শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

ইসলামে স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদ

মোহাম্মদ ওমর ফারুক
প্রিন্ট ভার্সন
ইসলামে স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদ

আল্লাহ মুমিনদের জীবিকা বা ধন অর্জনের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন। মুমিনদের দুনিয়াবিমুখ হওয়ার জন্য বলেননি। পবিত্র কোরআনের নির্দেশনা, ‘তোমরা নামাজ পড়েই আল্লাহর অনুগ্রহ খুঁজতে পৃথিবীর বুকে ছড়িয়ে পড় (সুরা জুমআ আয়াত ৩০)।’ নিঃসন্দেহে রিজিকের মালিক আল্লাহ। আল্লাহ এজন্য বান্দাদের তাঁর অনুগ্রহ খুঁজতে বলেছেন। অলসভাবে বসে থাকতে বলেননি। পৃথিবীর বুকে ছড়িয়ে পড় বাক্যের ভাবার্থ জীবিকার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো। যারা এ ব্যাপারে মনোযোগী নন, তারা আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে বঞ্চিত হবেন এমনটিই স্বাভাবিক।

ইসলামে স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদ পবিত্র কোরআনে জাকাত দিতে বলা হয়েছে, (সুরা বাকারা, আয়াত ৪৩) নিতে বলা হয়নি। এর দ্বারা আল্লাহপাক আমাদের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সামর্থ্যবান হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন। লক্ষণীয় যে কোরআন হাদিসে কোথাও বলা হয়নি যে জাকাত গ্রহণ করলে সওয়াব হয়, বরং সর্বত্রই বলা হয়েছে জাকাত প্রদান করলে সওয়াব হয়। এরপরও  সম্পদ উপার্জন বা স্বাবলম্বী না হওয়া সমর্থনযোগ্য নয়। দুনিয়াবিমুখ ধর্মীয় দর্শনে প্রভাবিত হয়ে আমরা রসুল (সা.)-এর সেই হাদিস পড়ি যে একজন গরিব মানুষ ধনীদের তুলনায় ৫০০ বছর আগে জান্নাতে যাবে; (তিরমিজি, ২৩৫২) অথচ অন্য হাদিস পড়ি না, যেখানে রসুল (সা.) বলেছেন, একজন শক্তিশালী মুমিন দুর্বল মুমিনের চেয়ে উত্তম। ‘শক্তিশালী মুমিন’ বলতে শুধু শারীরিক শক্তি নয়, বরং অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হওয়ার অবস্থাকেও বোঝানো হয়েছে। অন্য হাদিসে এসেছে, রসুল (সা.) বলেছেন; ‘উপরের হাত, নিচের হাত অপেক্ষা উত্তম।’ (বুখারি, ১৪২৭) অর্থাৎ যে ব্যক্তি দান করে তার হাত উপরে থাকে, আর যে ব্যক্তি দান গ্রহণ করে, তার হাত নিচে থাকে অর্থাৎ হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী যার হাত উপরে থাকে সেই উত্তম।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বান্দাকে তার সম্পদ অভাবীদের জন্য ব্যয় করতে বলেছেন, কোথাও দান গ্রহণ করতে বলেননি। আল্লাহ তাঁর মুমিন বান্দাদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘যারা আল্লাহকে না দেখে বিশ্বাস করে, নামাজ কায়েম করে এবং আল্লাহর দেওয়া সম্পদ ব্যয় করে, তারা মুমিন (সুরা বাকারা, আয়াত ৩)।’

মানুষ অভাবী হলে তাকে বিপথগামী করা সহজ। সে তার বিপদাপন্ন স্বজনদের পাশে দাঁড়ানোর সামর্থ্য রাখে না। পরিবার, সমাজ ও দেশের প্রয়োজনে অর্থ ব্যয় করার সুযোগ পায় না। ইসলামে যারা গরিব, যারা অভাবী তাদের অবজ্ঞা করা হয়নি, কিন্তু গরিব হওয়া উত্তম এমন নির্দেশনা কোথাও বলা হয়নি। আমরা আমাদের সামাজিক অবস্থার দিকে তাকালে কী দেখি? ধরা যাক হৃষ্টপুষ্ট এবং দৈহিকভাবে শক্তিশালী এমন কোনো অপরাধীকে, আর্থিকভাবে শক্তিশালী দুর্বল দেহের সমাজপতির সামনে ধরে নিয়ে আসা হলে, অপরাধী ঠিকই ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়বে। এমনকি তার মধ্যে থরথর কম্পন সৃষ্টি হবে। ওই দৈহিক শক্তিহীন অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তির দয়া পেতে অনুনয় বিনয় করবে। যৌক্তিকভাবে বলা যায়, হাদিসে শক্তিশালী মুমিন বলতে আর্থিকভাবে শক্তিশালী মুমিনের কথা বোঝানো হয়েছে। আল্লাহ তাঁর বান্দার কল্যাণ চান। বান্দা আর্থিকভাবে দুর্বল থাকবে তা আল্লাহর কাছে কাম্য নয়। কাম্য হলে নামাজ আদায়ের পরপরই আল্লাহর অনুগ্রহ পেতে সক্রিয় হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হতো না।     

কথাগুলো হৃদয়ঙ্গম করতে হবে গভীরভাবে। আল্লাহকে বিশ্বাস করা এবং নামাজ কায়েম করার পরপরই আয়াতের শেষাংশে এ কথা বলার কারণ কী, ‘যেই সম্পদ আমি তাদের দিয়েছি, যারা তা থেকে ব্যয় করে, তারা মুমিন।’ তার মানে হচ্ছে, এ কথাটিও ইমানের অনুষঙ্গ। আল্লাহকে বিশ্বাস করা, নামাজ কায়েম করা এবং ব্যয় করা, এগুলো ইমানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ইমানের একাধিক শাখাপ্রশাখা রয়েছে। যে ব্যক্তির মধ্যে সব শাখাই বিদ্যমান, সেই খাঁটি মুমিন। এর মধ্যে মুমিনের একটি বৈশিষ্ট্য হলো আল্লাহপাক তাকে যা দিয়েছেন, তা থেকে ব্যয় করবে। অতএব উক্ত আয়াত থেকে প্রতীয়মান হলো, মুমিন হতে গেলে আল্লাহর দেওয়া অর্থসম্পদ আল্লাহর পথে ব্যয় করতে হবে। অর্থ ব্যয় করলে তবেই ইমানের এই অংশটা পূর্ণ হবে।

এখন যদি কেউ মনে করে আল্লাহকে বিশ্বাস করব, নামাজ পড়ব, রোজা রাখব, হজ আদায় করব কিন্তু সম্পদ ব্যয় করব না। তারপরও সে মুমিন না তা নয়, তবে ইমানদারের বৈশিষ্ট্যসমূহের একটা বৈশিষ্ট্যহীনতা তার মাঝে বিদ্যমান, যে কারণে এই অংশের বিবেচনায় তার ইমানটা অপূর্ণ রয়ে গেল। খাঁটি মুমিন হতে হলে অবশ্যই তাকে সম্পদ আয় এবং ব্যয় শিখতে হবে।

নামাজ পড়েই আল্লাহর নির্দেশ মোতাবেক তার অনুগ্রহ অর্থাৎ জীবিকা অšে¦ষণে পৃথিবীর বুকে ছড়িয়ে পড়তে হবে।

♦ লেখক : ইসলামি গবেষক

এই বিভাগের আরও খবর
হামে শিশুমৃত্যু
হামে শিশুমৃত্যু
পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প
পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প
জিলহজের প্রথম দশকের আমল
জিলহজের প্রথম দশকের আমল
রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব
রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
শিক্ষা নিয়ে গবেষণা
শিক্ষা নিয়ে গবেষণা
টেস্টে পাকিস্তান বধ
টেস্টে পাকিস্তান বধ
পবিত্র কাবার মর্যাদা
পবিত্র কাবার মর্যাদা
সৌর বিদ্যুতে জ্বালানির সমাধান
সৌর বিদ্যুতে জ্বালানির সমাধান
ফ্রান্সে বাংলাদেশি অভিবাসীর সংখ্যা বাড়ছে
ফ্রান্সে বাংলাদেশি অভিবাসীর সংখ্যা বাড়ছে
শুভেন্দুর কাঁটাতার ও আমাদের দেশপ্রেম
শুভেন্দুর কাঁটাতার ও আমাদের দেশপ্রেম
ক্যাম্পাসে উত্তেজনা
ক্যাম্পাসে উত্তেজনা
সর্বশেষ খবর
সিলেটে শিশু হত্যায় অভিযুক্তের বাড়িতে হামলা
সিলেটে শিশু হত্যায় অভিযুক্তের বাড়িতে হামলা

এই মাত্র | চায়ের দেশ

ফটিকছড়িতে মানুষের মাথার খুলি উদ্ধার
ফটিকছড়িতে মানুষের মাথার খুলি উদ্ধার

৩ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাগুরায় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ
মাগুরায় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসেও শুন্য হাতে ফিরে গেল চীনা যুবক
প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসেও শুন্য হাতে ফিরে গেল চীনা যুবক

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ময়মনসিংহে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ জনের মৃত্যু
ময়মনসিংহে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ জনের মৃত্যু

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভ্যানচালক হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ
ভ্যানচালক হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চলতি মাসে এসেছে ১৪টি তেলবাহী জাহাজ, আরও আসছে ৫টি
চলতি মাসে এসেছে ১৪টি তেলবাহী জাহাজ, আরও আসছে ৫টি

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

সিলেট বিভাগে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক
সিলেট বিভাগে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাষ্ট্র পুনর্গঠনে জাতীয় ঐকমত্য প্রয়োজন : আ স ম‌ রব
রাষ্ট্র পুনর্গঠনে জাতীয় ঐকমত্য প্রয়োজন : আ স ম‌ রব

১৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

তুচ্ছ ঘটনায় মোংলায় সংঘর্ষ, প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৭
তুচ্ছ ঘটনায় মোংলায় সংঘর্ষ, প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৭

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় পলাতক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার
কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় পলাতক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সমস্যা যখন জনপ্রিয়তা, পরিচয় লুকিয়ে সাধারণ মানুষের ভিড়ে অস্কারজয়ী অভিনেতা
সমস্যা যখন জনপ্রিয়তা, পরিচয় লুকিয়ে সাধারণ মানুষের ভিড়ে অস্কারজয়ী অভিনেতা

২৩ মিনিট আগে | শোবিজ

শনিবার চাঁদপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সফরসূচিতে যা যা থাকছে
শনিবার চাঁদপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সফরসূচিতে যা যা থাকছে

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

গোপালগঞ্জ রিপোর্টার্স ফোরামের ২৯ সদস্যের নতুন কমিটি
গোপালগঞ্জ রিপোর্টার্স ফোরামের ২৯ সদস্যের নতুন কমিটি

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৫৭ হাজার ৫২৬ জন হজযাত্রী
সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৫৭ হাজার ৫২৬ জন হজযাত্রী

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

জাপানের উত্তরাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প
জাপানের উত্তরাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বসুন্ধরা শুভসংঘের দেওয়া সেলাই মেশিনে বদলাবে ২০ পরিবারের জীবন
বসুন্ধরা শুভসংঘের দেওয়া সেলাই মেশিনে বদলাবে ২০ পরিবারের জীবন

৩৯ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

নেত্রকোনায় বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু
নেত্রকোনায় বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লোকসানে তামাক পুড়িয়ে শপথ কৃষকের, ‘আর কখনো এই বিষ চাষ করব না’
লোকসানে তামাক পুড়িয়ে শপথ কৃষকের, ‘আর কখনো এই বিষ চাষ করব না’

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের দ্বিতীয় টেস্টে কেমন থাকবে সিলেটের আবহাওয়া
বাংলাদেশ-পাকিস্তানের দ্বিতীয় টেস্টে কেমন থাকবে সিলেটের আবহাওয়া

৫১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের অনুষঙ্গ নয়, জাতির আত্মপরিচয়: সংস্কৃতিমন্ত্রী
সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের অনুষঙ্গ নয়, জাতির আত্মপরিচয়: সংস্কৃতিমন্ত্রী

৫২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের
ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুন্দরবনে অস্ত্রসহ ৩ বনদস্যু আটক
সুন্দরবনে অস্ত্রসহ ৩ বনদস্যু আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার, গ্রেফতার ২
বগুড়ায় চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার, গ্রেফতার ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রেমিট্যান্স প্রবাহে স্বস্তি, রিজার্ভ এখন ৩৪.৩২ বিলিয়ন ডলার
রেমিট্যান্স প্রবাহে স্বস্তি, রিজার্ভ এখন ৩৪.৩২ বিলিয়ন ডলার

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

গাইবান্ধায় কুকুরের কামড়ে ৫ জনের মৃত্যু, নড়েচড়ে বসছে প্রশাসন
গাইবান্ধায় কুকুরের কামড়ে ৫ জনের মৃত্যু, নড়েচড়ে বসছে প্রশাসন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্কুলের পাশাপাশি সন্তানদের খেলার মাঠেও সময় দিন: বিদ্যুৎমন্ত্রী
স্কুলের পাশাপাশি সন্তানদের খেলার মাঠেও সময় দিন: বিদ্যুৎমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

স্মরণীয় বিশ্বকাপের আগে ধাক্কা খেল জর্ডান
স্মরণীয় বিশ্বকাপের আগে ধাক্কা খেল জর্ডান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দিনাজপুরে ধান কাটার শ্রমিকের সংকট, চরম বিপাকে কৃষক
দিনাজপুরে ধান কাটার শ্রমিকের সংকট, চরম বিপাকে কৃষক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বসুন্ধরা কিংস চ্যাম্পিয়ন
বসুন্ধরা কিংস চ্যাম্পিয়ন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড নিয়ে সতর্কবার্তা বাংলাদেশ ব্যাংকের
ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড নিয়ে সতর্কবার্তা বাংলাদেশ ব্যাংকের

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ
ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বাসঘাতকদের হুঁশিয়ারি দিল ইরান, কারা সেই বিশ্বাসঘাতক?
বিশ্বাসঘাতকদের হুঁশিয়ারি দিল ইরান, কারা সেই বিশ্বাসঘাতক?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যুক্তরাষ্ট্র পতনশীল দেশ’, চীনের প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের জবাবে যা বললেন ট্রাম্প
‘যুক্তরাষ্ট্র পতনশীল দেশ’, চীনের প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের জবাবে যা বললেন ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লাগেজে মাংস-শাকসবজি, কানাডায় বাংলাদেশি যাত্রীদের গুনতে হলো জরিমানা
লাগেজে মাংস-শাকসবজি, কানাডায় বাংলাদেশি যাত্রীদের গুনতে হলো জরিমানা

৫ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পকে স্পষ্ট যে অবস্থান জানাল চীন
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পকে স্পষ্ট যে অবস্থান জানাল চীন

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সভাপতি-সম্পাদকসহ ১৩ পদে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের জয়
সভাপতি-সম্পাদকসহ ১৩ পদে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের জয়

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা শেষ ১৫ মে
আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা শেষ ১৫ মে

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান
নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার
ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার

২৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৯ জেলায় নতুন এডিসি নিয়োগ
৯ জেলায় নতুন এডিসি নিয়োগ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে কারণে পাকিস্তানের কিছু নাগরিককে বহিষ্কার করছে আমিরাত
যে কারণে পাকিস্তানের কিছু নাগরিককে বহিষ্কার করছে আমিরাত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা ফ্রান্সের, বাদ পড়লেন যারা
বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা ফ্রান্সের, বাদ পড়লেন যারা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পরিমার্জন হচ্ছে ২০২৭ সালের পাঠ্যবই, ফিরছে প্রকৃত ইতিহাস: এনসিটিবি চেয়ারম্যান
পরিমার্জন হচ্ছে ২০২৭ সালের পাঠ্যবই, ফিরছে প্রকৃত ইতিহাস: এনসিটিবি চেয়ারম্যান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘চুক্তি না হলে ইরান ধ্বংস হবে’ চীনে বসে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
‘চুক্তি না হলে ইরান ধ্বংস হবে’ চীনে বসে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা যাবে না ‘টিউশন ফি’
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা যাবে না ‘টিউশন ফি’

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইলেন ট্রাম্প, মিলল না স্পষ্ট আশ্বাস
ইরান ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইলেন ট্রাম্প, মিলল না স্পষ্ট আশ্বাস

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন সফরে এখন পর্যন্ত কী কী পেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
চীন সফরে এখন পর্যন্ত কী কী পেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের আগে একদিনের সরকারি ছুটি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি
ঈদের আগে একদিনের সরকারি ছুটি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বিক্রয় ডট কম’ কিনে নিলো নাইজেরিয়ার ‘জিজি’
‘বিক্রয় ডট কম’ কিনে নিলো নাইজেরিয়ার ‘জিজি’

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

চার দিন ৪ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির আভাস
চার দিন ৪ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির আভাস

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নতুন দায়িত্বে মাহমুদউল্লাহ
নতুন দায়িত্বে মাহমুদউল্লাহ

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম
ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চেতনা বিক্রি করতে করতে আমরা নিজেরাই বিক্রি হয়ে গেছি: চিফ হুইপ
চেতনা বিক্রি করতে করতে আমরা নিজেরাই বিক্রি হয়ে গেছি: চিফ হুইপ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ হাজার বছর আগে তৈরি রহস্যময় দ্বীপ, বিস্মিত বিজ্ঞানীরা
৫ হাজার বছর আগে তৈরি রহস্যময় দ্বীপ, বিস্মিত বিজ্ঞানীরা

১২ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর সভা
যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর সভা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছুটির দিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, দুর্ভোগ
ছুটির দিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, দুর্ভোগ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন
বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেন মৌনি রায়
বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেন মৌনি রায়

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রিন্ট সর্বাধিক
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার

প্রথম পৃষ্ঠা

শর্টকাটে বড়লোক!
শর্টকাটে বড়লোক!

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক
চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক

প্রথম পৃষ্ঠা

সড়ক যেন বিভীষিকা
সড়ক যেন বিভীষিকা

পেছনের পৃষ্ঠা

জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?
জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস
জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

কুমার নদের করুণ দশা
কুমার নদের করুণ দশা

পেছনের পৃষ্ঠা

আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের
আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের

পেছনের পৃষ্ঠা

রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা
রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’
আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’

মাঠে ময়দানে

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে

সম্পাদকীয়

বাঁচানো গেল না গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমিকে
বাঁচানো গেল না গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমিকে

প্রথম পৃষ্ঠা

আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী
আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী

পেছনের পৃষ্ঠা

ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ
ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা
ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা

নগর জীবন

বাবার পর মারা গেল তিন ভাইবোন
বাবার পর মারা গেল তিন ভাইবোন

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু
২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু

দেশগ্রাম

মমতাকে উদ্দেশ করে চোর স্লোগান
মমতাকে উদ্দেশ করে চোর স্লোগান

প্রথম পৃষ্ঠা

পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে গরু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি
পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে গরু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি

পেছনের পৃষ্ঠা

ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১
ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১

দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা

প্রথম পৃষ্ঠা

কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান
কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান

নগর জীবন

দেশের প্রতিটি ঘরে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উত্তেজনা
দেশের প্রতিটি ঘরে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উত্তেজনা

নগর জীবন

ধানমন্ডিতে বসুন্ধরা টয়লেট্রিজের পণ্য বিক্রি উদ্বোধন
ধানমন্ডিতে বসুন্ধরা টয়লেট্রিজের পণ্য বিক্রি উদ্বোধন

নগর জীবন

গণভোটের রায়সহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা
গণভোটের রায়সহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব
রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব

সম্পাদকীয়

আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসির ৪১তম বার্ষিক সাধারণ সভা
আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসির ৪১তম বার্ষিক সাধারণ সভা

নগর জীবন

গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!
গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!

দেশগ্রাম

দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’
দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’

শোবিজ