শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০০:২৬, রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস

আলাউদ্দীন মাজিদ
প্রিন্ট ভার্সন
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস

একটা সময় এ দেশে বিনোদনের অন্যতম অনুষঙ্গ ছিল সার্কাস। মানুষ এবং জীবজন্তুর অবিশ্বাস্য সব খেলা ট্রিকস দেখতে শিশু থেকে বুড়ো সবাই মুখিয়ে থাকত। এ যেন ছিল এক অন্যরকম উন্মাদনা। কমপক্ষে আশির দশক পর্যন্ত এ দেশে সার্কাসের রমরমা অবস্থা ছিল। কিন্তু একটা সময় আকাশ সংস্কৃতির যুগ শুরু হলে আধুনিকতার ডামাডোলে ও কালের বিবর্তনে সার্কাস এখন বিলুপ্ত একটি বিনোদনের নাম।

বাংলাদেশে ১৯০৫ সালে ‘দি লায়ন সার্কাস’ নামে প্রথম একটি সার্কাস দল গঠিত হয়। ১৯৭০ সালে দলটির নাম পরিবর্তিত হয়ে হয় ‘দি সাধনা লায়ন সার্কাস’। বাংলাদেশের সার্কাস দলগুলোতে সাধারণত জীবজন্তুর খেলা এবং মানুষের চোখ দিয়ে রড বাঁকানো, ভারোত্তোলন, এক চাকা, দুই চাকা, লোহার খাঁচা ও কূপের মধ্যে মোটরসাইকেল চালানোসহ নানা খেলা দেখানো হতো।

বিনোদনেস্বাধীনতা পূর্বকালে ১৯৪৭ থেকে ১৯৭০ সালে পর্যন্ত এ দেশে বেশ কিছু দল নিয়মিতভাবে সার্কাস প্রদর্শনী করত। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- রাধিকা মোহন মোদকের ‘দি বেবি সার্কাস’, সাতক্ষীরার জুড়ান কর্মকারের ‘দি আজাদ সার্কাস’, ১৯৪৭ সালে গঠিত বরিশালের লক্ষণ দাসের ‘দি রয়েল পাকিস্তান সার্কাস’, বনমালি মোদকের ‘দি ইস্ট   পাকিস্তান সার্কাস’, নারায়ণগঞ্জে রাধানাথ সরকারের ‘দি আর এন ডল ড্যান্স সার্কাস’, নবাবগঞ্জে কার্তিক সরকারের ‘লক্ষ্মীনারায়ণ সার্কাস’ ও সাধুদাসের ‘দি লায়ন সার্কাস’, ১৯৬৫ সালে গঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এমএ সামাদের ‘দি সেভেন স্টার সার্কাস’ ও ‘দি নিউ স্টার সার্কাস’ এবং ১৯৬৮ সালে গঠিত রংপুরে আলী আকবরের ‘দি রওশন সার্কাস’। স্বাধীনতা-পরবর্তী এ দেশে যেসব সার্কাস দল গঠিত হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য- বগুড়ার মহাস্থানগড়ের আবদুস সাত্তারের ‘দি বুলবুল সার্কাস’, বরিশালের বীরেনচন্দ্র দাসের ‘দি রয়েল সার্কাস’, ফেনীর সুনীল চন্দ্র পালের ‘দি সবুজ বাংলা সার্কাস’, সাতক্ষীরার ‘দি সুন্দরবন সার্কাস’, নারায়ণগঞ্জের মুকুলের ‘দি কাঞ্চন সার্কাস’, চট্টগ্রামের আনোয়ার খানের ‘দি কোহিনূর সার্কাস’, সৈয়দপুরের আকবর শেখের ‘দি রওশন সার্কাস, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এমএ সামাদের ‘দি নিউ স্টার সার্কাস’, আবদুল বশিরের ‘দি ন্যাশনাল সার্কাস’, ঢাকার নবাবগঞ্জের নিরঞ্জন সরকারের ‘দি লায়ন সার্কাস’, ঢাকা-বর্ধনপাড়ার রতন সরকারের ‘দি রাজমহল সার্কাস’, শৈলেন বাবুর ‘নিউ সবুজ বাংলা সার্কাস’ এবং ঢাকার কেরানীগঞ্জের বসন্তকুমার মোদকের ‘দি সোনার বাংলা সার্কাস’। কালের প্রবাহে বিনোদনের মাধ্যমে এসেছে প্রযুক্তির ছোঁয়া। হারিয়ে যাচ্ছে প্রাচীন বিনোদন মাধ্যমগুলোর জৌলুস। যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে না পারার কারণে আর বন্যপ্রাণী রক্ষা আইন ক্রমে কঠিন হয়ে ওঠার কারণে বিলুপ্তির পথে এই প্রাচীন সংস্কৃতি। একসময় মেলায় গেলে দেখা যেত, মেলার সবচেয়ে বেশি জায়গা জুড়ে রয়েছে সার্কাসের তাঁবু। আবার টেলিভিশনের পর্দায় বিদেশি সার্কাস দেখার আগ্রহও কোনো অংশে কম ছিল না। কিন্তু সময় আজ অনেক পরিবর্তিত। বিনোদনের এ মাধ্যমটি এখন মানুষের মুখে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের উপকরণ। ব্রিটিশদের হাত ধরেই ভারতীয় উপমহাদেশে সার্কাসের গোড়াপত্তন হয়।

বিনোদনে১৮৭৯ সালে রোমান উইলিয়াম সিরিন একটি ইতালিয়ান সার্কাস দল নিয়ে উপস্থিত হন ভারতের কেরালা রাজ্যে। সেখানে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন যে, সারা ভারতে তার দলের কোনো খেলা নকল করে দেখানোর মতো উপযুক্ত কেউ নেই। এ চ্যালেঞ্জ মহারাষ্ট্রের রাজা কুরুওয়ানদানের আত্মসম্মানে আঘাত করে। তখন তিনি উইলিয়ামের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন। তিনি তার অশ্ব প্রশিক্ষক এবং আরও দুই শিষ্যকে নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে বিভিন্ন খেলায় দক্ষতা অর্জন করেন এবং উইলিয়ামের সার্কাস দলের প্রদর্শিত খেলা একে একে নকল করে দেখান। ভেঙে দেন রোমানের অহংকার। এরপর এ তিন ভারতীয় মিলে প্রতিষ্ঠা করেন একটি সার্কাস দল। শুধু দল গঠনই নয়, প্রতিষ্ঠা করেন সার্কাস স্কুল। যে কারণে ভারতের কেরালাকে উপমহাদেশের সার্কাস ইতিহাসের পুণ্যভূমি বলা হয়। কলকাতার পার্ক সার্কাস ময়দানে প্রায় প্রত্যেক বছর নিয়ম করে দেখানো হতো রাশিয়ান সার্কাস। এ জায়গার নামকরণও ওই সার্কাস প্রদর্শনকে ঘিরেই। সেই থেকেই শুরু করে নব্বই দশকের শেষ দিক পর্যন্তও প্রতি বছরের শীতের আমেজ জমিয়ে রাখত পার্ক সার্কাস ময়দান। তৎকালীন পাকিস্তানের ‘লাকি ইরানি সার্কাস’ হলো খুব নামকরা একটি সার্কাস দল। এ দলটি দেশটির বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে সার্কাস খেলা দেখায়। পাকিস্তানে এমন কয়েক প্রজন্ম পাওয়া যাবে যাদের কাছে বিনোদনের অন্যতম উপাদান ছিল লাকি ইরানির সার্কাস। বংশ পরম্পরায় আজও এ সার্কাস দলটি টিকে আছে। সার্কাস শব্দটি মূলত একটি ইংরেজি শব্দ। ১৪০০ সালে ইংরেজি ভাষায় প্রথম এর ব্যবহার হয়। আবার এ ইংরেজি ‘সার্কাস’ আসলে ল্যাটিন ঈরৎপঁং থেকে উদ্ভূত হয়েছে। এ ল্যাটিন শব্দটি আবার গ্রিক শব্দ করৎশড়ং থেকে এসেছে, যার মানে একটা গোলাকার ক্রীড়াচক্র, যাকে ঘিরে দর্শকদের বসার ব্যবস্থা থাকে। সার্কাস মূলত একদল বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি দ্বারা পরিচালিত হয়, যারা নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম দ্বারা নিজেদের দক্ষ করে গড়ে তোলে এবং নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানের দিন তাদের দক্ষতা জাহির করে। সার্কাসে অনেক ধরনের খেলা দেখানো হয় বলে বেশ প্রশস্ত জায়গা নিয়েই এর প্রদর্শনী চলে। পুরো কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে বড় ধরনের তাঁবু ব্যবহার করা হয়, যা ‘বিগ টপ’ নামে পরিচিত। সার্কাসের আকার সাধারণত গোলাকৃতি হয়ে থাকে। মাঝখানের গোলাকৃতি মঞ্চ যেটি ‘রিং’ নামে পরিচিত, সেখানে সব খেলার প্রদর্শনী হয়ে থাকে। যিনি সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন তাকে রিংমাস্টার বলা হয়। সার্কাসের ইতিহাস কিন্তু বেশ পুরোনো। বহু প্রাচীনকাল থেকেই রোম, মিসর ও গ্রিসের বিভিন্ন শহরে সার্কাসের খেলা দেখানো হতো। তখন যদিও একে সার্কাস বলা হতো না, তবে মূল বিষয় ছিল একই। সেই সময়কার সার্কাস এখনকার মতো এত আড়ম্বড়পূর্ণও ছিল না। তখনকার দিনে সার্কাস বলতে ছোটখাটো আগুনের খেলা, লাঠি ঘোরানো, দড়ি খেলা, বাদ্যযন্ত্র বাজানো, ভারোত্তোলন ইত্যাদি দেখানো হতো। এর পাশাপাশি ছিল কিছু জীবজন্তুর প্রদর্শনী, যা আজকের দিনের চিড়িয়াখানার চেয়ে বেশি কিছু নয়। সম্রাট জুলিয়াস সিজারের আমলে রোমে প্রথম রাষ্ট্রীয়ভাবে সার্কাস প্রদর্শন করা হয়। আর এ সার্কাস পরিচালনা করে তখনকার বৃহত্তম সার্কাস দল ‘ম্যাক্সিমাস’। ২ লাখের বেশি লোকের ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন চত্বর পাথর দিয়ে ঘেরাও করে নির্মাণ করা হয় সার্কাসের ক্ষেত্র। এরপর থেকে সার্কাসের জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে এবং ধীরে ধীরে আঞ্চলিক মেলাগুলোতেও সার্কাস প্রদর্শনী শুরু হয়। আঠারো শতকের দিকে এসে সার্কাসের চেহারা ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হতে থাকে। আর এই পরিবর্তনের কর্ণধার হলেন ইংল্যান্ডের ফিলিপ অ্যাসলো। মূলত তার হাত ধরেই আধুনিক সার্কাসের যাত্রাপথ শুরু হয়। বর্তমান সার্কাসের অনেক জনপ্রিয় খেলা ছিল তার সৃষ্টি। ফিলিপের হাত ধরে সার্কাসের পুরো চেহারাই পাল্টে যায়। আঠারো শতকের শেষ দিকে তিনি একটা ছোট্ট ঘোড়সওয়ারির দল নিয়ে ছুটন্ত ঘোড়ার পিঠে চড়ে একটা গোলাকার ক্রীড়াক্ষেত্রে নানা রকমের আশ্চর্য খেলা দেখাতে শুরু করলেন। এই খেলা খুব অল্প দিনের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠল। তিনি যে বৃত্তাকার ক্রীড়াভূমি ব্যবহার করতেন, তাকেই মূলত বলা হতো রিং। সেই থেকে সার্কাসের ক্রীড়াক্ষেত্র বলতেই ‘রিং’ শব্দটির প্রচলন শুরু হয়। এরপর থেকে সার্কাসের প্রসার ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। ফিলিপের এক সহকারী চার্লস হিউজেস সমসাময়িককালে রাশিয়াতে সার্কাস দেখানো শুরু করেন। এ সময় ইউরোপীয় সার্কাস দলের প্রায় সবারই নানা শহরে স্থায়ী খেলার মাঠ ছিল। ১৭৮০ সালের শেষ দিকে সার্কাস প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পদার্পণ করে জন বিল রিকেটসের হাত ধরে। তিনি ১৭৯৩ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়াতে একটি প্রদর্শনী করেন, যেটিকে সার্কাসের ইতিহাসে প্রথম পূর্ণাঙ্গ প্রদর্শনী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এই শো এতই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে আমেরিকার প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন পর্যন্ত শো দেখতে আসেন। কালের পরিবর্তনে সার্কাসে নিত্যনতুন আইডিয়ার খেলা এবং দুঃসাহসী খেলার আগমন ঘটতে থাকে। আইজ্যাক ভ্যান অ্যামবুর্গ নামের মার্কিনি পেশায় একজন খুব নামকরা বন্যজন্তু শিক্ষক ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন খুব দুঃসাহসী। পৃথিবীতে সর্বপ্রথম তিনিই সিংহের মুখের ভিতর নিজের মাথা ঢুকিয়ে নিরাপদে মাথা বের করার খেলা দেখিয়ে সার্কাসের পুরো দৃশ্যপট পাল্টে দিয়েছিলেন।

এই বিভাগের আরও খবর
সারা আলির ভাবনা
সারা আলির ভাবনা
ঈদে বৈশাখী টিভিতে সাত ধারাবাহিক
ঈদে বৈশাখী টিভিতে সাত ধারাবাহিক
ঈদে নয়া লুকে আরিফিন শুভ
ঈদে নয়া লুকে আরিফিন শুভ
তাসনিয়ার ঈদ উপহার
তাসনিয়ার ঈদ উপহার
দরজার ওপাশে মৃত্যুর অপেক্ষায় থাকা মানুষটি কে ছিলেন?
দরজার ওপাশে মৃত্যুর অপেক্ষায় থাকা মানুষটি কে ছিলেন?
ঢাকাই সিনেমায় গোয়েন্দা গল্প...
ঢাকাই সিনেমায় গোয়েন্দা গল্প...
মুক্ত পাখি রাইমা
মুক্ত পাখি রাইমা
আসছে ওটিটি ‘উৎসব’
আসছে ওটিটি ‘উৎসব’
নাবিলার ভয়
নাবিলার ভয়
সিনেমা হল নেই ১৬ জেলায়
সিনেমা হল নেই ১৬ জেলায়
মৌয়ের ‘সারার সংসার’
মৌয়ের ‘সারার সংসার’
ভেঙে পড়ছে দিলীপ কুমার ও রাজ কাপুরের  বাড়ি
ভেঙে পড়ছে দিলীপ কুমার ও রাজ কাপুরের বাড়ি
সর্বশেষ খবর
২০ বছর পূর্ণের আগেই বিশ্বকাপ জিতে ইতিহাস গড়েছেন যারা
২০ বছর পূর্ণের আগেই বিশ্বকাপ জিতে ইতিহাস গড়েছেন যারা

এই মাত্র | মাঠে ময়দানে

হামের টিকার সংকট নিয়ে ১০ বার সরকারকে সতর্ক করা হয়েছিল: ইউনিসেফ
হামের টিকার সংকট নিয়ে ১০ বার সরকারকে সতর্ক করা হয়েছিল: ইউনিসেফ

৪ মিনিট আগে | জাতীয়

শেবাচিমে চালু হচ্ছে ১০ শয্যার হেমাটোলজি ডে কেয়ার ইউনিট
শেবাচিমে চালু হচ্ছে ১০ শয্যার হেমাটোলজি ডে কেয়ার ইউনিট

৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

গাইবান্ধায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৮ দোকান পুড়ে ছাই
গাইবান্ধায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৮ দোকান পুড়ে ছাই

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্যবসায়ীর থেকে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৪
ব্যবসায়ীর থেকে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ, যুবদল নেতাসহ গ্রেফতার ৪

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে ভবন থেকে পড়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু
জয়পুরহাটে ভবন থেকে পড়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে রিক্সাচালকের ধাক্কায় প্রাণ গেল পুলিশ সদস্যের
চট্টগ্রামে রিক্সাচালকের ধাক্কায় প্রাণ গেল পুলিশ সদস্যের

১২ মিনিট আগে | নগর জীবন

বিইউপিতে ‘১ম সিএফএস আন্তর্জাতিক সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত
বিইউপিতে ‘১ম সিএফএস আন্তর্জাতিক সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত

১২ মিনিট আগে | জাতীয়

রামিসা হত্যা; অভিযুক্ত সোহেল রানার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন
রামিসা হত্যা; অভিযুক্ত সোহেল রানার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন

১২ মিনিট আগে | নগর জীবন

বাণিজ্যিক পারমাণবিক ফিউশন প্রযুক্তির প্রসারে এস্টার-সিএফএস চুক্তি
বাণিজ্যিক পারমাণবিক ফিউশন প্রযুক্তির প্রসারে এস্টার-সিএফএস চুক্তি

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নড়াইলে হত্যা মামলার আসামিপক্ষের হামলায় বাদীপক্ষের ৩ নারী আহত
নড়াইলে হত্যা মামলার আসামিপক্ষের হামলায় বাদীপক্ষের ৩ নারী আহত

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এ দেশের মানুষ কখনো জামায়াতকে ক্ষমতায় আনবে না: মির্জা ফখরুল
এ দেশের মানুষ কখনো জামায়াতকে ক্ষমতায় আনবে না: মির্জা ফখরুল

১৭ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

জয়পুরহাটে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহের উদ্বোধন ও শোভাযাত্রা
জয়পুরহাটে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহের উদ্বোধন ও শোভাযাত্রা

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাউবিতে আউটকাম বেইজড এডুকেশন বিষয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ
বাউবিতে আউটকাম বেইজড এডুকেশন বিষয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ

২১ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

প্রথম বেতনের টাকা মাদরাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করলেন এমপি জাহাঙ্গীর
প্রথম বেতনের টাকা মাদরাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করলেন এমপি জাহাঙ্গীর

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দেশে হাম উপসর্গে নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু
দেশে হাম উপসর্গে নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

মিরপুরে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
মিরপুরে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মুন্সীগঞ্জে মেধা যোগ্যতা স্বচ্ছতায় পুলিশে চাকরি
মুন্সীগঞ্জে মেধা যোগ্যতা স্বচ্ছতায় পুলিশে চাকরি

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আচরণবিধি ভঙ্গে শাস্তি পেলেন সালমান আগা
আচরণবিধি ভঙ্গে শাস্তি পেলেন সালমান আগা

২৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কুবি রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃত্বে প্রসেনজিত–হিমু
কুবি রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃত্বে প্রসেনজিত–হিমু

৩০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ফুলবাড়ীতে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু
ফুলবাড়ীতে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান
নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশকে প্রশংসায় ভাসালেন ওয়াসিম আকরাম
বাংলাদেশকে প্রশংসায় ভাসালেন ওয়াসিম আকরাম

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আবার হামলা চালালে যুদ্ধ ‘মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে’: হুঁশিয়ারি আইআরজিসি’র
আবার হামলা চালালে যুদ্ধ ‘মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে’: হুঁশিয়ারি আইআরজিসি’র

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডিবি পুলিশের পোশাক পরে গরু ডাকাতির প্রস্তুতি, অতঃপর...
ডিবি পুলিশের পোশাক পরে গরু ডাকাতির প্রস্তুতি, অতঃপর...

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিউইয়র্কে ম্যানহোলে পড়ে প্রাণ গেল নারীর
নিউইয়র্কে ম্যানহোলে পড়ে প্রাণ গেল নারীর

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধর্ষণ-হত্যা-সহিংসতা বন্ধে কলাপাড়ায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
ধর্ষণ-হত্যা-সহিংসতা বন্ধে কলাপাড়ায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লিথুয়ানিয়ায় ড্রোন অনুপ্রবেশ, নাগরিকদের আশ্রয়স্থলে যাওয়ার নির্দেশ
লিথুয়ানিয়ায় ড্রোন অনুপ্রবেশ, নাগরিকদের আশ্রয়স্থলে যাওয়ার নির্দেশ

৪২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়ির দুর্গম জনপদে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ওয়াটার পয়েন্ট স্থাপন
খাগড়াছড়ির দুর্গম জনপদে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ওয়াটার পয়েন্ট স্থাপন

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিয়ন্ত্রিত হাম বাংলাদেশে যেভাবে ভয়ংকর হয়ে উঠল
নিয়ন্ত্রিত হাম বাংলাদেশে যেভাবে ভয়ংকর হয়ে উঠল

৪৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রামিসা হত্যাকাণ্ড : স্বামী জাকিরকে নিয়ে ভয়ংকর তথ্য দিলেন স্বপ্না
রামিসা হত্যাকাণ্ড : স্বামী জাকিরকে নিয়ে ভয়ংকর তথ্য দিলেন স্বপ্না

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আওয়ামীলীগ ব্যাক করেছে, দেখো নাই? বললেন মাহফুজ আলম
আওয়ামীলীগ ব্যাক করেছে, দেখো নাই? বললেন মাহফুজ আলম

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রামিসা হত্যাকাণ্ড: আরও যে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পুলিশ
রামিসা হত্যাকাণ্ড: আরও যে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পুলিশ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না: রামিসার বাবা
বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না: রামিসার বাবা

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপের জন্য পর্তুগালের শক্তিশালী দল ঘোষণা
বিশ্বকাপের জন্য পর্তুগালের শক্তিশালী দল ঘোষণা

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিসা হত্যাকাণ্ড: স্বামীকে পালাতে সময় দিতেই দরজা খোলেননি স্ত্রী স্বপ্না! (ভিডিও)
রামিসা হত্যাকাণ্ড: স্বামীকে পালাতে সময় দিতেই দরজা খোলেননি স্ত্রী স্বপ্না! (ভিডিও)

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পাকিস্তানকে টানা দুবার হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেল বাংলাদেশ
পাকিস্তানকে টানা দুবার হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেল বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ‘চিকেনস নেক’ মোদি সরকারের কাছে হস্তান্তর শুভেন্দুর
মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ‘চিকেনস নেক’ মোদি সরকারের কাছে হস্তান্তর শুভেন্দুর

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ নীতির বিপক্ষে ভোট দিলেন ৪ রিপাবলিকান
ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ নীতির বিপক্ষে ভোট দিলেন ৪ রিপাবলিকান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের
ইরানে আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরব আমিরাতের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি হামলা হলে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা
আরব আমিরাতের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি হামলা হলে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যাত্রাবাড়ী মোড়ে স্বর্ণের দুল ছিনতাই, সার্জেন্টের সাহসিকতায় আটক ২
যাত্রাবাড়ী মোড়ে স্বর্ণের দুল ছিনতাই, সার্জেন্টের সাহসিকতায় আটক ২

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা : ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন
সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা : ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় গায়িকাকে কানাডা থেকে এসে হত্যা
বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় গায়িকাকে কানাডা থেকে এসে হত্যা

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যুদ্ধের প্রস্তুতির মাঝে ইরানে গণবিয়ে অনুষ্ঠিত, ‘আত্মত্যাগে’ প্রস্তুত নবদম্পতিরা
যুদ্ধের প্রস্তুতির মাঝে ইরানে গণবিয়ে অনুষ্ঠিত, ‘আত্মত্যাগে’ প্রস্তুত নবদম্পতিরা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রেণিকক্ষে অনৈতিক আচরণের অভিযোগে জবির দুই শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার
শ্রেণিকক্ষে অনৈতিক আচরণের অভিযোগে জবির দুই শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘নতুন করে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও বড় সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে’
‘নতুন করে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও বড় সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে’

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে কর্মকর্তাদের মন্ত্রণালয়ে ফেরত
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে কর্মকর্তাদের মন্ত্রণালয়ে ফেরত

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ইন্টারনেট চালু করবা না’, পলকের কাছে জানতে চেয়েছিলেন সালমান এফ রহমান
‘ইন্টারনেট চালু করবা না’, পলকের কাছে জানতে চেয়েছিলেন সালমান এফ রহমান

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ওমর ফারুকের নিয়োগ বাতিল
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ওমর ফারুকের নিয়োগ বাতিল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতারণার মামলায় বিদিশার ২ বছরের কারাদণ্ড
প্রতারণার মামলায় বিদিশার ২ বছরের কারাদণ্ড

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রোমে ‘মেলোডি’ ম্যাজিক, ভাইরাল মোদি-মেলোনির ছবি
রোমে ‘মেলোডি’ ম্যাজিক, ভাইরাল মোদি-মেলোনির ছবি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবার হামলা হলে নতুন অস্ত্রে জবাব দেবে ইরান, তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি
আবার হামলা হলে নতুন অস্ত্রে জবাব দেবে ইরান, তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের পরপরই পুতিন কেন চীনে, ভিতরে কী চলছে?
ট্রাম্পের পরপরই পুতিন কেন চীনে, ভিতরে কী চলছে?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এক যুদ্ধেই নাজেহাল ভারতীয় রুপি
এক যুদ্ধেই নাজেহাল ভারতীয় রুপি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু
ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাদারীপুরে তিন মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
মাদারীপুরে তিন মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্যাটেলাইট থেকে ড্রোন- ইরানকে কতটা সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া?
স্যাটেলাইট থেকে ড্রোন- ইরানকে কতটা সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে আবারও বড় ধরনের হামলার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প
ইরানে আবারও বড় ধরনের হামলার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের পরপরই বেইজিংয়ে পুতিন, বৈঠকের মূল এজেন্ডা কী?
ট্রাম্পের পরপরই বেইজিংয়ে পুতিন, বৈঠকের মূল এজেন্ডা কী?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সিরিজ খুনের খুনি কে
সিরিজ খুনের খুনি কে

প্রথম পৃষ্ঠা

গুলিবিদ্ধদের ইনজেকশন দিয়ে মারতে বলত নেতারা
গুলিবিদ্ধদের ইনজেকশন দিয়ে মারতে বলত নেতারা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আতঙ্কের সলিমপুর হচ্ছে ‘স্মার্ট হাব’
আতঙ্কের সলিমপুর হচ্ছে ‘স্মার্ট হাব’

নগর জীবন

কাঁচা পেঁপের কেজি ১২০ টাকা!
কাঁচা পেঁপের কেজি ১২০ টাকা!

পেছনের পৃষ্ঠা

স্থায়ী যুদ্ধ বন্ধে নতুন শর্ত ইরানের
স্থায়ী যুদ্ধ বন্ধে নতুন শর্ত ইরানের

প্রথম পৃষ্ঠা

অপপ্রচারের টার্গেটে সশস্ত্র বাহিনী
অপপ্রচারের টার্গেটে সশস্ত্র বাহিনী

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকে নগদ অর্থের সংকট
ব্যাংকে নগদ অর্থের সংকট

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস প্রসঙ্গে কিছু কথা
বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস প্রসঙ্গে কিছু কথা

সম্পাদকীয়

ছাত্রীর বাড়িতে গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি লাশ, আটক ৩
ছাত্রীর বাড়িতে গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি লাশ, আটক ৩

পেছনের পৃষ্ঠা

আলোর মুখ দেখেনি পাঁচ বছরেও
আলোর মুখ দেখেনি পাঁচ বছরেও

নগর জীবন

হজে যাচ্ছেন জামায়াত আমির
হজে যাচ্ছেন জামায়াত আমির

প্রথম পৃষ্ঠা

কারিনা কায়সারের মৃত্যু ও গরুর জন্মসনদ
কারিনা কায়সারের মৃত্যু ও গরুর জন্মসনদ

সম্পাদকীয়

কিংসের হ্যাটট্রিক না কি মোহামেডানের ফেরা
কিংসের হ্যাটট্রিক না কি মোহামেডানের ফেরা

মাঠে ময়দানে

ফরিদপুরে খাল খননের আড়ালে গাছ কাটার মহোৎসব
ফরিদপুরে খাল খননের আড়ালে গাছ কাটার মহোৎসব

নগর জীবন

স্বামীর সহযোগিতায় সাধুর আস্তানায় নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ
স্বামীর সহযোগিতায় সাধুর আস্তানায় নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা হাত কেটে উল্লাস
বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা হাত কেটে উল্লাস

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে শিশুদের উচ্ছ্বাস
প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে শিশুদের উচ্ছ্বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্ষণের পর শিশুকে গলা কেটে হত্যা
ধর্ষণের পর শিশুকে গলা কেটে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

বৈষম্যমুক্ত বিশ্ব গঠনের আহ্বান ইসলামী সমাজের
বৈষম্যমুক্ত বিশ্ব গঠনের আহ্বান ইসলামী সমাজের

নগর জীবন

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক ইস্যুতে যা বললেন শ্রিংলা
ভারত-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক ইস্যুতে যা বললেন শ্রিংলা

প্রথম পৃষ্ঠা

রূপগঞ্জে দুই মহাসড়ক নির্মাণে ধীরগতি, যানজটে ভোগান্তি
রূপগঞ্জে দুই মহাসড়ক নির্মাণে ধীরগতি, যানজটে ভোগান্তি

নগর জীবন

অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে পুলিশে ফোন
অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে পুলিশে ফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঠুঁটো জগন্নাথ বানানোর চেষ্টা মানবাধিকার কমিশনকে
ঠুঁটো জগন্নাথ বানানোর চেষ্টা মানবাধিকার কমিশনকে

প্রথম পৃষ্ঠা

মার্কিন শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শামা ওবায়েদের
মার্কিন শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শামা ওবায়েদের

প্রথম পৃষ্ঠা

পয়লা জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল
পয়লা জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল

পেছনের পৃষ্ঠা

রাবিতে যত অনিয়ম
রাবিতে যত অনিয়ম

পেছনের পৃষ্ঠা

অতি দরিদ্র কর্মসংস্থান প্রকল্পে শ্রমিকদের বাদ দিয়ে ভেকু!
অতি দরিদ্র কর্মসংস্থান প্রকল্পে শ্রমিকদের বাদ দিয়ে ভেকু!

দেশগ্রাম

ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু
ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু

পেছনের পৃষ্ঠা

বর্জ্যে দূষিত শীতলক্ষ্যার পানি
বর্জ্যে দূষিত শীতলক্ষ্যার পানি

পেছনের পৃষ্ঠা