Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৭ অক্টোবর, ২০১৯ ২৩:৫৭

বিশ্বব্যাংকের ডাটা আপডেট নয় : অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশ্বব্যাংকের ডাটা আপডেট নয় : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বাংলাদেশের দারিদ্র্য নিয়ে বিশ্বব্যাংক পুরাতন ডাটা দিয়েছে। আপডেট ডাটা দিলে দারিদ্র্যের চিত্র আরও উন্নত হতে পারত। কেননা দারিদ্র্য বিমোচনে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষি আধুনিক হচ্ছে। বাংলাদেশে ওয়ার্কিং পপুলেশনও শক্তিশালী। সরকারের প্রচেষ্টায় ২০৩০ সাল নাগাদ দারিদ্র্য থাকবে না। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন পরিস্থিতি ২০১০-২০১৬ শীর্ষক বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আমরা স্পষ্ট করে বলেছি, এখন স্বাভাবিক নিয়মেই প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের ওপরে। আমরা এতদিন অনেক বিনিয়োগ করেছি, বিশেষ করে অবকাঠামো খাতে। অবকাঠামোর একটা ফিজিক্যালি ও অন্যটি নন-ফিজিক্যালি বিনিয়োগ। নন-ফিজিক্যালি যেমন- শিক্ষা খাতে অনেক বিনিয়োগ করেছি। আমরা মানবসূচক উন্নয়নেও বিনিয়োগ করেছি। এসবের আউটপুট পেতে থাকব। আমরা ফিজিক্যালি যেমন- পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছি। শুধু পদ্মা সেতু এক শতাংশ প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে দেবে। আমি আশ্বস্ত করেছি প্রবৃদ্ধি ডাবল ডিজিটে পৌঁছাবে। ৮ দশমিক ৩০ থেকে ১০ শতাংশে যাবে প্রবৃদ্ধি। তখন দারিদ্র্য আরও কমবে। আমরা ১০০টি ইকোনমিক জোন করছি। ১০ বছরে ১০ মিলিয়ন মানুষের কর্মসংস্থান হবে। সামাজিক নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে। আমরা শিক্ষায় বেশি নজর দিচ্ছি। বর্তমানে আমরা ৩১তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। ২০২৮ সালে ২৭তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হব। তিনি বলেন, সরকার দেশ থেকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করতে রীতিমতো যুদ্ধ চালাচ্ছে। আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে। বর্তমানে আমাদের হতদরিদ্রের সংখ্যা ১০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। কিন্তু দারিদ্র্যসীমা এখনো ১৯-২০ শতাংশে ঘোরাঘুরি করছে। তবে এ হার নামিয়ে আনতে সরকার নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যার ফলে ২০১০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত দেশে ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার ওপরে উঠে এসেছে।

প্রণোদনায় এ বছর রেমিট্যান্স ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াবে : এদিকে গতকাল বিকালে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে (আইডিইবি) অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রতিবছর ১৫ থেকে ১৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আসত। বর্তমানে প্রবাসীদের প্রণোদনা দেওয়া শুরু হয়েছে, তাতে এবার ২০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে বলে আশা করছি। বাংলাদেশ ব্যাংক রেমিট্যান্স অ্যাওয়ার্ড-২০১৮ প্রদান উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম রেজা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল প্রমুখ।


আপনার মন্তব্য