শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০১:৫৬, সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে সিদ্ধান্ত

চলতি সপ্তাহেই ভোটের তফসিল

► বেসরকারি ব্যাংক থেকে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা নয় ► ভোটের দিনের আগের রাতেই কেন্দ্রে সরঞ্জাম ► সময় বেড়ে হবে ৯ ঘণ্টা ► ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রচারসামগ্রী অপসারণ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
চলতি সপ্তাহেই ভোটের তফসিল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে হবে। ভোট গ্রহণের সময় ১ ঘণ্টা বাড়িয়ে ৯ ঘণ্টা করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ চলবে। চলতি সপ্তাহের শেষে নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। গতকাল নির্বাচন কমিশন সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে। সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে কমিশনের এ সভা হয়। চলে বিকাল পর্যন্ত। এতে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিকালে বৈঠক শেষে কমিশন সভার বিস্তারিত তুলে ধরেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, ৮ থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে যে কোনো দিন নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা করা হবে। ভোট হবে ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে যে কোনো দিন। তিনি উল্লেখ করেন, এবার ভোট গ্রহণের সময় ১ ঘণ্টা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ চলবে। যেহেতু এবার সংসদ ও গণভোট একসঙ্গে হচ্ছে এবং দুই ব্যালটে হচ্ছে, সে কারণে এ সময় বাড়ানো হয়েছে। কমিশন সভার সার্বিক সিদ্ধান্তের পর ১০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, কমিশনের এ সভায় আলোচ্য বিষয় ছিল, আইন এবং রীতির আলোকে তফসিল-পূর্ব এবং তফসিল-উত্তর কার্যক্রম। তিনি বলেন, ‘তফসিল-পূর্ব কার্যক্রমের মধ্যে কতগুলো রীতিগত রীতি অনুযায়ী কিছু কাজ আছে।’ তিনি উল্লেখ করেন, এবার ভোটের দায়িত্বে ৯-১০ লাখ ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োজিত থাকবেন। এর মধ্যে প্রিসাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তারা রয়েছেন। তাদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি চূড়ান্ত হবে ভোটের আগেই। তিনি বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি-এখানে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের এ তালিকায় সংযুক্ত করব। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তাদের আপাতত বিবেচনায় নিচ্ছি না। তারা রিজার্ভে থাকবে। একান্ত প্রয়োজন না হলে তাদের নেওয়া হবে না।’

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ভোটের কয়েক দিন আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হবে। সেই সঙ্গে ইসি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনি সরঞ্জাম ভোটের আগের রাতে পৌঁছাবে। ভোট গ্রহণের সময় হবে ৯ ঘণ্টা। এবার ১ ঘণ্টা সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। গণভোটসহ দুই ব্যালট পেপারে ভোট দেওয়ার সুবিধার্থে গোপন কক্ষ বাড়ানো হবে। তবে যেসব কক্ষে স্থান সংকুলান হবে সেসব কক্ষে একাধিক মার্কিং প্লেস, অর্থাৎ সিক্রেট বুথ স্থাপন করা হবে। তিনি জানান, গণভোট-সংক্রান্ত প্রচার-প্রচারণায় সরকার ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিচ্ছে; নির্বাচন কমিশন এতে সহযোগিতা করবে। এ ছাড়া গণভোট সম্পর্কে ভোটাররা যাতে সহজে বুঝতে পারেন, সেজন্য প্রত্যেক কেন্দ্রে ব্যালট বড় আকারে ছাপিয়ে ভোটের লাইনের সামনে ঝুলিয়ে রাখা হবে। এ ছাড়া পঙ্গু, বয়স্ক এবং সন্তানসম্ভবা মাসহ যাদের সহায়তা প্রয়োজন-তাদের ভোটের ব্যাপারে একটা সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হবে।

তিনি জানান, পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে কমিশন সভায়। এরই মধ্যে সোয়া ২ লাখ প্রবাসী নিবন্ধন করেছেন। ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধনের সময় রয়েছে। দেশের ভিতরে তিন ধরনের ব্যক্তি তফসিলের পর থেকে ১৫ দিন তথা ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন। আবুল ফজল বলেন, ‘দুই ধরনের পোস্টাল ব্যালট আছে। দেশের ভিতর থেকে এবং দেশের বাইরে থেকে পোস্টাল ভোটিং। দেশের বাইরের ব্যালটগুলো সোমবার থেকে ছাপানোর কাজ শুরু করছি। মঙ্গলবার থেকে এটা বিদেশে প্রেরণের কাজ শুরু হবে। আর দেশের ভিতরে যে পোস্টাল ব্যালটগুলোর জন্য নিবন্ধন কাজ শুরু করব- যেদিন তফসিল ঘোষণা হবে সেদিন থেকে। চলবে ১৫ দিনব্যাপী। যারা ভোট দিতে চান পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে দেশের ভিতর থেকে, তারা তফসিল ঘোষণার পর দিন থেকে শুরু করে মোট ১৫ দিন নিবন্ধন করতে পারবেন। এ নিবন্ধন সম্পন্ন হলে তাদের কাছে ইনকান্ট্রি পোস্টাল ভোটিং-এর ব্যালট চলে যাবে।’

তিনি জানান, এবারের নির্বাচনে পর্যবেক্ষক এবং সাংবাদিকদের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকরা যেন নির্বিঘ্নে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারেন- এর জন্য যেসব সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন সে ব্যাপারে পরিপত্র জারি করা হবে। ভোটে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের স্থানীয়ভাবে রাজনৈতিক বা কারও কোনো থাকা-খাওয়া ধরনের সহায়তা না নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবে ইসি। সেই সঙ্গে এবার ভোটের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গেও বৈঠক করা হবে।

সোমবার থেকে আমরা আঞ্চলিক এবং সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে জুম মিটিং করব। যেখানে বিভিন্ন বিষয়, নির্বাচন অফিস জড়িত সে-সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হবে।

তিনি জানান, তফসিলের পরের কাজ নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার এবং প্রিসাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং, পোলিং অফিসারদের নিয়োগ এবং পোস্টাল ভোটিং নিবন্ধনের সময়সূচির বিষয়ে নির্দেশনা থাকবে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রম নিয়েও আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি- যেদিন তফসিল ঘোষণা হবে সেদিনই সন্ধ্যাবেলায় আইনশৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারের সঙ্গে আমরা জুম মিটিং করব। পরবর্তীতে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর তাদের সঙ্গে ইসির সরাসরি আরেকটা বৈঠক হবে। তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের ব্যাপারে একটি পরিপত্র এ সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন কমিশন থেকে দেওয়া হবে। এর আলোকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে। স্ট্যাটিক ডেপ্লয়মেন্ট থেকে সেন্ট্রাল রিজার্ভ পর্যন্ত সব ধরনের ফোর্সই কাজ করবে এবং কেন্দ্রে যে ধরনের ফোর্স ডেপ্লয় করা দরকার সেটা ডেপ্লয় হবে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনে একটা সেন্ট্রাল মনিটরিং সেল স্থাপিত হবে। যেখানে সব বাহিনী এবং প্রতিষ্ঠানের সংস্থার প্রতিনিধিত্ব থাকবে।

নির্বাচনি পরিস্থিতি তথ্য সংগ্রহের জন্য অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করার কথাও জানান তিনি। অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে ১৪ জনের কমিটি থাকবে। জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ, নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, ইসির আইন শাখা, নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও এলাকাভিত্তিক কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এ কমিটি হবে।

ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি সম্পর্কে তিনি বলেন, তিন ধরনের আপনার বিচারিক কমিটি মাঠপর্যায়ে কাজ করে। ৩০০ আসনে ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি কাজ করবে। আচরণবিধি প্রতিপালন এবং নিশ্চিতকরণে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তফসিল ঘোষণার পরের দিন থেকেই প্রত্যেক উপজেলা বা থানায় দুজন করে ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করবেন। এ সংখ্যাটা শেষ পাঁচ দিনে অর্থাৎ নির্বাচনের আগের তিন দিন, নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচনের পরের দিন এটা বেড়ে যাবে। নির্বাচনি এলাকায় সব ধরনের অনুদান ত্রাণ ইত্যাদি বিতরণ সম্পর্কে যে নিষেধাজ্ঞা সে-সংক্রান্ত পরিপত্র যথাসময় জারি করা হবে। তবে এতে যে সোশ্যাল সেফটি নেটওয়ার্ক যেটা আছে যেখানে অনেকে বয়স্ক-ভাতা পেয়ে ইত্যাদি ইত্যাদি এগুলোর ওপরে কোনো ধরনের বাধানিষেধ থাকবে না।

তিনি জানান, তফসিল ঘোষণা করব। সঙ্গে সঙ্গে ৪৮ ঘণ্টা সময় দিয়ে সব ধরনের প্রচারসামগ্রী সরাতে নির্দেশনা দেবে ইসি। প্রচার-প্রচারণা যেগুলো রাজনৈতিক দলগুলো এরই মধ্যে করেছেন এবং ঝুলিয়েছেন এগুলো সরাতে হবে এবং এগুলো না সরালে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে নির্বাচনি আচরণবিধির আওতায়। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের পরিপত্র যেগুলো জারি করা হয় সেগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। রুটিন কাজ হিসেবে যথাসময়ে তা জারি হয়ে যাবে।

নির্বাচন কমিশনার জানান, ভোটের দিন সামনে রেখে যান চলাচলের নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে অতীতে যেভাবে নির্দেশনা দেওয়া ছিল সেটাই বলবৎ থাকবে। ভোট গ্রহণের দিন সাধারণ ছুটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এদিন সাধারণ ছুটি থাকবে। তিনি জানান, দুর্গম নির্বাচনি এলাকায় হেলিকপ্টার সহায়তার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। নির্বাচনি মালামাল ব্যালট পেপার এবং ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের চলাচলের জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার হবে। ব্যাংক এবং পোস্ট অফিস খোলা রাখার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা ভোটে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। উপদেষ্টা পরিষদের কোনো সদস্য পদে থেকে ইলেকশন করতে পারবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা যথাসময়ে দেখতে পাবেন। এটা সম্ভবত সম্ভব নয়।

বিএনপি চেয়ারপারসনের অসুস্থতায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তফসিল ঘোষণার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, এটার পক্ষে-বিপক্ষে রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য আছে। এগুলো রাজনৈতিক বক্তব্য। নির্বাচন কমিশন তার স্বীয় বিবেচনায় আগের যে কমিটমেন্ট আছে এবং সরকারের যে পরিকল্পনা আছে সেই অনুযায়ী আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

এবার জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, আমাদের অবস্থান হচ্ছে আইন যাদের পারমিট করবে, তারা ভোটে অংশগ্রহণ করবে।

এই বিভাগের আরও খবর
ছুরিতে গৃহবধূ খুন, গণপিটুনিতে নিহত যুবক
ছুরিতে গৃহবধূ খুন, গণপিটুনিতে নিহত যুবক
পরিবর্তন আসছে পোস্টাল ব্যালটে
পরিবর্তন আসছে পোস্টাল ব্যালটে
হার্ট অ্যাটাক করেছেন মান্না
হার্ট অ্যাটাক করেছেন মান্না
কুমিল্লায় দুজনকে গুলি করে হত্যা
কুমিল্লায় দুজনকে গুলি করে হত্যা
ভারতে বাঙালি শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা, তুলকালাম
ভারতে বাঙালি শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা, তুলকালাম
ইরানে ৮০০ ফাঁসি স্থগিত ঘোষণা
ইরানে ৮০০ ফাঁসি স্থগিত ঘোষণা
মাচাদোর দেওয়া নোবেল পদক নিলেন ট্রাম্প
মাচাদোর দেওয়া নোবেল পদক নিলেন ট্রাম্প
হাসপাতালে সৌদি বাদশাহ সালমান
হাসপাতালে সৌদি বাদশাহ সালমান
যে দেশেই গণভোট হয়েছে সরকার পক্ষ নিয়েছে
যে দেশেই গণভোট হয়েছে সরকার পক্ষ নিয়েছে
খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করতে হবে
খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করতে হবে
জামায়াত আমিরের সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতীয় কূটনীতিক
জামায়াত আমিরের সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতীয় কূটনীতিক
জনগণের ক্ষমতা বাড়াতে হবে
জনগণের ক্ষমতা বাড়াতে হবে
সর্বশেষ খবর
শীতে সুস্থ থাকবেন যেভাবে
শীতে সুস্থ থাকবেন যেভাবে

এই মাত্র | জীবন ধারা

বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় হালুয়াঘাটে দোয়া মাহফিল
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় হালুয়াঘাটে দোয়া মাহফিল

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় হালুয়াঘাটে দোয়া মাহফিল
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় হালুয়াঘাটে দোয়া মাহফিল

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে এক বছরে ৬৪৩ বেওয়ারিশ লাশ
রাজধানীতে এক বছরে ৬৪৩ বেওয়ারিশ লাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শরিয়তের দৃষ্টিতে দুনিয়াপ্রীতির মাপকাঠি
শরিয়তের দৃষ্টিতে দুনিয়াপ্রীতির মাপকাঠি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, কর্মবিরতি ঘোষণা
ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, কর্মবিরতি ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা তারেক রহমানের
ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা তারেক রহমানের

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের
গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় অন্তর্বর্তী ফিলিস্তিনি সরকার গঠন, ট্রাম্পের সমর্থন
গাজায় অন্তর্বর্তী ফিলিস্তিনি সরকার গঠন, ট্রাম্পের সমর্থন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

নির্বাচনে গুজব আতঙ্ক
নির্বাচনে গুজব আতঙ্ক

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঘর গোছাতে ব্যস্ত বিএনপি প্রার্থীরা
ঘর গোছাতে ব্যস্ত বিএনপি প্রার্থীরা

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সিলেটকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে রাজশাহী
সিলেটকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে রাজশাহী

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের মামলা দায়ের
ঢাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের মামলা দায়ের

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে সিলেটের যেসব এলাকায়
শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে সিলেটের যেসব এলাকায়

৪ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

হাসপাতালে মাহমুদুর রহমান মান্না
হাসপাতালে মাহমুদুর রহমান মান্না

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সোনারগাঁয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ৮ ডাকাত পুলিশের হাতে আটক
সোনারগাঁয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ৮ ডাকাত পুলিশের হাতে আটক

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নথি জব্দ ও সংশ্লিষ্টদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার দাবি
খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নথি জব্দ ও সংশ্লিষ্টদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার দাবি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা
হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে হত্যা, গণপিটুনিতে ছিনতাইকারী নিহত
ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে হত্যা, গণপিটুনিতে ছিনতাইকারী নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান রেজা পাহলভির
ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান রেজা পাহলভির

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাগতিয়া দরবারে পবিত্র মিরাজুন্নবী (দ.) ও সালানা ওরসে হযরত গাউছুল আজম (রা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত
কাগতিয়া দরবারে পবিত্র মিরাজুন্নবী (দ.) ও সালানা ওরসে হযরত গাউছুল আজম (রা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

টাঙ্গাইলে বাসে নারীকে ধর্ষণ: চালক ও সহকারীর জবানবন্দি
টাঙ্গাইলে বাসে নারীকে ধর্ষণ: চালক ও সহকারীর জবানবন্দি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেড় কোটি টাকার মাদক উদ্ধার, গ্রেফতার ৩
যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেড় কোটি টাকার মাদক উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডি.নেটের গভর্নিং বডি চেয়ারপারসন হলেন অধ্যাপক হাবিব
ডি.নেটের গভর্নিং বডি চেয়ারপারসন হলেন অধ্যাপক হাবিব

৬ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

মানব পাচারকে কেন্দ্র করে টেকনাফে গোলাগুলি, কিশোরী নিহত
মানব পাচারকে কেন্দ্র করে টেকনাফে গোলাগুলি, কিশোরী নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পোশাক শিল্পে গ্লোবাল ক্যারিয়ারের সুযোগ দিচ্ছে আইএসইউ
পোশাক শিল্পে গ্লোবাল ক্যারিয়ারের সুযোগ দিচ্ছে আইএসইউ

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

৮৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় গ্রেফতার রিয়াজ
৮৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় গ্রেফতার রিয়াজ

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংকট মেটাতে মধ্যস্থতা করতে চান পুতিন
ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংকট মেটাতে মধ্যস্থতা করতে চান পুতিন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চেক প্রতারণায় দণ্ডপ্রাপ্ত শিক্ষিকাকে বরখাস্ত
চেক প্রতারণায় দণ্ডপ্রাপ্ত শিক্ষিকাকে বরখাস্ত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
‘স্বাধীন ইরান’ অবিলম্বে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে: পাহলভি
‘স্বাধীন ইরান’ অবিলম্বে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে: পাহলভি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে মা-মেয়েকে হত্যার পর ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস
কেরানীগঞ্জে মা-মেয়েকে হত্যার পর ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে কারণে একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের
যে কারণে একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন
জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন

১৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানে হামলা না চালাতে ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে যে তিন দেশ
ইরানে হামলা না চালাতে ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে যে তিন দেশ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তরায় অগ্নিকাণ্ডে দম্পতি ও শিশু সন্তানসহ নিহত ৬
উত্তরায় অগ্নিকাণ্ডে দম্পতি ও শিশু সন্তানসহ নিহত ৬

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাকী ৩২ আসনে কাদের সমর্থন দেবে, জানাল ইসলামী আন্দোলন
বাকী ৩২ আসনে কাদের সমর্থন দেবে, জানাল ইসলামী আন্দোলন

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ওসমান হাদির ভাই ওমরকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ
ওসমান হাদির ভাই ওমরকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির পতন হলে ঘোরতর বিপদে পড়বে ভারত?
খামেনির পতন হলে ঘোরতর বিপদে পড়বে ভারত?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, যাত্রীদের ভোগান্তি
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, যাত্রীদের ভোগান্তি

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে চার শর্তে ইরানের সাথে সমঝোতা করবে যুক্তরাষ্ট্র
যে চার শর্তে ইরানের সাথে সমঝোতা করবে যুক্তরাষ্ট্র

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে হুমকি দিয়েই কি বড় বিপদে পড়লেন ট্রাম্প?
ইরানকে হুমকি দিয়েই কি বড় বিপদে পড়লেন ট্রাম্প?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব আসনে লড়বে এনসিপি
যেসব আসনে লড়বে এনসিপি

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

উত্তরায় ভবনে আগুনের সূত্রপাত যেভাবে
উত্তরায় ভবনে আগুনের সূত্রপাত যেভাবে

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিপদই কি আরবদের শেখালো ইরানকে রক্ষা করা ছাড়া ‍উপায় নাই?
বিপদই কি আরবদের শেখালো ইরানকে রক্ষা করা ছাড়া ‍উপায় নাই?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল
এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হলে বেগম জিয়াকে ধারণ করতে হবে’
‘বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হলে বেগম জিয়াকে ধারণ করতে হবে’

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তারেক রহমানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের ভার্চুয়াল বৈঠক
তারেক রহমানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের ভার্চুয়াল বৈঠক

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে ২০ আসন পেলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
যে ২০ আসন পেলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান রেজা পাহলভির
ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান রেজা পাহলভির

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৮০০ বিক্ষোভকারীর ফাঁসি কার্যকর স্থগিত করেছে ইরান: হোয়াইট হাউস
৮০০ বিক্ষোভকারীর ফাঁসি কার্যকর স্থগিত করেছে ইরান: হোয়াইট হাউস

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থ যুদ্ধের পর যে ভয়ংকর সত্য সামনে এলো
আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থ যুদ্ধের পর যে ভয়ংকর সত্য সামনে এলো

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জিরা ভেজানো পানি পান করছেন? জেনে নিন কতটা উপকারী
জিরা ভেজানো পানি পান করছেন? জেনে নিন কতটা উপকারী

১৭ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

ঢাকায় শীত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা
ঢাকায় শীত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ
নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যে আসনগুলোতে লড়বে জামায়াত
যে আসনগুলোতে লড়বে জামায়াত

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘পে কমিশনের প্রতিবেদন দাখিলের পর বাস্তবায়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার’
‘পে কমিশনের প্রতিবেদন দাখিলের পর বাস্তবায়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার’

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক
প্রার্থিতা ফিরে পেলেন গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা
খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ আছে: ফিফা প্রেসিডেন্ট
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ আছে: ফিফা প্রেসিডেন্ট

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জামায়াত আমিরের সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতীয় কূটনীতিক
জামায়াত আমিরের সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতীয় কূটনীতিক

প্রথম পৃষ্ঠা

টাকা চাওয়ায় ফিলিং স্টেশন কর্মীকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা
টাকা চাওয়ায় ফিলিং স্টেশন কর্মীকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের সম্ভাবনা!
বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের সম্ভাবনা!

মাঠে ময়দানে

পাঁচ ঝুঁকিতে অর্থনীতি
পাঁচ ঝুঁকিতে অর্থনীতি

পেছনের পৃষ্ঠা

জোটে উচ্চকক্ষের সমীকরণ
জোটে উচ্চকক্ষের সমীকরণ

প্রথম পৃষ্ঠা

অস্ত্র উদ্ধারে অসহায় পুলিশ
অস্ত্র উদ্ধারে অসহায় পুলিশ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সমীকরণে স্বস্তিতে বিএনপি
সমীকরণে স্বস্তিতে বিএনপি

নগর জীবন

লাশের সঙ্গে ২১ দিন বসবাস
লাশের সঙ্গে ২১ দিন বসবাস

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসপাতালে সৌদি বাদশাহ সালমান
হাসপাতালে সৌদি বাদশাহ সালমান

প্রথম পৃষ্ঠা

নান্দনিক লিচু চত্বর
নান্দনিক লিচু চত্বর

শনিবারের সকাল

মৃত্যুঞ্জয়ী খালেদা জিয়া
মৃত্যুঞ্জয়ী খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

মাচাদোর দেওয়া নোবেল পদক নিলেন ট্রাম্প
মাচাদোর দেওয়া নোবেল পদক নিলেন ট্রাম্প

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজশাহীতে শিক্ষা গিলছে কোচিং
রাজশাহীতে শিক্ষা গিলছে কোচিং

নগর জীবন

ভারতে বাঙালি শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা, তুলকালাম
ভারতে বাঙালি শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা, তুলকালাম

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানে ৮০০ ফাঁসি স্থগিত ঘোষণা
ইরানে ৮০০ ফাঁসি স্থগিত ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

সড়কে চোখ আটকে যায় ফুলের শোভায়
সড়কে চোখ আটকে যায় ফুলের শোভায়

নগর জীবন

খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করতে হবে
খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ভয়াবহ আগুনে ঝরল ছয় প্রাণ
ভয়াবহ আগুনে ঝরল ছয় প্রাণ

প্রথম পৃষ্ঠা

যে দেশেই গণভোট হয়েছে সরকার পক্ষ নিয়েছে
যে দেশেই গণভোট হয়েছে সরকার পক্ষ নিয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমিল্লায় দুজনকে গুলি করে হত্যা
কুমিল্লায় দুজনকে গুলি করে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

চালক ও সহকারীর আদালতে জবানবন্দি
চালক ও সহকারীর আদালতে জবানবন্দি

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিজিটাল গুজব আতঙ্ক
ডিজিটাল গুজব আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের
একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম এনপিএর আত্মপ্রকাশ
নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম এনপিএর আত্মপ্রকাশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ
ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ

পেছনের পৃষ্ঠা

চেক জালিয়াতি মামলায় দণ্ড, বরখাস্ত
চেক জালিয়াতি মামলায় দণ্ড, বরখাস্ত

দেশগ্রাম

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

খবর

উত্তুরে ল্যাঞ্জাহাঁস এখন বিপদগ্রস্ত
উত্তুরে ল্যাঞ্জাহাঁস এখন বিপদগ্রস্ত

পেছনের পৃষ্ঠা

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন
কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন

পেছনের পৃষ্ঠা