম্ভব নানারকম চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে। অনুমান বাতাসে ভাসে। এর ভিত্তি থাকতেই হবে এমন কোনো বাঁধাধরা নিয়ম নেই। ইচ্ছামতো অনুমান তো করাই যায়। প্রকৃতপক্ষে কী ঘটবে, সময় হলে তা স্পষ্ট বোঝা যাবে।

রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধকরণ, দমনপীড়ন-এগুলো দেশ ও বিদেশের ইতিহাসে নতুন নয়। কখনো কখনো গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত রাখতে নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় রাজনৈতিক দলবিশেষের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ জরুরি হয়ে পড়ে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে জার্মানির নাৎসি পার্র্টি নিষিদ্ধ করার কোনো বিকল্প ছিল না। নাৎসি মতাদর্শের ওপর নিষেধাজ্ঞা জার্মানির গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাজনীতিতে উল্লেখ করার মতো কোনো নেতিবাচক অভিঘাত সৃষ্টি করেনি। তা না করলেও দুনিয়ার বহু দেশে কালের বিচারে দল বা মতাদর্শ অবদমনের পন্থা সুফল দেয়নি। উল্টো গণতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। যে শাসক দল গণতন্ত্রের কথা বলে কিংবা নিজের শ্রেণি বা বর্ণের স্বার্থে রাজনৈতিক মতাদর্শ বর্জিতকরণের নীতি গ্রহণ করেছে আখেরে তাদেরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এবং চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে। কোনো দল বা দলের অনুসৃত মতাদর্শ চিরকাল মাটিচাপা দিয়ে রাখা যায় না। বাংলাদেশের ইতিহাসেও তার নজির রয়েছে। যখন কোনো দল বা মতাদর্শ নিষেধাজ্ঞা ও দমনপীড়নের শিকার হয়, রাজনৈতিক রসায়নে তখন এমন কিছু বিক্রিয়া ঘটে, যা নিয়ন্ত্রণ করা শাসন-প্রশাসনের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে না। নিষিদ্ধ পার্টি পরিস্থিতির চাপে আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যেতে পারে। আর যখন কোনো পার্টি প্রকাশ্য রাজনীতির পথ পরিহার করে গোপন তৎপরতায় লিপ্ত হয়, তখন সে কী ধরনের রণকৌশল গ্রহণ করে তার কোনো ঠিক নেই। গুপ্তপন্থার রাজনীতি সামাজিক সুস্থিতি ও গণতন্ত্রের পথকে কণ্টকিত করতে পারে। কখনো কখনো তারা শাসক দলের ভিতরেও ছদ্মবেশে অবস্থান নিতে পারে। যেসব বুর্জোয়া দলের মিছিলে গেলেই সেই দলের সঙ্গে মিশে যাওয়া যায়, সেসব দলে অনুপ্রবেশ করা মোটেও কোনো কঠিন কাজ নয়। আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ভিতরে নিষিদ্ধ বা অত্যাচারিত দলের বহু অ্যাকটিভিস্ট ছদ¥বেশে আশ্রয় নিয়েছিল। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তারা তাদের প্রকৃত চেহারা দেখিয়েছে সগৌরবে। এনসিপির অনেক নেতা ছাত্রলীগের ভিতরে থেকেই পরিপুষ্ট হয়েছেন। এসব চোখে আঙুল দিয়ে দেখানোর প্রয়োজন পড়ে না। স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে আত্মপ্রকাশ করা রাজনৈতিক দল জাসদকে কঠোর হস্তে দমন করার পন্থা শেখ মুজিব সরকারের জন্য গলার কাঁটা হয়ে উঠেছিল। জাসদের জন্য প্রকাশ্য রাজনীতি কঠিন হয়ে পড়লে দলের ভিতরে উগ্রপন্থিরা শক্তিশালী হয়ে ওঠে। গণবাহিনীর মাধ্যমে দলটি সশস্ত্র পথে পা বাড়ায়। অনেকে মনে করেন ১৯৭৫ সালের পটভূমি তৈরিতে জাসদের অবদান নেহাত কম নয়। ১৯৭২ সালের সংবিধানে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা হলেও ধর্মাশ্রিত রাজনীতি নিঃশেষিত হয়নি। পঁচাত্তরের পট পরিবর্তনের পর অনেক দিন পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামী এ দেশে নিষিদ্ধই ছিল। জামায়াতের অনুপস্থিতিতে আইডিএলের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল মাওলানা রহিমের নেতৃত্বে। আইডিএল জামায়াত ও অন্য ইসলামপন্থিদের একত্র করেছিল। এগুলো ইতিহাসের সত্য। পরে জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য ইসলামিক দল নিজেদের নামে দল করার সুযোগ পেলে আইডিএলের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে যায়।

দল বা মতাদর্শ নিষিদ্ধ হলে বা দমনপীড়ন নেমে এলে আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যাওয়ার আশঙ্কা ছাড়াও বিবিধ সিনড্রোম দেখা দিতে পারে। বাহ্যিক রূপান্তর ঘটতে পারে। অভিন্ন মতাদর্শের নেতা-কর্মীরা ভিন্ন নামে সক্রিয় হতে পারেন। আইডিএল তার প্রকৃষ্ট প্রমাণ। নিবর্তনের শিকার দলের প্রতি জনগণের মধ্যে সহানুভূতির মনোভাব তৈরি হতে পারে। যার ফলে ফিনিক্স পাখির মতো নিপীড়িত দলটির পক্ষে আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে আত্মপ্রকাশ করতে পারা বিচিত্র নয়। দক্ষিণ আফ্রিকায় নেলসন ম্যান্ডেলার পার্টি ত্রিশ বছর নিষিদ্ধ ছিল। যখন দলটিকে শ্বেতাঙ্গ শাসক গোষ্ঠী নিষিদ্ধ করে তখন এএনসি খুব বেশি শক্তিশালী ছিল না। কিন্তু নব্বই সালে ফিরে আসে অনেক বেশি শক্তি নিয়ে। অবসান ঘটে বর্ণবাদী শ্বেতাঙ্গ শাসনের। দীর্ঘ সাতাশ বছর কারান্তরিন থেকে নেলসন ম্যান্ডেলা তাঁর জনগণের কাছে ফিরে আসেন জাতির অবিসংবাদিত নেতা হয়ে। তুরস্কে মোস্তফা কামাল পাশা ধর্মভিত্তিক সব দল নিষিদ্ধ করেছিলেন। বছরের পর বছর সে দেশে ধর্মভিত্তিক কোনো রাজনৈতিক দল মাথা তুলতে পারেনি। কিন্তু ধর্মভিত্তিক রাজনীতির মৃত্যু ঘটেনি। বরং ইসলামিস্ট দলগুলোর সমন্বয়ে গড়ে ওঠে জাস্টিস ডেভেলপমেন্ট পার্টি, যার নেতা রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। জাস্টিস পার্টিই এখন ক্ষমতায় এবং বলা চলে অপ্রতিদ্বন্দ্বী। মিসরে মুসলিম ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ করেও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশের নিকট প্রতিবেশী নেপালে কমিউনিস্ট পার্টি বছরের পর বছর নিষিদ্ধ ছিল। দলটি সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে শেষ পর্যন্ত জনগণের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করতে পেরেছিল। পুষ্পকমল দহল প্রচণ্ড; কমিউনিস্ট নেতা নেপালের ইতিহাসে অন্যতম জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

বস্তুত দল নিষিদ্ধ করে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কোনো ভালো ফল পাওয়া যায়নি। মাঝখান থেকে দুর্বল হয়েছে গণতন্ত্রের ভিত। কার্যত অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। আর গণতন্ত্রই হচ্ছে সুশাসন ও সামাজিক সুস্থিরতার চাবিকাঠি। আমরা যখন বহুদলীয় গণতন্ত্রের কথা বলি, তখন কোনোমতেই রাজনৈতিক দলবিশেষকে আইন দ্বারা বর্জিতকরণের নীতি গ্রহণ করা উচিত নয়। শত ফুল ফুটতে দাও। রাজনৈতিক দল বা মতাদর্শকে গ্রহণ-বর্জনের দায়ভার সরকারের নিজের কাঁধে তুলে নেওয়ার চেয়ে জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। কোনো রাজনৈতিক দলীয় সরকারের নিজের সঙ্গে নিজের বিরোধ করা উচিত নয়। স্ববিরোধিতা সব সময়ই বিপজ্জনক। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ দিনবদলের স্লোগান দিলেও নিজের মন বদলায়নি। গণতন্ত্রের কথা বলে কৌশলে মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে ছিল। পরিণাম ভালো হয়নি। আব্রাহাম লিঙ্কনের সেই অবিস্মরণীয় বাণীটি সবারই মনে রাখা দরকার। তিনি বলেছিলেন, দেশের সব মানুষকে কিছুদিন ধোঁকা দেওয়া যায়, কিছু মানুষকে সব সময়ই বোকা বানিয়ে রাখা যায়। কিন্তু সব মানুষকে সব সময় বোকা বানিয়ে রাখা যায় না।

♦ লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক

এই বিভাগের আরও খবর
শ্রমবাজারে শনির দশা
শ্রমবাজারে শনির দশা
গণপরিবহন
গণপরিবহন
কোরবানি : ত্যাগের মহিমা
কোরবানি : ত্যাগের মহিমা
পুলিশের আচরণ ও জনগণের আস্থা
পুলিশের আচরণ ও জনগণের আস্থা
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
শিশুদের স্ক্রিন আসক্তি
শিশুদের স্ক্রিন আসক্তি
রপ্তানি খাতে সুখবর
রপ্তানি খাতে সুখবর
সৎকাজের আদেশই অসৎকাজের নিষেধ
সৎকাজের আদেশই অসৎকাজের নিষেধ
উড়ন্ত রোবট্যাক্সি
উড়ন্ত রোবট্যাক্সি
বাজেটে ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষিকে প্রাধান্য দেওয়া চাই
বাজেটে ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষিকে প্রাধান্য দেওয়া চাই
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
হামে শিশুমৃত্যু
হামে শিশুমৃত্যু
সর্বশেষ খবর
সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজা সম্পন্ন, অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজা সম্পন্ন, অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

মাদকের বড় চালান ঢাকাসহ আশপাশের জেলায় সরবরাহ আসছিলেন তিনি
মাদকের বড় চালান ঢাকাসহ আশপাশের জেলায় সরবরাহ আসছিলেন তিনি

২ মিনিট আগে | নগর জীবন

ট্রাকের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, প্রাণ গেল পিতা-পুত্রের
ট্রাকের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, প্রাণ গেল পিতা-পুত্রের

২ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

প্রথম সেশনে টাইগারদের দাপট, চার উইকেট হারাল পাকিস্তান
প্রথম সেশনে টাইগারদের দাপট, চার উইকেট হারাল পাকিস্তান

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

এবার কানাডায় হান্টাভাইরাস আতঙ্ক, হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে এক ব্যক্তি
এবার কানাডায় হান্টাভাইরাস আতঙ্ক, হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে এক ব্যক্তি

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাগের ভেতরে মিলল বোমা সদৃশ বস্তু, চিরকুট ও সাদা কাপড়
ব্যাগের ভেতরে মিলল বোমা সদৃশ বস্তু, চিরকুট ও সাদা কাপড়

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিতে তুরস্ক যাচ্ছে ইরান
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিতে তুরস্ক যাচ্ছে ইরান

২২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান নিয়ে ট্রাম্পের নরম সুর, চুক্তি হলে মানবে কি ইসরায়েল?
ইরান নিয়ে ট্রাম্পের নরম সুর, চুক্তি হলে মানবে কি ইসরায়েল?

২৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শাহ আলী মাজারে হামলা: ভিডিও ফুটেজ দেখে জামায়াতের তিন কর্মী গ্রেফতার
শাহ আলী মাজারে হামলা: ভিডিও ফুটেজ দেখে জামায়াতের তিন কর্মী গ্রেফতার

২৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

যশোর জেলা যুবলীগের সভাপতি গ্রেফতার
যশোর জেলা যুবলীগের সভাপতি গ্রেফতার

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অনার্স পড়ুয়াদের বৃত্তি দিচ্ছে সরকার, আবেদন শুরু
অনার্স পড়ুয়াদের বৃত্তি দিচ্ছে সরকার, আবেদন শুরু

৩০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বেনাপোলে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত
বেনাপোলে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মিরপুরে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ আটক ১
মিরপুরে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ আটক ১

৪৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রাইভেট কারে এসে মাদ্রাসার দানবাক্স লুট
প্রাইভেট কারে এসে মাদ্রাসার দানবাক্স লুট

৪৪ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

গারো ও খাসিয়া সম্প্রদায়ের নারীদের নিয়ে শাবি শিক্ষকদের স্বাস্থ্য গবেষণা সেমিনার
গারো ও খাসিয়া সম্প্রদায়ের নারীদের নিয়ে শাবি শিক্ষকদের স্বাস্থ্য গবেষণা সেমিনার

৪৯ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

‘মার্কিন আগ্রাসন’ আতঙ্কে যুদ্ধ প্রস্তুতি শুরু কিউবার
‘মার্কিন আগ্রাসন’ আতঙ্কে যুদ্ধ প্রস্তুতি শুরু কিউবার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে পৌঁছেছেন প্রায় ৬০ হাজার বাংলাদেশি হজযাত্রী, মৃত্যু ১৬
সৌদিতে পৌঁছেছেন প্রায় ৬০ হাজার বাংলাদেশি হজযাত্রী, মৃত্যু ১৬

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিড়াল রহস্য: সাত বছরে পাঁচ প্রধানমন্ত্রী, ব্রিটেনে কি শাসন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে
বিড়াল রহস্য: সাত বছরে পাঁচ প্রধানমন্ত্রী, ব্রিটেনে কি শাসন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের খারাপ সময় আসছে: চীন থেকে ফিরে হুঙ্কার ট্রাম্পের
ইরানের খারাপ সময় আসছে: চীন থেকে ফিরে হুঙ্কার ট্রাম্পের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করল দুই দেশ
ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করল দুই দেশ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফাইনালে হেরে গেল রোনালদোর আল নাসর
ফাইনালে হেরে গেল রোনালদোর আল নাসর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উখিয়ায় দুই লাখ নব্বই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার
উখিয়ায় দুই লাখ নব্বই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হটস্পট ৩০ উপজেলায় হাম সংক্রমণ কমেছে
হটস্পট ৩০ উপজেলায় হাম সংক্রমণ কমেছে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেনীতে জোড়াতালির বাঁধে বাড়ছে শঙ্কা, বর্ষা ঘিরে আতঙ্কে লাখো মানুষ
ফেনীতে জোড়াতালির বাঁধে বাড়ছে শঙ্কা, বর্ষা ঘিরে আতঙ্কে লাখো মানুষ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইবোলা ভাইরাসে জরুরি অবস্থা ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার
ইবোলা ভাইরাসে জরুরি অবস্থা ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তাসকিনের জোড়া আঘাত, দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পাকিস্তান
তাসকিনের জোড়া আঘাত, দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পাকিস্তান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কক্সবাজারে এক লাখ ২০ হাজার ইয়াবাসহ তিন নারী গ্রেফতার
কক্সবাজারে এক লাখ ২০ হাজার ইয়াবাসহ তিন নারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতার বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শুরু আজ
ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতার বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শুরু আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডাইভিংয়ে নেমে নিখোঁজ ৫ ইতালীয় পর্যটক, খুঁজতে গিয়ে প্রাণ গেল ডুবুরির
ডাইভিংয়ে নেমে নিখোঁজ ৫ ইতালীয় পর্যটক, খুঁজতে গিয়ে প্রাণ গেল ডুবুরির

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলের প্লে-অফ: কোন দলের কী সমীকরণ?
আইপিএলের প্লে-অফ: কোন দলের কী সমীকরণ?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’
স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা
আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!
ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক
সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২০২৬ বিশ্বকাপ স্কোয়াড: দেখে নিন অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় তালিকা!
২০২৬ বিশ্বকাপ স্কোয়াড: দেখে নিন অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় তালিকা!

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা
যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা
এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পরেই তাইওয়ান বললো ‘আমরা স্বাধীন’
ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পরেই তাইওয়ান বললো ‘আমরা স্বাধীন’

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে
পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন
বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত
হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের
হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার
জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার

২৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান
আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর
আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী
জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার
অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া
হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অনুমতির আশায় ইরানের দুয়ারে ইউরোপীয় দেশগুলো?
অনুমতির আশায় ইরানের দুয়ারে ইউরোপীয় দেশগুলো?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুই মাসের মধ্যে প্রবাসী কার্ড দেওয়া হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী
দুই মাসের মধ্যে প্রবাসী কার্ড দেওয়া হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট
বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডস থেকে ভারতে ফিরল চোল সাম্রাজ্যের ১০০০ বছরের পুরোনো তাম্রলিপি
নেদারল্যান্ডস থেকে ভারতে ফিরল চোল সাম্রাজ্যের ১০০০ বছরের পুরোনো তাম্রলিপি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস
জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নথি ফাঁস: উইলিয়াম-কেটের বাড়ি ভাড়ার অংক শুনলে চোখ কপালে উঠবে!
নথি ফাঁস: উইলিয়াম-কেটের বাড়ি ভাড়ার অংক শুনলে চোখ কপালে উঠবে!

২২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সৌদিকে ছেড়ে ইসরায়েলি আশ্রয়ে আমিরাত, বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দৃশ্যপট?
সৌদিকে ছেড়ে ইসরায়েলি আশ্রয়ে আমিরাত, বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দৃশ্যপট?

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ ২০২৬ এর অফিসিয়াল গান ‘ডাই ডাই’, একসঙ্গে শাকিরা ও বার্না বয়
বিশ্বকাপ ২০২৬ এর অফিসিয়াল গান ‘ডাই ডাই’, একসঙ্গে শাকিরা ও বার্না বয়

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের ধাক্কায় শেষ হচ্ছে মার্কিন এমকিউ-নাইন রিপার ড্রোনের যুগ?
ইরানের ধাক্কায় শেষ হচ্ছে মার্কিন এমকিউ-নাইন রিপার ড্রোনের যুগ?

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের

পেছনের পৃষ্ঠা

উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ
উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত
জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত

পেছনের পৃষ্ঠা

মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট
মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট

প্রথম পৃষ্ঠা

চরম সংকটে আবাসন খাত
চরম সংকটে আবাসন খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে
প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে

পেছনের পৃষ্ঠা

এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক
এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক

মাঠে ময়দানে

ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার
ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’
প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’

মাঠে ময়দানে

ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা
ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা

শোবিজ

পায়েলের যত অভিযোগ
পায়েলের যত অভিযোগ

শোবিজ

এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের
এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের

মাঠে ময়দানে

শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি
শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি

মাঠে ময়দানে

মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক
মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক

মাঠে ময়দানে

কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি
কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি

নগর জীবন

শাকিবের বিশেষ বার্তা
শাকিবের বিশেষ বার্তা

শোবিজ

দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা
দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা

প্রথম পৃষ্ঠা

সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি
সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি

মাঠে ময়দানে

তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা
তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা

শোবিজ

তাদের ‘না বলা গল্প’
তাদের ‘না বলা গল্প’

শোবিজ

টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল
টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল

মাঠে ময়দানে

ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প
ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প

প্রথম পৃষ্ঠা

ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক
ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ
পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তরায় হজ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
উত্তরায় হজ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার
হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন
উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে
গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা