শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০০:৫২, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

গ্রামীণ বিনোদন কেন হারিয়ে যাচ্ছে

আলাউদ্দীন মাজিদ
প্রিন্ট ভার্সন
গ্রামীণ বিনোদন কেন হারিয়ে যাচ্ছে

বাঙালি সংস্কৃতির সোনালি অতীত ক্রমেই বিলুপ্ত হচ্ছে। কালচক্রে হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির কৃষ্টি-কালচার, সংস্কৃতি উৎসব। এক যুগ আগেও গ্রামীণ জনপদে বছরের বিশেষ দিনে নানা ধরনের উৎসবের আয়োজন করা হতো। জারি, সারি, মুর্শিদি, ভাওয়াইয়া গান, গাজীর গীত, বিয়ের গীত, বিচার গান, কবিগান, ভাব গান, পালাগান, ধোয়া গান, ভাটিয়ালি গান, যাত্রাপালা, পুতুল নাচ, কানামাছি ভোঁ ভোঁ, দাঁড়িয়াবান্ধা, বৌচি, গোল্লাছুট, ইচিং-বিচিং-চিছিং-ছা, এক্কাদোক্কা, মোরগ লড়াই, ঘোড়দৌড়, নৌকাবাইচ, লাঠিখেলা এবং জাতীয় খেলা হাডুডুসহ নানা আয়োজন করা হতো বিভিন্ন এলাকায়। শিকড়সন্ধানী জারি-সারি, কৃষ্টি-কালচার এখন আর আগেকার মতো চর্চা হয় না। আয়োজন করা হয় না এসব উৎসব। কিন্তু কেন? এ প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র গবেষক ও সাংবাদিক অনুপম হায়াৎ। তাঁর কথায়-‘দুঃখের বিষয় হলো, বর্তমান প্রজন্মের শিশুরা ভুলতে বসেছে শৈশবের মানে। শৈশবের প্রাণবন্ত উচ্ছ্বাস-উল্লাসে মাতামাতি আগের মতো চোখে পড়ে না। বিশেষ করে নগর ও শহরের যান্ত্রিকতায় শৈশব জীবনে পড়েছে বিরূপ প্রভাব। চার দেয়ালের ভিতরে যেন বন্দিত্বের সব আয়োজন। টেলিভিশন, কম্পিউটার, ইন্টারনেট, ফেসবুক, ভিডিও গেম এবং মোবাইল গেম রীতিমতো ভূতের বোঝা হয়ে চেপেছে শিশুদের মনে। এ কারণেই সামাজিক অবক্ষয় ও তরুণরা মাদকসহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে। এতে ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ বিনোদন।’

কৃষ্টি-কালচারবোদ্ধাশ্রেণির মতে, বাঙালি সংস্কৃতির ওপর বিজাতীয় আগ্রাসন ও নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে স্বদেশি সুসমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের শেকড় আজ মুখ থুবড়ে পড়ছে। এক যুগ আগেও নবান্নের উৎসব ঘিরে কিষান-কিষানির আঙিনায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় গ্রামীণ সংস্কৃতির হরেকরকম আসর বসত। আনন্দে মেতে উঠতেন ভর গ্রামের মানুষ। আমুদে লোকজনের উদ্যোগে মাঝেমধ্যেই কোনো না কোনো পাড়ামহল্লায় জারি গান, বিচার গান, কবিগান, ভাব গান, ধোয়া গান, ভাটিয়ালিসহ বিভিন্ন গানের আয়োজন করা হতো। পুতুলনাচ ও যাত্রাপালার দিকেও তাদের সমান ঝোঁক ছিল। লাঠিখেলা এবং জাতীয় খেলা হাডুডুর উন্মাদনাও ছিল গ্রামে গ্রামে। ঢাকঢোল পিটিয়ে এবং কাশি-বাঁশি বাজিয়ে জাঁকজমকভাবেই আয়োজন করা হতো হাডুডু ও লাঠিখেলা। বিভিন্ন এলাকায় বছরের একটি নির্দিষ্ট দিনে অনুষ্ঠিত হতো ঘোড়দৌড় ও নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা। উত্তেজনাপূর্ণ ও মনোমুগ্ধকর এ দুটি প্রতিযোগিতা উপভোগে মানুষের ঢল নামত। এ উপলক্ষে বসত বিশাল মেলা।

