১৯৭০-এর দশকে বিটিভিতে দেশাত্মবোধক গান দিয়ে সুরকার হিসেবে যাত্রা শুরু করেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। তবে তিনি নিজে কখনো গায়ক হওয়ার ইচ্ছে পোষণ করেননি। ‘স্বপ্ন ছিল আমি গান লিখব। যিনি গান গান, তিনি গান গাইবেন। আমি একাধারে গান লিখব, গান সুর করব-এমন দুঃস্বপ্ন কখনো দেখিনি’-এভাবেই নিজের সম্পর্কে বলেছিলেন তিনি। ‘নয়নের আলো’য় সংগীত পরিচালনার মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে আসেন বুলবুল। ওই সিনেমার ছয়টি গানই তুমুল জনপ্রিয় হয়েছিল। এরপর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। কিন্তু নয়নের আলো সিনেমায় সংগীত পরিচালনার কাজ পেতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছিল আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলকে। ‘এ ছবিটি পাওয়ার যে প্রচেষ্টা আমার, সে কী বলব? হিমালয় পর্বতের চূড়ায় ওঠা আর এই ছবির কাজ পাওয়া একই কথা,’-এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন তিনি। আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের হাতের রেখা দেখে একজন জ্যোতিষী মন্তব্য করেছিলেন, এ হাতের মধ্যে সুরকার এবং গীতিকার হওয়ার কোনো রেখাই নেই। কিন্তু জ্যোতিষীর সেই ভবিষ্যদ্বাণী ভুল প্রমাণ করেছিলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। পরবর্তীতে তিনি হয়ে ওঠেন অসংখ্য জনপ্রিয় গানের সুরকার ও গীতিকার।