শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:৩৭, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

পরিবেশের যত চ্যালেঞ্জ

শামীম আহমেদ
প্রিন্ট ভার্সন
পরিবেশের যত চ্যালেঞ্জ

অসচেতনতা, লোভ, অপরিকল্পিত উন্নয়ন আর সরকারি নজরদারির অভাবে বিপর্যস্ত দেশের পরিবেশ। নদনদী, খাল-জলাশয়, বনভূমি, জীববৈচিত্র্য সবই চরম ঝুঁকিতে। তাপমাত্রা বাড়ছে হু হু করে। উন্নয়নের নামে কেটে ফেলা হচ্ছে পুরোনো গাছ। নিচে নেমে যাচ্ছে ভূগর্ভের পানির স্তর। মরূকরণের পথে যাচ্ছে দেশ। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ায় জোয়ারের সঙ্গে লবণাক্ত পানি চলে আসছে দেশের মধ্যাঞ্চল পর্যন্ত, যা ধ্বংস ডেকে আনছে কৃষির। বায়ু, পানি, মাটি ও শব্দদূষণ কমানোই যাচ্ছে না। দুই যুগ আগে নিষিদ্ধ হওয়ার পরও বাড়ছে ক্ষতিকর পলিথিনের রাজত্ব। পরিবেশের এ নাজুক পরিস্থিতি বাড়াচ্ছে জীবনের ঝুঁকি। হানা দিচ্ছে নানার রোগ-ব্যাধী। শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বেড়ে উঠছে মেধাহীন অসুস্থ প্রজন্ম।

সদ্য বিদায় নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পরিবেশ রক্ষায় আশাজাগানিয়া অনেক ভালো কথা বলে মানুষের মধ্যে আস্থার জন্ম দিলেও দেড় বছরে আইনকানুনে কিছু কাগুজে পরিবর্তন ছাড়া দৃশ্যমান কোনো উন্নতি দেখাতে পারেনি। দখল ও দূষণমুক্ত হয়নি একটা নদীও। কমেনি শব্দদূষণ। বায়ুদূষণে এখনো শীর্ষে বাংলাদেশ। দেড় বছরে বাজার থেকে সরাতে পারেনি পলিথিন। এমন পরিস্থিতিতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বেঁচে থাকার সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে কয়েক ডজন চ্যালেঞ্জ নিয়ে দায়িত্ব নিয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। পরিবেশ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে দেশের পরিবেশের বড় ঝুঁকিগুলোর মধ্যে রয়েছে মরূকরণ, উষ্ণায়ন, প্লাস্টিকদূষণ, পানিদূষণ, মাটিদূষণ, বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদী, খাল ও জলাশয়ের মৃত্যু, সবুজ কমে যাওয়া, জীববৈচিত্র্যের বিলুপ্তি ও ভূমিকম্প।

মরূকরণ : নদনদী ও খালের মৃত্যুতে ভূগর্ভের পানির ব্যবহার বাড়ায় মাটির নিচে তৈরি হচ্ছে শূন্য গহ্বর, যা দেশকে ঠেলে দিচ্ছে পানিসংকট ও মরূকরণের পথে। গত বছর গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার ১৫৩টি ইউনিয়ন ও ৭২টি মৌজাকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পানি সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, ৫০ বছরে ঢাকার ভূগর্ভস্থ পানির স্তর প্রায় ২৩০ ফুট নেমে গেছে। গাজীপুর অঞ্চলে ২০০০ সালের দিকে ৭০ থেকে ৮০ ফুট খনন করে পানি পাওয়া যেত। এখন ৪০০ ফুটের অধিক খনন করতে হয়।

উষ্ণায়ন : বৈশ্বিক উষ্ণতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দেশের তাপমাত্রা। এপ্রিলে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গরমে কাজ করতে না পারায় ২০২৪ সালে বাংলাদেশকে প্রায় ২৫ কোটি কর্মদিবস হারাতে হয়েছে। এতে দেশের অর্থনীতির ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন থেকে ১ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার। অপরিকল্পিত উন্নয়ন, গাছ কাটা, জলাশয় ভরাট, কাচের ভবন বৃদ্ধি, এয়ারকন্ডিশনের ব্যবহার বৃদ্ধি স্থানীয়ভাবে তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখছে।

