শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২৩:০৩

পাঁচ দিন ধরে ১২ শিক্ষার্থী নিখোঁজ দাবি স্বজনদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

পাঁচ দিন ধরে ১২ শিক্ষার্থী নিখোঁজ দাবি স্বজনদের

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ১২ শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছে। তবে তাদের ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন নিখোঁজের স্বজনরা। তারা বলছেন, ‘পাঁচ দিন ধরে ওই শিক্ষার্থীদের ডিবি কার্যালয়ে আটকে রাখা হয়েছে। যা আইনের লঙ্ঘন। দ্রুত তাদের মুক্তি দেওয়া হোক’। গতকাল ঢাকার সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স আ্য্যসোসিয়েশনে (ক্র্যাব) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘১২ জন নিখোঁজ সন্তানের অসহায় পরিবার’ এসব অভিযোগ করে। সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, ৫ সেপ্টেম্বর মহাখালী, তেজকুনিপাড়া ও বিজি প্রেস থেকে ৪০ জনকে ডিবি তুলে নিয়ে যায়। ৬ সেপ্টেম্বর ১২ জনকে রেখে অন্যদের ছেড়ে দেওয়া হয়। ওই ১২ শিক্ষার্থীর ছয়জন ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের। অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইউনিভার্সিটি, তিতুমীর কলেজ, করটিয়ার সরকারি সা’দত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার্থী রয়েছেন। আটকরা হলেন- ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র ইফতেখার আলম, রায়হানুল আবেদিন জুয়েল, তারেক আজিজ, তারেক আজিজ (২), বোরহান উদ্দিন, মাহফুজ আহমেদ, মেহেদী হাসান রাজিব, বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইউনিভার্সিটির মুজাহিদুল ইসলাম, তিতুমীর কলেজের জাহাঙ্গীর আলম, করটিয়া সরকারি সা’দাত কলেজের সাইফুল্লাহ মানসুর এবং ভার্সিটিতে ভর্তি ইচ্ছুক জহিরুল ইসলাম হাসিব ও আল আমিন। মুজাহিদুল ইসলাম ডিবি কার্যালয়ে আটক আছে জানিয়ে তার বাবা মাহবুব আলম বলেন, ডিবি এসে মেস থেকে মুজাহিদকে তুলে নিয়ে গেছে। খবর পেয়ে তিনি ঝিনাইদহ থেকে মিন্টো রোড ডিবি কার্যালয়ে আসেন। দেখেন, আরও অনেক অভিভাবক ডিবি কার্যালয়ের গেটে ভিড় জমিয়েছেন। তারা ডিবি কার্যালয়ের ভিতরে প্রবেশ করেন। পুলিশ তখন তাদের আশ্বস্ত করে বলে, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেলেদের ছেড়ে দেওয়া হবে। কিন্তু দুই-তিনজন করে বের হতে শুরু করলেও তার ছেলে আসেনি। পুলিশ তাকে আদালতে যোগাযোগ করতে বলে। তবে শনিবার পর্যন্ত আদালতে ছেলেকে পাঠানো হয়নি। ভার্সিটিতে ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা হাসিবের বাবা এনামুল হক অভিযোগ করে বলেন, ডিবি কার্যালয়ে একের পর এক দিন অপেক্ষা করেও ছেলের সন্ধান না পেয়ে তেজগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান। কিন্তু পুলিশ জিডি নেয়নি।


আপনার মন্তব্য