শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৪৫, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ১৭:১১, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

তারেক রহমান

'নির্বাচনে ডাব্বা মারলাম, আমার একটু খারাপও লাগে নাই'

সংসদ নির্বাচনে পরাজয়ের পরও কোনো আক্ষেপ নেই। বরং আম মধুর ব্যবসা আর রাজনৈতিক লড়াই নিয়েই জীবন উপভোগ করছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান।
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
'নির্বাচনে ডাব্বা মারলাম, আমার একটু খারাপও লাগে নাই'

আম মধুর ব্যবসা করেই জীবন চালান এবং সেই জীবনটাই উপভোগ করেন বলে জানিয়েছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। সোমবার রাত দেড়টার দিকে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, আগে পেশায় একজন আইটি ব্যবসায়ী ছিলেন। বাবা মা চাইতেন সরকারি চাকরি করতে। সেই স্বপ্ন নিয়েই বারবার ভাইভা দিয়েও ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।

তারেক রহমান লেখেন, একসময় শিক্ষক নিয়োগে ৮৪ শতাংশ কোটা, রেলওয়েতে ৪০ শতাংশ পোষ্য বা পারিবারিক কোটা এবং প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে কোটা ছিল। ব্যক্তিগতভাবে হতাশ হয়েই তিনি কোটা সংস্কারের উদ্যোগ নেন।

তার ভাষ্য, কোটা সংস্কারের আন্দোলনকে অনেকেই মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর চেষ্টা করে। শেখ হাসিনার সরকার এটিকে রাজাকারদের আন্দোলন বলেও আখ্যা দেয়। তখন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, নারী, প্রতিবন্ধী ও পাহাড়ি অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য মিলিয়ে ১৫ শতাংশ কোটার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার জিদের কারণে পুরো কোটা ব্যবস্থা বাতিল হয়ে যায়। এতে অনগ্রসর এলাকার মানুষ আরও পিছিয়ে পড়ে। কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, লালমনিরহাটের মানুষের দারিদ্র্যের চিত্র তুলে ধরে তিনি জেলা ভিত্তিক বরাদ্দ রাখার পক্ষে মত দেন।

তারেক রহমান জানান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনের পর বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানি, এসআই নিয়োগ, কৃষি ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন পরীক্ষায় অংশ নিয়েও শেষ মুহূর্তে বাদ পড়েছেন। কৃষি ব্যাংকের লিখিত পরীক্ষায় জালিয়াতি ঠেকাতে গিয়ে হামলার শিকার হন। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম বন্ধ করতে গিয়ে দুই ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতনও করা হয়।

এসব আন্দোলন করতে করতেই চাকরিতে ঢোকার সুযোগ হারান তিনি। এরপর ক্ষুধা আর দারিদ্র থেকে মুক্তি পেতে শুরু করেন আমের ব্যবসা। পলাশী, আগারগাঁওয়ে দোকান ভাঙচুরের অভিজ্ঞতার কথাও জানান তিনি। শেষ পর্যন্ত অনলাইনে আম বিক্রি আর শীতে মধু বিক্রিই হয়ে ওঠে তার মূল আয়ের উৎস।

তারেক রহমান বলেন, আম মধুর ব্যবসা থেকে শুধু পরিবারই চলে না, রাজনীতির খরচও এখান থেকেই চালান। দুই দিন আগে নির্বাচনে ডাব্বা মারলেও তার বা পরিবারের কারও খারাপ লাগেনি। তার ভাষায়, আল্লাহ তাকে সংসদের জন্য যোগ্য মনে করেননি। নেতৃত্ব আল্লাহর কাছ থেকেই আসে।

তিনি আরও বলেন, তার জীবনে কোনো আক্ষেপ নেই। সংসদে যেতে না পারলেও বর্তমান জীবনটাই উপভোগ করছেন। সবকিছুর ভরসা আল্লাহ।

নীচে তাঁর ফেসবুক পোস্ট হুবুহু তুলে ধরা হলো 

''আমি তারেক, পেশায় একজন আইটি ব্যাবসায়ী ছিলাম। আমার বাবা মা সেই ব্যাবসা করতে দেন নাই। তারা চান আমি সরকারি চাকরি করি। সেখান থেকে সরকারি চাকরির চেষ্টা করে বার বার ভাইবা দিয়েও ব্যার্থ হচ্ছিলাম। একদিন সবাই স্মৃতিতে স্মরণ করবে, শিক্ষক নিয়োগে ৮৪% কোটা, রেলওয়েতে ৪০% পৌষ্য বা পারিবারিক কোটা, আর ১ম ও ২য় শ্রেনীতে কোটা ছিল।

ব্যাক্তিগত জায়গায় বার বার আশাহত হয়েই এই ব্যাবস্থা হতে মুক্তির জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলাম কোটা সংস্কারের। আমরা কোটা সংস্কারের লড়াই করলেও, অনেকে এটাকে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে শত্রুতা পর্যায়ে নিয়ে যায়। শেখ হাসিনার সরকারও এই আন্দোলনকে রাজাকারদের আন্দোলন বলে বলতে থাকে। বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য আমরা কিছুটা কোটা রেখেই, নারীদের জন্য কিছুটা, প্রতিবন্ধী, ও পাহাড়ের অনগ্রসর বন্ধুদের জন্য মিলায়ে ১৫% কোটার প্রস্তাব করেছিলাম।

আমাদের লড়াই ছিল, ন্যায় বিচারের জন্য। সেখান হতে কোটা পুরোটায় বাতিল হয়ে যায়। এখানে শেখ হাসিনার জিদ একটা বড় ক্ষতি করে। পুরো কোটা সিস্টেম ফল করে। আমি এখনো মনে করি, অনগ্রসর জেলার জন্য এগিয়ে নিতে জেলা ভিত্তিক বরাদ্দ রাখতেই হবে। কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, লালমনিরহাটে আমি অনেকবার গিয়েছি, সেখানে মানুষ দারিদ্র সীমার নীচে জীবন যাপন করে। তাদেরকে কিছুটা এগিয়ে তো দিতেই হবে। এগিয়ে না দিলেও জনসংখ্যার অনুপাত হিসাবে তারা তাদের অঞ্চলের রিক্রুটমেন্ট এর একটা অধিকার রাখে।

কোটার বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক বিন্যাসের মাধ্যমে সমাজের অনগ্রসর এলাকা ও গোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দ রাখতেই হবে। প্রাইমারী শিক্ষক নিয়োগে নারী কোটা পুরপুরি বাতিল আমরা কখনই চাই নি। এখানে গ্রাম গঞ্জের মেধাবী বোনদের একটা অগ্রাধিকার থাকাই উচিত। কিন্তু সেই কোটা কি ৬০% নারী কোটা আর ২০% পৌষ্য কোটা?

আবার বলুনত একটা খাতে ৬০% নারী কোটা ছিল, সেখানে এক ধাক্কায় ০% করা কি উচিত হয়েছে?

আন্দোলনে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা পায় নাই, সেই সুযোগ দেয়া হয় নাই। আন্দোলনের হাত থেকে বাঁচতে, রাগে ক্ষোভে সব কোটা বাতিল করা হয়েছে।

২০১৮ এর কোটা আন্দোলনের পর, বাখরাবাদ গ্যাস কম্পানিতে ভাইবা দেই, আমাকে নিয়োগ দেয়া হয় না।

দুইবার ভাইবা দেই এস আই নিয়োগে, ৩ বার ভ্যারিফিকেশনের পর বাদ দেয়া হয়। এভাবে কত গুলো পরীক্ষায় শেষ সময়ে বাতিল হয়েছি মনেও নাই। কৃষি ব্যাংকের লিখিত পরীক্ষায় জালিয়াতি থামাতে গিয়ে মারাত্মক হামলার শিকার হয়েছিলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি বন্ধ করতে গিয়ে পুরো ২ ঘন্টা আটকে রেখে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিকিউরিটি আমাকে নির্যাতন করেছিল। এই পরীক্ষা গুলো পুনরায় নিতে বাধ্য আমি করেছিলাম।

এসব একটিভিজম করতে করতে আর চাকরিতে ঢুকার সুযোগ পেলাম না। আর ক্ষুধা আর দারিদ্র হতে মুক্তি পেতে তখন হতেই শুরু করি আম ব্যাবসা। পেটের ক্ষুধা যে কি, আমরা হারে হারে টের পেয়েছি। খর কুটার মত অনেক ব্যাবসা আঁকড়ে ধরেছি, সোজা হয়ে দাঁড়াতে দেয়া হয় নি। পলাশীতে আমার দোকান ছিল, তখন দুবার আমার দোকান ভাংচুর করল।

আগারগাঁও পাকা মার্কেটে দীর্ঘ দিন ব্যাবসা করেছি। প্রশাসনের লোক দিয়ে পর্যন্ত আমার দোনাক মাটির সাথে মিশে দেয়া হয়েছে।

এসব কারনে অনলাইনে আম বিক্রিই আমার ভার্চুয়াল ব্যাবসার কেন্দ্র হয়ে উঠে। গ্রীষ্মের আম, আর শীতের মধু।

এই মিলে আমার আম মধুর ব্যাবসা।

আমার জীবনে কোন কিছুর জন্য কোন আক্ষেপ নাই। খুব স্বাদ ছিল হাজার ৪০ এর মত বেতন পেলে কোন ভাবে জীবনটা চালিয়ে নেব।

আলহামদুলিল্লাহ, আম মধুর ব্যাবসায় শুধু পরিবার চলে না, আমার রাজনীতিতেও ব্যায় হয় এই টাকা।

২ দিন আগে নির্বচানে ডাব্বা মারলাম। জানেন, আমার বা আমার পরিবারের একটু খারাপও লাগে নাই। আল্লাহ আমাকে ঐ জায়গার জন্য যোগ্য মনে করেন নাই, আমি ভাল করি নাই। নেতৃত্ব আল্লাহ হতে আসেন, ২০১৮ থেকে আল্লাহ আমাকে যেখানে যেখানে উপযুক্ত মনে করেছেন, আমি নেতৃত্ব দিয়েছি। হয়ত আমি সংসদের উপযুক্ত নই, তাই সেখানে আমার যাওয়া হল না।

আমি আমার এই জীবনটাই উপভোগ করি, আল্লাহ ভরসা।''

বিডি প্রতিদিন/আশিক

এই বিভাগের আরও খবর
নড়াইলে নির্বাচনী বিরোধে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬
নড়াইলে নির্বাচনী বিরোধে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬
অপপ্রচারের প্রতিবাদে কাঠালিয়ায় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন
অপপ্রচারের প্রতিবাদে কাঠালিয়ায় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন
নতুন জোট ও নতুন প্রতীকের প্রস্তাব অলি আহমদের
নতুন জোট ও নতুন প্রতীকের প্রস্তাব অলি আহমদের
তিন আসনে মাত্র ৭৯২ ভোট পেয়েছে অলির এলডিপি
তিন আসনে মাত্র ৭৯২ ভোট পেয়েছে অলির এলডিপি
নির্বাচনে শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে যে ১০ দল
নির্বাচনে শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে যে ১০ দল
ফরিদপুর-৪ আসনে ৩০ বছর পর ধানের শীষের জয়
ফরিদপুর-৪ আসনে ৩০ বছর পর ধানের শীষের জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনে জামানত হারিয়েছেন ৩৫ প্রার্থী
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনে জামানত হারিয়েছেন ৩৫ প্রার্থী
দুটি ব্যালট ও পরিচয় যাচাইয়ে সময় লাগায় দীর্ঘ লাইন: ডিসি জাহিদ
দুটি ব্যালট ও পরিচয় যাচাইয়ে সময় লাগায় দীর্ঘ লাইন: ডিসি জাহিদ
ভোট জালিয়াতির অভিযোগ আসাদুজ্জামান ফুয়াদের
ভোট জালিয়াতির অভিযোগ আসাদুজ্জামান ফুয়াদের
বাগেরহাটের চার আসনে ১৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
বাগেরহাটের চার আসনে ১৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
খাগড়াছড়িতে সাত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
খাগড়াছড়িতে সাত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
বাঞ্ছারামপুরে জোনায়েদ সাকির বিজয়ে মিলাদ মাহফিল
বাঞ্ছারামপুরে জোনায়েদ সাকির বিজয়ে মিলাদ মাহফিল
সর্বশেষ খবর
দেশব্যাপী ৫৩ খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
দেশব্যাপী ৫৩ খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

কাতারের প্রধানমন্ত্রী এবং সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোনালাপ
কাতারের প্রধানমন্ত্রী এবং সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোনালাপ

৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প

১৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি বা আলোচনার জন্য ইরান ‘কখনোই অনুরোধ করেনি’: আরাগচি
যুদ্ধবিরতি বা আলোচনার জন্য ইরান ‘কখনোই অনুরোধ করেনি’: আরাগচি

২৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

র‌্যাবের অভিযানে বিদেশী মদ জব্দ
র‌্যাবের অভিযানে বিদেশী মদ জব্দ

৩৫ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

ইরান সমঝোতা করতে মরিয়া হয়ে আছে: ট্রাম্প
ইরান সমঝোতা করতে মরিয়া হয়ে আছে: ট্রাম্প

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৬ মার্চ)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৬ মার্চ)

৩৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সরকারি বাঙলা কলেজসহ ১৪টি কেন্দ্র বাতিল করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড
সরকারি বাঙলা কলেজসহ ১৪টি কেন্দ্র বাতিল করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

১৫ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস
১৫ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস

৫৫ মিনিট আগে | জাতীয়

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ মার্চ ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ মার্চ ২০২৬

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ইরান যুদ্ধ জ্বালানি, রপ্তানি রেমিট্যান্সের জন্য বড় ধাক্কা
ইরান যুদ্ধ জ্বালানি, রপ্তানি রেমিট্যান্সের জন্য বড় ধাক্কা

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরান যুদ্ধ: সর্বশেষ পরিস্থিতি এক নজরে
ইরান যুদ্ধ: সর্বশেষ পরিস্থিতি এক নজরে

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তরায় রিকশা চালককে পিটিয়ে হত্যার গুজব ছড়িয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ
উত্তরায় রিকশা চালককে পিটিয়ে হত্যার গুজব ছড়িয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

অস্ট্রেলিয়ার আশ্রয় ছেড়ে বাড়ির পথে ইরানের আরও ১ নারী ফুটবলার
অস্ট্রেলিয়ার আশ্রয় ছেড়ে বাড়ির পথে ইরানের আরও ১ নারী ফুটবলার

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানে ৫০০ গুপ্তচর গ্রেফতার
ইরানে ৫০০ গুপ্তচর গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত, মস্কোতে জরুরি অস্ত্রোপচার
মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত, মস্কোতে জরুরি অস্ত্রোপচার

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাই ও দোহার কিছু জায়গা থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যেতে বলল ইরান
দুবাই ও দোহার কিছু জায়গা থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যেতে বলল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ওয়াশিংটন আলোচনায় ফিরতে বাধ্য হতে পারে’
‘ওয়াশিংটন আলোচনায় ফিরতে বাধ্য হতে পারে’

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নৌবাহিনী ধ্বংস করলে পারস্য সাগরে জাহাজ আনুন, ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি ইরানের
নৌবাহিনী ধ্বংস করলে পারস্য সাগরে জাহাজ আনুন, ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি ইরানের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নদীতে বৈদ্যুতিক শকে মাছ শিকার, ট্রলারসহ সরঞ্জাম জব্দ করল নৌপুলিশ
নদীতে বৈদ্যুতিক শকে মাছ শিকার, ট্রলারসহ সরঞ্জাম জব্দ করল নৌপুলিশ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাইলাতুল কদর উম্মতে মুহাম্মাদির মর্যাদার প্রতীক
লাইলাতুল কদর উম্মতে মুহাম্মাদির মর্যাদার প্রতীক

৬ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

লাইলাতুল কদর আজ
লাইলাতুল কদর আজ

৬ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ম্যাচসেরা তামিম, সিরিজ সেরায় ভাগ বসালেন নাহিদ রানা
ম্যাচসেরা তামিম, সিরিজ সেরায় ভাগ বসালেন নাহিদ রানা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাকিস্তানকে হারিয়ে র‍্যাঙ্কিংয়ে উইন্ডিজকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ
পাকিস্তানকে হারিয়ে র‍্যাঙ্কিংয়ে উইন্ডিজকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে দুই যাত্রীর থেকে ৪২৯ কার্টন সিগারেট জব্দ
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে দুই যাত্রীর থেকে ৪২৯ কার্টন সিগারেট জব্দ

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরব উপসাগরীয় দেশের সঙ্গে সম্পর্কের পর্যালোচনা চায় ইরান
আরব উপসাগরীয় দেশের সঙ্গে সম্পর্কের পর্যালোচনা চায় ইরান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে সেভিয়াকে উড়িয়ে দিল বার্সেলোনা
রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে সেভিয়াকে উড়িয়ে দিল বার্সেলোনা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অ্যাস্টন ভিলাকে উড়িয়ে দিল ইউনাইটেড
অ্যাস্টন ভিলাকে উড়িয়ে দিল ইউনাইটেড

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তেল আবিবে ইরানের ক্লাস্টার বোমা হামলা, আহত কয়েকজন
তেল আবিবে ইরানের ক্লাস্টার বোমা হামলা, আহত কয়েকজন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত, মস্কোতে জরুরি অস্ত্রোপচার
মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত, মস্কোতে জরুরি অস্ত্রোপচার

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত সৌদি ছাড়ার নির্দেশ
মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত সৌদি ছাড়ার নির্দেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা
হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মত সেজিল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে ইরান
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মত সেজিল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের আগুনেই কি পুড়ে ছাই হবে ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার?
ইরানের আগুনেই কি পুড়ে ছাই হবে ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা
যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সাত মিনিটের মধ্যেই ইসরায়েলে হামলা চালাতে সক্ষম!
যে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সাত মিনিটের মধ্যেই ইসরায়েলে হামলা চালাতে সক্ষম!

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার সরাসরি ইসরাইলের পুলিশ সদর দপ্তরে ড্রোন হামলা করল ইরান
এবার সরাসরি ইসরাইলের পুলিশ সদর দপ্তরে ড্রোন হামলা করল ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল দক্ষিণ কোরিয়া
ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল দক্ষিণ কোরিয়া

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ সর্বশেষ আপডেট : কী ঘটছে দেখুন এক নজরে
ইরান যুদ্ধ সর্বশেষ আপডেট : কী ঘটছে দেখুন এক নজরে

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের
তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন
জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ওয়াশিংটন আলোচনায় ফিরতে বাধ্য হতে পারে’
‘ওয়াশিংটন আলোচনায় ফিরতে বাধ্য হতে পারে’

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কেঁপে উঠল ইসরাইল
ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কেঁপে উঠল ইসরাইল

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, হতে পারে হিতে বিপরীত
হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, হতে পারে হিতে বিপরীত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে কারণে ইরান যুদ্ধের শেষ চাইছেন মার্কিন জ্বালানি সচিব
যে কারণে ইরান যুদ্ধের শেষ চাইছেন মার্কিন জ্বালানি সচিব

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি-আমিরাতেও হামলা চালিয়েছে ইরান
সৌদি-আমিরাতেও হামলা চালিয়েছে ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প
মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শহীদ মিনারে গুলিবিদ্ধ কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিবের মৃত্যু
শহীদ মিনারে গুলিবিদ্ধ কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিবের মৃত্যু

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নৌবাহিনী ধ্বংস করলে পারস্য সাগরে জাহাজ আনুন, ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি ইরানের
নৌবাহিনী ধ্বংস করলে পারস্য সাগরে জাহাজ আনুন, ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি ইরানের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ধরা পড়ল ইসরায়েলি গুপ্তচর নেটওয়ার্ক, গ্রেফতার ২০
ইরানে ধরা পড়ল ইসরায়েলি গুপ্তচর নেটওয়ার্ক, গ্রেফতার ২০

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প
মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের পথে মির্জা আব্বাস
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের পথে মির্জা আব্বাস

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রাথমিকে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি যুক্তিসংগত নয়, ২০২৭ থেকে নতুন সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী
প্রাথমিকে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি যুক্তিসংগত নয়, ২০২৭ থেকে নতুন সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী

১৯ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানে ৫০০ গুপ্তচর গ্রেফতার
ইরানে ৫০০ গুপ্তচর গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হামলায় ইসরাইলে কী ঘটছে, একদিনেই শতাধিক আহত
ইরানের হামলায় ইসরাইলে কী ঘটছে, একদিনেই শতাধিক আহত

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে কারখানায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫
ইরানে কারখানায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলে তথ্যপাচারের অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ২০
ইসরায়েলে তথ্যপাচারের অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ২০

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা
দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
রফিকুল হয়ে গেলেন রব স্টিভেন
রফিকুল হয়ে গেলেন রব স্টিভেন

পেছনের পৃষ্ঠা

সংসদের সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে লুটপাটের অভিযোগ
সংসদের সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে লুটপাটের অভিযোগ

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন বাণিজ্য জোটে বাংলাদেশ
নতুন বাণিজ্য জোটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ধেয়ে আসছে মহাসংকট
ধেয়ে আসছে মহাসংকট

প্রথম পৃষ্ঠা

৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা
৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা

প্রথম পৃষ্ঠা

তবু মিলছে না কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি তেল
তবু মিলছে না কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি তেল

পেছনের পৃষ্ঠা

বিরোধের কেন্দ্রে সংস্কার পরিষদ
বিরোধের কেন্দ্রে সংস্কার পরিষদ

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রকল্পের বিষফোড়া সমন্বয়হীনতা
প্রকল্পের বিষফোড়া সমন্বয়হীনতা

পেছনের পৃষ্ঠা

কাবরেরার কি শেষ দল ঘোষণা
কাবরেরার কি শেষ দল ঘোষণা

মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এক মাস
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এক মাস

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রথম সেঞ্চুরিতেই তানজিদের বাজিমাত
প্রথম সেঞ্চুরিতেই তানজিদের বাজিমাত

মাঠে ময়দানে

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কলেজ ছাত্রকে গুলি করে হত্যা
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কলেজ ছাত্রকে গুলি করে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

সৌদিতে দফায় দফায় হামলা
সৌদিতে দফায় দফায় হামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

আত্মসমর্পণের আবেদন জমা দিয়ে লাপাত্তা আসামি
আত্মসমর্পণের আবেদন জমা দিয়ে লাপাত্তা আসামি

খবর

সাভার-কুমিল্লা সফরে সেনাবাহিনী প্রধান
সাভার-কুমিল্লা সফরে সেনাবাহিনী প্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

রিয়ালের সহজ জয়
রিয়ালের সহজ জয়

মাঠে ময়দানে

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে উড়ে গেল সেভিয়া
রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে উড়ে গেল সেভিয়া

মাঠে ময়দানে

অ্যানেসথেসিয়া দিতেই দুই নারীর মৃত্যু
অ্যানেসথেসিয়া দিতেই দুই নারীর মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা

পর্দা নামল অমর একুশে বইমেলার
পর্দা নামল অমর একুশে বইমেলার

পেছনের পৃষ্ঠা

লাইলাতুল কদর আজ
লাইলাতুল কদর আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্রেডিট কার্ডের সুদ ২৫ শতাংশই থাকল
ক্রেডিট কার্ডের সুদ ২৫ শতাংশই থাকল

পেছনের পৃষ্ঠা

শুনানির তারিখ চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
শুনানির তারিখ চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

পেছনের পৃষ্ঠা

শাহজালালে ৫০০ ফ্লাইট বাতিল
শাহজালালে ৫০০ ফ্লাইট বাতিল

পেছনের পৃষ্ঠা

হানাদারের নিষ্ঠুরতাই আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ঠেলে দেয়
হানাদারের নিষ্ঠুরতাই আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ঠেলে দেয়

পেছনের পৃষ্ঠা

নানা সমস্যা শুঁটকি বন্দরে
নানা সমস্যা শুঁটকি বন্দরে

দেশগ্রাম

খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

খবর

ইত্যাদিতে ঈদ মিউজিক্যাল ড্রামা
ইত্যাদিতে ঈদ মিউজিক্যাল ড্রামা

শোবিজ

ভিজিএফের চালে অনিয়মের অভিযোগে সড়ক অবরোধ
ভিজিএফের চালে অনিয়মের অভিযোগে সড়ক অবরোধ

দেশগ্রাম

সংসদ শুরু, পরীক্ষাও শুরু
সংসদ শুরু, পরীক্ষাও শুরু

সম্পাদকীয়