শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০১:৩৮, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫

দলের অবস্থান পরিষ্কারে উজ্জীবিত নেতা-কর্মী

শফিউল আলম দোলন
প্রিন্ট ভার্সন
দলের অবস্থান পরিষ্কারে উজ্জীবিত নেতা-কর্মী

জাতীয় নির্বাচনের আগে নিজের এবং দলের অবস্থান পরিষ্কার করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাবিরোধী রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে পরিষ্কার বার্তা দিয়েছেন বিএনপির এই কান্ডারি। স্পষ্টভাবে দলের অবস্থান পরিষ্কারের ফলে সারা দেশের দলীয় নেতা-কর্মীরা ব্যাপকভাবে উজ্জীবিত হয়ে উঠেছেন। একইভাবে সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের এই বক্তব্য ব্যাপকভাবে সাড়া জাগিয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ এখন একাত্তরের স্বাধীনতাবিরোধী এই দলটির ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছে। গত রবিবার এক অনুষ্ঠানে পরিষ্কার ভাষায় তারেক রহমান বলেছেন, ’৭১ সালে তারা তাদের দলীয় রাজনৈতিক স্বার্থে দেশের লাখ লাখ মানুষকে হত্যা এবং মা-বোনদের ইজ্জত লুটেছিল। এদেরকে বাংলাদেশের মানুষের তখনই দেখা হয়ে গেছে। নতুন করে আর দেখার কিছু নেই। জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেছেন, ওই দলটি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের মতোই ‘শুধু তারাই ভালো, আর সবাই খারাপ’- এমন অপপ্রচার অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য ধর্মকে ব্যবহার করছে দলটি। হায়াত, মউত, বেহেশত, দোজখ এসবের মালিক একমাত্র সৃষ্টিকর্তা। অথচ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে ওই দলটির নেতারা তাদের প্রার্থীকে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে বলে জান্নাতের টিকিট বিক্রি শুরু করেছেন। এসব হলো মহান আল্লাহপাকের সঙ্গে পরিষ্কার ‘শিরক’ করার শামিল।

বিএনপির এই শীর্ষনেতা দলীয় নেতা-কর্মীসহ সর্বস্তরের দেশপ্রেমিক ও গণতান্ত্রিক মানুষের প্রতি এদের (জামায়াতের) অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে সজাগ ও সতর্ক থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

পাশাপাশি দল ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের প্রতি জামায়াতের এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার এবং আগামী দুই মাস জনগণের দ্বারে দ্বারে গিয়ে নিজের দলের গৃহীত বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ তথা ৩১ দফার প্রস্তাবগুলো তুলে ধরে বুঝিয়েশুনিয়ে ভোটারদের সমর্থন নিজেদের পক্ষে আনার নির্দেশনা দিয়েছেন। তাঁর এই নির্দেশনার পর মূল দল বিএনপি ছাড়াও ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, শ্রমিক দলসহ সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ব্যাপকভাবে উজ্জীবিত হয়েছেন। তাঁরা ইতোমধ্যেই আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর অপপ্রচার রোধে ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছেন। বিশেষ করে ধর্মকে রাজনৈতিক হীন স্বার্থে ব্যবহার, নির্বাচনে ভোটের বিনিময়ে বেহেশতের টিকিট বিক্রি, সব দলকেই দেখেছেন এবার আমাদের (জামায়াত) একবার দেখেন, সবাই খারা শুধু আমরাই ভালো, এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির কাজ শুরু করেছেন তাঁরা।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পষ্টতই বলেছেন, তারা ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। ইসলাম কায়েমের কথা বলে তারা নিজেরাই মন্দিরে গিয়ে মন্ত্র পাঠ করছে। পুজো দিচ্ছে। ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় আবেগ-অনুভূতিকে নিয়ে খেলাধুলার চেষ্টা করছে। বেহেশত-দোজখ নিয়ে তামাশা করছে। মহান সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে শিরক করছে। এ ছাড়াও বিগত ১৫ বছরের ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনে এদের দৃশ্যমান কোনো ভূমিকা নেই। এদের অব্যাহত অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সবাইকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। এ বিষয়ে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা নিজে যেমন মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন তেমনি তিনিই হলেন বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। আর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল হলো বিএনপি। বিএনপি কখনোই রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্মকে ব্যবহার করে না।

