শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০১ মে, ২০২৬ আপডেট: ০১:১৮, শুক্রবার, ০১ মে, ২০২৬

শ্রমজীবী মানুষের আস্থায় বিএনপি

অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান
প্রিন্ট ভার্সন
শ্রমজীবী মানুষের আস্থায় বিএনপি

বিএনপিকে বলা হয় গণমানুষের দল। এই গণমানুষের মধ্যে বেশির ভাগই শ্রমিক শ্রেণি। খুব সম্ভবত বিএনপিই একমাত্র রাজনৈতিক দল, যার প্রতিষ্ঠাতা একজন উর্দি পরা জেনারেল হওয়া সত্ত্বেও সাধারণ মানুষ দলটিকে খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাদের রাজনৈতিক মুক্তি ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির আশ্রয়স্থল হিসেবে গ্রহণ করে। যাত্রা শুরুর পর থেকেই বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেসব উদ্যোগ, কর্মসূচি নিয়েছেন তার সবই ছিল গণমুখী। সমাজের অবহেলিত, পিছিয়ে পড়া মানুষকে সামনে এগিয়ে নিতে তাঁর প্রাণান্ত প্রচেষ্টা ছিল। তাঁর অল্প সময়ের শাসনামলে শ্রমিক কল্যাণে যেসব কর্মসূচি নেওয়া হয়, তা ছিল সত্যিই অভাবনীয়।

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে ১৯৮০ সালে ঢাকায় বিশাল পরিসরে শ্রমিক সমাবেশের আয়োজন করা হয়। যেই সমাবেশে প্রেসিডেন্ট জিয়া নিজেকে একজন শ্রমিক হিসেবে ঘোষণা করেন। সামরিক ব্যারাকে দেশের সেবায় নিয়োজিত একজন সৈনিক দেশের প্রয়োজনে প্রেসিডেন্ট হলেও তিনি মূলত মানুষের সেবক, এ কথা তিনি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন। ওই সমাবেশে তাঁর ভাষণ শ্রমিকদের নতুন করে উজ্জীবিত করেছিল দেশপ্রেমে। তাঁরা বুঝতে পারেন শ্রমিক কোনো অবহেলিত জনগোষ্ঠী নয়, বরং তাঁরা দেশ গড়ার অংশীজন। তাঁদের শ্রমে-ঘামেই একটি দেশ এগিয়ে যায়। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনর্গঠন শ্রমিকের অংশগ্রহণ ছাড়া সম্ভব নয়। শ্রমিক সমাবেশে দেওয়া শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভাষণের মূল সুর ছিল উৎপাদন বৃদ্ধি, কঠোর পরিশ্রম এবং জাতীয়তাবাদ। তিনি শ্রমিকদের ‘উৎপাদনমুখী’ হওয়ার এবং দেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার জন্য কাজ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

জিয়াউর রহমান বিশ্বাস করতেন কর্মে। ন্যায্যতাভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থায় প্রত্যেক শ্রেণি-পেশার মানুষের অবদানকে তিনি যথাযথ সম্মানের সঙ্গে দেখতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, দেশের মোট জনসংখ্যার সিংহভাগ শ্রমিক। তাঁদের পিছিয়ে রেখে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার স্বপ্ন কেবল স্বপ্নই। বাস্তবে কখনোই সম্ভব নয়। সে কারণে তিনি তাঁদের উৎপাদনমুখী রাজনীতি ও অর্থনীতিতে একীভূত করেছিলেন। তিনি উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিতেন। তিনি শ্রমিকদের বলতেন, ‘খাল কেটে পানি আনো, উৎপাদন বাড়াও’। তিনি বাংলাদেশকে একটি ‘কর্মমুখর জাতি’ হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন এবং শ্রমিকদের অলসতা পরিহার করে উৎপাদনশীল কাজে মনোনিবেশ করতে উৎসাহিত করতেন। তাঁর কাছে কাজই হলো স্বনির্ভরতার চাবিকাঠি। আর স্বনির্ভর কোনো জাতি কারও গোলামি পছন্দ করে না। তাদের ভিতর দেশপ্রেমের তেজ থাকে। তারা হয় স্বাধীনচেতা। প্রেসিডেন্ট জিয়া খুব ভালো করেই জানতেন, শ্রমিক হলো মালিক শ্রেণির উন্নয়ন সহযোগী। এই দুয়ের মধ্যে বৈরী সম্পর্ক কখনোই ভালো ফল দেবে না। তাই তিনি শ্রমিক ও মালিকের মধ্যে সুসম্পর্ক এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে শিল্প ক্ষেত্রে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার পক্ষে ছিলেন। কলকারখানায় শ্রমিকবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের পাশাপাশি তিনি মালিকপক্ষের জন্য ব্যবসার অনুকূল পরিবেশও বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাঁর দীর্ঘ ভাষণে শ্রমিকদের জন্য বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণের পাশাপাশি তাঁদের ভিতরে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন বোঝানোর চেষ্টা ছিল। কেননা তিনি মনে করতেন, শ্রমিকদের ভিতর যদি সত্যিকারের দেশপ্রেম না থাকে, তাহলে দেশের উন্নয়ন-উৎপাদন কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাবে না।

একইভাবে তিনি ওই বছরের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন। সেখানেও তিনি উন্নয়নশীল বিশ্বের অর্থনৈতিক মুক্তি, সম্পদের সুষম বণ্টন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর জোর দেন। তাঁর এই সময়কার ভাষণগুলো মূলত দেশের উন্নয়ন, উৎপাদন এবং শ্রমিকদের অধিকার ও দায়িত্বের ওপর আলোকপাত করত। শহীদ জিয়াউর রহমান শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, তাঁদের অবস্থার উন্নতি এবং শ্রমিক-মালিকের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতেন। 

প্রেসিডেন্ট জিয়ার শাহাদতের পর বিএনপি দুটি পূর্ণ মেয়াদে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব লাভ করে। এই সময় তাঁর সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়া দেশের হাল ধরেন। শ্রমিক সুরক্ষায় তাঁর আমলে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত আসে। শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কল্যাণ নিশ্চিত করতে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে ২০০৬ সালে সমন্বিত ‘বাংলাদেশ লেবার কোড’ প্রণয়ন, শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন গঠন, পোশাকশিল্পে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষায় প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালীকরণ ছিল অন্যতম। এ ছাড়া শিল্প খাতের উৎপাদন বৃদ্ধিতে জোর দেওয়ার পাশাপাশি নারীশ্রমিকদের ক্ষমতায়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেয় খালেদা জিয়ার সরকার। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় মেয়েদের জন্য উপবৃত্তি ও শিক্ষার সুযোগ তৈরির মাধ্যমে নারীশ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির ভিত্তি স্থাপন ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে যুগান্তকারী ঘটনা। বর্তমান বাংলাদেশে নারীদের যে অগ্রগতি, তার ভিত তখনই গঠিত হয়।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হালনাগাদ তথ্য বলছে, দেশে কর্মক্ষম জনসংখ্যা ১২ কোটি ৬ লাখ ২০ হাজার। তাঁদের মধ্যে শ্রমশক্তি ৭ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার। মোট শ্রমশক্তির ৮৪ দশমিক ১ শতাংশ অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজ করে। যার সংখ্যা ৫ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার। অর্থাৎ এ বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের দায়দায়িত্ব রাষ্ট্রের ওপর বর্তায় না। শ্রমিক হিসেবে তাঁদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নেই। কোনো রকম আইনি ও সামাজিক সুরক্ষা নেই। কর্মস্থলের পরিচয়পত্র নেই। কাজের ক্ষেত্রে অন্যায়ের শিকার হলে তাঁদের শ্রম আদালতে মামলা করার সুযোগও নেই। স্বাধীনতার সুদীর্ঘকাল পরে এসে দেশের শ্রমিকদের জীবনমানের এই চিত্র সত্যিই আমাদের আশাহত করে। যাঁদের শ্রমে-ঘামে একটি দেশ টিকে থাকে, তাঁদের বঞ্চনার এমন কালশিটে রেকর্ড আমাদের জন্য লজ্জার। বিএনপি তার রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার মধ্যে শ্রমিকের সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ১৬ নম্বর দফায় বিএনপি বলছে, ‘মুদ্রাস্ফীতির আলোকে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা হবে। শিশুশ্রম বন্ধ করে তাদের জীবন বিকাশের উপযোগী পরিবেশ ও ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও গণতান্ত্রিক ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার নিশ্চিত করা হবে। পাটকল, বস্ত্রকল, চিনিকলসহ বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন, মর্যাদা ও কর্মের নিরাপত্তা এবং দেশে বিমানবন্দরসহ সব ক্ষেত্রে হয়রানিমুক্ত সেবাপ্রাপ্তি ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করা হবে। চা-বাগান, বস্তি, চরাঞ্চল, হাওড়-বাঁওড়, মঙ্গাপীড়িত ও উপকূলীয় অঞ্চলের বৈষম্য দূরীকরণ ও সুষম উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে।’

উৎপাদন ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। আর উৎপাদনের মূল হাতিয়ার হলো শ্রমজীবী মানুষ। চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা দেখেছি, হাসিনার দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে এ দেশের শ্রমিক শ্রেণি কীভাবে নিষ্পেষিত হয়েছে। কৃষি থেকে শিল্প-সবখানেই শ্রমিকরা ছিলেন নিগৃহীত। তাঁদের শ্রম আছে কিন্তু সম্মান নেই। তাঁদের ঘামে দেশ এগিয়ে যায় কিন্তু তাঁরা থাকেন পিছিয়ে। এমন বৈষম্যমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থায় অতিষ্ঠ শ্রমিকরাও ছিলেন সেই অভ্যুত্থানের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তাঁদের অকুতোভয় হুংকার সেদিন গণহত্যাকারী হাসিনাশাহির পতন ঘটিয়েছে। রাজপথে অসংখ্য শ্রমজীবী জীবন দিয়েছেন। হাজার হাজার শ্রমজীবী এখনো পঙ্গু-কর্মহীন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শ্রমজীবী মানুষের বিপুল সমর্থন ছিল। কেননা তাঁরা মনে করেন, বিএনপিই সত্যিকারভাবে শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষার দল। তাই দেশ ও দশের ভাগ্যের পরিবর্তনের দুর্বার আকাক্সক্ষা নিয়ে তাঁরা বিএনপিকে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়েছেন।  বিএনপি শ্রমজীবী মানুষের এই সমর্থনকে সম্মান জানায়। তাঁরা যে আকাক্সক্ষা নিয়ে দলটিকে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন করেছেন, আঙুলে ভোটের চিহ্ন মোচনের আগেই সেই আকাক্সক্ষা পূরণে কাজ শুরু করেছে সরকার। দেশব্যাপী খাল খনন ও সংস্কার থেকে শুরু করে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডসহ নানামুখী কর্মকাণ্ড চলমান রয়েছে। এসবই মূলত শ্রমিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট। যদিও আরও চমক সামনে। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে তার সবই এখন প্রকাশ্যে না এলেও সামনের দিনগুলোতে আসবে-এটা জাতি বিশ্বাস করে। শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য উত্তরাধিকার তারেক রহমান সরকারের কাছে জনগণের এই প্রত্যাশা অমূলক কিছু নয়, বরং একেবারেই যৌক্তিক।

♦ লেখক : অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
ইসলামে সীমান্ত রক্ষার ৭টি পুরস্কার
ইসলামে সীমান্ত রক্ষার ৭টি পুরস্কার
অস্তিত্বের সংকটে তিতাস
অস্তিত্বের সংকটে তিতাস
দেশিবিদেশি বিনিয়োগ
দেশিবিদেশি বিনিয়োগ
প্রবীণ সুরক্ষার নতুন চ্যালেঞ্জ
প্রবীণ সুরক্ষার নতুন চ্যালেঞ্জ
সারা বছর আয়কর রিটার্ন : সুযোগ যেন সংকটে পরিণত না হয়
সারা বছর আয়কর রিটার্ন : সুযোগ যেন সংকটে পরিণত না হয়
শিক্ষাক্রম প্রণয়নে দোলাচল : উত্তরণের উপায়
শিক্ষাক্রম প্রণয়নে দোলাচল : উত্তরণের উপায়
সীমারেখার রাজনীতি
সীমারেখার রাজনীতি
শিল্পে ছাঁটাই আতঙ্ক
শিল্পে ছাঁটাই আতঙ্ক
বাজেট বাস্তবায়ন
বাজেট বাস্তবায়ন
হজপরবর্তী জীবন
হজপরবর্তী জীবন
বাজেটে স্থিতিশীলতার প্রতিশ্রুতি, প্রকৃতিনির্ভর রূপান্তরের ঘাটতি
বাজেটে স্থিতিশীলতার প্রতিশ্রুতি, প্রকৃতিনির্ভর রূপান্তরের ঘাটতি
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
সর্বশেষ খবর
ছাত্রনেতা খোকনের গুম থেকে ফিরে আসা নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী
ছাত্রনেতা খোকনের গুম থেকে ফিরে আসা নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী

এই মাত্র | ক্যাম্পাস

ব্রাজিলের বিপক্ষে গোল করে ভাগ্য খুলল মরক্কোর স্ট্রাইকারের
ব্রাজিলের বিপক্ষে গোল করে ভাগ্য খুলল মরক্কোর স্ট্রাইকারের

৩১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

চলতি অর্থবছরের ৫৬ হাজার কোটি টাকার সম্পূরক বাজেট পাস
চলতি অর্থবছরের ৫৬ হাজার কোটি টাকার সম্পূরক বাজেট পাস

৪ মিনিট আগে | জাতীয়

মুন্সীগঞ্জে যুবককে হত্যার ঘটনায় মামলা
মুন্সীগঞ্জে যুবককে হত্যার ঘটনায় মামলা

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গুলি করে যুবককে অপহরণের অভিযোগ
গুলি করে যুবককে অপহরণের অভিযোগ

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চেম্বারে ঢুকে আইনজীবীকে মারধর, গ্রেপ্তার ৪
চেম্বারে ঢুকে আইনজীবীকে মারধর, গ্রেপ্তার ৪

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সুইডেনের বিপক্ষে লজ্জার হারে চাকরি হারালেন তিউনিসিয়া কোচ
সুইডেনের বিপক্ষে লজ্জার হারে চাকরি হারালেন তিউনিসিয়া কোচ

১৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিটি সংসদীয় আসনে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনার খবর ভিত্তিহীন
প্রতিটি সংসদীয় আসনে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনার খবর ভিত্তিহীন

১৯ মিনিট আগে | জাতীয়

পবিত্র কাবায় নতুন কিসওয়া পরানোর প্রস্তুতি
পবিত্র কাবায় নতুন কিসওয়া পরানোর প্রস্তুতি

১৯ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু
ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, সম্প্রীতির ডাক
নারায়ণগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, সম্প্রীতির ডাক

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিখোঁজ অটোরিকশা চালকের লাশ উদ্ধার
নিখোঁজ অটোরিকশা চালকের লাশ উদ্ধার

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘দুর্নীতির মতো ধর্ষণেরও কোনো ছোট কিংবা বড় ডেফিনেশন হতে পারে না’
‘দুর্নীতির মতো ধর্ষণেরও কোনো ছোট কিংবা বড় ডেফিনেশন হতে পারে না’

২৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ইউজিসির ৯ কর্মকর্তার দায়িত্বে রদবদল
ইউজিসির ৯ কর্মকর্তার দায়িত্বে রদবদল

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

আর্জেন্টিনার প্রেমে বাড়ি রাঙালেন মেসি ভক্ত মেহেদী
আর্জেন্টিনার প্রেমে বাড়ি রাঙালেন মেসি ভক্ত মেহেদী

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফিফার কাছ থেকে পূর্ণ পারিশ্রমিক পাবেন সেই সোমালি রেফারি
ফিফার কাছ থেকে পূর্ণ পারিশ্রমিক পাবেন সেই সোমালি রেফারি

৩৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গাইবান্ধায় ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু
গাইবান্ধায় ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইটের আঘাতে বৃদ্ধ নিহত
ইটের আঘাতে বৃদ্ধ নিহত

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ জিতবে কে, চারটি ভিন্ন এআই চ্যাটবটের গণনায় একই দেশের নাম
বিশ্বকাপ জিতবে কে, চারটি ভিন্ন এআই চ্যাটবটের গণনায় একই দেশের নাম

৪৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পিরোজপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
পিরোজপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যশোরে চার প্রতিষ্ঠানকে লাখ টাকা জরিমানা
যশোরে চার প্রতিষ্ঠানকে লাখ টাকা জরিমানা

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নদীতে ডুবে যুবকের মৃত্যু
নদীতে ডুবে যুবকের মৃত্যু

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাইব্যুনালে বেনজীরের বিরুদ্ধে ১০ মামলা, ফেরাতে এনসিবিতে চিঠি দেবে তদন্ত সংস্থা
ট্রাইব্যুনালে বেনজীরের বিরুদ্ধে ১০ মামলা, ফেরাতে এনসিবিতে চিঠি দেবে তদন্ত সংস্থা

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

অনুশীলন কাম্পের কাছে টর্নেডোর হানা, আতঙ্কে হোটেলে বন্দি ইংলিশ ফুটবলাররা
অনুশীলন কাম্পের কাছে টর্নেডোর হানা, আতঙ্কে হোটেলে বন্দি ইংলিশ ফুটবলাররা

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নরসিংদীতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখায় দুই হাসপাতালকে জরিমানা
নরসিংদীতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখায় দুই হাসপাতালকে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় বর্ষা বিষয়ক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
বগুড়ায় বর্ষা বিষয়ক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নিজ ঘর থেকে তরুণ অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
নিজ ঘর থেকে তরুণ অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শ্যামনগরে ৩৩ লাখ টাকার ফেনসিডিল ও ভারতীয় ওষুধ জব্দ
শ্যামনগরে ৩৩ লাখ টাকার ফেনসিডিল ও ভারতীয় ওষুধ জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তি বানচালে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে ইসরায়েল: বিশ্লেষক
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তি বানচালে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে ইসরায়েল: বিশ্লেষক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুন্সীগঞ্জে নারী ও শিশু হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা
মুন্সীগঞ্জে নারী ও শিশু হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল

২৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরানের ‘পারমাণবিক অস্ত্রের’ সামনে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না : ট্রাম্প
ইরানের ‘পারমাণবিক অস্ত্রের’ সামনে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না : ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে: ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে: ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ফাইনালে গিয়ে ইয়ামালকে বোঝাতে চাই, তার মরক্কোর হয়ে খেলা উচিত ছিল’
‘ফাইনালে গিয়ে ইয়ামালকে বোঝাতে চাই, তার মরক্কোর হয়ে খেলা উচিত ছিল’

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের সাথে নতুন সম্ভাব্য চুক্তি আমার চুক্তির চেয়ে ভালো হবে না : ওবামা
ইরানের সাথে নতুন সম্ভাব্য চুক্তি আমার চুক্তির চেয়ে ভালো হবে না : ওবামা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি খোলাসহ যা যা থাকছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে
হরমুজ প্রণালি খোলাসহ যা যা থাকছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জান্নাতের টিকিট বিলিয়ে কেমনে ধর্ষণ করলা, আস্তাগফিরুল্লাহ : সংসদে শামীম কায়সার
জান্নাতের টিকিট বিলিয়ে কেমনে ধর্ষণ করলা, আস্তাগফিরুল্লাহ : সংসদে শামীম কায়সার

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, অস্বস্তিতে ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, অস্বস্তিতে ইসরায়েল

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ
১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেষ মুহূর্তের গোলে ডাচদের রুখে দিল জাপান
শেষ মুহূর্তের গোলে ডাচদের রুখে দিল জাপান

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ বিতাড়নের আহ্বান সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর
নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ বিতাড়নের আহ্বান সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের
ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সেই আগুনে পুড়ল সাম্রাজ্য
সেই আগুনে পুড়ল সাম্রাজ্য

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বেনজীরের যত অপরাধ
বেনজীরের যত অপরাধ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার প্রভাবে কমল তেলের দাম, তিন মাসে সর্বনিম্নে
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার প্রভাবে কমল তেলের দাম, তিন মাসে সর্বনিম্নে

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৯ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, স্মৃতিতে মেসির জাদু
১৯ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, স্মৃতিতে মেসির জাদু

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক
এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জেনেভায় হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সই, আয়োজক পাকিস্তান: শেহবাজ
জেনেভায় হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সই, আয়োজক পাকিস্তান: শেহবাজ

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লিতে জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দিল্লিতে জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বকালের সবচেয়ে ‘সমালোচিত’ বিশ্বকাপের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব?
সর্বকালের সবচেয়ে ‘সমালোচিত’ বিশ্বকাপের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব?

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পারস্য উপসাগরে ‘শুধু ভারতীয়’ নাবিক থাকা জাহাজেই হামলা হচ্ছে, দাবি রিপোর্টে
পারস্য উপসাগরে ‘শুধু ভারতীয়’ নাবিক থাকা জাহাজেই হামলা হচ্ছে, দাবি রিপোর্টে

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘স্ত্রী মরার পর জীবন বদলেছে, সন্তানরা খোঁজ নেয় না, এই ঝুপড়িই আমার ঠিকানা’
‘স্ত্রী মরার পর জীবন বদলেছে, সন্তানরা খোঁজ নেয় না, এই ঝুপড়িই আমার ঠিকানা’

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে আজ রাত থেকেই: ইরান
স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে আজ রাত থেকেই: ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুরাসাওকে ৭–১ গোলে উড়িয়ে ব্রাজিল ম্যাচের স্মৃতি ফেরাল জার্মানি
কুরাসাওকে ৭–১ গোলে উড়িয়ে ব্রাজিল ম্যাচের স্মৃতি ফেরাল জার্মানি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলকে টপকে বিশ্বকাপে গোলের শীর্ষে জার্মানি
ব্রাজিলকে টপকে বিশ্বকাপে গোলের শীর্ষে জার্মানি

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আগামী ৫ দিন ভারি বর্ষণ হতে পারে যেসব অঞ্চলে
আগামী ৫ দিন ভারি বর্ষণ হতে পারে যেসব অঞ্চলে

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্রাজিলের গণমাধ‍্যমে আনচেলত্তির তীব্র সমালোচনা
ব্রাজিলের গণমাধ‍্যমে আনচেলত্তির তীব্র সমালোচনা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাজ্যে বিক্ষোভের মুখে হাসনাত-সাদিক
যুক্তরাজ্যে বিক্ষোভের মুখে হাসনাত-সাদিক

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘উড়ে যাওয়া পাখি কোনো দাগ রাখে না’:  জাপানিদের স্টেডিয়াম পরিষ্কার করার গোপন রহস্য
‘উড়ে যাওয়া পাখি কোনো দাগ রাখে না’: জাপানিদের স্টেডিয়াম পরিষ্কার করার গোপন রহস্য

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সর্বশেষ শিকার ক্রিকেটার নাঈম
সর্বশেষ শিকার ক্রিকেটার নাঈম

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

খুনের উপত্যকা রাউজান
খুনের উপত্যকা রাউজান

পেছনের পৃষ্ঠা

এবারও কি মরক্কো রূপকথা
এবারও কি মরক্কো রূপকথা

মাঠে ময়দানে

মাদক চোরাচালানে ব্যবহার হচ্ছে শিশু
মাদক চোরাচালানে ব্যবহার হচ্ছে শিশু

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধবিরতি চুক্তি যেকোনো সময়
যুদ্ধবিরতি চুক্তি যেকোনো সময়

প্রথম পৃষ্ঠা

দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন সোহেল-স্বপ্না
দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন সোহেল-স্বপ্না

প্রথম পৃষ্ঠা

দুবাইয়ে গ্রেপ্তার বেনজীর
দুবাইয়ে গ্রেপ্তার বেনজীর

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষাক্রম প্রণয়নে দোলাচল : উত্তরণের উপায়
শিক্ষাক্রম প্রণয়নে দোলাচল : উত্তরণের উপায়

সম্পাদকীয়

ইসলামে সীমান্ত রক্ষার ৭টি পুরস্কার
ইসলামে সীমান্ত রক্ষার ৭টি পুরস্কার

সম্পাদকীয়

বাংলাদেশে বাড়তি বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে পারছে না নেপাল
বাংলাদেশে বাড়তি বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে পারছে না নেপাল

পেছনের পৃষ্ঠা

বেনজীরের যত অপরাধ
বেনজীরের যত অপরাধ

প্রথম পৃষ্ঠা

গোলকধাঁধায় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য মোকাবিলায় তিন কৌশল
গোলকধাঁধায় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য মোকাবিলায় তিন কৌশল

পেছনের পৃষ্ঠা

বাজেটে গরিব আরও গরিব হবে
বাজেটে গরিব আরও গরিব হবে

নগর জীবন

চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল
চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল

প্রথম পৃষ্ঠা

অবহেলায় ২৫ প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন
অবহেলায় ২৫ প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়ছে অধিকাংশ নদনদীর পানি
বাড়ছে অধিকাংশ নদনদীর পানি

পেছনের পৃষ্ঠা

সীমারেখার রাজনীতি
সীমারেখার রাজনীতি

সম্পাদকীয়

পনোগ্রাফি মামলায় কারাগারে
পনোগ্রাফি মামলায় কারাগারে

দেশগ্রাম

শরিফুলের ৬ উইকেটের পরও টাইগারদের শ্বাসরুদ্ধকর হার
শরিফুলের ৬ উইকেটের পরও টাইগারদের শ্বাসরুদ্ধকর হার

মাঠে ময়দানে

কঠিন চ্যালেঞ্জে মমতা, তৃণমূলের সংকট কাটছে না
কঠিন চ্যালেঞ্জে মমতা, তৃণমূলের সংকট কাটছে না

প্রথম পৃষ্ঠা

কারখানা বন্ধ থাকলে ভোটাধিকার থাকবে না
কারখানা বন্ধ থাকলে ভোটাধিকার থাকবে না

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রবীণ সুরক্ষার নতুন চ্যালেঞ্জ
প্রবীণ সুরক্ষার নতুন চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদে ‘মায়ের ডাক’ সদস্যদের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদে ‘মায়ের ডাক’ সদস্যদের সাক্ষাৎ

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ পয়লা আষাঢ়
আজ পয়লা আষাঢ়

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে ফেরানো হবে দেশে
যেভাবে ফেরানো হবে দেশে

প্রথম পৃষ্ঠা

অনগ্রসর এলাকায় শিক্ষার সুযোগ পৌঁছলে বিকশিত হবে সুপ্ত প্রতিভা
অনগ্রসর এলাকায় শিক্ষার সুযোগ পৌঁছলে বিকশিত হবে সুপ্ত প্রতিভা

পেছনের পৃষ্ঠা

পুকুরে ভাসছিল নারীর লাশ
পুকুরে ভাসছিল নারীর লাশ

দেশগ্রাম

শিক্ষাকে আনন্দময় করার কাজ চলছে
শিক্ষাকে আনন্দময় করার কাজ চলছে

প্রথম পৃষ্ঠা

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সরকারের একক নিয়ন্ত্রণে
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সরকারের একক নিয়ন্ত্রণে

প্রথম পৃষ্ঠা