শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

সিনেমা হল কেন ছাড়লেন দর্শক

আলাউদ্দীন মাজিদ
প্রিন্ট ভার্সন
সিনেমা হল কেন ছাড়লেন দর্শক

বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের জন্ম ১৯৫৬ সালে আবদুল জব্বার খান পরিচালিত ‘মুখ ও মুখোশ’ ছবির মাধ্যমে। এরপর ষাট থেকে নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ পর্যন্ত ছিল ঢাকাই চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগ। পরিবার, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব নিয়ে দর্শক উৎসবের আমেজে সিনেমা হলে ছুটে যেতেন ছবি দেখত। টিকিট পাওয়া যেত না সহজে। কালোবাজারিদের কাছ থেকে উচ্চমূল্যে সিনেমার টিকিট কিনতেও দ্বিধা করতেন না কেউ। কারণ এ দেশে তখন প্রধান বিনোদন মানেই সিনেমা। একদিকে কালজয়ী সব সিনেমা নির্মাণ হতে থাকে, অন্যদিকে বাড়তে থাকে সিনেমা হলের সংখ্যা।

 

যেভাবে সুদিন হারাল

একটা সময় দেশীয় সিনেমার এই সুদিন হারিয়ে যায়। বলতে গেলে ১৯৯৭ সাল থেকেই অশ্লীলতার তাণ্ডব শুরু হলো দেশের চলচ্চিত্রে। সে সময়ে বছরে ৮০টির বেশি চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। কিন্তু শতকরা ৯৯ ভাগই ছিল অশ্লীলতার দোষে দুষ্টু। সুশীল সমাজ ও রুচিসম্মত দর্শক এতে বাধ্য হয়ে সিনেমা হলে যাওয়া ছাড়লেন, টেলিভিশনমুখী হয়ে গেলেন এবং বিদেশি চলচ্চিত্রে বেশি আকৃষ্ট হলেন।

 

অশ্লীল নায়ক-নায়িকার আবির্ভাব

এ সময়ে অশ্লীল ছবির নায়িকার তালিকায় মুনমুন, ময়ূরী, পলি, নদী প্রমুখরা শীর্ষে পৌঁছে গেলেন। এ ঘরানার নায়ক হিসেবে আলেকজান্ডার বো লিডে চলে এলেন। মান্না তো আগে থেকেই ছিলেন। রুবেলের উপস্থিতিও ছিল দেখার মতো। এতে রিয়াজ-ফেরদৌসের উপস্থিতি খানিকটা কমে গেল। অমিত হাসান এই সারিতে ঢুকে গেলেন। ডন, মেহেদী, সোহেল, আসিফ ইকবাল, আবরাজ খান, শিখা, ঝর্ণা, শাপলা, শায়লা ও নাম জানা-অজানা অনেকে অশ্লীল নায়ক-নায়িকার তালিকায় যুক্ত হলেন। নব্বইয়ের দশকের নিয়মিত ও পরিচিত মুখ নাসরিন ছিলেন অশ্লীল যুগের কি-রোলে। প্রায় সব ছবিতেই তার উপস্থিতি থাকত এবং অশ্লীল দৃশ্যেও তিনি ছিলেন পেশাদার।

 

অশ্লীল যুগে যেমন সিনেমা

অশ্লীল যুগে নানা রকমের সিনেমা হয়েছে। ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০৩ পর্যন্ত পুরোদমে এবং তারপর থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত বিরতি দিয়ে চলল। ছবি মুক্তির পরিমাণ কমে গেল। অশ্লীল যুগের এই তপ্ত হাওয়া থেকে বছরে সর্বোচ্চ ১০টা ছবি গা বাঁচাতে পেরেছে। বাকি প্রায় সব ছবিই এই জ্বরে আক্রান্ত। ১৯৯৭-২০০৭ পর্যন্ত কমপক্ষে ৫০০ চলচ্চিত্র হয়েছে। সব প্রোডাকশনই এ ধরনের কম-বেশি সিনেমা নির্মাণ করেছে। তবে বিতরণের দিক থেকে লাভা ভিডিও ছিল উল্লেখযোগ্য। লাভা ভিডিও মূলত অশ্লীল যুগকে দিকনির্দেশনা দিয়েছে। এ যুগের অধিকাংশ ছবিই মানের দিক থেকে খুবই নিম্ন। প্রায় প্রতিটারই গল্প একই রকম।

 

অশ্লীল সিনেমার ধাপ

অশ্লীল সিনেমার যুগকে চার ধাপে বিভক্ত করা যায়। প্রথম ধাপে নায়িকাদের তুলনামূলক ছোট জামা পরানো হতো। দ্বিতীয় ধাপে সাদা জামা পরে বৃষ্টিতে ভেজা, গোসলের দৃশ্য, পোশাক পরিবর্তনের দৃশ্য ইত্যাদি। তৃতীয় ধাপে বিদেশি পর্নোগ্রাফির কাটপিস এবং সবার শেষ ধাপে দেশীয় নায়িকারাই এসব দৃশ্য করেছেন। অশ্লীল যুগের ট্রেডমার্ক অর্থাৎ চতুর্থ ধাপের ছবিগুলো হলো- দুর্র্ধর্ষ সামসু, নষ্টা মেয়ে, জাঁদরেল, জাল, জাতশত্রু। এগুলোতে কোনো কাটপিস নেই। সরাসরি অভিনেত্রীরাই যৌন দৃশ্যে অভিনয় করেন। একেবারে পর্নোগ্রাফির ধরনে দেশি নায়িকাদের রগরগে যৌন দৃশ্য বেশ সময় নিয়ে দেখানো হয়। ওই ১০ বছর এই পাঁচ ছবি আলোচনায় থেকেছে। মোহাম্মদ হোসেনের ‘অবুঝ দুটি মন’। এই সিনেমায় প্রথম বাংলাদেশের কোনো নায়িকাকে সুইমিংপুলে গোসলের দৃশ্য দেখানো হলো। নায়িকা ছিলেন মডেল রথি (গুরু জেমসের প্রথম স্ত্রী)। আবুল খায়ের বুলবুলের অন্যায়-অত্যাচার ছবিতে পাহাড়ি ঝরনায় গোসলের দৃশ্য দেখা গেল। মোহাম্মদ হোসেন পরে বানালেন ‘রাঙা বউ’। এবার নায়িকা কলকাতার ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তা। এ ছবি আলোড়ন তুলল এক শ্রেণির দর্শকের কাছে রগরগে দৃশ্যের কারণে। এই ধারায় আরও ছিল এনায়েত করিমের জননেতা, কদম আলী মাস্তান, ক্ষুধার জ্বালা, ইস্পাহানি আরিফ জাহানের গোলাম, বাদশা ভাই, ভয়াবহসহ আরও অনেক সিনেমা। জননেতা ছবিতে প্রথমবার বাংলাদেশে সরাসরি উন্মুক্ত বক্ষ প্রদর্শন করা হলো। কদম আলী     মাস্তানও অশ্লীলতার দিক দিয়ে স্মার্ট। ভয়াবহ ছবিতে বি-গ্রেডের নায়িকার আমদানি ঘটল। শরিফুদ্দিন খান দিপু বানিয়েছিলেন বাঁচাও দেশ, পুলিশ অফিসার।

 

কারা অশ্লীল সিনেমা বানাতেন

অশ্লীল যুগের সিনেমা বানাতেন মূলত এনায়েত করিম, মোহাম্মদ হোসেন (ফায়ার), শরিফুদ্দিন খান দিপু (হীরা আমার নাম), স্বপন চৌধুরী, শাহাদাৎ হোসেন লিটন (কঠিন শাস্তি), বাদশা ভাই (লণ্ডভণ্ড, জোগি ঠাকুর), বদিউল আলম খোকন (দানব), রাজু চৌধুরী, এম এ আউয়াল, পল্লী মালেক (ঢাকার কুতুব), এম বি মানিক (জাঁদরেল), শাহিন-সুমন (নষ্ট), মোস্তাফিজুর রহমান বাবু (স্পর্ধা), উত্তম আকাশসহ আরও অনেকে।

 

কোথায় নির্মিত হতো

এসব ছবি নির্মিত হয়েছে এফডিসিতে। কাকরাইলে প্রস্তুত হয়ে, সেন্সর বোর্ড ফাঁকি দিয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে গেছে। এ এক অন্ধকার যুগ। কারণ এফডিসিতে তখন ব্যাপক অরাজকতা চলেছে। নব্বইয়ের দশকে যাদের হাতে ক্ষমতা ছিল তা হাতছাড়া হয়ে গেছে। আমজাদ হোসেন, চাষী নজরুল প্রমুখের মতো পরিচালকরা চাপে পড়ে গেছেন। সিনেমা বানানো বন্ধ করে দিয়েছেন। তৈরি হয়েছে এক বিশাল সিন্ডিকেট। সরকার থেকে শুরু করে গ্রামের হল পর্যন্ত যার বিস্তার। সারা দিন এফডিসিতে অখণ্ড  নীরবতা, সন্ধ্যার পরেই আলো জ্বলে উঠেছে সবখানে। শুরু হয়ে যেত তুমুল ব্যস্ততা। ফ্লোরে ফ্লোরে চলত শুটিং। মদ-গাঁজা-হেরোইনের গন্ধে মাতাল এফডিসি। সিনেমার কাজে নিরাপত্তা দরকার হয়। ভালো কাজে পুলিশ নিরাপত্তা দেয়, খারাপ কাজে দেয় মাস্তানরা। এফডিসি পরিণত হয় অনৈতিক কাজের আখড়ায়। এ সময় নতুন একঝাঁক নারী দিয়ে ভরে যায় এফডিসি। সংখ্যার তারা প্রচুর, চলছে তাদের স্বপ্ন দেখানো, চলছে নষ্টামি। চারদিকে টাকা ও যৌনতার ছড়াছড়ি। বেশ একটা ফুর্তি ফুর্তি ভাব। সবার মধ্যেই উল্লাস। যখন-তখন জামাকাপড় খুলতে হচ্ছে, জামাকাপড় না খুললে সেই ছবি লোকে দেখে না।

 

কেন অশ্লীলতায় জড়িত হলেন নায়িকারা

সে সময় সব নায়িকাই যে স্বেচ্ছায় এসব কাজ করেছেন তা কিন্তু নয়। নতুন নায়িকাদের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে, পরে জামা খোলার কথা বলা হয়েছে। তারা রাজি হননি অনেক সময়, তখন চুক্তির আইনি ভয় দেখানো হয়েছে, জোর করা হয়েছে, ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে।  মাস্তানদের গান পয়েন্টেও অনেক নায়িকা এসব দৃশ্যে অভিনয় করেছেন। অনেক সময় মাদকাসক্ত করে অভিনয় করানো হয়েছে। অনেক ছবির দৃশ্য লক্ষ্য করলেই এই অচেতন অবস্থা ধরা পড়ে। অনেক সময় নায়িকার মুখ না দেখিয়ে শুধু বিবস্ত্র শরীর দেখানো হয়েছে, নারী নিশ্চিতভাবে অচেতন এবং পুরুষের হাত ঘুরে বেড়াচ্ছে তার শরীরে। অধিকাংশ নায়িকাকে ব্ল্যাকমেল করা হয়েছে- যতটুকু সে করতে চায় তার থেকে বেশি করার জন্য ধারাবাহিক চাপ দেওয়া হয়েছে।

 

তৈরি হলো সিন্ডিকেট

অশ্লীল সিনেমা ঘিরে তৈরি হলো সিন্ডিকেট। এসব সিন্ডিকেটের কাছে দর্শক যেমন অসহায় ছিলেন, তেমন ছিল সমাজ, রাষ্ট্র, সিনেমা হল, সিনিয়র আর্টিস্ট ও নায়িকারাও। এফডিসি তখন এই সিন্ডিকেটের দখলে, সিনেমার মতোই। নগ্ন হামলা অনেকেরই খুব পছন্দের একটি ছবি। এখানে নায়িকা নদীর চরিত্রটি দেখলে এফডিসির তখনকার স্বভাব খানিকটা বোঝা যাবে। বোঝা যাবে নীতিমানদের ফ্যান্টাসি তখন কী ছিল। মূলত তখন ছবি বানানো হতো একটা ছোট অংশের দর্শকের ওপর নির্ভর করে। তাদের মন রাখার জন্য প্রায় সবকিছু করা হয়েছে।

 

নামি নির্মাতাদের ভূমিকা

নামিদামি জনপ্রিয় পরিচালকরাও এই সিন্ডিকেটের কাছে ছিলেন অসহায়। তারা বৈপ্লবিক কিছু না করে ‘পুওর টেকনিক’-এর দিকে হেঁটেছেন। চলতি হাওয়ায় গা ভাসিয়েছেন। তা ছাড়া অনেক কিছু থেকে বিরত থেকেছেন, সংযত রেখেছেন নিজেকে। কিন্তু তাতেও তারা অশ্লীল সিনেমা থেকে একেবারে বিচ্ছিন্ন ছিলেন না।

 

যেভাবে অবসানের শুরু

বাংলা চলচ্চিত্রের ভয়ংকর অশ্লীলতার যুগ ২০০৬ সালে এসে কিছুটা দুর্বল হয়ে যায়। ফখরুদ্দীন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে এর প্রকোপ কিছুটা স্তিমিত হলো। র‌্যাব হানা দিল কাকরাইলের অফিসগুলোতে। জব্দ করল হাজার হাজার কাটপিস, অগণিত নীল ছবি, অসংখ্য অশ্লীল পোস্টার। ২০০৭-এর শুরুর দিকে এফডিসি এবং ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন অঙ্গনে শুরু হলো প্রতিরোধ। শুরু হলো অশ্লীলতাবিরোধী আন্দোলন। আন্দোলনের পুরোধা ছিলেন নায়ক মান্না। সঙ্গে যোগ দিলেন কিছু শুভাকাক্সক্ষী। থাকলেন পরিচালক মালেক আফসারী ও ভিলেন ডিপজল। যদিও এরা সবাই অশ্লীল যুগে সক্রিয় ছিলেন। আন্দোলনকে সমর্থন দিল গণমাধ্যম। ২০০৭ সালের পর শাকিব-শাবনূর অভিনীত ছবি দিয়ে হাওয়া খানিকটা বদল হয়। তারপর ডিপজল এসে শাকিবকে নিয়ে কিছু সিনেমা নির্মাণ করেন, যার কারণে ইন্ডাস্ট্রি অশ্লীল যুগ থেকে একরকম মুক্তি পায়।

এই বিভাগের আরও খবর
বাংলাদেশকে নিয়ে মুগ্ধ সুস্মিতা
বাংলাদেশকে নিয়ে মুগ্ধ সুস্মিতা
আবেগাপ্লুত মেহজাবীন
আবেগাপ্লুত মেহজাবীন
আফজাল হোসেনের বার্তা
আফজাল হোসেনের বার্তা
উত্তম কুমারের গলায় শ্মশানের মালা
উত্তম কুমারের গলায় শ্মশানের মালা
যেমন শোবিজ অঙ্গন চান তারকারা
যেমন শোবিজ অঙ্গন চান তারকারা
বসন্তের রানি পারসা ইভানা
বসন্তের রানি পারসা ইভানা
গানের স্বপ্নে তানিয়া বৃষ্টি
গানের স্বপ্নে তানিয়া বৃষ্টি
বাঁধনের স্বপ্নের কথা
বাঁধনের স্বপ্নের কথা
কানাডার মঞ্চে কুমার বিশ্বজিৎ
কানাডার মঞ্চে কুমার বিশ্বজিৎ
মধুবালার যত প্রেম
মধুবালার যত প্রেম
সেরা ঢাকাই রোমান্টিক ছবি
সেরা ঢাকাই রোমান্টিক ছবি
তারকারা কে কোথায় ভোট দেবেন
তারকারা কে কোথায় ভোট দেবেন
সর্বশেষ খবর
টম ক্রুজের সঙ্গে ব্র্যাড পিটের লড়াই!
টম ক্রুজের সঙ্গে ব্র্যাড পিটের লড়াই!

২৫ মিনিট আগে | শোবিজ

বিসিএলের স্কোয়াড-সূচি ঘোষণা
বিসিএলের স্কোয়াড-সূচি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গাজা পুনর্নির্মাণে ৫০০ কোটি ডলারের বেশি সহায়তার ঘোষণা
গাজা পুনর্নির্মাণে ৫০০ কোটি ডলারের বেশি সহায়তার ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ভিসি বুয়েট অধ্যাপক আবদুল হাছিব
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ভিসি বুয়েট অধ্যাপক আবদুল হাছিব

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

গাজা পুনর্গঠনে ৫ বিলিয়ন ডলার দিতে চেয়েছে বিভিন্ন দেশ
গাজা পুনর্গঠনে ৫ বিলিয়ন ডলার দিতে চেয়েছে বিভিন্ন দেশ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশ্চিম তীরের জমি রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে অনুমোদন দিল ইসরায়েল
পশ্চিম তীরের জমি রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে অনুমোদন দিল ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফের শুরু হচ্ছে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক আলোচনা
ফের শুরু হচ্ছে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক আলোচনা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিরোজপুরে ২ বিএনপি নেতা কুপিয়ে জখম
পিরোজপুরে ২ বিএনপি নেতা কুপিয়ে জখম

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোনারগাঁয়ে বস্তাবন্দি যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সোনারগাঁয়ে বস্তাবন্দি যুবকের মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলামের দৃষ্টিতে দেশ গড়ার চ্যালেঞ্জ
ইসলামের দৃষ্টিতে দেশ গড়ার চ্যালেঞ্জ

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মুন্সীগঞ্জে পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে ৩০টি তাজা ককটেল উদ্ধার
মুন্সীগঞ্জে পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে ৩০টি তাজা ককটেল উদ্ধার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফোকলা অর্থনীতি সচল করার পরীক্ষা
ফোকলা অর্থনীতি সচল করার পরীক্ষা

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

যাত্রাবাড়ীতে ছুরিকাঘাতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিহত
যাত্রাবাড়ীতে ছুরিকাঘাতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্মাণাধীন বাড়ির ট্যাংকে মিলল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ
নির্মাণাধীন বাড়ির ট্যাংকে মিলল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জেলেই চোখ পরীক্ষা, মানতে নারাজ ইমরান খানের দল
জেলেই চোখ পরীক্ষা, মানতে নারাজ ইমরান খানের দল

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমারখালীতে ইমামের ওপর হামলার অভিযোগ
কুমারখালীতে ইমামের ওপর হামলার অভিযোগ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নতুন সংসদের যাত্রা হোক পরিবর্তনের অঙ্গীকার দিয়ে
নতুন সংসদের যাত্রা হোক পরিবর্তনের অঙ্গীকার দিয়ে

৪ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

এ ধরনের ‘নতুন সংস্কৃতি’ রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনে: তাহের
এ ধরনের ‘নতুন সংস্কৃতি’ রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনে: তাহের

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সরকারের ব্যাংক ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা
সরকারের ব্যাংক ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা

৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পাকিস্তানকে সহজেই হারিয়ে সুপার এইটে ভারত
পাকিস্তানকে সহজেই হারিয়ে সুপার এইটে ভারত

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মন্ত্রিপরিষদে আলোচনায় সিলেটের এম নাসের রহমান
মন্ত্রিপরিষদে আলোচনায় সিলেটের এম নাসের রহমান

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নতুন চার মহাকাশচারী পৌঁছালেন মহাকাশ স্টেশনে
নতুন চার মহাকাশচারী পৌঁছালেন মহাকাশ স্টেশনে

৫ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিমকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা
পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিমকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়ের গুজব নিয়ে ম্রুণাল বললেন ‌‘টাকা দিয়েও এত পাবলিসিটি পেতাম না’
বিয়ের গুজব নিয়ে ম্রুণাল বললেন ‌‘টাকা দিয়েও এত পাবলিসিটি পেতাম না’

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বিসিএলের চার দলের স্কোয়াড ঘোষণা, থাকছেন না তাসকিন
বিসিএলের চার দলের স্কোয়াড ঘোষণা, থাকছেন না তাসকিন

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মার্চ-এপ্রিলে তাপপ্রবাহ ও কালবৈশাখীর আশঙ্কা
মার্চ-এপ্রিলে তাপপ্রবাহ ও কালবৈশাখীর আশঙ্কা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জুলাইয়ে মাঠে গড়াচ্ছে গ্লোবাল সুপার লিগের নতুন আসর
জুলাইয়ে মাঠে গড়াচ্ছে গ্লোবাল সুপার লিগের নতুন আসর

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৫০০ গোল ছুঁয়ে ইতিহাস গড়ার পথে কেইন
৫০০ গোল ছুঁয়ে ইতিহাস গড়ার পথে কেইন

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামলা-চাঁদা দাবিতে লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতাদের দুই মামলা, গ্রেফতার ২
হামলা-চাঁদা দাবিতে লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতাদের দুই মামলা, গ্রেফতার ২

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রমজান মাসে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ
রমজান মাসে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদির যোগদান অনিশ্চিত
যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদির যোগদান অনিশ্চিত

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেতাকর্মীদের যে বার্তা দিলেন জামায়াত আমির
নেতাকর্মীদের যে বার্তা দিলেন জামায়াত আমির

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আজিজ খান, এস আলমের ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন
আজিজ খান, এস আলমের ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

'একটা লোকও ভোট দিল না'
'একটা লোকও ভোট দিল না'

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিভিন্ন আসনে ভোট পুনর্গণনার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত জানাল ইসি
বিভিন্ন আসনে ভোট পুনর্গণনার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত জানাল ইসি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ আসলে কী?
‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ আসলে কী?

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উপদেষ্টাদের দায়িত্ব পালনের সময়সীমা জানালেন রিজওয়ানা হাসান
উপদেষ্টাদের দায়িত্ব পালনের সময়সীমা জানালেন রিজওয়ানা হাসান

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে গাড়ি
নতুন মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে গাড়ি

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শপথের পর সংসদ সদস্যরা কী কী সুযোগ সুবিধা পান
শপথের পর সংসদ সদস্যরা কী কী সুযোগ সুবিধা পান

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'কোথাও যাচ্ছি না, আমার শেকড় এই মাটিতেই'
'কোথাও যাচ্ছি না, আমার শেকড় এই মাটিতেই'

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নাহিদ ইসলামের বাসায় তারেক রহমান
নাহিদ ইসলামের বাসায় তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কাল রাজধানীতে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল
কাল রাজধানীতে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পরবর্তী মন্ত্রিসভায় আমার থাকার প্রশ্নই ওঠে না: আসিফ নজরুল
পরবর্তী মন্ত্রিসভায় আমার থাকার প্রশ্নই ওঠে না: আসিফ নজরুল

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জামায়াত আমিরের বাসায় তারেক রহমান
জামায়াত আমিরের বাসায় তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৩২ আসনে ভোট পুনঃগণনার দাবি জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য
৩২ আসনে ভোট পুনঃগণনার দাবি জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রমজানে স্কুল বন্ধের বিষয়ে যা বলছে অধিদফতর
রমজানে স্কুল বন্ধের বিষয়ে যা বলছে অধিদফতর

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভিসা ছাড়াই চীন ভ্রমণ কার্যকর হচ্ছে মঙ্গলবার
ভিসা ছাড়াই চীন ভ্রমণ কার্যকর হচ্ছে মঙ্গলবার

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ৪৯.৯৭% ও জামায়াত ৩১.৭৬% ভোট পেয়েছে: ইসি
বিএনপি ৪৯.৯৭% ও জামায়াত ৩১.৭৬% ভোট পেয়েছে: ইসি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দিল্লির প্রেস মিনিস্টারের চুক্তি বাতিল
দিল্লির প্রেস মিনিস্টারের চুক্তি বাতিল

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির সঙ্গে সরাসরি বসে কথা বলতে ইচ্ছুক ট্রাম্প
খামেনির সঙ্গে সরাসরি বসে কথা বলতে ইচ্ছুক ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সন্ধ্যায় শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন তারেক রহমান
সন্ধ্যায় শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন তারেক রহমান

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

১১ দলীয় জোট যৌথভাবেই বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে: আযাদ
১১ দলীয় জোট যৌথভাবেই বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে: আযাদ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পদত্যাগের গুঞ্জন নিয়ে আইজিপি বললেন ‘সংবাদ সত্য নয়’
পদত্যাগের গুঞ্জন নিয়ে আইজিপি বললেন ‘সংবাদ সত্য নয়’

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এমপিদের শপথ পড়ানোর চিঠি আজই পেতে পারে কমিশন: ইসি আনোয়ারুল
এমপিদের শপথ পড়ানোর চিঠি আজই পেতে পারে কমিশন: ইসি আনোয়ারুল

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ ভারতকেই নিতে হবে: বিবিসির প্রতিবেদন
বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ ভারতকেই নিতে হবে: বিবিসির প্রতিবেদন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

এক লাখের বেশি ভোটে জয়ী ৩১ প্রার্থী, কোন দলে কত
এক লাখের বেশি ভোটে জয়ী ৩১ প্রার্থী, কোন দলে কত

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রিন্ট সর্বাধিক
খালেদা জিয়ার পর কেউ ওঠেননি সেই লাল বাড়িটিতে
খালেদা জিয়ার পর কেউ ওঠেননি সেই লাল বাড়িটিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

জুলাই জাদুঘরে ঢুকতে হবে পাঁচ গুণ বেশি টাকা দিয়ে!
জুলাই জাদুঘরে ঢুকতে হবে পাঁচ গুণ বেশি টাকা দিয়ে!

প্রথম পৃষ্ঠা

কী ঘটেছিল হাতিয়ায়
কী ঘটেছিল হাতিয়ায়

প্রথম পৃষ্ঠা

ধানের শীষে ৫০, দাঁড়িপাল্লায় পড়েছে ৩২ শতাংশ ভোট
ধানের শীষে ৫০, দাঁড়িপাল্লায় পড়েছে ৩২ শতাংশ ভোট

প্রথম পৃষ্ঠা

মিষ্টি আর ফুল পাঠালেন মমতা
মিষ্টি আর ফুল পাঠালেন মমতা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ইয়াবার আরও ভয়াবহ বিস্তার অপ্রচলিত মাদকে নতুন ভয়
ইয়াবার আরও ভয়াবহ বিস্তার অপ্রচলিত মাদকে নতুন ভয়

পেছনের পৃষ্ঠা

নারী দল নিয়ে কেন লুকোচুরি!
নারী দল নিয়ে কেন লুকোচুরি!

মাঠে ময়দানে

নতুন সরকারের শপথের পর ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী
নতুন সরকারের শপথের পর ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী

প্রথম পৃষ্ঠা

সম্প্রীতির নতুন রাজনীতি
সম্প্রীতির নতুন রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূস সরকারকে কীভাবে মনে রাখবে বাংলাদেশ
ইউনূস সরকারকে কীভাবে মনে রাখবে বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন
ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন

প্রথম পৃষ্ঠা

কাল বিদায় অন্তর্বর্তী সরকারের
কাল বিদায় অন্তর্বর্তী সরকারের

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন : ধর্ম, রাজনীতি ও ব্যক্তিগত জীবন
নির্বাচন : ধর্ম, রাজনীতি ও ব্যক্তিগত জীবন

সম্পাদকীয়

যথাসময়েই গেজেট হয়েছে, অভিযোগ থাকলে কোর্টে যান
যথাসময়েই গেজেট হয়েছে, অভিযোগ থাকলে কোর্টে যান

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশকে নিয়ে মুগ্ধ সুস্মিতা
বাংলাদেশকে নিয়ে মুগ্ধ সুস্মিতা

শোবিজ

আমি পদত্যাগ করিনি
আমি পদত্যাগ করিনি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন নিয়ে যা বললেন রাশিয়ার সিইসি
নির্বাচন নিয়ে যা বললেন রাশিয়ার সিইসি

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ
রমজানে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

আবেগাপ্লুত মেহজাবীন
আবেগাপ্লুত মেহজাবীন

শোবিজ

কাল খোলা আকাশে ব্যতিক্রমী শপথ
কাল খোলা আকাশে ব্যতিক্রমী শপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের ঘোষণা
ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

ভিজিটর ভিসায় গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষাক্রমে ভর্তি নিষিদ্ধ
ভিজিটর ভিসায় গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষাক্রমে ভর্তি নিষিদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

তৎসম শব্দের গাম্ভীর্য কাটিয়ে ভাষা সাধারণের বোধগম্য হয়েছে
তৎসম শব্দের গাম্ভীর্য কাটিয়ে ভাষা সাধারণের বোধগম্য হয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

৩২ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি ১১ দলীয় ঐক্যের
৩২ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি ১১ দলীয় ঐক্যের

প্রথম পৃষ্ঠা

জোনায়েদ সাকির বিজয়ে শোকরানা ও মিলাদ মাহফিল
জোনায়েদ সাকির বিজয়ে শোকরানা ও মিলাদ মাহফিল

দেশগ্রাম

বিভিন্ন স্থানে বিএনপি-জামায়াত একে-অপরের ওপর হামলা
বিভিন্ন স্থানে বিএনপি-জামায়াত একে-অপরের ওপর হামলা

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোটের পর বড় উত্থান
ভোটের পর বড় উত্থান

পেছনের পৃষ্ঠা

টর্চের আলোয় বাঁচল প্রাণ
টর্চের আলোয় বাঁচল প্রাণ

পেছনের পৃষ্ঠা

রামপুরায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ৪ মার্চ
রামপুরায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ৪ মার্চ

পেছনের পৃষ্ঠা