শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
প্রিন্ট ভার্সন
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন নিয়ে সংবাদপত্র, টেলিভিশন চ্যানেল এবং সমাজমাধ্যমে আলোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন কি না, এমন প্রশ্নও উঠেছে। তবে একটি বিষয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পুত্র হওয়ার কারণে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে তাঁর জীবনের ওপর হুমকি থাকায় তাঁর পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা অব্যাহত রাখা সম্ভব হয়নি। আইনে ডিগ্রি না নিয়েই তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়তে হয়েছে। এটা গৌরব হানিকর কোনো ব্যাপার নয়। সাবেক রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট আবদুল হামিদ, যিনি পদাধিকারবলে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চ্যান্সেলর ছিলেন, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তাঁর স্বভাবসুলভ রসিকতায় বলেন, ‘যেহেতু তাঁর বিএ পরীক্ষার ফলাফল ভালো ছিল না, অতএব তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারেননি। কিন্তু তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর হিসেবে সমাবর্তনে এসেছেন।’ তবে তাঁর রসিকতার মাঝেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী না হতে পারার দুঃখবোধ যে ছিল, তা তাঁর ভাষণে ফুটে উঠেছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হতে পারা বা না পারার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে তাঁর আসীন হওয়া। সে ক্ষেত্রে তিনি কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কী ডিগ্রি লাভ করেছেন, তা বড় কোনো প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়নি।

ইতিহাসজুড়ে, বাংলাদেশ এবং বিশ্বের সর্বত্র বহু দৃষ্টান্ত রয়েছে যে, আধুনিক যুগেও রাষ্ট্র পরিচালনায় শীর্ষ ব্যক্তিদের অনেকের বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রি তো ছিলই না, খ্যাতিমান অনেকের উল্লেখযোগ্য শিক্ষাগত কোনো ডিগ্রি, এমনকি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাও ছিল না। তা সত্ত্বেও তাঁদের অনেকে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনা করে সবার অনুকরণীয় হয়ে আছেন। রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ডিগ্রি না থাকা কোনো অযোগ্যতা নয়। পাশের দেশ ভারতের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী মাধ্যমিক স্কুলের পর আর পড়াশোনা করতে পারেননি। কিন্তু দায়িত্ব পালনে তাঁর বিনয়, সততা, কৃচ্ছ্র, গণমুখী বৈশিষ্ট্য, দেশ ও জনগণের সেবায় নিবেদিতপ্রাণ এবং সত্যের ওপর আপসহীনভাবে অটল থাকার মধ্য দিয়ে নেতৃত্বের নজির স্থাপন করে গেছেন। একই কথা প্রযোজ্য আধুনিক চীনের স্থপতি মাও জে দং-এর ক্ষেত্রে। তিনিও মাধ্যমিক পর্যায়ের বেশি পড়াশোনা করতে পারেননি এবং তাঁর জীবনী পাঠে দেখা যায়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার পর থেকে তিনি স্বশিক্ষিত ছিলেন। বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উল্লেখযোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকা সত্ত্বেও তিনি দেশে ক্ষমতায় আসীন অনেক উচ্চ ডিগ্রিধারী প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে তুলনামূলকভাবে সাফল্যের সঙ্গে সরকার পরিচালনা করেছেন এবং শ্রদ্ধাভাজন ছিলেন।

দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার গুণাবলি কারও মাঝে বিকশিত হলে তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার আবশ্যকতা আদৌ আছে কি? আমাদের শিক্ষিতদের একটি অংশ রাজনীতিতেও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রয়োজনের কথা জোরের সঙ্গে বলেন। রাজনীতি তো সিভিল সার্ভিস বা আমলাতন্ত্র নয় যে, সব পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে হবে, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ধাপে ধাপে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে রাষ্ট্র পরিচালনায় কোনো দল বা পক্ষের অনুবর্তী না হয়ে বিধি অনুযায়ী সরকার প্রণীত নীতি বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। রাজনীতিবিদরা উঠে আসেন তৃণমূল পর্যায় থেকে। দেশের মাটিই তাঁদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনগণ তাঁদের শিক্ষক এবং মানবিক ও নৈতিক গুণ, দেশপ্রেম ও কর্তব্যনিষ্ঠাই তাঁদের যোগ্যতা। রাজনীতিবিদদের প্রতিনিয়ত জনগণের সামনে পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়, জনগণের কাছে তাঁদের জবাবদিহি করতে হয়। এ দুটোতে উত্তীর্ণ না হলে রাজনীতিবিদ তথা তাঁদের ভাগ্যে দুর্গতি নেমে আসে। তাঁরা সব সময় জনগণের ধরাছোঁয়ার মধ্যে থাকেন। অন্যদিকে উচ্চশিক্ষিত ও পেশাগতভাবে দক্ষ বিবেচিত আমলারা উন্নত দেশগুলোতে জনপ্রতিনিধিদের কাছে দায়ী থাকেন। বাংলাদেশে আমলাদের যদিও আইনত নির্বাহী বিভাগের কাছে দায়ী থাকার কথা, কিন্তু বাস্তবে তাঁরা অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা ভোগ করেন। তাঁদের এ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে প্রধানত সামরিক শাসনকালে, কেয়ারটেকার সরকারের আমলে এবং বিশেষ করে নির্বাচিত সরকারের নামে টানা সাড়ে ১৫ বছর শেখ হাসিনার স্বৈরশাসনের সময়। জনগণের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সমর্পিত না হলে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কাউকে দেশপ্রেমিক করতে পারে না।

রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ দেশ পরিচালনায় দক্ষতা অর্জনের জন্য রাজনীতিবিদদের উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া অবশ্যই প্রয়োজন, কিন্তু তা অনিবার্যভাবে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা হতে হবে এমন বাধ্যবাধকতা নেই। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার চেয়েও রাজনীতিবিদের বেশি প্রয়োজন জ্ঞানের অধিকারী হওয়া ও শৃঙ্খলাবোধ বজায় রাখা, জনগণের আস্থা অর্জন করা, দেশ ও জাতির কল্যাণে যথাযথ বিবেচনাবোধ এবং দূরদর্শিতা দ্বারা নির্দেশিত হয়ে প্রয়োজনে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও কঠোরতা অবলম্বন করা, যাকে খ্যাতিমান রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরাও স্থায়ী সাফল্যের জন্য অনিবার্য বলে বিবেচনা করেছেন। তাঁরা মনে করেন, একজন রাজনীতিবিদ, বিশেষ করে শাসন পরিচালনায় জনগণের নির্বাচিত নেতার সর্বোত্তম যোগ্যতা হলো, বাস্তবভিত্তিক নৈতিক নেতৃত্ব। কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কারও মাঝে এ যোগ্যতা সৃষ্টি করতে পারে না।

বাংলাদেশের উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিগত সাড়ে পাঁচ দশক ধরে যে অবস্থা বিরাজ করছে, সেই চিত্র সামনে রেখে মোটামুটি নির্ভুলভাবে বলা যায় যে, বিবদমান ছাত্র সংগঠনগুলোর প্রভাব বিস্তারের রাজনীতি, খুনাখুনি, দলীয় আনুগত্য বিবেচনায় শিক্ষক নিয়োগের যে উত্তরাধিকার চলছে তাতে উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে মানসম্পন্ন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা লাভও সম্ভব নয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক মহোদয়রা এ ধরনের কথায় নিঃন্দেহে মনঃক্ষুণ্ন হবেন, কিন্তু কী করে অস্বীকার করবেন যে, তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন না করায়, বিষয়গত পাঠের সঙ্গে নৈতিক শিক্ষা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব না করায় ১৯৭১ সালের পর থেকে কেবল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েই নিহত হয়েছেন ৭৫ জন ছাত্র। শিক্ষকদের বড় অংশই দলকানা, তাঁরা শিক্ষাদানে মনোযোগী থাকার চেয়ে নিয়োগকর্তাদের প্রতি অনুগত থাকেন, তাঁদের সন্তুষ্ট রাখেন। মর্জি হলে তাঁরা ক্লাস নেন, মর্জি না হলে মাসের পর মাস বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন না। আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম থাকে না, থাকলেও একেবারে নিচের দিকে থাকে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিং সংস্থা ‘এডুর‌্যাঙ্ক’ ২০২৬ সালে বিশ্বের ১৮৩টি দেশের ১৪,১৩১টি বিশ্ববিদ্যালয়, যেগুলো ২৪৬টি গবেষণা ক্ষেত্রের ওপর অবদান রেখেছে, সেগুলোর যে র‌্যাঙ্কিং করেছে, তাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৮২৮, কারিগরি ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ১২০৯। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ২৬৩৩, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ২৫৭২, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ২২০৯, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৭২৭, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ২২৩১তম। বাংলাদেশের পাবলিক ও প্রাইভেট সেক্টরের ১২৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও শিক্ষাবহির্ভূত সূচক বিশ্লেষণে বাদবাকি বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাঙ্কিংয়ে আরও নিচের দিকে। এমনকি ‘এডুর‌্যাঙ্ক’-এর এশিয়ার ১০০ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় ভারতের এক ডজনের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত থাকলেও বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম সে তালিকায় নেই। র‌্যাঙ্কিংয়ের জন্য অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে গবেষণামূলক প্রকাশনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সে ধরনের প্রকাশনায় দৈন্যদশা চলছে যুগ যুগ ধরে।

২০০০ সালে রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষাব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানে পিছিয়ে থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এর কারণ নির্ণয় ও প্রতিকারের উপায় খুঁজে বের করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। যেহেতু ওই সময় ক্ষমতায় ছিল শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ এবং ওই মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা, শান্তি, পরিবেশ ইত্যাদি বিষয়ে রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম ও ভারতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৯টি সম্মানসূচক ডক্টরেট, ডি-লিট এবং বহু দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অনেক সম্মাননা লাভ করেছিলেন। তাঁর সম্মান মানেই দেশের সম্মান। তাঁর শাসিত দেশে শিক্ষার মান নিয়ে রাষ্ট্রপতির নেতিবাচক বক্তব্য বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরসহ আওয়ামী অনুরাগী শিক্ষকরা পছন্দ করতে পারেননি। তাঁরা বরং রাষ্ট্রপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাব্যবস্থার মান নিয়ে রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের বক্তব্যের দুই দশক পর দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১২ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বৈশ্বিক মান বজায় রাখতে পেরেছে কি না, তার বাস্তবতা হচ্ছে একবিংশ শতাব্দীতে শিক্ষা-গবেষণা ও উৎকর্ষ অর্জনের ক্ষেত্রে বিশ্বের বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিংয়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চতায় পৌঁছতে না পারা। র‌্যাঙ্কিংয়ে গবেষণা, প্রকাশনা ও উদ্ভাবনকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। সে ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান কোথায়? শুধু পুঁথিগত শিক্ষা নয়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণা এবং উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগ না হলে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমাদের টিকে থাকা কিছুটা হলেও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে।’ তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবন ও গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সরকার অর্থ বরাদ্দ দেবে।  তিনি শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতিতে রাজনীতিকে প্রাধান্য দেওয়ার পরিবর্তে শিক্ষক নিয়োগে প্রার্থীদের ফলাফল ও মেধাকে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেন।

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপলব্ধি নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। তবে বাস্তবায়ন কঠিন। বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক সরকারগুলো উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে যেভাবে তাদের দলীয় প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করেছে, তা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মুক্ত করার জন্য রাজনৈতিক আবেগের ঊর্ধ্বে উঠতে পারলেই শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরে আসবে। এজন্য কেবল প্রধানমন্ত্রীর নয়, আত্মোপলব্ধি প্রয়োজন উচ্চতর শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার।

♦ লেখক : যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
অসিদের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়
অসিদের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়
স্বপ্ন-আকাঙ্ক্ষার বাজেট
স্বপ্ন-আকাঙ্ক্ষার বাজেট
ইসলামে শাস্তি আইন
ইসলামে শাস্তি আইন
বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা
বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা
বাজেটে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি
বাজেটে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
মধ্যপ্রাচ্যে হানাহানি
মধ্যপ্রাচ্যে হানাহানি
নানান রোগের ঝুঁকিতে শিশু
নানান রোগের ঝুঁকিতে শিশু
সালাম সম্প্রীতির বাহন
সালাম সম্প্রীতির বাহন
জার্মানি পেরেছে, পারতে হবে আমাদেরও
জার্মানি পেরেছে, পারতে হবে আমাদেরও
নিয়ন্ত্রিত হোক যৌক্তিক নৈতিক পদক্ষেপে
নিয়ন্ত্রিত হোক যৌক্তিক নৈতিক পদক্ষেপে
সীমান্তে পুশইন-পুশব্যাক কাম্য নয়
সীমান্তে পুশইন-পুশব্যাক কাম্য নয়
সর্বশেষ খবর
বিশ্বকাপে জয় অধরাই রয়ে গেল, তবে লড়াকু ড্রয়ে মন জিতল কানাডা
বিশ্বকাপে জয় অধরাই রয়ে গেল, তবে লড়াকু ড্রয়ে মন জিতল কানাডা

১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

লারিনের গোলে সমতায় ফিরল কানাডা
লারিনের গোলে সমতায় ফিরল কানাডা

১৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসলামের দৃষ্টিতে দায়িত্ববোধের গুরুত্ব
ইসলামের দৃষ্টিতে দায়িত্ববোধের গুরুত্ব

৩৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা
বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা

৪৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা
প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?
নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ
প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্টার্টআপ প্রোগ্রামে অংশ নিচ্ছে মাইলস্টোন স্কুল
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্টার্টআপ প্রোগ্রামে অংশ নিচ্ছে মাইলস্টোন স্কুল

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বসনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ শুরু, নিজেদের মাটিতে কি 'শনির দশা' কাটাতে পারবে কানাডা?
বসনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ শুরু, নিজেদের মাটিতে কি 'শনির দশা' কাটাতে পারবে কানাডা?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ জয় ব্রাজিলের, আর্জেন্টিনা কত নম্বরে
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ জয় ব্রাজিলের, আর্জেন্টিনা কত নম্বরে

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা
ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে ম্যাচের আগে মাঠের বাইরে ঝড় তুলছেন ব্রাজিল কোচ আনচেলত্তি
বিশ্বকাপে ম্যাচের আগে মাঠের বাইরে ঝড় তুলছেন ব্রাজিল কোচ আনচেলত্তি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মানুষের জীবনমান উন্নয়নই এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্য : আমানউল্লাহ আমান
মানুষের জীবনমান উন্নয়নই এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্য : আমানউল্লাহ আমান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুড়িগ্রামে প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিল সমর্থক পুলিশ দলের জয়
কুড়িগ্রামে প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিল সমর্থক পুলিশ দলের জয়

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নীলফামারীতে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য র‍্যালি
নীলফামারীতে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য র‍্যালি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা
আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এবারের বাজেট কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য নয়: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
এবারের বাজেট কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য নয়: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসন কমাতে বড় সিদ্ধান্তের পথে সুইজারল্যান্ড, নজিরবিহীন গণভোটের আয়োজন
অভিবাসন কমাতে বড় সিদ্ধান্তের পথে সুইজারল্যান্ড, নজিরবিহীন গণভোটের আয়োজন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু
ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ব সংগীত দিবসে হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে ‘প্রাণ বন্ধের সনে’
বিশ্ব সংগীত দিবসে হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে ‘প্রাণ বন্ধের সনে’

৪ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স
রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে অনিশ্চিত নিকোলাস তাগলিয়াফিকো
আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে অনিশ্চিত নিকোলাস তাগলিয়াফিকো

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুবসমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়া আয়োজন জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
যুবসমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়া আয়োজন জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

শনিবার কক্সবাজার সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
শনিবার কক্সবাজার সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রশাসনে বড় রদবদল
প্রশাসনে বড় রদবদল

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ময়মনসিংহে যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল
ময়মনসিংহে যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংকমুখী নয়, গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ব্যাংকমুখী নয়, গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সর্বাধিক পঠিত
ব্যাংকে কত টাকা থাকলে কর দিতে হবে না
ব্যাংকে কত টাকা থাকলে কর দিতে হবে না

১৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

শেষ মুহূর্তে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে পরিবর্তন
শেষ মুহূর্তে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে পরিবর্তন

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তিন লাল কার্ডের ম্যাচে মেক্সিকোর দুর্দান্ত জয়
তিন লাল কার্ডের ম্যাচে মেক্সিকোর দুর্দান্ত জয়

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাটকীয়তা শেষে ১৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান
নাটকীয়তা শেষে ১৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি
বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা
বিশ্বকাপের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ মিশন শুরুর আগে এমবাপ্পেদের দাবি মেনে নিল ফ্রান্স
বিশ্বকাপ মিশন শুরুর আগে এমবাপ্পেদের দাবি মেনে নিল ফ্রান্স

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হঠাৎ কেন বন্ধ হয়েছিল ফেসবুক-মেসেঞ্জার?
হঠাৎ কেন বন্ধ হয়েছিল ফেসবুক-মেসেঞ্জার?

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

তিন বছরের বেশি কোমায় থাকার পর থাই রাজকুমারী বজ্রকিতিয়াভার মৃত্যু
তিন বছরের বেশি কোমায় থাকার পর থাই রাজকুমারী বজ্রকিতিয়াভার মৃত্যু

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিরাজকে নিয়ে শেষ ওয়ানডের দল ঘোষণা করলো বাংলাদেশ
মিরাজকে নিয়ে শেষ ওয়ানডের দল ঘোষণা করলো বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জীবন দিয়ে সন্তানের লোভের মূল্য চুকালেন বৃদ্ধ পিতা
জীবন দিয়ে সন্তানের লোভের মূল্য চুকালেন বৃদ্ধ পিতা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘এখন কেউ বলতে পারবে না, ধানক্ষেতের উইকেটে জিতেছি’
‘এখন কেউ বলতে পারবে না, ধানক্ষেতের উইকেটে জিতেছি’

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ২-১ গোলে চেক রিপাবলিককে হারালো দক্ষিণ কোরিয়া
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ২-১ গোলে চেক রিপাবলিককে হারালো দক্ষিণ কোরিয়া

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তিন লাল কার্ড থেকে রুদ্ধশ্বাস জয়, বিশ্বকাপের প্রথম দিনে যা যা ঘটল
তিন লাল কার্ড থেকে রুদ্ধশ্বাস জয়, বিশ্বকাপের প্রথম দিনে যা যা ঘটল

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন
সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেমন হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি? মূল বিষয় তুলে ধরলেন কূটনীতিক
কেমন হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি? মূল বিষয় তুলে ধরলেন কূটনীতিক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কিছু ব্যাংক থেকে এক-তৃতীয়াংশ ডিপোজিট চুরি হয়ে গেছে : গভর্নর
কিছু ব্যাংক থেকে এক-তৃতীয়াংশ ডিপোজিট চুরি হয়ে গেছে : গভর্নর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ সেবা বিঘ্নিত
ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ সেবা বিঘ্নিত

৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ব্রাজিল ম্যাচের আগে মরক্কোর দলে বড় ধাক্কা, ছিটকে গেলেন দুই তারকা
ব্রাজিল ম্যাচের আগে মরক্কোর দলে বড় ধাক্কা, ছিটকে গেলেন দুই তারকা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলকে সম্মান করি, তবে লড়াইটা কঠিন করতে চাই: রবার্টসন
ব্রাজিলকে সম্মান করি, তবে লড়াইটা কঠিন করতে চাই: রবার্টসন

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তি নয়, আলোচনার শুরু মাত্র: ট্রাম্পের দাবিতে পানি ঢাললেন বিশ্লেষকরা
চুক্তি নয়, আলোচনার শুরু মাত্র: ট্রাম্পের দাবিতে পানি ঢাললেন বিশ্লেষকরা

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

আড়াই বছর গোল পাননি, সেই তিনিই বনে গেলেন দক্ষিণ কোরিয়ার নায়ক
আড়াই বছর গোল পাননি, সেই তিনিই বনে গেলেন দক্ষিণ কোরিয়ার নায়ক

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমান্তে শান্তি-স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে একমত বিজিবি-বিএসএফ
সীমান্তে শান্তি-স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে একমত বিজিবি-বিএসএফ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সম্ভাব্য চুক্তির তথ্য ফাঁস, ইরানকে ‘অবিশ্বস্ত’ আখ্যা দিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প
সম্ভাব্য চুক্তির তথ্য ফাঁস, ইরানকে ‘অবিশ্বস্ত’ আখ্যা দিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রানীরহাট হয়ে গাবতলী পর্যন্ত মেট্রোরেলের আদলে ট্রেন চলাচল করবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
রানীরহাট হয়ে গাবতলী পর্যন্ত মেট্রোরেলের আদলে ট্রেন চলাচল করবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স
রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইট মেরে মোটরসাইকেল চালককে হত্যাচেষ্টা, ৩ আসামি কারাগারে
ইট মেরে মোটরসাইকেল চালককে হত্যাচেষ্টা, ৩ আসামি কারাগারে

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপ মঞ্চে নতুন রহস্য: চেক প্রজাতন্ত্র যেভাবে রাতারাতি হয়ে উঠল ‘চেকিয়া’
বিশ্বকাপ মঞ্চে নতুন রহস্য: চেক প্রজাতন্ত্র যেভাবে রাতারাতি হয়ে উঠল ‘চেকিয়া’

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শান্তিচুক্তি অনুমোদন করেছেন খামেনি দাবি ট্রাম্পের, ইরান বলছে ভিন্ন কথা
শান্তিচুক্তি অনুমোদন করেছেন খামেনি দাবি ট্রাম্পের, ইরান বলছে ভিন্ন কথা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক
রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক
শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার
গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল
প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল

প্রথম পৃষ্ঠা

আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা
আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারত-বাংলাদেশ এক হলে পরিণত হবে বিশ্বশক্তিতে
ভারত-বাংলাদেশ এক হলে পরিণত হবে বিশ্বশক্তিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম
চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম

পেছনের পৃষ্ঠা

এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র
এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র

পেছনের পৃষ্ঠা

শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড
শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না
ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন
বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন

নগর জীবন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার

নগর জীবন

সুপারিতে কোটি টাকা আয়
সুপারিতে কোটি টাকা আয়

শনিবারের সকাল

করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ
করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ

দেশগ্রাম

এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ
এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ

পেছনের পৃষ্ঠা

র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার
র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা
আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা

নগর জীবন

তরুণদের অগ্রাধিকার বাজেট
তরুণদের অগ্রাধিকার বাজেট

প্রথম পৃষ্ঠা

ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা
ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা

দেশগ্রাম

এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি

সম্পাদকীয়

যত অভিযোগ আম ক্রেতা-বিক্রেতাদের
যত অভিযোগ আম ক্রেতা-বিক্রেতাদের

দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা
বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু
সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু

দেশগ্রাম

অস্তিত্বসংকটে কুষ্টিয়ার নদনদী
অস্তিত্বসংকটে কুষ্টিয়ার নদনদী

পেছনের পৃষ্ঠা

তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা

জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন
জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের
প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের

নগর জীবন

পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর
পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর

দেশগ্রাম