শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

ইসলামের দৃষ্টিতে ছাত্রদের শাসন গুরুত্ব ও সীমারেখা

মুফতি রফিকুল ইসলাম আল মাদানি
প্রিন্ট ভার্সন
ইসলামের দৃষ্টিতে ছাত্রদের শাসন গুরুত্ব ও সীমারেখা

ছাত্রদের শাসনএকটি জাতির ভবিষ্যৎ উন্নতি নির্ভর করে তার শিক্ষার্থীদের চরিত্র, জ্ঞান, নৈতিকতা ও শৃঙ্খলার ওপর। আজকের ছাত্ররাই আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক, শিক্ষক, বিচারক, সমাজসংস্কারক, ইমাম, মুফতি ও মুহাদ্দিস। তাই শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে গড়ে তোলার অন্যতম প্রধান উপায় হলো সুশৃঙ্খল নীতিমালা এবং মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক শাসনব্যবস্থা। কিন্তু বর্তমান সময়ে ‘শাসন’ শব্দটি নিয়ে সমাজে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে শাসন নির্যাতনে রূপ নিচ্ছে, আবার কোথাও শাসনের অভাবে শিক্ষাঙ্গনে বিশৃঙ্খলা বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে বর্তমান দেশের বাস্তবতা এবং ইসলামের আলোকে ছাত্রদের শাসনের বিষয়টি নতুনভাবে ভাবা জরুরি।

বাংলাদেশসহ উপমহাদেশের বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রশাসনের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। আগে শিক্ষক ও অভিভাবকের শাসনকে সন্তানদের কল্যাণের অংশ হিসেবে দেখা হতো; এখন অনেক ক্ষেত্রে তা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। কিছু শিক্ষক শারীরিক শাস্তির অপব্যবহার করছেন, যা সমাজে নিন্দিত এবং আইনগতভাবেও দণ্ডনীয়। ফলে অনেক শিক্ষক এখন ছাত্রদের সংশোধনের প্রয়োজনে ন্যূনতম কঠোরতাও দেখাতে সংকোচবোধ করেন। অন্যদিকে শাসনের অভাবে অনেক প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলাভঙ্গ, শিক্ষকের প্রতি অশ্রদ্ধা, সহিংসতা, মাদকাসক্তি, প্রযুক্তির অপব্যবহার ও নৈতিক অবক্ষয় বাড়ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, পারিবারিক অবহেলা এবং মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার অভাব শিক্ষার্থীদের আচরণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ফলে ছাত্রশাসন বিষয়টি বর্তমানে ব্যাপকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। তাই সব ধরনের শাসনব্যবস্থা কল্যাণমুখী, ন্যায়সংগত ও মানবিক হওয়া সময়ের দাবি, ইমলামের বিধান।

ইসলাম শাসনকে প্রতিহিংসা বা দমননীতি হিসেবে দেখে না; বরং সংশোধন, চরিত্র গঠন ও কল্যাণের উপায় হিসেবে বিবেচনা করে। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘হে ইমানদারগণ! তোমরা নিজেদের এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করো (সুরা আত তাহরিম-৬)।’ এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, অভিভাবক ও শিক্ষকের দায়িত্ব হলো অধীনস্থদের সঠিক পথে পরিচালিত করা। তবে প্রহার করা কেবল ব্যতিক্রমী ও সর্বশেষ উপায়। তা-ও কঠোর শর্তসাপেক্ষ। কোমলতা ও সদ্ব্যবহারই ইসলামে শাসনের মূলনীতি। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘তোমরা মানুষের সঙ্গে উত্তম কথা বলো (সুরা আল বাকারাহ-৮৩)।’ রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয় কোমলতা যে জিনিসে থাকে, তাকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করে, আর যে জিনিস থেকে তা উঠিয়ে নেওয়া হয় তাকে কলুষিত করে।’ (সহিহ মুসলিম) রসুলুল্লাহ (সা.) ছিলেন সর্বোত্তম শিক্ষক। তিনি কখনো শিক্ষার্থীদের অপমান বা নির্দয় আচরণ করেননি; বরং ভালোবাসা, প্রজ্ঞা ও ধৈর্যের মাধ্যমে সংশোধন করতেন। ইসলাম কখনো অমানবিক, অপমানজনক বা ক্ষতিকর শাস্তিকে সমর্থন করে না। ছাত্র, সন্তান ও অধীনস্থকে এমনভাবে শাসন করা যাবে না, যাতে তার দেহে আঘাত লাগে, মানসিক ক্ষতি হয় বা তার আত্মসম্মান নষ্ট হয়। মুখমণ্ডলে আঘাত করা হারাম। দেহে ক্ষত, দাগ, ভাঙন সৃষ্টি করা নিষিদ্ধ। রাগের মাথায় বা প্রতিশোধমূলক প্রহার বৈধ নয়। অপমান, গালি বা লাঞ্ছনা করা যাবে না। রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ তার ভাইকে অপমান করবে না, কষ্ট দেবে না।’ অপর হাদিসে রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ যেন মুখে আঘাত না করে।’ (সহিহ মুসলিম) ইসলাম মানবমর্যাদাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের ভুল হলে প্রথমে উপদেশ, তারপর সতর্কতা, তারপর প্রয়োজন হলে সীমিত প্রশাসনিক ব্যবস্থা, এই ধাপে এগোনোই ইসলামি নীতি। বর্তমান দেশের প্রেক্ষাপটে ছাত্রদের শাসনের জন্য একটি ভারসাম্যপূর্ণ নীতি প্রয়োজন, যেখানে শিক্ষক সম্মানিত থাকবেন, ছাত্র নিরাপদ থাকবে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শৃঙ্খলাবদ্ধ হবে। আইন, মানবাধিকার ও ইসলামি মূল্যবোধ-এই তিনের সমন্বয়ে শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে যেন তারা আধুনিক মনোবিজ্ঞানসম্মত ও ইসলামি নৈতিকতার আলোকে ছাত্র পরিচালনা করতে পারেন। একই সঙ্গে অভিভাবকদেরও সচেতন হতে হবে। শিক্ষককে শত্রু নয়, সন্তান গঠনের সহযোদ্ধা হিসেবে দেখতে হবে।

শাসনহীন শিক্ষা যেমন ফলহীন, তেমনি নির্মম শাসন ধ্বংসাত্মক। ইসলামের শিক্ষা হলো, শাসন হবে ন্যায়সংগত, স্নেহপূর্ণ, প্রজ্ঞাভিত্তিক এবং সংশোধনমূলক। আজকের সমাজে ছাত্রদের শুধু নিয়ন্ত্রণ নয়, চরিত্রবান মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে আমাদের শাসনের ভাষা বদলাতে হবে, রাগ থেকে রহমতে, কঠোরতা থেকে হিকমতে, দমন থেকে দিকনির্দেশনায়। ছাত্রদের প্রতি শিক্ষকের সুদৃষ্টি তাদের মেধা, চরিত্র ও নৈতিক বিকাশের প্রধান সহায়ক। একজন শিক্ষক যখন স্নেহ, মমতা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে শিক্ষার্থীদের দেখভাল করেন, তখন ছাত্ররা আত্মবিশ্বাসী, শৃঙ্খলাবান ও শিক্ষানুরাগী হয়ে ওঠে। অনুশাসন শিক্ষার্থীদের জীবনকে সুশৃঙ্খল করে, সময়ানুবর্তিতা শেখায় এবং ভুল পথ থেকে রক্ষা করে। সুদৃষ্টি ও অনুশাসনের সমন্বয়েই একজন ছাত্র আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। তবে তা সীমালঙ্ঘনের মাধ্যমে নয়। হবে সহনশীলতার মাধ্যমে।

লেখক : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা

এই বিভাগের আরও খবর
হামে শিশুমৃত্যু
হামে শিশুমৃত্যু
পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প
পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প
জিলহজের প্রথম দশকের আমল
জিলহজের প্রথম দশকের আমল
রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব
রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
শিক্ষা নিয়ে গবেষণা
শিক্ষা নিয়ে গবেষণা
টেস্টে পাকিস্তান বধ
টেস্টে পাকিস্তান বধ
পবিত্র কাবার মর্যাদা
পবিত্র কাবার মর্যাদা
সৌর বিদ্যুতে জ্বালানির সমাধান
সৌর বিদ্যুতে জ্বালানির সমাধান
ফ্রান্সে বাংলাদেশি অভিবাসীর সংখ্যা বাড়ছে
ফ্রান্সে বাংলাদেশি অভিবাসীর সংখ্যা বাড়ছে
শুভেন্দুর কাঁটাতার ও আমাদের দেশপ্রেম
শুভেন্দুর কাঁটাতার ও আমাদের দেশপ্রেম
ক্যাম্পাসে উত্তেজনা
ক্যাম্পাসে উত্তেজনা
সর্বশেষ খবর
সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৫৭ হাজার ৫২৬ জন হজযাত্রী
সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৫৭ হাজার ৫২৬ জন হজযাত্রী

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

জাপানের উত্তরাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প
জাপানের উত্তরাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প

১৪ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বসুন্ধরা শুভসংঘের দেওয়া সেলাই মেশিনে বদলাবে ২০ পরিবারের জীবন
বসুন্ধরা শুভসংঘের দেওয়া সেলাই মেশিনে বদলাবে ২০ পরিবারের জীবন

৬ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

নেত্রকোনায় বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু
নেত্রকোনায় বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লোকসানে তামাক পুড়িয়ে শপথ কৃষকের, ‘আর কখনো এই বিষ চাষ করব না’
লোকসানে তামাক পুড়িয়ে শপথ কৃষকের, ‘আর কখনো এই বিষ চাষ করব না’

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের দ্বিতীয় টেস্টে কেমন থাকবে সিলেটের আবহাওয়া
বাংলাদেশ-পাকিস্তানের দ্বিতীয় টেস্টে কেমন থাকবে সিলেটের আবহাওয়া

১৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের অনুষঙ্গ নয়, জাতির আত্মপরিচয়: সংস্কৃতিমন্ত্রী
সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের অনুষঙ্গ নয়, জাতির আত্মপরিচয়: সংস্কৃতিমন্ত্রী

১৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের
ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের

২৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

সুন্দরবনে অস্ত্রসহ ৩ বনদস্যু আটক
সুন্দরবনে অস্ত্রসহ ৩ বনদস্যু আটক

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার, গ্রেফতার ২
বগুড়ায় চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার, গ্রেফতার ২

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রেমিট্যান্স প্রবাহে স্বস্তি, রিজার্ভ এখন ৩৪.৩২ বিলিয়ন ডলার
রেমিট্যান্স প্রবাহে স্বস্তি, রিজার্ভ এখন ৩৪.৩২ বিলিয়ন ডলার

৩৯ মিনিট আগে | অর্থনীতি

গাইবান্ধায় কুকুরের কামড়ে ৫ জনের মৃত্যু, নড়েচড়ে বসছে প্রশাসন
গাইবান্ধায় কুকুরের কামড়ে ৫ জনের মৃত্যু, নড়েচড়ে বসছে প্রশাসন

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

স্কুলের পাশাপাশি সন্তানদের খেলার মাঠেও সময় দিন: বিদ্যুৎমন্ত্রী
স্কুলের পাশাপাশি সন্তানদের খেলার মাঠেও সময় দিন: বিদ্যুৎমন্ত্রী

৪৭ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

স্মরণীয় বিশ্বকাপের আগে ধাক্কা খেল জর্ডান
স্মরণীয় বিশ্বকাপের আগে ধাক্কা খেল জর্ডান

৫২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দিনাজপুরে ধান কাটার শ্রমিকের সংকট, চরম বিপাকে কৃষক
দিনাজপুরে ধান কাটার শ্রমিকের সংকট, চরম বিপাকে কৃষক

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বসুন্ধরা কিংস চ্যাম্পিয়ন
বসুন্ধরা কিংস চ্যাম্পিয়ন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমিনপুরে ময়লার ভাগাড় অপসারণে মতবিনিময়
আমিনপুরে ময়লার ভাগাড় অপসারণে মতবিনিময়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জ্বালানি সহযোগিতায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা স্মারক সই
জ্বালানি সহযোগিতায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা স্মারক সই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দালালের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দালালের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

কবে জানা যাবে হামজাদের নতুন কোচের নাম, যা বললেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
কবে জানা যাবে হামজাদের নতুন কোচের নাম, যা বললেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি তেল আমদানিকারক চীনা কোম্পানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ইঙ্গিত ট্রাম্পের
ইরানি তেল আমদানিকারক চীনা কোম্পানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ইঙ্গিত ট্রাম্পের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাকবা থেকে গণহত্যা: গাজার এক দাদির প্রতিরোধ আর হারানোর গল্প
নাকবা থেকে গণহত্যা: গাজার এক দাদির প্রতিরোধ আর হারানোর গল্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রিটেনের প্রথম বিলিয়নিয়ার ক্রীড়াবিদ হলেন ডেভিড বেকহ্যাম
ব্রিটেনের প্রথম বিলিয়নিয়ার ক্রীড়াবিদ হলেন ডেভিড বেকহ্যাম

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বগুড়ার দুই হাসপাতালের সভাপতি হলেন মীর শাহে আলম ও রেজাউল করিম
বগুড়ার দুই হাসপাতালের সভাপতি হলেন মীর শাহে আলম ও রেজাউল করিম

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের আগে একদিনের সরকারি ছুটি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি
ঈদের আগে একদিনের সরকারি ছুটি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সোনারগাঁয়ে প্রাচীন পঙ্খিরাজ নদী পুনঃখননের দাবিতে মানববন্ধন
সোনারগাঁয়ে প্রাচীন পঙ্খিরাজ নদী পুনঃখননের দাবিতে মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কলাপাড়ায় কারখানা মালিককে জরিমানা
কলাপাড়ায় কারখানা মালিককে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানের সিরিজ বাঁচানোর টেস্টে কি ফিরবেন বাবর
পাকিস্তানের সিরিজ বাঁচানোর টেস্টে কি ফিরবেন বাবর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বগুড়ায় সাহিত্য চক্রের ৪০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন
বগুড়ায় সাহিত্য চক্রের ৪০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পতিত সরকারের সময়ে নারী ও সংখ্যালঘুদের ওপর জুলুম হয়েছে: উপদেষ্টা তিতুমীর
পতিত সরকারের সময়ে নারী ও সংখ্যালঘুদের ওপর জুলুম হয়েছে: উপদেষ্টা তিতুমীর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
কোচিং সেন্টার নিয়ে যে কড়া বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
কোচিং সেন্টার নিয়ে যে কড়া বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড নিয়ে সতর্কবার্তা বাংলাদেশ ব্যাংকের
ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড নিয়ে সতর্কবার্তা বাংলাদেশ ব্যাংকের

৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ
ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বাসঘাতকদের হুঁশিয়ারি দিল ইরান, কারা সেই বিশ্বাসঘাতক?
বিশ্বাসঘাতকদের হুঁশিয়ারি দিল ইরান, কারা সেই বিশ্বাসঘাতক?

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যুক্তরাষ্ট্র পতনশীল দেশ’, চীনের প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের জবাবে যা বললেন ট্রাম্প
‘যুক্তরাষ্ট্র পতনশীল দেশ’, চীনের প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের জবাবে যা বললেন ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে যে রাজকীয় খাবার খাওয়াল চীন
ট্রাম্পকে যে রাজকীয় খাবার খাওয়াল চীন

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লাগেজে মাংস-শাকসবজি, কানাডায় বাংলাদেশি যাত্রীদের গুনতে হলো জরিমানা
লাগেজে মাংস-শাকসবজি, কানাডায় বাংলাদেশি যাত্রীদের গুনতে হলো জরিমানা

৫ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পকে স্পষ্ট যে অবস্থান জানাল চীন
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পকে স্পষ্ট যে অবস্থান জানাল চীন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সভাপতি-সম্পাদকসহ ১৩ পদে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের জয়
সভাপতি-সম্পাদকসহ ১৩ পদে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের জয়

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা শেষ ১৫ মে
আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা শেষ ১৫ মে

২১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান
নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার
ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার

২২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৯ জেলায় নতুন এডিসি নিয়োগ
৯ জেলায় নতুন এডিসি নিয়োগ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘চুক্তি না হলে ইরান ধ্বংস হবে’ চীনে বসে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
‘চুক্তি না হলে ইরান ধ্বংস হবে’ চীনে বসে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা ফ্রান্সের, বাদ পড়লেন যারা
বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা ফ্রান্সের, বাদ পড়লেন যারা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা যাবে না ‘টিউশন ফি’
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা যাবে না ‘টিউশন ফি’

