শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ আপডেট: ০০:১৫, বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪

সাক্ষাৎকার - রুহুল কুদ্দুস কাজল

অনির্বাচিতরা দীর্ঘদিন থাকলে অপকর্মে জড়ানোর শঙ্কা

শফিকুল ইসলাম সোহাগ ও শরিফুল ইসলাম সীমান্ত
প্রিন্ট ভার্সন
অনির্বাচিতরা দীর্ঘদিন থাকলে অপকর্মে জড়ানোর শঙ্কা

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করে ২০২৫ সালের তিন-চতুর্থাংশের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব। এ সময়কালের মধ্যেই সরকারের যেসব এজেন্ডা অর্থাৎ সংস্কার কাজ রয়েছে সেগুলো সম্পন্ন করে নির্বাচন করতে পারবে।

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এ সদস্য আরও বলেছেন, অনির্বাচিত সরকারের কোনো জনভিত্তি থাকে না। জনভিত্তি ছাড়া দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা কঠিন। অনির্বাচিত সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলে সরকারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকারের বিস্তারিত-

বাংলাদেশ প্রতিদিন : অন্তর্বর্তী সরকারের সাড়ে চার মাসে আপনার প্রত্যাশা এবং প্রাপ্তি সম্পর্কে বলুন।

কাজল : দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র ব্যবস্থার জাঁতাকল থেকে মুক্ত হয়ে দেশের মানুষ মুক্ত বাতাসে নিঃশ্বাস নিচ্ছে। স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কিছুটা নিয়ন্ত্রণহীনতা ব্যতীত ব্যাপক চাঁদাবাজি, ঘুষ, দুর্নীতির যে উৎসব বিগত সরকারের আমলে মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে গত চার মাসে এগুলো আমরা লক্ষ্য করিনি। অন্তর্বর্তী সরকার অনেকটাই গণতান্ত্রিক। রাষ্ট্র পরিচালনায় তারা ক্রিয়াশীল রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করছে। এর মধ্য দিয়ে জনগণের পালস বা মনোভাব তারা কিছুটা বুঝতে পারছে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার অনির্বাচিত সরকার। অনির্বাচিত সরকারের কোনো জনভিত্তি থাকে না। জনভিত্তি ছাড়া দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা কঠিন। দীর্ঘদিন অনির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় থাকলে সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে এখনো পর্যন্ত এমন কোনো অভিযোগ ওঠেনি। তবে যে তরুণ প্রজন্মের সংগ্রাম এবং আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ৫ আগস্টের বিজয় এসেছে সেসব ছাত্রনেতা বা ছাত্র উপদেষ্টাদের কারও বিরুদ্ধে যদি কখনো এমন কোনো অভিযোগ আসে তাহলে এটি হবে আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক এবং কলঙ্কজনক। সুতরাং, যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক এবং রাজনৈতিক সরকার প্রতিষ্ঠা করা সরকার এবং জনগণ উভয়ের জন্য মঙ্গলজনক হবে। সরকার যেসব সংস্কার প্রস্তাব নিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে সেগুলো চূড়ান্ত করে পরবর্তীতে বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচিত সরকারের কাছেই ছেড়ে দিতে হবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে কীভাবে দেখেন? আর এ আন্দোলনে বিএনপির অবদানকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

কাজল : জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে সম্মুখ সারিতে ছিল ছাত্র-জনতা। আন্দোলনের মোমেন্টামও তারাই গ্রহণ করেছে। তবে এই আন্দোলনের ভিত্তি তৈরি করেছে বিএনপি। হাসিনার শাসনামলের শুরু থেকেই বিএনপি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নানাবিধ অপকর্মের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এতে করে দলীয়ভাবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্তও হয়েছে বিএনপি। ইলিয়াস আলীর মতো একজন প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদ গুম হয়েছেন। বর্তমান সরকারের চার মাস পেরিয়ে গেলেও তার পরিবার এখনো জানে না ইলিয়াস আলীর ভাগ্যে কী ঘটেছে। হাজারখানেক মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন, ৫০ লক্ষাধিক মানুষ মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার হয়েছেন। এদের সিংহভাগই বিএনপির।

বিগত সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপি ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন চালিয়ে এসেছে। সর্বশেষ ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের পরও বিএনপি থেমে যায়নি। গত বছর ২৮ অক্টোবর ঢাকায় বিএনপির সমাবেশে সন্ত্রাসী হামলা চালানোর পরও বিএনপি নিয়মতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে। ওইদিন সমাবেশ ব্যর্থ হওয়ার পরদিন বিএনপি হরতাল ডেকেছিল। আওয়ামী সরকার বিএনপি নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার, মামলা, খুনের মাধ্যমে দেশে ভীতিকর অবস্থার সৃষ্টি করেছিল। আমি একমাত্র ব্যক্তি যে সুপ্রিম কোর্ট থেকে আইনজীবীদের মিছিল রাজপথে নিয়ে গেছি। সাংগঠনিক চেইন অব কমান্ডের বদৌলতে বিএনপি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলমান রাখতে পেরেছে। আমি নিজেও আইনজীবী হিসেবে গ্রেপ্তারের শিকার হয়েছি।

৫ আগস্ট পূর্ববর্তী সময়ে বিএনপি মহাসচিব প্রথমে দলের পক্ষ থেকে জানিয়েছেন, ছাত্রদের আন্দোলনের প্রতি আমাদের নৈতিক সমর্থন আছে। পরবর্তীতে তিনি বলেছেন, সর্বশক্তি দিয়ে আমরা এ আন্দোলনের সঙ্গে আছি। আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্বে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যারা ভূমিকা রেখেছে তারা মূলত রাজনৈতিক কর্মী। সরকারবিরোধী রাজনৈতিক শক্তির রাজনৈতিক কর্মীরাই আন্দোলনটাকে চূড়ান্ত মোমেন্টামে তুলে এনেছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে হাসিনা সরকারের দীর্ঘ দিনের চালানো খুন, গুম, নির্যাতন-নিপীড়ন এবং অধিকার হরণের বিপরীতে মানুষের যে ক্ষোভ তার গণ বিস্ফোরণের সমষ্টিগত ফল হলো ৫ আগস্টের বিপ্লব। সুতরাং এ বিপ্লব কোনো একক ব্যক্তির কিংবা একক গোষ্ঠীর নয়।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : সরকারের সংস্কার কার্যক্রমকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন? বিএনপি কোন কোন সংস্কারের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে?

কাজল : বিএনপি যেসব বিষয়ে সংস্কার করতে চায় তার মধ্যে প্রধান হলো- সংবিধান সংস্কার। বিএনপির পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই সংবিধান সংস্কার কমিটি গঠিত হয়েছে। সাত সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটির আমি একজন সদস্য ছিলাম। এ কমিটি ৬৭টি সংস্কারের কথা বলেছে। বিগত আমলগুলোতে প্রধানমন্ত্রী তার একচ্ছত্র ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। তাই বিএনপি চায়, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হোক। দ্বিতীয়ত, দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে শিক্ষাবিদ, চিকিৎসকসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিদগ্ধ ব্যক্তিদের রাষ্ট্রপরিচালনায় অংশ নেওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। এ জন্য বিএনপি, দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদের প্রস্তাব করেছে। তৃতীয়ত, স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য একই ব্যক্তি পরপর দুবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। চতুর্থত, বিএনপি নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করার জন্য সংস্কারের কথা বলছে।

সর্বোপরি, বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবও অত্যন্ত যুগোপযোগী। এ প্রস্তাবগুলোকে সামনে রেখে আগামী দিনে দেশের সব সেক্টরকে দুর্নীতিমুক্ত এবং নিরপেক্ষভাবে ঢেলে সাজানো সম্ভব।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : নির্বাচনি রোডম্যাপ নিয়ে আপনার ভাবনা কী?

কাজল : অন্তর্বর্তী সরকারের মূল দায়িত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল বিএনপি এ সরকারের কাছ থেকে নির্বাচনি রোডম্যাপের প্রত্যাশা করছে। সরকারের যাত্রা শুরু থেকেই বিএনপি বলে আসছে, কিছু সংস্কারের জন্য তারা সরকারকে যৌক্তিক সময় দিতে চায়। যৌক্তিক সময় একেক সময় একেক রকম হয়। উদাহরণস্বরূপ, এক-এগারো সরকারের প্রতি প্রথম দিকে জনগণের যেরকম আস্থা ছিল, দুই বছর থাকার কারণে সেই আস্থায় ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। সেই সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত অনেকেই নানাবিধ দুর্নীতি এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন। আশঙ্কা প্রকাশ করছি, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ দীর্ঘায়িত হলে সরকার সংশ্লিষ্ট অনেক ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ক্ষমতাস্পৃহা তৈরি হতে পারে। অনেকের মধ্যে দুর্নীতি ঢুকতে পারে। এ জন্য যত দ্রুত সম্ভব যেসব সংস্কার প্রস্তাব এসেছে সেগুলো ঘষা-মাজার মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত করে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা উচিত।

অন্তর্বর্তী সরকার সাংবিধানিক কোনো সংস্কার করতে পারবে না। তারা সংবিধানের পাশ দিয়ে হেঁটে চলছে। সরকারের একমাত্র সাংবিধানিক ভিত্তি হচ্ছে, সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ। যেখানে সুপ্রিম কোর্টের উপদেশমূলক পরামর্শ দেওয়ার ক্ষমতা আছে। সুতরাং অন্তর্বর্তী সরকার সুপ্রিম কোর্টের উপদেশ অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। এ ছাড়া এই সরকারের আইনগত আর কোনো ভিত্তি নেই। তাই অন্তর্বর্তী সরকার যত দ্রুত নির্বাচনের দিকে হাঁটবে তত দ্রুত জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো এখন কোন পর্যায়ে আছে?

কাজল : এই দুজন ছাড়াও হাসিনার আমলে বিএনপির প্রায় ৫০ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। গ্রাম থেকে শুরু করে ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা-কর্মীরাও মিথ্যা মামলার খড়গ থেকে বাঁচতে পারেননি। বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান ছিলেন শেখ হাসিনার প্রধান প্রতিপক্ষ। এখন একের পর এক এসব মামলা থেকে তারা খালাস পাচ্ছেন। এতে প্রমাণ হয় যে, সবকটি মামলাই ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : রাজনৈতিক অঙ্গনে বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ‘মাইনাস টু’র আলোচনা চলছে।

কাজল : এক-এগারোর অনির্বাচিত সরকারের সময়কার অগণতান্ত্রিক এবং বিরাজনীতিমূলক ‘মাইনাস টু’ এর স্মৃতি জনগণের মনে এখনো জাগরূক রয়েছে। অসাংবিধানিক, কূটকৌশলপূর্ণ এমন কোনো পরিকল্পনা এখনো যদি কারও মধ্যে তৈরি হয় তবে জনগণ তা বাস্তবায়িত হতে দেবে না।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : তারেক রহমান বারবার বলছেন, আগামী নির্বাচন হবে বিএনপির জন্য অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। চ্যালেঞ্জের জায়গাগুলো কী কী?

কাজল : বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল বিএনপি। মানুষ মনে করে, এখন নির্বাচন হলে বিএনপি একচ্ছত্রভাবে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসবে। বিএনপির এ রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ যাদের কাছে আশঙ্কার কারণ কিংবা বিএনপির এ সাফল্যে যারা ভাগ বসাতে চায় তারা স্বাভাবিকভাবেই বিএনপির এ গতিধারাকে রুদ্ধ করার চেষ্টা করবে। এ জন্য তারেক রহমান তার নেতা-কর্মীদের সতর্ক করার জন্য চ্যালেঞ্জের কথা বলেছেন।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বিএনপির প্রস্তুতি কেমন?

কাজল : বিএনপি জনমানুষ এবং গণমানুষের রাজনৈতিক দল। বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত। বিএনপির রাজনৈতিক শক্তির বাইরে সবচেয়ে বড় শক্তি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ব্যক্তিগত সততা, তার ও বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা এবং তারেক রহমানের প্রতি দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীর আস্থা। তাদের প্রতি দলের এবং দেশের মানুষের আস্থায় বলীয়ান বিএনপি যে কোনো সময় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। যদি প্রস্তুতি না থাকত তবে বিএনপি প্রতিনিয়ত নির্বাচনের কথা বলত না। যে কোনো সময় গণতান্ত্রিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপির প্রতি দেশের জনগণ ভোটবিপ্লবের মাধ্যমে তাদের আস্থার বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : গণহত্যার দায়ে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের বিষয়ে আপনার মন্তব্য কী?

কাজল : শেখ হাসিনাসহ বিগত সরকারের যারা জুলাই-আগস্টের গণহত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন তাদের বিরুদ্ধে বিচারের দাবি সর্বজনীন। সর্বজনীন বিচারের প্রক্রিয়া ধরে আসামি বা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতের সামনে রেখে বিচার করতে হবে। শেখ হাসিনার বিচারের ক্ষেত্রেও এ প্রক্রিয়ার ব্যত্যয় ঘটবে না। আমরা জানতাম বেগম খালেদা জিয়া কোনো এতিমের টাকা চুরি করেননি। কিন্তু তারপরও রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলায় দিনের পর দিন বেগম খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজিরা দিতে হয়েছে। একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় উপস্থিত থাকবেন এটাই স্বাভাবিক।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : স্বাধীন বিচার বিভাগ কতটুকু প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?

কাজল : মানুষের মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সবচেয়ে জরুরি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা। স্বাধীন বিচার বিভাগ আমাদের সাংবিধানিক ভিত্তি। সংবিধানে বলা থাকলেও এতকাল এটি কেউ কার্যকর করেনি। যতটুকু কার্যকর করা হয়েছিল সেটাও বেগম খালেদা জিয়ার আমলে। বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংক্রান্ত মাজদার হোসেন মামলা বেগম খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শাসনকালের শেষ দিকে শুরু হয়েছিল। বর্তমান সরকারের মধ্যে আইন মন্ত্রণালয় বিশেষ করে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণভাবে আইন মন্ত্রণালয়ের প্রভাবমুক্ত করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। আইন মন্ত্রণালয়ও ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। বিচার প্রশাসনকে তারা সম্পূর্ণভাবে সুপ্রিম কোর্টের অধীনে আনার জন্য কাজ শুরু করেছে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : বর্তমান সরকারের কাছে প্রত্যাশা কী?

কাজল : বাংলাদেশের মানুষ তাদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অচলায়তন, অব্যবস্থাপনা ও দুঃশাসন থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি চায়। সরকার বেশ কিছু সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। যত দ্রুত সম্ভব দেশের ক্রিয়াশীল রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংস্কার প্রস্তাবগুলোকে ঘষা-মাজার মাধ্যমে চূড়ান্ত করে সেগুলো পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের বাস্তবায়নের জন্য রেখে দিতে হবে। কারণ সংস্কারকে সাংবিধানিকভাবে আইনগত কাঠামো দেওয়ার ক্ষমতা ও যৌক্তিকতা অন্তর্বর্তী সরকারের নেই।

কমিশনগুলোর প্রস্তাবনা জমা দেওয়ার ডেটলাইন শেষ হয়ে আসছে। আগামী এক-দুই মাসের মধ্যে সংস্কার প্রস্তাবনায় ঐকমত্য তৈরি করতে হবে। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। তাদের কাজ হবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করে নির্বাচন করা। দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করা হয়েছে। তাদের কাজ হবে, হাসিনা এবং তার সরকারের দোসরদের অবিলম্বে বিচারের মুখোমুখি করা। এক্ষেত্রে আমার প্রস্তাবনা হলো, প্রয়োজনে একটা সংক্ষিপ্ত বিচারের মাধ্যমে বড় বড় দুর্নীতিগুলোর বিচার করা।

আইসিটিতে হাসিনাসহ তার দোসরদের এবং ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করা ব্যক্তিদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ বিচারগুলো সম্পন্ন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। তা না হলে ৫ আগস্টের চেতনাকে নিয়ে মানুষের মধ্যে হতাশা তৈরি হবে। আমি মনে করি, আগামী ছয় মাসের মধ্যে এই কাজগুলো সম্পন্ন করে ২০২৫ সালের তিন-চতুর্থাংশ সময়ের মধ্যে নির্বাচন করা সম্ভব।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের সময় দেওয়ার জন্য।

কাজল : আপনাদেরও ধন্যবাদ।

এই বিভাগের আরও খবর
ইসির সম্মতি ছাড়া বদলি নয়
ইসির সম্মতি ছাড়া বদলি নয়
৩২ মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি শিয়াল-কুকুরের
৩২ মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি শিয়াল-কুকুরের
নির্বাচন বানচাল করার মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই
নির্বাচন বানচাল করার মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই
সর্বোচ্চ সতর্কতায় চলছে চিকিৎসা
সর্বোচ্চ সতর্কতায় চলছে চিকিৎসা
দল নয়, স্বতন্ত্র লড়বেন আসিফ
দল নয়, স্বতন্ত্র লড়বেন আসিফ
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে
ধর্মের বড়ি বিক্রি করে ভোট চাওয়া যাবে না
ধর্মের বড়ি বিক্রি করে ভোট চাওয়া যাবে না
দুর্নীতির কারণে সংকুচিত হচ্ছে শ্রমবাজার
দুর্নীতির কারণে সংকুচিত হচ্ছে শ্রমবাজার
বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে
বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে
দেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত এ হামলা
দেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত এ হামলা
সন্ত্রাসীদের পেছনের শক্তি কারা স্পষ্ট করতে হবে
সন্ত্রাসীদের পেছনের শক্তি কারা স্পষ্ট করতে হবে
রাজনীতি এখন ভোটের মাঠে
রাজনীতি এখন ভোটের মাঠে
সর্বশেষ খবর
সুদানে সন্ত্রাসী হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন শান্তিরক্ষী নিহত, আহত ৮
সুদানে সন্ত্রাসী হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন শান্তিরক্ষী নিহত, আহত ৮

১৮ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

মির্জা ফখরুলের জন্য ভোট চাইলেন মেয়ে মির্জা সাফারুহ
মির্জা ফখরুলের জন্য ভোট চাইলেন মেয়ে মির্জা সাফারুহ

১৮ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

কুয়াশায় ঢাকা লালমনিরহাটে ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ
কুয়াশায় ঢাকা লালমনিরহাটে ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হাদির উপর হামলার প্রতিবাদে কক্সবাজারে বিএনপির বিক্ষোভ
হাদির উপর হামলার প্রতিবাদে কক্সবাজারে বিএনপির বিক্ষোভ

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গোল বিতর্কে রূপগঞ্জে সংঘর্ষ, আহত ৫
গোল বিতর্কে রূপগঞ্জে সংঘর্ষ, আহত ৫

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দেশের বাজারে বাড়লো স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে বাড়লো স্বর্ণের দাম

৩৪ মিনিট আগে | অর্থনীতি

হাদিকে গুলি করে হিন্দুস্তানি আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন হবে না: রাশেদ প্রধান
হাদিকে গুলি করে হিন্দুস্তানি আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন হবে না: রাশেদ প্রধান

৩৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

গাজীপুরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
গাজীপুরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ওসমান হাদির বাড়িতে চুরি, ঝালকাঠিতে বিক্ষোভ-অবরোধ
ওসমান হাদির বাড়িতে চুরি, ঝালকাঠিতে বিক্ষোভ-অবরোধ

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গজারিয়ায় সড়কে লাশ
গজারিয়ায় সড়কে লাশ

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে নিখোঁজের পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার
নাটোরে নিখোঁজের পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সারাদেশে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৫০৬
সারাদেশে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৫০৬

৫১ মিনিট আগে | জাতীয়

চারদিকে লাখো হাদি, তারা ভয় পায় না, আমিও না: প্রেস সচিব
চারদিকে লাখো হাদি, তারা ভয় পায় না, আমিও না: প্রেস সচিব

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

রুহুল কবীর রিজভীর দুঃখ প্রকাশ
রুহুল কবীর রিজভীর দুঃখ প্রকাশ

৫৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গুলিবিদ্ধের ঘটনায় গ্রেফতার ৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গুলিবিদ্ধের ঘটনায় গ্রেফতার ৫

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে: তৃপ্তি
অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে: তৃপ্তি

৫৯ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

খুলনায় অস্ত্র তৈরির গোপন কারখানা, আটক ৩
খুলনায় অস্ত্র তৈরির গোপন কারখানা, আটক ৩

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাদির ঘটনায় সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ : ইশরাক
হাদির ঘটনায় সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ : ইশরাক

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাদির ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি
হাদির ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

গোপালগঞ্জে অনুষ্ঠানে ভিডিও ধারণ নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১০
গোপালগঞ্জে অনুষ্ঠানে ভিডিও ধারণ নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত, অন্ধকারে ১০ লাখ ঘর
রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত, অন্ধকারে ১০ লাখ ঘর

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মির্জাপুরে দুই আ.লীগ নেতা গ্রেফতার
মির্জাপুরে দুই আ.লীগ নেতা গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের ৯ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ
তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের ৯ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শিল্পের টেকসই প্রযুক্তি নিয়ে ঢাকায় দুই দিনব্যাপী আই-ইইই সম্মেলন
শিল্পের টেকসই প্রযুক্তি নিয়ে ঢাকায় দুই দিনব্যাপী আই-ইইই সম্মেলন

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ
সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডিএমপি কমিশনারে নামে ভুয়া ফটোকার্ড প্রচারকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে
ডিএমপি কমিশনারে নামে ভুয়া ফটোকার্ড প্রচারকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৫ ফুট উচ্চতার সুড়ঙ্গ খুঁড়ে বেলারুশ থেকে পোল্যান্ডে ঢুকল ১৮০ অভিবাসী
৫ ফুট উচ্চতার সুড়ঙ্গ খুঁড়ে বেলারুশ থেকে পোল্যান্ডে ঢুকল ১৮০ অভিবাসী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদির ওপর হামলাকারীর শিকড় উপড়ে ফেলা হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল
হাদির ওপর হামলাকারীর শিকড় উপড়ে ফেলা হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিজিবির নজরদারি জোরদার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিজিবির নজরদারি জোরদার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এমিনেমের বিরুদ্ধে অশালীন প্রস্তাবের অভিযোগ টাইটানিক অভিনেত্রীর
এমিনেমের বিরুদ্ধে অশালীন প্রস্তাবের অভিযোগ টাইটানিক অভিনেত্রীর

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সর্বাধিক পঠিত
হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীরা শনাক্ত, যেকোনো সময় গ্রেফতার
হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীরা শনাক্ত, যেকোনো সময় গ্রেফতার

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৭২ ঘণ্টা অতি ঝুঁকিপূর্ণ, হাদির ব্রেইন স্টেম ক্ষতিগ্রস্ত : বিশেষ সহকারী
৭২ ঘণ্টা অতি ঝুঁকিপূর্ণ, হাদির ব্রেইন স্টেম ক্ষতিগ্রস্ত : বিশেষ সহকারী

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাদির পরিবারের পাশে জুবাইদা রহমান
হাদির পরিবারের পাশে জুবাইদা রহমান

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীন থেকে ইরানগামী জাহাজে মার্কিন বাহিনীর অভিযান
চীন থেকে ইরানগামী জাহাজে মার্কিন বাহিনীর অভিযান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদিকে গুলির ঘটনায় একজন শনাক্ত, সন্ধানদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে : ডিএমপি
হাদিকে গুলির ঘটনায় একজন শনাক্ত, সন্ধানদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে : ডিএমপি

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশের মাছের ব্যাপক চাহিদা ভারতের সাত রাজ্যে
বাংলাদেশের মাছের ব্যাপক চাহিদা ভারতের সাত রাজ্যে

১৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হাদিকে গুলি : আসামি শনাক্তের বিষয়ে যা বললেন ডিএমপি কমিশনার
হাদিকে গুলি : আসামি শনাক্তের বিষয়ে যা বললেন ডিএমপি কমিশনার

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশি নাবিকসহ তেলবাহী জাহাজ আটক করল ইরান
বাংলাদেশি নাবিকসহ তেলবাহী জাহাজ আটক করল ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে বর্তমানে কনজারভেটিভ ম্যানেজমেন্টে রাখা হয়েছে: মেডিকেল বোর্ড
হাদিকে বর্তমানে কনজারভেটিভ ম্যানেজমেন্টে রাখা হয়েছে: মেডিকেল বোর্ড

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির ঝালকাঠির বাসায় চুরি
হাদির ঝালকাঠির বাসায় চুরি

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাদির পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিতের আশ্বাস
হাদির পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিতের আশ্বাস

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির স্বাস্থ্যের সর্বশেষ অবস্থা জানাল ইনকিলাব মঞ্চ
হাদির স্বাস্থ্যের সর্বশেষ অবস্থা জানাল ইনকিলাব মঞ্চ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথমবার কনসার্টে মায়ের সাথে গাইলো শাকিরার দুই ছেলে
প্রথমবার কনসার্টে মায়ের সাথে গাইলো শাকিরার দুই ছেলে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

এশিয়া কাপে শুভ সূচনা করতে বাংলাদেশর দরকার ২৮৪ রান
এশিয়া কাপে শুভ সূচনা করতে বাংলাদেশর দরকার ২৮৪ রান

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খালেদা জিয়া-ওসমান হাদিকে দেখতে এভারকেয়ারে মির্জা ফখরুল
খালেদা জিয়া-ওসমান হাদিকে দেখতে এভারকেয়ারে মির্জা ফখরুল

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুদ্ধকে নতুন মাত্রা দিয়েছে ইরানের তৈরি যে ভয়ানক ড্রোন
যুদ্ধকে নতুন মাত্রা দিয়েছে ইরানের তৈরি যে ভয়ানক ড্রোন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদির ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
হাদির ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আফগানদের হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে শুভ সূচনা বাংলাদেশের
আফগানদের হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে শুভ সূচনা বাংলাদেশের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-টু’ অবিলম্বে চালু, এমপি প্রার্থীরা পাবেন অস্ত্রের লাইসেন্স
‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-টু’ অবিলম্বে চালু, এমপি প্রার্থীরা পাবেন অস্ত্রের লাইসেন্স

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে দেখতে হাসপাতালে তিন উপদেষ্টা
হাদিকে দেখতে হাসপাতালে তিন উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাকে মারধর করায় ছেলেকে কোমর পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে রাখলো এলাকাবাসী
মাকে মারধর করায় ছেলেকে কোমর পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে রাখলো এলাকাবাসী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এই হামলা বাংলাদেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত : প্রধান উপদেষ্টা
এই হামলা বাংলাদেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত : প্রধান উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দুর্নীতির অভিযোগে ভারতে চার ক্রিকেটার নিষিদ্ধ
দুর্নীতির অভিযোগে ভারতে চার ক্রিকেটার নিষিদ্ধ

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যমুনার পথে বিএনপির দুই নেতা
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যমুনার পথে বিএনপির দুই নেতা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাংলাদেশসহ চার দেশে ভ্রমণ সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের
বাংলাদেশসহ চার দেশে ভ্রমণ সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সচিবালয়ে ভাতা চালুর আন্দোলনে গ্রেফতার ১৪ জন রিমান্ডে
সচিবালয়ে ভাতা চালুর আন্দোলনে গ্রেফতার ১৪ জন রিমান্ডে

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির হামলাকারীদের ধরিয়ে দিলে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
হাদির হামলাকারীদের ধরিয়ে দিলে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি'
'আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি'

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইমরান খানের পক্ষে যে আকুতি জানালেন সাবেক স্ত্রী জেমিমা
ইমরান খানের পক্ষে যে আকুতি জানালেন সাবেক স্ত্রী জেমিমা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইনশাআল্লাহ্ ফিরবে আমাদের সিংহহৃদয় হাদি : আসিফ নজরুল
ইনশাআল্লাহ্ ফিরবে আমাদের সিংহহৃদয় হাদি : আসিফ নজরুল

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ওসমান হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি
ওসমান হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি

প্রথম পৃষ্ঠা

৩৫ কেজি কাতলার দাম ১ লাখ ২২ হাজার টাকা!
৩৫ কেজি কাতলার দাম ১ লাখ ২২ হাজার টাকা!

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ব্ল্যাক ট্রায়াঙ্গেলের অস্ত্রে কাঁপছে চট্টগ্রাম
ব্ল্যাক ট্রায়াঙ্গেলের অস্ত্রে কাঁপছে চট্টগ্রাম

পেছনের পৃষ্ঠা

২৫ ডিসেম্বর ফিরছেন তারেক রহমান
২৫ ডিসেম্বর ফিরছেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

কড়াইল লেক দখলের মহোৎসব
কড়াইল লেক দখলের মহোৎসব

পেছনের পৃষ্ঠা

৩২ মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি শিয়াল-কুকুরের
৩২ মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি শিয়াল-কুকুরের

প্রথম পৃষ্ঠা

বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে
বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

টি-২০তে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড!
টি-২০তে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড!

মাঠে ময়দানে

যশোরে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি-জামায়াত
যশোরে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি-জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

কুয়াকাটা সৈকতে ভিড় বেড়েছে পর্যটকের
কুয়াকাটা সৈকতে ভিড় বেড়েছে পর্যটকের

পেছনের পৃষ্ঠা

একটি জাতির নিঃশব্দ কান্না
একটি জাতির নিঃশব্দ কান্না

সম্পাদকীয়

দেব-সুরাইয়ার প্রেমকাহিনি
দেব-সুরাইয়ার প্রেমকাহিনি

শোবিজ

হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশন শুরু আজিজুলদের
হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশন শুরু আজিজুলদের

মাঠে ময়দানে

দুর্নীতির কারণে সংকুচিত হচ্ছে শ্রমবাজার
দুর্নীতির কারণে সংকুচিত হচ্ছে শ্রমবাজার

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে নতুন মাদক এমডিএমবি
দেশে নতুন মাদক এমডিএমবি

নগর জীবন

লাস্ট সিকোয়েন্স
লাস্ট সিকোয়েন্স

শোবিজ

দল নয়, স্বতন্ত্র লড়বেন আসিফ
দল নয়, স্বতন্ত্র লড়বেন আসিফ

প্রথম পৃষ্ঠা

সন্ত্রাসীদের পেছনের শক্তি কারা স্পষ্ট করতে হবে
সন্ত্রাসীদের পেছনের শক্তি কারা স্পষ্ট করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আইসিসিবিতে ‘আলু উৎসব’ শুরু
আইসিসিবিতে ‘আলু উৎসব’ শুরু

নগর জীবন

রাজনীতি এখন ভোটের মাঠে
রাজনীতি এখন ভোটের মাঠে

প্রথম পৃষ্ঠা

সর্বোচ্চ সতর্কতায় চলছে চিকিৎসা
সর্বোচ্চ সতর্কতায় চলছে চিকিৎসা

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়েলিংটনে ক্যারিবীয়দের উড়িয়ে সিরিজে এগিয়ে কিউইরা
ওয়েলিংটনে ক্যারিবীয়দের উড়িয়ে সিরিজে এগিয়ে কিউইরা

মাঠে ময়দানে

জঙ্গির পক্ষে ফেসবুক পোস্ট, বাংলাদেশির ১০ বছর কারাদণ্ড
জঙ্গির পক্ষে ফেসবুক পোস্ট, বাংলাদেশির ১০ বছর কারাদণ্ড

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্মের বড়ি বিক্রি করে ভোট চাওয়া যাবে না
ধর্মের বড়ি বিক্রি করে ভোট চাওয়া যাবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত এ হামলা
দেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত এ হামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন বানচাল করার মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই
নির্বাচন বানচাল করার মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসির সম্মতি ছাড়া বদলি নয়
ইসির সম্মতি ছাড়া বদলি নয়

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাজ্যে জাদুঘর থেকে ৬ শতাধিক শিল্পকর্ম চুরি
যুক্তরাজ্যে জাদুঘর থেকে ৬ শতাধিক শিল্পকর্ম চুরি

পূর্ব-পশ্চিম

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা