শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫

কী হবে হ্যাঁ-না ভোটে

চার প্রশ্নের এক ব্যালটকে চ্যালেঞ্জ মনে করছেন বিশ্লেষকরা
কাজী সোহাগ
প্রিন্ট ভার্সন
কী হবে হ্যাঁ-না ভোটে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন যে চার প্রশ্নে গণভোটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার, সেখানে রাজনৈতিক দলগুলোর দেওয়া নোট অব ডিসেন্টসহ রয়েছে ঐকমত্য হওয়া ইস্যুগুলোও। ভোটে হ্যাঁ জিতলে আগামী সংসদের সদস্য নিয়ে গঠিতব্য সংবিধান সংস্কার পরিষদ ১৮০ দিনের মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫ অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন করবে। আর না জিতলে বাতিল হয়ে যাবে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা দলগুলোর অঙ্গীকার। এর মধ্যে রয়েছে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গঠন, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ, সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে যে ৩০টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে দলগুলোর ঐকমত্য হয়েছে সেগুলো।

সংক্ষেপে চারটি প্রশ্ন থাকলেও প্রতিটি প্রশ্নে রয়েছে বিস্তারিত অনেক বিষয়। এসব বিষয়ে জনগণকে জানানো ও ভোটে উদ্বুদ্ধ করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই দিন জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ায় ওই চ্যালেঞ্জ আরও বাড়বে বলে মন্তব্য তাঁদের। সংশ্লিষ্টরা জানান, গণভোটের জন্য এখন প্রয়োজন জনগণকে সচেতন করা। এ ক্ষেত্রে সরকার ও দলগুলোকে যৌথভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

জুলাই জাতীয় সনদ তৈরি ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে সরকার প্রত্যক্ষভাবে কাজ করেছে। আবার যেসব প্রশ্নের ওপর গণভোট আয়োজন করা হচ্ছে সেটাও সরকারের তৈরি। এ ক্ষেত্রে গণভোট বিষয়ে কীভাবে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করা যায় সরকারকে সে পরিকল্পনা করতে হবে। অন্যদিকে সনদের ইস্যুগুলো নিয়ে সরাসরি সম্পৃক্ত রাজনৈতিক দলগুলো। আগামী নির্বাচনে যে দলই জয়লাভ করুক না কেন, সনদ বাস্তবায়নে তারা অঙ্গীকারবদ্ধ। সেদিক থেকে সনদ নিয়ে দলগুলোরও দায় ব্যাপক। সরকারসংশ্লিষ্টরা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানিয়েছেন, খুব শিগগিরই গণভোটের প্রশ্নগুলো নিয়ে লিফলেট, পোস্টার ছাপানো হতে পারে। এ ক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ে থাকা সরকারি কর্মকর্তাদের প্রচারকাজে লাগানো হতে পারে। জনগণকে উদ্বুদ্ধ ও সচেতন করাই এর লক্ষ্য। পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক ফ্ল্যাটফর্মেও সরব ভূমিকা পালনের চেষ্টা করা হবে সরকারের পক্ষ থেকে।

গণভোটের প্রশ্নকে জনগণের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন রাজনীতি বিশ্লেষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথমত রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই সনদকে কতটা আন্তরিকভাবে নিচ্ছে, দ্বিতীয়ত সনদ নিয়ে নেতারা জনগণের মাঝে কেমন প্রচার চালাচ্ছেন, সর্বশেষ নাগরিকদের কাছে প্রশ্নগুলো বোধগম্য করতে সরকার কী ধরনের ভূমিকা নিচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘এসব চ্যালেঞ্জ পার হতে না পারলে বা প্রশ্ন না বুঝলে জনসাধারণ কিন্তু গণভোটে আগ্রহী হবে না। কারণ সরকার এরই মধ্যে প্রশ্নগুলো জটিল ও কঠিন আকারে উপস্থাপন করেছে। প্রতিটি প্রশ্নের ভিতরে রয়েছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটাকে আরও সহজ করলে ভালো হতো।’

এদিকে বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার ভাষণের পর সমাজমাধ্যমে গণভোটের প্রশ্ন নিয়ে চলছে নানান ধরনের আলোচনা। ভোট পদ্ধতি ও প্রশ্ন বাছাই নিয়ে রয়েছে বিতর্ক। অন্যদিকে রাজনৈতিক দলগুলো এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ জারির পর বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। একই সঙ্গে দলটি জানিয়েছে, জুলাই জাতীয় সনদ যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে, তা প্রতিপালনে বিএনপি অঙ্গীকারবদ্ধ। এর বাইরে চাপিয়ে দেওয়া, জবরদস্তিমূলক কোনো প্রস্তাব যদি দেওয়া হয়, তা জনগণ বিবেচনা করবে। জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, ‘বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ করছি, অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে একটি দলের স্বার্থে।’ এ ছাড়া জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়ে একমত নয় জামায়াতে ইসলামীসহ আট দল। তারা নির্বাচনের আগেই গণভোট চেয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একাধিক নেতা বলেছেন, রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে আদেশ জারি করার বিষয়টি তাঁরা মানতে পারছেন না। তবে অন্যান্য বিষয়ে আপত্তি নেই। এনসিপি আদেশ মেনে নেবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। চারটি বিষয়ে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। গণভোটের দিন এ চারটি বিষয়ের ওপর একটিমাত্র প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়ে জনগণ মতামত জানাবে। বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ভাষণে প্রশ্ন পড়ে শোনান। তিনি বলেন, প্রশ্নটি হবে এ রকম-‘আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার-সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?’ ক. নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে। খ. আগামী সংসদ হবে দুই কক্ষবিশিষ্ট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্যবিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে। গ. সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে যে ৩০টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে। ঘ. জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গণভোটের দিন এ চারটি বিষয়ের ওপর একটিমাত্র প্রশ্নে আপনি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়ে আপনার মতামত জানাবেন।

এই বিভাগের আরও খবর
ইসির সম্মতি ছাড়া বদলি নয়
ইসির সম্মতি ছাড়া বদলি নয়
৩২ মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি শিয়াল-কুকুরের
৩২ মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি শিয়াল-কুকুরের
নির্বাচন বানচাল করার মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই
নির্বাচন বানচাল করার মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই
সর্বোচ্চ সতর্কতায় চলছে চিকিৎসা
সর্বোচ্চ সতর্কতায় চলছে চিকিৎসা
দল নয়, স্বতন্ত্র লড়বেন আসিফ
দল নয়, স্বতন্ত্র লড়বেন আসিফ
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে
ধর্মের বড়ি বিক্রি করে ভোট চাওয়া যাবে না
ধর্মের বড়ি বিক্রি করে ভোট চাওয়া যাবে না
দুর্নীতির কারণে সংকুচিত হচ্ছে শ্রমবাজার
দুর্নীতির কারণে সংকুচিত হচ্ছে শ্রমবাজার
বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে
বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে
দেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত এ হামলা
দেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত এ হামলা
সন্ত্রাসীদের পেছনের শক্তি কারা স্পষ্ট করতে হবে
সন্ত্রাসীদের পেছনের শক্তি কারা স্পষ্ট করতে হবে
রাজনীতি এখন ভোটের মাঠে
রাজনীতি এখন ভোটের মাঠে
সর্বশেষ খবর
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

১ সেকেন্ড আগে | নগর জীবন

অনির্দিষ্টকালের জন্য রুশ সম্পদ জব্দে সম্মত ইইউ
অনির্দিষ্টকালের জন্য রুশ সম্পদ জব্দে সম্মত ইইউ

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুল পড়া কমানোর ঘরোয়া উপায়
চুল পড়া কমানোর ঘরোয়া উপায়

১২ মিনিট আগে | জীবন ধারা

ভোট দিতে ৩৪০৬৪৩ প্রবাসীর নিবন্ধন
ভোট দিতে ৩৪০৬৪৩ প্রবাসীর নিবন্ধন

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ টিকিটের আকাশচুম্বী দামের পরও আবেদন ৫০ লাখ
বিশ্বকাপ টিকিটের আকাশচুম্বী দামের পরও আবেদন ৫০ লাখ

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির সঙ্গে আজ বসবেন প্রধান উপদেষ্টা
বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির সঙ্গে আজ বসবেন প্রধান উপদেষ্টা

২৭ মিনিট আগে | জাতীয়

চীন থেকে ইরানগামী জাহাজে মার্কিন বাহিনীর অভিযান
চীন থেকে ইরানগামী জাহাজে মার্কিন বাহিনীর অভিযান

৩০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিখোঁজের তিন দিন পর গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশির মরদেহ ফেরত দিল বিএসএফ
নিখোঁজের তিন দিন পর গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশির মরদেহ ফেরত দিল বিএসএফ

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শ্রমিকদলের দোয়া
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শ্রমিকদলের দোয়া

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুর্নীতির অভিযোগে ভারতে চার ক্রিকেটার নিষিদ্ধ
দুর্নীতির অভিযোগে ভারতে চার ক্রিকেটার নিষিদ্ধ

৪৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জাবিকে নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন ফ্লিক
জাবিকে নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন ফ্লিক

৫১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকায় অপরিবর্তিত থাকবে তাপমাত্রা
ঢাকায় অপরিবর্তিত থাকবে তাপমাত্রা

৫৪ মিনিট আগে | জাতীয়

গাজায় শক্তিশালী ঝড় বাইরনের আঘাতে মৃত্যু বেড়ে ১৪
গাজায় শক্তিশালী ঝড় বাইরনের আঘাতে মৃত্যু বেড়ে ১৪

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাডমিন্টন খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের
ব্যাডমিন্টন খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও সীমান্তে বোমাবর্ষণের অভিযোগ কম্বোডিয়ার
ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও সীমান্তে বোমাবর্ষণের অভিযোগ কম্বোডিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মার্কিন ২০ অঙ্গরাজ্যে মামলা
ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মার্কিন ২০ অঙ্গরাজ্যে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোহলিকে ছাড়িয়ে গুগল সার্চের শীর্ষে সূর্যবংশী
কোহলিকে ছাড়িয়ে গুগল সার্চের শীর্ষে সূর্যবংশী

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লক্ষ্মীপুরে নির্বাচন কার্যালয়ে দুর্বৃত্তের আগুন, পুড়েছে নথিপত্র
লক্ষ্মীপুরে নির্বাচন কার্যালয়ে দুর্বৃত্তের আগুন, পুড়েছে নথিপত্র

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রিয়াল মাদ্রিদে চোটের ধাক্কা
রিয়াল মাদ্রিদে চোটের ধাক্কা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দরিদ্র মেধাবীদের জন্য বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তা
দরিদ্র মেধাবীদের জন্য বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তা

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ভোটে প্রার্থী হতে পারবেন না পলাতক ব্যক্তিরা
ভোটে প্রার্থী হতে পারবেন না পলাতক ব্যক্তিরা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীরামসী গণহত্যা: এক সকালে নিভেছিল শতাধিক প্রাণ
শ্রীরামসী গণহত্যা: এক সকালে নিভেছিল শতাধিক প্রাণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে টার্মিনালে থাকা বাসে আগুন
নোয়াখালীতে টার্মিনালে থাকা বাসে আগুন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পঞ্চগড়ে তিন দিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ
পঞ্চগড়ে তিন দিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কেরানীগঞ্জে আগুন লাগা ভবন থেকে ৪২ জন উদ্ধার
কেরানীগঞ্জে আগুন লাগা ভবন থেকে ৪২ জন উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

টিভিতে আজ যেসব খেলা
টিভিতে আজ যেসব খেলা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

লেবাননে বিমান হামলা চালালো ইসরায়েল
লেবাননে বিমান হামলা চালালো ইসরায়েল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সারাদেশে বিএনপির বিক্ষোভ আজ
সারাদেশে বিএনপির বিক্ষোভ আজ

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সরকার পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচনের আগে হত্যা বাড়বে
সরকার পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচনের আগে হত্যা বাড়বে

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

সর্বাধিক পঠিত
ইনকিলাব মঞ্চের ‍মুখপাত্র ও এমপি প্রার্থী ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ
ইনকিলাব মঞ্চের ‍মুখপাত্র ও এমপি প্রার্থী ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীরা শনাক্ত, যেকোনো সময় গ্রেফতার
হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীরা শনাক্ত, যেকোনো সময় গ্রেফতার

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

২২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

৭২ ঘণ্টা অতি ঝুঁকিপূর্ণ, হাদির ব্রেইন স্টেম ক্ষতিগ্রস্ত : বিশেষ সহকারী
৭২ ঘণ্টা অতি ঝুঁকিপূর্ণ, হাদির ব্রেইন স্টেম ক্ষতিগ্রস্ত : বিশেষ সহকারী

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাদির পরিবারের পাশে জুবাইদা রহমান
হাদির পরিবারের পাশে জুবাইদা রহমান

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন তারেক রহমান : মির্জা ফখরুল
২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন তারেক রহমান : মির্জা ফখরুল

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ, যা বললেন ফারুকী
ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ, যা বললেন ফারুকী

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঢাকা-১০ আসনে স্বতন্ত্র নির্বাচন করবেন আসিফ মাহমুদ
ঢাকা-১০ আসনে স্বতন্ত্র নির্বাচন করবেন আসিফ মাহমুদ

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

হাদির মাথায় গুলি ঢুকে বেরিয়ে গেছে, জানালেন চিকিৎসকরা
হাদির মাথায় গুলি ঢুকে বেরিয়ে গেছে, জানালেন চিকিৎসকরা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অশ্রুসিক্ত নয়নে সাজিদের শেষ বিদায়ে হাজারো মানুষের ঢল
অশ্রুসিক্ত নয়নে সাজিদের শেষ বিদায়ে হাজারো মানুষের ঢল

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রিকশায় ছিলেন হাদি, মোটরসাইকেল থেকে গুলি চালায় দুইজন
রিকশায় ছিলেন হাদি, মোটরসাইকেল থেকে গুলি চালায় দুইজন

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান শুরু: ডিএমপি কমিশনার
হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান শুরু: ডিএমপি কমিশনার

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এভারকেয়ারে আনা হয়েছে হাদিকে
এভারকেয়ারে আনা হয়েছে হাদিকে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রার্থীর ওপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার ঢাকাসহ সারাদেশে বিএনপির প্রতিবাদ মিছিল
প্রার্থীর ওপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার ঢাকাসহ সারাদেশে বিএনপির প্রতিবাদ মিছিল

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ওসমান হাদিকে দেখতে ঢামেকে মির্জা আব্বাস
ওসমান হাদিকে দেখতে ঢামেকে মির্জা আব্বাস

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদির প্রাথমিক অস্ত্রোপচার সম্পন্ন, নেওয়া হচ্ছে এভারকেয়ার হাসপাতালে
হাদির প্রাথমিক অস্ত্রোপচার সম্পন্ন, নেওয়া হচ্ছে এভারকেয়ার হাসপাতালে

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
হাদির ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাদিকে গুলি অশনিসংকেত : আসিফ মাহমুদ
হাদিকে গুলি অশনিসংকেত : আসিফ মাহমুদ

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈশ্বরদীতে অল্পের জন্য রক্ষা পেল দুটি আন্তঃনগর ট্রেন
ঈশ্বরদীতে অল্পের জন্য রক্ষা পেল দুটি আন্তঃনগর ট্রেন

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাদিকে দেখতে হাসপাতালে নাহিদ
হাদিকে দেখতে হাসপাতালে নাহিদ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের নির্মাণাধীন বাবরি মসজিদে জুমার নামাজে মানুষের ঢল
পশ্চিমবঙ্গের নির্মাণাধীন বাবরি মসজিদে জুমার নামাজে মানুষের ঢল

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের মাছের ব্যাপক চাহিদা ভারতের সাত রাজ্যে
বাংলাদেশের মাছের ব্যাপক চাহিদা ভারতের সাত রাজ্যে

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হাদিকে দেখতে হাসপাতালে তিন উপদেষ্টা
হাদিকে দেখতে হাসপাতালে তিন উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রুশ এস-৪০০ ছাড়বে না তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানাপোড়েন
রুশ এস-৪০০ ছাড়বে না তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানাপোড়েন

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ, ছাত্রদলের তীব্র নিন্দা
ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ, ছাত্রদলের তীব্র নিন্দা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রথমবার কনসার্টে মায়ের সাথে গাইলো শাকিরার দুই ছেলে
প্রথমবার কনসার্টে মায়ের সাথে গাইলো শাকিরার দুই ছেলে

১১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৩৯ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি
৩৯ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনে প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতা নির্ধারিত হবে যেভাবে
নির্বাচনে প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতা নির্ধারিত হবে যেভাবে

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শাহজালাল বিমানবন্দরে ৭৬টি স্পাই ডিভাইস জব্দ, আটক ২
শাহজালাল বিমানবন্দরে ৭৬টি স্পাই ডিভাইস জব্দ, আটক ২

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
ওসমান হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি
ওসমান হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি

প্রথম পৃষ্ঠা

৩৫ কেজি কাতলার দাম ১ লাখ ২২ হাজার টাকা!
৩৫ কেজি কাতলার দাম ১ লাখ ২২ হাজার টাকা!