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পরিমার্জন হচ্ছে ২০২৭ সালের পাঠ্যবই, ফিরছে প্রকৃত ইতিহাস: এনসিটিবি চেয়ারম্যান
পরিমার্জন হচ্ছে ২০২৭ সালের পাঠ্যবই, ফিরছে প্রকৃত ইতিহাস: এনসিটিবি চেয়ারম্যান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইলেন ট্রাম্প, মিলল না স্পষ্ট আশ্বাস
ইরান ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইলেন ট্রাম্প, মিলল না স্পষ্ট আশ্বাস

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন সফরে এখন পর্যন্ত কী কী পেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
চীন সফরে এখন পর্যন্ত কী কী পেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে কারণে পাকিস্তানের কিছু নাগরিককে বহিষ্কার করছে আমিরাত
যে কারণে পাকিস্তানের কিছু নাগরিককে বহিষ্কার করছে আমিরাত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বিক্রয় ডট কম’ কিনে নিলো নাইজেরিয়ার ‘জিজি’
‘বিক্রয় ডট কম’ কিনে নিলো নাইজেরিয়ার ‘জিজি’

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চার দিন ৪ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির আভাস
চার দিন ৪ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির আভাস

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন দায়িত্বে মাহমুদউল্লাহ
নতুন দায়িত্বে মাহমুদউল্লাহ

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম
ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চেতনা বিক্রি করতে করতে আমরা নিজেরাই বিক্রি হয়ে গেছি: চিফ হুইপ
চেতনা বিক্রি করতে করতে আমরা নিজেরাই বিক্রি হয়ে গেছি: চিফ হুইপ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ হাজার বছর আগে তৈরি রহস্যময় দ্বীপ, বিস্মিত বিজ্ঞানীরা
৫ হাজার বছর আগে তৈরি রহস্যময় দ্বীপ, বিস্মিত বিজ্ঞানীরা

১১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর সভা
যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর সভা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছুটির দিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, দুর্ভোগ
ছুটির দিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, দুর্ভোগ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন
বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার

প্রথম পৃষ্ঠা

শর্টকাটে বড়লোক!
শর্টকাটে বড়লোক!

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক
চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক

প্রথম পৃষ্ঠা

সড়ক যেন বিভীষিকা
সড়ক যেন বিভীষিকা

পেছনের পৃষ্ঠা

জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?
জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস
জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

কুমার নদের করুণ দশা
কুমার নদের করুণ দশা

পেছনের পৃষ্ঠা

রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা
রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের
আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের

পেছনের পৃষ্ঠা

আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’
আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’

মাঠে ময়দানে

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে

সম্পাদকীয়

আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী
আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী

পেছনের পৃষ্ঠা

বাঁচানো গেল না গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমিকে
বাঁচানো গেল না গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমিকে

প্রথম পৃষ্ঠা

ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ
ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা
ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা

নগর জীবন

বাবার পর মারা গেল তিন ভাইবোন
বাবার পর মারা গেল তিন ভাইবোন

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু
২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু

দেশগ্রাম

মমতাকে উদ্দেশ করে চোর স্লোগান
মমতাকে উদ্দেশ করে চোর স্লোগান

প্রথম পৃষ্ঠা

পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে গরু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি
পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে গরু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি

পেছনের পৃষ্ঠা

ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১
ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১

দেশগ্রাম

দেশের প্রতিটি ঘরে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উত্তেজনা
দেশের প্রতিটি ঘরে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উত্তেজনা

নগর জীবন

মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা

প্রথম পৃষ্ঠা

কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান
কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান

নগর জীবন

ধানমন্ডিতে বসুন্ধরা টয়লেট্রিজের পণ্য বিক্রি উদ্বোধন
ধানমন্ডিতে বসুন্ধরা টয়লেট্রিজের পণ্য বিক্রি উদ্বোধন

নগর জীবন

গণভোটের রায়সহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা
গণভোটের রায়সহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব
রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব

সম্পাদকীয়

আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসির ৪১তম বার্ষিক সাধারণ সভা
আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসির ৪১তম বার্ষিক সাধারণ সভা

নগর জীবন

গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!
গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!

দেশগ্রাম

দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’
দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’

শোবিজ