প্লাস্টিকদূষণ : ২০০২ সালে প্লাস্টিক/পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ করা হলেও গত দুই দশকে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এর ব্যবহার বহু গুণে বেড়েছে। চায়ের কাপ থেকে এক টাকার শ্যাম্পুর প্যাকেটও এখন প্লাস্টিকের, যা রিসাইকেল হচ্ছে না। এসব অপচনশীল প্লাস্টিক কৃষিজমির উর্বরতা শত শত বছরের জন্য নষ্ট করে দিচ্ছে। খাল, বিল, জলাশয় ভরাট করছে। মাইক্রোপ্লাস্টিক ঢুকছে জীববৈচিত্র্যে, জন্ম দিচ্ছে ক্যানসার।

শব্দদূষণ : শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন ও বিধিমালা থাকলেও কেউ মানছে না। নীরব এলাকা ঘোষিত হাসপাতালের সামনেই হর্নের শব্দে নাজেহাল মানুষ। যানবাহনেই বিল্ডইন হিসেবে আসছে উচ্চ শব্দের হর্ন। পৃথকভাবে উচ্চ শব্দের হর্ন আমদানিও হচ্ছে, প্রকাশ্যে বিক্রিও হচ্ছে। আর শব্দদূষণ শিশুর মস্তিস্কের বিকাশ বাধাগ্রস্ত করছে। বধিরতা, উচ্চ রক্তচাপসহ নানান রোগ বাড়াচ্ছে।

সবুজ রক্ষা : উন্নয়নের নামে ক্রমেই বৃক্ষশূন্য হচ্ছে দেশ। প্রতি বছর কাটা পড়ছে লাখ লাখ বহুবর্ষজীবী প্রাচীন গাছ। গত বছরের মে মাসে মাদারীপুরে শিরক তকমা দিয়ে প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো একটি বট গাছ কেটে ফেলে স্থানীয় কিছু মানুষ। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত এক বছরে দেশে কেটে ফেলা হয়েছে ১ লাখ ৮১ হাজার ৮১৮টি বড় গাছ। গড়ে প্রতিদিন কাটা পড়েছে ৪৯৯টি গাছ। এতে কমছে বনভূমির পরিমাণ। বাড়ছে তাপমাত্রা। বাড়ছে বায়ুদূষণ। নাজুক হচ্ছে পরিবেশ।

জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ : পরিবেশ ধ্বংসে হারিয়ে যাচ্ছে পশুপাখি। ২০১৫ সালে আইইউসিএনের সমীক্ষায় বাংলাদেশে পাখি পাওয়া যায় ৫৬৬ প্রজাতির। এর মধ্যে ১৯ প্রজাতির পাখিকে স্থানীয়ভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। বন বিভাগের তথ্যানুযায়ী, স্বাধীনতার পূর্বে বাংলাদেশে ৫০ হাজারের বেশি শকুন ছিল। ২০২৩ সালের শুমারিতে ২৬৭টি শকুনের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। বিগত ১০০ বছরে বাংলাদেশ থেকে ৩১ প্রজাতির বন্যপ্রাণী সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে গেছে। শুধু গণ্ডার বিলুপ্ত হয়েছে তিন প্রজাতির।

নদী রক্ষা : বিগত অন্তর্বর্তী সরকার ১৪০০-এর বেশি নদনদীর তালিকা করে গেছে। নদী গবেষকদের মাঠপর্যায়ের তথ্যানুযায়ী, তালিকার ৬০ ভাগ নদীরই বর্তমানে অস্তিত্ব নেই। পুরোনো স্যাটেলাইট ম্যাপে এসব নদীর চিহ্ন থাকলেও সেখানে এখন ঘরবাড়ি। যে নদীগুলোর স্রোত টিকে আছে সেগুলোও অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। দেশের কৃষি ও পরিবেশ বাঁচাতে নদীগুলো বাঁচানো সবচেয়ে জরুরি বলে মনে করেন পরিবেশবিদরা।

নানা দূষণ : বায়ুদূষণে কয়েক বছর ধরে বিশ্বে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা। দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালায় যা যা নিষিদ্ধ করা আছে, তার কোনো কিছুই থেমে নেই। এ ছাড়া পয়োঃবর্জ্য আর শিল্পদূষণে নদী, খাল, স্যুয়ারেজের পানি ভয়াবহ বিষাক্ত হয়ে উঠেছে। বাধ্যবাধকতা থাকলেও ইটিপি চালায় না অধিকাংশ শিল্পপ্রতিষ্ঠান। এই পানি দিয়ে সেচ দেওয়ায় দূষিত হচ্ছে মাটিও। পরবর্তী সময়ে খাদ্যচক্রের মাধ্যমে সেই বিষ ঢুকছে গাছ, মাছ, পশুপাখি ও মানুষের দেহে।

ভূমিকম্প : ভূমিকম্পের মূল কারণ প্রাকৃতিক হলেও বৈশ্বিক বিভিন্ন গবেষণা বলছে, অতিরিক্ত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন, পাহাড় কাটা ও ভূমিক্ষয়, বড় বাঁধ ও জলাধার নির্মাণ, তেল-গ্যাস উত্তোলন ও খনন, ভারী স্থাপনা নির্মাণ, তেল-গ্যাস শিল্পে ভূগর্ভে বর্জ্য জল ইনজেকশন, জিওথার্মাল প্রযুক্তির ব্যবহার, ভূগর্ভে কার্বন ডাই-অক্সাইড সঞ্চয় ইত্যাদি ভূমিকম্প সৃষ্টির পেছনে ভূমিকা রাখে। এসব কর্মকাণ্ড ভূগর্ভের চাপে ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে, যা ভূকম্প ঘটায়। ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমাতে এসব কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবিলায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি গ্রহণ জরুরি।

এই বিভাগের আরও খবর
মেট্রোরেলের আশপাশে তাপমাত্রা বাড়ছে
মেট্রোরেলের আশপাশে তাপমাত্রা বাড়ছে
বাঁচানো যাচ্ছে না জলাধারটি
বাঁচানো যাচ্ছে না জলাধারটি
গোড়া থেকে কাণ্ডজুড়ে যে ফুল ফোটে
গোড়া থেকে কাণ্ডজুড়ে যে ফুল ফোটে
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে বাড়ছে দূষিত জ্বালানির ব্যবহার
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে বাড়ছে দূষিত জ্বালানির ব্যবহার
বন ফেরাতে ১৫০০ কোটি টাকার প্রকল্প
বন ফেরাতে ১৫০০ কোটি টাকার প্রকল্প
গাছের ভিতরে ড্রাগনের রক্ত!
গাছের ভিতরে ড্রাগনের রক্ত!
বিস্ময়কর চকলেট পাহাড়!
বিস্ময়কর চকলেট পাহাড়!
বিপদের মুখে পৃথিবী
বিপদের মুখে পৃথিবী
আজ আন্তর্জাতিক নদী কৃত্য দিবস
আজ আন্তর্জাতিক নদী কৃত্য দিবস
ছুটির দিনে দূষণে শীর্ষে
ছুটির দিনে দূষণে শীর্ষে
যে পাথরে ফুল ফোটে!
যে পাথরে ফুল ফোটে!
যে জলপ্রপাতে হেঁটে ওপরে ওঠা যায়!
যে জলপ্রপাতে হেঁটে ওপরে ওঠা যায়!
সর্বশেষ খবর
সারা দিনে হরমুজ পার হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা একমাত্র তেলবাহী জাহাজ
সারা দিনে হরমুজ পার হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা একমাত্র তেলবাহী জাহাজ

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিদ্ধিরগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল জব্দ, গ্রেপ্তার ২
সিদ্ধিরগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল জব্দ, গ্রেপ্তার ২

৪২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

থাইল্যান্ডের রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেফতার
থাইল্যান্ডের রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেফতার

৮ মিনিট আগে | পরবাস

সোনারগাঁয়ে মহাসড়কে প্রবাসীর গাড়িতে ডাকাতি
সোনারগাঁয়ে মহাসড়কে প্রবাসীর গাড়িতে ডাকাতি

