শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

আমেরিকার নির্বাচন ও শাসনকাঠামো

ড. ইউসুফ খান
প্রিন্ট ভার্সন
আমেরিকার নির্বাচন ও শাসনকাঠামো

বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর রাষ্ট্র আমেরিকা। রাজনীতি, অর্থনীতি, সামরিক-সব ক্ষেত্রেই তাদের আধিপত্য। বলতে গেলে, গোটা পৃথিবীটাই তারা শাসন করছে। এত ক্ষমতা, এত সম্পদের অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও তাদের রয়েছে আরও চাওয়া এবং পাওয়ার তীব্র আকাক্সক্ষা। ভেনেজুয়েলা করায়ত্ব করতে যতটা সহজ ছিল ইরানে সশস্ত্র হামলা তার চেয়ে যে অনেক কঠিন এবং জটিল তা তারা এখন হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করতে পারছে।

২. ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে তিনি বিশ্বের একজন গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী ব্যক্তি। যুদ্ধ, মহামারি বা জলবায়ু পরিবর্তনের মতো যেকোনো আন্তর্জাতিক সংকটের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট কী ভূমিকা রাখছেন, সমগ্র বিশ্বে তার অপরিসীম প্রভাব পড়ে। তাই তো ট্রাম্পের খামখেয়ালিপনার জন্যই আজ বিশ্বজুড়ে এক শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

৩. ২০১৬ সালে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রচলিত রাজনৈতিক ধারার বাইরে গিয়ে ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’ স্লোগানের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের আবেগকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনি প্রচারে বড় চমক দেখান ট্রাম্প। পপুলার ভোট কম পেলেও প্রয়োজনীয় ইলেকটোরাল কলেজ ভোট নিশ্চিত করে হিলারি ক্লিনটনকে পরাজিত করেন এবং ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ওই সময় তার এ অভূতপূর্ব সফলতা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অবাক করেছিল।

 রাজনীতি, অর্থনীতি৪. ট্রাম্প কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই সরাসরি প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জনগণের কাছে নতুন বিকল্প হিসেবে হাজির হন। সাধারণ ভোটারদের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ছিল ইলেকটোরাল কলেজ ভোট, যেখানে তিনি প্রয়োজনীয় ২৭০টি ভোটের বেশি নিশ্চিত করেন। তিনি সরাসরি জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ, বিশাল জনসভা এবং সোশ্যাল মিডিয়ার কার্যকর ব্যবহার করেন। অবৈধ অভিবাসন রোধ, বাণিজ্যনীতি এবং আমেরিকান কর্মসংস্থানের মতো সাধারণ মানুষের আবেগের বিষয়গুলোতে ফোকাস করেন, যা তার প্রচারকে অনন্য করে তুলেছিল। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ২০২৪ সালে পুনরায় ইলেকটোরাল কলেজের ম্যাজিক ফিগার অতিক্রম করে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বারের মতো, ৪৭তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

৫. ট্রাম্পের বর্ণিল জীবন। ১৯৪৬ সালে নিউইয়র্কের কুইন্সে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা ছিলেন নিউইয়র্কের আবাসন ব্যবসায়ী। ট্রাম্প ছেলেবেলা থেকেই ছিলেন দুরন্ত প্রকৃতির। রাজনীতিতে প্রবেশের আগে মার্কিন সমাজে একজন ধনকুবের হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার জীবনের অধিকাংশ সময়ই কাটে ব্যবসাবাণিজ্য ও শোবিজ নিয়ে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনবার বিয়ে করেন। পাঁচ সন্তানের জনক। আগের দুজনের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তৃতীয় বিয়ে করেন। সেই স্ত্রী মডেল মেলানিয়াই এখন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি।

৬. অভিবাসী, নারী, জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বিষয়ে তার নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তীব্রভাবে সমালোচিত ও বিতর্কিত হন ট্রাম্প। তার বিরুদ্ধে অশালীন আচরণ ও যৌন হয়রানি, এমনকি ধর্ষণের অভিযোগও ওঠে। এত কিছুর পরও দ্বিতীয়বারের মতো আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

৭. যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন যে কতটা দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়া, তা আমেরিকায় সোনালি এক্সচেঞ্জে কাজ করার সুবাদে বুঝতে পারি। ইলেকটোরাল কলেজ ভোট বা পপুলার ভোট কী এবং কীভাবে গুরুত্ব বহন করে বা ‘ব্যাটলগ্রাউন্ড স্টেট’ কাকে বলে, এসব বিষয় তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

৮. প্রতি চার বছর পরপর আমেরিকায় নির্বাচন হয়ে থাকে। নভেম্বর মাসের প্রথম সোমবারের পর যে মঙ্গলবার, সেদিনই ভোট গ্রহণ হয়। সব সময় এভাবেই নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হয়ে আসছে। সেই হিসাবে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসের ৫ তারিখ ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বারের মতো মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তবে দেশটির সংবিধান অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হতে পারেন না। সেই হিসাবে আমেরিকার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২৮ সালের নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে।

৯. যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসে, এর ফলাফল কী হবে তা নিয়ে সারা বিশ্বে তৈরি হয় ব্যাপক আগ্রহ। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসে, বিশ্ববাসীর উৎকণ্ঠা যেন ততই বেড়ে যায়। প্রার্থীরা মূল ভোটের অনেক আগে থেকেই তহবিল সংগ্রহ, দলীয় সমর্থন নিশ্চিত করা এবং জনমত জরিপে এগিয়ে থাকার প্রতিযোগিতায় নামেন যা দীর্ঘ প্রচারণার মূল কারণ।

১০. যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি অন্য দেশগুলোর চেয়ে অনেকটাই আলাদা। এখানে রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সবচেয়ে প্রভাবশালী দল মাত্র দুটি-রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট। সাধারণত এই দুটি দলের যেকোনো একটি থেকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে আসেন। অবশ্য ছোট ছোট কিছু রাজনৈতিক দল যেমন লিবার্টারিয়ান, ইন্ডিপেনডেন্ট পার্টি, তারাও কখনো কখনো প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী মনোনয়ন করে। রিপাবলিকান পার্টি একটি রক্ষণশীল দল হিসেবে পরিচিত। এ দলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন আব্রাহাম লিংকন ও জর্জ ডব্লিউ বুশ। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাট দল তুলনামূলকভাবে একটি উদার রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচিত। উল্লেখযোগ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন জন এফ কেনেডি, বিল ক্লিনটন ও বারাক ওবামা। 

১১. আমেরিকা গোটা বিশ্বের কাছে প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্ররূপে স্বীকৃত। গণতন্ত্রের পুরোধা, ঐতিহ্যের প্রতীক, গর্বিত মুরুব্বি আর উপদেশদাতা। আর সেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট দেশটির নাগরিকদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন না। তিনি নির্বাচিত হন ইলেকটোরদের ভোটে। সাধারণ নাগরিকরা ইলেকটোরদের নির্বাচন করেন।

১২. যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইলেকটোরাল কলেজের মোট আসনসংখ্যা ৫৩৮টি। এ নির্বাচনে বিজয়ী হতে কমপক্ষে ২৭০টি ইলেকটোরাল আসন অর্জন করতে হয়। প্রতিটি রাজ্যের জন্য ইলেকটোরাল আসনসংখ্যা রাজ্যটির জন্য বরাদ্দ সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের মোট আসনসংখ্যার সমান। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট গণনাপদ্ধতি দুটি। একটি হলো মাথাপিছু ভোট, যাকে বলে পপুলার ভোট। অন্যটি হলো রাজ্যভিত্তিক ইলেকটোরাল কলেজ ভোট। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না, মার্কিন গণতন্ত্রে পপুলার ভোটের চেয়ে ইলেকটোরাল কলেজ ভোট অনেক বেশি ক্ষমতাশালী। একজন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী সর্বাধিক পপুলার ভোট অর্জন করলেও, তা তাকে প্রেসিডেন্ট হওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না। কিন্তু নির্দিষ্ট পরিমাণ ইলেকটোরাল কলেজ ভোট (২৭০) অর্জন করতে সক্ষম হলেই প্রেসিডেন্ট হওয়া নিশ্চিত।

১৩. উল্লেখ ২০০০ সালে ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী আল-গোর ওই সময়ে সর্বাধিক পপুলার ভোট পেয়েও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হতে পারেননি। কারণ তার প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান দলের জর্জ বুশ ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পেয়েছিলেন ২৭১টি। অর্থাৎ প্রয়োজনের তুলনায় মাত্র ১টি বেশি। আর এতেই তিনি আল-গোরকে হারিয়ে প্রেসিডেন্ট পদে আসীন হন। ২০১৬ সালেও যা হয়েছিল, হিলারি ক্লিনটন ট্রাম্পের চেয়ে ৩০ লাখ পপুলার ভোট বেশি পেলেও প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি। ট্রাম্প মোট ৩০৪টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পান, যা ছিল হিলারি ক্লিনটনের পাওয়া ২২৭টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের চেয়ে অনেক বেশি।

১৪. যুক্তরাষ্ট্র ৫০টি অঙ্গরাজ্য নিয়ে গঠিত। রাষ্ট্রীয় স্বীকৃত ভাষা দুটি। একটি ইংরেজি অন্যটি স্প্যানিশ। বহু ভাষা, বহু জাতি, বহু ধর্ম এবং বহু বর্ণের সংমিশ্রণে যুক্তরাষ্ট্রের সৃষ্টি। এত ভাষাভাষীর দেশ পৃথিবীর আর কোথাও নেই। তাই একে ‘ল্যান্ড অব ইমিগ্র্যান্ট’ বলা হয়। বিশ্বের এই বহুজাতিক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়েই এই বিশেষ পদ্ধতি ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের অন্তর্ভুক্তি।

১৫. প্রেসিডেন্ট ৪ বছর, সিনেটর ৬ বছর এবং কংগ্রেসম্যান ২ বছর মেয়াদে নির্বাচিত হন। প্রতিটি অঙ্গরাজ্যে দুটি করে মোট ১০০টি সিনেটর পদ। সিনেটর পদ নির্দিষ্ট থাকে। কিন্তু কংগ্রেসম্যান পদ জনসংখ্যাভিত্তিক। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সংগতি রেখে আনুপাতিক হারে কংগ্রেসম্যান বৃদ্ধি পেতে থাকে। বর্তমানে গোটা আমেরিকায় ৪৩৫টি কংগ্রেসম্যান পদ এবং ৫৩৮টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট রয়েছে। এই ৫৩৮টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট মানেই ১০০ সিনেটর এবং ৪৩৫ জন কংগ্রেসম্যান। উল্লেখ্য, ৩টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট ওয়াশিংটন ডিসি থেকে নির্ধারিত হয়।

১৬. পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন বিশ্বের সব দেশের জন্যই তাৎপর্যপূর্ণ। সাধারণত  নির্বাচনের ফল পরবর্তী চার বছর বিশ্বের সব দেশেই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কমবেশি প্রভাব ফেলে। তবু আমেরিকার জনগণের গণতান্ত্রিক রায়ের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে সমৃদ্ধি ও প্রাচুর্যের বিচারে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান শীর্ষে। আজকের আমেরিকার উন্নয়নে ধর্মবর্ণনির্বিশেষে সব অভিবাসীরই বিন্দু বিন্দু শ্রম, ঘাম ও যথেষ্ট ত্যাগ-তিতিক্ষা রয়েছে-এ কথা অনস্বীকার্য। মার্কিন প্রেসিডেন্ট শুধু নিজের দেশের নয় গোটা বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি। তার গতিশীল নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে প্রবাসীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, স্থিতিশীলতা ও নিরবচ্ছিন্ন শান্তি কামনা করে বিশ্ববাসী।

♦ লেখক : গবেষক ও প্রাবন্ধিক

এই বিভাগের আরও খবর
ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা
ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা
গাজীপুরে পাঁচ হত্যাকাণ্ড
গাজীপুরে পাঁচ হত্যাকাণ্ড
উন্নয়নের স্বার্থে
উন্নয়নের স্বার্থে
প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ
প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ
লোকসানে রেল
লোকসানে রেল
সাইবার অপরাধ
সাইবার অপরাধ
ইব্রাহিম (আ.)-এর আদর্শ
ইব্রাহিম (আ.)-এর আদর্শ
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিয়ে কথা
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিয়ে কথা
টাকা ছাপানোই কি সমাধান?
টাকা ছাপানোই কি সমাধান?
কেমন আছেন মায়েরা
কেমন আছেন মায়েরা
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
রাজনীতিতে মিথ্যাচার কতটা আবশ্যক
খাদ্যে ভেজাল
খাদ্যে ভেজাল
সর্বশেষ খবর
বাঞ্ছারামপুরে গুলিবিদ্ধ তরুণের মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্ত
বাঞ্ছারামপুরে গুলিবিদ্ধ তরুণের মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্ত

১৮ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

মঙ্গলের উপগ্রহ ঘিরে নতুন আশঙ্কা, নিজের ধ্বংসাবশেষেই ভেঙে যেতে ফোবোস
মঙ্গলের উপগ্রহ ঘিরে নতুন আশঙ্কা, নিজের ধ্বংসাবশেষেই ভেঙে যেতে ফোবোস

৫ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় প্রভাব ফেলেছে ‘এসআইআর’, সর্বোচ্চ আদালতে অভিযোগ মমতার
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় প্রভাব ফেলেছে ‘এসআইআর’, সর্বোচ্চ আদালতে অভিযোগ মমতার

৩০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের ওপর হামলা কি সাজানো নাটক?
ট্রাম্পের ওপর হামলা কি সাজানো নাটক?

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঠাকুরগাঁওয়ে মুরগিবাহী গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুজনকে গণপিটুনি
ঠাকুরগাঁওয়ে মুরগিবাহী গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুজনকে গণপিটুনি

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টঙ্গীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
টঙ্গীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

তৃণমূলের প্রচারে যাওয়া প্রসঙ্গে শ্রাবন্তী বললেন ‌‘শিল্পীদের ওপর অনেক চাপ থাকে’
তৃণমূলের প্রচারে যাওয়া প্রসঙ্গে শ্রাবন্তী বললেন ‌‘শিল্পীদের ওপর অনেক চাপ থাকে’

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড্রেনে জমে থাকা পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু
ড্রেনে জমে থাকা পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তরুণদের কর্মসংস্থানে ব্যাপক শিল্পায়ন প্রয়োজন : ত্রাণমন্ত্রী
তরুণদের কর্মসংস্থানে ব্যাপক শিল্পায়ন প্রয়োজন : ত্রাণমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইসরায়েলি পরিকল্পনা রুখে মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছে সৌদি: প্রিন্স তুর্কি
ইসরায়েলি পরিকল্পনা রুখে মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছে সৌদি: প্রিন্স তুর্কি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমের গুঞ্জনে ঘি ঢাললেন তৃষা, বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী
প্রেমের গুঞ্জনে ঘি ঢাললেন তৃষা, বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যেভাবে বারান্দার গ্রিলে আটকে গেল চোর
যেভাবে বারান্দার গ্রিলে আটকে গেল চোর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইয়েমেন থেকেও এলো কড়া হুঁশিয়ারি, বিপদে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইয়েমেন থেকেও এলো কড়া হুঁশিয়ারি, বিপদে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে ফের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প
হরমুজে ফের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিপক্ব হলেই আম বাজারে নেওয়া যাবে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিপক্ব হলেই আম বাজারে নেওয়া যাবে

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের সেবা সপ্তাহ শুরু
বরিশালে নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের সেবা সপ্তাহ শুরু

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ
৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

১২ বছর পর খুলছে তুরস্ক-সিরিয়া আকচাকালে সীমান্ত ক্রসিং
১২ বছর পর খুলছে তুরস্ক-সিরিয়া আকচাকালে সীমান্ত ক্রসিং

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে: নিপুণ
জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে: নিপুণ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জয়পুরহাটে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু
জয়পুরহাটে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পোশাক কারখানায় তিন ধাপে ছুটিসহ নানা প্রস্তুতি
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পোশাক কারখানায় তিন ধাপে ছুটিসহ নানা প্রস্তুতি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেঘনায় গোসলে নেমে কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যু
মেঘনায় গোসলে নেমে কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের ময়দানে নামার আগে কেমন ছন্দে আছেন মেসি-রোনালদো?
বিশ্বকাপের ময়দানে নামার আগে কেমন ছন্দে আছেন মেসি-রোনালদো?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বায়তুল মোকাররমের সামনে ফুটপাতে পড়ে ছিল মরদেহ
বায়তুল মোকাররমের সামনে ফুটপাতে পড়ে ছিল মরদেহ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুমিল্লায় সড়ক নির্মাণ নিয়ে বিরোধে খুনের ঘটনায় মামলা
কুমিল্লায় সড়ক নির্মাণ নিয়ে বিরোধে খুনের ঘটনায় মামলা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শাবির সাবেক ভিসির পিএসসহ দু’জনকে শাস্তি
শাবির সাবেক ভিসির পিএসসহ দু’জনকে শাস্তি

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

শেরপুরে ভারতীয় মদ উদ্ধার, উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতির ছেলেসহ গ্রেফতার ৩
শেরপুরে ভারতীয় মদ উদ্ধার, উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতির ছেলেসহ গ্রেফতার ৩

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, প্রধান আসামি গ্রেফতার
মুন্সীগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, প্রধান আসামি গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শিয়ালের মাংস বিক্রি, দুই কৃষককে জরিমানা
শিয়ালের মাংস বিক্রি, দুই কৃষককে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সরকার জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেবে : অর্থমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সরকার জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেবে : অর্থমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সর্বাধিক পঠিত
ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামির পদত্যাগ
ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামির পদত্যাগ

১১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ‘সরিয়ে নেওয়া’ নিয়ে মুখ খুললেন নেতানিয়াহু
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ‘সরিয়ে নেওয়া’ নিয়ে মুখ খুললেন নেতানিয়াহু

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের চার দফা প্রস্তাবে সমর্থন ইরানের
চীনের চার দফা প্রস্তাবে সমর্থন ইরানের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা
১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘মন্ত্রী না হলে’ সাক্ষাৎ নয়, দিল্লিকে কী বার্তা দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী?
‘মন্ত্রী না হলে’ সাক্ষাৎ নয়, দিল্লিকে কী বার্তা দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী
উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর, রেটিং বাড়ল বাংলাদেশের
ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর, রেটিং বাড়ল বাংলাদেশের

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ছেলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
ছেলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট
গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন প্রস্তাবের কড়া জবাব : হরমুজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণ চায় ইরান
মার্কিন প্রস্তাবের কড়া জবাব : হরমুজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণ চায় ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প
যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়েতে স্বর্ণ কেনা বন্ধের আহ্বান মোদির, কী সংকটে ভারত
বিয়েতে স্বর্ণ কেনা বন্ধের আহ্বান মোদির, কী সংকটে ভারত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-সৌদির যুদ্ধ বাঁধাতে ইসরায়েলি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে: সৌদি রাজপরিবারের শীর্ষ সদস্য
ইরান-সৌদির যুদ্ধ বাঁধাতে ইসরায়েলি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে: সৌদি রাজপরিবারের শীর্ষ সদস্য

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা
বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিজের জেনারেলদের ওপর কেন আস্থা হারালেন শি জিনপিং
নিজের জেনারেলদের ওপর কেন আস্থা হারালেন শি জিনপিং

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ফেনী ও পঞ্চগড়ের সমালোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার
ফেনী ও পঞ্চগড়ের সমালোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী
ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজের চাকায় আগুন
কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজের চাকায় আগুন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইন্টারনেট 'বোমা', মুহূর্তেই অচল পুরো বিশ্ব!
ইরানের ইন্টারনেট 'বোমা', মুহূর্তেই অচল পুরো বিশ্ব!

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের
ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুরুতেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর, মমতার অভিযোগ ঠিকই ছিলো?
শুরুতেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর, মমতার অভিযোগ ঠিকই ছিলো?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা
বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিরপুর থানার হত্যাচেষ্টা মামলা : ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল
মিরপুর থানার হত্যাচেষ্টা মামলা : ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধ থেকে যে বড় শিক্ষা নিচ্ছে চীন: সিএনএন’র বিশ্লেষণ
ইরান যুদ্ধ থেকে যে বড় শিক্ষা নিচ্ছে চীন: সিএনএন’র বিশ্লেষণ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া
জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর
মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেনজেনে প্রবেশ করতে ভ্রমণকারীদের সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ
শেনজেনে প্রবেশ করতে ভ্রমণকারীদের সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

প্রিন্ট সর্বাধিক
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারত চায় নবযাত্রা
ভারত চায় নবযাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ
প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ

সম্পাদকীয়

ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা
ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা
ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা

প্রথম পৃষ্ঠা

১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ
১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি
পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি

নগর জীবন

কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান
কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান

নগর জীবন

সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!
সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!

প্রথম পৃষ্ঠা

জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়
জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন
ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ
কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ

মাঠে ময়দানে

মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা
মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা

দেশগ্রাম

বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ
বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি
বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি

শোবিজ

আমি একজন গর্বিত মা
আমি একজন গর্বিত মা

শোবিজ

পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা
পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা

প্রথম পৃষ্ঠা

বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না
বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না

প্রথম পৃষ্ঠা

অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত
অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

এসডিএফের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের অপসারণ দাবিতে আন্দোলন
এসডিএফের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের অপসারণ দাবিতে আন্দোলন

নগর জীবন

রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন
রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন

শোবিজ

মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ
মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ

শোবিজ

এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ
এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ

মাঠে ময়দানে

অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি
অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি

শোবিজ

১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির
১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা এনসিপির

প্রথম পৃষ্ঠা

ভরসা এখন স্পিনাররাই
ভরসা এখন স্পিনাররাই

মাঠে ময়দানে

এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী
এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু
তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু

দেশগ্রাম