শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০০:৫৪, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টার শেষ পরীক্ষা

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
প্রধান উপদেষ্টার শেষ পরীক্ষা

অবশেষে সব শঙ্কা আর অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে নির্বাচনের চূড়ান্ত ধাপে প্রবেশ করল বাংলাদেশ। রবিবার নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রূপরেখা চূড়ান্ত করেছে। আজ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে কমিশন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে। এরপর জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে নির্বাচনের চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এ আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে দেশজুড়ে শুরু হবে নির্বাচনি উৎসব।

সবকিছু ঠিক থাকলে প্রধান উপদেষ্টা ঘোষিত সময়ে দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনের রবিবারের বৈঠকের মধ্য দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার পূর্ণ হতে চলেছে। চলতি বছরের আগস্টে, জুলাই বিপ্লবের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে প্রদত্ত ভাষণে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষণা দেন। রবিবার নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ৮ থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে যে কোনো দিন তফসিল ঘোষণা করা হবে। ভোট হবে ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে যে কোনো দিন।

শেষ পর্যন্ত দেশে নির্বাচন হবে কি না তা নিয়ে নানানরকম আলোচনা এবং অনিশ্চয়তা ছিল। নির্বাচন কমিশনের রবিবারের বৈঠকের মধ্য দিয়ে সেই অনিশ্চয়তার কিছুটা অবসান হলো। এখন শুরু হলো আসল পরীক্ষা। রাজনীতি বিশ্লেষকরা মনে করেন, এটা নির্বাচন কমিশনের পরীক্ষার চেয়েও বড় পরীক্ষা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের। এটি সম্ভবত তাঁর দায়িত্বের মেয়াদকালে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং শেষ পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় যদি তিনি উত্তীর্ণ হন, তাহলে বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনি অমর হয়ে থাকবেন।

নির্বাচন কমিশন যদিও বলেছে তারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত কিন্তু কমিশন যতই জোর দিয়ে নির্বাচনের কথা বলুক না কেন, সাধারণ মানুষের মনে এখনো নির্বাচন হওয়া নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। এ সন্দেহ দূর করে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করাই এখন প্রধান উপদেষ্টার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

দেশের মানুষ নির্বাচন চায়। সাধারণ মানুষ মনে করে দেশে যে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে তা উত্তরণের একমাত্র পথ হলো নির্বাচন। একটি গণতান্ত্রিক সরকার চলমান অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। দেড় বছর ধরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক। নির্বাচিত সরকার এসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করবে এটাই জনগণ বিশ্বাস করে। দেশজুড়ে প্রতিদিন নানা রকম দাবিদাওয়া নিয়ে চলছে আন্দোলন এবং অসহিষ্ণুতা। একটি নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা হলে এসব সমস্যার যৌক্তিক সমাধান হবে বলে জনগণ বিশ্বাস করে। গোটা দেশে একটা স্থবিরতা বিরাজ করছে। এখান থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হলো গণতন্ত্র। প্রধান উপদেষ্টা নিজেও এটা বিশ্বাস করেন। এজন্যই তিনি এখন নির্বাচনকে সবচেয়ে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। বারবার নির্বাচনসংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করছেন, তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে অবহিত করছেন, পাশাপাশি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের গুরুত্ব নতুন করে সবাইকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন।

প্রধান উপদেষ্টা বিভিন্ন বক্তব্যে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে আগামী নির্বাচন হবে এযাবৎকালের সেরা নির্বাচন। এ কথা স্বীকার করতেই হবে, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্তর্র্বর্তী সরকার অত্যন্ত আন্তরিক। কোনো বিশেষ দলের প্রতি এ সরকারের পক্ষপাত নেই। নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে আন্তরিক। এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন সংযত ও দায়িত্বশীল ভূমিকায় রয়েছে। তার পরও নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। নির্বাচন নিয়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ। রাজনীতি বিশ্লেষকরা মনে করেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সুষ্ঠু নির্বাচন কঠিন হয়ে পড়বে। তফসিল ঘোষণার আগেই দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা ঘটছে। প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও চলছে সন্ত্রাস। পুলিশ বাহিনী এখন পর্যন্ত পুরোপুরি সক্রিয় নয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেটুকু সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে তা সশস্ত্র বাহিনীর কল্যাণে। তফসিল ঘোষণার পর যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসে, তাহলে নিরাপত্তার কারণে মানুষ ভোট কেন্দ্রে যেতে ভয় পাবে। মনে রাখতে হবে, ভোটার উপস্থিতি এবার সফল নির্বাচনের প্রধান চাবিকাঠি। নির্বাচনে যদি ভোটার উপস্থিতি বেশি হয় তাহলে নিশ্চয়ই এ নির্বাচন একটি গ্রহণযোগ্য এবং ভালো নির্বাচন হিসেবে বিবেচিত হবে। কিন্তু যদি ভোটার উপস্থিতি কম হয়, তাহলে এ নির্বাচন নিয়ে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে অনেক প্রশ্ন উঠবে। মনে রাখতে হবে, শুধু বাংলাদেশের জনগণ নয়, গোটা বিশ্ব আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে। নির্বাচন ভালো না হলে নির্বাচন কমিশনের চেয়ে বেশি সমালোচনা হবে প্রধান উপদেষ্টার। কারণ তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত এবং সম্মানিত ব্যক্তি। তিনি নোবেলজয়ী।

গত দেড় বছর গণতন্ত্রে উত্তরণের পথ মসৃণ করতে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা। রাজনৈতিক দলগুলো আগস্ট অভ্যুত্থানের পর নানা মত ও পথে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। নির্বাচন এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে দলগুলোর অনৈক্য চরম পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। জামায়াত ও এনসিপি প্রথমে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের পক্ষে ছিল না। তারা আগে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন চেয়েছিল। এ নিয়ে জামায়াতের নেতৃত্বে আট দল আন্দোলনও শুরু করে। আট দলের দাবি ছিল প্রথমে গণভোট করতে হবে। অন্যদিকে বিএনপিও জুলাই সনদের কিছু বিষয় নিয়ে আপত্তি তুলেছিল। বিশেষ করে গণভোটের প্রশ্ন নিয়ে তাদের আপত্তি আছে। এসব মতপার্থক্য অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করেন প্রধান উপদেষ্টা। নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকে তিনি রাজনৈতিক বিরোধ সামাল দিয়ে সব দলকে নির্বাচনের পথে নিয়ে এসেছেন। এটা সহজ ছিল না। অনেকেই মনে করেন, একমাত্র ড. ইউনূসের কারণেই সব দলকে নির্বাচনে রাজি করা সম্ভব হয়েছে। তিনি সব দলের সব দাবি শোনেননি আবার সব দাবি নাকচও করেননি। যে দলের যে দাবি ন্যায্য এবং যৌক্তিক মনে হয়েছে, ততটুকুই তিনি গ্রহণ করেছেন। একজন নিরপেক্ষ ব্যক্তি যে কঠিন সমস্যার সহজ সমাধান করতে পারেন তার অনন্য উদাহরণ এটি। বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের সংগঠন এনসিপিকে নির্বাচনে আনাটা প্রধান উপদেষ্টার একটি বিরাট সাফল্য। এনসিপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেনি। দলীয় নিবন্ধন এবং প্রতীক নিয়ে দলটির সঙ্গে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টা অভিভাবকসুলভ মনোভাব দেখিয়ে তাদের মান ভাঙাতে সক্ষম হন। সব দলকে নির্বাচনের মহাসড়কে নিয়ে আসার কাজটি কত কঠিন ছিল তা খালি চোখে বোঝা সম্ভব নয়।

এখন সব দল নির্বাচনমুখী। জনগণ ভোট দিতে উন্মুখ। এ রকম একটি নির্বাচনি আবহ সৃষ্টির জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে অবশ্যই একটি ধন্যবাদ দিতে হবে।

কিন্তু সামনে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ। যে কোনো মূল্যে আগামী নির্বাচন উৎসবমুখর করতেই হবে। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে যেতে পারেন তার ব্যবস্থা করতে হবে। একমাত্র ভোটার উপস্থিতিই পারে আগামী নির্বাচনকে একটি গ্রহণযোগ্য ও ভালো নির্বাচনের মর্যাদা দিতে। আর সেজন্য দরকার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ। নাগরিকদের জন্য নিরাপদ ও ভীতিহীন ভোট কেন্দ্র। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার।

প্রধান উপদেষ্টার জন্য এটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এটাই তাঁর এ সময়ের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় তাঁকে অবশ্যই বিজয়ী হতে হবে। তবে আমাদেরও মনে রাখতে হবে যে এজন্য সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোকে সংযত আচরণ করতে হবে। প্রশাসনকে কাজ করতে হবে নিরপেক্ষতার সঙ্গে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দায়িত্ব পালন করতে হবে নিষ্ঠার সঙ্গে। আশার কথা, প্রশাসন এবং পুলিশ বাহিনী যেন নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে সেজন্য প্রধান উপদেষ্টা বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। বিশেষ করে লটারির মাধ্যমে এসপি ও ওসি পদায়নের মাধ্যমে পুলিশ প্রশাসনকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। জেলা প্রশাসক পদায়নের ক্ষেত্রেও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের পক্ষপাত আর বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা, জনগণকে উদ্যোগী হতে হবে। ভোটারদের মনে রাখতে হবে, এ ভোট তাদের অধিকার। যে কোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগে দৃঢ় এবং সাহসী ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি। দেশটা আমাদের সবার। প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা পারি এ দেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি করতে। এমন একটি নির্বাচন করতে যা বিশ্বের কাছে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

এই বিভাগের আরও খবর
আগুনের সূত্রপাত শর্টসার্কিটে
আগুনের সূত্রপাত শর্টসার্কিটে
কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি
ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি
যাচাই না করেই শোকজ নোটিস
যাচাই না করেই শোকজ নোটিস
দেড় দশকে বিপুল অর্থ পাচার লুটপাট
দেড় দশকে বিপুল অর্থ পাচার লুটপাট
‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারে বাধা নেই
‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারে বাধা নেই
নেপথ্যে তারিক সিদ্দিক, চাপিয়ে দেন ইভিএম
নেপথ্যে তারিক সিদ্দিক, চাপিয়ে দেন ইভিএম
ইরানে ট্রাম্পের জয়ের কোনো সহজ পথ নেই
ইরানে ট্রাম্পের জয়ের কোনো সহজ পথ নেই
সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা
সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা
সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি
সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি
চিহ্নিত ২৩৮ শুটার
চিহ্নিত ২৩৮ শুটার
আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?
আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?
সর্বশেষ খবর
যাত্রাবাড়ীতে দ্রুতগতির ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল পথশিশুর
যাত্রাবাড়ীতে দ্রুতগতির ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল পথশিশুর

৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইউরোপের ৮ দেশের ওপর শুল্কারোপ ট্রাম্পের, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর
ইউরোপের ৮ দেশের ওপর শুল্কারোপ ট্রাম্পের, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের
২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে সংবর্ধনা
ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে সংবর্ধনা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

অতীতের মতো কালো রাজনীতির পরিবেশ দেখতে চাই না: নুর
অতীতের মতো কালো রাজনীতির পরিবেশ দেখতে চাই না: নুর

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে ইসরায়েল
নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

৪ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

চুয়াডাঙ্গায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া
চুয়াডাঙ্গায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

৪ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

শেষবিদায়ের নামাজ
শেষবিদায়ের নামাজ

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

গোপালগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দা‌দি-না‌তিসহ ৩ জ‌নের মৃত্যু
গোপালগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দা‌দি-না‌তিসহ ৩ জ‌নের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় পিকআপ-নছিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১
কুষ্টিয়ায় পিকআপ-নছিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প
খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী হওয়ার আহ্বান মনীষার
নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী হওয়ার আহ্বান মনীষার

৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আগামী তিন দিন যেসব এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
আগামী তিন দিন যেসব এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন
ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নজিরবিহীন ফ্লাইট বিপর্যয়, ইন্ডিগোকে ২২ কোটি রুপি জরিমানা
নজিরবিহীন ফ্লাইট বিপর্যয়, ইন্ডিগোকে ২২ কোটি রুপি জরিমানা

৬ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

শীর্ষে থেকেই লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
শীর্ষে থেকেই লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপার কেন্দ্রীয় নেতাসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান
জাপার কেন্দ্রীয় নেতাসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আচরণবিধি লঙ্ঘন: পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ
আচরণবিধি লঙ্ঘন: পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রাজধানীতে ব্যতিক্রমী ফ্লাওয়ার শো আয়োজন
রাজধানীতে ব্যতিক্রমী ফ্লাওয়ার শো আয়োজন

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডের জয়
ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডের জয়

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বোমা কাল্লু’ গ্রেফতার
মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বোমা কাল্লু’ গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গাজা যুদ্ধের বীভৎসতায় 'পাগল' হয়ে যাচ্ছে বহু ইসরায়েলি সেনা
গাজা যুদ্ধের বীভৎসতায় 'পাগল' হয়ে যাচ্ছে বহু ইসরায়েলি সেনা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপালগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আটক
গোপালগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আটক

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গ্রোকের বিরুদ্ধে 'যৌন হয়রানি'র মামলা করেছেন মাস্কের সন্তানের মা!
গ্রোকের বিরুদ্ধে 'যৌন হয়রানি'র মামলা করেছেন মাস্কের সন্তানের মা!

৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইরানকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প
ইরানকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা
তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি বৈঠকে বসেছে জামায়াত
জরুরি বৈঠকে বসেছে জামায়াত

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট
৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিগ ব্যাশে ইতিহাস গড়লেন ডেভিড ওয়ার্নার
বিগ ব্যাশে ইতিহাস গড়লেন ডেভিড ওয়ার্নার

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা
বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল
বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা
দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত
শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি
ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'
'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি
সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?
এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত
কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা
ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা
সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত
বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার
টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে
হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম
যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি
দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?
শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প
ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ
বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প
'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি
টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী
প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ট্রাম্পকে মাচাদোর নোবেল দেওয়া নিয়ে যা বলল নরওয়ের কমিটি
ট্রাম্পকে মাচাদোর নোবেল দেওয়া নিয়ে যা বলল নরওয়ের কমিটি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ
অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার
এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?
আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?

প্রথম পৃষ্ঠা

চিহ্নিত ২৩৮ শুটার
চিহ্নিত ২৩৮ শুটার

প্রথম পৃষ্ঠা

সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না
সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না

নগর জীবন

বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা
বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা

খবর

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

সম্পাদকীয়

সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা
সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে
যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে

রকমারি

দেড় বছরে নেই কোনো আইপিও
দেড় বছরে নেই কোনো আইপিও

পেছনের পৃষ্ঠা

আইন সংশোধনে ব্যাংক মালিকদের বিরোধিতা
আইন সংশোধনে ব্যাংক মালিকদের বিরোধিতা

পেছনের পৃষ্ঠা

ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি
সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

যাচাই না করেই শোকজ নোটিস
যাচাই না করেই শোকজ নোটিস

প্রথম পৃষ্ঠা

রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ
রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

দেশগ্রাম

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি
ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি

প্রথম পৃষ্ঠা

অতিথি সামিনা চৌধুরী
অতিথি সামিনা চৌধুরী

শোবিজ

ময়লার ভাগাড়ে বেড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
ময়লার ভাগাড়ে বেড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

দেশগ্রাম

দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না
দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না

নগর জীবন

হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা
হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা

নগর জীবন

সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম
সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম

দেশগ্রাম

১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি
১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি

দেশগ্রাম

পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ
পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ

নগর জীবন

ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ৩
ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ৩

নগর জীবন

আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল
আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল

নগর জীবন

একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলেও সুফল পাওয়া যায়নি
একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলেও সুফল পাওয়া যায়নি

নগর জীবন

এক দিনের জন্যও আপস করেননি খালেদা জিয়া
এক দিনের জন্যও আপস করেননি খালেদা জিয়া

নগর জীবন

খালেদা জিয়া প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক
খালেদা জিয়া প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক

নগর জীবন

শিম খেতে বৃদ্ধার লাশ
শিম খেতে বৃদ্ধার লাশ

দেশগ্রাম