রাজ্যে পালাবদল। টলিউডের দায়িত্ব এখন রুদ্রনীল ঘোষ, হিরণ চট্টোপাধ্যায়, রূপা গঙ্গোপাধ্যায় এবং পাপিয়া অধিকারীর কাঁধে। টলিপাড়ায় রাজনৈতিক প্রভাব, কাজ পাওয়া-না পাওয়া নিয়ে অনেকেই ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন। অভিনেত্রী পায়েল সরকারকেও এই ক’টা বছরে খুব বেশি ‘ফিল্মি’ অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি। এই বদল কি তাঁর জীবনেও পরিবর্তন আনবে? সম্প্রতি, পায়েলকে দেখা গেছে, ‘সপ্তডিঙার গুপ্তধন’ ছবির বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে। সচরাচর কোনো প্রদর্শনী অনুষ্ঠানেও তাঁকে দেখা যায় না।
গত ৪ মে ফল প্রকাশের পর থেকে কি ছবিটা খানিক বদলেছে? পায়েল বললেন, ‘আচরণের কিছুটা পরিবর্তন তো হয়েছে। আমাকে যে টলিউডের সব অনুষ্ঠানে ডাকা হতো, তা-ও নয়। আবার কিছু কিছু জায়গায় আমারই যাওয়া হয়ে উঠত না, এটাও ঠিক। আবার আমাকে আমন্ত্রণও জানানো হয়নি বহু জায়গায়।’ তা হলে এই পালাবদলে নতুন আশা দেখছেন পায়েল? অভিনেত্রী যোগ করেন, ‘দেখুন আমি বরাবরই মনে করি, রাজনীতির সঙ্গে শিল্পের যোগ থাকা উচিত নয়। আমার সঙ্গেই বহুবার এমন হয়েছে। হয়তো লুকসেটের জন্য বেরোচ্ছি বাড়ি থেকে কিংবা কথা বলতে যাচ্ছি। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময়ে ফোন এলো, পরে জানানো হবে। পরে দেখলাম আমাকে বাদ দিয়ে অন্য অভিনেত্রীকে নেওয়া হয়েছে।’ কিছু দিন আগে শোনা গিয়েছিল, অভিনেত্রী পায়েল নাকি আকাশছোঁয়া পারিশ্রমিক হাঁকছেন।
তাই নাকি তাঁকে কোনো ছবিতে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পায়েলের উত্তর, ‘পারিশ্রমিক পর্যন্ত কথা গড়ানোর আগেই তো বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছিল আমাকে। আর ২০১৬ সালে যে পারিশ্রমিক আমি পেতাম, সেই পারিশ্রমিক তো এখন নেব না।’ পায়েল মনে করেন, যে সরকারই আসুক না কেন, তার প্রভাব শিল্পজগতে না পড়াই কাম্য। আগামী দিনে কি সক্রিয়ভাবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকবেন পায়েল? সে কথা এখনই বলতে পারছেন না অভিনেত্রী। সবটাই তিনি সময়ের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন।