শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬ আপডেট: ০১:২০, বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

ফারাক্কা বাঁধ, দরকার কূটনৈতিক উদ্যোগ

আহমেদ সোহেল বাপ্পী
প্রিন্ট ভার্সন
ফারাক্কা বাঁধ, দরকার কূটনৈতিক উদ্যোগ

পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় গঙ্গার বুকে যেখানে ব্যারাজটি দাঁড়িয়ে আছে, সেই স্থানটির নাম ফারাক্কা। বাংলা ভাষায় ‘ফারাক’ শব্দের অর্থ পার্থক্য বা ব্যবধান; ‘ফারাক্কা’ শব্দের মূলেও রয়েছে পারাপারের ঘাট বা নদী পেরোনোর স্থানের ধারণা। ইতিহাসের নিষ্ঠুর  পরিহাস এই যে, যে নামের মধ্যে পারাপারের ঐতিহ্য লুকিয়ে, সেই স্থানেই আজ নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে তৈরি হয়েছে এক বিশাল বাধা। ১৯৭৫ সালের ২১ এপ্রিল ২,২৪৫ মিটার দীর্ঘ এবং ১০৯টি গেটবিশিষ্ট ফারাক্কা ব্যারাজ চালু হয়। বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে মাত্র ১৮ কিলোমিটার দূরে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের এই স্থাপনা গঙ্গার মূল প্রবাহ থেকে শুষ্ক মৌসুমে ৪০,০০০ কিউসেক (১,১৩৩ ঘনমিটার/সেকেন্ড) পানি ৩৮.৩৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ফিডার  ক্যানেলের মাধ্যমে ভাগীরথী-হুগলি নদীতে সরিয়ে দেয়।

১৯৭৬ সালের ১৬ মে। নব্বই বছরের অধিক বয়সি একজন শীর্ণকায় কিন্তু অটল মানুষ রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে লক্ষাধিক মানুষের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। মজলুম জননেতা। যাঁর রাজনৈতিক জীবন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমল থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত। শরীরে অসুস্থতা, তবু তাঁর আহ্বানে রাজশাহী থেকে কানসাট পর্যন্ত শতাধিক কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটেছিল লাখো মানুষ। লংমার্চের সমাপনী ভাষণে ভাসানী বলেছিলেন, ‘একটি নদীর নিজস্ব অধিকার আছে। তাকে সমুদ্রে মিলিত হতে না দিলে পৃথিবী মরুময় হয়ে যাবে।’ মার্চের আগে তিনি ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে লিখিত পত্রও পাঠিয়েছিলেন। এই লংমার্চ ছিল দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে ট্রান্সবাউন্ডারি নদী অধিকার নিয়ে প্রথম বৃহৎ গণ আন্দোলন। এর প্রত্যক্ষ ফলে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে জাতিসংঘের ৩১তম সাধারণ অধিবেশনে ফারাক্কা প্রশ্ন উত্থাপন করেন এবং ভারতের প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও একটি প্রস্তাব ঐকমত্যের ভিত্তিতে গৃহীত হয়।

ফারাক্কা ব্যারাজ নির্মাণের পেছনে ভারতের নিজস্ব যুক্তি বাস্তবসম্মত ছিল কি না তা আজ বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে। হুগলি নদীতে অতিরিক্ত পলি জমে যাওয়ায় বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে নদীর গভীরতা ৭-৮ মিটার থেকে ষাট দশকে ৪ মিটারেরও নিচে নেমে আসে। কলকাতা বন্দর-পূর্ব ভারতের বাণিজ্যিক মেরুদণ্ড অস্তিত্বের সংকটে পড়ে। বার্ষিক ২ কোটি টনের বেশি পণ্য পরিচালনা করা এই বন্দর এবং পশ্চিমবঙ্গের লক্ষাধিক শ্রমিকের জীবিকা রক্ষার জন্য ভারতীয় সরকার ফারাক্কায় ব্যারাজ নির্মাণকে অপরিহার্য মনে করেছিল। ১৯৬১ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয় প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর প্রশাসনের অধীনে। তবে আইনি ও নৈতিক সংকট ছিল স্পষ্ট, একটি আন্তর্জাতিক নদীতে ভাটির দেশের সম্মতি ছাড়াই একতরফা পানি প্রত্যাহারের কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল।

বাংলাদেশের ওপর ফারাক্কার প্রভাব পরিমাপ করা হয়েছে একাধিক আন্তর্জাতিক পিয়ার-রিভিউড গবেষণায়। Springer Nature-প্রকাশিত গবেষণায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজে ১৯৩৫-২০১৫ সালের দীর্ঘমেয়াদি তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখানো হয়েছে যে ফারাক্কা চালুর পর শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গার প্রবাহ বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প বিপন্ন হয়ে পড়েছে। পদ্মার শুষ্ক মৌসুমের গড় প্রবাহ ফারাক্কা-পূর্ব যুগের তুলনায় নেতিবাচকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। গোরাই নদীতে মিষ্টি পানির প্রবাহ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পাওয়ায় সুন্দরবনে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনের বাস্তুতন্ত্রকে দীর্ঘমেয়াদি বিপদে ফেলছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা ও সাতক্ষীরায় মরূকরণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়েছে, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে গেছে এবং ইলিশসহ মৎস্যসম্পদের প্রজননচক্র বিঘ্নিত হয়েছে।

বাংলাদেশ এই সমস্যা সমাধানে বহুবার দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে। ১৯৭২ সালে শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে স্বাক্ষরিত মৈত্রী চুক্তির আওতায় যৌথ নদী কমিশন (JRC) গঠিত হয়, যার লক্ষ্য ছিল ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানিসম্পদ নিয়ে যৌথভাবে কাজ করা। ১৯৭৩ সালের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ছাড়া ফারাক্কা পরিচালিত হবে না, কিন্তু ১৯৭৫ সালে একতরফাভাবে ব্যারাজ চালু হয়। ভাসানীর লংমার্চ ও আন্তর্জাতিক চাপের ফলে ১৯৭৭ সালে পাঁচ বছর মেয়াদি প্রথম গঙ্গা পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যেখানে একটি গ্যারান্টি ক্লজ ছিল, প্রবাহ নির্ধারিত মাত্রার ৮০ শতাংশের নিচে নামলে বাংলাদেশ কমপক্ষে ৮০ শতাংশ পাবে। ১৯৮২ সালে দুটি সমঝোতা স্মারক এবং ১৯৮৫ সালে আরও একটি সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৯৬ সালের চুক্তির বিধান অনুযায়ী, ফারাক্কায় প্রবাহ ৭০,০০০ কিউসেক বা তার কম হলে উভয় দেশ সমান ভাগ পাবে; প্রবাহ ৭০,০০০-৭৫,০০০ কিউসেকের মধ্যে থাকলে বাংলাদেশ পাবে ৩৫,০০০ কিউসেক; আর ১১ মার্চ থেকে ১০ মে সময়কালে প্রতিটি দেশ পর্যায়ক্রমে ৩৫,০০০ কিউসেক গ্যারান্টি পাবে। বরাদ্দ নির্ধারিত হয়েছে ১৯৪৯-১৯৮৮ সালের ঐতিহাসিক প্রবাহ গড়ের ভিত্তিতে। তবে বাস্তবে চুক্তির প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি নিয়মিতভাবে। The Diplomat-এ প্রকাশিত বিশ্লেষণে (এপ্রিল ২০২৫) উল্লেখ আছে, ১৯৯৭-২০১৬ সালের মধ্যে ৩০০টি ১০ দিনের পর্যায়ের মধ্যে ৯৪ বারই বাংলাদেশ হার্ডিঞ্জ ব্রিজে চুক্তির চেয়ে কম পানি পেয়েছে এবং ৬০টি গুরুত্বপূর্ণ শুষ্ক পর্যায়ের মধ্যে ৩৯ বারই নির্ধারিত বরাদ্দ পায়নি। ২০০৮-২০১১ সালে এই ব্যর্থতা সবচেয়ে ঘন ঘন ছিল।

ভারতের অভ্যন্তরেও ফারাক্কা নিয়ে তীব্র সমালোচনা রয়েছে। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার ২০১৬ সালের ১২ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যারাজ অপসারণের দাবি জানান এবং ২০১৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি পুনরায় এ দাবি উত্থাপন করেন। ভূগোলবিদ কল্যাণ রুদ্রের গবেষণায় দেখা গেছে, ফারাক্কার কারণে প্রায় ৩২ কোটি ৮০ লাখ টন পলি ব্যারাজের উজানে আটকে পড়ে নদীর তলদেশ উঁচু করে বিহার ও উত্তর প্রদেশে বন্যার মাত্রা তীব্র করেছে। মুর্শিদাবাদ ও মালদহ জেলায় ৩ হাজারেরও বেশি হেক্টর জমি নদী ভাঙনে বিলীন হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে। ম্যাগসেসে পুরস্কারজয়ী পরিবেশবিদ রাজেন্দ্র সিং ২০১৭ সালে পাটনায় ‘নিরন্তর গঙ্গা’ সেমিনারে বলেছিলেন, ‘ফারাক্কা বিহারের জন্য অশুভ।’ পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২০২৩ সালে ২০২৬-পরবর্তী চুক্তি নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় পরামর্শক কমিটিতে প্রতিনিধি পাঠায় এবং ২০২৪ সালের ৫ এপ্রিল শিল্প ও পানীয় জলের প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে নিজস্ব অবস্থান লিখিতভাবে জানায়। অর্থাৎ ভারতের নিজস্ব রাজ্যগুলোর মধ্যেও ফারাক্কা নিয়ে ঐকমত্য নেই, এটি বাংলাদেশের কূটনৈতিক সুযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

আন্তর্জাতিক গবেষক ও সংস্থাগুলো ফারাক্কা সমস্যাকে ট্রান্সবাউন্ডারি জল ব্যবস্থাপনার একটি জটিল নীতিনির্ধারণী কেস হিসেবে বিশ্লেষণ করছেন। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্ল্যানেটারি হেলথ গবেষকরা বলেছেন, ১৯৯৬ সালের চুক্তি কেবল আয়তনভিত্তিক বণ্টনে সীমাবদ্ধ, নদীর বাস্তুতান্ত্রিক স্বাস্থ্য, জনস্বাস্থ্য ও জলবায়ু পরিবর্তন আমলে নেওয়া হয়নি। গবেষক ফিওনা ম্যাকনাব উল্লেখ করেছেন, ১৯৪৯-১৯৮৮ সালের প্রবাহ গড়ের ওপর নির্মিত বর্তমান চুক্তি ক্রমবর্ধমান উজানের ব্যবহার ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে অকার্যকর হয়ে পড়ছে।

সমাধানের পথ কঠিন কিন্তু অস্পষ্ট নয়। প্রথমত, ২০২৬ সালের আগেই একটি নতুন জলবায়ু-সহনশীল চুক্তি তৈরি করতে হবে যেখানে প্রবাহের ঐতিহাসিক গড়ের পাশাপাশি বাস্তুতান্ত্রিক ন্যূনতম প্রবাহ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রক্ষেপণ এবং উজানের সামগ্রিক ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত থাকবে। দ্বিতীয়ত, ফারাক্কা ও হার্ডিঞ্জ ব্রিজে রিয়েলটাইম হাইড্রোলজিক্যাল তথ্য বিনিময়ের একটি স্বচ্ছ ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তৃতীয়ত, নেপালের জলবিদ্যুৎ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে একটি ত্রিদেশীয় গঙ্গা অববাহিকা ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব। চতুর্থত, ১৯৯৭ সালের জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক জলপথ কনভেনশনের ‘নো হার্ম’ নীতি ভবিষ্যৎ চুক্তিতে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করা উচিত। পঞ্চমত, যৌথ নদী কমিশনকে আরও শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও বিশেষজ্ঞ সক্ষমতা দিতে হবে।

গঙ্গার পানি বণ্টনে উজানের দেশ ভারতের সদিচ্ছার বিকল্প নেই। এজন্য দরকার কূটনৈতিক উদ্যোগ। ২০২৬ সালে ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তির সমাপ্তি একটি সংকট নয়, বরং পুরোনো কাঠামো পুনর্গঠনের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ।  বাংলাদেশকে এ মুহূর্তে কেবল অভিযোগের নয়, বিজ্ঞানভিত্তিক যুক্তি, আন্তর্জাতিক আইনের নীতিমালা ও কূটনৈতিক দৃঢ়তার ভাষায় আলোচনার টেবিলে বসতে হবে। ভারতকেও উপলব্ধি করতে হবে যে, প্রতিবেশীর ক্ষতি করে গড়া উন্নয়ন টেকসই হয় না, এ সত্য ভারতের নিজস্ব বিশেষজ্ঞ ও রাজনীতিবিদরাও স্বীকার করছেন। মওলানা ভাসানী যে পথ দেখিয়েছিলেন, সেই পথের পরিণতি হোক কূটনৈতিক সাফল্যে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পানি নিরাপত্তা এবং দুই প্রতিবেশী জাতির দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের স্বার্থে এটি এখন আর বিকল্প নয়, অপরিহার্য।

♦ লেখক : মানবাধিকারকর্মী, গবেষক ও পর্যবেক্ষক ডেমোক্রেসি (উইদাউট বর্ডার্স) প্যারিস, ফ্রান্স

এই বিভাগের আরও খবর
ইসলামে সীমান্ত রক্ষার ৭টি পুরস্কার
ইসলামে সীমান্ত রক্ষার ৭টি পুরস্কার
অস্তিত্বের সংকটে তিতাস
অস্তিত্বের সংকটে তিতাস
দেশিবিদেশি বিনিয়োগ
দেশিবিদেশি বিনিয়োগ
প্রবীণ সুরক্ষার নতুন চ্যালেঞ্জ
প্রবীণ সুরক্ষার নতুন চ্যালেঞ্জ
সারা বছর আয়কর রিটার্ন : সুযোগ যেন সংকটে পরিণত না হয়
সারা বছর আয়কর রিটার্ন : সুযোগ যেন সংকটে পরিণত না হয়
শিক্ষাক্রম প্রণয়নে দোলাচল : উত্তরণের উপায়
শিক্ষাক্রম প্রণয়নে দোলাচল : উত্তরণের উপায়
সীমারেখার রাজনীতি
সীমারেখার রাজনীতি
শিল্পে ছাঁটাই আতঙ্ক
শিল্পে ছাঁটাই আতঙ্ক
বাজেট বাস্তবায়ন
বাজেট বাস্তবায়ন
হজপরবর্তী জীবন
হজপরবর্তী জীবন
বাজেটে স্থিতিশীলতার প্রতিশ্রুতি, প্রকৃতিনির্ভর রূপান্তরের ঘাটতি
বাজেটে স্থিতিশীলতার প্রতিশ্রুতি, প্রকৃতিনির্ভর রূপান্তরের ঘাটতি
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
সর্বশেষ খবর
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পণ্য উৎপাদন, ফেনীতে এক বেকারিকে জরিমানা
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পণ্য উৎপাদন, ফেনীতে এক বেকারিকে জরিমানা

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আমূলে বদলে গেলেন এমবাপ্পে!
আমূলে বদলে গেলেন এমবাপ্পে!

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ৪ মাংস বিক্রেতাকে জরিমানা
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ৪ মাংস বিক্রেতাকে জরিমানা

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নাঙ্গলকোট প্রেস ক্লাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপিত
নাঙ্গলকোট প্রেস ক্লাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপিত

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৯০ শতাংশ আয় হারিয়ে ট্রাম্পের নীতিকে দুষলেন এমিজয়ী অভিনেত্রী
৯০ শতাংশ আয় হারিয়ে ট্রাম্পের নীতিকে দুষলেন এমিজয়ী অভিনেত্রী

৫৮ মিনিট আগে | শোবিজ

সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় এআইভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ চসিকের
সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় এআইভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ চসিকের

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিবাহ নিবন্ধনে ডিজিটাল জন্মসনদ বাধ্যতামূলক করা হবে
বিবাহ নিবন্ধনে ডিজিটাল জন্মসনদ বাধ্যতামূলক করা হবে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সম্পত্তির জন্য 'হানি ট্র্যাপে' ফেলে বাবাকে হত্যা দুই ছেলের
সম্পত্তির জন্য 'হানি ট্র্যাপে' ফেলে বাবাকে হত্যা দুই ছেলের

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দিনাজপুরে ১১৪ জনকে ক্রীড়া ভাতা ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ
দিনাজপুরে ১১৪ জনকে ক্রীড়া ভাতা ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ঝিনাইদহে এক ব্যক্তির আত্মহত্যার অভিযোগ
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ঝিনাইদহে এক ব্যক্তির আত্মহত্যার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স
৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা
গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কসবায় ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার
কসবায় ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাট সীমান্তে ভারতীয় বৃদ্ধকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির প্রতিরোধে ব্যর্থ বিএসএফ
জয়পুরহাট সীমান্তে ভারতীয় বৃদ্ধকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির প্রতিরোধে ব্যর্থ বিএসএফ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে বাণিজ্য ও জলবায়ু কার্যক্রমে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতার অঙ্গীকার
বাংলাদেশে বাণিজ্য ও জলবায়ু কার্যক্রমে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতার অঙ্গীকার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, মঙ্গলবার যুক্তিতর্ক
বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, মঙ্গলবার যুক্তিতর্ক

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে: মির্জা ফখরুল
স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে: মির্জা ফখরুল

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

রাজধানীতে নাচ-গান-আবৃত্তিতে বর্ষাবরণ
রাজধানীতে নাচ-গান-আবৃত্তিতে বর্ষাবরণ

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী
মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসির মুখোমুখি হতে চান কুবার্সি
বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসির মুখোমুখি হতে চান কুবার্সি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীকে বাসযোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত শহর গড়ার প্রত্যয়
রাজশাহীকে বাসযোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত শহর গড়ার প্রত্যয়

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উত্ত্যক্তকারী ইমন ইয়াবাসহ আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উত্ত্যক্তকারী ইমন ইয়াবাসহ আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উদ্ধার হওয়া ২৪টি মোবাইল ও ৩৮ হাজার টাকা মালিকদের ফেরত দিল পুলিশ
উদ্ধার হওয়া ২৪টি মোবাইল ও ৩৮ হাজার টাকা মালিকদের ফেরত দিল পুলিশ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল বাস
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল বাস

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ
শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছাত্রনেতা খোকনের গুম থেকে ফিরে আসা নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী
ছাত্রনেতা খোকনের গুম থেকে ফিরে আসা নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ব্রাজিলের বিপক্ষে গোল করে ভাগ্য খুলল মরক্কোর স্ট্রাইকারের
ব্রাজিলের বিপক্ষে গোল করে ভাগ্য খুলল মরক্কোর স্ট্রাইকারের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চলতি অর্থবছরের ৫৬ হাজার কোটি টাকার সম্পূরক বাজেট পাস
চলতি অর্থবছরের ৫৬ হাজার কোটি টাকার সম্পূরক বাজেট পাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুন্সীগঞ্জে যুবককে হত্যার ঘটনায় মামলা
মুন্সীগঞ্জে যুবককে হত্যার ঘটনায় মামলা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের ‘পারমাণবিক অস্ত্রের’ সামনে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না : ট্রাম্প
ইরানের ‘পারমাণবিক অস্ত্রের’ সামনে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না : ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ফাইনালে গিয়ে ইয়ামালকে বোঝাতে চাই, তার মরক্কোর হয়ে খেলা উচিত ছিল’
‘ফাইনালে গিয়ে ইয়ামালকে বোঝাতে চাই, তার মরক্কোর হয়ে খেলা উচিত ছিল’

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে: ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে: ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি খোলাসহ যা যা থাকছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে
হরমুজ প্রণালি খোলাসহ যা যা থাকছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জান্নাতের টিকিট বিলিয়ে কেমনে ধর্ষণ করলা, আস্তাগফিরুল্লাহ : সংসদে শামীম কায়সার
জান্নাতের টিকিট বিলিয়ে কেমনে ধর্ষণ করলা, আস্তাগফিরুল্লাহ : সংসদে শামীম কায়সার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ
১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ বিতাড়নের আহ্বান সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর
নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ বিতাড়নের আহ্বান সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, অস্বস্তিতে ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, অস্বস্তিতে ইসরায়েল

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের
ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৯ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, স্মৃতিতে মেসির জাদু
১৯ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, স্মৃতিতে মেসির জাদু

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেষ মুহূর্তের গোলে ডাচদের রুখে দিল জাপান
শেষ মুহূর্তের গোলে ডাচদের রুখে দিল জাপান

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জেনেভায় হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সই, আয়োজক পাকিস্তান: শেহবাজ
জেনেভায় হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সই, আয়োজক পাকিস্তান: শেহবাজ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেই আগুনে পুড়ল সাম্রাজ্য
সেই আগুনে পুড়ল সাম্রাজ্য

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক
এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেনজীরের যত অপরাধ
বেনজীরের যত অপরাধ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার প্রভাবে কমল তেলের দাম, তিন মাসে সর্বনিম্নে
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার প্রভাবে কমল তেলের দাম, তিন মাসে সর্বনিম্নে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লিতে জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দিল্লিতে জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বকালের সবচেয়ে ‘সমালোচিত’ বিশ্বকাপের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব?
সর্বকালের সবচেয়ে ‘সমালোচিত’ বিশ্বকাপের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব?

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ জিতবে কে, চারটি ভিন্ন এআই চ্যাটবটের গণনায় একই দেশের নাম
বিশ্বকাপ জিতবে কে, চারটি ভিন্ন এআই চ্যাটবটের গণনায় একই দেশের নাম

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্ত্রী মরার পর জীবন বদলেছে, সন্তানরা খোঁজ নেয় না, এই ঝুপড়িই আমার ঠিকানা’
‘স্ত্রী মরার পর জীবন বদলেছে, সন্তানরা খোঁজ নেয় না, এই ঝুপড়িই আমার ঠিকানা’

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে আজ রাত থেকেই: ইরান
স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে আজ রাত থেকেই: ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রাজিলের গণমাধ‍্যমে আনচেলত্তির তীব্র সমালোচনা
ব্রাজিলের গণমাধ‍্যমে আনচেলত্তির তীব্র সমালোচনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুরাসাওকে ৭–১ গোলে উড়িয়ে ব্রাজিল ম্যাচের স্মৃতি ফেরাল জার্মানি
কুরাসাওকে ৭–১ গোলে উড়িয়ে ব্রাজিল ম্যাচের স্মৃতি ফেরাল জার্মানি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলকে টপকে বিশ্বকাপে গোলের শীর্ষে জার্মানি
ব্রাজিলকে টপকে বিশ্বকাপে গোলের শীর্ষে জার্মানি

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৯ উইকেটে স্বপ্নময় কাউন্টি অভিষেক হাসান মাহমুদের
৯ উইকেটে স্বপ্নময় কাউন্টি অভিষেক হাসান মাহমুদের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২৭ জুলাই পুনরায় চালু হচ্ছে বিমানের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট
২৭ জুলাই পুনরায় চালু হচ্ছে বিমানের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট

১০ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

আগামী ৫ দিন ভারি বর্ষণ হতে পারে যেসব অঞ্চলে
আগামী ৫ দিন ভারি বর্ষণ হতে পারে যেসব অঞ্চলে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘উড়ে যাওয়া পাখি কোনো দাগ রাখে না’:  জাপানিদের স্টেডিয়াম পরিষ্কার করার গোপন রহস্য
‘উড়ে যাওয়া পাখি কোনো দাগ রাখে না’: জাপানিদের স্টেডিয়াম পরিষ্কার করার গোপন রহস্য

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাজ্যে বিক্ষোভের মুখে হাসনাত-সাদিক
যুক্তরাজ্যে বিক্ষোভের মুখে হাসনাত-সাদিক

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সর্বশেষ শিকার ক্রিকেটার নাঈম
সর্বশেষ শিকার ক্রিকেটার নাঈম

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

খুনের উপত্যকা রাউজান
খুনের উপত্যকা রাউজান

পেছনের পৃষ্ঠা

এবারও কি মরক্কো রূপকথা
এবারও কি মরক্কো রূপকথা

মাঠে ময়দানে

মাদক চোরাচালানে ব্যবহার হচ্ছে শিশু
মাদক চোরাচালানে ব্যবহার হচ্ছে শিশু

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধবিরতি চুক্তি যেকোনো সময়
যুদ্ধবিরতি চুক্তি যেকোনো সময়

প্রথম পৃষ্ঠা

দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন সোহেল-স্বপ্না
দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন সোহেল-স্বপ্না

প্রথম পৃষ্ঠা

দুবাইয়ে গ্রেপ্তার বেনজীর
দুবাইয়ে গ্রেপ্তার বেনজীর

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষাক্রম প্রণয়নে দোলাচল : উত্তরণের উপায়
শিক্ষাক্রম প্রণয়নে দোলাচল : উত্তরণের উপায়

সম্পাদকীয়

ইসলামে সীমান্ত রক্ষার ৭টি পুরস্কার
ইসলামে সীমান্ত রক্ষার ৭টি পুরস্কার

সম্পাদকীয়

বাংলাদেশে বাড়তি বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে পারছে না নেপাল
বাংলাদেশে বাড়তি বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে পারছে না নেপাল

পেছনের পৃষ্ঠা

বেনজীরের যত অপরাধ
বেনজীরের যত অপরাধ

প্রথম পৃষ্ঠা

গোলকধাঁধায় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য মোকাবিলায় তিন কৌশল
গোলকধাঁধায় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য মোকাবিলায় তিন কৌশল

পেছনের পৃষ্ঠা

বাজেটে গরিব আরও গরিব হবে
বাজেটে গরিব আরও গরিব হবে

নগর জীবন

চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল
চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল

প্রথম পৃষ্ঠা

অবহেলায় ২৫ প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন
অবহেলায় ২৫ প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়ছে অধিকাংশ নদনদীর পানি
বাড়ছে অধিকাংশ নদনদীর পানি

পেছনের পৃষ্ঠা

সীমারেখার রাজনীতি
সীমারেখার রাজনীতি

সম্পাদকীয়

পনোগ্রাফি মামলায় কারাগারে
পনোগ্রাফি মামলায় কারাগারে

দেশগ্রাম

শরিফুলের ৬ উইকেটের পরও টাইগারদের শ্বাসরুদ্ধকর হার
শরিফুলের ৬ উইকেটের পরও টাইগারদের শ্বাসরুদ্ধকর হার

মাঠে ময়দানে

কারখানা বন্ধ থাকলে ভোটাধিকার থাকবে না
কারখানা বন্ধ থাকলে ভোটাধিকার থাকবে না

পেছনের পৃষ্ঠা

কঠিন চ্যালেঞ্জে মমতা, তৃণমূলের সংকট কাটছে না
কঠিন চ্যালেঞ্জে মমতা, তৃণমূলের সংকট কাটছে না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রবীণ সুরক্ষার নতুন চ্যালেঞ্জ
প্রবীণ সুরক্ষার নতুন চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদে ‘মায়ের ডাক’ সদস্যদের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদে ‘মায়ের ডাক’ সদস্যদের সাক্ষাৎ

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে ফেরানো হবে দেশে
যেভাবে ফেরানো হবে দেশে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ পয়লা আষাঢ়
আজ পয়লা আষাঢ়

পেছনের পৃষ্ঠা

অনগ্রসর এলাকায় শিক্ষার সুযোগ পৌঁছলে বিকশিত হবে সুপ্ত প্রতিভা
অনগ্রসর এলাকায় শিক্ষার সুযোগ পৌঁছলে বিকশিত হবে সুপ্ত প্রতিভা

পেছনের পৃষ্ঠা

পুকুরে ভাসছিল নারীর লাশ
পুকুরে ভাসছিল নারীর লাশ

দেশগ্রাম

শিক্ষাকে আনন্দময় করার কাজ চলছে
শিক্ষাকে আনন্দময় করার কাজ চলছে

প্রথম পৃষ্ঠা

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সরকারের একক নিয়ন্ত্রণে
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সরকারের একক নিয়ন্ত্রণে

প্রথম পৃষ্ঠা