শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:৪৮, শনিবার, ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

শ্বাস নিতে পারছে না ঢাকার গাছ

শামীম আহমেদ
প্রিন্ট ভার্সন
শ্বাস নিতে পারছে না ঢাকার গাছ

ভারত, চীন ও ইউরোপের বিভিন্ন নগরভিত্তিক গবেষণায় দেখা গেছে, ধুলা জমা পাতায় সালোকসংশ্লেষণের হার ২০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। পাতার নিচে সূক্ষ্ম ছিদ্রগুলো বন্ধ হয়ে শ্বাসপ্রশ্বাস বাধাপ্রাপ্ত হয়। এতে বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ ও অক্সিজেন  নির্গমন কমে যায়। ফলে আরও বিষাক্ত হয়ে ওঠে বাতাস

 

শীত এলেই ভয়াবহ ধুলাদূষণের কবলে পড়ে রাজধানী ঢাকা। চলতি শীতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। মানুষের চোখেমুখে, ফুসফুসে যেমন ধুলা ঢুকছে, তেমনই নীরবে সবচেয়ে বড় আঘাতটি পাচ্ছে নগরীর গাছপালা। রাজধানীর সড়ক, মহাসড়ক, উড়ালসড়ক ও আবাসিক এলাকার অধিকাংশ গাছের পাতায় এখন পুরু ধুলার আস্তর। ধূসর হয়ে গেছে সবুজ পাতা। এতে কমে যাচ্ছে গাছের ক্লোরোফিল ও সালোকসংশ্লেষণ। বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ ও অক্সিজেন নির্গমন বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। এতে শুধু গাছই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না, পুরো পরিবেশব্যবস্থা আরও বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে।

পরিবেশবিদরা বলছেন, এমনিতেই ঢাকা মহানগরীতে জায়গা ও জনঘনত্বের তুলনায় গাছের সংখ্যা খুবই নগণ্য। ফলে এই নগরের বাসিন্দারা কখনোই নিশ্বাসের সঙ্গে বুক ভরে অক্সিজেন নিতে পারে না। এই যৎসামান্য গাছের পাতাগুলোও ঢেকে গেছে ধুলার পুরু আস্তরে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে পুরো পরিবেশে। আরও দূষিত হয়ে উঠছে বাতাস। কিন্তু গাছ লাগানোয় সরকারি সংস্থাগুলোর যে আগ্রহ, তার ছিটেফোঁটাও নেই গাছের যত্নে।

এদিকে গতকাল ছুটির দিনের দুপুরেও ঢাকা ছিল বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত নগরী। দুপুর দেড়টায় আইকিউএয়ারের বায়ুমান সূচকে (AQI) ঢাকার স্কোর ছিল ২৫৯, যা ‘অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর’ শ্রেণির। পরিবেশবিদদের মতে, শীতকালে বৃষ্টিপাত কমে যাওয়া, নির্মাণকাজের ধুলা, ইটভাটা, সড়কের উন্মুক্ত মাটি এবং যানবাহনের ধোঁয়া-সব মিলিয়ে বাতাসে ধূলিকণার ঘনত্ব বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছায়। গাছগুলো ধুলায় ঢেকে যাওয়ায় বাতাসের মান আরও খারাপ হচ্ছে। কারণ, গাছ পর্যাপ্ত কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ ও অক্সিজেন নির্গমন করতে পারছে না।

একাধিক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, গাছের পাতায় ধুলা জমলে প্রথম আঘাতটি আসে সালোকসংশ্লেষণে। পাতার ওপর ধুলার স্তর সূর্যালোককে আটকে দেয়। ফলে পাতার ভিতরে থাকা ক্লোরোফিল পর্যাপ্ত আলো পায় না, শক্তি উৎপাদনের হার কমে যায়। ভারত, চীন ও ইউরোপের বিভিন্ন নগরভিত্তিক গবেষণায় দেখা গেছে, ধুলা জমা পাতায় সালোকসংশ্লেষণের হার ২০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। একই সঙ্গে ধুলা জমে পাতার নিচের দিকে থাকা স্টোমাটা বা সূক্ষ্ম ছিদ্রগুলো আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এই স্টোমাটার মাধ্যমেই গাছ বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড নেয় এবং অক্সিজেন ছাড়ে। স্টোমাটা বন্ধ হয়ে গেলে গাছের শ্বাসপ্রশ্বাস ও বাষ্পীভবন কমে যায়। ফলে গাছের পানি ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও ব্যাহত হয়। দীর্ঘদিন এ অবস্থা চলতে থাকলে গাছ দুর্বল হয়ে পড়ে, বৃদ্ধি কমে যায় এবং রোগ-পোকার আক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। অনেক সময় টিকে থাকার সংগ্রামে হার মেনে গাছ মারা যায়।