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ব্ল্যাক ট্রায়াঙ্গেলের অস্ত্রে কাঁপছে চট্টগ্রাম
ব্ল্যাক ট্রায়াঙ্গেলের অস্ত্রে কাঁপছে চট্টগ্রাম

পেছনের পৃষ্ঠা

কড়াইল লেক দখলের মহোৎসব
কড়াইল লেক দখলের মহোৎসব

পেছনের পৃষ্ঠা

৩২ মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি শিয়াল-কুকুরের
৩২ মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি শিয়াল-কুকুরের

প্রথম পৃষ্ঠা

যশোরে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি-জামায়াত
যশোরে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি-জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

২৫ ডিসেম্বর ফিরছেন তারেক রহমান
২৫ ডিসেম্বর ফিরছেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে
বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

কুয়াকাটা সৈকতে ভিড় বেড়েছে পর্যটকের
কুয়াকাটা সৈকতে ভিড় বেড়েছে পর্যটকের

পেছনের পৃষ্ঠা

হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশন শুরু আজিজুলদের
হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশন শুরু আজিজুলদের

মাঠে ময়দানে

টি-২০তে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড!
টি-২০তে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড!

মাঠে ময়দানে

দেশে নতুন মাদক এমডিএমবি
দেশে নতুন মাদক এমডিএমবি

নগর জীবন

লাস্ট সিকোয়েন্স
লাস্ট সিকোয়েন্স

শোবিজ

দেব-সুরাইয়ার প্রেমকাহিনি
দেব-সুরাইয়ার প্রেমকাহিনি

শোবিজ

দুর্নীতির কারণে সংকুচিত হচ্ছে শ্রমবাজার
দুর্নীতির কারণে সংকুচিত হচ্ছে শ্রমবাজার

প্রথম পৃষ্ঠা

আইসিসিবিতে ‘আলু উৎসব’ শুরু
আইসিসিবিতে ‘আলু উৎসব’ শুরু

নগর জীবন

রাজনীতি এখন ভোটের মাঠে
রাজনীতি এখন ভোটের মাঠে

প্রথম পৃষ্ঠা

সন্ত্রাসীদের পেছনের শক্তি কারা স্পষ্ট করতে হবে
সন্ত্রাসীদের পেছনের শক্তি কারা স্পষ্ট করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়েলিংটনে ক্যারিবীয়দের উড়িয়ে সিরিজে এগিয়ে কিউইরা
ওয়েলিংটনে ক্যারিবীয়দের উড়িয়ে সিরিজে এগিয়ে কিউইরা

মাঠে ময়দানে

একটি জাতির নিঃশব্দ কান্না
একটি জাতির নিঃশব্দ কান্না

সম্পাদকীয়

দল নয়, স্বতন্ত্র লড়বেন আসিফ
দল নয়, স্বতন্ত্র লড়বেন আসিফ

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্মের বড়ি বিক্রি করে ভোট চাওয়া যাবে না
ধর্মের বড়ি বিক্রি করে ভোট চাওয়া যাবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত এ হামলা
দেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত এ হামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

জঙ্গির পক্ষে ফেসবুক পোস্ট, বাংলাদেশির ১০ বছর কারাদণ্ড
জঙ্গির পক্ষে ফেসবুক পোস্ট, বাংলাদেশির ১০ বছর কারাদণ্ড

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচন বানচাল করার মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই
নির্বাচন বানচাল করার মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাজ্যে জাদুঘর থেকে ৬ শতাধিক শিল্পকর্ম চুরি
যুক্তরাজ্যে জাদুঘর থেকে ৬ শতাধিক শিল্পকর্ম চুরি

পূর্ব-পশ্চিম

ইসির সম্মতি ছাড়া বদলি নয়
ইসির সম্মতি ছাড়া বদলি নয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউক্রেনের আরেক গুরুত্বপূর্ণ শহর দখলের দাবি মস্কোর
ইউক্রেনের আরেক গুরুত্বপূর্ণ শহর দখলের দাবি মস্কোর

পূর্ব-পশ্চিম

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা