শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
প্রিন্ট ভার্সন
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা

আগামী ১২ মে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন। ইতোমধ্যে সংরক্ষিত আসনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে এবং আগ্রহী প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশন থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত ৩৭৫টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। নারী আসনে নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে এ নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। এ নিবন্ধ প্রকাশিত হওয়ার আগেই ২১ এপ্রিলের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দান ও ২৩ এপ্রিলের মধ্যে বাছাইপর্ব শেষ করে পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা। সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে জাতীয় সংসদে ধাপে ধাপে সংরক্ষিত নারী আসনসংখ্যা বৃদ্ধি করা হলেও নারীরা দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক হওয়া সত্ত্বে প্রতিনিধিত্বমূলক যেকোনো প্রতিষ্ঠানে নারী প্রতিনিধি এখনো ন্যূনতম পর্যায়ে অথবা আদৌ নেই। এমনকি বড় রাজনৈতিক দলগুলোও সরাসরি নির্বাচনে শীর্ষ পর্যায়ের নারী নেত্রী ছাড়া জেলা পর্যায়ের জনপ্রিয় নারী নেত্রীকেও এই আশঙ্কায় দলীয় মনোনয়ন দেয় না যে তারা প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রার্থীর কাছে পরাজিত হবেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ২ হাজার ৩৪ জনের মধ্যে নারী প্রার্থীর সংখ্যা ছিলেন মাত্র ৮৬ জন। অর্থাৎ ৪ দশমিক ২৩ শতাংশ। বিএনপি ১৩টি আসনে নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছিল। প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী একজন নারী প্রার্থীকেও মনোনয়ন দেয়নি। ২০০৮ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনেও বিএনপি ১৩টি করে আসনে নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছিল, এর অধিকাংশই ছিলেন দলের শীর্ষ নেতানেত্রীর সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্কে জড়িত।

 জাতীয় সংসদেনারী উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নের কথা বলেন না অথবা অতীতে বলেননি, দেশে এমন একজন নেতানেত্রীও খুঁজে পাওয়া যাবে না। সংবিধান প্রণেতারা বর্তমান সময়ের নেতানেত্রীদের চেয়ে নারীর ক্ষমতায়ন ও  বিকাশের ব্যাপারে বেশি আশাবাদী ছিলেন। কারণ তারা যে কল্পনার সোনার বাংলা গড়তে চেয়েছিলেন, সেই লক্ষ্যে প্রণীত ১৯৭২ সালের সংবিধানে জাতীয় সংসদে ৩০০ আসনের বিপরীতে সংরক্ষিত নারী আসন রেখেছিলেন মাত্র ১৫টি অর্থাৎ মাত্র ৫ শতাংশ এবং তা-ও মাত্র ১০ বছর বা দুটি জাতীয় সংসদের মেয়াদকাল পর্যন্ত। তারা আশা করেছিলেন, এই সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশের নারীরা সব দিক থেকে পুরুষের সমান সক্ষমতা অর্জন করবে এবং সংসদে তাদের জন্য সংরক্ষিত আসনের প্রয়োজন পড়বে না। বরং তারা সরাসরি নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন।

তারা যদি আরেকটু সুদূরপ্রসারী চিন্তা করে ১৯৭২-এর মূল সংবিধানেই নারী আসনসংখ্যা ও মেয়াদ বৃদ্ধি করতেন, তাহলে পরবর্তী সংসদগুলোকে অন্তত নারী আসন নিয়ে বারবার সংবিধান সংশোধনের মতো জটিল কাজ করতে হতো না। কিন্তু তা হয়নি। তারা সামান্য দূরে ফেলে আসা ইতিহাসও বিস্মৃত হয়েছিলেন। পাকিস্তান আমলে নারীশিক্ষার হার থেকে শুরু করে সব খাতে নারীর অংশগ্রহণের সূচক এত নিচু ছিল, যে অবস্থা থেকে স্বাধীনতা লাভ করে মাত্র ১০ বছরেই নারীর সক্ষমতা বাড়িয়ে পুরুষের সমান করা যাবে-এটা সংবিধান প্রণেতা এবং ওই সময়ের ক্ষমতাসীন নেতা ও নীতিনির্ধারকদের অলীক ধারণা ছিল। পাকিস্তান আমলে জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানকে ৭টি সংরক্ষিত নারী আসন এবং পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে ৫টি সংরক্ষিত নারী আসন দিয়ে তুষ্ট রাখা হয়েছিল। কিন্তু স্বাধীন দেশের সংবিধান প্রণেতারা সেই সীমাবদ্ধতার আবর্ত থেকে বের হয়ে আসতে পারেননি।

এমনকি ১৯৯১ থেকে ২০২৪-এর মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ৩৩ বছরের বেশি সময় পর্যন্ত দুজন নারী প্রধানমন্ত্রীর অধীনে বাংলাদেশ পরিচালিত হলেও কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে কোথাও লিঙ্গ-বৈষম্য দূর হয়নি। জনসংখ্যাভিত্তিক নারীর আনুপাতিক উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন হয়নি। তারা নারীর ক্ষমতায়নে যে কোনো ভূমিকা ও অবদান রাখেননি তা বলা সঠিক হবে না। নারী উন্নয়নে বেশ অগ্রগতি হয়েছে, কিন্তু প্রকৃত অর্থে নারীর ক্ষমতায়ন হয়নি এবং কর্ম ও আচরণের ক্ষেত্রে লিঙ্গ-বৈষম্য দূর হয়নি। বাংলাদেশি সমাজ ও পরিবার এখনো বহুলাংশে পুরুষশাসিতই রয়ে গেছে। জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য বললে অত্যুক্তি হবে না। আইন প্রণয়ন করার উদ্দেশ্যে যারা জাতীয় সংসদে নির্বাচিত হন এবং যারা আইন প্রণয়নে তাদের পরামর্শ প্রদান করেন, তারা এতটাই স্বল্পদর্শী যে কেবল সংরক্ষিত নারী আসন বৃদ্ধি, মেয়াদ সংরক্ষণ ইত্যাদি কাজেই চারবার সংবিধান সংশোধন করেছেন। ১৯৭৯ সালে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনসংখ্যা ১৫টি থেকে ৩০টিতে উন্নীত করে এর মেয়াদ ১৫ বছরের জন্য সম্প্রসারিত করা হয়। সংরক্ষিত নারী আসনের সম্প্রসারিত মেয়াদ ১৯৮৮ সালে শেষ হয়ে যাওয়ায় চতুর্থ জাতীয় সংসদ সংরক্ষিত নারী প্রতিনিধিশূন্য ছিল।

১৯৯০ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করার পর দশম সংশোধনীতে সংরক্ষিত নারী আসনের বিধান নতুন করে যুক্ত হয় এবং আসনসংখ্যা ৩০ রেখেই মেয়াদ আরও ১০ বছর বৃদ্ধি করা হয়। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি ২০০১ সালে পুনরায় সরকার গঠন করলে ২০০৪ সালে চতুর্দশ সংশোধনীতে সংরক্ষিত নারী আসন ৩০ থেকে ৪৫টিতে উন্নীত এবং মেয়াদ নবায়ন করা হয় আরও ১০ বছরের জন্য, যা কার্যকর হয় ২০০৯ সালে গঠিত নবম জাতীয় সংসদে এবং যার পুরো সুবিধা ভোগ করে আওয়ামী লীগ সরকার। আওয়ামী লীগ যেহেতু সবকিছুর কৃতিত্ব নেওয়ার একটি দল, তারা নারী আসনের ক্ষেত্রে কৃতিত্ব গ্রহণের জন্য ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীতে নারী আসনসংখ্যা ৫টি বাড়িয়ে ৫০-এ উন্নীত করে। এই সংশোধনীতে নারী আসনগুলোর সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়নি।

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন মোট আসনসংখ্যার ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ। এবং সরাসরি নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছেন আরও ৭ জন নারী সদস্য। নির্বাচন আইন ২০০৪-এর বিধান অনুযায়ী প্রতি ছয়টি প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত আসনের বিপরীতে সংরক্ষিত নারী আসন হবে একটি। সে হিসাবে বিএনপি ও তাদের জোটভুক্তরা পাবে ৩৬টি নারী আসন এবং জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোটভুক্তরা পাবে ১৩টি সংরক্ষিত আসন। সংরক্ষিত আসনে স্থান পাওয়ার আশায় বিএনপির সম্ভাব্য নারী প্রার্থীরা সাত শতাধিক মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এখন দলীয় মনোনয়ন লাভ এবং ইসির নিয়মমাফিক যাচাইবাছাই ও মনোনয়ন প্রত্যাহারপর্ব শেষে যারা টিকে থাকবেন, সরাসরি নির্বাচিত সদস্যরা ভোট দিয়ে তাদের মধ্য থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য সদস্য নির্বাচিত করবেন। কারা নির্বাচিত হন, তা দেখার জন্য ১২ মে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিতদের নিয়ে অতীতে অনেক কথা হয়েছে। স্বজনপ্রীতি, পক্ষপাতেরও অভিযোগ উঠেছে। রাজনীতির সঙ্গে কখনো সংশ্লিষ্ট ছিলেন না, এমন নারীকেও সংসদের শোভাবর্ধন করতে দেখা গেছে। ১৯৮৬ সালের সংসদে অর্থাৎ তৃতীয় জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী সদস্যদের নিয়ে সাপ্তাহিক ‘যায়যায়দিন’-এ ‘৩০ সেট অলংকার’ শীর্ষক কভার স্টোরি করার কারণে ম্যাগাজিনটির প্রকাশনা নিষিদ্ধ করেছিল এরশাদ সরকার। সম্পাদক শফিক রেহমান গ্রেপ্তার এড়াতে দেশ থেকে পালাতে বাধ্য হয়েছিলেন। বর্তমান সংসদের সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যরা সংসদে তাদের যথাযথ ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করি।

আরও একটি বিষয়ের প্রতি সংশ্লিষ্ট সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি, সেটি হলো আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর পার্লামেন্টে সংরক্ষিত নারী আসনের অনুপাতের দিকে লক্ষ্য রেখে বারবার সংবিধান সংশোধন করে নারী আসনের সংখ্যা বৃদ্ধির পরিবর্তে সুদূরপ্রসারী চিন্তা করে নারী আসন সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। পাকিস্তান জাতীয় সংসদে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত আসনসংখ্যা ২৬৬, সংরক্ষিত নারী আসন ৬০টি এবং সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত আসন ১০টি।

নির্বাচিত আসনের বিপরীতে সংরক্ষিত নারী আসন ১৭ শতাংশ। ভারতীয় লোকসভায় বর্তমানে ৫৪৩টি সরাসরি নির্বাচিত আসনের বিপরীতে ৭৪ জন নারী সংরক্ষিত আসনে আছেন। ২০২৩ সালে ভারতীয় সংবিধানের ১০৬তম সংশোধনীতে বা ‘নারী আসন সংরক্ষণ’ বিধানে লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভাগুলোর ৩৩ শতাংশ নারী আসন সংরক্ষণ করা হয়েছে। ২০২৭ সালের আদমশুমারি ও নতুন নির্বাচনি এলাকা নির্ধারণের পর লোকসভার আসন বর্তমান ৫৪৩-এর থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৮১৬টি বা আরও বেশি হবে এবং এর মধ্যে ২৭৩ থেকে ২৮৩টি আসন সংরক্ষিত থাকবে নারীদের জন্য। অর্থাৎ প্রতি তিনজন নির্বাচিত সদস্যের মধ্যে একজন হবেন নারী। রাজনীতিতে নারীদের প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখার সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ সংশোধনী পাস করা হয়েছে। এ সংরক্ষণের মেয়াদ হবে ১৫ বছর। এরপর লোকসভা স্থির করবে এ ব্যবস্থা বহাল থাকবে কি না, অথবা মেয়াদ সম্প্রসারণ করা হবে কিনা। এ দৃষ্টান্ত থেকে বাংলাদেশেরও উচিত জনসংখ্যার অর্ধেককে রাজনীতিতে তাদের যোগ্য ভূমিকা রাখার সুযোগ দিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া।

♦ লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
অনলাইন জুয়া
অনলাইন জুয়া
এডিপি অনুমোদন
এডিপি অনুমোদন
পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ
পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ
বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস প্রসঙ্গে কিছু কথা
বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস প্রসঙ্গে কিছু কথা
কারিনা কায়সারের মৃত্যু ও গরুর জন্মসনদ
কারিনা কায়সারের মৃত্যু ও গরুর জন্মসনদ
১৫ লাখ রোহিঙ্গা
১৫ লাখ রোহিঙ্গা
মাদক সিন্ডিকেট
মাদক সিন্ডিকেট
আমলেই হজের সওয়াব
আমলেই হজের সওয়াব
হজ ও কোরবানি
হজ ও কোরবানি
যে পোকাগুলো আমাদের জীবন সহজ করে
যে পোকাগুলো আমাদের জীবন সহজ করে
বাঙালিরা শাসন করবে সারা দুনিয়া
বাঙালিরা শাসন করবে সারা দুনিয়া
ওমরাহ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি
ওমরাহ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি
সর্বশেষ খবর
ইরান যুদ্ধের কারণে লোকসানের মুখে ইসরায়েলের এল আল এয়ারলাইন
ইরান যুদ্ধের কারণে লোকসানের মুখে ইসরায়েলের এল আল এয়ারলাইন

৩৮ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে কারণে জাপানে তীব্র আকার ধারণ করেছে বসন্তকালীন অ্যালার্জি
যে কারণে জাপানে তীব্র আকার ধারণ করেছে বসন্তকালীন অ্যালার্জি

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজামুখী ফ্লোটিলায় আবারও ইসরায়েলের গুলি, আটক অর্ধশত নৌযান
গাজামুখী ফ্লোটিলায় আবারও ইসরায়েলের গুলি, আটক অর্ধশত নৌযান

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল

৩ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

‘সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হবে’
‘সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হবে’

৪ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেন
পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেন

৫ মিনিট আগে | অর্থনীতি

কবজির চোটে উইম্বলডনেও খেলবেন না আলকারাজ
কবজির চোটে উইম্বলডনেও খেলবেন না আলকারাজ

১১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মুন্সীগঞ্জে দেড় বছর ধরে বন্ধ উপবৃত্তি, বিপাকে লাখো দরিদ্র শিক্ষার্থী
মুন্সীগঞ্জে দেড় বছর ধরে বন্ধ উপবৃত্তি, বিপাকে লাখো দরিদ্র শিক্ষার্থী

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চীন ও রাশিয়ার মধ্যে গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণে সমঝোতা
চীন ও রাশিয়ার মধ্যে গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণে সমঝোতা

১৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুশফিককে ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড শান্তর
মুশফিককে ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড শান্তর

১৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কঙ্গোতে প্রাণঘাতী ইবোলা প্রাদুর্ভাবের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
কঙ্গোতে প্রাণঘাতী ইবোলা প্রাদুর্ভাবের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

২০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

২০ মিনিট আগে | জাতীয়

ইউরোপের প্রতিদ্বন্দ্বী এআই চ্যাটবটের জন্য হোয়াটসঅ্যাপের দরজা খুলছে মেটা
ইউরোপের প্রতিদ্বন্দ্বী এআই চ্যাটবটের জন্য হোয়াটসঅ্যাপের দরজা খুলছে মেটা

২২ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

কর তদন্ত থেকে রেহাই পেলেন ট্রাম্প ও তার পরিবার
কর তদন্ত থেকে রেহাই পেলেন ট্রাম্প ও তার পরিবার

২৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ব্লু আমব্রেলা’ উপলক্ষে রাজশাহীতে গণমাধ্যম সংলাপ অনুষ্ঠিত
‘ব্লু আমব্রেলা’ উপলক্ষে রাজশাহীতে গণমাধ্যম সংলাপ অনুষ্ঠিত

২৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

সারাদেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যু নেই, হাসপাতালে ভর্তি ৩৩
সারাদেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যু নেই, হাসপাতালে ভর্তি ৩৩

২৮ মিনিট আগে | ডেঙ্গু আপডেট

ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করতে চাই: ডিএসসিসি প্রশাসক
ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করতে চাই: ডিএসসিসি প্রশাসক

২৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

কেরানীগঞ্জে ইয়াবা-গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
কেরানীগঞ্জে ইয়াবা-গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

২৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

ব্যক্তি উদ্যোগে সরকারি খাল খননে নতুন নির্দেশনা ভূমি মন্ত্রণালয়ের
ব্যক্তি উদ্যোগে সরকারি খাল খননে নতুন নির্দেশনা ভূমি মন্ত্রণালয়ের

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

'তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করতে হবে'
'তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করতে হবে'

৩৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

গোপনে নারী ফুটবলারের ভিডিও ধারণ, আজীবন নিষিদ্ধ কোচ
গোপনে নারী ফুটবলারের ভিডিও ধারণ, আজীবন নিষিদ্ধ কোচ

৪০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হঠাৎ করেই ওয়াশিংটনে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের সহকারী বরখাস্ত
হঠাৎ করেই ওয়াশিংটনে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের সহকারী বরখাস্ত

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের পর ফুটপাতে বসলে হকারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা : ডিএনসিসি
ঈদের পর ফুটপাতে বসলে হকারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা : ডিএনসিসি

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

বোনাস নিয়ে বিরোধ, স্যামসাংয়ের ৪৮ হাজার কর্মীর ধর্মঘটের ঘোষণা
বোনাস নিয়ে বিরোধ, স্যামসাংয়ের ৪৮ হাজার কর্মীর ধর্মঘটের ঘোষণা

৪৯ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সৌদি আরবে মাটির নিচে মিলল আব্বাসীয় আমলের শতাধিক স্বর্ণখণ্ড
সৌদি আরবে মাটির নিচে মিলল আব্বাসীয় আমলের শতাধিক স্বর্ণখণ্ড

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নভোএয়ার ও ইলেক্ট্রা ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই
নভোএয়ার ও ইলেক্ট্রা ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

১ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

এবার বনশ্রীতে মাদরাসার বাথরুমে মিলল শিশুর মরদেহ
এবার বনশ্রীতে মাদরাসার বাথরুমে মিলল শিশুর মরদেহ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘বিশ্বমানের নেতৃত্ব গড়তে প্রাথমিকের কারিকুলামে বড় পরিবর্তন আসছে’
‘বিশ্বমানের নেতৃত্ব গড়তে প্রাথমিকের কারিকুলামে বড় পরিবর্তন আসছে’

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ভাঙ্গায় কৃষি বিভাগের উদ্যোগে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
ভাঙ্গায় কৃষি বিভাগের উদ্যোগে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বার্সেলোনায় যৌন নিপীড়নের অভিযোগে কানাডার ৩ পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতার
বার্সেলোনায় যৌন নিপীড়নের অভিযোগে কানাডার ৩ পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রামিসা হত্যাকাণ্ড : স্বামী জাকিরকে নিয়ে ভয়ংকর তথ্য দিলেন স্বপ্না
রামিসা হত্যাকাণ্ড : স্বামী জাকিরকে নিয়ে ভয়ংকর তথ্য দিলেন স্বপ্না

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়লেন যেসব তারকা
ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়লেন যেসব তারকা

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আওয়ামীলীগ ব্যাক করেছে, দেখো নাই? বললেন মাহফুজ আলম
আওয়ামীলীগ ব্যাক করেছে, দেখো নাই? বললেন মাহফুজ আলম

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রামিসা হত্যাকাণ্ড: আরও যে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পুলিশ
রামিসা হত্যাকাণ্ড: আরও যে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পুলিশ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপের জন্য পর্তুগালের শক্তিশালী দল ঘোষণা
বিশ্বকাপের জন্য পর্তুগালের শক্তিশালী দল ঘোষণা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিসা হত্যাকাণ্ড: স্বামীকে পালাতে সময় দিতেই দরজা খোলেননি স্ত্রী স্বপ্না! (ভিডিও)
রামিসা হত্যাকাণ্ড: স্বামীকে পালাতে সময় দিতেই দরজা খোলেননি স্ত্রী স্বপ্না! (ভিডিও)

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না: রামিসার বাবা
বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না: রামিসার বাবা

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ‘চিকেনস নেক’ মোদি সরকারের কাছে হস্তান্তর শুভেন্দুর
মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ‘চিকেনস নেক’ মোদি সরকারের কাছে হস্তান্তর শুভেন্দুর

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানকে টানা দুবার হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেল বাংলাদেশ
পাকিস্তানকে টানা দুবার হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেল বাংলাদেশ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ নীতির বিপক্ষে ভোট দিলেন ৪ রিপাবলিকান
ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ নীতির বিপক্ষে ভোট দিলেন ৪ রিপাবলিকান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরব আমিরাতের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি হামলা হলে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা
আরব আমিরাতের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি হামলা হলে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যাত্রাবাড়ী মোড়ে স্বর্ণের দুল ছিনতাই, সার্জেন্টের সাহসিকতায় আটক ২
যাত্রাবাড়ী মোড়ে স্বর্ণের দুল ছিনতাই, সার্জেন্টের সাহসিকতায় আটক ২

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানে আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের
ইরানে আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় গায়িকাকে কানাডা থেকে এসে হত্যা
বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় গায়িকাকে কানাডা থেকে এসে হত্যা

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যুদ্ধের প্রস্তুতির মাঝে ইরানে গণবিয়ে অনুষ্ঠিত, ‘আত্মত্যাগে’ প্রস্তুত নবদম্পতিরা
যুদ্ধের প্রস্তুতির মাঝে ইরানে গণবিয়ে অনুষ্ঠিত, ‘আত্মত্যাগে’ প্রস্তুত নবদম্পতিরা

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রেণিকক্ষে অনৈতিক আচরণের অভিযোগে জবির দুই শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার
শ্রেণিকক্ষে অনৈতিক আচরণের অভিযোগে জবির দুই শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘নতুন করে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও বড় সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে’
‘নতুন করে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও বড় সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে’

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে কর্মকর্তাদের মন্ত্রণালয়ে ফেরত
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে কর্মকর্তাদের মন্ত্রণালয়ে ফেরত

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ইন্টারনেট চালু করবা না’, পলকের কাছে জানতে চেয়েছিলেন সালমান এফ রহমান
‘ইন্টারনেট চালু করবা না’, পলকের কাছে জানতে চেয়েছিলেন সালমান এফ রহমান

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ওমর ফারুকের নিয়োগ বাতিল
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ওমর ফারুকের নিয়োগ বাতিল

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আবার হামলা হলে নতুন অস্ত্রে জবাব দেবে ইরান, তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি
আবার হামলা হলে নতুন অস্ত্রে জবাব দেবে ইরান, তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের পরপরই পুতিন কেন চীনে, ভিতরে কী চলছে?
ট্রাম্পের পরপরই পুতিন কেন চীনে, ভিতরে কী চলছে?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা : ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন
সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা : ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এক যুদ্ধেই নাজেহাল ভারতীয় রুপি
এক যুদ্ধেই নাজেহাল ভারতীয় রুপি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু
ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাদারীপুরে তিন মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
মাদারীপুরে তিন মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রোমে ‘মেলোডি’ ম্যাজিক, ভাইরাল মোদি-মেলোনির ছবি
রোমে ‘মেলোডি’ ম্যাজিক, ভাইরাল মোদি-মেলোনির ছবি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতারণার মামলায় বিদিশার ২ বছরের কারাদণ্ড
প্রতারণার মামলায় বিদিশার ২ বছরের কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে আবারও বড় ধরনের হামলার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প
ইরানে আবারও বড় ধরনের হামলার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন দেখালো আমেরিকার দিন ফুরাচ্ছে
চীন দেখালো আমেরিকার দিন ফুরাচ্ছে

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সিরিজ খুনের খুনি কে
সিরিজ খুনের খুনি কে

প্রথম পৃষ্ঠা

গুলিবিদ্ধদের ইনজেকশন দিয়ে মারতে বলত নেতারা
গুলিবিদ্ধদের ইনজেকশন দিয়ে মারতে বলত নেতারা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আতঙ্কের সলিমপুর হচ্ছে ‘স্মার্ট হাব’
আতঙ্কের সলিমপুর হচ্ছে ‘স্মার্ট হাব’

নগর জীবন

কাঁচা পেঁপের কেজি ১২০ টাকা!
কাঁচা পেঁপের কেজি ১২০ টাকা!

পেছনের পৃষ্ঠা

স্থায়ী যুদ্ধ বন্ধে নতুন শর্ত ইরানের
স্থায়ী যুদ্ধ বন্ধে নতুন শর্ত ইরানের

প্রথম পৃষ্ঠা

অপপ্রচারের টার্গেটে সশস্ত্র বাহিনী
অপপ্রচারের টার্গেটে সশস্ত্র বাহিনী

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকে নগদ অর্থের সংকট
ব্যাংকে নগদ অর্থের সংকট

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস প্রসঙ্গে কিছু কথা
বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস প্রসঙ্গে কিছু কথা

সম্পাদকীয়

আলোর মুখ দেখেনি পাঁচ বছরেও
আলোর মুখ দেখেনি পাঁচ বছরেও

নগর জীবন

হজে যাচ্ছেন জামায়াত আমির
হজে যাচ্ছেন জামায়াত আমির

প্রথম পৃষ্ঠা

ছাত্রীর বাড়িতে গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি লাশ, আটক ৩
ছাত্রীর বাড়িতে গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি লাশ, আটক ৩

পেছনের পৃষ্ঠা

কিংসের হ্যাটট্রিক না কি মোহামেডানের ফেরা
কিংসের হ্যাটট্রিক না কি মোহামেডানের ফেরা

মাঠে ময়দানে

কারিনা কায়সারের মৃত্যু ও গরুর জন্মসনদ
কারিনা কায়সারের মৃত্যু ও গরুর জন্মসনদ

সম্পাদকীয়

ফরিদপুরে খাল খননের আড়ালে গাছ কাটার মহোৎসব
ফরিদপুরে খাল খননের আড়ালে গাছ কাটার মহোৎসব

নগর জীবন

স্বামীর সহযোগিতায় সাধুর আস্তানায় নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ
স্বামীর সহযোগিতায় সাধুর আস্তানায় নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা হাত কেটে উল্লাস
বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা হাত কেটে উল্লাস

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে শিশুদের উচ্ছ্বাস
প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে শিশুদের উচ্ছ্বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্ষণের পর শিশুকে গলা কেটে হত্যা
ধর্ষণের পর শিশুকে গলা কেটে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

বৈষম্যমুক্ত বিশ্ব গঠনের আহ্বান ইসলামী সমাজের
বৈষম্যমুক্ত বিশ্ব গঠনের আহ্বান ইসলামী সমাজের

নগর জীবন

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক ইস্যুতে যা বললেন শ্রিংলা
ভারত-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক ইস্যুতে যা বললেন শ্রিংলা

প্রথম পৃষ্ঠা

রূপগঞ্জে দুই মহাসড়ক নির্মাণে ধীরগতি, যানজটে ভোগান্তি
রূপগঞ্জে দুই মহাসড়ক নির্মাণে ধীরগতি, যানজটে ভোগান্তি

নগর জীবন

ঠুঁটো জগন্নাথ বানানোর চেষ্টা মানবাধিকার কমিশনকে
ঠুঁটো জগন্নাথ বানানোর চেষ্টা মানবাধিকার কমিশনকে

প্রথম পৃষ্ঠা

অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে পুলিশে ফোন
অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে পুলিশে ফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

মার্কিন শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শামা ওবায়েদের
মার্কিন শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শামা ওবায়েদের

প্রথম পৃষ্ঠা

পয়লা জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল
পয়লা জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল

পেছনের পৃষ্ঠা

রাবিতে যত অনিয়ম
রাবিতে যত অনিয়ম

পেছনের পৃষ্ঠা

অতি দরিদ্র কর্মসংস্থান প্রকল্পে শ্রমিকদের বাদ দিয়ে ভেকু!
অতি দরিদ্র কর্মসংস্থান প্রকল্পে শ্রমিকদের বাদ দিয়ে ভেকু!

দেশগ্রাম

ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু
ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু

পেছনের পৃষ্ঠা

বর্জ্যে দূষিত শীতলক্ষ্যার পানি
বর্জ্যে দূষিত শীতলক্ষ্যার পানি

পেছনের পৃষ্ঠা