গতকাল দুপুরে ঢাকার ৩০০ ফিট এক্সপ্রেসওয়েতে গিয়ে দেখা যায়, দুই পাশে সারিবদ্ধ গাছগুলোর পাতায় এমনভাবে ধুলা জমেছে যে স্বাভাবিক সবুজ রং একেবারেই হারিয়ে গেছে। অথচ এই সড়কটিই ঢাকার মধ্যে সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন সড়ক। এ ছাড়া গত কয়েক দিনে এয়ারপোর্ট রোড, মিরপুর, শ্যামলী, ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে গাছগুলোকে একইভাবে ধুকতে দেখা গেছে। নেই যত্ন। নিয়মিত পানি দেওয়া হয় না। পাতার ওপর জমেছে ধুলার পুরু আস্তর।

পরিবেশ গবেষকরা বলছেন, গাছ শহরের প্রাকৃতিক ফিল্টার। তারা বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে অক্সিজেন ছাড়ে, ধূলিকণা আটকে রাখে এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। কিন্তু যখন গাছ নিজেই ধুলায় আক্রান্ত হয় তখন এই প্রাকৃতিক সেবা মারাত্মকভাবে কমে যায়। এর প্রভাব পড়ে নগরীর তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও সামগ্রিক বায়ুগুণের ওপর। একই সঙ্গে ধুলা ও দূষণের কারণে পাখি, কীটপতঙ্গ ও অন্যান্য নগর জীববৈচিত্র্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ছাড়া ফুলের পরাগায়ন কমে যেতে পারে, খাদ্যশৃঙ্খলে দেখা দেয় অস্থিরতা।

ধুলাদূষণের সরাসরি প্রভাব পড়ছে মানুষের স্বাস্থ্যে। চিকিৎসকদের ভাষায়, শীতকালে ধূলিকণার (বিশেষ করে পিএম ২.৫ ও পিএম ১০) মাত্রা বেড়ে গেলে হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস, সিওপিডি, হৃদরোগ এবং চোখ ও ত্বকের নানা সমস্যা বাড়ে। শিশু, বয়স্ক ও গর্ভবতী নারীরা সবচেয়ে ঝুঁঁকিতে থাকেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণায় বলা হয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি বায়ুদূষণ মানুষের গড় আয়ু কমিয়ে দেয়। বছরের বড় একটি সময় বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর থাকায় ঢাকার সামাজিক ও স্বাস্থ্যগত বোঝা দিনদিন বাড়ছে। ধুলাদূষণের প্রভাব শুধু স্বাস্থ্য বা পরিবেশেই সীমাবদ্ধ নয়। অসুস্থতার কারণে কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে, বাড়ছে চিকিৎসা ব্যয়। নগর গবেষকদের মতে, বায়ুদূষণজনিত অসুস্থতায় দেশের অর্থনীতিতে প্রতি বছর হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে। গাছ দুর্বল হলে শহরের সৌন্দর্য, বাসযোগ্যতা ও পর্যটন আকর্ষণও কমে যায়।

এদিকে প্রতি বছর শীতকালে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে সড়ক ও গাছের ধুলা কমাতে পানি ছিটাতে দেখা যায়। তবে এবার সেই তৎপরতা তেমন চোখে পড়ছে না। পরিবেশবিদরা বলছেন, নিয়মিত পানি ছিটানো, নির্মাণস্থলে ধুলা নিয়ন্ত্রণ,  ইটভাটা ও যানবাহনের দূষণ কমানো এবং নগর গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ছাড়া পরিস্থিতির উন্নতি হবে না। সবুজ ঢাকা গড়ে তুলতে হলে গাছকে বাঁচাতে হবে। গাছ বাঁচলে শহর বাঁচবে।

এই বিভাগের আরও খবর
ডিজিটাল ডাটাবেজ হচ্ছে খালের
ডিজিটাল ডাটাবেজ হচ্ছে খালের
ছুটির দিনে দুর্যোগপূর্ণ বাতাস
ছুটির দিনে দুর্যোগপূর্ণ বাতাস
আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’
আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’
বিস্ময়কর ভূগর্ভস্থ নদী
বিস্ময়কর ভূগর্ভস্থ নদী
বোমা-ক্ষেপণাস্ত্রে বিপর্যস্ত পরিবেশ
বোমা-ক্ষেপণাস্ত্রে বিপর্যস্ত পরিবেশ
পরিবেশ দাবি
পরিবেশ দাবি
কিছুটা কমেছে দূষণ
কিছুটা কমেছে দূষণ
বিড়াল হত্যায় কি ৫ কোটি মৃত্যু!
বিড়াল হত্যায় কি ৫ কোটি মৃত্যু!
উল্টো করে লাগানো বিস্ময়!
উল্টো করে লাগানো বিস্ময়!
পরিবেশের যত চ্যালেঞ্জ
পরিবেশের যত চ্যালেঞ্জ
দূষণে ভয়ংকর ডেঙ্গু
দূষণে ভয়ংকর ডেঙ্গু
বিষাক্ত বাতাসে জানুয়ারি পার
বিষাক্ত বাতাসে জানুয়ারি পার
সর্বশেষ খবর
শেয়ারবাজারে সামান্য উত্থান
শেয়ারবাজারে সামান্য উত্থান

এই মাত্র | অর্থনীতি

ময়মনসিংহে বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাসের দাবিতে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ
ময়মনসিংহে বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাসের দাবিতে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে নীলফামারীতে প্রশাসনের উদ্যোগ
ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে নীলফামারীতে প্রশাসনের উদ্যোগ

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হেডফোন লাগিয়ে রেললাইন ধরে হাঁটার সময় ট্রেনের ধাক্কায় কিশোর নিহত
হেডফোন লাগিয়ে রেললাইন ধরে হাঁটার সময় ট্রেনের ধাক্কায় কিশোর নিহত

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সারা দেশে টানা ৫ দিন বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা
সারা দেশে টানা ৫ দিন বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

প্রতিবেশী দেশগুলোতে নতুন করে হামলা চালাচ্ছে ইরান
প্রতিবেশী দেশগুলোতে নতুন করে হামলা চালাচ্ছে ইরান

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নীলফামারী জেলা পরিষদের উদ্যোগে ২৬৪ শিক্ষার্থীকে সম্মাননা প্রদান
নীলফামারী জেলা পরিষদের উদ্যোগে ২৬৪ শিক্ষার্থীকে সম্মাননা প্রদান

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া থেকে রক্ষায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া থেকে রক্ষায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

জিম্বাবুয়েকে হোয়াইট ওয়াশ করলো নিউজিল্যান্ড
জিম্বাবুয়েকে হোয়াইট ওয়াশ করলো নিউজিল্যান্ড

১৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ডোমারে জমি বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় একজন নিহত
ডোমারে জমি বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় একজন নিহত

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানে ব্যাংকে হামলা করেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল, পাল্টা হামলার হুমকি তেহরানের
ইরানে ব্যাংকে হামলা করেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল, পাল্টা হামলার হুমকি তেহরানের

২২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নোয়াখালীতে দোকানের মালিকানা নিয়ে বিরোধ, পুলিশের উপস্থিতিতে উদ্ধার
নোয়াখালীতে দোকানের মালিকানা নিয়ে বিরোধ, পুলিশের উপস্থিতিতে উদ্ধার

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মক্কায় সড়ক দুর্ঘটনায় পটিয়ার প্রবাসীর মৃত্যু
মক্কায় সড়ক দুর্ঘটনায় পটিয়ার প্রবাসীর মৃত্যু

২৩ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

শেরপুরে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে চিত্রাঙ্কনসহ নানা প্রতিযোগিতা
শেরপুরে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে চিত্রাঙ্কনসহ নানা প্রতিযোগিতা

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদ উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিপণি বিতানগুলো জমে উঠেছে
ঈদ উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিপণি বিতানগুলো জমে উঠেছে

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এক পাকিস্তানির কাছে স্লোয়ার শিখেছেন বুমরাহ
এক পাকিস্তানির কাছে স্লোয়ার শিখেছেন বুমরাহ

২৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথমবার নাহিদের ৫ উইকেট
ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথমবার নাহিদের ৫ উইকেট

২৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল
ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পীরগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার
পীরগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে ফসলি জমির মাটি কাটায় ৫ জনের জরিমানা
নারায়ণগঞ্জে ফসলি জমির মাটি কাটায় ৫ জনের জরিমানা

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাষ্ট্রপতির সংসদে বক্তব্য দেয়ার অধিকার নেই: ডা. তাহের
রাষ্ট্রপতির সংসদে বক্তব্য দেয়ার অধিকার নেই: ডা. তাহের

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

রূপগঞ্জে শ্রমিক অসন্তোষ: ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ
রূপগঞ্জে শ্রমিক অসন্তোষ: ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে টিসিবির পণ্যসহ ট্রাক আটক
বরিশালে টিসিবির পণ্যসহ ট্রাক আটক

৩৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি ইশান কিষাণের
টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি ইশান কিষাণের

৩৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভাটারায় সিগারেটের দাম নিয়ে কথা কাটাকাটি-হাতাহাতি, চা বিক্রেতার মৃত্যু
ভাটারায় সিগারেটের দাম নিয়ে কথা কাটাকাটি-হাতাহাতি, চা বিক্রেতার মৃত্যু

৩৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

সরকারি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শনে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
সরকারি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শনে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনে গণভোট থাকছে না : ইসি সচিব
বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনে গণভোট থাকছে না : ইসি সচিব

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রস্তুতিতে নেটে ব্যস্ত কোহলি
আইপিএলের প্রস্তুতিতে নেটে ব্যস্ত কোহলি

৪৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

‘ইরান আক্রান্ত হলে সমগ্র বিশ্বকে তার মূল্য পরিশোধ করতে হবে’
‘ইরান আক্রান্ত হলে সমগ্র বিশ্বকে তার মূল্য পরিশোধ করতে হবে’

৪৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্ত্রীসহ মনিপুর কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ফরহাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
স্ত্রীসহ মনিপুর কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ফরহাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

৫০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

সর্বাধিক পঠিত
ইরানকে সতর্ক করলেন এরদোয়ান
ইরানকে সতর্ক করলেন এরদোয়ান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরও বিধ্বংসী ড্রোন এনে ইরানের চমক, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক
আরও বিধ্বংসী ড্রোন এনে ইরানের চমক, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের তেল ও গ্যাস স্থাপনায় ইরানের হামলা
ইসরায়েলের তেল ও গ্যাস স্থাপনায় ইরানের হামলা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে 'সবচেয়ে তীব্রতম' দিন হবে আজ: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইরানে 'সবচেয়ে তীব্রতম' দিন হবে আজ: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভণ্ডামি ছাড়ুন, যথেষ্ট হয়েছে: ইউরোপীয় কমিশনকে ইরান
ভণ্ডামি ছাড়ুন, যথেষ্ট হয়েছে: ইউরোপীয় কমিশনকে ইরান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে লাগবে না স্নাতক পাস
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে লাগবে না স্নাতক পাস

