শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ২৩:৪৩

মাইলফলক ছুঁয়েছে বাংলাদেশ-ভারত যুগলবন্দী

নিজস্ব প্রতিবেদক

মাইলফলক ছুঁয়েছে বাংলাদেশ-ভারত যুগলবন্দী
এম জে আকবর

ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর এমপি বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই সময়ে ইন্দো-বাংলা বন্ধুত্ব ও যুগলবন্দী উন্নয়নের মাইলফলক ছুঁয়েছে। ভারতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার সদস্য মুবাশ্বির জাভেদ আকবর মনে করেন, এর আগের ২০-২৫ বছরে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের এত অগ্রগতি হয়নি। তিনি বলেন, এই সময়টাকে বেঁধে রাখা খুব জরুরি। এর অন্যতম কারণ দুই দেশের জনগণের মধ্যে এই বন্ধুত্বের প্রতি আস্থা তৈরি হয়েছে। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল নিউজ টোয়েন্টিফোরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্ব সংলাপে অতিথি হিসেবে এসেছিলেন তিনি। এ সময় একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে কথা বলেছেন। তিস্তা চুক্তির অগ্রগতি বিষয়ে তিনি বলেন, আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই তিস্তা চুক্তিতে ভারতের যতগুলো স্টেকহোল্ডার আছে তারা কাজ করছে। কলকাতাও তাদের জায়গা থেকে এই চুক্তিতে সহযোগিতা করছে। তিস্তা চুক্তি সম্পন্ন করার প্রয়াস অব্যাহত আছে। জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) বাংলাদেশে কোনো ধরনের প্রভাব ফেলবে কি না এমন প্রশ্নে ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এনআরসি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এই ব্যাপারে সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত রয়েছে। একটা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। যতদিন প্রয়োজন তা চলবে। আমার মনে হয় না এই সিদ্ধান্ত অন্য কোনো দেশের ওপর প্রভাব পড়া উচিত। আদালতে সবকিছু আইন অনুযায়ী হয়। এখানে হুট করে কারও বলার কিছু নেই। রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারতের অবস্থান বিষয়ে এম জে আকবর বলেছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারতের অবস্থান কেমন হবে সেটা দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। এটা আঞ্চলিক সমস্যাও। তাই ভারত যতটুকু পারছে সহযোগিতা করছে। আমরা থিওরিতে বিশ্বাস রাখি না, বাস্তবে বিশ্বাসী। রোহিঙ্গাদের মধ্যে আহত পীড়িতদের সেই অসহায় চেহারা আমি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গিয়ে দেখেছি। এটা মানবিক বিষয়। যতটা পারা যায় এই অসহায় মানুষগুলোকে সহযোগিতা করতে হবে। এটা একটা মানবিক সমস্যা। চীন-বাংলাদেশ বাণিজ্যিক সম্পর্ক ভারত কীভাবে দেখছে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। তার নিজস্ব বৈদেশিক নীতি আছে। কোন দেশের সঙ্গে কী ধরনের সম্পর্ক বজায় রাখবে তা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের দেশের জন্য যা ভালো বুঝবেন তা তিনি করবেন। চীনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ভালো হচ্ছে, বাংলাদেশেরও হোক। তা সমস্যার কিছু নয়। দেশগুলোর বাণিজ্যিক সম্পর্ক সব সময় যে সমানতালে চলে তা নয়। বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রবৃদ্ধিতে দুই দেশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। জলের যেমন ভারসাম্য থাকে তেমন প্রতিটি দেশ নিজেদের ভারসাম্য তৈরি করে নেয়।


আপনার মন্তব্য