Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৩ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ মার্চ, ২০১৯ ২৩:২৪

সবখানে শুধু কালো পতাকা, পাকিস্তানের চিহ্ন নেই কোথাও

নিজস্ব প্রতিবেদক

সবখানে শুধু কালো পতাকা, পাকিস্তানের চিহ্ন নেই কোথাও

পাকিস্তানের জাতীয় দিবস ২৩ মার্চ। একাত্তরের এদিনে দেশটির পূর্বাংশের (বাংলাদেশ) কোথাও পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি। কারণ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশ ছিল, পাকিস্তানের পতাকার বদলে ওড়াতে হবে কালো পতাকা। বাঙালি সে নির্দেশের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বাসাবাড়ির ছাদে, গাছে, রাস্তায়, যানবাহনে, যার যেখানে সম্ভব হয়েছে সেখানেই প্রতিবাদস্বরূপ কালো পতাকা তুলেছে। যেদিকে চোখ যায় সেখানেই কালো পতাকা আর কালো পতাকা। পাকিস্তানের জাতীয় দিবসে পাকিস্তানের পতাকা নেই। এর মানে উত্তপ্ত বাংলাদেশের কোথাও নেই পাকিস্তানের চিহ্ন। বাঙালি এদিন কালো পতাকার সঙ্গে সোনার বাংলার জাতীয় পতাকাও প্রদর্শন করে। বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের এদিনে ধানমন্ডিতে তাঁর বাসভবনে কালো পতাকার পাশে সর্বপ্রথম নিজ হাতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। সেদিন ‘স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় শ্রমিক পরিষদ’-এর নেতারাও বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলনের আয়োজন করেন।

২৩ মার্চ ঢাকায় কুচকাওয়াজ করে ‘জয় বাংলা বাহিনী’। সকাল সাড়ে ৯টায় পল্টন ময়দানে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কুচকাওয়াজ শুরু হয়। কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ করেন স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের চার নেতা নূরে আলম সিদ্দিকী, শাজাহান সিরাজ, আ স ম আবদুর রব ও আবদুল কুদ্দুস মাখন। সে সময় রেকর্ডে জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’ বাজানো হয়। ‘জয় বাংলা’ বাহিনীর ১০ প্লাটুন ও একটি ব্যান্ড প্লাটুন কুচকাওয়াজে অংশ নেয়। কুচকাওয়াজ ও মহড়ার পরে এ বাহিনী মার্চ করে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে গেলে বঙ্গবন্ধু তাদের উদ্দেশে বক্তৃতা করেন।


আপনার মন্তব্য