শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:৫১, রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬

তারকারা কেন বিদেশমুখী

আলাউদ্দীন মাজিদ
প্রিন্ট ভার্সন
তারকারা কেন বিদেশমুখী

তারকাদের বিদেশমুখিতা থামছে না, বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়ছে। জুলাই আন্দোলনের পর কাজে বাধা ও অনিরাপদ বোধ থেকে অনেকের বিদেশে স্থায়ী হওয়ার প্রবণতা দেখা গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। গত এক দশকেই শতাধিক শিল্পী-কলাকুশলী ও তারকা বিদেশে স্থায়ী হয়েছেন। এঁদের বেশির ভাগই গেছেন ইউরোপ-আমেরিকায়। উন্নত জীবন, নিরাপত্তা, বেশি আয়, দেশে কাজের সুযোগ কমে যাওয়াই বড় কারণ বলে তাঁরা জানিয়েছেন। সেখানে গিয়ে নিজের প্রতিষ্ঠিত পেশা বদলে ভিন্ন পেশায় ক্যারিয়ার গড়ার চেষ্টা করেছেন তাঁরা।

তবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ভয় এবং শিল্পচর্চায় বাধা পেয়েও দেশ ছেড়েছেন অনেকে। মোটাদাগে দুবার দল বেঁধে শিল্পীদের দেশ ছাড়ার ঘটনা লক্ষ করা গেছে। আমেরিকার অভিবাসন নীতিতে শিল্পী, সাহিত্যিক, সংস্কৃতি কর্মীদের জন্য ভিসাপ্রাপ্তি সহজ হওয়ায় গত দশকের মাঝামাঝি সময়ে শিল্পীদের দেশ ছাড়ার হিড়িক পড়েছিল। করোনা মহামারির পরও ঢাকার শোবিজে কাজ কমে যাওয়ায় অনেকে দেশ ছেড়েছেন। সর্বশেষ এমন ঘটনা ঘটে গত বছর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর। ৫ আগস্টের পর আমেরিকায় নাগরিকত্বের আবেদনের ফাইল তৈরিতে শিল্পীদের সাহায্য করেন বেশ কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি শিল্পী, যারা আগে থেকেই দেশটির নাগরিক। জুলাই গণ অভ্যুত্থানের সময় শিল্পীদের অনেকে শেখ হাসিনা সরকারের পক্ষ নিয়েছিলেন। অনেকে সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতিও করেছেন। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, অভিনয় শিল্পী রোকেয়া প্রাচী, ফেরদৌস, রিয়াজ, নিপুণ, সোহানা সাবা, মেহের আফরোজ শাওন, তানভীন সুইটি, জ্যোতিকা জ্যোতি দেশেই রয়েছেন। অনেকে দেশ ছাড়ার সাহস দেখাচ্ছেন না, যদি বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার হতে হয়, এই ভয়ে। রাজনীতির সঙ্গে খুব একটা সম্পর্ক নেই, বরং এমন অনেক শিল্পীই দেশ ছাড়তে চাইছেন। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে রাজপথে ও অন্তর্জালে শোবিজের যারা সোচ্চার হয়েছিলেন, অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তাদের অনেকেই পরে প্রকাশ্যে হতাশা ব্যক্ত করেছেন। সংগীত শিল্পী ফারজানা ওয়াহিদ সায়ান এবং অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের নাম এই ক্ষেত্রে উল্লেখ করা যেতে পারে। অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদও জানিয়েছেন, গণ অভ্যুত্থানের পর ১২ মাসেও তাঁকে অভিনয়ের জন্য কেউ ডাকেনি। অর্থাৎ কাজ পাননি। জুলাই-আগস্ট গণ অভ্যুত্থানের সময় বেশ আলোচনায় এসেছিল হোয়াটসঅ্যাপের একটি চ্যাট গ্রুপ ‘আলো আসবেই’। এই গ্রুপের সদস্যদের অনেকেই শোবিজের মানুষ। সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হয়েছিলেন অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস। ৫ আগস্টের পরপরই তিনি দেশ ছেড়ে কানাডা চলে যান। অবশ্য আগে থেকেই তিনি দেশটির নাগরিক। অভিনেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য সুবর্ণা মুস্তাফা ২০২৪ সালের ৩০ নভেম্বর চিকিৎসার জন্য ব্যাংকক যাওয়ার পথে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে এবং তাঁর স্বামী নির্মাতা বদরুল আনাম সৌদকে আটকে দেওয়া হয়। তবে বর্তমানে এই দম্পতি ব্যাংককেই রয়েছেন। বিশ্বস্ত একাধিক সূত্র তথ্যটি নিশ্চিত করেছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা পেরিয়ে তাঁরা কিভাবে দেশটিতে গেলেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানা যায়নি। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলন যখন তুঙ্গে তখন ১ আগস্ট দেশ ছাড়েন অভিনেত্রী তারিন জাহান। প্রথমে যান তুরস্কে, সেখান থেকে ভারতে। বর্তমানে সেখানেই রয়েছেন এই অভিনেত্রী। তবে যুক্তরাষ্ট্রেই ঠাঁই নিয়েছেন বেশির ভাগ শিল্পী। এ তালিকায় রয়েছেন অভিনয় শিল্পী জায়েদ খান, সাইমন সাদিক, হৃদি হক, লিটু আনাম, অমিত হাসান, মাহিয়া মাহি, সাজু খাদেম, নির্মাতা অমিতাভ রেজা, এস এ হক অলিক, পিকলু চৌধুরী, নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল, কণ্ঠশিল্পী রেশমী মির্জা প্রমুখ। পরিবারসহ ফ্রান্স চলে গেছেন সংগীত শিল্পী রাহুল আনন্দ। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিজে সমর্থন দিয়েছিলেন, নেমেছিলেন রাজপথেও। অথচ আন্দোলনের চূড়ান্ত বিজয়ের দিনে আক্রান্ত হন তিনি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে অবস্থিত শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটে। ৩২ নম্বর সংলগ্ন রাহুল আনন্দের বাড়িতেও তখন হামলা চালায় আন্দোলনকারীরা। শিল্পীর হাতে তৈরি শতাধিক বাদ্যযন্ত্র পুড়িয়ে দেয় জনতা। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এ দেশের শোবিজ জগতের প্রচুর তারকা বিভিন্ন দেশে স্থায়ী হওয়ার চেষ্টা করছেন। এর ৮০ ভাগই যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হওয়ার চেষ্টা করেন। আগামী অন্তত পাঁচ বছর সেখানেই স্থায়ীভাবে থাকতে চান তারা। বিশেষ করে গ্রেপ্তার, আইনি জেরা কিংবা অন্য যেকোনো হয়রানি এড়াতেই তাদের এমন সিদ্ধান্ত। আবার কিছু তারকা উন্নত জীবনের আশায়ও বিদেশে স্থায়ী হতে চান। ৫ আগস্টের পর চলচ্চিত্র জগতের অনেকেই লাপাত্তা হয়ে যান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ দেশের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেন তারা। এদের মধ্যে অন্যতম হলেন- চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ ও রিয়াজ। ৫ আগস্টে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর অনেকটাই লাপাত্তা হয়ে যান ফেরদৌস। একটি সূত্র মতে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন, আবার কারও মতে তিনি দেশেই আছেন। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন প্রচারণার নিয়মিত মুখ ছিলেন চিত্রনায়ক রিয়াজ। তিনিও ৫ আগস্টের পর দেশত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। আবার কারও মতে তিনি দেশেই আছেন। ফেরদৌস যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হওয়ার চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী একাধিক তারকা। অন্যদিকে, রিয়াজ কোথায় আছেন তা এখনো জানা যায়নি। বাংলাদেশের অর্ধশতেরও বেশি শোবিজ তারকা দীর্ঘ সময় সেখানে অবস্থান করে ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হতে আবেদন করেছেন। এদিকে, উন্নত জীবনের আশায় ও রাজনৈতিকসহ নানা কারণে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হওয়ার তালিকায় রয়েছেন- লিটু আনাম, বাপ্পী চৌধুরী, সাইমন সাদিক, জায়েদ খান, অমিত হাসান, চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি, সোনিয়া হোসেন, সাজু খাদেম, রেশমী মির্জা প্রমুখ। সুপারস্টার শাকিব খান জুলাই আন্দোলনের বেশ আগেই যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনকার্ড পেয়েছেন। তার সাবেক দুই স্ত্রী- চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস এবং শবনম বুবলীও রয়েছেন সেখানে স্থায়ী হতে চাওয়ার তালিকায়। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন চিত্রনায়িকা শাহনূরও। তিনিও সেখানে স্থায়ী হতে চাচ্ছেন। অন্যদিকে, চিত্রনায়িকা অধরা খানও এরই মধ্যে কানাডায় স্থায়ী হয়েছেন। বিগত পতিত সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তারও দেশ ছাড়ার চেষ্টা করেছিলেন, যদিও তাকে বিমানবন্দরে আটকে দেয় ইমিগ্রেশন পুলিশ। বর্তমানে তিনি দেশেই রয়েছেন। তবে শোবিজ তারকাদের বিদেশে স্থায়ী হওয়ার পেছনের কারণ জানাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে থিতু অভিনেতা মিশা সওদাগর বলেন, দেশে পর্যাপ্ত কাজের সুযোগ না থাকাতেই শিল্পীদের মধ্যে বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। তিনি জানান, শিল্পীদের কর্মসংস্থান সংকুচিত হয়ে আসাই তাদের দেশ ছাড়ার প্রধান কারণ। এই অভিনেতার কথায়, ‘কাজ না থাকলে শিল্পীদের কী করার আছে? এক সময় আমরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এফডিসিতে শুটিং নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম। এখন সেই এফডিসি প্রায় নিঃস্তব্ধ। যারা দেশ ছেড়েছেন, তাদের কারও কি যাওয়ার খুব ইচ্ছে ছিল? জায়েদ খান, অমিত হাসান, মৌসুমী, ইমন, সাইমন, মাহিয়া মাহি বা আলেকজান্ডার বো-সহ অনেকেই এখন বিদেশে রয়েছেন, কাজ থাকলে তারা কেউই যেতেন না।’ উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে অমিত হাসান, সাইমন সাদিক, জায়েদ খান, মাহিয়া মাহি, সাজু খাদেমসহ অনেক তারকাই বিদেশের স্থায়ী নাগরিকত্ব বা দীর্ঘমেয়াদি থাকার সুযোগ নিয়েছেন। খোদ মিশা সওদাগরের পরিবারও বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী। অভিনয়ের প্রয়োজনে তিনি দেশে থাকলেও বছরের বড় একটি সময় তাকে মার্কিন মুলুকেই কাটাতে হয়। ২০০০ সালে সপরিবারে আমেরিকায় স্থায়ী হন শাবানা। ২০২২ সালে ওই দেশে নাগরিক হন শাকিব খান। অভিনয়ের জন্য দেশে আসেন আবার অবসর সময়ে চলে যান আমেরিকায়। তারও বহু আগে কলকাতায় স্থায়ী হন বেদের মেয়ে-খ্যাত অঞ্জু ঘোষ। ২০১২ সালে শাবনূর স্থায়ী হন অস্ট্রেলিয়ায়। মডেল-অভিনেত্রী মোনালিসা যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান ২০১৮ সালে। গত দশকে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হওয়া তারকাদের মধ্যে আরও আছেন- শিল্পী টনি ডায়েস, কাজী খুরশীদুজ্জামান উৎপল, তমালিকা কর্মকার, ইপসিতা শবনম শ্রাবন্তী, রোমানা, রিচি সোলায়মান, নওশীন নাহরিন মৌ, আদনান ফারুক হিল্লোল, শান্তা ইসলাম, লুৎফুন নাহার লতা, শামীম শাহেদ, কাজী মারুফ, মাহবুবা ইসলাম সুমী, বিপাশা হায়াত, তৌকীর আহমেদ, মৌসুমী, আনিসুর রহমান মিলন, নোভা ফিরোজ, সাঈদ বাবু, বিপাশা হায়াত ও তৌকির প্রমুখ। সংগীত শিল্পীদের মধ্যে রয়েছেন বিপ্লব, ইমন সাহা। রয়েছেন মডেল রিয়াও। কানাডায় স্থায়ী হয়েছেন গায়ক তপন চৌধুরী, অভিনেত্রী শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি, অগ্নিলা, আমব্রিন প্রমুখ।

যুক্তরাজ্যে স্থায়ী হয়েছেন অভিনয় শিল্পী দিলরুবা ইয়াসমিন রুহী, সোনিয়া, শায়না আমিন, স্মৃতি ফামি, সংগীতশিল্পী প্রীতম আহমেদ প্রমুখ। এ ছাড়া অভিনেত্রী তামান্না আছেন সুইডেনে।

এই বিভাগের আরও খবর
এখনো নাঈমের ‘ময়না’ শাবনাজ
এখনো নাঈমের ‘ময়না’ শাবনাজ
অমিতাভের জুতা কাহিনি
অমিতাভের জুতা কাহিনি
তানিয়ার যত ভাবনা
তানিয়ার যত ভাবনা
সূর্যগ্রহণ ও সূর্য সংগ্রামের গল্প
সূর্যগ্রহণ ও সূর্য সংগ্রামের গল্প
সমালোচকদের উদ্দেশে পরীমণি
সমালোচকদের উদ্দেশে পরীমণি
রাক্ষসে সাদনিমা
রাক্ষসে সাদনিমা
সংগীত জগতে বুলবুলের উত্থান
সংগীত জগতে বুলবুলের উত্থান
গান হলো মূলত শোনার বিষয়
গান হলো মূলত শোনার বিষয়
রাজা থেকে যেভাবে নায়করাজ...
রাজা থেকে যেভাবে নায়করাজ...
শাবনূরের ভালোবাসার মানুষেরা
শাবনূরের ভালোবাসার মানুষেরা
লন্ডন মাতালেন কামরুজ্জামান রাব্বি
লন্ডন মাতালেন কামরুজ্জামান রাব্বি
মেসবাহ্ আহমেদের নতুন গান
মেসবাহ্ আহমেদের নতুন গান
সর্বশেষ খবর
চ্যাটজিপিটিতে বয়স শনাক্তের ফিচার চালু করছে ওপেনএআই
চ্যাটজিপিটিতে বয়স শনাক্তের ফিচার চালু করছে ওপেনএআই

৮ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ঢাবির কেন্দ্রীয় মসজিদের উন্নয়নে সহায়তার আশ্বাস ধর্ম উপদেষ্টার
ঢাবির কেন্দ্রীয় মসজিদের উন্নয়নে সহায়তার আশ্বাস ধর্ম উপদেষ্টার

১০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

আওয়ামী লীগ এখন মাফিয়া পার্টি : সালাহউদ্দিন আহমদ
আওয়ামী লীগ এখন মাফিয়া পার্টি : সালাহউদ্দিন আহমদ

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে : শ্রম উপদেষ্টা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে : শ্রম উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একের উত্থান অপরের পতন
একের উত্থান অপরের পতন

৪ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

থানার সামনে জয় বাংলা’ স্লোগান, আটক ৬
থানার সামনে জয় বাংলা’ স্লোগান, আটক ৬

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী
গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপিএলের এবারের আসরে ব্যাটে-বলে সেরা যারা
বিপিএলের এবারের আসরে ব্যাটে-বলে সেরা যারা

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কে ঝরল ইসলামী আন্দোলন নেতার প্রাণ
কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কে ঝরল ইসলামী আন্দোলন নেতার প্রাণ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ময়মনসিংহে বিএনপিতে জাতীয় পার্টির ৫ শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান
ময়মনসিংহে বিএনপিতে জাতীয় পার্টির ৫ শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান

৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কেরানীগঞ্জে বিএনপি নেতাকে গুলি, ২৪ ঘণ্টা পেরোলেও মামলা হয়নি
কেরানীগঞ্জে বিএনপি নেতাকে গুলি, ২৪ ঘণ্টা পেরোলেও মামলা হয়নি

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলায় নিহত ২৭
মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলায় নিহত ২৭

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নওগাঁয় নিখোঁজের ১৯ মাস পর যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেফতার ১
নওগাঁয় নিখোঁজের ১৯ মাস পর যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেফতার ১

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন
লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কিয়েভে আরও ৫০০ জেনারেটর পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন
কিয়েভে আরও ৫০০ জেনারেটর পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক জিমেইল অ্যাপেই আসবে সব ই-মেইল, যুক্ত করবেন যেভাবে
এক জিমেইল অ্যাপেই আসবে সব ই-মেইল, যুক্ত করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ডেমরায় নবীউল্লাহ নবীর ব্যাপক গণসংযোগ
ডেমরায় নবীউল্লাহ নবীর ব্যাপক গণসংযোগ

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটারদের নির্বিঘ্ন ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: আবু জাফর
ভোটারদের নির্বিঘ্ন ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: আবু জাফর

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ঝালকাঠি-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ
ঝালকাঠি-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয় সভা
১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয় সভা

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইউক্রেনকে দনবাস ছাড়তেই হবে: রাশিয়া
শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইউক্রেনকে দনবাস ছাড়তেই হবে: রাশিয়া

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমরা দেশ ও জাতিকে আর টুকরো টুকরো করতে চাই না: জামায়াতের আমির
আমরা দেশ ও জাতিকে আর টুকরো টুকরো করতে চাই না: জামায়াতের আমির

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জয়ী হলে দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশন করে গড়ে তোলা হবে: জামায়াত আমির
জয়ী হলে দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশন করে গড়ে তোলা হবে: জামায়াত আমির

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আফ্রিকা ধীরে ধীরে ভেঙে যাচ্ছে, তৈরি হতে পারে নতুন মহাসাগর
আফ্রিকা ধীরে ধীরে ভেঙে যাচ্ছে, তৈরি হতে পারে নতুন মহাসাগর

৭ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

তুরস্ক বিশ্বের কেন্দ্রীয় শক্তিতে আবির্ভূত হবে: এরদোয়ান
তুরস্ক বিশ্বের কেন্দ্রীয় শক্তিতে আবির্ভূত হবে: এরদোয়ান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

র‌্যাবের ওপর হামলার ঘটনায় কালা বাচ্চু গ্রেফতার
র‌্যাবের ওপর হামলার ঘটনায় কালা বাচ্চু গ্রেফতার

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায় জনগণ তাদের প্রতিহত করবে : আমীর খসরু
যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায় জনগণ তাদের প্রতিহত করবে : আমীর খসরু

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মুন্সীগঞ্জে গণভোটের প্রচারণায় ইউএনও
মুন্সীগঞ্জে গণভোটের প্রচারণায় ইউএনও

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সর্বাধিক পঠিত
বাংলাদেশের নতুন চিঠিতে বিশ্বকাপ নাটকে ফের উত্তাপ
বাংলাদেশের নতুন চিঠিতে বিশ্বকাপ নাটকে ফের উত্তাপ

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বড় বহর: ট্রাম্প
ইরানের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বড় বহর: ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সিদ্ধান্তে যা বললেন কেইন উইলিয়ামসন
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সিদ্ধান্তে যা বললেন কেইন উইলিয়ামসন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুরান ঢাকার সমস্যার স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি ইশরাকের
পুরান ঢাকার সমস্যার স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি ইশরাকের

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনের আগে তিন জেলায় না যাওয়ার পরামর্শ যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের
নির্বাচনের আগে তিন জেলায় না যাওয়ার পরামর্শ যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের মার্কা শাপলা কলি, বাবা ভোট চাইছেন ধানের শীষে
ছেলের মার্কা শাপলা কলি, বাবা ভোট চাইছেন ধানের শীষে

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তারা ইসলামের লেবেল লাগিয়ে আমাদের ধোঁকা দিয়েছে: রেজাউল করীম
তারা ইসলামের লেবেল লাগিয়ে আমাদের ধোঁকা দিয়েছে: রেজাউল করীম

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

'আইসিসি করাপ্টেড', ভারতীয় প্রভাবেই কি ভাঙছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট?
'আইসিসি করাপ্টেড', ভারতীয় প্রভাবেই কি ভাঙছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট?

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক সময়ের নিষিদ্ধ জামায়াতের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় যুক্তরাষ্ট্র
এক সময়ের নিষিদ্ধ জামায়াতের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় যুক্তরাষ্ট্র

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘ভারত-পাকিস্তানের ক্ষেত্রে মানে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মানে না’
‘ভারত-পাকিস্তানের ক্ষেত্রে মানে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মানে না’

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিফলে যেতে পারে বিসিবির শেষ চেষ্টাও, যা বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম
বিফলে যেতে পারে বিসিবির শেষ চেষ্টাও, যা বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চালুর কয়েক ঘণ্টায় বন্ধ হলো বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
চালুর কয়েক ঘণ্টায় বন্ধ হলো বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৩ জানুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৩ জানুয়ারি)

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাশিয়া থেকে আসা ট্যাংকার জাহাজ জব্দ করল ফ্রান্স
রাশিয়া থেকে আসা ট্যাংকার জাহাজ জব্দ করল ফ্রান্স

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

তারেক রহমানের ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী জনসভা আজ
তারেক রহমানের ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী জনসভা আজ

১৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পরমাণু যুদ্ধের শেষ বাধাটিও কেটে যাচ্ছে?
পরমাণু যুদ্ধের শেষ বাধাটিও কেটে যাচ্ছে?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকার শীত নিয়ে নতুন তথ্য দিল আবহাওয়া অফিস
ঢাকার শীত নিয়ে নতুন তথ্য দিল আবহাওয়া অফিস

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা
খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা
বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’
‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আর্থিক ক্ষতি নয়, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাটাই প্রথম
আর্থিক ক্ষতি নয়, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাটাই প্রথম

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই ফেলেছিল ডেনমার্ক
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই ফেলেছিল ডেনমার্ক

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরান ঢাকার দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করার প্রতিশ্রুতি ইশরাকের
পুরান ঢাকার দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করার প্রতিশ্রুতি ইশরাকের

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি
বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই
ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসনভিত্তিক সংখ্যা প্রকাশ: কোন আসনে কত ভোটার?
আসনভিত্তিক সংখ্যা প্রকাশ: কোন আসনে কত ভোটার?

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভারতের পর পাকিস্তানকে উড়িয়ে শিরোপার কাছে সাবিনারা
ভারতের পর পাকিস্তানকে উড়িয়ে শিরোপার কাছে সাবিনারা

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র–জামায়াত যোগাযোগ উদ্বেগজনক ইঙ্গিত: ফরহাদ মজহার
যুক্তরাষ্ট্র–জামায়াত যোগাযোগ উদ্বেগজনক ইঙ্গিত: ফরহাদ মজহার

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানে নিহতের ৭৮ শতাংশ খামেনির ‘সমর্থক’, ঢাকায় দূতাবাসের ব্রিফিং
ইরানে নিহতের ৭৮ শতাংশ খামেনির ‘সমর্থক’, ঢাকায় দূতাবাসের ব্রিফিং

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ভাগ্য পরিবর্তন করতে ধানের শীষে ভোট দিন
ভাগ্য পরিবর্তন করতে ধানের শীষে ভোট দিন

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব

সম্পাদকীয়

নির্বাচন বিতর্কিত করতে পারে একটি দল
নির্বাচন বিতর্কিত করতে পারে একটি দল

প্রথম পৃষ্ঠা

দূষণ থেকে সার
দূষণ থেকে সার

শনিবারের সকাল

বাদুড়ের নিরাপদ আবাস
বাদুড়ের নিরাপদ আবাস

শনিবারের সকাল

ভোটের আগে সীমান্তে সক্রিয় অস্ত্র কারবারিরা
ভোটের আগে সীমান্তে সক্রিয় অস্ত্র কারবারিরা

নগর জীবন

সবজি চাষে ভাগ্যবদল অনিকের
সবজি চাষে ভাগ্যবদল অনিকের

পেছনের পৃষ্ঠা

ধোঁয়ায় শ্বাসরোধে যাচ্ছে প্রাণ
ধোঁয়ায় শ্বাসরোধে যাচ্ছে প্রাণ

পেছনের পৃষ্ঠা

সাঁকোই ভরসা ২০ গ্রামের মানুষের
সাঁকোই ভরসা ২০ গ্রামের মানুষের

দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্র-জামায়াত সম্পর্ক ভয়ংকর অশনিসংকেত
যুক্তরাষ্ট্র-জামায়াত সম্পর্ক ভয়ংকর অশনিসংকেত

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি প্রার্থীদের
প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি প্রার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন আশা নেই বিনিয়োগে
নতুন আশা নেই বিনিয়োগে

পেছনের পৃষ্ঠা

একের উত্থান অপরের পতন
একের উত্থান অপরের পতন

সম্পাদকীয়

অমিতাভের জুতা কাহিনি
অমিতাভের জুতা কাহিনি

শোবিজ

শতবর্ষের পুরোনো সেই স্বাদ
শতবর্ষের পুরোনো সেই স্বাদ

শনিবারের সকাল

এখনো নাঈমের ‘ময়না’ শাবনাজ
এখনো নাঈমের ‘ময়না’ শাবনাজ

শোবিজ

নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ

সম্পাদকীয়

অদম্য শিরিনের পথচলা
অদম্য শিরিনের পথচলা

শনিবারের সকাল

অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার
অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

বল সুন্দরীতে বাজিমাত
বল সুন্দরীতে বাজিমাত

শনিবারের সকাল

৩ শতাধিক নেতা কর্মীর বিএনপিতে যোগদান
৩ শতাধিক নেতা কর্মীর বিএনপিতে যোগদান

দেশগ্রাম

বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান

সম্পাদকীয়

সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক
সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক

সম্পাদকীয়

চার জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত
চার জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত

দেশগ্রাম

টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ আহত ১৫, বাড়িঘর ভাঙচুর
টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ আহত ১৫, বাড়িঘর ভাঙচুর

দেশগ্রাম

সূর্যগ্রহণ ও সূর্য সংগ্রামের গল্প
সূর্যগ্রহণ ও সূর্য সংগ্রামের গল্প

শোবিজ

ছেলের শোকে মায়ের মৃত্যু, বাবা হাসপাতালে
ছেলের শোকে মায়ের মৃত্যু, বাবা হাসপাতালে

দেশগ্রাম

পরিত্যক্ত দেখিয়ে ক্লাসরুম ভেঙে দোকান নির্মাণ
পরিত্যক্ত দেখিয়ে ক্লাসরুম ভেঙে দোকান নির্মাণ

দেশগ্রাম

জরাজীর্ণ সেতু, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল
জরাজীর্ণ সেতু, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল

দেশগ্রাম