দেশের বনাঞ্চল হ্রাস পাওয়ায় ক্ষয়িষ্ণু বন ফিরিয়ে আনতে বিএনপি নির্বাচনি ইশতেহারে ২৫ কোটি গাছ রোপণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। ভোটে জয়ী হওয়ার পর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ১৫০০ কোটি টাকার প্রকল্প নিতে যাচ্ছে।
বন অধিদপ্তর এপ্রিল মাসে পরিকল্পনা কমিশনে প্রকল্প প্রস্তাব পাঠাবে। জুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে। বিএনপির ইশতেহারে ২৫ কোটি চারা রোপণ, ১০ হাজার নার্সারি উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও ৬ লাখ কর্মসংস্থানের অঙ্গীকার ছিল। বিশেষায়িত ড্রোন ব্যবহার করে দ্বীপ ও চরাঞ্চলে বৃক্ষরোপণ, শহরে পার্ক, ফুটপাত ও খেলার মাঠের পাশে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা আছে।
২০১৫ সালে ১২.৭৬ শতাংশ বন আচ্ছাদন ছিল, যা ২০২৫ সালে ১২.১১ শতাংশে কমেছে। দেশের বনভূমি এখন ১৭ লাখ ৮৪ হাজার হেক্টর। নতুন প্রকল্পে ২০২৬ সালে ১.৫ কোটি, ২০২৭ ও ২০২৮ সালে ১৩.৫ কোটি ও ২০২৯ ও ২০৩০ সালে ১০ কোটি চারা রোপণ করা হবে। বৃক্ষরোপণ ছয়টি খাতে ভাগ করা হয়েছে-উপকূলীয় এলাকায় ১০ কোটি, পাহাড়ি ও মধ্যাঞ্চলে ৫ কোটি, নগর এলাকায় ১.২৫ কোটি, কমিউনিটিভিত্তিক প্রান্তিক ভূমি ৩.৭৫ কোটি এবং প্রতিষ্ঠান ও কৃষি বনায়ন ৩.৭৫ কোটি।
প্রকল্পে গাছের যত্ন নিশ্চিত করতে ‘মাই ট্রি মনিটরিং’ অ্যাপ তৈরি করা হবে। বনভূমি হ্রাসের মধ্যে পার্বত্য অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। সরকারি প্রকল্পে গত এক দশকে প্রায় ১৩ লাখ গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে।