নড়াইল সদর উপজেলার হবখালী ইউনিয়নে নির্বাচনী বিরোধকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে ছয়জন আহত হয়েছেন। একই ঘটনায় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হুমায়ূন মোল্যার বাড়িতে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার সন্ধ্যা ও গভীর রাতে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নড়াইল-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ড. এ জেড এম ফরিদুজ্জামান ফরহাদ ও কলস প্রতীকের বিদ্রোহী প্রার্থী মনিরুল ইসলামের পরাজয়ের পর থেকে তাঁদের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল।
সন্ধ্যার দিকে বাগডাঙ্গা বাজারে হবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম টিংকু ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সৈয়দ আতিয়ার রহমানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে টিংকু পক্ষের আশরাফুল শেখ আহত হন।
এর জের ধরে রাত পৌনে ৮টার দিকে দ্বিতীয় দফায় হামলায় ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আতিয়ার রহমানসহ তাঁর পক্ষের আরও পাঁচজন আহত হন। আহতদের মধ্যে শওকত আলম, খিজির হোসেন ও মাহিন আলীকে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পরে রাত ১টার দিকে হবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হুমায়ূন মোল্যার বাড়িতে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে। হুমায়ূন মোল্যা দাবি করেন, বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় প্রতিপক্ষ তাঁর ঘরে আগুন দিয়েছে। এতে ধান, রবি শস্য ও আসবাবপত্র পুড়ে যায়। তবে ঘরে কেউ ছিলেন না।
অভিযোগ অস্বীকার করে রিয়াজুল ইসলাম টিংকু বলেন, বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকেরাই ষড়যন্ত্র করে আগুন দিয়ে তাঁদের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।
এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিডি-প্রতিদিন/সুজন