শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

পুলিশের আচরণ ও জনগণের আস্থা

অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান
প্রিন্ট ভার্সন
পুলিশের আচরণ ও জনগণের আস্থা

একটি রাষ্ট্র শুধু আইন, সংবিধান ও কতিপয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চলতে পারে না। তাকে সহজে চলতে ও সম্মানের সঙ্গে টিকে থাকতে হলে জনগণের আস্থাভাজন হতে হয়। এই যে আস্থার কথা আমি বললাম, এর সবচেয়ে দৃশ্যমান জায়গাগুলোর অন্যতমটি হলো পুলিশ প্রশাসন। দৈনন্দিন জীবনে দেশের সাধারণ মানুষ আইন-আদালত, সংসদ বা সচিবালয়ের সঙ্গে প্রতিদিন সরাসরি যোগাযোগ করে না; কিন্তু মানুষকে তার কাছের থানা, রাস্তার ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে প্রতিদিন সম্পর্কিত হতে হয়।  মামলা, জিডি বা অন্য কোনো সংকট-হেতু তাকে থানা-পুলিশের শরণাপন্ন হতে হয়। সুতরাং পুলিশের আচরণ কেবল একটি বাহিনীর আচরণ হিসেবে দেখলে হবে না। তাকে রাষ্ট্রের বৃহত্তর প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে হবে। দেখতে হবে রাষ্ট্রের মুখ হিসেবে। পুলিশ হলো সরকারের ভাবমূর্তির এক সহজ পরীক্ষা। আইনের শাসন বলবৎ আছে কি না, পুলিশ তার স্মারক। এ কারণে প্রধানমন্ত্রী ১০ মে ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত পুলিশ সপ্তাহ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুলিশ সদস্যদের দলীয় আনুগত্য নয় বরং আইন অনুযায়ী পেশাদারের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন। ‘আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশকে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ- বিশেষত, যখন পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থায় ঘাটতি ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে মানুষের উদ্বেগ রয়েছে। আলোচ্য নিবন্ধে আমি পুলিশ প্রশাসনের প্রয়োজন ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্রে পুলিশের ভূমিকা কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়ে আলোচনা করব। পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনের পুলিশের কর্তৃত্ব, ক্ষমতা ও মানসিকতার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট দিয়ে তুলনা করব।

আলোচনার প্রথমেই যে কথাটা বলতে হয় তা হলো- বাংলাদেশে পুলিশের প্রতি মানুষের রয়েছে জটিল এক অনুভূতি। বিপদে পড়লে মানুষকে পুলিশের কাছে যেতে হয়, অন্যদিকে এই বাহিনীকে দেখলে মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। পুলিশকে ঘিরে মানুষের রয়েছে একটি অনাস্থার জায়গা। রয়েছে তাদের ওপর চাপা ক্ষোভ ও অপ্রকাশিত অসম্মান। রয়েছে সংকোচ ও অনাস্থা। এর পেছনে রয়েছে মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, আশঙ্কা ও অসহায়ত্ব বোধ। অতএব রাষ্ট্রকে যদি গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমূলক হতে হয়, তবে প্রথমেই পুলিশকে এই ভয়ের সংস্কৃতি থেকে মানুষকে বের করে আনতে হবে। তাদের হতে হবে নিরাপত্তার প্রতীক। তারা যেন ভীতি বা নিরাপত্তাহীনতার কারণ না হন। তারা যেন হন হয়রানির বিপরীতে আশ্রয়ের কেন্দ্রবিন্দু। ভরসার স্থল।

আমরা যদি উপমহাদেশে পুলিশ প্রশাসনের ইতিহাস পর্যালোচনা করি, তাহলে দেখব, ঔপনিবেশিক শাসনের প্রয়োজন থেকে এটি গড়ে উঠেছিল। তারা জনগণের সেবা নিশ্চিতকরণের জন্য পুলিশ প্রশাসন গড়ে তোলেননি। তুলেছিলেন ঔপনিবেশিক শোষণ টিকিয়ে রাখার হাতিয়ার হিসেবে। ফলে পুলিশের ঐতিহাসিক ভূমিকায় প্রয়োজনীয় চরিত্র হিসেবে স্থান পেয়েছিল নিয়ন্ত্রণ, চৌকিদারিত্ব ও শৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি। কিন্তু এখন আমরা একটি স্বাধীন দেশ। ব্রিটিশও নেই, পাকিস্তানও নেই। স্বাধীন দেশের পুলিশের ভূমিকা হতে হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন। তারা রক্ষা করবে জনগণের অধিকার। অপরাধ প্রতিরোধ করবে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে ও সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করবে। সত্যি কথা বলতে কি, সমস্যাটা বেধেছে এখানেই। পুলিশ রয়ে গেছে সেই সনাতনী ঐতিহাসিক ব্রিটিশ মানসিকতার মধ্যে। ব্রিটিশদের নিপীড়নমূলক মানসিকতা, ক্ষমতাসীনদের হাতিয়ার হয়ে ওঠার প্রবৃত্তি, দুর্বল জবাবদিহি ও অস্বচ্ছ প্রশাসনিক সংস্কৃতি পুলিশ একটি অজনপ্রিয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ফলে তাকে জনবান্ধব করে গড়ে তোলা একটি বৃহৎ চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে।

আমাদের সমাজে পুলিশের প্রয়োজন সীমাহীন। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন, তদন্ত পরিচালনা, সড়কের নিরাপত্তা বিধান, দুর্যোগের সময় সহায়তা প্রদান, সমাবেশে শান্তি বজায় রাখা, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, সাইবার জগতের অপরাধ প্রতিরোধসহ নানাবিধ কাজে পুলিশের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। যদি পুলিশ না থাকে তবে সাধারণ মানুষ আরও দুর্বল হয়ে পড়বে, অসামাজিক ব্যক্তিবর্গ আরও বেপরোয়া ও অনিয়ন্ত্রিত হবে, রাষ্ট্রের আইনকানুন কাগজেকলমে সীমিত হয়ে পড়বে। প্রশ্ন হলো, এই আবশ্যক প্রতিষ্ঠানটির কাছে কেমন আচরণ প্রত্যাশিত? তারা জনগণের সঙ্গে কোন ভাষায় কথা বলবে? কোথায় অবস্থান করবে? ক্ষমতার কেন্দ্রে নাকি সেবার মানদণ্ডে?

একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্রে পুলিশের প্রধান পরিচয় হবে, সে জনগণের সেবক। যে আইন প্রয়োগের ক্ষমতা পুলিশের রয়েছে, সেটার নৈতিক ভিত্তি হবে জনগণের অধিকার রক্ষা। দরিদ্র কৃষক, রিকশাচালক, শ্রমিক, শিক্ষার্থী, নারী, সংখ্যালঘু, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, সাধারণ অভিযোগকারী সবার সঙ্গে পুলিশের আচরণ হবে সমান মর্যাদাপূর্ণ। দল-মত, শ্রেণি-পেশা, ধনী-দরিদ্র তথা সামাজিক স্তরবিন্যাস অনুযায়ী যদি পুলিশের আচরণ বদলে যেতে থাকে, তাহলে রাষ্ট্রের ন্যায় বিচারব্যবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়বে। আইনের চোখে সবাই সমান-এটা শুধু আপ্তবাক্য হয়ে থাকলে চলবে না। একে আচরণে প্রতিফলিত হতে হবে। কথায় কাজে তদন্তে সেটা প্রমাণিত হতে হবে।

আমাদের মতো দেশে সরকারকে মানুষ চেনে তার পুলিশ প্রশাসন দিয়ে। সরকারের প্রতি আস্থাটা আসে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অর্থাৎ পুলিশ জনগণের সঙ্গে কেমন আচরণ করছে তার ওপর ভিত্তি করে। সরকার যতই উন্নয়ন করুক, অবকাঠামো গড়ে তুলুক, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ করুক, তাতে কাজ হবে না। মানুষ যদি পুলিশ হেফাজতে গিয়ে অপমানিত হয়, অভিযোগ করতে গিয়ে হয়রানিতে পড়ে, মামলায় টাকা লাগবে, এটা শোনে তা হলে সবকিছু বিফলে চলে যাবে। তারা যদি দেখে শক্ত রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়া বিচার নিশ্চিত হচ্ছে না, সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট হতে থাকবে। মানুষ তখন আর রাষ্ট্রকে নিজের মনে করবে না। এ কারণে প্রধানমন্ত্রী পুলিশ সপ্তাহে জনগণের সঙ্গে পুলিশকে ভালো আচরণের নির্দেশনা দিয়েছেন।

তাঁর বক্তব্যের সূত্র ধরে আমি সতর্ক করতে চাই এই মর্মে, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানই যথেষ্ট নয়। তাঁর এই আহ্বানের পাশাপাশি কার্যকর উদ্যোগও প্রয়োজন। পুলিশের আচরণ পরিবর্তন ও জবাবদিহির মানসিকতা সৃষ্টি করতে সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। সেই সঙ্গে প্রয়োজন প্রশাসনিক সংস্কার। বিশেষত মানবাধিকার রক্ষা, যোগাযোগ দক্ষতা, সংঘাত ব্যবস্থাপনা, নারী ও শিশুবান্ধব আচরণ, সাইবার অপরাধ মোকাবিলা, কমিউনিটি পুলিশিং ও নৈতিকতা বিষয়ে উন্নত একটি ব্যবস্থাপনা মডেল হতে চাইলে আমাদের শিখতে হবে। বিভিন্ন দেশের পুলিশিং ব্যবস্থা নিয়ে অনলাইনে সার্চ করলে দেখা যাবে আমাদের শেখার যথেষ্ট সুযোগ আছে। যেমন-জাপানের পাড়াভিত্তিক সহায়ক পুলিশিং, যুক্তরাজ্যের নৈতিক পুলিশিং, নরওয়ের সংযত পুলিশি ব্যবস্থা, ফিনল্যান্ডের আস্থাভিত্তিক পুলিশি ব্যবস্থা বর্তমান-বিশ্বে সুনাম কুড়িয়েছে। আমরা যদি একজন পুলিশকে এ কথা বোঝাতে সক্ষম হই যে, কঠোর হওয়া ও অমানবিক হওয়া দুটি ভিন্ন বিষয়, তাহলে তিনি আইন প্রয়োগে দৃঢ় হবেন। পাশাপাশি তিনি ভাষায় থাকবেন শালীন, আচরণে হবেন সংযমী এবং সিদ্ধান্তে থাকবেন অটল। আমাদের দরকার এমনই একটি ব্যবস্থা। প্রশিক্ষণ, প্রেষণা, চর্চা, মনিটরিং ও প্রতিফলন-এসবের সমন্বিত ব্যবস্থাপনা আমাদের একটি উন্নত, অধিকতর মানবিক ও ন্যায়মূলক পুলিশ প্রশাসন দিতে পারে বলে আমি মনে করি।

আমরা যদি পুলিশকে আস্থার জায়গায় নিয়ে যেতে চাই তাহলে প্রথমেই যে কাজটি করতে হবে তা হলো থানাগুলো জনবান্ধব করা। কোনো মানুষ অভিযোগ করতে গিয়ে যেন সন্দেহভাজন ও বিরক্তিকর ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত না হয়। থানায় জিডি গ্রহণ, মামলা রুজু, অভিযোগ দাখিল ও তদন্ত পরিচালনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি আইনি প্রক্রিয়াকে সাধারণের মধ্যে বোধগম্য করে তুলতে হবে। ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে, যাতে মানুষ তার অভিযোগসংক্রান্ত তথ্য নিজের মোবাইলে জেনে নিতে পারে। তা ছাড়া পুলিশের বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থাকে তবে তদন্তের ক্ষেত্রে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। মনে রাখতে হবে, ক্ষমতার প্রয়োগ যেন জবাবদিহির ঊর্ধ্বে চলে না যায়। কারণ সেটা হলে জনবিচ্ছিন্নতা তৈরি হয় ও পরিণামে তার ফল খারাপ হয়।   

আর একটা কথা, পুলিশের কাছ থেকে সেবা চাওয়ার আগে তাকে সুন্দর কর্মপরিবেশ দিতে হবে ও তাদের লজিস্টিক সাপোর্ট দিতে হবে। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, দীর্ঘক্ষণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ, বিশ্রাম নিতে না পারা, রাজনৈতিক হুমকি-ধমকি পুলিশকে অহেতুক উগ্র করে তোলে। আমরা যদি জনবান্ধব পুলিশ প্রশাসন চাই তাহলে আমাদের তাদের কর্মপরিবেশ উন্নত করতে হবে। তাদের মানসম্মত প্রশিক্ষণ দিতে হবে, তাদের পেশার মর্যাদা দিতে হবে। ভালো জায়গায় বদলির কথা তারা বলা বন্ধ করবে যদি তাদের কর্মপরিবেশ সমতাপূর্ণ করে তোলা যায়।  আমাদের মতো সীমিত রিসোর্সের দেশে এটা কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয় যদি রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকে। মনে রাখতে হবে, আমরা যদি তাদের প্রশিক্ষিত ও সুরক্ষিত না রাখি, তবে সংবেদনশীল পুলিশ প্রশাসন আশা করতে পারি না। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। এটা পুলিশের দায়িত্ব। সুতরাং খেয়াল রাখতে হবে দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশ যেন চাপমুক্ত থাকে।

♦ লেখক : উপাচার্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া

এই বিভাগের আরও খবর
ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমর (রা.)
ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমর (রা.)
লোডশেডিং
লোডশেডিং
সংকট চারদিকে
সংকট চারদিকে
চিকিৎসা ব্যয়ে নিঃস্ব হাজারো মানুষ
চিকিৎসা ব্যয়ে নিঃস্ব হাজারো মানুষ
ত্যাগের উত্তরাধিকার, মেধার রাজনীতি
ত্যাগের উত্তরাধিকার, মেধার রাজনীতি
শব্দের চেয়ে কাজে ফিরুক বাংলাদেশ
শব্দের চেয়ে কাজে ফিরুক বাংলাদেশ
ফের পদ্মায় বাস
ফের পদ্মায় বাস
সীমান্তে পুশইন
সীমান্তে পুশইন
আত্মীয়দের অধিকার প্রদানে ইসলামের নির্দেশনা
আত্মীয়দের অধিকার প্রদানে ইসলামের নির্দেশনা
নিঃসঙ্গ পিতা-মাতা এবং বৃদ্ধাশ্রম
নিঃসঙ্গ পিতা-মাতা এবং বৃদ্ধাশ্রম
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
খালি হচ্ছে মায়ের কোল
খালি হচ্ছে মায়ের কোল
সর্বশেষ খবর
মাইজদী পৌর বাজারে ভেজাল চিংড়ি জব্দ, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা
মাইজদী পৌর বাজারে ভেজাল চিংড়ি জব্দ, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে বিএনপি-ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ২৬
নোয়াখালীতে বিএনপি-ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ২৬

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তালতলীতে বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু
তালতলীতে বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্চ-এপ্রিলে দেশে ৬০৫ খুন
মার্চ-এপ্রিলে দেশে ৬০৫ খুন

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যাত্রাবাড়ীতে বিশেষ পুলিশি অভিযানে ১৪ জন গ্রেফতার
যাত্রাবাড়ীতে বিশেষ পুলিশি অভিযানে ১৪ জন গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা, ইসরায়েলে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালো ইরান
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা, ইসরায়েলে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালো ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টিনা দল যেন ‘ছোটখাটো হাসপাতাল’
আর্জেন্টিনা দল যেন ‘ছোটখাটো হাসপাতাল’

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বৈশ্বিক সংকটের ধাক্কা খাতুনগঞ্জে
বৈশ্বিক সংকটের ধাক্কা খাতুনগঞ্জে

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পেনাল্টি, লাল কার্ড আর উত্তেজনার ম্যাচে মালদ্বীপের সঙ্গে ড্র বাংলাদেশের
পেনাল্টি, লাল কার্ড আর উত্তেজনার ম্যাচে মালদ্বীপের সঙ্গে ড্র বাংলাদেশের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসলামের দৃষ্টিতে হিংসার আগুন ও বিদ্বেষের ব্যাধি
ইসলামের দৃষ্টিতে হিংসার আগুন ও বিদ্বেষের ব্যাধি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

প্রশ্নের জবাবে তীব্র প্রতিক্রিয়া, সাক্ষাৎকার শেষ না করেই বেরিয়ে গেলেন ট্রাম্প
প্রশ্নের জবাবে তীব্র প্রতিক্রিয়া, সাক্ষাৎকার শেষ না করেই বেরিয়ে গেলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গৌতম আদানি আবারও এশিয়ার শীর্ষ ধনী
গৌতম আদানি আবারও এশিয়ার শীর্ষ ধনী

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবারও ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতি, ভয়ংকর চাপে মানুষ
আবারও ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতি, ভয়ংকর চাপে মানুষ

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সাপ আতঙ্কে সতর্ক সুইজারল্যান্ড, প্রস্তুতি ম্যাচের আগে বাড়তি নিরাপত্তা
সাপ আতঙ্কে সতর্ক সুইজারল্যান্ড, প্রস্তুতি ম্যাচের আগে বাড়তি নিরাপত্তা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসপাতাল নিজেই এখন আইসিইউতে : সংসদে সানসিলা জেবরিন
হাসপাতাল নিজেই এখন আইসিইউতে : সংসদে সানসিলা জেবরিন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রামুতে ছেলের গুলিতে আহত বাবার মৃত্যু, পলাতক অভিযুক্ত
রামুতে ছেলের গুলিতে আহত বাবার মৃত্যু, পলাতক অভিযুক্ত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর সঙ্গে অভিমানের জেরে যুবকের আত্মহত্যা
স্ত্রীর সঙ্গে অভিমানের জেরে যুবকের আত্মহত্যা

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্প অনুভূত
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্প অনুভূত

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় সংসদে বিশেষ কমিটির ১২ সুপারিশ
জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় সংসদে বিশেষ কমিটির ১২ সুপারিশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে আবারও যুদ্ধে নামবে ইরান
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে আবারও যুদ্ধে নামবে ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীর মগবাজারে বাসচাপায় ওষুধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু
রাজধানীর মগবাজারে বাসচাপায় ওষুধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে সাড়ে ৭ হাজারের বেশি প্রবাসী গ্রেফতার
সৌদিতে সাড়ে ৭ হাজারের বেশি প্রবাসী গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হবিগঞ্জে বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু
হবিগঞ্জে বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে সড়ক-ফুটপাত থেকে দেড় শতাধিক দোকান উচ্ছেদ
চট্টগ্রামে সড়ক-ফুটপাত থেকে দেড় শতাধিক দোকান উচ্ছেদ

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

উচ্চশিক্ষাকে দক্ষতানির্ভর ও কর্মমুখী করতে নতুন শিক্ষাকাঠামোর উদ্যোগ
উচ্চশিক্ষাকে দক্ষতানির্ভর ও কর্মমুখী করতে নতুন শিক্ষাকাঠামোর উদ্যোগ

৭ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

কালীগঞ্জে চালকের বেশে ছিনতাই, মালামালসহ গ্রেফতার ২
কালীগঞ্জে চালকের বেশে ছিনতাই, মালামালসহ গ্রেফতার ২

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নগরজুড়ে ১০ লাখ গাছ রোপণের ঘোষণা চসিক মেয়রের
নগরজুড়ে ১০ লাখ গাছ রোপণের ঘোষণা চসিক মেয়রের

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

অনিবন্ধিত সাংবাদিকরাই সোস্যাল মিডিয়ায় মিসইনফরমেশন উপস্থাপন করেন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
অনিবন্ধিত সাংবাদিকরাই সোস্যাল মিডিয়ায় মিসইনফরমেশন উপস্থাপন করেন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল: ৩৭ জনের নামে মামলা, গ্রেফতার ৩
সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল: ৩৭ জনের নামে মামলা, গ্রেফতার ৩

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বানারীপাড়ার সাবেক পৌর চেয়ারম্যান মঞ্জু মোল্লা কারাগারে
বানারীপাড়ার সাবেক পৌর চেয়ারম্যান মঞ্জু মোল্লা কারাগারে

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল-স্বপ্নার ফাঁসির রায়
রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল-স্বপ্নার ফাঁসির রায়

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকার ছেলে রবিন খুদার ভারতে বিপুল বিনিয়োগ
ঢাকার ছেলে রবিন খুদার ভারতে বিপুল বিনিয়োগ

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

অবশেষে ‘তাকেই’ বিয়ে করলেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য পিটার
অবশেষে ‘তাকেই’ বিয়ে করলেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য পিটার

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ র‍্যাংকিং: কোন দলগুলো নকআউটে যাওয়ার দৌড়ে ফেভারিট?
২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ র‍্যাংকিং: কোন দলগুলো নকআউটে যাওয়ার দৌড়ে ফেভারিট?

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফাঁসির রায় শুনে যা বললেন রামিসার বাবা
ফাঁসির রায় শুনে যা বললেন রামিসার বাবা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘমেয়াদি গৃহঋণে নতুন উদ্যোগ, ফ্ল্যাট কেনা সহজ হবে মধ্যবিত্তদের
দীর্ঘমেয়াদি গৃহঋণে নতুন উদ্যোগ, ফ্ল্যাট কেনা সহজ হবে মধ্যবিত্তদের

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্প-মোজতবা বৈঠকের সম্ভাবনা নাকচ, যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের
ট্রাম্প-মোজতবা বৈঠকের সম্ভাবনা নাকচ, যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মরুভূমিতে বালির পাহাড়, তবুও কেন বাইরে থেকে কিনছে সৌদি
মরুভূমিতে বালির পাহাড়, তবুও কেন বাইরে থেকে কিনছে সৌদি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্প অনুভূত
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্প অনুভূত

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংসদে তোফায়েলসহ ১৬ সাবেক এমপি-মন্ত্রীর মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব
সংসদে তোফায়েলসহ ১৬ সাবেক এমপি-মন্ত্রীর মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রামিসা হত্যার রায় তিন মাসের মধ্যে কার্যকর সম্ভব : আইনমন্ত্রী
রামিসা হত্যার রায় তিন মাসের মধ্যে কার্যকর সম্ভব : আইনমন্ত্রী

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রামিসা হত্যা: কিভাবে হবে রায় কার্যকর
রামিসা হত্যা: কিভাবে হবে রায় কার্যকর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সোহেলকে ৫ লাখ, স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা, পাবেন রামিসার ওয়ারিশরা
সোহেলকে ৫ লাখ, স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা, পাবেন রামিসার ওয়ারিশরা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিসিবি সভাপতি তামিম, সহ-সভাপতি ফাহিম সিনহা
বিসিবি সভাপতি তামিম, সহ-সভাপতি ফাহিম সিনহা

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলই হবে ২০২৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় 'ফ্লপ'
ব্রাজিলই হবে ২০২৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় 'ফ্লপ'

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নয়! ফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বেছে নিলেন মামদানি
ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নয়! ফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বেছে নিলেন মামদানি

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মতিঝিলে দিনে-দুপুরে ব্যাংকের সামনে গুলি, ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই
মতিঝিলে দিনে-দুপুরে ব্যাংকের সামনে গুলি, ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিয়ের সাজে অপু বিশ্বাস, ফেসবুক পোস্ট ঘিরে আলোচনা
বিয়ের সাজে অপু বিশ্বাস, ফেসবুক পোস্ট ঘিরে আলোচনা

১৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ : সোহেল-স্বপ্নাকে আদালতে আনা হয়েছে
রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ : সোহেল-স্বপ্নাকে আদালতে আনা হয়েছে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার
সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংস্কারে প্যাঁচ কষে প্রবাসে আলী রীয়াজ
সংস্কারে প্যাঁচ কষে প্রবাসে আলী রীয়াজ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বন্ধুর ছদ্মবেশে গুপ্তচর, যুক্তরাষ্ট্রের ইসরায়েল নিয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
বন্ধুর ছদ্মবেশে গুপ্তচর, যুক্তরাষ্ট্রের ইসরায়েল নিয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রামিসা হত্যা মামলায় ন্যায়বিচার পেয়েছি: আসামিপক্ষের আইনজীবী
রামিসা হত্যা মামলায় ন্যায়বিচার পেয়েছি: আসামিপক্ষের আইনজীবী

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজ সংসদ খুব কালারফুল দেখাচ্ছে: স্পিকার
আজ সংসদ খুব কালারফুল দেখাচ্ছে: স্পিকার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রামিসা হত্যা মামলার রায়ের প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রামিসা হত্যা মামলার রায়ের প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে দারুণ ছন্দে জার্মানি-পর্তুগাল-বেলজিয়াম
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে দারুণ ছন্দে জার্মানি-পর্তুগাল-বেলজিয়াম

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আজ থেকে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
আজ থেকে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চুক্তি না হলে ‘অন্য পথ’, ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
চুক্তি না হলে ‘অন্য পথ’, ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিসরকে ২-১ গোলে হারাল ব্রাজিল
বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিসরকে ২-১ গোলে হারাল ব্রাজিল

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যু: কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট
আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যু: কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সেই উপদেষ্টারা কে কোথায়
সেই উপদেষ্টারা কে কোথায়

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলাপোকা পার্টি নিয়ে ভারতে তোলপাড়
তেলাপোকা পার্টি নিয়ে ভারতে তোলপাড়

পূর্ব-পশ্চিম

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এরশাদের স্বপ্নের ‘পল্লী নিবাস’ এখন ভূতুড়ে বাড়ি
এরশাদের স্বপ্নের ‘পল্লী নিবাস’ এখন ভূতুড়ে বাড়ি

পেছনের পৃষ্ঠা

ঐক্যবদ্ধ পাহারা সীমান্তে
ঐক্যবদ্ধ পাহারা সীমান্তে

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পে নাখোশ ৫৭ শতাংশ মার্কিনি
ট্রাম্পে নাখোশ ৫৭ শতাংশ মার্কিনি

প্রথম পৃষ্ঠা

খানজাহান আলী দীঘির কুমির ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি
খানজাহান আলী দীঘির কুমির ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি

পেছনের পৃষ্ঠা

বুড়ো আমিরের তৃতীয় বিয়ে
বুড়ো আমিরের তৃতীয় বিয়ে

শোবিজ

২৫ ধরনের আড়াই লাখ নৌযানে ভরা নদী
২৫ ধরনের আড়াই লাখ নৌযানে ভরা নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ইংল্যান্ডের গ্রুপে ত্রিমুখী লড়াই
ইংল্যান্ডের গ্রুপে ত্রিমুখী লড়াই

মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলের সেই ২৪ বছর
ব্রাজিলের সেই ২৪ বছর

মাঠে ময়দানে

চোটে অস্বস্তিতে দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন
চোটে অস্বস্তিতে দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন

মাঠে ময়দানে

১০০ দিনে ৬০৫ খুন ১৯৬ অপহরণ
১০০ দিনে ৬০৫ খুন ১৯৬ অপহরণ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইতিহাস গড়লেন তামিম ইকবাল
ইতিহাস গড়লেন তামিম ইকবাল

মাঠে ময়দানে

শত বছর ধরে পাকুড়ে জড়িয়ে মাধবীলতা
শত বছর ধরে পাকুড়ে জড়িয়ে মাধবীলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

কোনালের মুগ্ধতা ও আফসোস
কোনালের মুগ্ধতা ও আফসোস

শোবিজ

শিল্পী সমিতির নির্বাচন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন বাপ্পারাজ
শিল্পী সমিতির নির্বাচন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন বাপ্পারাজ

শোবিজ

শুভ-মিমকে দেখার সুযোগ
শুভ-মিমকে দেখার সুযোগ

শোবিজ

৪২ বছরে ওয়ারফেজ
৪২ বছরে ওয়ারফেজ

শোবিজ

মায়ের আদর
মায়ের আদর

শোবিজ

পাহাড়ে বিদেশি জাতের আঙুর
পাহাড়ে বিদেশি জাতের আঙুর

পেছনের পৃষ্ঠা

টিভি নাটক কেন বৈচিত্র্য হারিয়েছে
টিভি নাটক কেন বৈচিত্র্য হারিয়েছে

শোবিজ

‘বিকল্প মাদক’র চাহিদা বেড়েছে কয়েক গুণ
‘বিকল্প মাদক’র চাহিদা বেড়েছে কয়েক গুণ

নগর জীবন

হারিয়ে যাওয়া তারকা
হারিয়ে যাওয়া তারকা

শোবিজ

ব্যাংকঋণের সুদে নাজেহাল টিসিবি
ব্যাংকঋণের সুদে নাজেহাল টিসিবি

পেছনের পৃষ্ঠা

অনুশীলনে নেমেছে বাংলাদেশ
অনুশীলনে নেমেছে বাংলাদেশ

মাঠে ময়দানে

মৌসুমীর ‘বিচ্ছেদ বেদনা’
মৌসুমীর ‘বিচ্ছেদ বেদনা’

শোবিজ

বাজেট বাড়ে, রাষ্ট্রের সক্ষমতা বাড়ে না
বাজেট বাড়ে, রাষ্ট্রের সক্ষমতা বাড়ে না

প্রথম পৃষ্ঠা

বাঁচলেন না দগ্ধ স্বামী, মৃত্যুশয্যায় স্ত্রী-মেয়ে
বাঁচলেন না দগ্ধ স্বামী, মৃত্যুশয্যায় স্ত্রী-মেয়ে

পেছনের পৃষ্ঠা

কুমিল্লায় ছাত্রলীগের মিছিলে পুলিশের ধাওয়া, আটক ৪৫
কুমিল্লায় ছাত্রলীগের মিছিলে পুলিশের ধাওয়া, আটক ৪৫

পেছনের পৃষ্ঠা