শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০৬ মে, ২০২৬ আপডেট: ০২:৩০, বুধবার, ০৬ মে, ২০২৬

মমতার পতন ও দিব্যদর্শী এক পীর

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
মমতার পতন ও দিব্যদর্শী এক পীর

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস যুগের অবসান ঘটেছে। বিধানসভার নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ী হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। ভারতের সবচেয়ে অগ্রসর রাজ্য বলে পরিচিত পশ্চিমবঙ্গে এবার বিপুলভাবে জিতেছে হিন্দুত্ববাদে বিশ্বাসী একটি দল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিজেপি ‘পদ্মা’ পশ্চিমবঙ্গজুড়ে তাদের পাপড়ি মেলেছে। পশ্চিমবঙ্গ ভারতের বাংলাভাষী দুটি রাজ্যের একটি। সংগত কারণেই সেখানকার নির্বাচনে বাংলাদেশ বরাবরই একটি ফ্যাক্টর। অনেকের ধারণা সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে ‘হাসিনা কার্ড’ ভোটযুদ্ধের ভাগ্য নির্ধারণে ভূমিকা রেখেছে।

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারান বাংলাদেশের কর্তৃত্ববাদী শাসক শেখ হাসিনা। এ গণ অভ্যুত্থান ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও ব্যাপক সাড়া জাগায়। বিশেষ করে তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকরা শেখ হাসিনার পতনকে বাহবা দেয়। এর বিপরীতে তৃণমূল কংগ্রেসের একসময়ের দ্বিতীয় প্রধান নেতা এবং পরবর্তী সময়ে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির কর্ণধার শুভেন্দু অধিকারী আবির্ভূত হন ভিন্ন ভূমিকায়। তিনি জোরেশোরে দাবি তোলেন শেখ হাসিনা এখনো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশে ফেরত যাবেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। শুভেন্দুর হাসিনাচর্চার মূল কারণ পশ্চিম বাংলার অধিবাসীদের এক বড় অংশের আদিনিবাস এপার বাংলায়। যাদের মন জয় করা। পশ্চিম বাংলায় মুসলিম ভোটের সংখ্যা প্রায় এক-চতুর্থাংশ। একসময় সিপিএমের পক্ষে যেত এই ভোট। তারপর সে ভোটের ‘মালিকানা’ অর্জন করে তৃণমূল কংগ্রেস। এই অর্জন তাদের দীর্ঘ ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকতে মদত জোগায়। বিজেপি মুসলিম ভোটে ভাঙন ধরাতে কূটকৌশলের পথ বেছে নেয়। তারা ধর্মভিত্তিক দলগুলোকে মদত জোগায় নানাভাবে।

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের সুবাদে ভারতের বাংলাভাষী দুটি রাজ্যে ধর্মভিত্তিক দলের থাবা বিস্তার হলো। বাঙালিরা ভারতের সবচেয়ে প্রগতিশীল অংশ বলে যে গর্ব পোষণ করত, তার অবসান হলো। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন সে দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। ব্যক্তিগতভাবে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির তুমুল সমালোচক হওয়া সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গের জয়ী দলকে আমরা অভিনন্দন জানাতে চাই। আশা করতে চাই, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়লাভে তিস্তার পানি বণ্টন সমস্যার সম্মানজনক সমাধান হবে। তিস্তার পানি বণ্টনে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার রাজি হলেও মমতার আপত্তির অজুহাতে তারা চুক্তি করেনি। মমতা যুগের অবসানে দিল্লি সরকার প্রতিবেশী বাংলাদেশের সঙ্গে পানি বণ্টনের ব্যাপারে ন্যায়ভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবে আমরা এমনটিই দেখতে চাই।

গঙ্গার পানি বণ্টনেও বাংলাদেশের সঙ্গে সমঝোতার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়। ভারত বাংলাদেশের নিকটতম প্রতিবেশী। আমাদের তিন দিকেই ভারত। মুক্তিযুদ্ধের মিত্র এ দেশটির সঙ্গে আস্থার সম্পর্ক রক্ষায় বাংলাদেশের সদিচ্ছার অভাব নেই। বড় দেশ হিসেবে এ ব্যাপারে ভারতকেও উদার হতে হবে। সীমান্ত হত্যা বন্ধে নিতে হবে কার্যকর ব্যবস্থা। ভারতীয় নেতৃত্বকে বুঝতে হবে সীমান্ত হত্যা দুই দেশের সম্পর্কে চিড় ধরায়। পুশব্যাকের জংলি নীতির চর্চা থেকেও ভারতকে সরে আসতে হবে। ভারতের কেন্দ্র এবং বাংলাদেশ সন্নিবেশিত প্রধান দুই রাজ্য পশ্চিম বাংলা ও ত্রিপুরায় বিজেপি ক্ষমতায় আসায় প্রতিবেশীকে উত্ত্যক্ত করার ভুল পথ থেকে সরে আসতে তারা  সক্ষম হবেন আমরা এমন আশাই করতে চাই। দুই দেশের মেলবন্ধন ঘনিষ্ঠ করার স্বার্থে একে অপরের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে নাক না গলানোর নীতি অনুসরণ করা হবে এমনটিও প্রত্যাশিত।

দুই. কদিন আগে চট্টগ্রামে গিয়েছিলাম শ্যালিকাকন্যা পরমার বউভাতে। টানা ৪৮ ঘণ্টার সে সফরটি ছিল অনির্ধারিত। হঠাৎ করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া। চট্টগ্রামের বন্ধুদের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করিনি ইচ্ছা করেই। সিদ্ধান্তই নিয়েছিলাম, পুরো সফরটা হবে বউভাতকেন্দ্রিক। কিন্তু কথায় বলে, ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে। চট্টগ্রামে বন্ধুদের কারও সঙ্গে দেখা না হলেও পাহাড়তলীতে পত্রিকা কিনতে গিয়ে পড়তে হয় এক পাঠকের পাল্লায়। বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রতি বুধবার ‘স্পষ্ট ভাষণ’ কলামে আমার লেখা ছাপা হয়। এ বছর পয়লা বৈশাখ ছিল মঙ্গলবার। পত্রিকা অফিসও ছিল ছুটি। ফলে বুধবার বাংলাদেশ প্রতিদিন অনলাইনে অস্তিত্ব বজায় রাখলেও ছাপার অক্ষরে প্রকাশ পায়নি। এ অবসরে ১৭ এপ্রিল শুক্রবার সাহিত্য পাতায় ছাপা হয় আমার ‘বাঙালির নববর্ষ’ নামের লেখাটি।

মমতার পতন ও দিব্যদর্শী এক পীরবাংলাদেশ প্রতিদিনের কপি সংগ্রহে পত্রিকার স্টলে হাজির হতে না-হতেই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শাহাবুদ্দিন ভাইয়ের ফোন। লেখাটি সম্পর্কে দীর্ঘ প্রতিক্রিয়াও জানালেন তিনি। আলাপচারিতা থামতেই স্টলে দাঁড়ানো একজন বললেন, আমি আপনার লেখা নিয়মিত পড়ি। চায়ের আমন্ত্রণও জানালেন। আমন্ত্রণ না বলে জোর করে নিয়ে গেলেন চায়ের স্টলে। চায়ের আড্ডায় বললেন, ড. ইউনূস আমাদের চট্টগ্রামের লোক। তাঁকে নিয়ে আপনার বেশ কয়েকটি লেখা বেশ মনোযোগ দিয়েই পড়েছি। তাঁর উপলব্ধি, ইউনূসকে নিয়ে গর্ব করেন এমন লোক চট্টগ্রামে এখন সত্যিকার অর্থেই কম। অথচ তিনি যখন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান, তখন শুধু চট্টগ্রাম নয়, সারা দেশের মানুষ সেটিকে সুখবর হিসেবে নিয়েছিলেন। সে আনন্দে জেগে উঠেছিল বাংলাদেশ। এ আনন্দ নিষ্প্রভ হয়ে যায় ওয়ান-ইলেভেনে। যখন জানা যায়, পশ্চিমা শক্তি ও ভারতের ইচ্ছা পূরণে বিরাজনীতিকরণের সে ষড়যন্ত্রে ইউনূসের হাত ছিল। তাঁর নিজেরই স্বীকারোক্তি, জেনারেল মইন উ আহমেদ, মাসুদ উদ্দিন গং তাঁকে প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু ইউনূস সাহেব স্বল্প সময়ের জন্য ক্ষমতার তখ্তে তাউসে বসতে চাননি। তিনি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর বন্ধু বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ফখরুদ্দীন আহমদের নাম প্রস্তাব করেন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় নেপথ্যে থেকে ড. ইউনূস কলকাঠিও নাড়িয়েছেন। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ‘নাগরিক শক্তি’ নামে দল গঠনের উদ্যোগ নেন। কিন্তু ইউনূসের মিষ্টিকথায় কাজ হয়নি। তার পেছনে জড়ো হয়নি দেশের মানুষ। ড. ইউনূসের রাজনৈতিক দল গঠনের উদ্যোগ ফ্লপ মারে। নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়ার পরিকল্পনা থেকে তিনি পিছু হটেন।

চায়ের আড্ডায় চট্টগ্রামের পাঠক বন্ধুকে বললাম, চট্টগ্রামের মানুষ গর্ব করতে পারে যাঁদের জন্য তাঁদের একজন আহমদ ছফা। বুদ্ধিবৃত্তির চর্চা যাঁরা করেন, তাঁদের কাছে ছফা একটি প্রাতঃস্মরণীয় নাম। হুমায়ূন আহমেদের মতো প্রতিভার বিকাশ ঘটেছিল আহমদ ছফার হাত ধরেই। শিল্পী এস এম সুলতানের আবিষ্কারকও তিনি। আহমদ ছফাকে অনেকে বলেন দিব্যদর্শী। বর্তমান নয়, আগামীর চিত্র ধরা পড়ত তাঁর চোখে। আহমদ ছফাকে নিয়ে হুমায়ূন আহমেদের বয়ান, ‘আমি আমার যৌবনে হন্টন পীরের মতো একজনকে পেয়েছিলাম। আমরা দলবেঁধে তাঁর পেছনে হাঁটতাম। তিনি যদি কিছু বলতেন মুগ্ধ হয়ে শুনতাম। গভীর রাতে নীলক্ষেত এলাকায় তিনি হাঁটতে হাঁটতে আবেগে অধীর হয়ে দুই হাত তুলে চিৎকার করতেন “আমার বাংলাদেশ, আমার বাংলাদেশ”। আমরা গভীর মুগ্ধতায় তাঁর আবেগ এবং উচ্ছ্বাস দেখতাম। তাঁর নাম আহমদ ছফা। আমাদের সবার ছফা ভাই।’

হুমায়ূন আহমদের সাড়াজাগানো উপন্যাস ‘নন্দিত নরকে’। এ বইটি প্রকাশে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন কথিত পীর আহমদ ছফা। হুমায়ূন আহমেদকে ছফা জোর করে নিয়ে যান বাংলাবাজারে প্রকাশকের কাছে। বইটি প্রকাশে প্রকাশককে উদ্বুদ্ধ করেন। নন্দিত নরকে প্রকাশিত হওয়ার পর সাড়া পড়ে যায়। বাংলা একাডেমি পুরস্কারও পান তিনি। পরে হুমায়ূন আহমেদ পিএইচডি করতে যুক্তরাষ্ট্রে যান। তারপর ফিরে আসেন দেশে। হুমায়ূন আহমেদকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য লেখকের তালিকা তৈরির প্যানেলের সদস্য মনোনীত করা হয়। তিনি পুরস্কারের জন্য প্রস্তাব করেন তাঁর ‘পীর’ আহমদ ছফার নাম। যথারীতি এ প্রস্তাব নাকচ হয়ে যায়। কারণ আহমদ ছফা ছিলেন প্রথাবিরোধী লেখক। ক্ষমতার সঙ্গে যাঁরা আপস করেন না তাঁদেরই একজন। তাঁকে পুরস্কার দেওয়ার জন্য হুমায়ূন আহমেদ প্রস্তাব দিয়েছেন, এ খবর শুনে ক্ষেপে গেলেন আহমদ ছফা। তিনি হুমায়ূন আহমেদকে ডেকে পাঠান। তাঁকে দেখেই তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন। বলেন, ‘হুমায়ূন আপনার কত্তো বড় সাহস আপনি আমার নাম প্রস্তাব করেন। আপনি আর কক্ষনো আমার সামনে আসবেন না। আমি যেন আর কোনো সময় আপনার এই মুখখানি না দেখি।’

আহমদ ছফার যাপিত জীবন ছিল বেশ কষ্টের। তারপরও তিনি আমৃত্যু প্রতিভাবানদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। অনেকেরই জানা, মুক্তিযুদ্ধের সময় হুমায়ূন আহমেদ তাঁর বাবাকে হারান। তিনি ছিলেন পিরোজপুরের মহকুমা পুলিশ কর্মকর্তা। রাজাকারদের ইন্ধনে হুমায়ূন আহমেদের বাবাকে নির্দয়ভাবে হত্যা করে পাকিস্তানি সৈন্যরা। তাঁর লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু সরকার হুমায়ূন পরিবারকে ঢাকার মোহাম্মদপুরে একটি বাড়ি বরাদ্দ দেয়। এক রাতে রক্ষীবাহিনী হানা দেয় বাড়িতে। তারা রত্নগর্ভা মা শহীদজায়া আয়েশা ফয়েজসহ পুরো পরিবারকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। অসহায় পরিবারটির ওপর যেন আকাশ ভেঙে পড়ে। উচ্ছেদের পর তাদের রাত কাটে রাস্তার পাশে। খবরটি পৌঁছে যায় আহমদ ছফার কাছে। তিনি পরদিন সকালে কেরোসিনের টিন নিয়ে হাজির হন শহীদ পরিবারের পাশে। হুমায়ূন আহমেদকে বলেন, রিকশায় উঠুন, গণভবনে যাব। বলেন, শহীদ পরিবারকে অপমান করা হয়েছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। গণভবনের সামনে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার ঘোষণা দেন ছফা। হুমায়ূনকে বলেন, আপনি আমার চাদরটা ভালো করে জড়িয়ে দেবেন। আর টিনে কেরোসিন তো আছে। হুমায়ূন জানতেন, ছফা এক কথার মানুষ। তিনি সবই পারেন। হুমায়ূন আহমেদ আতঙ্কিত হয়ে বিভিন্নজনের সঙ্গে আহমদ ছফার পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন। বঙ্গবন্ধুর হস্তক্ষেপে বিষয়টির মীমাংসা হয়। রক্ষীবাহিনীর যে অফিসার বাসা দখলে নিয়েছিলেন, তিনি সরে যান। হুমায়ূন পরিবার ফিরে পায় তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই।

আহমদ ছফা ছিলেন দিব্যদর্শী। চট্টগ্রামের চন্দনাইশের গাছবাড়িয়া গ্রামে তাঁর জন্ম ৩০ জুন ১৯৪৩ সালে। মৃত্যু ২৮ জুলাই ২০০১। আহমদ ছফার চেয়েও দুনিয়াজোড়া পরিচিত নাম ড. মুহাম্মদ ইউনূস। চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় যাঁর জন্ম ১৯৪০ সালের ২৮ জুন। ইউনূসের চেয়ে ছফা বয়সে তিন বছর দুই দিনের ছোট। আহমদ ছফা তাঁর চাটগাইয়া দেশিভাই সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘প্রফেসর ইউনূস পাটখেতে বট গাছের মতো পৃথিবীর সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছেন। আমরা একটু গর্ববোধ না করে পারি না। কিন্তু বাংলাদেশের মতো একটি ছোট দেশ ওই রকম একটি বিশাল দানবীয় আকারের মানুষের ওজন বইতে পারবে কি না, সেটাই হলো কথা। তিনি বিধবা, বেওয়া, হাড় জিরজিরে ন্যাংড়া, নুলো এসব মানুষকে তাঁর সুদের কারবারের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলে আন্তর্জাতিক ধনবাদের সঙ্গে একটি গাটছড়া বেঁধে ফেলেছেন। পশ্চিমাদের এই ওয়ান্ডার বয় আমাদের সমাজকে কোথায় নিয়ে যাবে?... রামায়ণের হনুমান তার দিঘল লেজ দিয়ে একবার স্বর্ণলঙ্কা দাহ করেছিলেন। প্রফেসর ইউনূস তাঁর আন্তর্জাতিক লেজ দিয়ে সোনার বাংলার কী দশা করেন, সেটা দেখার অপেক্ষা।’

-মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন

♦ লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
১৫ লাখ রোহিঙ্গা
১৫ লাখ রোহিঙ্গা
মাদক সিন্ডিকেট
মাদক সিন্ডিকেট
আমলেই হজের সওয়াব
আমলেই হজের সওয়াব
হজ ও কোরবানি
হজ ও কোরবানি
যে পোকাগুলো আমাদের জীবন সহজ করে
যে পোকাগুলো আমাদের জীবন সহজ করে
বাঙালিরা শাসন করবে সারা দুনিয়া
বাঙালিরা শাসন করবে সারা দুনিয়া
ওমরাহ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি
ওমরাহ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি
আমলাতান্ত্রিক বাধা
আমলাতান্ত্রিক বাধা
আবাসন খাতে মন্দা
আবাসন খাতে মন্দা
‘নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো’
‘নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো’
কার স্বার্থে দাসত্বের চুক্তি
কার স্বার্থে দাসত্বের চুক্তি
নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম
নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম
সর্বশেষ খবর
ভবিষ্যৎ ভূমিকম্প পূর্বাভাসে নতুন আশার খবর বিজ্ঞানীদের
ভবিষ্যৎ ভূমিকম্প পূর্বাভাসে নতুন আশার খবর বিজ্ঞানীদের

১ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

মহাকাশে রহস্যময় নীল আলোর উৎসে থাকতে পারে কৃষ্ণগহ্বর–তারার সংঘর্ষ
মহাকাশে রহস্যময় নীল আলোর উৎসে থাকতে পারে কৃষ্ণগহ্বর–তারার সংঘর্ষ

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

চকরিয়ায় গলায় লিচুর বিচি আটকে প্রাণ গেল ১০ মাসের শিশুর
চকরিয়ায় গলায় লিচুর বিচি আটকে প্রাণ গেল ১০ মাসের শিশুর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাঁচার তাগিদে সন্তান বিক্রি করছে আফগানরা?
বাঁচার তাগিদে সন্তান বিক্রি করছে আফগানরা?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদ কমপ্লেক্সে হামলায় নিহত ৩, দুই হামলাকারীর মরদেহ উদ্ধার
যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদ কমপ্লেক্সে হামলায় নিহত ৩, দুই হামলাকারীর মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালদ্বীপে ভয়াবহ স্কুবা ডাইভিং দুর্ঘটনা, নিখোঁজ চার ইতালি নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার
মালদ্বীপে ভয়াবহ স্কুবা ডাইভিং দুর্ঘটনা, নিখোঁজ চার ইতালি নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশন হেক্সা, নেইমারকে নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছে ব্রাজিল
মিশন হেক্সা, নেইমারকে নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছে ব্রাজিল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উপসাগরীয় মিত্রদের অনুরোধে শেষ মুহূর্তে ইরানে হামলা স্থগিত করা হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের
উপসাগরীয় মিত্রদের অনুরোধে শেষ মুহূর্তে ইরানে হামলা স্থগিত করা হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নলছিটিতে লাশের খাটিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় আহত ৪, পিকআপে আগুন
নলছিটিতে লাশের খাটিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় আহত ৪, পিকআপে আগুন

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সঞ্চয়পত্রে অশনিসংকেত
সঞ্চয়পত্রে অশনিসংকেত

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

‘পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কখনোই সামরিক হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া উচিত নয়’
‘পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কখনোই সামরিক হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া উচিত নয়’

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়াগোতে মসজিদে বন্দুক হামলা, হতাহতের শঙ্কা
যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়াগোতে মসজিদে বন্দুক হামলা, হতাহতের শঙ্কা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কর ফাঁকির মামলা থেকে শাকিরাকে অব্যাহতি, ফেরত পাবেন ৭৮৬ কোটি টাকা
কর ফাঁকির মামলা থেকে শাকিরাকে অব্যাহতি, ফেরত পাবেন ৭৮৬ কোটি টাকা

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সুইজারল্যান্ড যাওয়ার পথে বিমানবন্দরে ইউপি চেয়ারম্যান আটক
সুইজারল্যান্ড যাওয়ার পথে বিমানবন্দরে ইউপি চেয়ারম্যান আটক

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আরবদের অনুরোধে ইরান হামলা স্থগিত করার দাবি ট্রাম্পের
আরবদের অনুরোধে ইরান হামলা স্থগিত করার দাবি ট্রাম্পের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রিয়েলিটি শো'তেই ধর্ষণ, ব্রিটিশ চ্যানেলের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ!
রিয়েলিটি শো'তেই ধর্ষণ, ব্রিটিশ চ্যানেলের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ!

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাইবান্ধায় পদক্ষেপের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‌্যালি আলোচনা ও নাটক মঞ্চায়ন
গাইবান্ধায় পদক্ষেপের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‌্যালি আলোচনা ও নাটক মঞ্চায়ন

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের সঙ্গে অভিমান করে ‘বিষপানে’ বৃদ্ধার মৃত্যু
ছেলের সঙ্গে অভিমান করে ‘বিষপানে’ বৃদ্ধার মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মানুষের প্রতি দয়া করতে বলে ইসলাম
মানুষের প্রতি দয়া করতে বলে ইসলাম

৬ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

১০০০ গোলের লড়াই, রোনালদোকে চাপে রেখেছেন মেসি?
১০০০ গোলের লড়াই, রোনালদোকে চাপে রেখেছেন মেসি?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় নকল কসমেটিকস তৈরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে জরিমানা, পণ্য ধ্বংস
ভাঙ্গায় নকল কসমেটিকস তৈরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে জরিমানা, পণ্য ধ্বংস

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আদালতে হেরে গেলেন ইলন মাস্ক, ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ
আদালতে হেরে গেলেন ইলন মাস্ক, ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

নারায়ণগঞ্জে শিশুসহ ৫ জনকে কুপিয়ে জখম
নারায়ণগঞ্জে শিশুসহ ৫ জনকে কুপিয়ে জখম

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিউবা ঘিরে বাড়ছে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা
কিউবা ঘিরে বাড়ছে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সালমান ও আমিরকে ‘পথপ্রদর্শক’ বললেন রাম চরণ
সালমান ও আমিরকে ‘পথপ্রদর্শক’ বললেন রাম চরণ

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল রহস্যময় এক রূপান্তরমান ছায়াপথ
হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল রহস্যময় এক রূপান্তরমান ছায়াপথ

৭ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

যেভাবে ভবিষ্যত যুদ্ধের রূপরেখাই বদলে দিয়েছে ইরান
যেভাবে ভবিষ্যত যুদ্ধের রূপরেখাই বদলে দিয়েছে ইরান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বন্ধ করল শুভেন্দুর সরকার
পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বন্ধ করল শুভেন্দুর সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোল্ডেন বুটের বাঁকে বাঁকে
গোল্ডেন বুটের বাঁকে বাঁকে

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রি স্টোরেজ নীতিতে বড় পরিবর্তন আনছে গুগল, ধরে রাখবেন যেভাবে
ফ্রি স্টোরেজ নীতিতে বড় পরিবর্তন আনছে গুগল, ধরে রাখবেন যেভাবে

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সর্বাধিক পঠিত
মিটিং শেষ করেই গালি দেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, তবে আমি ক্ষুব্ধ নই: সিইসি
মিটিং শেষ করেই গালি দেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, তবে আমি ক্ষুব্ধ নই: সিইসি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ায় সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইল গ্রিজম্যান
বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ায় সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইল গ্রিজম্যান

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে কারা হতে পারেন নতুন সুপারস্টার, নজরে ৫ তরুণ
বিশ্বকাপে কারা হতে পারেন নতুন সুপারস্টার, নজরে ৫ তরুণ

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান
হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে ১৬টি যুদ্ধবিমান ও ৮ হাজার সেনা মোতায়েন পাকিস্তানের
সৌদিতে ১৬টি যুদ্ধবিমান ও ৮ হাজার সেনা মোতায়েন পাকিস্তানের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘এমপি হয়েও ৭ দিন ধরে ডিআইজিকে পাচ্ছি না, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী’
‘এমপি হয়েও ৭ দিন ধরে ডিআইজিকে পাচ্ছি না, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী’

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের সেনাপ্রধানের হুমকির কী জবাব দিলো পাকিস্তান
ভারতের সেনাপ্রধানের হুমকির কী জবাব দিলো পাকিস্তান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাঝ আকাশে একটু বাইরে গিয়ে সিগারেট খেতে চাইলেন, শেষমেশ কামড় দিলেন বিমানকর্মীকে
মাঝ আকাশে একটু বাইরে গিয়ে সিগারেট খেতে চাইলেন, শেষমেশ কামড় দিলেন বিমানকর্মীকে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আট টুকরা মরদেহের পরিচয় মিলেছে
আট টুকরা মরদেহের পরিচয় মিলেছে

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাঝ-আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষ, ভেঙে পড়ল দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান
মাঝ-আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষ, ভেঙে পড়ল দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁদ দেখা গেছে, ঈদুল আজহা ২৮ মে
চাঁদ দেখা গেছে, ঈদুল আজহা ২৮ মে

১২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বিআরটি প্রকল্প বাতিলে মত বুয়েট বিশেষজ্ঞদের, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা
বিআরটি প্রকল্প বাতিলে মত বুয়েট বিশেষজ্ঞদের, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের হুমকির পর ইরানের রাস্তায় যুদ্ধের আবহ, টিভিতে অস্ত্র প্রদর্শন
ট্রাম্পের হুমকির পর ইরানের রাস্তায় যুদ্ধের আবহ, টিভিতে অস্ত্র প্রদর্শন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শি-পুতিন বৈঠকের একদিন আগে চীনা জাহাজে ভয়াবহ হামলা রাশিয়ার
শি-পুতিন বৈঠকের একদিন আগে চীনা জাহাজে ভয়াবহ হামলা রাশিয়ার

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের নাটকীয় বিদায়, প্রশ্নে ম্যাচ অফিসিয়ালরা
বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের নাটকীয় বিদায়, প্রশ্নে ম্যাচ অফিসিয়ালরা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি জাদুতে নু স্টেডিয়ামে অবশেষে জয়ের হাসি মায়ামির
মেসি জাদুতে নু স্টেডিয়ামে অবশেষে জয়ের হাসি মায়ামির

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার
মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তিন ধরনের নতুন নোট ছাড়লো বাংলাদেশ ব্যাংক
তিন ধরনের নতুন নোট ছাড়লো বাংলাদেশ ব্যাংক

৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পরকীয়া ও অর্থ লেনদেনের জেরে প্রবাসীকে হত্যার পর লাশ ৮ টুকরো
পরকীয়া ও অর্থ লেনদেনের জেরে প্রবাসীকে হত্যার পর লাশ ৮ টুকরো

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বন্ধ করল শুভেন্দুর সরকার
পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বন্ধ করল শুভেন্দুর সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুলিশের এলিট ফোর্স হিসেবে থাকবে র‌্যাব, হচ্ছে নতুন আইন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পুলিশের এলিট ফোর্স হিসেবে থাকবে র‌্যাব, হচ্ছে নতুন আইন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৬ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

পারমাণবিক অস্ত্রের মহড়া চালাল বেলারুশ
পারমাণবিক অস্ত্রের মহড়া চালাল বেলারুশ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৮ জেলায় ভারি বর্ষণের শঙ্কা
৮ জেলায় ভারি বর্ষণের শঙ্কা

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে: ট্রাম্প
ইরানের সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে: ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের ইরানে হামলার সম্ভাবনা: বিশ্লেষক
আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের ইরানে হামলার সম্ভাবনা: বিশ্লেষক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরালার নতুন মুখ্যমন্ত্রী সতীশন, যে কারণে শপথ অনুষ্ঠানে যাননি থালাপতি বিজয়
কেরালার নতুন মুখ্যমন্ত্রী সতীশন, যে কারণে শপথ অনুষ্ঠানে যাননি থালাপতি বিজয়

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ অবসানে পাকিস্তানের কাছে ইরানের নতুন প্রস্তাব
যুদ্ধ অবসানে পাকিস্তানের কাছে ইরানের নতুন প্রস্তাব

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাল কাগজপত্র জমা দিলে প্রত্যাখ্যান হবে শেনজেন ভিসার আবেদন
জাল কাগজপত্র জমা দিলে প্রত্যাখ্যান হবে শেনজেন ভিসার আবেদন

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউএইতে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার পর তেলের দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ
ইউএইতে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার পর তেলের দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট
ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জুয়ায় নিঃস্ব দেশ
জুয়ায় নিঃস্ব দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

অটোরিকশায় কুপোকাত এআই ট্রাফিকব্যবস্থা
অটোরিকশায় কুপোকাত এআই ট্রাফিকব্যবস্থা

পেছনের পৃষ্ঠা

চাপে আছেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা
চাপে আছেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের যুদ্ধ!
৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের যুদ্ধ!

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বিত্তবৈভব প্রতারণা ও জালিয়াতি
ইউনূসের বিত্তবৈভব প্রতারণা ও জালিয়াতি

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বার বৃহৎ খামার
মরুর দুম্বার বৃহৎ খামার

পেছনের পৃষ্ঠা

কিংস অ্যারিনাতেই ফাইনাল
কিংস অ্যারিনাতেই ফাইনাল

মাঠে ময়দানে

হুমকিতে চট্টগ্রামের পারকি উপকূল
হুমকিতে চট্টগ্রামের পারকি উপকূল

পেছনের পৃষ্ঠা

আবাসন খাত চাঙা করার উদ্যোগ
আবাসন খাত চাঙা করার উদ্যোগ

শিল্প বাণিজ্য

সংসদ নির্বাচন নিয়ে জামায়াত এনসিপির প্রশ্ন
সংসদ নির্বাচন নিয়ে জামায়াত এনসিপির প্রশ্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

যমজ শিশুর একজন হামে আক্রান্ত আরেকজন ঝুঁকিতে
যমজ শিশুর একজন হামে আক্রান্ত আরেকজন ঝুঁকিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

শিশুদের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্ত জাইমা রহমানের
শিশুদের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্ত জাইমা রহমানের

নগর জীবন

গ্রামীণ ব্যাংকের সুদ হার অন্য ব্যাংকের সমান কেন নয়
গ্রামীণ ব্যাংকের সুদ হার অন্য ব্যাংকের সমান কেন নয়

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেবে কাতার
বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেবে কাতার

প্রথম পৃষ্ঠা

বান্ধবীকে ধর্ষণ তিন যুবক গ্রেপ্তার
বান্ধবীকে ধর্ষণ তিন যুবক গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

করকাঠামোতে আসছে ব্যাপক পরিবর্তন
করকাঠামোতে আসছে ব্যাপক পরিবর্তন

শিল্প বাণিজ্য

মুশফিকের রেকর্ড পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের টার্গেট
মুশফিকের রেকর্ড পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের টার্গেট

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীর চন্দনা অপমৃত্যুর কবলে
রাজবাড়ীর চন্দনা অপমৃত্যুর কবলে

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিএনএ পরীক্ষায় পোশাকে আরও একজনের রক্ত
ডিএনএ পরীক্ষায় পোশাকে আরও একজনের রক্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

চিকিৎসা শেষে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি
চিকিৎসা শেষে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাণিজ্য চুক্তি চাপ বাড়াবে অর্থনীতিতে
বাণিজ্য চুক্তি চাপ বাড়াবে অর্থনীতিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বব্যাংক আইএমএফ এডিবির দ্বারস্থ সরকার
বিশ্বব্যাংক আইএমএফ এডিবির দ্বারস্থ সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

লাশের ৭ টুকরোর পর মিলল মাথা
লাশের ৭ টুকরোর পর মিলল মাথা

পেছনের পৃষ্ঠা

পর্ন মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
পর্ন মামলায় যুবক গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয় : হাই কোর্ট
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয় : হাই কোর্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রস্তুত চাহিদার দ্বিগুণ পশু
প্রস্তুত চাহিদার দ্বিগুণ পশু

দেশগ্রাম

পবিত্র ঈদুল আজহা ২৮ মে
পবিত্র ঈদুল আজহা ২৮ মে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড পরিদর্শন
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড পরিদর্শন

নগর জীবন

ভূমিসেবায় হয়রানি বন্ধ করা হবে
ভূমিসেবায় হয়রানি বন্ধ করা হবে

নগর জীবন