শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:৫১, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

'কোথাও যাচ্ছি না, আমার শেকড় এই মাটিতেই'

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
'কোথাও যাচ্ছি না, আমার শেকড় এই মাটিতেই'

কোথাও যাচ্ছি না, আমার শেকড় এই মাটিতেই। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা পরাজয় মেনে নিয়ে গঠনমূলক রাজনৈতিক ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার করেছেন। নির্বাচন শেষে নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা জানান।

ঢাকা-৯ আসনে ফুটবল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সাবেক এনসিপি থেকে পদত্যাগ করা এই নেত্রী । ভোটের ফলাফলে তিনি পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট। পরাজয় মেনে নিয়ে তিনি জানান, রাজনীতি থেকে সরে যাচ্ছেন না বরং মানুষের পাশে থেকেই গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবেন।

নির্বাচনে বিজয়ী দল বিএনপি এবং ঢাকা-৯ আসনের বিজয়ী প্রার্থী হাবিবুর রশীদ হাবিবকে অভিনন্দন জানান তাসনিম জারা। তিনি জানান, ফল ঘোষণার পর রাতেই বিজয়ী প্রার্থীকে ফোন করে ব্যক্তিগতভাবে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ঢাকা-৯ ও বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থে তাঁদের সাফল্য কামনা করি। আমরা একটি গঠনমূলক শক্তি হিসেবে কাজ করব। জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে আমাদের সমর্থন থাকবে। তবে মানুষের জন্য ক্ষতিকর কোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমরা সোচ্চার থাকব।

নারীদের অংশগ্রহণকে বড় অর্জন উল্লেখ করে তাসনিম জারা বলেন, তাদের ক্যাম্পেইনে নারীদের অভূতপূর্ব উপস্থিতি ছিল অনুপ্রেরণাদায়ক। সিদ্ধান্ত গ্রহণের টেবিলে নারীরা থাকলে আলোচনার মান বদলে যায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তরুণীদের উদ্দেশে তার বার্তা, স্বপ্ন দেখতে ভয় পেও না, ক্ষমতার কেন্দ্রে তোমাদেরও অধিকার আছে।

ভলান্টিয়ারদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন রাজনীতির হৃদস্পন্দন তারাই। সাধারণ নাগরিকদের রাজনৈতিক সক্রিয়তার যে দৃষ্টান্ত তারা তৈরি করেছেন, তা বিরল। মন খারাপ না করে সংগঠিত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

অনেকে ভাবছেন নির্বাচন শেষ হলেই তিনি যুক্তরাজ্যে ফিরে যাবেন এমন ধারণার জবাবে তাসনিম জারা বলেন, আমি কোথাও যাচ্ছি না। আমার শেকড় এই মাটিতে, আমার কাজও এখানে। একটি নির্বাচনের জন্য এই পথচলা শুরু হয়নি। লক্ষ্য রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন। এটি দীর্ঘ পথ।

তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন্ন রাজনীতি টিকিয়ে রাখতে হলে শক্তিশালী সংগঠন দরকার। নির্বাচনের দিনে প্রতিটি বুথে সাহসী পোলিং এজেন্ট এবং কেন্দ্রের বাইরে সচেতন নাগরিকদের উপস্থিতি জরুরি। ভয়ভীতি মোকাবিলায় সক্ষম সংগঠন গড়ে তুলতে হবে।

স্ট্যাটাসে তিনি জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশ নেওয়া অকুতোভয় যোদ্ধাদের অবদানের কথা স্মরণ করেন। পাশাপাশি অধ্যাপক ইউনূস, তাঁর টিম এবং নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য।

৪৪ হাজার প্লাস ভোটকে বড় ভিত্তি উল্লেখ করে তাসনিম জারা বলেন, তাদের ক্যাম্পেইন প্রমাণ করেছে মানুষ ক্লিন পলিটিক্স চান। রাজনীতির পুরোনো ছক ভেঙে ঢাকা-৯ ও বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তোলার কাজ চালিয়ে যাবেন বলেও জানান তিনি।

শেষে তিনি লেখেন, আমাদের সেরা সময় এখনো সামনে।

নীচে তাঁর ফেসবুক স্টাটাসটি হুবুহু তুলে ধরা হলো

নির্বাচন পরবর্তী কিছু ভাবনা:

১. জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার জন্য আমি বিএনপিকে অভিনন্দন জানাই। ঢাকা-৯ আসনে বিজয়ী প্রার্থী হাবিবুর রশীদ হাবিবকেও অভিনন্দন। গতকাল রাতেই আমি তাঁকে ফোন করে ব্যক্তিগতভাবে শুভকামনা জানিয়েছি। ঢাকা-৯ ও বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থে তাঁদের সাফল্য কামনা করি। আমরা একটি গঠনমূলক শক্তি হিসেবে কাজ করব। জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে আমাদের সমর্থন থাকবে। কিন্তু মানুষের জন্য ক্ষতিকর কোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমরা সোচ্চার থাকব।

২. আমাদের ক্যাম্পেইনে নারীদের অভূতপূর্ব অংশগ্রহণ ছিল এক বড় প্রাপ্তি। অনেক নীতিনির্ধারণী আলোচনায় আমি দেখেছি যে সিদ্ধান্ত গ্রহণের টেবিলে নারীরা থাকলে আলোচনার মান বদলে যায়। যে কিশোরী বা তরুণীরা এই প্রচারণা আগ্রহ নিয়ে দেখেছো, তোমাদেরকে বলছি: স্বপ্ন দেখতে ভয় পেয়ো না। ক্ষমতার কেন্দ্রে তোমারও অধিকার আছে। আমাদের আরও বেশি করে সামনে আসতে হবে।

৩. আমাদের ভলান্টিয়াররা এই পরিচ্ছন্ন রাজনীতির হৃদস্পন্দন। সাধারণ নাগরিকদের রাজনৈতিক সক্রিয়তার যে অনন্য দৃষ্টান্ত আপনারা তৈরি করেছেন, তা সচরাচর দেখা যায় না। মন খারাপ করবেন না। আপনারা মানুষের মন জয় করেছেন, আর সেটাই রাজনীতির সবচেয়ে কঠিন জয়। আমরা সংগঠিত থাকব, সোচ্চার থাকব, একসাথে থাকব।

৪. অনেকে ভাবছেন নির্বাচন শেষ হলেই হয়তো আমি যুক্তরাজ্যে ফিরে যাব। আমি কোথাও যাচ্ছি না। আমার শেকড় এই মাটিতে, আমার কাজও এখানে। একটিমাত্র নির্বাচনের জন্য আমরা এই পথচলা শুরু করিনি। আমাদের লক্ষ্য রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন। এটি দীর্ঘ পথ। আর আপনাদের সঙ্গে এই পথ চলা আমার জন্য সম্মানের।

৫. আমরা প্রমাণ করেছি পরিচ্ছন্ন প্রচারণায় মানুষের হৃদয় জয় করা যায়। তবে আমাদের সীমাবদ্ধতাও স্পষ্ট হয়েছে। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি টিকে থাকতে হলে তাকে শক্তিশালী হতে হবে। নির্বাচনের দিনে প্রতিটি বুথে সাহসী পোলিং এজেন্ট এবং কেন্দ্রের বাইরে সচেতন নাগরিকদের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ। একটি শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক মডেলকে রক্ষা করতে হলে আমাদের আরও শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তুলতে হবে, যা যেকোনো ভয়ভীতি মোকাবিলা করতে সক্ষম।

৬. আজকের দিনটি সম্ভব হতো না যদি জুলাইয়ের অকুতোভয় যোদ্ধারা রাজপথে বুক পেতে না দাঁড়াতেন। গণতন্ত্রের যে স্বাদ আমরা পাচ্ছি, তা তাঁদের অকল্পনীয় আত্মত্যাগের ফসল। আমি ধন্যবাদ জানাই অধ্যাপক ইউনূস ও তাঁর টিম, এবং নির্বাচন কমিশনকে। এমন এক জটিল সময়ে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা মোটেও সহজ কাজ ছিল না; কিন্তু একটি গণতান্ত্রিক জাতি হিসেবে টিকে থাকার জন্য এটি ছিল অত্যন্ত জরুরি একটি দায়িত্ব।

৭। ৪৪,০০০ প্লাস ভোট একটি বিশাল ফাউন্ডেশন। আমাদের ক্যাম্পেইন ও ফলাফল প্রমাণ করেছে যে মানুষ ক্লিন পলিটিক্স চান। আমরা রাজনীতির পুরোনো ছকটি ভেঙে দিতে পেরেছি। আমরা ঢাকা-৯ ও বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তোলার কাজ চালিয়ে যাব।

আমাদের সেরা সময় এখনো সামনে।

বিডি প্রতিদিন/আশিক

এই বিভাগের আরও খবর
নড়াইলে নির্বাচনী বিরোধে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬
নড়াইলে নির্বাচনী বিরোধে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬
অপপ্রচারের প্রতিবাদে কাঠালিয়ায় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন
অপপ্রচারের প্রতিবাদে কাঠালিয়ায় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন
নতুন জোট ও নতুন প্রতীকের প্রস্তাব অলি আহমদের
নতুন জোট ও নতুন প্রতীকের প্রস্তাব অলি আহমদের
তিন আসনে মাত্র ৭৯২ ভোট পেয়েছে অলির এলডিপি
তিন আসনে মাত্র ৭৯২ ভোট পেয়েছে অলির এলডিপি
'নির্বাচনে ডাব্বা মারলাম, আমার একটু খারাপও লাগে নাই'
'নির্বাচনে ডাব্বা মারলাম, আমার একটু খারাপও লাগে নাই'
নির্বাচনে শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে যে ১০ দল
নির্বাচনে শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে যে ১০ দল
ফরিদপুর-৪ আসনে ৩০ বছর পর ধানের শীষের জয়
ফরিদপুর-৪ আসনে ৩০ বছর পর ধানের শীষের জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনে জামানত হারিয়েছেন ৩৫ প্রার্থী
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনে জামানত হারিয়েছেন ৩৫ প্রার্থী
দুটি ব্যালট ও পরিচয় যাচাইয়ে সময় লাগায় দীর্ঘ লাইন: ডিসি জাহিদ
দুটি ব্যালট ও পরিচয় যাচাইয়ে সময় লাগায় দীর্ঘ লাইন: ডিসি জাহিদ
ভোট জালিয়াতির অভিযোগ আসাদুজ্জামান ফুয়াদের
ভোট জালিয়াতির অভিযোগ আসাদুজ্জামান ফুয়াদের
বাগেরহাটের চার আসনে ১৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
বাগেরহাটের চার আসনে ১৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
খাগড়াছড়িতে সাত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
খাগড়াছড়িতে সাত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
সর্বশেষ খবর
ফিলিপাইনকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে জাপান
ফিলিপাইনকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে জাপান

২৪ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকায় আত্মীয়স্বজন না থাকলে অর্থ-স্বর্ণালংকার থানায়ও রাখা যেতে পারে: ডিএমপি
ঢাকায় আত্মীয়স্বজন না থাকলে অর্থ-স্বর্ণালংকার থানায়ও রাখা যেতে পারে: ডিএমপি

৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

সংসার বাঁচাতে প্রয়োজনে মিডিয়া ছেড়ে দিতে চান পূজা চেরি
সংসার বাঁচাতে প্রয়োজনে মিডিয়া ছেড়ে দিতে চান পূজা চেরি

৬ মিনিট আগে | শোবিজ

মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত সৌদি ছাড়ার নির্দেশ
মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত সৌদি ছাড়ার নির্দেশ

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

৭ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

খাগড়াছড়িতে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবসে আলোচনা সভা
খাগড়াছড়িতে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবসে আলোচনা সভা

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিজিটাল শিক্ষক বদলি ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের কথা ভাবছে সরকার
ডিজিটাল শিক্ষক বদলি ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের কথা ভাবছে সরকার

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

বান্দরবানে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
বান্দরবানে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদ আনন্দ ছড়িয়ে দিতে অসহায়দের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ
ঈদ আনন্দ ছড়িয়ে দিতে অসহায়দের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ

২০ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ৯২৯ মামলা
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ৯২৯ মামলা

২১ মিনিট আগে | নগর জীবন

‘গ্লোবাল ফ্রড সামিটে’ যোগ দিতে ভিয়েনা যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
‘গ্লোবাল ফ্রড সামিটে’ যোগ দিতে ভিয়েনা যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

ইরানের আগুনেই কি পুড়ে ছাই হবে ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার?
ইরানের আগুনেই কি পুড়ে ছাই হবে ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার?

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাইব্যুনালের স্বচ্ছতায় কোনো ছাড় নয়: চিফ প্রসিকিউটর
ট্রাইব্যুনালের স্বচ্ছতায় কোনো ছাড় নয়: চিফ প্রসিকিউটর

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ঝিনাইদহে কৃষক দল নেতা হত্যার বিচার দাবি
ঝিনাইদহে কৃষক দল নেতা হত্যার বিচার দাবি

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কলাপাড়ায় ১৪ হাজার জাল টাকাসহ যুবক গ্রেফতার
কলাপাড়ায় ১৪ হাজার জাল টাকাসহ যুবক গ্রেফতার

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত: শাহজালাল বিমানবন্দরে বাতিল ৫০০ ফ্লাইট
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত: শাহজালাল বিমানবন্দরে বাতিল ৫০০ ফ্লাইট

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

শেরপুরের তেরাবাজারে জমজমাট ঈদ বাজার, স্বল্প আয়ের মানুষের ভিড়
শেরপুরের তেরাবাজারে জমজমাট ঈদ বাজার, স্বল্প আয়ের মানুষের ভিড়

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানকে ‘শাহেদ’ ড্রোন সরবরাহ করছে রাশিয়া: জেলেনস্কি
ইরানকে ‘শাহেদ’ ড্রোন সরবরাহ করছে রাশিয়া: জেলেনস্কি

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১০৮
হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১০৮

৪৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সভা
হরিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সভা

৪৭ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশ সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে
অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশ সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে

৫০ মিনিট আগে | জাতীয়

৫৩ কেজি গাঁজা ও ৭৬ বোতল এস্কাফ রেখে পালাল কারবারিরা
৫৩ কেজি গাঁজা ও ৭৬ বোতল এস্কাফ রেখে পালাল কারবারিরা

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মাদারীপুরে সাথী হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
মাদারীপুরে সাথী হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কোটচাঁদপুরে ট্রেনের ধাক্কায় ট্রাক্টরচালক নিহত
কোটচাঁদপুরে ট্রেনের ধাক্কায় ট্রাক্টরচালক নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের একাদশে তিন পরিবর্তন
টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের একাদশে তিন পরিবর্তন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজবাড়ীতে আলুবোঝাই ট্রাকচাপায় চালকের সহকারী নিহত
রাজবাড়ীতে আলুবোঝাই ট্রাকচাপায় চালকের সহকারী নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজশাহীতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ইফতার মাহফিল
রাজশাহীতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ইফতার মাহফিল

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

লোকালয়ে মদের ভাটি: অবাধ বিক্রিতে কিশোর-তরুণদের আসক্তির শঙ্কা
লোকালয়ে মদের ভাটি: অবাধ বিক্রিতে কিশোর-তরুণদের আসক্তির শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা
দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিদ্ধিরগঞ্জে সাড়ে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ
সিদ্ধিরগঞ্জে সাড়ে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন
এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য
ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ
ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’
‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি
আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি
আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির
জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা
যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের
ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক
মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি
ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের
তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা
হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি
যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান
ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন
জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প
মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প
মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?
হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা
বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?
১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতে থাকা মার্কিন আস্তানাকে বৈধ লক্ষ্যবস্তুর হুঁশিয়ারি আইআরজিসির
আমিরাতে থাকা মার্কিন আস্তানাকে বৈধ লক্ষ্যবস্তুর হুঁশিয়ারি আইআরজিসির

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়াই ইরানকে ড্রোন সরবরাহ করেছে, দাবি জেলেনস্কির
রাশিয়াই ইরানকে ড্রোন সরবরাহ করেছে, দাবি জেলেনস্কির

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের সেনাদেরই রক্ষা করতে পারছে না'
যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের সেনাদেরই রক্ষা করতে পারছে না'

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তার জন্য হুমকি’
‘যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তার জন্য হুমকি’

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু
বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সেই ১৮ মাস
আমাদের সেই ১৮ মাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত
সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত

পেছনের পৃষ্ঠা

দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা
তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে
সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

এক সুতোয় বাঁধা
এক সুতোয় বাঁধা

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা
আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু
চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু

মাঠে ময়দানে

গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু
ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক
আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক

পেছনের পৃষ্ঠা

কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন
এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন

সম্পাদকীয়

রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু
রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু

সম্পাদকীয়

শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে
শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে

দেশগ্রাম

‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’
‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’

পেছনের পৃষ্ঠা

হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার
হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি

প্রথম পৃষ্ঠা