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান
যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

অবসর ভেঙে কাউন্টি ক্রিকেটে ফিরছেন উইল স্মিড
অবসর ভেঙে কাউন্টি ক্রিকেটে ফিরছেন উইল স্মিড

১৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভোটের আগে হাওড়ায় রাজনৈতিক পতাকা তৈরির কারখানায় ব্যস্ততা তুঙ্গে
ভোটের আগে হাওড়ায় রাজনৈতিক পতাকা তৈরির কারখানায় ব্যস্ততা তুঙ্গে

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় গাঁজাসহ মা-ছেলে গ্রেফতার
কুমিল্লায় গাঁজাসহ মা-ছেলে গ্রেফতার

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, অগ্নিপরীক্ষায় পাকিস্তান
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, অগ্নিপরীক্ষায় পাকিস্তান

৩২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেকনাফে মুরগির খামারে মিলল ৫ লাখ ইয়াবা
টেকনাফে মুরগির খামারে মিলল ৫ লাখ ইয়াবা

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত

৩৩ মিনিট আগে | পরবাস

কিশোরগঞ্জে কুকুরের কামড়ে আহত ১৫
কিশোরগঞ্জে কুকুরের কামড়ে আহত ১৫

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টেবিল টেনিসে ৮ পদক জিতল বাংলাদেশ
টেবিল টেনিসে ৮ পদক জিতল বাংলাদেশ

৩৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জাতীয় সংসদ অধিবেশন বুধবার বেলা ১১টা পর্যন্ত মুলতবি
জাতীয় সংসদ অধিবেশন বুধবার বেলা ১১টা পর্যন্ত মুলতবি

৩৯ মিনিট আগে | জাতীয়

দিনাজপুরে ভুট্টা চাষে নতুন সম্ভাবনা
দিনাজপুরে ভুট্টা চাষে নতুন সম্ভাবনা

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফুটবল তারকার সঙ্গে টেইলর সুইফটের বিয়ে
ফুটবল তারকার সঙ্গে টেইলর সুইফটের বিয়ে

৪৭ মিনিট আগে | শোবিজ

আরব সাগর থেকে বাংলাদেশিসহ ১৮ নাবিক উদ্ধার
আরব সাগর থেকে বাংলাদেশিসহ ১৮ নাবিক উদ্ধার

৫২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’
‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’

৫৩ মিনিট আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের ‘স্পষ্ট গাইডলাইন’ নিয়ে পাকিস্তানের পথে ভ্যান্স
ট্রাম্পের ‘স্পষ্ট গাইডলাইন’ নিয়ে পাকিস্তানের পথে ভ্যান্স

৫৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে শারজাহে ফিরছে বাংলাদেশি জাহাজ
হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে শারজাহে ফিরছে বাংলাদেশি জাহাজ

৫৭ মিনিট আগে | জাতীয়

পাকা পেঁপে কী রাসায়নিকমুক্ত? চেনার সহজ উপায়
পাকা পেঁপে কী রাসায়নিকমুক্ত? চেনার সহজ উপায়

৫৯ মিনিট আগে | জীবন ধারা

ইসরায়েল কর্তৃক ফিলিস্তিনি শিশু নির্যাতন নিয়ে যা বললেন দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট
ইসরায়েল কর্তৃক ফিলিস্তিনি শিশু নির্যাতন নিয়ে যা বললেন দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় সংসদে আজ ২৪ বিল পাস
জাতীয় সংসদে আজ ২৪ বিল পাস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার
ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান যুদ্ধে জয়ের কথা বিশ্বাস করেন না ইসরায়েলের অধিকাংশ নাগরিক: জরিপ
ইরান যুদ্ধে জয়ের কথা বিশ্বাস করেন না ইসরায়েলের অধিকাংশ নাগরিক: জরিপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিগগিরই জনতার সামনে আসবেন মোজতবা খামেনি?
শিগগিরই জনতার সামনে আসবেন মোজতবা খামেনি?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপরাধ বন্ধে হটলাইন খুলবেন এমপি
অপরাধ বন্ধে হটলাইন খুলবেন এমপি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, নৌকাসহ সরঞ্জাম জব্দ
সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, নৌকাসহ সরঞ্জাম জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসারাঙ্গার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন লিন্ডে
হাসারাঙ্গার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন লিন্ডে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণরসায়ন বিভাগের রজত জয়ন্তী উৎসব
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণরসায়ন বিভাগের রজত জয়ন্তী উৎসব

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ঝড়ো ইনিংসে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন বাবর আজম
ঝড়ো ইনিংসে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন বাবর আজম

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ও মজুত সক্ষমতা ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ
হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ও মজুত সক্ষমতা ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য অত্যন্ত নিন্দনীয়: ইসরায়েল
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য অত্যন্ত নিন্দনীয়: ইসরায়েল

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিটকয়েনে বিলিয়ন ডলারের ধরা খেয়েছে ট্রাম্প পরিবার
বিটকয়েনে বিলিয়ন ডলারের ধরা খেয়েছে ট্রাম্প পরিবার

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি দিয়ে আপাতত দিনে ১৫ জাহাজ যেতে পারবে: ইরান
হরমুজ প্রণালি দিয়ে আপাতত দিনে ১৫ জাহাজ যেতে পারবে: ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ কেন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল রাশিয়া
হঠাৎ কেন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল রাশিয়া

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয় : ইরান
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয় : ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলো এখন ‘অকেজো’ : বিশ্লেষণ
ইরানের হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলো এখন ‘অকেজো’ : বিশ্লেষণ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুয়েজ খালে মিশরের মাশুল নেয়া বৈধ, হরমুজে ইরান নিলে আপত্তি কেন?
সুয়েজ খালে মিশরের মাশুল নেয়া বৈধ, হরমুজে ইরান নিলে আপত্তি কেন?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংরিক্ষত নারী আসনের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংরিক্ষত নারী আসনের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে কারণে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যেতে পারে
যে কারণে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যেতে পারে

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিএসএলে নাহিদ রানার জাদু, বড় জয় পেশোয়ারের
পিএসএলে নাহিদ রানার জাদু, বড় জয় পেশোয়ারের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ডট বলের রেকর্ডে এলিটদের ক্লাবে মুস্তাফিজ
ডট বলের রেকর্ডে এলিটদের ক্লাবে মুস্তাফিজ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমান্ত এলাকা সম্প্রসারণের কথা বলে নিজ দেশেই তোপের মুখে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী
সীমান্ত এলাকা সম্প্রসারণের কথা বলে নিজ দেশেই তোপের মুখে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে উধাও ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন
হরমুজে উধাও ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের এক ধাক্কায় ডলারের রেকর্ড পতন, উড়ছে চীনের ইউয়ান
ইরানের এক ধাক্কায় ডলারের রেকর্ড পতন, উড়ছে চীনের ইউয়ান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান যা করছে তা চুক্তিতে নেই:  ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান যা করছে তা চুক্তিতে নেই:  ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল ‘মানবতার জন্য অভিশাপ’: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইসরায়েল ‘মানবতার জন্য অভিশাপ’: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউরোপের বেহাল দশা ফাঁস করে দিল ইরান
ইউরোপের বেহাল দশা ফাঁস করে দিল ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আহত ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী খারাজি মারা গেছেন
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আহত ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী খারাজি মারা গেছেন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আগে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট
পাকিস্তানে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আগে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ সচল করতে ‘কার্যকর পরিকল্পনা’ নিয়ে ট্রাম্প-স্টারমারের ফোনালাপ
হরমুজ সচল করতে ‘কার্যকর পরিকল্পনা’ নিয়ে ট্রাম্প-স্টারমারের ফোনালাপ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবাননে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে যে প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে যে প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইতিহাস গড়লেন সুনীল নারাইন
ইতিহাস গড়লেন সুনীল নারাইন

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’
‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’

৫৭ মিনিট আগে | জাতীয়

রবিবার থেকেই শুরু হচ্ছে নেতানিয়াহুর দুর্নীতির বিচার
রবিবার থেকেই শুরু হচ্ছে নেতানিয়াহুর দুর্নীতির বিচার

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার ৩১টি বিল পাস
জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার ৩১টি বিল পাস

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান
যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে উন্নীতকরণের কাজ চলমান
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে উন্নীতকরণের কাজ চলমান

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ভেঙে যেতে পারে যুদ্ধবিরতি
ভেঙে যেতে পারে যুদ্ধবিরতি

প্রথম পৃষ্ঠা

৪৮ বছর পর ট্রেন ভাড়া পরিশোধ!
৪৮ বছর পর ট্রেন ভাড়া পরিশোধ!

পেছনের পৃষ্ঠা

জুয়ার নেশায় ভয়ংকর চোরচক্র
জুয়ার নেশায় ভয়ংকর চোরচক্র

পেছনের পৃষ্ঠা

জ্বালানির বিকল্প উৎস খুঁজতে হবে
জ্বালানির বিকল্প উৎস খুঁজতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

দাম কমেছে সোনা ও রুপার
দাম কমেছে সোনা ও রুপার

পেছনের পৃষ্ঠা

আবাহনী-মোহামেডান লড়াইয়ের ৫৩ বছর
আবাহনী-মোহামেডান লড়াইয়ের ৫৩ বছর

মাঠে ময়দানে

বগুড়া ও শেরপুরে বিপুল ভোটে বিএনপির জয়
বগুড়া ও শেরপুরে বিপুল ভোটে বিএনপির জয়

প্রথম পৃষ্ঠা

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে

প্রথম পৃষ্ঠা

পৃথিবীর পথে আর্টেমিস-২
পৃথিবীর পথে আর্টেমিস-২

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দাম কেজিতে বেড়েছে ৫০০ টাকা
ইলিশের দাম কেজিতে বেড়েছে ৫০০ টাকা

নগর জীবন

সংসদে আবার ওয়াকআউট
সংসদে আবার ওয়াকআউট

প্রথম পৃষ্ঠা

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এখনো মৃত্যুফাঁদ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এখনো মৃত্যুফাঁদ

পেছনের পৃষ্ঠা

হকার উচ্ছেদের পাশাপাশি পুনর্বাসন করার পরামর্শ
হকার উচ্ছেদের পাশাপাশি পুনর্বাসন করার পরামর্শ

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার করতে ব্যর্থ অন্তর্বর্তী সরকার
সংস্কার করতে ব্যর্থ অন্তর্বর্তী সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
দুই পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

গ্রামীণ বিনোদন কেন হারিয়ে যাচ্ছে
গ্রামীণ বিনোদন কেন হারিয়ে যাচ্ছে

শোবিজ

বাবার ইচ্ছা পূরণে হাতির পিঠে ঘোড়ার গাড়িতে বরযাত্রা
বাবার ইচ্ছা পূরণে হাতির পিঠে ঘোড়ার গাড়িতে বরযাত্রা

দেশগ্রাম

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ

সম্পাদকীয়

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

শোবিজ

মে মাসের শুরুতেই প্রিমিয়ার লিগ!
মে মাসের শুরুতেই প্রিমিয়ার লিগ!

মাঠে ময়দানে

নীল সিগন্যালের পর
নীল সিগন্যালের পর

সাহিত্য

তোমার পরিচয়
তোমার পরিচয়

সাহিত্য

বোশেখ মাসের পয়লা তারিখ
বোশেখ মাসের পয়লা তারিখ

ডাংগুলি

বৈশাখী মেলা
বৈশাখী মেলা

ডাংগুলি

তাক ডুমা ডুম ডুম
তাক ডুমা ডুম ডুম

ডাংগুলি

পহেলা বৈশাখ
পহেলা বৈশাখ

ডাংগুলি

বৈশাখ মেলায়
বৈশাখ মেলায়

ডাংগুলি

ভালোবাসার কয়েক পঙ্ক্তি
ভালোবাসার কয়েক পঙ্ক্তি

সাহিত্য

বৈশাখ এলো বছর ঘুরে!
বৈশাখ এলো বছর ঘুরে!

ডাংগুলি

বৈশাখ আসে
বৈশাখ আসে

ডাংগুলি