শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০০:৪১, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

গণভোট নিয়ে গণবিতর্ক উসকে দেওয়ার নেপথ্যে কী?

অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান
প্রিন্ট ভার্সন
গণভোট নিয়ে গণবিতর্ক উসকে দেওয়ার নেপথ্যে কী?

চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে হাসিনার ফ্যাসিবাদের লজ্জাজনক পতন ঘটে। এরপর দেড় বছরের অন্তর্বর্তী সরকারের শাসন। এ সময়ের মধ্যে রাষ্ট্র সংস্কারে নানা উদ্যোগ-প্রচেষ্টা ছিল দৃশ্যমান। ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সরকারের সিরিজ বৈঠক হয়। বিশেষ করে সংস্কার কমিশনের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য দল তাদের মতামত তুলে ধরে। অবশেষে ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট। নির্বাচনে ভূমিধস বিজয় নিয়ে সরকার গঠন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপি গণভোটের পক্ষে জোরালো প্রচারণা চালায়। দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যন্ত সব স্তরেই বার্তা দেওয়া হয়, জনগণের সরাসরি মতামতই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। বিশেষ করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সক্রিয়ভাবে প্রচারণা চালানোয় বিষয়টি আরও বেশি রাজনৈতিক গুরুত্ব পায়। ফলে গণভোট কেবল একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নয়, বরং একটি রাজনৈতিক অঙ্গীকার হিসেবেও প্রতিষ্ঠা পায় জনগণের সামনে।

ক্ষমতায় আসার পর পরিস্থিতি যেন ভিন্ন এক বাস্তবতায় দাঁড়িয়েছে। জুলাই সনদ ও সংস্কার ইস্যুতে সংসদে যে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে, তা নতুন করে প্রশ্ন তুলছে- বিএনপি কি তাদের আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে? নাকি এটি রাজনৈতিক বাস্তবতারই একটি স্বাভাবিক রূপ, যেখানে প্রতিশ্রুতি ও প্রয়োগের মধ্যে ব্যবধান তৈরি হয়।

গণভোটের ধারণাটি নিজেই একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এটি জনগণের সরাসরি মতামতকে গুরুত্ব দেয় এবং রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। বিএনপি যখন এ প্রক্রিয়ার পক্ষে অবস্থান নেয়, তখন তারা মূলত একটি অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু গণভোটের ফলাফল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যে ধরনের রাজনৈতিক, সাংবিধানিক এবং প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হতে পারে, তা অনেক সময় পূর্বানুমান করা সম্ভব হয় না।

জুলাই সনদ ও সংস্কার ইস্যুটি ঠিক এমনই একটি জটিল বাস্তবতা তৈরি করেছে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হওয়ার পর জনগণের প্রত্যাশা ছিল দ্রুত এবং কার্যকর সংস্কার। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, সেই সংস্কার প্রক্রিয়া নিয়ে সংসদে তীব্র মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। বিরোধী দলগুলো এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে সরকারকে চাপে রাখার চেষ্টা করছে। তারা দাবি করছে, সরকার গণভোটের চেতনা বাস্তবায়নে আন্তরিক নয়, বরং তা রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে-বিএনপি কি সত্যিই গণভোটের চেতনাপরিপন্থি আচরণ করছে? এর উত্তর হলো, না। কেননা দলটি আগে থেকেই বলে আসছিল, ঐকমত্য কমিশনের সভায় যেসব বিষয়ে দলগুলো একমত হয়নি বা যেগুলোতে নোট অব ডিসেন্ট এসেছে সেগুলো দলগুলো তাদের মতো করে নির্বাচনি ইশতেহারে দেবে এবং ভোটারদের রায় পেলে তারা সেভাবেই তা বাস্তবায়ন করবে। ফলে নির্বাচনের পরের পরিস্থিতি অনুযায়ী দলটি এখন বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করছে। সংস্কার বাস্তবায়নের পথে বাস্তব জটিলতা, আইনগত বাধা কিংবা রাজনৈতিক সমঝোতার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

রাজনীতিতে প্রায়ই দেখা যায়-বিরোধী অবস্থানে থাকা অবস্থায় যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, ক্ষমতায় এসে তা বাস্তবায়ন করা অনেক বেশি কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ তখন কেবল রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, রাষ্ট্র পরিচালনার বাস্তবতা, প্রশাসনিক কাঠামো এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কসহ নানা বিষয় বিবেচনায় নিতে হয়। বিএনপির ক্ষেত্রেও হয়তো সে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

অন্যদিকে বিরোধী দলগুলোর ভূমিকাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। তারা জুলাই সনদ ও সংস্কার ইস্যু সামনে এনে সংসদে যে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করছে, তা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই দেখা যেতে পারে। একটি সুস্থ গণতন্ত্রে বিরোধী দলের কাজই হচ্ছে সরকারের কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ করা, জবাবদিহির আওতায় আনা এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষায় চাপ সৃষ্টি করা। তবে অনেক সময় এ চাপ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে ওঠে এবং মূল ইস্যুর চেয়ে রাজনৈতিক সুবিধা অর্জনই মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়।

অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে বিরোধী দলগুলো একদিকে যেমন গণভোটের চেতনা বাস্তবায়নের দাবি তুলছে, অন্যদিকে এটিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মাঠ গরম করার সুযোগও নিচ্ছে। কারণ, যে কোনো বড় জাতীয় ইস্যু রাজনীতিতে নতুন করে মেরুকরণ সৃষ্টি করতে পারে, যা বিরোধী শক্তির জন্য একটি সুযোগ হিসেবে কাজ করে। পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ক্ষমতার কাছাকাছি চলে আসার সুযোগ পাওয়া যে কোনো রাজনৈতিক দলের জন্যই বিষয়টি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে উঠতে পারে। হচ্ছেও তাই।

এখানে আরও একটি বিষয় বিবেচ্য-গণভোটের ফলাফল বাস্তবায়ন মানেই তাৎক্ষণিক পরিবর্তন নয়। অনেক ক্ষেত্রে এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া, যেখানে ধাপে ধাপে সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হয়। কিন্তু সেই প্রক্রিয়াটি যদি জনগণের কাছে স্পষ্টভাবে উপস্থাপন না করা হয়, তাহলে বিভ্রান্তি তৈরি হয় এবং বিরোধীপক্ষ তা রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার সুযোগ পায়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত চারবার ওয়াকআউট করেছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী দল। সংসদের বাইরেও তাদের অবস্থান মারমুখী। বক্তব্য-বিবৃতিতে অসহিষ্ণু ও অশালীন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূতও। এ অবস্থায় গণভোটে তাদের অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ। বিএনপির পক্ষ থেকে জুলাই সনদের প্রতি পূর্ণ সমর্থন আগেই জানানো হয়েছে। এমনকি জুলাই সনদের ভিত্তিতে গণভোটের প্রস্তাব বিএনপিই আগে উত্থাপন করে।

সুতরাং এখন গণভোট নিয়ে গণবিতর্ক উসকে দেওয়ার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে তা নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় একটি স্থিতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থা আমাদের সবার কাম্য। এটি বাস্তবায়ন করতে চাইলে বিরোধীপক্ষকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সময় এবং সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে সরকারের পাশে দাঁড়াতে হবে। তবেই রাষ্ট্র সংস্কারের যে আকাক্সক্ষা তা বিএনপি ধারণ করে সেটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে আমি বিশ্বাস করি।

♦ লেখক : অধ্যাপক ও আহ্বায়ক, সাদা দল-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

এই বিভাগের আরও খবর
শ্রমবাজারে শনির দশা
শ্রমবাজারে শনির দশা
গণপরিবহন
গণপরিবহন
কোরবানি : ত্যাগের মহিমা
কোরবানি : ত্যাগের মহিমা
পুলিশের আচরণ ও জনগণের আস্থা
পুলিশের আচরণ ও জনগণের আস্থা
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
শিশুদের স্ক্রিন আসক্তি
শিশুদের স্ক্রিন আসক্তি
রপ্তানি খাতে সুখবর
রপ্তানি খাতে সুখবর
সৎকাজের আদেশই অসৎকাজের নিষেধ
সৎকাজের আদেশই অসৎকাজের নিষেধ
উড়ন্ত রোবট্যাক্সি
উড়ন্ত রোবট্যাক্সি
বাজেটে ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষিকে প্রাধান্য দেওয়া চাই
বাজেটে ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষিকে প্রাধান্য দেওয়া চাই
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
হামে শিশুমৃত্যু
হামে শিশুমৃত্যু
সর্বশেষ খবর
সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজা সম্পন্ন, অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজা সম্পন্ন, অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

মাদকের বড় চালান ঢাকাসহ আশপাশের জেলায় সরবরাহ আসছিলেন তিনি
মাদকের বড় চালান ঢাকাসহ আশপাশের জেলায় সরবরাহ আসছিলেন তিনি

২ মিনিট আগে | নগর জীবন

ট্রাকের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, প্রাণ গেল পিতা-পুত্রের
ট্রাকের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, প্রাণ গেল পিতা-পুত্রের

২ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

প্রথম সেশনে টাইগারদের দাপট, চার উইকেট হারাল পাকিস্তান
প্রথম সেশনে টাইগারদের দাপট, চার উইকেট হারাল পাকিস্তান

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

এবার কানাডায় হান্টাভাইরাস আতঙ্ক, হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে এক ব্যক্তি
এবার কানাডায় হান্টাভাইরাস আতঙ্ক, হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে এক ব্যক্তি

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাগের ভেতরে মিলল বোমা সদৃশ বস্তু, চিরকুট ও সাদা কাপড়
ব্যাগের ভেতরে মিলল বোমা সদৃশ বস্তু, চিরকুট ও সাদা কাপড়

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিতে তুরস্ক যাচ্ছে ইরান
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিতে তুরস্ক যাচ্ছে ইরান

২২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান নিয়ে ট্রাম্পের নরম সুর, চুক্তি হলে মানবে কি ইসরায়েল?
ইরান নিয়ে ট্রাম্পের নরম সুর, চুক্তি হলে মানবে কি ইসরায়েল?

২৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শাহ আলী মাজারে হামলা: ভিডিও ফুটেজ দেখে জামায়াতের তিন কর্মী গ্রেফতার
শাহ আলী মাজারে হামলা: ভিডিও ফুটেজ দেখে জামায়াতের তিন কর্মী গ্রেফতার

২৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

যশোর জেলা যুবলীগের সভাপতি গ্রেফতার
যশোর জেলা যুবলীগের সভাপতি গ্রেফতার

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অনার্স পড়ুয়াদের বৃত্তি দিচ্ছে সরকার, আবেদন শুরু
অনার্স পড়ুয়াদের বৃত্তি দিচ্ছে সরকার, আবেদন শুরু

৩০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বেনাপোলে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত
বেনাপোলে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মিরপুরে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ আটক ১
মিরপুরে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ আটক ১

৪৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রাইভেট কারে এসে মাদ্রাসার দানবাক্স লুট
প্রাইভেট কারে এসে মাদ্রাসার দানবাক্স লুট

৪৪ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

গারো ও খাসিয়া সম্প্রদায়ের নারীদের নিয়ে শাবি শিক্ষকদের স্বাস্থ্য গবেষণা সেমিনার
গারো ও খাসিয়া সম্প্রদায়ের নারীদের নিয়ে শাবি শিক্ষকদের স্বাস্থ্য গবেষণা সেমিনার

৪৯ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

‘মার্কিন আগ্রাসন’ আতঙ্কে যুদ্ধ প্রস্তুতি শুরু কিউবার
‘মার্কিন আগ্রাসন’ আতঙ্কে যুদ্ধ প্রস্তুতি শুরু কিউবার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে পৌঁছেছেন প্রায় ৬০ হাজার বাংলাদেশি হজযাত্রী, মৃত্যু ১৬
সৌদিতে পৌঁছেছেন প্রায় ৬০ হাজার বাংলাদেশি হজযাত্রী, মৃত্যু ১৬

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিড়াল রহস্য: সাত বছরে পাঁচ প্রধানমন্ত্রী, ব্রিটেনে কি শাসন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে
বিড়াল রহস্য: সাত বছরে পাঁচ প্রধানমন্ত্রী, ব্রিটেনে কি শাসন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের খারাপ সময় আসছে: চীন থেকে ফিরে হুঙ্কার ট্রাম্পের
ইরানের খারাপ সময় আসছে: চীন থেকে ফিরে হুঙ্কার ট্রাম্পের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করল দুই দেশ
ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করল দুই দেশ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফাইনালে হেরে গেল রোনালদোর আল নাসর
ফাইনালে হেরে গেল রোনালদোর আল নাসর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উখিয়ায় দুই লাখ নব্বই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার
উখিয়ায় দুই লাখ নব্বই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হটস্পট ৩০ উপজেলায় হাম সংক্রমণ কমেছে
হটস্পট ৩০ উপজেলায় হাম সংক্রমণ কমেছে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেনীতে জোড়াতালির বাঁধে বাড়ছে শঙ্কা, বর্ষা ঘিরে আতঙ্কে লাখো মানুষ
ফেনীতে জোড়াতালির বাঁধে বাড়ছে শঙ্কা, বর্ষা ঘিরে আতঙ্কে লাখো মানুষ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইবোলা ভাইরাসে জরুরি অবস্থা ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার
ইবোলা ভাইরাসে জরুরি অবস্থা ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তাসকিনের জোড়া আঘাত, দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পাকিস্তান
তাসকিনের জোড়া আঘাত, দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পাকিস্তান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কক্সবাজারে এক লাখ ২০ হাজার ইয়াবাসহ তিন নারী গ্রেফতার
কক্সবাজারে এক লাখ ২০ হাজার ইয়াবাসহ তিন নারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতার বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শুরু আজ
ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতার বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শুরু আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডাইভিংয়ে নেমে নিখোঁজ ৫ ইতালীয় পর্যটক, খুঁজতে গিয়ে প্রাণ গেল ডুবুরির
ডাইভিংয়ে নেমে নিখোঁজ ৫ ইতালীয় পর্যটক, খুঁজতে গিয়ে প্রাণ গেল ডুবুরির

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলের প্লে-অফ: কোন দলের কী সমীকরণ?
আইপিএলের প্লে-অফ: কোন দলের কী সমীকরণ?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’
স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা
আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!
ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক
সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২০২৬ বিশ্বকাপ স্কোয়াড: দেখে নিন অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় তালিকা!
২০২৬ বিশ্বকাপ স্কোয়াড: দেখে নিন অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় তালিকা!

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা
যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা
এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পরেই তাইওয়ান বললো ‘আমরা স্বাধীন’
ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পরেই তাইওয়ান বললো ‘আমরা স্বাধীন’

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে
পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন
বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত
হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের
হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার
জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার

২৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান
আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর
আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী
জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার
অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া
হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অনুমতির আশায় ইরানের দুয়ারে ইউরোপীয় দেশগুলো?
অনুমতির আশায় ইরানের দুয়ারে ইউরোপীয় দেশগুলো?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুই মাসের মধ্যে প্রবাসী কার্ড দেওয়া হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী
দুই মাসের মধ্যে প্রবাসী কার্ড দেওয়া হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট
বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডস থেকে ভারতে ফিরল চোল সাম্রাজ্যের ১০০০ বছরের পুরোনো তাম্রলিপি
নেদারল্যান্ডস থেকে ভারতে ফিরল চোল সাম্রাজ্যের ১০০০ বছরের পুরোনো তাম্রলিপি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস
জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নথি ফাঁস: উইলিয়াম-কেটের বাড়ি ভাড়ার অংক শুনলে চোখ কপালে উঠবে!
নথি ফাঁস: উইলিয়াম-কেটের বাড়ি ভাড়ার অংক শুনলে চোখ কপালে উঠবে!

২২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সৌদিকে ছেড়ে ইসরায়েলি আশ্রয়ে আমিরাত, বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দৃশ্যপট?
সৌদিকে ছেড়ে ইসরায়েলি আশ্রয়ে আমিরাত, বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দৃশ্যপট?

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ ২০২৬ এর অফিসিয়াল গান ‘ডাই ডাই’, একসঙ্গে শাকিরা ও বার্না বয়
বিশ্বকাপ ২০২৬ এর অফিসিয়াল গান ‘ডাই ডাই’, একসঙ্গে শাকিরা ও বার্না বয়

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের ধাক্কায় শেষ হচ্ছে মার্কিন এমকিউ-নাইন রিপার ড্রোনের যুগ?
ইরানের ধাক্কায় শেষ হচ্ছে মার্কিন এমকিউ-নাইন রিপার ড্রোনের যুগ?

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের

পেছনের পৃষ্ঠা

উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ
উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত
জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত

পেছনের পৃষ্ঠা

মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট
মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট

প্রথম পৃষ্ঠা

চরম সংকটে আবাসন খাত
চরম সংকটে আবাসন খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে
প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে

পেছনের পৃষ্ঠা

এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক
এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক

মাঠে ময়দানে

ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার
ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’
প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’

মাঠে ময়দানে

ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা
ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা

শোবিজ

পায়েলের যত অভিযোগ
পায়েলের যত অভিযোগ

শোবিজ

এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের
এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের

মাঠে ময়দানে

শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি
শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি

মাঠে ময়দানে

মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক
মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক

মাঠে ময়দানে

কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি
কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি

নগর জীবন

শাকিবের বিশেষ বার্তা
শাকিবের বিশেষ বার্তা

শোবিজ

দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা
দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা

প্রথম পৃষ্ঠা

সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি
সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি

মাঠে ময়দানে

তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা
তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা

শোবিজ

তাদের ‘না বলা গল্প’
তাদের ‘না বলা গল্প’

শোবিজ

টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল
টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল

মাঠে ময়দানে

ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প
ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প

প্রথম পৃষ্ঠা

ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক
ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ
পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তরায় হজ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
উত্তরায় হজ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার
হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন
উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে
গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা