Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২৬ মে, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৫ মে, ২০১৯ ২৩:৫৬

ইন্টারভিউ

বড় পর্দার মজাই আলাদা

বড় পর্দার মজাই আলাদা

চলচ্চিত্রশিল্পীদের এখন যথাযথভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে না। সিনেমা হলের পরিবেশ নেই, ছবির সংখ্যাও কমছে। ঢালিউডের বুনোসুন্দরী খ্যাত অভিনেত্রী সাদেকা পারভিন পপির এমনই অভিযোগ। এই শিল্প ও কাজের কথা নিয়ে তার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন- আলাউদ্দীন মাজিদ

 

ঈদে দর্শক আপনার কাছ থেকে কী পেতে যাচ্ছে?

ঈদের জন্য একটি ওয়েব ফিল্ম ‘গার্ডেন গেম’ ও ছোট পর্দার নাটক ‘নায়িকার হানিমুন’ এ কাজ করলাম। তাছাড়া বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে সেলিব্রেটি শোতে অংশ নিচ্ছি। ব্যস এই তো।

 

চলচ্চিত্রের অভিনয় নিয়ে বলুন...

 ছবি নির্মাণ উদ্বেগজনক হারে কমেছে। সিনেমা হল জিরোর পথে। শিল্পীদের মিস ইউজ করা হচ্ছে, তাদের প্রতিভাকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে না। ফলে আমরা বড় পর্দা থেকে হারিয়ে যাচ্ছি। নতুনদের অবস্থা তো আরও শোচনীয়। এভাবে চলতে থাকলে চলচ্চিত্রে কাজ করব কীভাবে।

 

এ অবস্থার উন্নয়ন কীভাবে সম্ভব?

চলচ্চিত্রের উন্নয়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে সত্যি, কিন্তু যাদের কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে তারা প্রপারলি কাজ করছে না। এফডিসির আধুনিকায়নের কথাই যদি ধরি তাহলে বলতে হয় এই সংস্থার উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে সরকার যে অর্থ দিয়েছে তা অদক্ষতার কারণে কাজ সময় মতো শেষ না করায় বার বার ফেরত গেছে। সরকার আমাদের দেশের ক্রিকেট খেলাকে প্রপারলি টেক কেয়ার করে যেভাবে উন্নত করেছে সিনেমার ক্ষেত্রেও তা করলে শিল্পটি ঘুরে দাঁড়াতে পারে।

 

সিনেমা এখন ওয়েব প্লাটফর্মে চলে যাচ্ছে, বিষয়টি কীভাবে দেখছেন?

একদিকে আমাদের দেশে সিনেমা হলের সংখ্যা কমছে, অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী এখন ওয়েব প্লাটফর্মের যুগ। বিষয়টিকে পজিটিভভাবেই দেখছি।

 

কিন্তু বড় পর্দার স্বাদ কি ছোট পর্দায় পাওয়া যায়?

অবশ্যই না, বড় পর্দায় ছবি দেখে যে মজা তা ছোট পর্দায় কখনই পাওয়া যায় না। আমার কাছে প্রথম এবং প্রধান প্রায়োরিটি হলো সিনেমা হল।

 

চলচ্চিত্র নির্মাণ ও সিনেমা হলের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমছে, কী বলবেন?

সিনেমা হল মালিকরা অতি মুনাফার জন্য হল ভেঙে মার্কেট আর বাণিজ্যিক ভবন তৈরি করছেন। নতুন ভবনে সিনেপ্লেক্স রাখা দরকার।  মনের ক্ষুধা মেটায় বিনোদন। বিনোদনের প্রধান মাধ্যম হলো সিনেমা।

 

এত নেতিবাচক অবস্থার মধ্যেও ভালোলাগার বিষয় কী?

সম্প্রতি আমার মাকে ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতাল থেকে রত্নগর্ভা মা সম্মাননা দিয়েছে। এটি আমার কাছে অনেক বড় একটি আনন্দের ব্যাপার। কারণ মায়ের মতো আর কেউ নেই পৃথিবীতে। আমার মা আমার পৃথিবী।


আপনার মন্তব্য