অন্যদিকে ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা কী ছিল সেটি দেশের জনগণ ভালো করেই জানে। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এই বিষয়টিই সম্প্রতি পরিষ্কার করেছেন।’ এদের (জামায়াতের) অপপ্রচারে যাতে গণতান্ত্রিক ও দেশপ্রেমিক কোনো মানুষ বিভ্রান্ত না হন সেজন্য দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের মতো তিনিও সবার প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির অপর সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জাতীয় জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা সময়ে দলের অবস্থানটা পরিষ্কার করেছেন। আসলে জামায়াতে ইসলামীর ’৭১ সালের ভূমিকা শুধু বাংলাদেশের মানুষই নয়, সারা পৃথিবীর মানুষই জানে। এদের বৈশিষ্ট্যই হলো ক্ষমতার জন্য সবকিছু করতে পারে তারা। স্বাধীনতাপরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মহানুভবতায় রাজনীতি করার সুযোগ পাওয়ার পর জামায়াতের কার্যকলাপ, আচার-আচরণ, ’৮৬ সালে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে জাতীয় বেইমানির অংশীদার হওয়া, এরপর ’৯৬ সালের নির্বাচনে আবারও আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট বেঁধে নির্বাচন করা- নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য ধর্মকে ব্যবহারসহ এমন কী নেই যে তারা করেনি। এবার তো জান্নাতের টিকিট বিক্রির কাজও তাদের শেষ। কিন্তু এতে সফল হবে না। বাংলাদেশের মানুষ আগের চেয়ে এখন অনেক বেশি সচেতন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান যা বলেছেন তা অক্ষরে অক্ষরে সত্যি। তিনি মোক্ষম সময়ে সমগ্র জাতিকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে তারা আসলে কারা? ’৭১ সালে তাদের কী ভূমিকা ছিল? কার দয়ায় বাংলাদেশে রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছে। এখন আবার বিএনপির বিরুদ্ধেই ট্যাগ দেওয়া শুরু করেছে। এই স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ বলেন, জামায়াতে ইসলামী ও তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে নতুন করে কিছুই বলার নেই। এদের বৈশিষ্ট্য, দেশ ও গণতন্ত্রের জন্য এদের ভূমিকা কী তা-ও এ দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে। এখন তারা ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে নগ্নভাবে। জান্নাতের টিকিট বেচতে শুরু করেছে তারা। কিন্তু ধর্ম নিয়ে এসব ভণ্ডামি বাংলাদেশের মানুষ আর সহ্য করবে না। আগামী নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমেই তারা জামায়াতের এসব অপকর্মের জবাব দেবে ইনশাআল্লাহ।

দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমানে কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী একটি বিতর্কিত দল। এটা নতুন কিছু নয়। দলটি সব সময়ই বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে মোনাফেকি করেছে। ১৯৭১ সাল থেকে শুরু করে ১৯৮৬, ’৯১-’৯৬ সাল সব সময়ই দেশের বিএনপি ও দেশের মানুষের বিরুদ্ধে ভূমিকা রেখেছে। এরা সব সময় স্বৈরাচার আর ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। বিগত ১৮ বছরের ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনেও এদের দৃশ্যমান কোনো ভূমিকা নেই। জামায়াত সম্পর্কে নতুন করে বলার কোনো অবকাশ নেই। দেশের সচেতন মানুষ এদের ভূমিকা ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ভালো করেই জানে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পরিষ্কার ভাষায় বলে দিয়েছেন, এদের মানুষ ’৭১ সালেই দেখেছে। নতুন করে আর দেখার কিছুই নেই। তবে তাদের অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র সম্পর্কে আমাদের সবাইকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।’

বিএনপির (খুলনা) বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছুই নেই। এই দলটি সব সময়ই দেশের ও মানুষের বিরুদ্ধে ভূমিকা রেখে এসেছে। ’৭১ থেকে শুরু করে আজকে ২০২৫ পর্যন্ত কখনই তারা শুধু নিজেদেও স্বার্থ ছাড়া দেশের জন্য ইতিবাচক কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। সর্বশেষ ফ্যাসিস্টদের সঙ্গেও আঁতাত করে চলেছে গত ১৫টি বছর। এদের মোনাফেকির জবাব মানুষ ব্যালটের মাধ্যমেই দেবে ইনশাআল্লাহ।

এই বিভাগের আরও খবর
আগুনের সূত্রপাত শর্টসার্কিটে
আগুনের সূত্রপাত শর্টসার্কিটে
কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি
ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি
যাচাই না করেই শোকজ নোটিস
যাচাই না করেই শোকজ নোটিস
দেড় দশকে বিপুল অর্থ পাচার লুটপাট
দেড় দশকে বিপুল অর্থ পাচার লুটপাট
‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারে বাধা নেই
‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারে বাধা নেই
নেপথ্যে তারিক সিদ্দিক, চাপিয়ে দেন ইভিএম
নেপথ্যে তারিক সিদ্দিক, চাপিয়ে দেন ইভিএম
ইরানে ট্রাম্পের জয়ের কোনো সহজ পথ নেই
ইরানে ট্রাম্পের জয়ের কোনো সহজ পথ নেই
সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা
সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা
সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি
সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি
চিহ্নিত ২৩৮ শুটার
চিহ্নিত ২৩৮ শুটার
আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?
আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?
সর্বশেষ খবর
ইউরোপের ৮ দেশের ওপর শুল্কারোপ ট্রাম্পের, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর
ইউরোপের ৮ দেশের ওপর শুল্কারোপ ট্রাম্পের, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের
২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে সংবর্ধনা
ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে সংবর্ধনা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

অতীতের মতো কালো রাজনীতির পরিবেশ দেখতে চাই না: নুর
অতীতের মতো কালো রাজনীতির পরিবেশ দেখতে চাই না: নুর

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে ইসরায়েল
নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

চুয়াডাঙ্গায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া
চুয়াডাঙ্গায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

শেষবিদায়ের নামাজ
শেষবিদায়ের নামাজ

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

গোপালগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দা‌দি-না‌তিসহ ৩ জ‌নের মৃত্যু
গোপালগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দা‌দি-না‌তিসহ ৩ জ‌নের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় পিকআপ-নছিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১
কুষ্টিয়ায় পিকআপ-নছিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প
খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী হওয়ার আহ্বান মনীষার
নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী হওয়ার আহ্বান মনীষার

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আগামী তিন দিন যেসব এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
আগামী তিন দিন যেসব এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন
ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নজিরবিহীন ফ্লাইট বিপর্যয়, ইন্ডিগোকে ২২ কোটি রুপি জরিমানা
নজিরবিহীন ফ্লাইট বিপর্যয়, ইন্ডিগোকে ২২ কোটি রুপি জরিমানা

৫ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

শীর্ষে থেকেই লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
শীর্ষে থেকেই লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপার কেন্দ্রীয় নেতাসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান
জাপার কেন্দ্রীয় নেতাসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আচরণবিধি লঙ্ঘন: পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ
আচরণবিধি লঙ্ঘন: পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রাজধানীতে ব্যতিক্রমী ফ্লাওয়ার শো আয়োজন
রাজধানীতে ব্যতিক্রমী ফ্লাওয়ার শো আয়োজন

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডের জয়
ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডের জয়

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বোমা কাল্লু’ গ্রেফতার
মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বোমা কাল্লু’ গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গাজা যুদ্ধের বীভৎসতায় 'পাগল' হয়ে যাচ্ছে বহু ইসরায়েলি সেনা
গাজা যুদ্ধের বীভৎসতায় 'পাগল' হয়ে যাচ্ছে বহু ইসরায়েলি সেনা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপালগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আটক
গোপালগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আটক

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গ্রোকের বিরুদ্ধে 'যৌন হয়রানি'র মামলা করেছেন মাস্কের সন্তানের মা!
গ্রোকের বিরুদ্ধে 'যৌন হয়রানি'র মামলা করেছেন মাস্কের সন্তানের মা!

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে জখম মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে
বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে জখম মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প
ইরানকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা
তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি বৈঠকে বসেছে জামায়াত
জরুরি বৈঠকে বসেছে জামায়াত

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট
৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিগ ব্যাশে ইতিহাস গড়লেন ডেভিড ওয়ার্নার
বিগ ব্যাশে ইতিহাস গড়লেন ডেভিড ওয়ার্নার

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা
বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল
বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা
দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত
শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি
ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'
'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি
সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?
এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত
কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা
ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা
সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত
বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার
টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে
হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম
যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি
দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?
শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প
ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ
বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প
'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি
টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী
প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ট্রাম্পকে মাচাদোর নোবেল দেওয়া নিয়ে যা বলল নরওয়ের কমিটি
ট্রাম্পকে মাচাদোর নোবেল দেওয়া নিয়ে যা বলল নরওয়ের কমিটি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ
অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার
এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?
আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?

প্রথম পৃষ্ঠা

চিহ্নিত ২৩৮ শুটার
চিহ্নিত ২৩৮ শুটার

প্রথম পৃষ্ঠা

সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না
সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না

নগর জীবন

বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা
বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা

খবর

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

সম্পাদকীয়

যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে
যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে

রকমারি

সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা
সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা

প্রথম পৃষ্ঠা

দেড় বছরে নেই কোনো আইপিও
দেড় বছরে নেই কোনো আইপিও

পেছনের পৃষ্ঠা

আইন সংশোধনে ব্যাংক মালিকদের বিরোধিতা
আইন সংশোধনে ব্যাংক মালিকদের বিরোধিতা

পেছনের পৃষ্ঠা

ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি
সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ
রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

দেশগ্রাম

যাচাই না করেই শোকজ নোটিস
যাচাই না করেই শোকজ নোটিস

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি
ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি

প্রথম পৃষ্ঠা

অতিথি সামিনা চৌধুরী
অতিথি সামিনা চৌধুরী

শোবিজ

ময়লার ভাগাড়ে বেড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
ময়লার ভাগাড়ে বেড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

দেশগ্রাম

সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম
সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম

দেশগ্রাম

হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা
হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা

নগর জীবন

দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না
দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না

নগর জীবন

১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি
১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি

দেশগ্রাম

ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ৩
ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ৩

নগর জীবন

পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ
পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ

নগর জীবন

আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল
আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল

নগর জীবন

একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলেও সুফল পাওয়া যায়নি
একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলেও সুফল পাওয়া যায়নি

নগর জীবন

এক দিনের জন্যও আপস করেননি খালেদা জিয়া
এক দিনের জন্যও আপস করেননি খালেদা জিয়া

নগর জীবন

শিম খেতে বৃদ্ধার লাশ
শিম খেতে বৃদ্ধার লাশ

দেশগ্রাম

খালেদা জিয়া প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক
খালেদা জিয়া প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক

নগর জীবন