রফিকউদ্দিন নামে সিলেটের এক যাত্রাশিল্পী জানান, নতুন প্রজন্ম আমাদের ঐতিহ্যময় লোকসংস্কৃতি সম্পর্কে তেমন কিছুই জানে না। বিদেশি সংস্কৃতির প্রভাবে তারা প্রভাবিত হচ্ছে। কথায় আছে বারো মাসে তেরো পার্বণ। আর তাই গ্রামগঞ্জে পালা-পার্বণে দেখা মিলত হুলির গান, সত্যপীরের গান, ভাওয়াইয়া, পল্লীগীতি, বাউল গান, পালাগান। যাত্রার আসর বসত মাঠেঘাটে। নবান্ন ও  বৈশাখী মেলা বসত। মেলায় থাকত মৃৎশিল্পের বাহারি দোকান আর সার্কাস খেলা। সব বয়সি নারী-পুরুষ সপরিবারে একসঙ্গে বসে উপভোগ করত এসব আয়োজন। কিন্তু এখন আর সেসব আয়োজন চোখে পড়ে না। আধুনিকতার দাপটে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ খেলাধুলাও। হাডুডু, কানামাছি, বৌচি, পাক্ষি খেলা, গোল্লাছুট, ডাংগুলি, মারবেল, হাঁসখেলা, লাঠিখেলা, রশি টানা, ইচিং-বিচিং এসব জনপ্রিয় খেলার নাম নতুন প্রজন্মের অনেকের কাছেই অজানা। একসময় গ্রামেগঞ্জে চাষি, মজুর, রাখাল ছেলেরা গলাখুলে প্রাণভরে ভাটিয়ালি গান গাইত। তাদের গানের সুরের দ্যুতি ছড়িয়ে পড়ত চারদিকে। গাঁয়ের গাড়িয়াল, নদীতে মাঝি, খোলা মাঠে রাখাল, কৃষক চাষি সবাই ভাটিয়ালি গানের গায়ক ছিল। ভাটিয়ালি গান সবাই মনপ্রাণ ভরে শুনত। ভরে উঠত সবার হৃদয়। সময়ের ব্যবধানে, কালের বিবর্তনে বর্তমানে তা হারিয়ে গেছে। ভাটিয়ালির পাশাপাশি লোকসংস্কৃতিতে পালা বা যাত্রা গান ছিল অত্যন্ত জনপ্রিয়। শীত মৌসুমে গ্রাম্য অঞ্চলে পালা বা যাত্রা গানের বিরাট আসর বসত। শুধু গ্রামে নয়, অনেক সময় শহরের কেন্দ্রস্থলে পালা বা যাত্রা গানের আসর হতো। পালা বা যাত্রা গানে দলের জন্য সরকারিভাবে কোনো নিবন্ধনের প্রয়োজন হতো না। কিন্তু বর্তমান সময়ে বেশির ভাগ মানুষের ঘরে কিংবা গ্রামের চায়ের দোকানে বিনোদনের অনুষঙ্গ হিসেবে টেলিভিশন ও ইন্টারনেটের ব্যবস্থা চালু হয়েছে। টেলিভিশনের মাধ্যমেই সবাই বিনোদন নিয়ে থাকে। তাই পালা বা যাত্রা গান ক্রমান্বয়ে হারাতে বসেছে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় লোকসংস্কৃতি হারিয়ে যাচ্ছে। গ্রামবাংলার মানুষের প্রাণপ্রিয় লোকসংস্কৃতিকে ঐক্যবদ্ধভাবে ফিরিয়ে আনার প্রয়োজন। না হলে অবক্ষয়ের কবল থেকে কমপক্ষে যুবসমাজকে রক্ষা করা যাবে না।

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে, বিভিন্ন সময়ে বর্তমানেও মেলা হচ্ছে। কিন্তু সেই মেলায় নাগরদোলা, লাঠিখেলা, পুতুলনাচ, যাত্রা, ম্যাজিক ও সার্কাস ইত্যাদি যেন এখন অতীত ঐতিহ্যকে দায়সারা গোছের মতো কোনোভাবে ধরে রেখেছে। আধুনিক প্রযুক্তির বন্দনায় এসবের প্রতি মানুষের আগ্রহও যেন হারিয়ে গেছে। একসময়ের গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বিনোদন ছিল বায়োস্কোপ দেখা। এটি এখন আর আগের মতো চোখে পড়ে না। আগে বিভিন্ন হাটবাজারে দর্শকদের বায়োস্কোপ দেখিয়ে বেশ আয় হতো। গ্রামীণ বিনোদন হারিয়ে যাওয়ার কারণ জানাতে গিয়ে সাংবাদিক-গবেষক অনুপম হায়াৎ আরও বলেন, বিজ্ঞানের ক্রম উৎকর্ষতা এই বিলুপ্তির প্রধান একটি কারণ।

এ ছাড়া উদ্যোক্তা ও পৃষ্ঠপোষকের অভাব, উপযোগী পরিবেশ, পর্যাপ্ত খেলার মাঠের সংকট, নদীর নাব্য হ্রাস, মাটির রাস্তার অপ্রতুলতাসহ বহুবিধ সমস্যার ফলে গ্রামবাংলার অতীত ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এই করুণ দশা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির ফলে মানুষ গোটা পৃথিবী, পৃথিবীর কৃষ্টি-কালচার, বিভিন্ন অনুষ্ঠানসহ নানা ধরনের  বিনোদন ঘরে বসেই  উপভোগের সুবিধা পাচ্ছেন। সে কারণে এ যান্ত্রিকতার যুগে মানুষও একঘেয়ে ছকে আটকে পড়ছে। এ অবস্থার উত্তরণে শুধু সরকার নয়, প্রত্যেক মানুষকে অবশ্যই সচেতন হতে হবে।

এই বিভাগের আরও খবর
এফডিসিতে চলচ্চিত্র সেমিনার
এফডিসিতে চলচ্চিত্র সেমিনার
দিলারা জামানের আত্মতৃপ্তি
দিলারা জামানের আত্মতৃপ্তি
কৃষকের ঈদ আনন্দ ড্রিম হলিডে পার্কে
কৃষকের ঈদ আনন্দ ড্রিম হলিডে পার্কে
অন্য ভাবনায় চম্পা
অন্য ভাবনায় চম্পা
বলিউড তারকার সঙ্গে প্রথম জুটি
বলিউড তারকার সঙ্গে প্রথম জুটি
নগণ্য শ্রাবন্তী
নগণ্য শ্রাবন্তী
বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি
বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি
মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ
মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ
অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি
অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি
রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন
রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন
আমি একজন গর্বিত মা
আমি একজন গর্বিত মা
ফিল্ম আর্কাইভে জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন
ফিল্ম আর্কাইভে জাতীয় চলচ্চিত্র সংসদ সম্মেলন
সর্বশেষ খবর
দুই গণ্ডারের মুখোমুখি সংঘর্ষ ধরা পড়ল ক্যামেরায়
দুই গণ্ডারের মুখোমুখি সংঘর্ষ ধরা পড়ল ক্যামেরায়

১ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

যাদের বিরুদ্ধে ছিল ‘ভোট চুরির’ অভিযোগ, তারাই এখন শুভেন্দুর সেনাপতি
যাদের বিরুদ্ধে ছিল ‘ভোট চুরির’ অভিযোগ, তারাই এখন শুভেন্দুর সেনাপতি

১১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সুযোগে ডালপালা মেলছে সোমালিয়ার দস্যুরা
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সুযোগে ডালপালা মেলছে সোমালিয়ার দস্যুরা

২০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্ট’, মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্ট’, মন্তব্য ট্রাম্পের

৫২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতলক্ষ্যা নদী থেকে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার
শীতলক্ষ্যা নদী থেকে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সংঘর্ষের পর ট্রাফিক সিগন্যালে আটকে গেল দ্রুতগতির মোটরসাইকেল!
সংঘর্ষের পর ট্রাফিক সিগন্যালে আটকে গেল দ্রুতগতির মোটরসাইকেল!

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মোদি ম্যাজিক নাকি বিভাজনের রাজনীতি?
মোদি ম্যাজিক নাকি বিভাজনের রাজনীতি?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাঞ্ছারামপুরে গুলিবিদ্ধ তরুণের মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্ত
বাঞ্ছারামপুরে গুলিবিদ্ধ তরুণের মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্ত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মঙ্গলের উপগ্রহ ঘিরে নতুন আশঙ্কা, নিজের ধ্বংসাবশেষেই ভেঙে যেতে ফোবোস
মঙ্গলের উপগ্রহ ঘিরে নতুন আশঙ্কা, নিজের ধ্বংসাবশেষেই ভেঙে যেতে ফোবোস

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় প্রভাব ফেলেছে ‘এসআইআর’, সর্বোচ্চ আদালতে অভিযোগ মমতার
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় প্রভাব ফেলেছে ‘এসআইআর’, সর্বোচ্চ আদালতে অভিযোগ মমতার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের ওপর হামলা কি সাজানো নাটক?
ট্রাম্পের ওপর হামলা কি সাজানো নাটক?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঠাকুরগাঁওয়ে মুরগিবাহী গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুজনকে গণপিটুনি
ঠাকুরগাঁওয়ে মুরগিবাহী গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুজনকে গণপিটুনি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টঙ্গীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
টঙ্গীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

তৃণমূলের প্রচারে যাওয়া প্রসঙ্গে শ্রাবন্তী বললেন ‌‘শিল্পীদের ওপর অনেক চাপ থাকে’
তৃণমূলের প্রচারে যাওয়া প্রসঙ্গে শ্রাবন্তী বললেন ‌‘শিল্পীদের ওপর অনেক চাপ থাকে’

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড্রেনে জমে থাকা পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু
ড্রেনে জমে থাকা পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তরুণদের কর্মসংস্থানে ব্যাপক শিল্পায়ন প্রয়োজন : ত্রাণমন্ত্রী
তরুণদের কর্মসংস্থানে ব্যাপক শিল্পায়ন প্রয়োজন : ত্রাণমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইসরায়েলি পরিকল্পনা রুখে মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছে সৌদি: প্রিন্স তুর্কি
ইসরায়েলি পরিকল্পনা রুখে মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছে সৌদি: প্রিন্স তুর্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমের গুঞ্জনে ঘি ঢাললেন তৃষা, বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী
প্রেমের গুঞ্জনে ঘি ঢাললেন তৃষা, বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যেভাবে বারান্দার গ্রিলে আটকে গেল চোর
যেভাবে বারান্দার গ্রিলে আটকে গেল চোর

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইয়েমেন থেকেও এলো কড়া হুঁশিয়ারি, বিপদে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইয়েমেন থেকেও এলো কড়া হুঁশিয়ারি, বিপদে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে ফের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প
হরমুজে ফের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিপক্ব হলেই আম বাজারে নেওয়া যাবে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিপক্ব হলেই আম বাজারে নেওয়া যাবে

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের সেবা সপ্তাহ শুরু
বরিশালে নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের সেবা সপ্তাহ শুরু

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ
৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

১২ বছর পর খুলছে তুরস্ক-সিরিয়া আকচাকালে সীমান্ত ক্রসিং
১২ বছর পর খুলছে তুরস্ক-সিরিয়া আকচাকালে সীমান্ত ক্রসিং

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে: নিপুণ
জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে: নিপুণ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জয়পুরহাটে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু
জয়পুরহাটে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পোশাক কারখানায় তিন ধাপে ছুটিসহ নানা প্রস্তুতি
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পোশাক কারখানায় তিন ধাপে ছুটিসহ নানা প্রস্তুতি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেঘনায় গোসলে নেমে কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যু
মেঘনায় গোসলে নেমে কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের ময়দানে নামার আগে কেমন ছন্দে আছেন মেসি-রোনালদো?
বিশ্বকাপের ময়দানে নামার আগে কেমন ছন্দে আছেন মেসি-রোনালদো?

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামির পদত্যাগ
ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামির পদত্যাগ

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ‘সরিয়ে নেওয়া’ নিয়ে মুখ খুললেন নেতানিয়াহু
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ‘সরিয়ে নেওয়া’ নিয়ে মুখ খুললেন নেতানিয়াহু

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের চার দফা প্রস্তাবে সমর্থন ইরানের
চীনের চার দফা প্রস্তাবে সমর্থন ইরানের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মন্ত্রী না হলে’ সাক্ষাৎ নয়, দিল্লিকে কী বার্তা দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী?
‘মন্ত্রী না হলে’ সাক্ষাৎ নয়, দিল্লিকে কী বার্তা দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী
উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর, রেটিং বাড়ল বাংলাদেশের
ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর, রেটিং বাড়ল বাংলাদেশের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ছেলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
ছেলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট
গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান-সৌদির যুদ্ধ বাঁধাতে ইসরায়েলি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে: সৌদি রাজপরিবারের শীর্ষ সদস্য
ইরান-সৌদির যুদ্ধ বাঁধাতে ইসরায়েলি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে: সৌদি রাজপরিবারের শীর্ষ সদস্য

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা
বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মার্কিন প্রস্তাবের কড়া জবাব : হরমুজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণ চায় ইরান
মার্কিন প্রস্তাবের কড়া জবাব : হরমুজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণ চায় ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প
যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়েতে স্বর্ণ কেনা বন্ধের আহ্বান মোদির, কী সংকটে ভারত
বিয়েতে স্বর্ণ কেনা বন্ধের আহ্বান মোদির, কী সংকটে ভারত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইন্টারনেট 'বোমা', মুহূর্তেই অচল পুরো বিশ্ব!
ইরানের ইন্টারনেট 'বোমা', মুহূর্তেই অচল পুরো বিশ্ব!

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেনী ও পঞ্চগড়ের সমালোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার
ফেনী ও পঞ্চগড়ের সমালোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিজের জেনারেলদের ওপর কেন আস্থা হারালেন শি জিনপিং
নিজের জেনারেলদের ওপর কেন আস্থা হারালেন শি জিনপিং

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী
ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা
বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজের চাকায় আগুন
কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজের চাকায় আগুন

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুরুতেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর, মমতার অভিযোগ ঠিকই ছিলো?
শুরুতেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর, মমতার অভিযোগ ঠিকই ছিলো?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইরান যুদ্ধ থেকে যে বড় শিক্ষা নিচ্ছে চীন: সিএনএন’র বিশ্লেষণ
ইরান যুদ্ধ থেকে যে বড় শিক্ষা নিচ্ছে চীন: সিএনএন’র বিশ্লেষণ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিরপুর থানার হত্যাচেষ্টা মামলা : ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল
মিরপুর থানার হত্যাচেষ্টা মামলা : ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর
মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া
জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেনজেনে প্রবেশ করতে ভ্রমণকারীদের সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ
শেনজেনে প্রবেশ করতে ভ্রমণকারীদের সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চাঁদাবাজি-ছিনতাই-মাদক ঠেকাতে যাদের ফোন দিই তারাই গডফাদার : এডিসি জুয়েল
চাঁদাবাজি-ছিনতাই-মাদক ঠেকাতে যাদের ফোন দিই তারাই গডফাদার : এডিসি জুয়েল

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপে নামার আগে ১০ শর্ত, আসলে কী চাইছে ইরান
বিশ্বকাপে নামার আগে ১০ শর্ত, আসলে কী চাইছে ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মার্কিন চুক্তির প্রভাব আমদানিনীতিতে
মার্কিন চুক্তির প্রভাব আমদানিনীতিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

হামে কেন এত মৃত্যু
হামে কেন এত মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার হামলা মাজারের খাদেমের ওপর
এবার হামলা মাজারের খাদেমের ওপর

পেছনের পৃষ্ঠা

চুরির অভিযোগে যুবককে গাছে বেঁধে মারধর
চুরির অভিযোগে যুবককে গাছে বেঁধে মারধর

পেছনের পৃষ্ঠা

ভিসা বন্ডের অর্থ পাঠানোর অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ভিসা বন্ডের অর্থ পাঠানোর অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

পেছনের পৃষ্ঠা

ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ
ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ

পেছনের পৃষ্ঠা

হঠাৎ মৌয়ালের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল বাঘ
হঠাৎ মৌয়ালের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল বাঘ

পেছনের পৃষ্ঠা

গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করলেই এগোবে বাংলাদেশ
গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করলেই এগোবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

চারজনকে গলা কেটে একজনকে শ্বাস রোধে হত্যা করা হয়েছে
চারজনকে গলা কেটে একজনকে শ্বাস রোধে হত্যা করা হয়েছে

পেছনের পৃষ্ঠা

অটোরিকশাচালক হত্যা, গ্রেপ্তার ২
অটোরিকশাচালক হত্যা, গ্রেপ্তার ২

দেশগ্রাম

বাড়ছে বয়স্ক বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা
বাড়ছে বয়স্ক বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা

পেছনের পৃষ্ঠা

গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ গৃহকর্তার মৃত্যু
গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ গৃহকর্তার মৃত্যু

নগর জীবন

গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ প্রকাশ করা যাবে না
গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ প্রকাশ করা যাবে না

পেছনের পৃষ্ঠা

আফজাল নাছের ফের রিমান্ডে
আফজাল নাছের ফের রিমান্ডে

পেছনের পৃষ্ঠা

শিকারিদের কাছ থেকে উদ্ধার হরিণ
শিকারিদের কাছ থেকে উদ্ধার হরিণ

দেশগ্রাম

স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপে গোলাগুলি
স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপে গোলাগুলি

পেছনের পৃষ্ঠা

শেনজেন ভিসায় প্রবেশে সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ
শেনজেন ভিসায় প্রবেশে সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাজারে অপরিপক্ব লিচু
বাজারে অপরিপক্ব লিচু

দেশগ্রাম

যুদ্ধ পরিস্থিতি ফের জটিল হচ্ছে!
যুদ্ধ পরিস্থিতি ফের জটিল হচ্ছে!

প্রথম পৃষ্ঠা

জ্বালানিসংকট সমাধান ছাড়া আস্থা ফিরবে না বিনিয়োগকারীদের
জ্বালানিসংকট সমাধান ছাড়া আস্থা ফিরবে না বিনিয়োগকারীদের

পেছনের পৃষ্ঠা

জামায়াত কর্মী গুলিবিদ্ধ নিজ বাড়ির সামনে
জামায়াত কর্মী গুলিবিদ্ধ নিজ বাড়ির সামনে

পেছনের পৃষ্ঠা

২৫০ টাকায় শনাক্ত করা যাবে সবজিতে বিষাক্তের মাত্রা
২৫০ টাকায় শনাক্ত করা যাবে সবজিতে বিষাক্তের মাত্রা

পেছনের পৃষ্ঠা

পানিতে ডুবে প্রাণ গেল পাঁচ শিশুর
পানিতে ডুবে প্রাণ গেল পাঁচ শিশুর

দেশগ্রাম

গর্ত-খানাখন্দে মারণফাঁদ
গর্ত-খানাখন্দে মারণফাঁদ

দেশগ্রাম

অসুস্থ অর্ধশতাধিক শ্রমিক হাসপাতালে
অসুস্থ অর্ধশতাধিক শ্রমিক হাসপাতালে

দেশগ্রাম

লাইফ সাপোর্টে রাজধানী
লাইফ সাপোর্টে রাজধানী

প্রথম পৃষ্ঠা

রত্নগর্ভা সম্মাননা পেলেন ৩৫ মা
রত্নগর্ভা সম্মাননা পেলেন ৩৫ মা

নগর জীবন

বন্ধুকে বাসায় ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা
বন্ধুকে বাসায় ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা

নগর জীবন

গ্যাস লাইনে লিকেজে বিস্ফোরণ, দগ্ধ একই পরিবারের চারজন
গ্যাস লাইনে লিকেজে বিস্ফোরণ, দগ্ধ একই পরিবারের চারজন

দেশগ্রাম