২১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

তেলের দাম দেখেই ট্রাম্পকে যুদ্ধ থেকে সটকে পড়তে বললেন উপদেষ্টারা
তেলের দাম দেখেই ট্রাম্পকে যুদ্ধ থেকে সটকে পড়তে বললেন উপদেষ্টারা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার
ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান হামলায় ৪৮ ঘণ্টাতেই শেষ ৫.৬ বিলিয়ন ডলারের গোলাবারুদ, মার্কিন অস্ত্রাগার ফাঁকা?
ইরান হামলায় ৪৮ ঘণ্টাতেই শেষ ৫.৬ বিলিয়ন ডলারের গোলাবারুদ, মার্কিন অস্ত্রাগার ফাঁকা?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের সময়সীমা নির্ধারণ করবে কে?  ইরান নাকি যুক্তরাষ্ট্র
যুদ্ধের সময়সীমা নির্ধারণ করবে কে?  ইরান নাকি যুক্তরাষ্ট্র

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও তিন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও তিন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারী ও বহু-ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নতুন হামলা চালাল ইরান
ভারী ও বহু-ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নতুন হামলা চালাল ইরান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিশ্চিহ্ন না হতে চাইলে নিজের দিকে খেয়াল রাখুন, ট্রাম্পকে ইরানের হুঁশিয়ারি
নিশ্চিহ্ন না হতে চাইলে নিজের দিকে খেয়াল রাখুন, ট্রাম্পকে ইরানের হুঁশিয়ারি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশে পড়লো ইরানি ড্রোন
মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশে পড়লো ইরানি ড্রোন

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘ভয়াবহ পরিণতির’ হুঁশিয়ারি কিমের বোনের
যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘ভয়াবহ পরিণতির’ হুঁশিয়ারি কিমের বোনের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালালো হিজবুল্লাহ
ইসরায়েলি ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালালো হিজবুল্লাহ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান
মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কমান্ডার-ইন-স্লিপ’
‘কমান্ডার-ইন-স্লিপ’

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ‍্যামিলি কার্ড নিয়ে এই মানুষগুলোর উচ্ছ্বাস আমরা বুঝতে পারব না: ফারুকী
ফ‍্যামিলি কার্ড নিয়ে এই মানুষগুলোর উচ্ছ্বাস আমরা বুঝতে পারব না: ফারুকী

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন, ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন, ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন যুদ্ধে ‘বিজয়ের বানোয়াট ধারণা দাঁড় করানোর’ অপচেষ্টা করছেন ট্রাম্প, জানালেন বিশ্লেষক
কেন যুদ্ধে ‘বিজয়ের বানোয়াট ধারণা দাঁড় করানোর’ অপচেষ্টা করছেন ট্রাম্প, জানালেন বিশ্লেষক

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুতুবদিয়ার সৈকতে পাঁচ দিন ধরে পড়ে আছে মৃত তিমি
কুতুবদিয়ার সৈকতে পাঁচ দিন ধরে পড়ে আছে মৃত তিমি

৮ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

কিছু দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে: ট্রাম্প
কিছু দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে: ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিক্ষোভে নামলে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার হুঁশিয়ারি ইরান পুলিশের
বিক্ষোভে নামলে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার হুঁশিয়ারি ইরান পুলিশের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকার রাজপথে পথচারীকে পেটালেন মডেল মনিকা, সামাজিক মাধ্যমে তুমুল বিতর্ক
ঢাকার রাজপথে পথচারীকে পেটালেন মডেল মনিকা, সামাজিক মাধ্যমে তুমুল বিতর্ক

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

তেল সরবরাহ নিয়ে বিশ্বকে সতর্কবার্তা সৌদি আরামকোর
তেল সরবরাহ নিয়ে বিশ্বকে সতর্কবার্তা সৌদি আরামকোর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
পিছিয়ে যাচ্ছে পে-স্কেল বাস্তবায়ন
পিছিয়ে যাচ্ছে পে-স্কেল বাস্তবায়ন

পেছনের পৃষ্ঠা

অধরা জঙ্গল সলিমপুরের ডনেরা
অধরা জঙ্গল সলিমপুরের ডনেরা

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ-পাকিস্তান প্রথম ওয়ানডে আজ
বাংলাদেশ-পাকিস্তান প্রথম ওয়ানডে আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই শপথ ইস্যুতে উত্তপ্ত হবে সংসদ
দুই শপথ ইস্যুতে উত্তপ্ত হবে সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাতালরেল প্রকল্প অনিশ্চয়তায়
পাতালরেল প্রকল্প অনিশ্চয়তায়

পেছনের পৃষ্ঠা

সেই উপদেষ্টাকে অব্যাহতি দিলেন জামায়াত আমির
সেই উপদেষ্টাকে অব্যাহতি দিলেন জামায়াত আমির

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

লঞ্চের কেবিনে কলেজছাত্রী ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২
লঞ্চের কেবিনে কলেজছাত্রী ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২

পেছনের পৃষ্ঠা

একজনের দখলে অর্ধশত পুকুর
একজনের দখলে অর্ধশত পুকুর

নগর জীবন

নারীর সম্পত্তি নিয়ে বিকল্প আইনি পথের আহ্বান
নারীর সম্পত্তি নিয়ে বিকল্প আইনি পথের আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

২ লিটার জ্বালানি নিতে ৮ ঘণ্টা
২ লিটার জ্বালানি নিতে ৮ ঘণ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধ বন্ধের ইঙ্গিত ট্রাম্পের
যুদ্ধ বন্ধের ইঙ্গিত ট্রাম্পের

প্রথম পৃষ্ঠা

কী হবে বিস্ফোরণে দগ্ধ তিন শিশুর?
কী হবে বিস্ফোরণে দগ্ধ তিন শিশুর?

পেছনের পৃষ্ঠা

বেতন-বোনাস দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ যানজট
বেতন-বোনাস দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ যানজট

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্যামিলি কার্ডের যুগে দেশ
ফ্যামিলি কার্ডের যুগে দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাইপলাইনে ভারত থেকে আসছে ডিজেল
পাইপলাইনে ভারত থেকে আসছে ডিজেল

প্রথম পৃষ্ঠা

স্পেনে বৈধ হওয়ার সুযোগ হারাচ্ছেন বহু বাংলাদেশি
স্পেনে বৈধ হওয়ার সুযোগ হারাচ্ছেন বহু বাংলাদেশি

পেছনের পৃষ্ঠা

ঘুষ দাবির অভিযোগ ফাঁসে বিচারকাজ শতভাগ প্রশ্নবিদ্ধ
ঘুষ দাবির অভিযোগ ফাঁসে বিচারকাজ শতভাগ প্রশ্নবিদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতারণা আর ভেজালের ফাঁদে সিলেটের ক্রেতারা
প্রতারণা আর ভেজালের ফাঁদে সিলেটের ক্রেতারা

নগর জীবন

হাদি হত্যায় দেশিবিদেশি ষড়যন্ত্র
হাদি হত্যায় দেশিবিদেশি ষড়যন্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রাণহীন বইমেলা
প্রাণহীন বইমেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে লাগবে না স্নাতক পাস
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে লাগবে না স্নাতক পাস

পেছনের পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ১৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব হারাবে দেশ
যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ১৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব হারাবে দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্থানে ফিরেছে শেয়ারবাজার
উত্থানে ফিরেছে শেয়ারবাজার

পেছনের পৃষ্ঠা

উইকেট হবে ফাস্ট বোলিং সহায়ক
উইকেট হবে ফাস্ট বোলিং সহায়ক

মাঠে ময়দানে

সরকারি ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের বৈঠক
সরকারি ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের বৈঠক

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ঘোষণার পর জ্বালানি তেলে দরপতন
ট্রাম্পের ঘোষণার পর জ্বালানি তেলে দরপতন

প্রথম পৃষ্ঠা

সংবিধান সংস্কারের সিদ্ধান্ত সংসদে
সংবিধান সংস্কারের সিদ্ধান্ত সংসদে

প্রথম পৃষ্ঠা

জনগণের কাছে দেওয়া কথা রাখছি
জনগণের কাছে দেওয়া কথা রাখছি

নগর জীবন

ফ্যামিলি কার্ডের লক্ষ্য নারীর ক্ষমতায়ন
ফ্যামিলি কার্ডের লক্ষ্য নারীর ক্ষমতায়ন

নগর জীবন