শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে

ফাইজুস সালেহীন
প্রিন্ট ভার্সন
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে

বাংলাদেশের সমাজ, রাজনীতি ও জনসংস্কৃতির সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন সরকারের আমলে? এরকম একটি নেতিবাচক ও বেয়াড়া প্রশ্ন করা হলে দেশের বেশির ভাগ মানুষ আমতা আমতা করবে। সত্য কথা বলার মতো লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন। মোটা দাগে দেশের জনমত সোজা দুভাগে বিভক্ত। নিরপেক্ষতার ভান করা সুশীলরাও চূড়ান্ত বিচারে নিদারুণভাবে পক্ষপাতদুষ্ট। এনজিওবেইজড সুশীলদের প্রায় সবাই রাজনীতি ও গণতন্ত্রের কৌশলগত প্রতিপক্ষ। এদের মুখোশ নগ্নভাবে উন্মোচিত হয়েছিল ২০০৭ সালের ওয়ান-ইলেভেনের সেনাসমর্থিত সরকারের আমলে। তারা সংস্কারের নামে বিরাজনীতিকরণের রোডম্যাপ নিয়ে মাঠে নেমেছিল। সংস্কারের সস্তা সেøাগান দিয়েছিল। রাজনীতি থেকে পরিবারতন্ত্রের অবসান ঘটানোর নাম করে হাজির করা হয়েছিল মাইনাস টু ফর্মুলা। রাজনৈতিক নেতাদের চরিত্রহননের জন্য নির্যাতনের স্টিমরোলার চালানো হয়েছিল। ধরে নিয়ে গিয়ে পৈশাচিক নির্যাতনের অডিও-ভিডিও নিজেরাই সংবাদমাধ্যমে পাঠিয়ে প্রচার-প্রকাশের হুকুম জারি হতো, যাতে ভয়ে রাজনৈতিক সমাজের বেশির ভাগই ট্রমাটাইজড হয়ে নিরপেক্ষতার ছদ্মবেশ ধারণ করে রাতারাতি হয়ে ওঠেন বিরাট সংস্কারবাদী। টেলিভিশনের টক শোগুলো সেই সময়ে এনজিওসংশ্লিষ্ট সুশীলদের চারণ ক্ষেত্রে পরিণত হয়। তাদের মধ্যে যেমন ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিদেশি ডোনারদের অর্থায়নে পরিচালিত বিভিন্ন থিংকট্যাংকের মোড়ল, একই রঙের  পালকশোভিত একশ্রেণির সম্পাদক-সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী। এদের বলা যায়, বার্ডস অব সেইম ফক। এরা অবিলম্বে হয়ে ওঠেন সেলিব্রেটি টকার ও কলাম লেখক। চিহ্নিত একটি পত্রিকাগোষ্ঠী ওই শ্রেণিটিকে কলামিস্ট রূপে এমনভাবে উপস্থাপন করতে শুরু করে যে ওদের অপিনিয়ন ছাড়া যেন বা পৃথিবী অচল। পত্রিকার সম্পাদকীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে পড়ে ঠুনকো কাচের মতো। পেশাদার সম্পাদকীয় ও উপসম্পাদকীয় লেখক সাংবাদিক শ্রেণিটি হয়ে পড়ে অপাঙ্ক্তেয় ও অচ্ছুত; এরা কিছুই জানে না। পক্ষান্তরে ননপ্রফেশনাল সুশীলরা হয়ে ওঠেন একেকটি গগনস্পর্শী জ্ঞানবৃক্ষ; জ্ঞানের ওয়ার্কশপ। অনেকে রগড় করে বলেন ডেভিলস্ ওয়ার্কশপ। ফলে সংবাদপত্রের বিকাশপর্বটি মারাত্মভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দেশে নতুন করে আর আবুল মনসুর আহমদ, তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া, আবুল কালাম শামসুদ্দিন, মুজিবুর রহমান খাঁ, রণেশ দাশগুপ্ত, জহুর হোসেন চৌধুরী, খন্দকার আবদুল হামিদ, শহীদুল্লা কায়সার, আলতাফ গওহর, ভারতের খুশবন্ত সিং, কুলদীপ নায়ার বা এম জে আকবরের মতো সাহসী সম্পাদক-কলামিস্ট তৈরি হয়নি।

এই সময়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে বাংলাদেশের সমাজ ও রাজনীতির। তবে সেই সময়ে একটি ভালো কাজও হয়েছে। সেটি হলো এনআইডি কার্ড প্রকল্পের বাস্তবায়ন। ওয়ান-ইলেভেনের সরকারের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলে মনে করেন ওয়াকিবহাল মহলের অনেকেই। ভারতীয় গণমাধ্যমেও তখন সেরকম ধারণা প্রচার করা হয়েছিল। ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের তৎকালীন সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ ভারত সফরে যান। সেই সফরের সময় ভারতের সেনাপ্রধান দীপক কাপুর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ‘সৌহার্দের নিদর্শন’ হিসেবে ছয়টি ঘোড়া উপহার দেন।

ঘোড়াগুলোর মধ্যে ছিল দুটি স্ট্যালিয়ন (পুরুষ প্রজনন ঘোড়া) ও চারটি মাদি ঘোড়া। তবে ঘটনাটি শুধু ‘উপহার’ হিসেবেই সীমাবদ্ধ ছিল না; তখনকার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কারণে এটি ব্যাপক আলোচিত হয়। কারণ ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির জরুরি অবস্থার পর গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারটি ছিল সেনাসমর্থিত। সেই সময় ভারত ও বাংলাদেশের সামরিক সম্পর্ক দ্রুত ঘনিষ্ঠ হচ্ছিল।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কিছু রিপোর্টে বলা হয়েছিল, এই উপহার দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক জোরদার ও সহযোগিতা বাড়ানোর কূটনৈতিক প্রয়াসের অংশ। পরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক আলোচনায় ‘ভারতের দেওয়া ছয় ঘোড়া’ একটি প্রতীকী রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়। সমালোচকরা এটিকে তৎকালীন সেনা নেতৃত্বের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন।

ওয়ান-ইলেভেনের ১৮ বছর পর ভিন্নরূপে ২০২৪ সালের আগস্টে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের ক্ষমতা দখল করেন। অনির্বাচিত অন্তর্বর্তী সরকার অনির্দিষ্টকাল ক্ষমতায় থেকে বাংলাদেশে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করার নীতি গ্রহণ করেছিল বলে পর্যবেক্ষক মহল দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। তার সারকামস্টেনশিয়াল অনেক প্রমাণও রয়েছে। ওয়ান-ইলেভেনের সরকার বৃহৎ প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে বাংলাদেশকে রাজনীতি ও গণতন্ত্রবিহীন একটি বন্ধ্যা দেশে পরিণত করতে চেয়েছিল।  

নেতিবাচকইউনূস সরকারের মিশনও ছিল অভিন্ন, যদিও পথ আলাদা। ড. ইউনূসের ইন্টেরিম সরকার ও তাঁর সহযোগী রাজনৈতিক শক্তির লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ব্যর্থ ও অর্থহীন প্রমাণিত করা। সত্য বটে, স্বাধীনতা-উত্তর সব সরকারের আমলেই বাংলাদেশের অন্তর্মূলে কমবেশি ক্ষতি হয়েছে। তবে ওয়ান-ইলেভেন ও ইন্টেরিমের করা ক্ষতির সঙ্গে সেগুলোর পার্থক্য রয়েছে। ওয়ান-ইলেভেন ও ’২৪ সালের ক্ষতির মতো অন্য কোনো সরকারের সাধিত ক্ষতি পরিকল্পিত ছিল না। দেশের ক্ষতি যা হয়েছে, তা ওই সব সরকারের কৌশলগত ভ্রান্তির কারণে হয়েছে। ক্ষেত্রবিশেষে পরিস্থিতির কারণে নেওয়া সরকারের কৌশল আখেরে দেশের ক্ষতি ডেকে এনেছে। ১৯৭২ সালের শাসনতন্ত্রে যে চারটি মূলমন্ত্র গ্রহণ করা হয় তার দুটি হলো গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র। অর্থাৎ শাসন গণতান্ত্রিক হলেও অর্থনীতি হবে সমাজতান্ত্রিক। শেখ মুজিবের মনে চিন্তাটি দানা পাকিয়েছিল ১৯৫৭ সালে তিনি যখন নয়াচীন সফরে গিয়েছিলেন। চীনের যৌথ খামারের উৎপাদনব্যবস্থা, মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে নিয়মানুবর্তিতা ও শৃৃঙ্খলা দেখে তিনি খুবই মুগ্ধ হয়েছিলেন। কিন্তু সে দেশে গণতন্ত্রের অনুপস্থিতি বাংলাদেশের তরুণ নেতাকে হতাশ করেছিল। তিনি ভেবেছিলেন এহেন উৎপাদনব্যবস্থা ও শৃঙ্খলার সঙ্গে গণতন্ত্র থাকলে কতই না ভালো হতো। এই কথাগুলো তিনি তাঁর নিজের ভাষায় ব্যক্ত করেন, আমার দেখা নয়াচীন গ্রন্থে। সম্ভবত সেই চিন্তার প্রতিফলন ঘটেছিল বাংলাদেশের সংবিধানে। কিন্তু বাস্তবে তিনি সেটা করে দেখাতে পারেননি। সব দল নিষিদ্ধ করে এবং চারটি বাদে সব পত্রিকা বন্ধ করে দিয়ে সমাজতন্ত্রের পাশাপাশি গণতন্ত্র রক্ষা করা সোনার পাথরবাটির মতো অসম্ভব ছিল। পরিণতি কী হয়েছিল তা সবারই জানা। গণতন্ত্রের মসৃণ পথটি হয়ে উঠেছিল বন্ধুর-দুর্গম।

পঁচাত্তর-পরবর্তী জিয়াউর রহমানের আমলে পিপিআরের অধীনে পুরোনো দলগুলো পুনর্জন্ম লাভ করে। বিএনপি গঠনের সময় হয়তো রিকনসিলেয়েশনের কথা মাথায় রেখে একাত্তরে যারা পাকিস্তানের পক্ষাবলম্বন করেছিলেন তাদের অনেককে কাছে টেনে নেওয়া হয়। সেই নীতিকৌশলে দেশের কতখানি ক্ষতি-লাভ হয়েছে তা বিচারবিশ্লেষণের বিষয়। এরশাদ জমানায় যোগাযোগব্যবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে। গুচ্ছগ্রাম করে এরশাদ বাস্তুহারাদের আবাসন সমস্যার অনেকটাই সমাধান করেছিলেন। তাঁর সময়েই উপজেলাব্যবস্থা চালু হয়, যা এখনো টিকে আছে। কিন্তু মারাত্মক ক্ষতি হয়েছিল গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির। ডিগবাজি ও তেলমারা রাজনীতি তখন শিল্পের রূপ পরিগ্রহ করেছিল। এরশাদবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিল থেকে হঠাৎ দৌড় দিয়ে পুলিশের গাড়িতে পালিয়ে যাওয়ার মতো নাটকও তখন মঞ্চস্থ হয়েছিল। ওই দিন মিছিল থেকে পালিয়ে যাওয়া লোকটি এরশাদ সরকারের উপমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন। এরশাদ জমানায় যেসব জনসভায় ্এরশাদ নিজে উপস্থিত থাকতেন, কোনো মন্ত্রী-মিনিস্টার ভুল করেও সভায় উপস্থিত জনগণের দিকে তাকাতেন না। মঞ্চে প্রেসিডেন্টের দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রশংসায় ভাসিয়ে দিতেন। এরশাদও খুব এনজয় করতেন। একবার এরশাদের দলের এক নেতা নাকি বলেছিলেন, দেশের সব বাঁশ কেটে কলম বানিয়ে নদীর জলকে কালি বানিয়ে লিখলেও আপনার সাফল্য ও গুণের কথা লিখে শেষ করা যাবে না হে মহান পল্লিবন্ধু। শুনে এরশাদ নাকি মুচকি হেসেছিলেন।-এগুলো বানানো জোকসও হতে পারে। বানানো হলেও বোঝা যায়, সেই এরকম একটা কালচারাল অবক্ষয় দেশে ঠিকই নেমে এসেছিল। তেলমারা কালচারটা বাংলাদেশের রাজনীতির একটা বিপজ্জনক ব্যাধি। এরশাদ আমলে এই রোগ বেড়ে গিয়েছিল, শেখ হাসিনার আমলেও দারুণভাবে ছিল। এখনো আছে। এসবে সমাজ-রাজনীতির যে ক্ষতি হয়, তা সামান্য নয়। রাজা কেনিউটের নামে প্রচলিত গল্পটি মনে পড়ে। রাজার পারিষদের একজন একদিন বললেন, মহারাজ! অসীম আপনার ক্ষমতা। আপনার অঙ্গুলি নির্দেশে সমুদ্রের বিশাল ঢেউ পর্যন্ত ফিরে যায়।

রাজা হেসে বললেন, তাই! তাহলে কালই রাজসভা স্থানান্তরিত হোক সমুদ্রসৈকতে। যেই কথা সেই কাজ। রাজসভা বসেছে সৈকতে। সমুদ্রের উঁচু ঢেউ আসছে। রাজা অঙ্গুলি নির্দেশ করে হুংকার দিয়ে উঠলেন, খামোশ। কিন্তু ঢেউ ফিরে গেল না। রাজার সভা ভাসিয়ে নেওয়ার উপক্রম হলো। রাজা তখন সেই সভাসদকে ডেকে বললেন, অকারণে স্তাবকতা কর না। রাজার নির্দেশে ঢেউ ফিরে যায় না। দেখলে  তো! শিক্ষা গ্রহণ কর। সত্যবাদী হও। দেশের মঙ্গল হবে। স্তাবকতা পরিহার কর।  কেনিউটের মতো জ্ঞানী রাজার বড় বেশি আকাল এই দেশে।

আসল কথায় আসা যাক। লাভ ও ক্ষতি সব আমলেই হয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সতেরো মাসে সমাজ-সংস্কৃতি ও মানবিকতার সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। ইউনূসের শাসনামলে ঘৃণা ও অশ্লীলতাকে জীবনের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। বেয়াদব তৈরি করা হয়েছে পরিকল্পিতভাবে। মবোক্র্যাসি চর্চা উসকে দেওয়া হয়েছে। অপরাজনীতির পথ প্রশস্ত করা হয়েছে।  শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে খাদের কিনারে টেনে নেওয়া হয়েছে। হামের টিকা না দেওয়ায় চার শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর ইউনূসের শাগরেদরা এখনো ব্যস্ত রয়েছে জুলাই সনদ নিয়ে, যাকে সংসদে অন্তহীন প্রতারণার দলিল বলে আখ্যায়িত করা হয়েছিল। এ অবস্থা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।

♦ লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক

এই বিভাগের আরও খবর
অসিদের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়
অসিদের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়
স্বপ্ন-আকাঙ্ক্ষার বাজেট
স্বপ্ন-আকাঙ্ক্ষার বাজেট
ইসলামে শাস্তি আইন
ইসলামে শাস্তি আইন
বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা
বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা
বাজেটে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি
বাজেটে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
মধ্যপ্রাচ্যে হানাহানি
মধ্যপ্রাচ্যে হানাহানি
নানান রোগের ঝুঁকিতে শিশু
নানান রোগের ঝুঁকিতে শিশু
সালাম সম্প্রীতির বাহন
সালাম সম্প্রীতির বাহন
জার্মানি পেরেছে, পারতে হবে আমাদেরও
জার্মানি পেরেছে, পারতে হবে আমাদেরও
নিয়ন্ত্রিত হোক যৌক্তিক নৈতিক পদক্ষেপে
নিয়ন্ত্রিত হোক যৌক্তিক নৈতিক পদক্ষেপে
সীমান্তে পুশইন-পুশব্যাক কাম্য নয়
সীমান্তে পুশইন-পুশব্যাক কাম্য নয়
সর্বশেষ খবর
গাইবান্ধায় ব্রাজিল সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা
গাইবান্ধায় ব্রাজিল সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

এবার ব্রিটিশ কোচকে দুই বছরের জন্য নিয়োগ বাফুফের
এবার ব্রিটিশ কোচকে দুই বছরের জন্য নিয়োগ বাফুফের

১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দিনাজপুরে অনুদানের চেক প্রদান
দিনাজপুরে অনুদানের চেক প্রদান

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফুটবল উন্মাদনায় হলিউডে বেকহ্যাম-টম ক্রুজ
ফুটবল উন্মাদনায় হলিউডে বেকহ্যাম-টম ক্রুজ

৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভোলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ব্রাজিল সমর্থকের মৃত্যু
ভোলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ব্রাজিল সমর্থকের মৃত্যু

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নওগাঁয় হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
নওগাঁয় হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে আমার পেছনে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে আমার পেছনে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৭ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

কুয়াকাটায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
কুয়াকাটায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়াকাটায় ‘সংকটে আনন্দে নজরুল’ শীর্ষক আলোচনা সভা
কুয়াকাটায় ‘সংকটে আনন্দে নজরুল’ শীর্ষক আলোচনা সভা

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অজিদের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে দুই কোটি টাকা বোনাস পাচ্ছেন টাইগাররা
অজিদের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে দুই কোটি টাকা বোনাস পাচ্ছেন টাইগাররা

২৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজনৈতিকভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে : জোনায়েদ সাকী
রাজনৈতিকভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে : জোনায়েদ সাকী

২৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

নেইমার কি পারবেন রোমারিও হতে?
নেইমার কি পারবেন রোমারিও হতে?

২৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু
ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ ঘিরে নিউ জার্সিতে হোটেল ভাড়া বেড়েছে  কয়েক গুণ
বিশ্বকাপ ঘিরে নিউ জার্সিতে হোটেল ভাড়া বেড়েছে  কয়েক গুণ

২৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জয়পুরহাটে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা
জয়পুরহাটে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে বিরল হাসপাতালে আধুনিক ফিডব্যাক মেশিন
চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে বিরল হাসপাতালে আধুনিক ফিডব্যাক মেশিন

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুলাউড়ায় তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা
কুলাউড়ায় তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আখাউড়ায় কুটির শিল্প মেলা
আখাউড়ায় কুটির শিল্প মেলা

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জয়পুরহাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন
সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জয়পুরহাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ৭৭ লাখ টাকার চেক বিতরণ
জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ৭৭ লাখ টাকার চেক বিতরণ

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নাক ফজলি: ৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা, বাজার না থাকায় শঙ্কা
নাক ফজলি: ৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা, বাজার না থাকায় শঙ্কা

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কয় গোল হতে পারে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচে?
কয় গোল হতে পারে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচে?

৫৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

৫৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

বিদেশে কর্মী প্রেরণে সফল হতে ডায়াস্পোরা কমিউনিটিকে যুক্ত করতে হবে : নুরুল হক নুর
বিদেশে কর্মী প্রেরণে সফল হতে ডায়াস্পোরা কমিউনিটিকে যুক্ত করতে হবে : নুরুল হক নুর

৫৭ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের ২৭ জনের নামে মামলা
নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের ২৭ জনের নামে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চোট কাটিয়ে অনুশীলনে ইয়ামাল-নিকো উইলিয়ামস
চোট কাটিয়ে অনুশীলনে ইয়ামাল-নিকো উইলিয়ামস

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন বাজেট বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই: প্রধানমন্ত্রী
নতুন বাজেট বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উন্মাতাল ব্রাজিলিয়ান সমর্থক, প্রস্তুত হচ্ছে সেলেসাও শিবির
উন্মাতাল ব্রাজিলিয়ান সমর্থক, প্রস্তুত হচ্ছে সেলেসাও শিবির

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে অধিনায়ক হিসেবে পাওয়ার সুবিধা অনেক : জুলিয়ানো
মেসিকে অধিনায়ক হিসেবে পাওয়ার সুবিধা অনেক : জুলিয়ানো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বগুড়ায় জিআর চাল বিতরণ করলেন এমপি রেজাউল করিম
বগুড়ায় জিআর চাল বিতরণ করলেন এমপি রেজাউল করিম

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধ
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপে জয় অধরাই রয়ে গেল, তবে লড়াকু ড্রয়ে মন জিতল কানাডা
বিশ্বকাপে জয় অধরাই রয়ে গেল, তবে লড়াকু ড্রয়ে মন জিতল কানাডা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?
নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু
ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নাঈম ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন বিসিবি সভাপতি তামিম
নাঈম ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন বিসিবি সভাপতি তামিম

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মার্কিন অভিযানের আশঙ্কায় ইউরেনিয়াম সংরক্ষণে যে পদক্ষেপ নিয়েছে ইরান
মার্কিন অভিযানের আশঙ্কায় ইউরেনিয়াম সংরক্ষণে যে পদক্ষেপ নিয়েছে ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্যারাগুয়েকে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকাপে উড়ন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের
প্যারাগুয়েকে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকাপে উড়ন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পাস করলেন জাইমা রহমান
বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পাস করলেন জাইমা রহমান

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ব্রাজিলের সব খেলোয়াড়ই বিশ্বমানের, তবে আমাদেরও নিজস্ব শক্তি আছে’
‘ব্রাজিলের সব খেলোয়াড়ই বিশ্বমানের, তবে আমাদেরও নিজস্ব শক্তি আছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স
রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেরিয়ে এলো জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে আইআরজিসির ভয়াবহ হামলার চিত্র
বেরিয়ে এলো জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে আইআরজিসির ভয়াবহ হামলার চিত্র

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানসহ চার দেশের নাগরিকদের আফ্রিকায় পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানসহ চার দেশের নাগরিকদের আফ্রিকায় পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মরক্কোর বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে ব্রাজিল
মরক্কোর বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে ব্রাজিল

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ
প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা দেয়নি কানাডা, ঘানার প্রথম ম্যাচে দর্শকের ভূমিকায় তারকা মিডফিল্ডার
ভিসা দেয়নি কানাডা, ঘানার প্রথম ম্যাচে দর্শকের ভূমিকায় তারকা মিডফিল্ডার

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনলাইনে যেভাবে দেখবেন ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা
অনলাইনে যেভাবে দেখবেন ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফনের সময় জানাল ইরান
আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফনের সময় জানাল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা
প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামবেন নেইমার?
মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামবেন নেইমার?

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা
ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা
বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেয়েকে নিয়ে ছয়তলা থেকে লাফ: মায়ের মৃত্যু, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল শিশু
মেয়েকে নিয়ে ছয়তলা থেকে লাফ: মায়ের মৃত্যু, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল শিশু

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসন্ন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েল ‘খুবই উদ্বিগ্ন’
আসন্ন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েল ‘খুবই উদ্বিগ্ন’

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা
আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আর্জেন্টিনার পর এবার ইরান! বিশ্বকাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি তবে পুরোপুরি ভেঙে পড়ল?
আর্জেন্টিনার পর এবার ইরান! বিশ্বকাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি তবে পুরোপুরি ভেঙে পড়ল?

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিল–মরক্কো ম্যাচে কার পাল্লা ভারী? যা বলছে পরিসংখ্যান
ব্রাজিল–মরক্কো ম্যাচে কার পাল্লা ভারী? যা বলছে পরিসংখ্যান

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান ফুটবল দলের অনুশীলন ভেন্যুর কাছে গাড়িতে মিললো গলিত লাশ
ইরান ফুটবল দলের অনুশীলন ভেন্যুর কাছে গাড়িতে মিললো গলিত লাশ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লাগেজ হারিয়েছে সৌদিতে, দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়
লাগেজ হারিয়েছে সৌদিতে, দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী
কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক
শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক
রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ভারত-বাংলাদেশ এক হলে পরিণত হবে বিশ্বশক্তিতে
ভারত-বাংলাদেশ এক হলে পরিণত হবে বিশ্বশক্তিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম
চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম

পেছনের পৃষ্ঠা

এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র
এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল
প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না
ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না

প্রথম পৃষ্ঠা

আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা
আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপারিতে কোটি টাকা আয়
সুপারিতে কোটি টাকা আয়

শনিবারের সকাল

শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড
শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ
এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ

পেছনের পৃষ্ঠা

গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার
গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার

পেছনের পৃষ্ঠা

ধোঁয়ায় আটকা ঢাকাবাসী
ধোঁয়ায় আটকা ঢাকাবাসী

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণদের অগ্রাধিকার বাজেট
তরুণদের অগ্রাধিকার বাজেট

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার

নগর জীবন

অবাস্তব পরিকল্পনা নেই
অবাস্তব পরিকল্পনা নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

অস্তিত্বসংকটে কুষ্টিয়ার নদনদী
অস্তিত্বসংকটে কুষ্টিয়ার নদনদী

পেছনের পৃষ্ঠা

এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি

সম্পাদকীয়

প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের
প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের

নগর জীবন

তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা
বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন
জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর
পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর

দেশগ্রাম

আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা
আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা

নগর জীবন

ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা
ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা

দেশগ্রাম

বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন
বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন

নগর জীবন

বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার
র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ
করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ

দেশগ্রাম