শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ আপডেট: ০০:১৫, মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪

সাক্ষাৎকার

মাইনাস টু ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই

কায়সার কামাল
শফিকুল ইসলাম সোহাগ ও শরিফুল ইসলাম সীমান্ত
প্রিন্ট ভার্সন
মাইনাস টু ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই

বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, মাইনাস টুর ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না। ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে, খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে অপরিহার্য। তিনি বলেন, পতিত স্বৈরাচার তাদের শাসনামলে দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে। পাচারকৃত টাকা দিয়ে তারা এখন দেশ অস্থিতিশীল করার চক্রান্তে লিপ্ত। দেশ স্থিতিশীল করাটাই অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে বিএনপি যে কোনো সময় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আপনাদের প্রত্যাশা সম্পর্কে জানতে চাই।

কায়সার কামাল : অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা আকাশসম। মানুষের প্রত্যাশা ছিল বলেই স্বৈরাচার শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন। গত ১৬-১৭টি বছর শুধু বিএনপি নয়, দেশের মানুষের ওপর নির্যাতনের স্টিমরোলার চালানো হয়েছে। দেশের জনগণের দেশের প্রায় সব ক্ষেত্রেই পরিবর্তনের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। এ পরিবর্তনের সূচনা অন্তর্বর্তী সরকারের মাধ্যমে হবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : বিএনপি কোন কোন সংস্কারের প্রতি বেশি গুরুত্ব আরোপ করছে?

কায়সার কামাল : রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য ২০২৩ সালের ১১ জুলাই বিএনপি ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এ ৩১ দফার বাস্তবায়ন বিএনপির রাজনৈতিক অঙ্গীকার। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, রাষ্ট্র সংস্কার কোনো স্থিতিশীল বিষয় নয়। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সংস্কারেরও পরিবর্তন হয়। পরিবর্তনশীল সমাজের সঙ্গে যখন যেটা প্রয়োজন সে সংস্কার বিএনপি করবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেছেন, ‘ক্ষমতায় গেলে জাতীয় সরকার গঠন করা হবে।’ এটা কীভাবে সম্ভব?

কায়সার কামাল : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তারেক রহমান ঘোষণা করেছিলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে ক্রিয়াশীল সব রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে একটা জাতীয় সরকার হবে।’ গত ১৬-১৭ বছরে দেশ প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। রাষ্ট্র মেরামতের যারা অংশীদার আছে রাষ্ট্র গঠনে তাদের প্রত্যেকের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। শুধু রাজনৈতিক দল নয়, দলের বাইরেও বাংলাদেশে অনেক দেশপ্রেমিক নাগরিক ও প্রাজ্ঞ ব্যক্তিত্ব আছেন। তাঁদের সমন্বয়েই দেশ বিনির্মাণ করতে হবে। ১৯৭১-এর স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ যে ভুল করেছিল, ২০২৪-এর দ্বিতীয় স্বাধীনতার পরে তারেক রহমান পুনরায় সে ভুলটা করতে চাইছেন না। এজন্যই তিনি বলেছেন, ইটস আ রেইনবো স্টেট। রেইনবো ন্যাশন।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবি উঠছে। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কী?

কায়সার কামাল : প্রতিটি রাজনৈতিক দল রাজনীতি করে জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে। বাংলাদেশের জনগণ ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছে রাজনৈতিক দল হিসেবে তারা কাকে চায় আর কাকে চায় না।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য বিএনপি কতটুকু প্রস্তুত?

কায়সার কামাল : বিএনপি সব সময় দাবি জানিয়ে এসেছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের মাধ্যমে নির্বাচন। ২০১১ সালের আগে থেকেই আমরা এ দাবি করে আসছি। বিএনপির এ দাবি যে জনপ্রিয় এবং দেশের স্বার্থে তা প্রমাণিত হয়েছে ২০১৮ ও ২০২৪-এর নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে বিএনপির দাবি, তারা যেন যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচন দেয়। তারা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছে যৌক্তিক সময়টা কতটুকু। বিএনপি একটি গণমুখী দল। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে বিএনপি যে কোনো সময় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : বর্তমান সরকারের পক্ষে কি সংবিধান সংস্কার করা সম্ভব?

কায়সার কামাল : সংবিধান পরিবর্তন, পরিবর্ধন এও রাষ্ট্র মেরামতেরই অংশ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সংবিধানের পরিবর্তন, পরিবর্ধন হবে। রাষ্ট্র বা মানুষের প্রয়োজনে সংবিধান। তাত্ত্বিকভাবে সংবিধান সংশোধনের জন্য সংসদ প্রয়োজন। নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমেই সংবিধান সংশোধন করা যেতে পারে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : ছাত্র-জনতার আন্দোলন আপনি কীভাবে দেখেন? এতে বিএনপির অবদান কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

কায়সার কামাল : বিএনপির অবদান কী ছিল তার বিচার করবে দেশের মানুষ। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন বিএনপি শুরু করেছিল। তার ধারাবাহিকতায় অন্যান্য রাজনৈতিক দল সুসংগঠিত হয়েছে। ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালাতে বাধ্য হয়েছেন। অবদানের কথা বলে কাউকে বড়-ছোট করার বিষয় নয়। প্রত্যেকের লক্ষ্য ছিল স্বৈরাচারী শাসনের পতন। এ লক্ষ্য সামনে রেখে কেউ দুই দিন আগে রাস্তায় নেমেছে, কেউ দুই দিন পরে। প্রত্যেকের প্রতিই বিএনপি শ্রদ্ধাশীল।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলো কোন পর্যায়ে আছে?

কায়সার কামাল : উনাদের দুজনের বিরুদ্ধে অনেক মামলা করা হয়েছে। প্রতিটি মামলাই মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যা ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। প্রচলিত আইন এবং আদালতের প্রতি তাঁদের বিশ্বাস আছে। উনারা আইনগতভাবেই মামলাগুলো নিষ্পত্তি করবেন। কিছু মামলা এরই মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে। প্রতিটি মামলাই আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে। আমরা কৃতজ্ঞ যে, রাষ্ট্র বুঝতে পেরেছে বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি অবিচার করা হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : তারেক রহমান কবে নাগাদ দেশে ফিরতে পারেন?

কায়সার কামাল : নেতা-কর্মীসহ দেশের লাখো মানুষ তারেক রহমানের প্রতীক্ষায় আছে। প্রত্যেকের প্রত্যাশার প্রতি তারেক রহমান শ্রদ্ধাশীল। দেশে ফেরার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিশ্চয়ই তিনি যথাসময়ে নেবেন।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : ছাত্ররা রাজনৈতিক দল গঠন করছে। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কী?

কায়সার কামাল : যে-কারও রাজনৈতিক দল গঠনের অধিকার আছে। ছাত্ররা দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের মাধ্যমে জুলাই বিপ্লব ঘটিয়েছেন। ছাত্ররা তো আর রাজনৈতিক দল করতে পারবেন না। তারা ছাত্রদল করতে পারবেন। তো যেসব ছাত্র এখন আর ছাত্র নেই, অর্থাৎ পড়াশোনা শেষ করেছেন তারা রাজনৈতিক দল করতে পারেন। যারা নিয়মিত ছাত্র জাতীয় রাজনীতিতে তাদের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু এটা দেশের মানুষ বিবেচনা করবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : শেখ হাসিনাসহ বিদেশে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী নেতাদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের দাবি তোলা হচ্ছে...

কায়সার কামাল : বিচারের দাবি নয়, বরং রাষ্ট্রের প্রয়োজনে বিচার হতে হবে। কারণ তাঁদের যদি বিচার না হয় ভবিষ্যতে আরেক ফ্যাসিজমের জন্ম হতে পারে। তাঁদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার হতে হবে, যাতে এ প্রজন্ম তাদের জীবদ্দশায় বাংলাদেশে যেন আর কোনো ফ্যাসিজমের শিকার না হয়।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : রাজনৈতিক মহলে মাইনাস টু নিয়ে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কী?

কায়সার কামাল : রাজনীতিতে সব সময়ই এটা আলোচনার বিষয়। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ বিষয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন নিশ্চয়ই এর কোনো যথার্থতা আছে। কিন্তু ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে, খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান দেশের রাজনীতিতে অপরিহার্য। যারা এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেন তারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছেন। ষড়যন্ত্র করে ওয়ান-ইলেভেনেও লাভ হয়নি, এখনও হবে না ইনশাল্লাহ।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আমাদের মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

কায়সার কামাল : আপনাদেরও ধন্যবাদ।

এই বিভাগের আরও খবর
ইসির সম্মতি ছাড়া বদলি নয়
ইসির সম্মতি ছাড়া বদলি নয়
৩২ মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি শিয়াল-কুকুরের
৩২ মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি শিয়াল-কুকুরের
নির্বাচন বানচাল করার মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই
নির্বাচন বানচাল করার মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই
সর্বোচ্চ সতর্কতায় চলছে চিকিৎসা
সর্বোচ্চ সতর্কতায় চলছে চিকিৎসা
দল নয়, স্বতন্ত্র লড়বেন আসিফ
দল নয়, স্বতন্ত্র লড়বেন আসিফ
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে
ধর্মের বড়ি বিক্রি করে ভোট চাওয়া যাবে না
ধর্মের বড়ি বিক্রি করে ভোট চাওয়া যাবে না
দুর্নীতির কারণে সংকুচিত হচ্ছে শ্রমবাজার
দুর্নীতির কারণে সংকুচিত হচ্ছে শ্রমবাজার
বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে
বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে
দেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত এ হামলা
দেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত এ হামলা
সন্ত্রাসীদের পেছনের শক্তি কারা স্পষ্ট করতে হবে
সন্ত্রাসীদের পেছনের শক্তি কারা স্পষ্ট করতে হবে
রাজনীতি এখন ভোটের মাঠে
রাজনীতি এখন ভোটের মাঠে
সর্বশেষ খবর
ওসমান হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিক্ষোভ
ওসমান হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিক্ষোভ

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

সংস্কৃতি মানুষের অন্তরকে আলোকিত করে : কাদের গনি চৌধুরী
সংস্কৃতি মানুষের অন্তরকে আলোকিত করে : কাদের গনি চৌধুরী

২০ মিনিট আগে | নগর জীবন

মেগা প্রকল্প নয়, মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে দৃষ্টি দিতে হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা
মেগা প্রকল্প নয়, মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে দৃষ্টি দিতে হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

সুদানে সন্ত্রাসী হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন শান্তিরক্ষী নিহত, আহত ৮
সুদানে সন্ত্রাসী হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন শান্তিরক্ষী নিহত, আহত ৮

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

মির্জা ফখরুলের জন্য ভোট চাইলেন মেয়ে মির্জা সাফারুহ
মির্জা ফখরুলের জন্য ভোট চাইলেন মেয়ে মির্জা সাফারুহ

৪৭ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

কুয়াশায় ঢাকা লালমনিরহাটে ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ
কুয়াশায় ঢাকা লালমনিরহাটে ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হাদির উপর হামলার প্রতিবাদে কক্সবাজারে বিএনপির বিক্ষোভ
হাদির উপর হামলার প্রতিবাদে কক্সবাজারে বিএনপির বিক্ষোভ

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গোল বিতর্কে রূপগঞ্জে সংঘর্ষ, আহত ৫
গোল বিতর্কে রূপগঞ্জে সংঘর্ষ, আহত ৫

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দেশের বাজারে বাড়লো স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে বাড়লো স্বর্ণের দাম

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হাদিকে গুলি করে হিন্দুস্তানি আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন হবে না: রাশেদ প্রধান
হাদিকে গুলি করে হিন্দুস্তানি আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন হবে না: রাশেদ প্রধান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গাজীপুরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
গাজীপুরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ওসমান হাদির বাড়িতে চুরি, ঝালকাঠিতে বিক্ষোভ-অবরোধ
ওসমান হাদির বাড়িতে চুরি, ঝালকাঠিতে বিক্ষোভ-অবরোধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গজারিয়ায় সড়কে লাশ
গজারিয়ায় সড়কে লাশ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে নিখোঁজের পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার
নাটোরে নিখোঁজের পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সারাদেশে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৫০৬
সারাদেশে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৫০৬

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চারদিকে লাখো হাদি, তারা ভয় পায় না, আমিও না: প্রেস সচিব
চারদিকে লাখো হাদি, তারা ভয় পায় না, আমিও না: প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রুহুল কবীর রিজভীর দুঃখ প্রকাশ
রুহুল কবীর রিজভীর দুঃখ প্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গুলিবিদ্ধের ঘটনায় গ্রেফতার ৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গুলিবিদ্ধের ঘটনায় গ্রেফতার ৫

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে: তৃপ্তি
অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে: তৃপ্তি

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

খুলনায় অস্ত্র তৈরির গোপন কারখানা, আটক ৩
খুলনায় অস্ত্র তৈরির গোপন কারখানা, আটক ৩

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাদির ঘটনায় সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ : ইশরাক
হাদির ঘটনায় সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ : ইশরাক

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাদির ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি
হাদির ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

গোপালগঞ্জে অনুষ্ঠানে ভিডিও ধারণ নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১০
গোপালগঞ্জে অনুষ্ঠানে ভিডিও ধারণ নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত, অন্ধকারে ১০ লাখ ঘর
রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত, অন্ধকারে ১০ লাখ ঘর

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মির্জাপুরে দুই আ.লীগ নেতা গ্রেফতার
মির্জাপুরে দুই আ.লীগ নেতা গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের ৯ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ
তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের ৯ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শিল্পের টেকসই প্রযুক্তি নিয়ে ঢাকায় দুই দিনব্যাপী আই-ইইই সম্মেলন
শিল্পের টেকসই প্রযুক্তি নিয়ে ঢাকায় দুই দিনব্যাপী আই-ইইই সম্মেলন

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ
সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডিএমপি কমিশনারে নামে ভুয়া ফটোকার্ড প্রচারকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে
ডিএমপি কমিশনারে নামে ভুয়া ফটোকার্ড প্রচারকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৫ ফুট উচ্চতার সুড়ঙ্গ খুঁড়ে বেলারুশ থেকে পোল্যান্ডে ঢুকল ১৮০ অভিবাসী
৫ ফুট উচ্চতার সুড়ঙ্গ খুঁড়ে বেলারুশ থেকে পোল্যান্ডে ঢুকল ১৮০ অভিবাসী

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীরা শনাক্ত, যেকোনো সময় গ্রেফতার
হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীরা শনাক্ত, যেকোনো সময় গ্রেফতার

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৭২ ঘণ্টা অতি ঝুঁকিপূর্ণ, হাদির ব্রেইন স্টেম ক্ষতিগ্রস্ত : বিশেষ সহকারী
৭২ ঘণ্টা অতি ঝুঁকিপূর্ণ, হাদির ব্রেইন স্টেম ক্ষতিগ্রস্ত : বিশেষ সহকারী

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাদির পরিবারের পাশে জুবাইদা রহমান
হাদির পরিবারের পাশে জুবাইদা রহমান

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীন থেকে ইরানগামী জাহাজে মার্কিন বাহিনীর অভিযান
চীন থেকে ইরানগামী জাহাজে মার্কিন বাহিনীর অভিযান

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদিকে গুলির ঘটনায় একজন শনাক্ত, সন্ধানদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে : ডিএমপি
হাদিকে গুলির ঘটনায় একজন শনাক্ত, সন্ধানদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে : ডিএমপি

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশের মাছের ব্যাপক চাহিদা ভারতের সাত রাজ্যে
বাংলাদেশের মাছের ব্যাপক চাহিদা ভারতের সাত রাজ্যে

১৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হাদিকে গুলি : আসামি শনাক্তের বিষয়ে যা বললেন ডিএমপি কমিশনার
হাদিকে গুলি : আসামি শনাক্তের বিষয়ে যা বললেন ডিএমপি কমিশনার

