শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০০:২৫, সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

নিয়ন্ত্রণের ছায়া, স্বাধীনতার প্রশ্ন

জিল্লুর রহমান
প্রিন্ট ভার্সন
নিয়ন্ত্রণের ছায়া, স্বাধীনতার প্রশ্ন

নিয়ন্ত্রণের ছায়া, স্বাধীনতার প্রশ্ন

১. সন্ত্রাসবিরোধী আইন, সংশোধনী এবং ক্ষমতার ভাষা রাষ্ট্র যখন কথা বলে, তার সবচেয়ে দৃঢ় ভাষা হয় আইন। কারণ আইন শুধু নির্দেশ দেয় না, বৈধতাও তৈরি করে। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সাম্প্রতিক সংশোধনী নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেটি নিছক আইনি আলোচনা নয়-এটি ক্ষমতার প্রয়োগের সীমা কোথায়, সেই প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে। বিশেষ করে যে ধারাটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা-‘যুক্তিসংগত কারণ’ দেখিয়ে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনকে সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করার ক্ষমতা-সেটি আমাদের ভাবতে বাধ্য করে। কারণ ‘যুক্তিসংগত’ শব্দটি যতটা নিরপেক্ষ শোনায়, বাস্তবে তার ব্যাখ্যা ততটাই পরিবর্তনশীল। আজ যা যুক্তিসংগত, কাল তা অযৌক্তিক হয়ে যেতে পারে, যদি ব্যাখ্যাকারী বদলে যায়। এখানেই আসে রাজনীতির সূক্ষ্ম খেলা। আইন যখন ব্যাখ্যার ওপর নির্ভর করে, তখন সেটি শুধু আইন থাকে না, হয়ে ওঠে একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার। আর যখন সেই হাতিয়ার ব্যবহার করা হয় কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে, তখন ন্যায়বিচার আর নিয়ন্ত্রণের সীমারেখা অস্পষ্ট হয়ে যায়।

আওয়ামী লীগকে ঘিরে বর্তমান পরিস্থিতি এই আলোচনাকে আরও তীব্র করেছে। তৃণমূল থেকে নেতাদের দেশে ফিরতে বলা হচ্ছে-‘দল বাঁচানোর’ তাগিদে। কিন্তু সেই ফেরা কি নিছক রাজনৈতিক সাহসের প্রতীক, না-কি এটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ বাস্তবতা, যেখানে আইনের প্রয়োগ অনিশ্চিত?

বাংলাদেশের ইতিহাসে আমরা দেখেছি, আইন অনেক সময় রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলে। কখনো আইন ক্ষমতাকে রক্ষা করে, কখনো ক্ষমতা আইনের সীমা নির্ধারণ করে। ফলে প্রশ্নটি থেকে যায়-এই সংশোধনী কি ন্যায়বিচারের পথকে শক্তিশালী করবে, না-কি এটি ক্ষমতার প্রয়োগকে আরও সহজ করবে? 

এখানে আরেকটি বিষয় খুব সূক্ষ্মভাবে কাজ করে, আইনের ভয় এবং আইনের প্রতি আস্থা। যদি নাগরিক মনে করে আইন তার সুরক্ষা দেবে, তাহলে রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা বাড়ে। কিন্তু যদি মনে হয় আইন যেকোনো সময় তার বিরুদ্ধে ব্যবহার হতে পারে, তাহলে সেই আইনই ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই দ্বৈততা থেকেই রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্ম হয় এবং সমাজে একটি অদৃশ্য আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, যা অনেক সময় প্রকাশ পায় না, কিন্তু সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে।

২. আওয়ামী লীগের সংকট : ক্ষমতা হারানোর পরের রাজনীতি

ক্ষমতা যখন থাকে, তখন রাজনীতি একরকম আর ক্ষমতা চলে গেলে রাজনীতি অন্যরকম হয়ে যায়। আওয়ামী লীগের বর্তমান সংকট সেই পরিবর্তনের এক জীবন্ত উদাহরণ। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর দলটি এখন এমন এক পর্যায়ে দাঁড়িয়ে, যেখানে তাকে নতুন করে নিজের অবস্থান খুঁজতে হচ্ছে। তৃণমূলের আহ্বান নেতারা দেশে ফিরুন-এটি একদিকে আবেগের প্রকাশ, অন্যদিকে রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন। কারণ দল তখনই শক্তিশালী হয়, যখন তার নেতৃত্ব ও তৃণমূলের মধ্যে একটি দৃঢ় সম্পর্ক থাকে। কিন্তু ক্ষমতার দীর্ঘ সময় সেই সম্পর্ককে অনেক সময় দূরত্বে পরিণত করে। এই দূরত্ব এখন সামনে চলে এসেছে। প্রশ্ন হচ্ছে-দল কি সেই দূরত্ব কমাতে পারবে? নাকি এটি আরও বাড়বে? 

রাজনীতিতে একটি বিষয় খুবই স্পষ্ট-মানুষ ক্ষমতাকে মনে রাখে না, তারা আচরণকে মনে রাখে। ক্ষমতায় থাকার সময় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোই পরে দলকে তাড়া করে। আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রেও সেই বাস্তবতা এখন দৃশ্যমান। এখানে একটি মনস্তাত্ত্বিক দিকও আছে। ক্ষমতা মানুষকে অভ্যস্ত করে তোলে নিয়ন্ত্রণে। যখন সেই নিয়ন্ত্রণ চলে যায়, তখন একটি শূন্যতা তৈরি হয়। সেই শূন্যতা পূরণ করতে গিয়ে অনেক সময় ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আওয়ামী লীগের বর্তমান অবস্থান সেই সংকটেরই প্রতিফলন-যেখানে দলটি বুঝতে পারছে, তাকে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে, কিন্তু কীভাবে, সেই উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়। আরেকটি বাস্তবতা হলো-দল যখন বিপদে পড়ে তখন তার ভিতরের বিভাজনগুলো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কেউ সামনে আসে, কেউ আড়ালে সরে যায়, কেউ অবস্থান বদলায়। এই প্রক্রিয়াটি অস্বাভাবিক নয়, কিন্তু এটি দলটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আওয়ামী লীগের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সংকটকে কী তারা পুনর্গঠনের সুযোগ হিসেবে নেবে, নাকি এটি তাদের আরও দুর্বল করে দেবে?মনস্তাত্ত্বিক দিক

৩. মুক্তিযুদ্ধের সংজ্ঞা : ইতিহাসের ভিতরের দ্বন্দ্ব

ইতিহাস শুধু অতীতের গল্প নয়; এটি বর্তমানের পরিচয় এবং ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধ সেই ইতিহাসের কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু যখন সেই মুক্তিযুদ্ধের সংজ্ঞা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে, তখন সেটি শুধু একটি বুদ্ধিবৃত্তিক বিতর্ক থাকে না এটি একটি রাজনৈতিক সংঘর্ষে পরিণত হয়। জামায়াতকে ঘিরে যে আলোচনা আবার সামনে এসেছে তাদের ভূমিকা, তাদের অবস্থান এসব প্রশ্ন নতুন নয়। কিন্তু নতুনভাবে এই প্রশ্নগুলো তোলার পেছনে একটি বড় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট কাজ করছে।

প্রশ্ন হচ্ছে এই আলোচনা কী সত্য অনুসন্ধানের জন্য, নাকি এটি রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের একটি অংশ? ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিপদ হলো, যখন সেটিকে বারবার নতুন করে লেখা হয় তখন একটি সময় আসে, যখন মানুষ আর নিশ্চিত থাকতে পারে না-কোনটি সত্য, কোনটি ব্যাখ্যা। বাংলাদেশের মতো একটি দেশে, যেখানে মুক্তিযুদ্ধ শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, বরং একটি আবেগ, একটি পরিচয়-সেখানে এই ধরনের বিতর্ক সমাজকে বিভক্ত করার ঝুঁকি তৈরি করে।

একটি জাতি তখনই শক্তিশালী হয়, যখন তার ইতিহাস নিয়ে একটি ন্যূনতম ঐকমত্য থাকে। যদি সেই ঐকমত্য ভেঙে যায়, তাহলে সমাজের ভিতরে একটি স্থায়ী অস্থিরতা তৈরি হয়। এই অস্থিরতাই এখন ধীরে ধীরে সামনে আসছে-যেখানে ইতিহাস শুধু অতীতের বিষয় নয়, বরং বর্তমানের রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠছে। এখানে আরেকটি দিকও গুরুত্বপূর্ণ, ইতিহাসের নৈতিকতা। আমরা যদি ইতিহাসকে কেবল ক্ষমতার প্রেক্ষাপটে দেখি, তাহলে তার মানবিক দিক হারিয়ে যায়। মুক্তিযুদ্ধ শুধু রাজনৈতিক বিজয়ের গল্প নয়, এটি মানুষের ত্যাগ, বেদনা এবং সংগ্রামের ইতিহাস। সেই মানবিকতাকে বাদ দিয়ে যদি শুধুই রাজনৈতিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, তাহলে ইতিহাসের আত্মাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

৪. কূটনীতি ও প্রতিবেশীর বাস্তবতা : সম্পর্ক না সমীকরণ?

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সব সময়ই বহুস্তরীয়। এখানে বন্ধুত্ব আছে, নির্ভরতা আছে, আবার একধরনের অস্বস্তিও আছে। সাম্প্রতিক সময়ে শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়ার প্রসঙ্গ, দিল্লি-ঢাকার যোগাযোগ-এসব বিষয় আবারও সেই জটিলতাকে সামনে নিয়ে আসছে। কূটনীতি কখনো সরল হয় না। এটি সব সময়ই স্বার্থের হিসাবের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। বড় দেশ তার স্বার্থ দেখে, ছোট দেশ তার সীমাবদ্ধতার মধ্যে নিজের জায়গা তৈরি করতে চায়। বাংলাদেশ এখন এমন একটি পর্যায়ে দাঁড়িয়ে, যেখানে তাকে নিজের অবস্থান আরও স্পষ্ট করতে হবে। শুধু সম্পর্ক বজায় রাখা নয়, সেই সম্পর্কের ভিতরে নিজের স্বার্থকে প্রতিষ্ঠা করা, এটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

কিন্তু এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কূটনীতি কখনোই অভ্যন্তরীণ রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। দেশের ভিতরের অস্থিরতা যত বাড়ে, বাইরের সম্পর্ক ততটাই জটিল হয়ে ওঠে। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রেও সেই বাস্তবতা দেখা যাচ্ছে। এখানে বিশ্বাসের প্রশ্ন আছে, আবার নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নও আছে। একটি সম্পর্ক তখনই টেকসই হয়, যখন সেখানে পারস্পরিক সম্মান থাকে। কিন্তু যদি সেই সম্পর্কের ভিতরে নিয়ন্ত্রণের প্রবণতা বেশি থাকে, তাহলে সেটি দীর্ঘস্থায়ী হয় না। এখানে আরেকটি সূক্ষ্ম বিষয় কাজ করে, প্রত্যাশা ও বাস্তবতার ফারাক। আমরা অনেক সময় সম্পর্ককে আবেগ দিয়ে বিচার করি, কিন্তু কূটনীতি চলে স্বার্থ দিয়ে। এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করতে না পারলে হতাশা জন্ম নেয় এবং সেই হতাশা আবার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রতিফলিত হয়।

শেষ কথা

এই চারটি প্রসঙ্গ-আইন, দল, ইতিহাস, কূটনীতি-প্রথমে আলাদা মনে হলেও আসলে তারা একটি জায়গায় এসে মিলিত হয়। সেই জায়গাটি হলো, নিয়ন্ত্রণ ও স্বাধীনতার দ্বন্দ্ব। রাষ্ট্র কি আইন দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করছে, নাকি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করছে? দল কি ক্ষমতা ফিরে পেতে চায়, নাকি নিজেকে নতুন করে গড়ে তুলতে চায়? ইতিহাস কি সত্যের অনুসন্ধান করছে, নাকি রাজনৈতিক ব্যাখ্যার শিকার হচ্ছে? কূটনীতি কি পারস্পরিক সম্মানের ওপর দাঁড়িয়ে, নাকি একপক্ষীয় প্রভাবের ওপর?

এই প্রশ্নগুলো শুধু রাষ্ট্রের জন্য নয়, মানুষের জন্যও প্রযোজ্য। মানুষের ভিতরেও একটি অদৃশ্য রাজনীতি কাজ করে। কেউ সম্পর্কের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ খোঁজে, কেউ স্বাধীনতা দেয়। কেউ ভালোবাসাকে আটকে রাখতে চায়, কেউ সেটিকে মুক্ত রাখতে চায়। এই পার্থক্যই শেষ পর্যন্ত ব্যক্তি, সমাজ এবং রাষ্ট্র-সবকিছুর চরিত্র নির্ধারণ করে। সব দৌড় সম্মানের নয়, কখনো তা ভয়েরও প্রতিফলন। সব সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা শক্তির নয়, কখনো সরে আসাই সবচেয়ে বড় শক্তি। সব কথা বলতে হয় না, নীরবতাও অনেক সময় সবচেয়ে গভীর ভাষা। আমরা যদি সত্যিকারের পরিবর্তন চাই, তাহলে শুধু আইন বা সরকার বদলালেই হবে না। বদলাতে হবে আমাদের ভিতরের রাজনীতিকে যেখানে নিয়ন্ত্রণের বদলে সম্মান থাকবে আর ভয় নয়, থাকবে আত্মবিশ্বাস। কারণ শেষ পর্যন্ত একটি দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয় তার মানুষের ভিতরের স্বাধীনতা দিয়ে-আইনের ধারায় নয় বরং বিবেকের আলোয়।

 লেখক : প্রেসিডেন্ট, সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ

এই বিভাগের আরও খবর
ওমরাহ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি
ওমরাহ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি
আমলাতান্ত্রিক বাধা
আমলাতান্ত্রিক বাধা
আবাসন খাতে মন্দা
আবাসন খাতে মন্দা
‘নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো’
‘নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো’
কার স্বার্থে দাসত্বের চুক্তি
কার স্বার্থে দাসত্বের চুক্তি
নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম
নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম
নীরবতা, নেতৃত্ব, রোগ আর রাজনীতির অদ্ভুত সময়
নীরবতা, নেতৃত্ব, রোগ আর রাজনীতির অদ্ভুত সময়
শ্রমবাজারে শনির দশা
শ্রমবাজারে শনির দশা
গণপরিবহন
গণপরিবহন
কোরবানি : ত্যাগের মহিমা
কোরবানি : ত্যাগের মহিমা
পুলিশের আচরণ ও জনগণের আস্থা
পুলিশের আচরণ ও জনগণের আস্থা
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
সর্বশেষ খবর
ভারতের সেনাপ্রধানের হুমকির কী জবাব দিলো পাকিস্তান
ভারতের সেনাপ্রধানের হুমকির কী জবাব দিলো পাকিস্তান

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘এমপি হয়েও ৭ দিন ধরে ডিআইজিকে পাচ্ছি না, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী’
‘এমপি হয়েও ৭ দিন ধরে ডিআইজিকে পাচ্ছি না, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী’

৯ মিনিট আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের লিড ২০০ ছাড়াল
বাংলাদেশের লিড ২০০ ছাড়াল

১৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এনইসি সভা চলছে
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এনইসি সভা চলছে

২৫ মিনিট আগে | জাতীয়

সিলেটে মানব পাচারকারীসহ ১৪ অনুপ্রবেশকারী আটক
সিলেটে মানব পাচারকারীসহ ১৪ অনুপ্রবেশকারী আটক

২৯ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বিআরটি প্রকল্প বাতিলে মত বুয়েট বিশেষজ্ঞদের, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা
বিআরটি প্রকল্প বাতিলে মত বুয়েট বিশেষজ্ঞদের, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা

৩১ মিনিট আগে | নগর জীবন

চীনে ভূমিকম্পে ধসে পড়ল ১৩ ভবন, নিহত ২
চীনে ভূমিকম্পে ধসে পড়ল ১৩ ভবন, নিহত ২

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা দ্বিতীয়বার ‘বেস্ট ডোমেস্টিক এয়ারলাইন্স’ পুরস্কার জিতল ইউএস-বাংলা
টানা দ্বিতীয়বার ‘বেস্ট ডোমেস্টিক এয়ারলাইন্স’ পুরস্কার জিতল ইউএস-বাংলা

৪১ মিনিট আগে | এভিয়েশন

ষষ্ঠ ও একাদশ শ্রেণির উপবৃত্তির তথ্য এন্ট্রির সময় বাড়লো
ষষ্ঠ ও একাদশ শ্রেণির উপবৃত্তির তথ্য এন্ট্রির সময় বাড়লো

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ইউএইতে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার পর তেলের দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ
ইউএইতে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার পর তেলের দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কুলব্যাগে লুকানো ছিল ৪০ হাজার ইয়াবা, ২ জন গ্রেফতার
স্কুলব্যাগে লুকানো ছিল ৪০ হাজার ইয়াবা, ২ জন গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের নাটকীয় বিদায়, প্রশ্নে ম্যাচ অফিসিয়ালরা
বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের নাটকীয় বিদায়, প্রশ্নে ম্যাচ অফিসিয়ালরা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঝিনাইদহে স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্ত্রীরও
ঝিনাইদহে স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্ত্রীরও

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গজারিয়ায় নানা বাড়ির আঙিনায় কারিনার দাফন সম্পন্ন
গজারিয়ায় নানা বাড়ির আঙিনায় কারিনার দাফন সম্পন্ন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপে কারা হতে পারেন নতুন সুপারস্টার, নজরে ৫ তরুণ
বিশ্বকাপে কারা হতে পারেন নতুন সুপারস্টার, নজরে ৫ তরুণ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সৌদি পৌঁছেছেন ৬২৫২৮ বাংলাদেশি হজযাত্রী, মৃত বেড়ে ১৭
সৌদি পৌঁছেছেন ৬২৫২৮ বাংলাদেশি হজযাত্রী, মৃত বেড়ে ১৭

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন মাথিস ডি লিট
বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন মাথিস ডি লিট

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের এয়ার শোতে মাঝ আকাশে দুই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষ, বেঁচে গেলেন চার ক্রু
যুক্তরাষ্ট্রের এয়ার শোতে মাঝ আকাশে দুই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষ, বেঁচে গেলেন চার ক্রু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান
হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিউইয়র্কে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘বাংলাদেশ ডে প্যারেড’
নিউইয়র্কে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘বাংলাদেশ ডে প্যারেড’

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

দলে জায়গা নিয়ে অনিশ্চয়তা, আনচেলত্তির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় নেইমার
দলে জায়গা নিয়ে অনিশ্চয়তা, আনচেলত্তির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় নেইমার

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাঝ-আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষ, ভেঙে পড়ল দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান
মাঝ-আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষ, ভেঙে পড়ল দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট
ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইবোলায় ৯০ জনের মৃত্যু, কঙ্গো-উগান্ডায় জরুরি অবস্থা জারি
ইবোলায় ৯০ জনের মৃত্যু, কঙ্গো-উগান্ডায় জরুরি অবস্থা জারি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁদ দেখার পর মিলবে ঈদের বিশেষ ট্রেন টিকিট
চাঁদ দেখার পর মিলবে ঈদের বিশেষ ট্রেন টিকিট

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ থেকে পোশাক ও ওষুধ আমদানি বাড়াতে নিউজিল্যান্ডের প্রতি আহ্বান
বাংলাদেশ থেকে পোশাক ও ওষুধ আমদানি বাড়াতে নিউজিল্যান্ডের প্রতি আহ্বান

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকার আবহাওয়া আজ যেমন থাকতে পারে
ঢাকার আবহাওয়া আজ যেমন থাকতে পারে

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আইএস নেতা হত্যার অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা ছিল না: নাইজেরিয়া
আইএস নেতা হত্যার অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা ছিল না: নাইজেরিয়া

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার
মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেসি জাদুতে নু স্টেডিয়ামে অবশেষে জয়ের হাসি মায়ামির
মেসি জাদুতে নু স্টেডিয়ামে অবশেষে জয়ের হাসি মায়ামির

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
সৌদি আরবে আটক হবিগঞ্জের জেলা পরিষদের প্রশাসক
সৌদি আরবে আটক হবিগঞ্জের জেলা পরিষদের প্রশাসক

১১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ড. ইউনূস ও তার উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট
ড. ইউনূস ও তার উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চাঁদ দেখা গেছে, সৌদিতে ঈদুল আজহা ২৭ মে
চাঁদ দেখা গেছে, সৌদিতে ঈদুল আজহা ২৭ মে

১৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজা সম্পন্ন, অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজা সম্পন্ন, অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাইকি-অ্যাডিডাসকে টেক্কা দিচ্ছে চীনা ব্র্যান্ড ‘অ্যানটা’
নাইকি-অ্যাডিডাসকে টেক্কা দিচ্ছে চীনা ব্র্যান্ড ‘অ্যানটা’

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ ইতিহাসে অ্যাসিস্টের শীর্ষে ম্যারাডোনা-মেসি
বিশ্বকাপ ইতিহাসে অ্যাসিস্টের শীর্ষে ম্যারাডোনা-মেসি

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আবুধাবির পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা, জেনারেটরে আগুন
আবুধাবির পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা, জেনারেটরে আগুন

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান নিয়ে ট্রাম্পের নরম সুর, চুক্তি হলে মানবে কি ইসরায়েল?
ইরান নিয়ে ট্রাম্পের নরম সুর, চুক্তি হলে মানবে কি ইসরায়েল?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলে রেকর্ড গড়লেন বিরাট কোহলি
আইপিএলে রেকর্ড গড়লেন বিরাট কোহলি

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজের তলদেশে ‘নতুন শক্তির উৎসের’ দিকে নজর ইরানের!
হরমুজের তলদেশে ‘নতুন শক্তির উৎসের’ দিকে নজর ইরানের!

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শাহজালালে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু, একসঙ্গে উপকৃত হবেন ৩৭ হাজার যাত্রী
শাহজালালে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু, একসঙ্গে উপকৃত হবেন ৩৭ হাজার যাত্রী

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আড়াইহাজার হয়ে ঢাকা-কুমিল্লা বিকল্প মহাসড়কের প্রস্তাব
আড়াইহাজার হয়ে ঢাকা-কুমিল্লা বিকল্প মহাসড়কের প্রস্তাব

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাঝ-আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষ, ভেঙে পড়ল দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান
মাঝ-আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষ, ভেঙে পড়ল দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান
হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে ডুয়েটে সংঘর্ষ, শহীদ মিনার এলাকা রণক্ষেত্র
ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে ডুয়েটে সংঘর্ষ, শহীদ মিনার এলাকা রণক্ষেত্র

২২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইসরায়েলের ‘ফাঁদে’ না পড়তে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সতর্কবার্তা
ইসরায়েলের ‘ফাঁদে’ না পড়তে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সতর্কবার্তা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শাহ আলী মাজারে হামলা: ভিডিও ফুটেজ দেখে জামায়াতের তিন কর্মী গ্রেফতার
শাহ আলী মাজারে হামলা: ভিডিও ফুটেজ দেখে জামায়াতের তিন কর্মী গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৪,৫০০ বছরের প্রাচীন বৃক্ষ যেন ইরানি সভ্যতার শক্তি : পেজেশকিয়ান
৪,৫০০ বছরের প্রাচীন বৃক্ষ যেন ইরানি সভ্যতার শক্তি : পেজেশকিয়ান

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্ট্রেলিয়া সিরিজের সময়সূচি প্রকাশ করল বিসিবি
অস্ট্রেলিয়া সিরিজের সময়সূচি প্রকাশ করল বিসিবি

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মোটরসাইকেলে করের পরিকল্পনা থেকে সরে আসার আহ্বান জামায়াত আমিরের
মোটরসাইকেলে করের পরিকল্পনা থেকে সরে আসার আহ্বান জামায়াত আমিরের

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল আযহার তারিখ ঘোষণা করলো ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া
ঈদুল আযহার তারিখ ঘোষণা করলো ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া

১৫ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

‘কুমারী মেয়ের’ নীরবতাই বিয়ের সম্মতি, নতুন আইন আফগানিস্তানে
‘কুমারী মেয়ের’ নীরবতাই বিয়ের সম্মতি, নতুন আইন আফগানিস্তানে

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা ফি নির্ধারণ কর‌ল মিসর
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা ফি নির্ধারণ কর‌ল মিসর

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাহিদ রানাকে প্রশংসায় ভাসালেন বাবর আজম
নাহিদ রানাকে প্রশংসায় ভাসালেন বাবর আজম

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রে মার্কিন পতাকা, ইরানকে নতুন বার্তা ট্রাম্পের
মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রে মার্কিন পতাকা, ইরানকে নতুন বার্তা ট্রাম্পের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতকে সতর্ক করলো ইরান
আমিরাতকে সতর্ক করলো ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার
মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এনবিআরের সামনে বাইকারদের মানববন্ধন
এনবিআরের সামনে বাইকারদের মানববন্ধন

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মুফতি আমির হামজাকে গ্রেফতারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ
মুফতি আমির হামজাকে গ্রেফতারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদ নেতাদের বৈঠক
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদ নেতাদের বৈঠক

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
মুফতি আমির হামজাকে গ্রেপ্তারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ
মুফতি আমির হামজাকে গ্রেপ্তারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার
১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার

প্রথম পৃষ্ঠা

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন উত্তেজনা
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন উত্তেজনা

প্রথম পৃষ্ঠা

‘বর্ডার ক্রস’ গরুতে শঙ্কায় খামারিরা
‘বর্ডার ক্রস’ গরুতে শঙ্কায় খামারিরা

নগর জীবন

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নির্বাচন করছেন না মাহাবুব-ইশতিয়াক
নির্বাচন করছেন না মাহাবুব-ইশতিয়াক

মাঠে ময়দানে

১৬ মাসে ঢুকেছে দেড় লাখ রোহিঙ্গা
১৬ মাসে ঢুকেছে দেড় লাখ রোহিঙ্গা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্রান্সই বিশ্বকাপের ভয়ংকরতম দল!
ফ্রান্সই বিশ্বকাপের ভয়ংকরতম দল!

মাঠে ময়দানে

ভিসির যোগদান নিয়ে ডুয়েট রণক্ষেত্র
ভিসির যোগদান নিয়ে ডুয়েট রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

দালাল দেয় ওয়ান স্টপ সার্ভিস
দালাল দেয় ওয়ান স্টপ সার্ভিস

প্রথম পৃষ্ঠা

চোরাইপথে ঢুকছে মসলা
চোরাইপথে ঢুকছে মসলা

নগর জীবন

বিদ্যুতের দামে চাপে পড়বে নিম্ন মধ্যবিত্ত
বিদ্যুতের দামে চাপে পড়বে নিম্ন মধ্যবিত্ত

পেছনের পৃষ্ঠা

ম্যানসিটিতে গার্ডিওলার ২০ ট্রফি
ম্যানসিটিতে গার্ডিওলার ২০ ট্রফি

মাঠে ময়দানে

রেকর্ড ঘাটতির ব্যয় বিলাসী বাজেট
রেকর্ড ঘাটতির ব্যয় বিলাসী বাজেট

পেছনের পৃষ্ঠা

নীরবতা, নেতৃত্ব, রোগ আর রাজনীতির অদ্ভুত সময়
নীরবতা, নেতৃত্ব, রোগ আর রাজনীতির অদ্ভুত সময়

সম্পাদকীয়

কনার ‘আমপাতা জোড়া জোড়া’
কনার ‘আমপাতা জোড়া জোড়া’

শোবিজ

নতুন লুকে তাসনিয়া ফারিণ
নতুন লুকে তাসনিয়া ফারিণ

শোবিজ

রোনালদোকে কাঁদাল জাপানিরা
রোনালদোকে কাঁদাল জাপানিরা

মাঠে ময়দানে

সাইবার সুরক্ষা আইনে অরক্ষিত জনগণ
সাইবার সুরক্ষা আইনে অরক্ষিত জনগণ

প্রথম পৃষ্ঠা

নাহিদ রানার বাবর বধ
নাহিদ রানার বাবর বধ

মাঠে ময়দানে

সৌন্দর্যচর্চা নিয়ে তমা
সৌন্দর্যচর্চা নিয়ে তমা

শোবিজ

জোর ব্যবসাবান্ধব অর্থনীতিতে
জোর ব্যবসাবান্ধব অর্থনীতিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

দ্রুততম মানব ইমরানুর মানবী শিরিন
দ্রুততম মানব ইমরানুর মানবী শিরিন

মাঠে ময়দানে

রোমে সভিতোলিনার হ্যাটট্রিক শিরোপা
রোমে সভিতোলিনার হ্যাটট্রিক শিরোপা

মাঠে ময়দানে

কিয়ারার ভাবনা
কিয়ারার ভাবনা

শোবিজ

ঈদে বিপ্লবের ‘তারপর’
ঈদে বিপ্লবের ‘তারপর’

শোবিজ

আমের রাজ্যে লিচুর সম্ভাবনা
আমের রাজ্যে লিচুর সম্ভাবনা

পেছনের পৃষ্ঠা

আইনের অগণতান্ত্রিক ধারা বাতিল ও পরিবর্তনের দাবি
আইনের অগণতান্ত্রিক ধারা বাতিল ও পরিবর্তনের দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

‘নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো’
‘নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো’

সম্পাদকীয়

জুলাই থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন হবে পে-স্কেল
জুলাই থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন হবে পে-স্কেল

প্রথম পৃষ্ঠা