শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:৫৯, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ১২:২৮, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

খেলাফত মজলিসের নির্বাচনী ইশতেহারে ১ কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
খেলাফত মজলিসের নির্বাচনী ইশতেহারে ১ কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিজেদের ইশতেহার ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে থাকা খেলাফত মজলিস। ৩৫ দফার এই নির্বাচনী ইশতেহারে এক কোটি চাকরি ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, সমাজে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুনিশ্চিত করা এবং বিদেশে নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি করাসহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা।

গত মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ইশতেহার প্রকাশ করা হয়। সেখানে ইশতেহার পড়ে শোনান দলটির যুগ্ম মহাসচিব ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল। ইশতেহারে ইসলামি আদর্শের আলোকে ইনসাফ, জনকল্যাণমুখী ও জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠায় খেলাফত মজলিসের অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

মাওলানা আবদুল বাছিত আজাদ ও আহমদ আবদুল কাদের নেতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিসের ইশতেহারের ৩৫ দফার মধ্যে আছে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন ও কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন ও জবাবদিহি, জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা, স্বাধীন গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা ও আধুনিকায়ন। এছাড়া, এতে কঠোরভাবে দুর্নীতি দমন, অর্থ পাচার ও চাঁদাবাজি বন্ধ করারও প্রতিশ্রুতি আছে।

খেলাফত মজলিস জিডিপির প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশে নিতে চায়। সব অঞ্চলের সুষম উন্নয়ন ও আর্থিক সুশাসন, মাতৃভাষা, যার যার ধর্মীয় ভাষা ও ইংরেজি ভাষা শিক্ষা সর্বত্র বাধ্যতামূলক করা, প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে সামরিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা। সব মিথ্যা ও রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার, পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করা, বিনা পরোয়ানায় সাদাপোশাকে গ্রেপ্তার বন্ধ করা ও জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা তৈরি করতে চায় দলটি।

মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ নিশ্চিত করা ও যাবতীয় আধিপত্যবাদ– আগ্রাসী তৎপরতা মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া, মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সঠিক তালিকা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাসহ সব মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের উপযুক্ত মূল্যায়ন করার বিষয়টি আছে ইশতেহারে। এ ছাড়া সব নিয়োগ পরীক্ষা পিএসসির নিয়ন্ত্রণে আনা এবং দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা মজবুত করা, অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা তৈরি, উন্নত সমরাস্ত্র তৈরিতে মনোযোগ দেওয়া ও স্কুল–কলেজ–মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ সব সক্ষম নাগরিককে দুই বছর মেয়াদি সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথাও ইশতেহারে বলেছে খেলাফত মজলিস।

ক্ষমতায় গেলে সম্পত্তিতে নারীর অধিকার, সর্বত্র নারীর সম্মান ও স্বাতন্ত্র্য নিশ্চিত করা, সাধারণ শিক্ষা ও মাদ্রাসা শিক্ষার মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে সমন্বিত একমুখী শিক্ষাব্যবস্থা চালু, তরুণ বিজ্ঞানীদের জন্য বিশেষ তহবিল গঠন ও গবেষণামূলক কাজে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার কথা বলেছে খেলাফত মজলিস। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উন্নয়নে বিশেষ পদক্ষেপ, ক্রীড়া সংগঠনগুলোকে রাজনীতিমুক্ত ও শক্তিশালী করা, পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে ‘সবার প্রতি বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বিদ্বেষ নয়’—এই নীতি পালন, আধিপত্যবাদ ও সম্প্রসারণবাদের বিরোধিতার কথা বলেছে তারা। রোহিঙ্গা সংকট সমাধান করে তাঁদের সম্মানের সঙ্গে প্রত্যাবর্তনের শক্তিশালী উদ্যোগ নেওয়া, আটকে পড়া পাকিস্তানি ইস্যু সমাধান, কৃষি ও ভূমি ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়া, দ্রুত দেশকে একটি আধুনিক শিল্পোন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এবং গ্রামের উন্নয়নও করতে চায় দলটি।

খেলাফত মজলিস তাদের ইশতেহারে বলেছে, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা, সব শ্রেণির শ্রমিকদের সম্মানজনক জীবনধারণের উপযোগী ন্যূনতম বেতন–ভাতা নির্ধারণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিপ্লব ঘটানো, দেশের প্রতিটি খনিজ সম্পদের সঠিক ব্যবহারের জন্য জাতীয় খনিজ নীতি প্রণয়ন করবে তারা। এর পাশাপাশি খনিজে অনুসন্ধান ও জরিপের জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ, প্রত্যেক নাগরিকের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা, উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে পূর্ণাঙ্গ ২০০ শয্যার ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে ১০০ শয্যার হাসপাতালে রূপান্তর, মাদকাসক্তি নির্মূলে পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেছে তারা।

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে উদ্যোগ নেওয়া, যানজটমুক্ত করা, গণপরিবহনব্যবস্থাকে আধুনিক, নিরাপদ ও সুলভ করা, জাতীয় বাজেটের ১০ শতাংশ স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে ব্যয় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দলটি। ৫৪টি আন্তর্জাতিক নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা, তিস্তা প্রকল্পকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে নদীভাঙন–কবলিত মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষা এবং দেশের পর্যটনশিল্পকে উন্নত করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের মাধ্যম বাড়ানো, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে পর্যটন স্থানগুলোর বিশ্বব্যাপী প্রচারেও কাজ করবে খেলাফত মজলিস।

নির্বাচন সময়ের জন্য শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের লক্ষ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলসহ সবার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর সরকারপদ্ধতি প্রবর্তন, নির্বাচন কমিশনকে প্রকৃতপক্ষে নিরপেক্ষ, স্বাধীন ও শক্তিশালী করা এবং প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করা, প্রবাসীরা যাতে দেশে এসে সুদমুক্ত ইসলামি বন্ড বা লাভজনক প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে পারেন, এর রাষ্ট্রীয় নিশ্চয়তা দেওয়ার কথাও নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ করেছে খেলাফত মজলিস।

সংবাদ সম্মেলনে খেলাফত মজলিসের নেতা মাওলানা সাইয়েদ ফেরদাউস বিন ইসহাক, আবদুল জলিল, কাজী মিনহাজুল আলম, আমিনুর রহমান ফিরোজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিডি প্রতিদিন/কেএ

এই বিভাগের আরও খবর
নড়াইলে নির্বাচনী বিরোধে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬
নড়াইলে নির্বাচনী বিরোধে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬
অপপ্রচারের প্রতিবাদে কাঠালিয়ায় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন
অপপ্রচারের প্রতিবাদে কাঠালিয়ায় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন
নতুন জোট ও নতুন প্রতীকের প্রস্তাব অলি আহমদের
নতুন জোট ও নতুন প্রতীকের প্রস্তাব অলি আহমদের
তিন আসনে মাত্র ৭৯২ ভোট পেয়েছে অলির এলডিপি
তিন আসনে মাত্র ৭৯২ ভোট পেয়েছে অলির এলডিপি
'নির্বাচনে ডাব্বা মারলাম, আমার একটু খারাপও লাগে নাই'
'নির্বাচনে ডাব্বা মারলাম, আমার একটু খারাপও লাগে নাই'
নির্বাচনে শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে যে ১০ দল
নির্বাচনে শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে যে ১০ দল
ফরিদপুর-৪ আসনে ৩০ বছর পর ধানের শীষের জয়
ফরিদপুর-৪ আসনে ৩০ বছর পর ধানের শীষের জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনে জামানত হারিয়েছেন ৩৫ প্রার্থী
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনে জামানত হারিয়েছেন ৩৫ প্রার্থী
দুটি ব্যালট ও পরিচয় যাচাইয়ে সময় লাগায় দীর্ঘ লাইন: ডিসি জাহিদ
দুটি ব্যালট ও পরিচয় যাচাইয়ে সময় লাগায় দীর্ঘ লাইন: ডিসি জাহিদ
ভোট জালিয়াতির অভিযোগ আসাদুজ্জামান ফুয়াদের
ভোট জালিয়াতির অভিযোগ আসাদুজ্জামান ফুয়াদের
বাগেরহাটের চার আসনে ১৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
বাগেরহাটের চার আসনে ১৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
খাগড়াছড়িতে সাত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
খাগড়াছড়িতে সাত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
সর্বশেষ খবর
ঈদের আগেই শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের আহ্বান শিল্প পুলিশের
ঈদের আগেই শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের আহ্বান শিল্প পুলিশের

এই মাত্র | নগর জীবন

বগুড়া ১৯ বছর উন্নয়ন বঞ্চিত ছিল : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
বগুড়া ১৯ বছর উন্নয়ন বঞ্চিত ছিল : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

২০ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

বরিশালে চিংড়ির রেনু পাচারের সময় আটক ৮
বরিশালে চিংড়ির রেনু পাচারের সময় আটক ৮

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় ৪০০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার
গাইবান্ধায় ৪০০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পিকআপে অস্ত্রের মুখে টাকা ও মালামাল ছিনতাই
পিকআপে অস্ত্রের মুখে টাকা ও মালামাল ছিনতাই

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আশুলিয়ায় দুই ভাইকে গুলি করে পালাল দুর্বৃত্তরা
আশুলিয়ায় দুই ভাইকে গুলি করে পালাল দুর্বৃত্তরা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জামালপুরে প্রেমঘটিত আক্রোশে খালাতো ভাইকে হত্যা, গ্রেফতার ২
জামালপুরে প্রেমঘটিত আক্রোশে খালাতো ভাইকে হত্যা, গ্রেফতার ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফসল উৎপাদন বাড়াতে খাল খননের বিকল্প নেই
ফসল উৎপাদন বাড়াতে খাল খননের বিকল্প নেই

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আবারও হালদায় মৃত ডলফিন, ৮ বছরে ৪৯টি মরদেহ উদ্ধার
আবারও হালদায় মৃত ডলফিন, ৮ বছরে ৪৯টি মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

শৈলকুপায় মেছোবাঘ পিটিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য
শৈলকুপায় মেছোবাঘ পিটিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উখিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নারীর মৃত্যু
উখিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নারীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে বিএসএফকে ২৭ কিমি জমি দিলেন শুভেন্দু
বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে বিএসএফকে ২৭ কিমি জমি দিলেন শুভেন্দু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্যাস উৎপাদনে স্বাবলম্বী হতে কাজ করছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
গ্যাস উৎপাদনে স্বাবলম্বী হতে কাজ করছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা গ্রেফতার
মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তিস্তা ব্যারাজের কাজেও হাত দেবে বিএনপি সরকার: প্রধানমন্ত্রী
তিস্তা ব্যারাজের কাজেও হাত দেবে বিএনপি সরকার: প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেনীতে শিশু ধর্ষণচেষ্টা মামলায় যুবকের কারাদণ্ড
ফেনীতে শিশু ধর্ষণচেষ্টা মামলায় যুবকের কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মোংলায় ডায়াবেটিস-হৃদরোগীদের সেবার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা
মোংলায় ডায়াবেটিস-হৃদরোগীদের সেবার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে থাই জাহাজে নাবিকদের সংঘর্ষ, নিহত ১
চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে থাই জাহাজে নাবিকদের সংঘর্ষ, নিহত ১

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিএনজিতে নারীকে হত্যা: রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিএনজিতে নারীকে হত্যা: রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুর্মিটোলা হাসপাতালের নাম পরিবর্তন
কুর্মিটোলা হাসপাতালের নাম পরিবর্তন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পৃথক সচিবালয়ের জন্য সব দরজা বন্ধ হয়ে যায়নি: বিএনপি
পৃথক সচিবালয়ের জন্য সব দরজা বন্ধ হয়ে যায়নি: বিএনপি

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দুই অ্যাম্বুলেন্সে ফিরল চার ভাইয়ের লাশ, পাশাপাশি কবরে দাফন
দুই অ্যাম্বুলেন্সে ফিরল চার ভাইয়ের লাশ, পাশাপাশি কবরে দাফন

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

জনপ্রিয় হচ্ছে মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদ
জনপ্রিয় হচ্ছে মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদ

১ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন আপিল কমিটি পুনর্গঠন
প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন আপিল কমিটি পুনর্গঠন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিলেট সীমান্তে অনুপ্রবেশকালে আটক ১০
সিলেট সীমান্তে অনুপ্রবেশকালে আটক ১০

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

গোপালগঞ্জে ৬০ জন মৎস্যজীবীর মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ
গোপালগঞ্জে ৬০ জন মৎস্যজীবীর মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুরে বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস পালিত
দিনাজপুরে বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস পালিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বড় ভাই হত্যার ঘটনায় ছোট ভাই গ্রেফতার
বড় ভাই হত্যার ঘটনায় ছোট ভাই গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চেক বাউন্স মামলায় বেকসুর খালাস শামি
চেক বাউন্স মামলায় বেকসুর খালাস শামি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে জোরদার তদারকির আহ্বান
ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে জোরদার তদারকির আহ্বান

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
রামিসা হত্যাকাণ্ড : স্বামী জাকিরকে নিয়ে ভয়ংকর তথ্য দিলেন স্বপ্না
রামিসা হত্যাকাণ্ড : স্বামী জাকিরকে নিয়ে ভয়ংকর তথ্য দিলেন স্বপ্না

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না: রামিসার বাবা
বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না: রামিসার বাবা

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আওয়ামীলীগ ব্যাক করেছে, দেখো নাই? বললেন মাহফুজ আলম
আওয়ামীলীগ ব্যাক করেছে, দেখো নাই? বললেন মাহফুজ আলম

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রামিসা হত্যাকাণ্ড: আরও যে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পুলিশ
রামিসা হত্যাকাণ্ড: আরও যে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পুলিশ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানকে টানা দুবার হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেল বাংলাদেশ
পাকিস্তানকে টানা দুবার হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেল বাংলাদেশ

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিসা হত্যাকাণ্ড: স্বামীকে পালাতে সময় দিতেই দরজা খোলেননি স্ত্রী স্বপ্না! (ভিডিও)
রামিসা হত্যাকাণ্ড: স্বামীকে পালাতে সময় দিতেই দরজা খোলেননি স্ত্রী স্বপ্না! (ভিডিও)

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানে আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের
ইরানে আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ নীতির বিপক্ষে ভোট দিলেন ৪ রিপাবলিকান
ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ নীতির বিপক্ষে ভোট দিলেন ৪ রিপাবলিকান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরব আমিরাতের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি হামলা হলে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা
আরব আমিরাতের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি হামলা হলে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশু রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়: পুলিশ
শিশু রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়: পুলিশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা : ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন
সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা : ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যাত্রাবাড়ী মোড়ে স্বর্ণের দুল ছিনতাই, সার্জেন্টের সাহসিকতায় আটক ২
যাত্রাবাড়ী মোড়ে স্বর্ণের দুল ছিনতাই, সার্জেন্টের সাহসিকতায় আটক ২

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

অব্যবস্থাপনায় ম্লান ৪ ঘণ্টার সুফল, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ফিরেছে ৮-১০ ঘণ্টার ভোগান্তি
অব্যবস্থাপনায় ম্লান ৪ ঘণ্টার সুফল, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ফিরেছে ৮-১০ ঘণ্টার ভোগান্তি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধের প্রস্তুতির মাঝে ইরানে গণবিয়ে অনুষ্ঠিত, ‘আত্মত্যাগে’ প্রস্তুত নবদম্পতিরা
যুদ্ধের প্রস্তুতির মাঝে ইরানে গণবিয়ে অনুষ্ঠিত, ‘আত্মত্যাগে’ প্রস্তুত নবদম্পতিরা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশকে প্রশংসায় ভাসালেন ওয়াসিম আকরাম
বাংলাদেশকে প্রশংসায় ভাসালেন ওয়াসিম আকরাম

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শ্রেণিকক্ষে অনৈতিক আচরণের অভিযোগে জবির দুই শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার
শ্রেণিকক্ষে অনৈতিক আচরণের অভিযোগে জবির দুই শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার

১৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

শিশু রামিসা হত্যায় গ্রেফতার সোহেলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
শিশু রামিসা হত্যায় গ্রেফতার সোহেলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতারণার মামলায় বিদিশার ২ বছরের কারাদণ্ড
প্রতারণার মামলায় বিদিশার ২ বছরের কারাদণ্ড

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে কর্মকর্তাদের মন্ত্রণালয়ে ফেরত
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে কর্মকর্তাদের মন্ত্রণালয়ে ফেরত

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রোমে ‘মেলোডি’ ম্যাজিক, ভাইরাল মোদি-মেলোনির ছবি
রোমে ‘মেলোডি’ ম্যাজিক, ভাইরাল মোদি-মেলোনির ছবি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘নতুন করে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও বড় সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে’
‘নতুন করে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও বড় সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ওমর ফারুকের নিয়োগ বাতিল
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ওমর ফারুকের নিয়োগ বাতিল

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আবার হামলা হলে নতুন অস্ত্রে জবাব দেবে ইরান, তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি
আবার হামলা হলে নতুন অস্ত্রে জবাব দেবে ইরান, তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু
ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের পরপরই পুতিন কেন চীনে, ভিতরে কী চলছে?
ট্রাম্পের পরপরই পুতিন কেন চীনে, ভিতরে কী চলছে?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্যাটেলাইট থেকে ড্রোন- ইরানকে কতটা সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া?
স্যাটেলাইট থেকে ড্রোন- ইরানকে কতটা সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘এ তরকারি কি আপনারা বাসায় খেতেন’, হাসপাতালের রান্না মুখে দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
‘এ তরকারি কি আপনারা বাসায় খেতেন’, হাসপাতালের রান্না মুখে দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

গরু বেচাকেনা বিতর্কে বিপাকে বিজেপি
গরু বেচাকেনা বিতর্কে বিপাকে বিজেপি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুঁজিবাজার, এনবিআর ও ব্যাংক বিকেন্দ্রীভূত করা হবে : অর্থমন্ত্রী
পুঁজিবাজার, এনবিআর ও ব্যাংক বিকেন্দ্রীভূত করা হবে : অর্থমন্ত্রী

৯ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ট্রাম্পের পরপরই বেইজিংয়ে পুতিন, বৈঠকের মূল এজেন্ডা কী?
ট্রাম্পের পরপরই বেইজিংয়ে পুতিন, বৈঠকের মূল এজেন্ডা কী?

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সিরিজ খুনের খুনি কে
সিরিজ খুনের খুনি কে

প্রথম পৃষ্ঠা

গুলিবিদ্ধদের ইনজেকশন দিয়ে মারতে বলত নেতারা
গুলিবিদ্ধদের ইনজেকশন দিয়ে মারতে বলত নেতারা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আতঙ্কের সলিমপুর হচ্ছে ‘স্মার্ট হাব’
আতঙ্কের সলিমপুর হচ্ছে ‘স্মার্ট হাব’

নগর জীবন

কাঁচা পেঁপের কেজি ১২০ টাকা!
কাঁচা পেঁপের কেজি ১২০ টাকা!

পেছনের পৃষ্ঠা

অপপ্রচারের টার্গেটে সশস্ত্র বাহিনী
অপপ্রচারের টার্গেটে সশস্ত্র বাহিনী

প্রথম পৃষ্ঠা

স্থায়ী যুদ্ধ বন্ধে নতুন শর্ত ইরানের
স্থায়ী যুদ্ধ বন্ধে নতুন শর্ত ইরানের

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকে নগদ অর্থের সংকট
ব্যাংকে নগদ অর্থের সংকট

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস প্রসঙ্গে কিছু কথা
বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস প্রসঙ্গে কিছু কথা

সম্পাদকীয়

কারিনা কায়সারের মৃত্যু ও গরুর জন্মসনদ
কারিনা কায়সারের মৃত্যু ও গরুর জন্মসনদ

সম্পাদকীয়

ছাত্রীর বাড়িতে গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি লাশ, আটক ৩
ছাত্রীর বাড়িতে গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি লাশ, আটক ৩

পেছনের পৃষ্ঠা

আলোর মুখ দেখেনি পাঁচ বছরেও
আলোর মুখ দেখেনি পাঁচ বছরেও

নগর জীবন

হজে যাচ্ছেন জামায়াত আমির
হজে যাচ্ছেন জামায়াত আমির

প্রথম পৃষ্ঠা

কিংসের হ্যাটট্রিক না কি মোহামেডানের ফেরা
কিংসের হ্যাটট্রিক না কি মোহামেডানের ফেরা

মাঠে ময়দানে

স্বামীর সহযোগিতায় সাধুর আস্তানায় নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ
স্বামীর সহযোগিতায় সাধুর আস্তানায় নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফরিদপুরে খাল খননের আড়ালে গাছ কাটার মহোৎসব
ফরিদপুরে খাল খননের আড়ালে গাছ কাটার মহোৎসব

নগর জীবন

ধর্ষণের পর শিশুকে গলা কেটে হত্যা
ধর্ষণের পর শিশুকে গলা কেটে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা হাত কেটে উল্লাস
বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা হাত কেটে উল্লাস

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে শিশুদের উচ্ছ্বাস
প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে শিশুদের উচ্ছ্বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

বৈষম্যমুক্ত বিশ্ব গঠনের আহ্বান ইসলামী সমাজের
বৈষম্যমুক্ত বিশ্ব গঠনের আহ্বান ইসলামী সমাজের

নগর জীবন

পয়লা জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল
পয়লা জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল

পেছনের পৃষ্ঠা

রূপগঞ্জে দুই মহাসড়ক নির্মাণে ধীরগতি, যানজটে ভোগান্তি
রূপগঞ্জে দুই মহাসড়ক নির্মাণে ধীরগতি, যানজটে ভোগান্তি

নগর জীবন

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক ইস্যুতে যা বললেন শ্রিংলা
ভারত-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক ইস্যুতে যা বললেন শ্রিংলা

প্রথম পৃষ্ঠা

অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে পুলিশে ফোন
অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে পুলিশে ফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

মার্কিন শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শামা ওবায়েদের
মার্কিন শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শামা ওবায়েদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ঠুঁটো জগন্নাথ বানানোর চেষ্টা মানবাধিকার কমিশনকে
ঠুঁটো জগন্নাথ বানানোর চেষ্টা মানবাধিকার কমিশনকে

প্রথম পৃষ্ঠা

রাবিতে যত অনিয়ম
রাবিতে যত অনিয়ম

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রেমিকার বান্ধবীর স্বীকারোক্তি কারাগারে প্রেরণ
প্রেমিকার বান্ধবীর স্বীকারোক্তি কারাগারে প্রেরণ

পেছনের পৃষ্ঠা

অতি দরিদ্র কর্মসংস্থান প্রকল্পে শ্রমিকদের বাদ দিয়ে ভেকু!
অতি দরিদ্র কর্মসংস্থান প্রকল্পে শ্রমিকদের বাদ দিয়ে ভেকু!

দেশগ্রাম

ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু
ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু

পেছনের পৃষ্ঠা