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদিকে বর্তমানে কনজারভেটিভ ম্যানেজমেন্টে রাখা হয়েছে: মেডিকেল বোর্ড
হাদিকে বর্তমানে কনজারভেটিভ ম্যানেজমেন্টে রাখা হয়েছে: মেডিকেল বোর্ড

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি নাবিকসহ তেলবাহী জাহাজ আটক করল ইরান
বাংলাদেশি নাবিকসহ তেলবাহী জাহাজ আটক করল ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির ঝালকাঠির বাসায় চুরি
হাদির ঝালকাঠির বাসায় চুরি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাদির পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিতের আশ্বাস
হাদির পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিতের আশ্বাস

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির স্বাস্থ্যের সর্বশেষ অবস্থা জানাল ইনকিলাব মঞ্চ
হাদির স্বাস্থ্যের সর্বশেষ অবস্থা জানাল ইনকিলাব মঞ্চ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এশিয়া কাপে শুভ সূচনা করতে বাংলাদেশর দরকার ২৮৪ রান
এশিয়া কাপে শুভ সূচনা করতে বাংলাদেশর দরকার ২৮৪ রান

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমবার কনসার্টে মায়ের সাথে গাইলো শাকিরার দুই ছেলে
প্রথমবার কনসার্টে মায়ের সাথে গাইলো শাকিরার দুই ছেলে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আফগানদের হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে শুভ সূচনা বাংলাদেশের
আফগানদের হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে শুভ সূচনা বাংলাদেশের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধকে নতুন মাত্রা দিয়েছে ইরানের তৈরি যে ভয়ানক ড্রোন
যুদ্ধকে নতুন মাত্রা দিয়েছে ইরানের তৈরি যে ভয়ানক ড্রোন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খালেদা জিয়া-ওসমান হাদিকে দেখতে এভারকেয়ারে মির্জা ফখরুল
খালেদা জিয়া-ওসমান হাদিকে দেখতে এভারকেয়ারে মির্জা ফখরুল

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাদির ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
হাদির ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-টু’ অবিলম্বে চালু, এমপি প্রার্থীরা পাবেন অস্ত্রের লাইসেন্স
‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-টু’ অবিলম্বে চালু, এমপি প্রার্থীরা পাবেন অস্ত্রের লাইসেন্স

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে দেখতে হাসপাতালে তিন উপদেষ্টা
হাদিকে দেখতে হাসপাতালে তিন উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাকে মারধর করায় ছেলেকে কোমর পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে রাখলো এলাকাবাসী
মাকে মারধর করায় ছেলেকে কোমর পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে রাখলো এলাকাবাসী

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রুহুল কবীর রিজভীর দুঃখ প্রকাশ
রুহুল কবীর রিজভীর দুঃখ প্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

এই হামলা বাংলাদেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত : প্রধান উপদেষ্টা
এই হামলা বাংলাদেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত : প্রধান উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দুর্নীতির অভিযোগে ভারতে চার ক্রিকেটার নিষিদ্ধ
দুর্নীতির অভিযোগে ভারতে চার ক্রিকেটার নিষিদ্ধ

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যমুনার পথে বিএনপির দুই নেতা
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যমুনার পথে বিএনপির দুই নেতা

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাংলাদেশসহ চার দেশে ভ্রমণ সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের
বাংলাদেশসহ চার দেশে ভ্রমণ সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সচিবালয়ে ভাতা চালুর আন্দোলনে গ্রেফতার ১৪ জন রিমান্ডে
সচিবালয়ে ভাতা চালুর আন্দোলনে গ্রেফতার ১৪ জন রিমান্ডে

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির হামলাকারীদের ধরিয়ে দিলে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
হাদির হামলাকারীদের ধরিয়ে দিলে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি'
'আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি'

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইমরান খানের পক্ষে যে আকুতি জানালেন সাবেক স্ত্রী জেমিমা
ইমরান খানের পক্ষে যে আকুতি জানালেন সাবেক স্ত্রী জেমিমা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ওসমান হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি
ওসমান হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি

প্রথম পৃষ্ঠা

৩৫ কেজি কাতলার দাম ১ লাখ ২২ হাজার টাকা!
৩৫ কেজি কাতলার দাম ১ লাখ ২২ হাজার টাকা!

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

২৫ ডিসেম্বর ফিরছেন তারেক রহমান
২৫ ডিসেম্বর ফিরছেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্ল্যাক ট্রায়াঙ্গেলের অস্ত্রে কাঁপছে চট্টগ্রাম
ব্ল্যাক ট্রায়াঙ্গেলের অস্ত্রে কাঁপছে চট্টগ্রাম

পেছনের পৃষ্ঠা

কড়াইল লেক দখলের মহোৎসব
কড়াইল লেক দখলের মহোৎসব

পেছনের পৃষ্ঠা

৩২ মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি শিয়াল-কুকুরের
৩২ মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি শিয়াল-কুকুরের

প্রথম পৃষ্ঠা

বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে
বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

টি-২০তে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড!
টি-২০তে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড!

মাঠে ময়দানে

যশোরে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি-জামায়াত
যশোরে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি-জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

কুয়াকাটা সৈকতে ভিড় বেড়েছে পর্যটকের
কুয়াকাটা সৈকতে ভিড় বেড়েছে পর্যটকের

পেছনের পৃষ্ঠা

একটি জাতির নিঃশব্দ কান্না
একটি জাতির নিঃশব্দ কান্না

সম্পাদকীয়

দেব-সুরাইয়ার প্রেমকাহিনি
দেব-সুরাইয়ার প্রেমকাহিনি

শোবিজ

হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশন শুরু আজিজুলদের
হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশন শুরু আজিজুলদের

মাঠে ময়দানে

দুর্নীতির কারণে সংকুচিত হচ্ছে শ্রমবাজার
দুর্নীতির কারণে সংকুচিত হচ্ছে শ্রমবাজার

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে নতুন মাদক এমডিএমবি
দেশে নতুন মাদক এমডিএমবি

নগর জীবন

লাস্ট সিকোয়েন্স
লাস্ট সিকোয়েন্স

শোবিজ

দল নয়, স্বতন্ত্র লড়বেন আসিফ
দল নয়, স্বতন্ত্র লড়বেন আসিফ

প্রথম পৃষ্ঠা

সন্ত্রাসীদের পেছনের শক্তি কারা স্পষ্ট করতে হবে
সন্ত্রাসীদের পেছনের শক্তি কারা স্পষ্ট করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আইসিসিবিতে ‘আলু উৎসব’ শুরু
আইসিসিবিতে ‘আলু উৎসব’ শুরু

নগর জীবন

রাজনীতি এখন ভোটের মাঠে
রাজনীতি এখন ভোটের মাঠে

প্রথম পৃষ্ঠা

সর্বোচ্চ সতর্কতায় চলছে চিকিৎসা
সর্বোচ্চ সতর্কতায় চলছে চিকিৎসা

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়েলিংটনে ক্যারিবীয়দের উড়িয়ে সিরিজে এগিয়ে কিউইরা
ওয়েলিংটনে ক্যারিবীয়দের উড়িয়ে সিরিজে এগিয়ে কিউইরা

মাঠে ময়দানে

জঙ্গির পক্ষে ফেসবুক পোস্ট, বাংলাদেশির ১০ বছর কারাদণ্ড
জঙ্গির পক্ষে ফেসবুক পোস্ট, বাংলাদেশির ১০ বছর কারাদণ্ড

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্মের বড়ি বিক্রি করে ভোট চাওয়া যাবে না
ধর্মের বড়ি বিক্রি করে ভোট চাওয়া যাবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত এ হামলা
দেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত এ হামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন বানচাল করার মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই
নির্বাচন বানচাল করার মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাজ্যে জাদুঘর থেকে ৬ শতাধিক শিল্পকর্ম চুরি
যুক্তরাজ্যে জাদুঘর থেকে ৬ শতাধিক শিল্পকর্ম চুরি

পূর্ব-পশ্চিম

ইসির সম্মতি ছাড়া বদলি নয়
ইসির সম্মতি ছাড়া বদলি নয়

প্রথম পৃষ্ঠা

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা