শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০৬ মে, ২০২৬

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদকে নিয়ে বিতর্ক

ড. মাহরুফ চৌধুরী
প্রিন্ট ভার্সন
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদকে নিয়ে বিতর্ক

সামাজিক জীব হিসেবে আমাদের মনে রাখা দরকার যে ‘মানুষ’ শব্দটির ভিতরেই একধরনের অসম্পূর্ণতার স্বীকারোক্তি নিহিত আছে। সীমাবদ্ধতার এই শব্দগত ও অর্থগত প্রকাশ কেবল ভাষাতাত্ত্বিক সত্য নয়; বরং এক গভীর দার্শনিক উপলব্ধিজাতও বটে। তবু আমাদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মানসিকতার একটি মৌলিক সংকট হলো, আমরা মানুষকে তার স্বাভাবিক মানবিক পরিমণ্ডলে দেখতে অনাগ্রহী। নিজেদের প্রয়োজনে কোনো বিশেষ ব্যক্তিকে দেবতা কিংবা অন্তত ফেরেশতার মর্যাদায় অধিষ্ঠিত দেখতে অথবা প্রতিষ্ঠা করতে চাই আমরা। এই অন্যায্য, অযৌক্তিক ও অবাস্তব প্রত্যাশা পরবর্তী সময়ে অনিবার্যভাবে সাধারণ মানুষের মনে জন্ম দেয় হতাশা, বিভ্রান্তি এবং একধরনের প্রতিহিংসাপরায়ণ চরিত্রহননের প্রবণতা। মনোবিজ্ঞানের ভাষায়, এটি ‘আদর্শায়ন-অবমূল্যায়ন চক্র’ (আইডিয়েলাইজেশন-ডিভেলুয়েশ সাইকেল)-এর একটি সামাজিক রূপ যেখানে কাউকে অস্বাভাবিক উচ্চতায় তুলে ধরার পরই তাকে একটা বিশেষ পরিস্থিতিতে তীব্রভাবে নিচে নামিয়ে আনার প্রবণতা তৈরি হয়। অথচ বাস্তবতা হচ্ছে, মানুষ তার সীমাবদ্ধতা, দোষত্রুটি এবং অভ্যন্তরীণ মনোজাগতিক দ্বন্দ্ব নিয়েই জন্মায়, বেড়ে ওঠে এবং একসময় অনন্তে বিলীন হয়। ফলে একজন মানুষের প্রকৃত মর্যাদা তার ত্রুটিহীনতার ভ্রান্ত ধারণায় নয়; বরং ব্যক্তি হিসেবে তার মনুষ্যত্বে তথা মানবিকতা, নৈতিক সংবেদন এবং যাপিত জীবনের বাস্তব প্রেক্ষাপটে আদর্শিক দৃষ্টান্ত স্থাপনের সক্ষমতায় নির্ধারিত হয়।

এই প্রেক্ষাপটে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদকে বিচার করতে হলে ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীবদ্ধ আবেগ নয় বরং বোধ, বুদ্ধি ও উপলব্ধির আলোকে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে বিচার-বিশ্লেষণ করাটা জরুরি। তাঁর সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় ১৯৯৫ সালের কোনো এক সময়ে, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আঙিনায়। এরপর ধীরে ধীরে তাঁর নিবিড় সান্নিধ্যে যাওয়ার এবং তাঁকে ব্যক্তি হিসেবে খুবই কাছ থেকে দেখার সুযোগ তৈরি হয়। ফলে একদিকে তাঁর ব্যক্তিগত পরিসরে প্রবেশের সুযোগ হয়েছে, অন্যদিকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তাঁর সঙ্গে কেন্দ্রের সম্প্রসারণের কাজে সময় কাটানোর অভিজ্ঞতাও আমার রয়েছে। সমাজবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলো, মানুষকে দূর থেকে দেখা এবং ঘনিষ্ঠভাবে জানার অভিজ্ঞতা এক নয়; নৈকট্য মানুষের চরিত্রের জটিলতাকে অনুবীক্ষণিক মাপকাঠিতে গবেষকের দৃষ্টিতে উন্মোচন করে। খুব কাছ থেকে একজন মানুষকে দেখলে তার মানবিক দুর্বলতা যেমন অতিসহজেই স্পষ্ট ধরা পড়ে, তেমনি তার শক্তি, সক্ষমতা, স্বাতন্ত্র্য এবং অন্তর্নিহিত বৌদ্ধিক জগতও উন্মোচিত হয়। জীবন-পাঠশালার একজন জীবনভর শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি আমার প্রাতিষ্ঠানিক না হলেও অনানুষ্ঠানিক শিক্ষাগুরু। তাঁকে কেবল ভক্ত বা অনুরক্ত হিসেবে নয়, বরং জ্ঞানীয় উন্মেষের আন্দোলনে একধরনের সহযোদ্ধা হিসেবে দেখার সুযোগ হয়েছিল। তাঁর মানবিক সীমাবদ্ধতাগুলো কখনো আমার কাছে বিস্ময়ের কারণ হয়ে ওঠেনি; বরং তাঁর চিন্তার গভীরতা, মানবিকবোধের বিশ্লেষণী শক্তি ও দৃষ্টিভঙ্গির স্বাতন্ত্র্য আমাকে মুগ্ধ করেছে এবং তাঁর প্রতি আমার মনের গভীরে এক বৌদ্ধিক শ্রদ্ধাবোধ তৈরি করেছে।

আমার নিজের বেড়ে ওঠার পরিমণ্ডল, বিশেষত পারিবারিক পরিবেশ, পারিপার্শ্বিক সামাজিক বাস্তবতা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাংস্কৃতিক আবহ আমাকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছে। বিশেষ করে আমাকে সুযোগ দিয়েছিল স্বাধীনভাবে চিন্তা করা, প্রশ্ন তোলা এবং ভিন্নতাকে ধারণ করার মতো উদারনৈতিক চারিত্র্যিক বৈশিষ্ট্যকে ধারণ ও লালন করার সক্ষমতা অর্জনের। এই শিক্ষার মৌলিক ভিত্তির পেছনে যেমন পিতামাতা, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের ভূমিকা ছিল, তেমনি কিছু অনন্য শিক্ষকের সান্নিধ্য তথা তাঁদের চরিত্রের মানবিকতা, নৈতিকতা, উদারতাসহ শিক্ষার্থী হিসেবে আমাদের প্রতি স্নেহাশীষ ছিল অনস্বীকার্য। তাঁরা আমাকে জীবনের নানা দিক চিনতে, বুঝতে ও উপলব্ধি করতে সাহায্য করেছেন, কিন্তু কখনোই তাঁদের পথ অনুসরণ করতে বাধ্য করেননি যা একধরনের গভীর শিক্ষাদর্শের পরিচায়ক, যেখানে অনুকরণ নয়, বরং আত্ম-অন্বেষণকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়। দর্শনের ভাষায়, এটি হলো ‘বৌদ্ধিক স্বায়ত্তশাসন’ (ইন্টালেকচুয়াল অটোনমি)-এর বিকাশ। এই স্বাধীনতাকে মনেপ্রাণে-বিশ্বাসে ধারণ করতে পেরেই আমি জীবনভর নিজের মতো করে একটি বিবর্তনশীল মানস গঠনের পথে এগোতে পেরেছি। ফলে জীবন চলার পথে কারও সঙ্গে চেতনা, বিশ্বাস কিংবা আচরণগত ভিন্নতা কখনো বিরূপতার তথা বিরক্তি, বিদ্বেষ কিংবা অশ্রদ্ধার জন্ম দেয়নি; বরং সেটা আমার মাঝে সহনশীলতা বৃদ্ধি ও বহুত্ববাদের চর্চাকে আরও দৃঢ় করেছে। এই পটভূমিই আমাকে ১৯৯৫ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পরিবেশে বিচরণ করার সাহস, ধৈর্য, ঐকান্তিকতা ও অভিযোজনক্ষমতা প্রদান করেছে যেখানে ব্যক্তিত্ব, জীবনদর্শন, বিশ্বাস, মতামত ও যাপিত জীবনের অভিজ্ঞতার বৈচিত্র্যের মধ্যেও শ্রদ্ধাশীল বৌদ্ধিক।

আমরা প্রায়ই ভুলে যাই, একজন ব্যক্তি মানুষ কোনো একক সূত্রে নির্মিত সত্তা নয়; বরং ইতিহাস, ঐতিহ্য, ধর্ম ও সংস্কৃতির দীর্ঘ এক জটিল প্রবাহের সঙ্গে তার জৈবিক উত্তরাধিকার, আবেগিক অভিজ্ঞতা এবং সময়গত (টেম্পোরাল) বাস্তবতার বহুমাত্রিক মিথস্ক্রিয়ায় তার ব্যক্তিত্ব গড়ে ওঠে। ফলে মানুষের চরিত্র কখনোই সরলরৈখিক নয়; এটি জটিল, বহুস্তরবিশিষ্ট এবং প্রায়শই পরস্পরবিরোধী মনোজাগতিক টানাপড়েনের ভিতর দিয়েই বিকশিত হয়। মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে, নিজের ভিতরে নিজের সঙ্গে নিজের এই দ্বন্দ্ব এবং মনোজাগতিক আলোড়নই ব্যক্তিসত্তাকে স্থবিরতা থেকে মুক্ত রেখে ক্রমাগত অগ্রগতির দিকে ঠেলে দেয় যেখানে ‘সাফল্য’ কোনো চূড়ান্ত গন্তব্য নয়, বরং ‘অগ্রসর হওয়া’ই মূল বিষয় এবং বেঁচে থাকার প্রেরণা। সেটাকেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দার্শনিকতামণ্ডিত করেছেন, ‘গতিতে জীবন মম, স্থিতিতে মরণ’ বলে। এই ক্রমবিকাশমান বোধ, বুদ্ধি ও উপলব্ধির সংবেদনশীলতায় পৌঁছানোর পর আমি উপলব্ধি করেছি যে আমার ভাষা, সংস্কৃতি, বিশ্বাস এমনকি ‘জিন’ নামক জৈবিক উত্তরাধিকারের মধ্যেও একটি বহু বর্ণিল জীবনবোধের অন্তঃসলিলা প্রবাহিত। এই উপলব্ধিই আমাকে ‘খোলা চোখে জগৎ দেখার’ অভ্যাসে অভ্যস্ত করেছে। ফলে আমি কখনো কারও অন্ধ অনুসারী বা পদলেহনে অভ্যস্ত ভক্তে কিংবা অনুরক্তে পরিণত হইনি। আবার সমসাময়িক বাস্তবতার চলমান ঘটনাপ্রবাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কোনো নির্বিকার দর্শকও হয়ে উঠিনি। বরং জীবন চলার পথে দূরত্ব ও সম্পৃক্ততার এক সূক্ষ্ম ভারসাম্যের মধ্যেও নিজের অবস্থান নির্মাণের চেষ্টা করেছি।

এই ব্যক্তিগত বৌদ্ধিক যাত্রায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষা, সাহিত্য ও দর্শনের প্রভাববলয় থেকে অনুসন্ধিৎসু সমালোচনামূলক পর্যালোচনায় বিশেষ দূরত্ব তৈরি করার ক্ষেত্রে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের ‘দুর্বলতায় রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক বিশ্লেষণধর্মী নির্মেদ ও প্রখর লেখাটি আমার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে। আর বোধ-বুদ্ধি-উপলব্ধির এই অবস্থান্তরটাই আমার বৌদ্ধিক উত্তরণে বিশেষ সহায়ক হয়েছে। এখানে ‘উত্তরণ’ বলতে প্রভাবমুক্ত হয়ে যাওয়া নয়, বরং প্রভাবকে সচেতনভাবে আত্মস্থ ও পুনর্মূল্যায়নের ক্ষমতা অর্জন করা যা যেকোনো মুক্ত বৌদ্ধিক চর্চার মৌলিক পূর্বশর্ত। প্রাকযৌবনের সুফি দর্শনের প্রভাবও এখানে চেতনাগত উন্মেষে সহায়ক হয়েছিল। নৌকা যেমন পানিতে ভেসে থাকে কিন্তু পানির সঙ্গে একীভূত হয় না, তেমনি একধরনের ‘মধ্যবর্তী অবস্থান’ (নোম্যান্স ল্যান্ড) থেকে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের চিন্তার জগতের প্রভাববলয়ে ভিতরে ও বাইরে থেকে আমি আমার নিজস্ব বৌদ্ধিক পথচলাকে এগিয়ে নিয়েছি, আমি আমার নিজস্ব পথ নির্মাণের চেষ্টা করেছি। সেটা ছিল অনেকটা লাটিমের মতোই নিজ অক্ষে প্রাগ্রসরমান অনির্ধারিত কক্ষপথে বোধ, বুদ্ধি ও উপলব্ধির নিত্যনতুন জাগরণকে আলিঙ্গন করে। সমাজতাত্ত্বিক ভাষায়, এটিকে বলা যায় ‘সমালোচনামূলক নৈকট্য’ (ক্রিটিক্যাল প্রোক্সিমিটি) যেখানে নৈকট্য ও দূরত্ব একে অপরকে বাতিল না করে বরং সমর্থন করে, তথা পরস্পরের পরিপূরক হয়ে ওঠে।  এই ভারসাম্যই আমাকে তাঁকে একজন মানুষ হিসেবে, তাঁর ব্যক্তিচরিত্রের নানা জটিলতা, সীমাবদ্ধতা, দ্বন্দ্ব, সম্ভাবনা ও শক্তির সম্মিলিত আলোকে বোঝার সুযোগ করে দিয়েছে।

ক্ষুদ্র পরিসরের যাপিত জীবনের আলোকে সব কথা এখানে বলা সম্ভব নয়; তবে একটি বিষয় এখানে অনিবার্যভাবে বলা যায় যে, বাতাসে ভেসে বেড়ানো সূক্ষ্ম বিষকণা যেমন মানুষের ফুসফুসে অদৃশ্য ক্ষত তৈরি করে, তেমনি কোনো ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে ছড়ানো অবিরাম বিষোদ্গারও একটি জাতির সামষ্টিক মনস্তত্ত্বকে ধীরে ধীরে বিষাক্ত করে তোলে। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের ব্যক্তিচরিত্রের প্রকৃতি, কর্মকাণ্ডের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও প্রক্রিয়া সম্পর্কের নেতিবাচক প্রচার-প্রচারণা কেবল একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আক্রমণ নয়; বরং একটি সমাজের বৌদ্ধিক স্বাস্থ্য ও নৈতিক পরিমণ্ডলের ওপরও আঘাত।  সুতরাং আমাদের সময়কার একজন শক্তিমান মানবিক ব্যক্তিত্বকে চলমান রাজনৈতিক অপসংস্কৃতির করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করা কেবল ব্যক্তিপ্রীতি বা আনুগত্যের প্রশ্ন নয়; এটি একধরনের বৌদ্ধিক, মানবিক ও নৈতিক দায়বদ্ধতা।

♦ লেখক : ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি, ইউনিভার্সিটি অব রোহ্যাম্পটন, যুক্তরাজ্য

এই বিভাগের আরও খবর
১৫ লাখ রোহিঙ্গা
১৫ লাখ রোহিঙ্গা
মাদক সিন্ডিকেট
মাদক সিন্ডিকেট
আমলেই হজের সওয়াব
আমলেই হজের সওয়াব
হজ ও কোরবানি
হজ ও কোরবানি
যে পোকাগুলো আমাদের জীবন সহজ করে
যে পোকাগুলো আমাদের জীবন সহজ করে
বাঙালিরা শাসন করবে সারা দুনিয়া
বাঙালিরা শাসন করবে সারা দুনিয়া
ওমরাহ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি
ওমরাহ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি
আমলাতান্ত্রিক বাধা
আমলাতান্ত্রিক বাধা
আবাসন খাতে মন্দা
আবাসন খাতে মন্দা
‘নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো’
‘নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো’
কার স্বার্থে দাসত্বের চুক্তি
কার স্বার্থে দাসত্বের চুক্তি
নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম
নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম
সর্বশেষ খবর
ভবিষ্যৎ ভূমিকম্প পূর্বাভাসে নতুন আশার খবর বিজ্ঞানীদের
ভবিষ্যৎ ভূমিকম্প পূর্বাভাসে নতুন আশার খবর বিজ্ঞানীদের

১ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

মহাকাশে রহস্যময় নীল আলোর উৎসে থাকতে পারে কৃষ্ণগহ্বর–তারার সংঘর্ষ
মহাকাশে রহস্যময় নীল আলোর উৎসে থাকতে পারে কৃষ্ণগহ্বর–তারার সংঘর্ষ

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

চকরিয়ায় গলায় লিচুর বিচি আটকে প্রাণ গেল ১০ মাসের শিশুর
চকরিয়ায় গলায় লিচুর বিচি আটকে প্রাণ গেল ১০ মাসের শিশুর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাঁচার তাগিদে সন্তান বিক্রি করছে আফগানরা?
বাঁচার তাগিদে সন্তান বিক্রি করছে আফগানরা?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদ কমপ্লেক্সে হামলায় নিহত ৩, দুই হামলাকারীর মরদেহ উদ্ধার
যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদ কমপ্লেক্সে হামলায় নিহত ৩, দুই হামলাকারীর মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালদ্বীপে ভয়াবহ স্কুবা ডাইভিং দুর্ঘটনা, নিখোঁজ চার ইতালি নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার
মালদ্বীপে ভয়াবহ স্কুবা ডাইভিং দুর্ঘটনা, নিখোঁজ চার ইতালি নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশন হেক্সা, নেইমারকে নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছে ব্রাজিল
মিশন হেক্সা, নেইমারকে নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছে ব্রাজিল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উপসাগরীয় মিত্রদের অনুরোধে শেষ মুহূর্তে ইরানে হামলা স্থগিত করা হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের
উপসাগরীয় মিত্রদের অনুরোধে শেষ মুহূর্তে ইরানে হামলা স্থগিত করা হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নলছিটিতে লাশের খাটিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় আহত ৪, পিকআপে আগুন
নলছিটিতে লাশের খাটিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় আহত ৪, পিকআপে আগুন

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সঞ্চয়পত্রে অশনিসংকেত
সঞ্চয়পত্রে অশনিসংকেত

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

‘পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কখনোই সামরিক হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া উচিত নয়’
‘পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কখনোই সামরিক হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া উচিত নয়’

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়াগোতে মসজিদে বন্দুক হামলা, হতাহতের শঙ্কা
যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়াগোতে মসজিদে বন্দুক হামলা, হতাহতের শঙ্কা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কর ফাঁকির মামলা থেকে শাকিরাকে অব্যাহতি, ফেরত পাবেন ৭৮৬ কোটি টাকা
কর ফাঁকির মামলা থেকে শাকিরাকে অব্যাহতি, ফেরত পাবেন ৭৮৬ কোটি টাকা

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সুইজারল্যান্ড যাওয়ার পথে বিমানবন্দরে ইউপি চেয়ারম্যান আটক
সুইজারল্যান্ড যাওয়ার পথে বিমানবন্দরে ইউপি চেয়ারম্যান আটক

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আরবদের অনুরোধে ইরান হামলা স্থগিত করার দাবি ট্রাম্পের
আরবদের অনুরোধে ইরান হামলা স্থগিত করার দাবি ট্রাম্পের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রিয়েলিটি শো'তেই ধর্ষণ, ব্রিটিশ চ্যানেলের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ!
রিয়েলিটি শো'তেই ধর্ষণ, ব্রিটিশ চ্যানেলের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ!

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাইবান্ধায় পদক্ষেপের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‌্যালি আলোচনা ও নাটক মঞ্চায়ন
গাইবান্ধায় পদক্ষেপের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‌্যালি আলোচনা ও নাটক মঞ্চায়ন

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের সঙ্গে অভিমান করে ‘বিষপানে’ বৃদ্ধার মৃত্যু
ছেলের সঙ্গে অভিমান করে ‘বিষপানে’ বৃদ্ধার মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মানুষের প্রতি দয়া করতে বলে ইসলাম
মানুষের প্রতি দয়া করতে বলে ইসলাম

৬ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

১০০০ গোলের লড়াই, রোনালদোকে চাপে রেখেছেন মেসি?
১০০০ গোলের লড়াই, রোনালদোকে চাপে রেখেছেন মেসি?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় নকল কসমেটিকস তৈরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে জরিমানা, পণ্য ধ্বংস
ভাঙ্গায় নকল কসমেটিকস তৈরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে জরিমানা, পণ্য ধ্বংস

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আদালতে হেরে গেলেন ইলন মাস্ক, ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ
আদালতে হেরে গেলেন ইলন মাস্ক, ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

নারায়ণগঞ্জে শিশুসহ ৫ জনকে কুপিয়ে জখম
নারায়ণগঞ্জে শিশুসহ ৫ জনকে কুপিয়ে জখম

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিউবা ঘিরে বাড়ছে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা
কিউবা ঘিরে বাড়ছে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সালমান ও আমিরকে ‘পথপ্রদর্শক’ বললেন রাম চরণ
সালমান ও আমিরকে ‘পথপ্রদর্শক’ বললেন রাম চরণ

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল রহস্যময় এক রূপান্তরমান ছায়াপথ
হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল রহস্যময় এক রূপান্তরমান ছায়াপথ

৭ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

যেভাবে ভবিষ্যত যুদ্ধের রূপরেখাই বদলে দিয়েছে ইরান
যেভাবে ভবিষ্যত যুদ্ধের রূপরেখাই বদলে দিয়েছে ইরান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বন্ধ করল শুভেন্দুর সরকার
পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বন্ধ করল শুভেন্দুর সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোল্ডেন বুটের বাঁকে বাঁকে
গোল্ডেন বুটের বাঁকে বাঁকে

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রি স্টোরেজ নীতিতে বড় পরিবর্তন আনছে গুগল, ধরে রাখবেন যেভাবে
ফ্রি স্টোরেজ নীতিতে বড় পরিবর্তন আনছে গুগল, ধরে রাখবেন যেভাবে

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সর্বাধিক পঠিত
মিটিং শেষ করেই গালি দেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, তবে আমি ক্ষুব্ধ নই: সিইসি
মিটিং শেষ করেই গালি দেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, তবে আমি ক্ষুব্ধ নই: সিইসি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ায় সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইল গ্রিজম্যান
বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ায় সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইল গ্রিজম্যান

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে কারা হতে পারেন নতুন সুপারস্টার, নজরে ৫ তরুণ
বিশ্বকাপে কারা হতে পারেন নতুন সুপারস্টার, নজরে ৫ তরুণ

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান
হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে ১৬টি যুদ্ধবিমান ও ৮ হাজার সেনা মোতায়েন পাকিস্তানের
সৌদিতে ১৬টি যুদ্ধবিমান ও ৮ হাজার সেনা মোতায়েন পাকিস্তানের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘এমপি হয়েও ৭ দিন ধরে ডিআইজিকে পাচ্ছি না, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী’
‘এমপি হয়েও ৭ দিন ধরে ডিআইজিকে পাচ্ছি না, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী’

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের সেনাপ্রধানের হুমকির কী জবাব দিলো পাকিস্তান
ভারতের সেনাপ্রধানের হুমকির কী জবাব দিলো পাকিস্তান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাঝ আকাশে একটু বাইরে গিয়ে সিগারেট খেতে চাইলেন, শেষমেশ কামড় দিলেন বিমানকর্মীকে
মাঝ আকাশে একটু বাইরে গিয়ে সিগারেট খেতে চাইলেন, শেষমেশ কামড় দিলেন বিমানকর্মীকে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আট টুকরা মরদেহের পরিচয় মিলেছে
আট টুকরা মরদেহের পরিচয় মিলেছে

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাঝ-আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষ, ভেঙে পড়ল দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান
মাঝ-আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষ, ভেঙে পড়ল দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁদ দেখা গেছে, ঈদুল আজহা ২৮ মে
চাঁদ দেখা গেছে, ঈদুল আজহা ২৮ মে

১২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বিআরটি প্রকল্প বাতিলে মত বুয়েট বিশেষজ্ঞদের, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা
বিআরটি প্রকল্প বাতিলে মত বুয়েট বিশেষজ্ঞদের, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের হুমকির পর ইরানের রাস্তায় যুদ্ধের আবহ, টিভিতে অস্ত্র প্রদর্শন
ট্রাম্পের হুমকির পর ইরানের রাস্তায় যুদ্ধের আবহ, টিভিতে অস্ত্র প্রদর্শন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শি-পুতিন বৈঠকের একদিন আগে চীনা জাহাজে ভয়াবহ হামলা রাশিয়ার
শি-পুতিন বৈঠকের একদিন আগে চীনা জাহাজে ভয়াবহ হামলা রাশিয়ার

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের নাটকীয় বিদায়, প্রশ্নে ম্যাচ অফিসিয়ালরা
বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের নাটকীয় বিদায়, প্রশ্নে ম্যাচ অফিসিয়ালরা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি জাদুতে নু স্টেডিয়ামে অবশেষে জয়ের হাসি মায়ামির
মেসি জাদুতে নু স্টেডিয়ামে অবশেষে জয়ের হাসি মায়ামির

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার
মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তিন ধরনের নতুন নোট ছাড়লো বাংলাদেশ ব্যাংক
তিন ধরনের নতুন নোট ছাড়লো বাংলাদেশ ব্যাংক

৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পরকীয়া ও অর্থ লেনদেনের জেরে প্রবাসীকে হত্যার পর লাশ ৮ টুকরো
পরকীয়া ও অর্থ লেনদেনের জেরে প্রবাসীকে হত্যার পর লাশ ৮ টুকরো

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বন্ধ করল শুভেন্দুর সরকার
পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বন্ধ করল শুভেন্দুর সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুলিশের এলিট ফোর্স হিসেবে থাকবে র‌্যাব, হচ্ছে নতুন আইন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পুলিশের এলিট ফোর্স হিসেবে থাকবে র‌্যাব, হচ্ছে নতুন আইন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৬ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

পারমাণবিক অস্ত্রের মহড়া চালাল বেলারুশ
পারমাণবিক অস্ত্রের মহড়া চালাল বেলারুশ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৮ জেলায় ভারি বর্ষণের শঙ্কা
৮ জেলায় ভারি বর্ষণের শঙ্কা

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে: ট্রাম্প
ইরানের সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে: ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের ইরানে হামলার সম্ভাবনা: বিশ্লেষক
আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের ইরানে হামলার সম্ভাবনা: বিশ্লেষক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরালার নতুন মুখ্যমন্ত্রী সতীশন, যে কারণে শপথ অনুষ্ঠানে যাননি থালাপতি বিজয়
কেরালার নতুন মুখ্যমন্ত্রী সতীশন, যে কারণে শপথ অনুষ্ঠানে যাননি থালাপতি বিজয়

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ অবসানে পাকিস্তানের কাছে ইরানের নতুন প্রস্তাব
যুদ্ধ অবসানে পাকিস্তানের কাছে ইরানের নতুন প্রস্তাব

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাল কাগজপত্র জমা দিলে প্রত্যাখ্যান হবে শেনজেন ভিসার আবেদন
জাল কাগজপত্র জমা দিলে প্রত্যাখ্যান হবে শেনজেন ভিসার আবেদন

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউএইতে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার পর তেলের দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ
ইউএইতে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার পর তেলের দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট
ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জুয়ায় নিঃস্ব দেশ
জুয়ায় নিঃস্ব দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

অটোরিকশায় কুপোকাত এআই ট্রাফিকব্যবস্থা
অটোরিকশায় কুপোকাত এআই ট্রাফিকব্যবস্থা

পেছনের পৃষ্ঠা

চাপে আছেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা
চাপে আছেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের যুদ্ধ!
৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের যুদ্ধ!

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বিত্তবৈভব প্রতারণা ও জালিয়াতি
ইউনূসের বিত্তবৈভব প্রতারণা ও জালিয়াতি

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বার বৃহৎ খামার
মরুর দুম্বার বৃহৎ খামার

পেছনের পৃষ্ঠা

কিংস অ্যারিনাতেই ফাইনাল
কিংস অ্যারিনাতেই ফাইনাল

মাঠে ময়দানে

হুমকিতে চট্টগ্রামের পারকি উপকূল
হুমকিতে চট্টগ্রামের পারকি উপকূল

পেছনের পৃষ্ঠা

আবাসন খাত চাঙা করার উদ্যোগ
আবাসন খাত চাঙা করার উদ্যোগ

শিল্প বাণিজ্য

সংসদ নির্বাচন নিয়ে জামায়াত এনসিপির প্রশ্ন
সংসদ নির্বাচন নিয়ে জামায়াত এনসিপির প্রশ্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

যমজ শিশুর একজন হামে আক্রান্ত আরেকজন ঝুঁকিতে
যমজ শিশুর একজন হামে আক্রান্ত আরেকজন ঝুঁকিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

শিশুদের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্ত জাইমা রহমানের
শিশুদের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্ত জাইমা রহমানের

নগর জীবন

গ্রামীণ ব্যাংকের সুদ হার অন্য ব্যাংকের সমান কেন নয়
গ্রামীণ ব্যাংকের সুদ হার অন্য ব্যাংকের সমান কেন নয়

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেবে কাতার
বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেবে কাতার

প্রথম পৃষ্ঠা

বান্ধবীকে ধর্ষণ তিন যুবক গ্রেপ্তার
বান্ধবীকে ধর্ষণ তিন যুবক গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

করকাঠামোতে আসছে ব্যাপক পরিবর্তন
করকাঠামোতে আসছে ব্যাপক পরিবর্তন

শিল্প বাণিজ্য

মুশফিকের রেকর্ড পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের টার্গেট
মুশফিকের রেকর্ড পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের টার্গেট

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীর চন্দনা অপমৃত্যুর কবলে
রাজবাড়ীর চন্দনা অপমৃত্যুর কবলে

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিএনএ পরীক্ষায় পোশাকে আরও একজনের রক্ত
ডিএনএ পরীক্ষায় পোশাকে আরও একজনের রক্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

চিকিৎসা শেষে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি
চিকিৎসা শেষে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাণিজ্য চুক্তি চাপ বাড়াবে অর্থনীতিতে
বাণিজ্য চুক্তি চাপ বাড়াবে অর্থনীতিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বব্যাংক আইএমএফ এডিবির দ্বারস্থ সরকার
বিশ্বব্যাংক আইএমএফ এডিবির দ্বারস্থ সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

লাশের ৭ টুকরোর পর মিলল মাথা
লাশের ৭ টুকরোর পর মিলল মাথা

পেছনের পৃষ্ঠা

পর্ন মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
পর্ন মামলায় যুবক গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয় : হাই কোর্ট
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয় : হাই কোর্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রস্তুত চাহিদার দ্বিগুণ পশু
প্রস্তুত চাহিদার দ্বিগুণ পশু

দেশগ্রাম

পবিত্র ঈদুল আজহা ২৮ মে
পবিত্র ঈদুল আজহা ২৮ মে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড পরিদর্শন
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড পরিদর্শন

নগর জীবন

ভূমিসেবায় হয়রানি বন্ধ করা হবে
ভূমিসেবায় হয়রানি বন্ধ করা হবে

নগর জীবন