ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেড় লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন মোট তিনজন প্রার্থী। তারা হলেন পার্বত্য রাঙামাটি আসনে বিএনপির দীপেন দেওয়ান, রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপির মো. হারুন-অর-রশিদ, সাতক্ষীরা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আবদুল খালেক।
এ ছাড়া এক লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন আরও ২৮ জন। তাদের মধ্যে বিএনপির ২৬ জন, জামায়াতের একজন এবং জামায়াতের নির্বাচনী জোটে থাকা জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির একজন।
সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন পার্বত্য রাঙামাটি আসনের দীপেন দেওয়ান। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ১ হাজার ৫৪৪ ভোট। ফুটবল প্রতীকের পহেল চাকমা পেয়েছেন ৩১ হাজার ২২২ ভোট। ব্যবধান ১ লাখ ৭০ হাজার ৩২২।
রাজবাড়ী-২ আসনে মো. হারুন-অর-রশিদ পেয়েছেন ২ লাখ ৩৭ হাজার ২৫৪ ভোট। এনসিপির জামিল হিজাযী পেয়েছেন ৬৭ হাজার ২৯৯ ভোট। ব্যবধান ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯৫৫।
সাতক্ষীরা-২ আসনে জামায়াত নেতা মুহাদ্দিস আবদুল খালেক পেয়েছেন ২ লাখ ৬৬ হাজার ৯৫৯ ভোট। বিএনপির মো. আবদুর রউফ পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ২২৯ ভোট। ব্যবধান ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৬৬।
গাইবান্ধা-১ আসনে জামায়াতের মো. মাজেদুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৭২৬ ভোট। বিএনপির খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৯৭ ভোট। ব্যবধান ১ লাখ ২ হাজার ৭২৯।
বগুড়া-১ আসনে কাজী রফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৪৪০ ভোট। জামায়াতের মো. শাহাবুদ্দিন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৯৫৯ ভোট। ব্যবধান ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৮১।
বগুড়া-৫ এ গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ পেয়েছেন ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৪৮ ভোট। দবিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৯ ভোট। ব্যবধান ১ লাখ ৫ হাজার ৫১৯।
বগুড়া-৬ এ তারেক রহমান পেয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট। আবিদুর রহমান সোহেল পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট। ব্যবধান ১ লাখ ১৮ হাজার ৬৫৮।
বগুড়া-৭ এ গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ পেয়েছেন ২ লাখ ৬২ হাজার ৫০১ ভোট। গোলাম রব্বানী পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ১৮৪ ভোট। ব্যবধান ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৭।
পাবনা-২ এ এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব পেয়েছেন ২ লাখ ১৩ হাজার ৯৫০ ভোট। মো. হেসাব উদ্দিন পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৩৭৭ ভোট। ব্যবধান ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৬৩।
ঝিনাইদহ-১ এ মো. আসাদুজ্জামান পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৯৮ ভোট। আবু ছালেহ মো. মতিউর রহমান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৫৭৭ ভোট। ব্যবধান ১ লাখ ১৬ হাজার ২১।
পটুয়াখালী-১ এ আলতাফ হোসেন চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৭ ভোট। মো. ফিরোজ আলম পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৩১০ ভোট। ব্যবধান ১ লাখ ৫ হাজার ৭৭৭।
ভোলা-৪ এ মো. নুরুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩৫১ ভোট। মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৩৭ ভোট। ব্যবধান ১ লাখ ৭ হাজার ৯১৪।
টাঙ্গাইল-২ এ আবদুস সালাম পিন্টু পেয়েছেন ১ লাখ ৯৮ হাজার ২১৩ ভোট। হুমায়ুন কবীর পেয়েছেন ৬০ হাজার ৮৭১ ভোট। ব্যবধান ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৪২।
এরপর জামালপুর-৩, জামালপুর-৪, নেত্রকোনা-২, নেত্রকোনা-৪, কিশোরগঞ্জ-৬, মানিকগঞ্জ-৩, ঢাকা-২০, সিলেট-৪, মৌলভীবাজার-৩, মৌলভীবাজার-৪, হবিগঞ্জ-৪, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩, কুমিল্লা-৪, চাঁদপুর-২, চট্টগ্রাম-৫, চট্টগ্রাম-১২, বান্দরবান আসনেও এক লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা।
বিডি প্রতিদিন/আশিক