শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০০:১৬, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
বল এখন রাজনৈতিক দলের কোর্টে

অবশেষে বহুলপ্রতীক্ষিত নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলো। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে আনুষ্ঠানিকভাবে এ তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২৯ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি। রিটার্নিং অফিসারের আদেশের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়েরের শেষ তারিখ ১১ জানুয়ারি। কমিশনে দায়েরকৃত আপিল নিষ্পত্তির তারিখ ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচার চলবে  ২২ জানুয়ারি থেকে ভোট গ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত তথা ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সব রাজনৈতিক দল এ তফসিলকে স্বাগত জানিয়েছে। দলগুলো নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে। নির্বাচন কমিশন নিশ্চয়ই অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে নিরপেক্ষ এবং নির্মোহভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবে। প্রধান উপদেষ্টা এ নির্বাচন উৎসবমুখর করার জন্য সব প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন।

তবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দায়িত্ব একমাত্র নির্বাচন কমিশন বা সরকারের নয়। বিশেষ করে এবারের নির্বাচন সফল করতে সব দলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। এ নির্বাচন শুধু জয়-পরাজয়ের নয়, এটি জুলাই বিপ্লবের পূর্ণতা অর্জনের নির্বাচন। রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রমাণ করতে হবে যে, যে গণতন্ত্রের জন্য তারা লড়াই করেছে সেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তারা আন্তরিক। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন তাই গণতন্ত্রের আন্দোলনের চূড়ান্ত ধাপ। দলগুলোকে তাই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। যে কোনো মূল্যে জয়ী হওয়ার চেয়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন করতে দলগুলোকে পাঁচটি দায়িত্ব অবশ্যই পালন করতে হবে। প্রথমত মনে রাখতে হবে, এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভোটারদের অংশগ্রহণ। নির্বাচনে যদি বিপুলসংখ্যক ভোটার ভোট দিতে যান, তারা যদি নির্ভয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন তাহলেই এ নির্বাচন সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক বিবেচিত হবে। ভোটারদের কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার প্রধান দায়িত্ব রাজনৈতিক দলের। কাজেই নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের প্রধান কাজ হবে ভোটের দিন বেশিসংখ্যক ভোটারকে কেন্দ্রে যেতে উৎসাহিত করা। মনে রাখতে হবে, নির্বাচন কমিশন বা সরকারের কথায় জনগণ ভোট দিতে যাবে না। জনগণ ভোট দেবে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের কারণে। দ্বিতীয়ত ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির কোনো বিকল্প নেই। সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশ যতই নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করুক না কেন, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা যদি দায়িত্বশীল এবং সহনশীল আচরণ না করেন তাহলে নির্বাচনকালীন সহিংসতা বন্ধ হবে না। নির্বাচনের সময় প্রার্থীদের কারণেই অধিকাংশ সহিংসতা ঘটে। প্রার্থীরা মাঠ দখল রাখতে পেশিশক্তির প্রয়োগ করেন। সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন প্রার্থীর পৃষ্ঠপোষকতায় বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ভোটের আগে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল, বিরুদ্ধ প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর আক্রমণের ঘটনা শুধু নির্বাচনি পরিবেশ নষ্ট করে না, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায়। বিশেষ করে ভোটের দিন কেন্দ্র ও বুথ দখল সংস্কৃতি বাংলাদেশে অনেক পুরোনো। এবারের নির্বাচনে যদি দলগুলো এ সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে না পারে, তাহলে এ নির্বাচনও জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। একটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন একটি ভালো সরকার গঠন করতে পারবে না।

তৃতীয়ত নির্বাচন একটি রাজনৈতিক খেলা। এ খেলায় কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। এজন্যই নির্বাচন কমিশন আচরণবিধি তৈরি করেছে। এ আচরণবিধি হলো রুলস অব দ্য গেম। নির্বাচন এলেই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এতে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হয়। নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার পথে অন্যতম অন্তরায় হলো আচরণবিধি অমান্য। এবার নির্বাচন নানান কারণেই আলাদা। একটি রক্তস্নাত আন্দোলনের মাধ্যমে এ নির্বাচনের পটভূমি তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্র সংস্কারের আকাক্সক্ষা লালন করে রক্ত দিয়েছেন তরুণরা। তাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে এ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোকে অবশ্যই আচরণবিধি মানতে হবে। তা না হলে এ নির্বাচন একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন হবে না, বরং আরেকটি বিতর্কিত নির্বাচন হিসেবে জনগণের মধ্যে হতাশা ছড়াবে।

চতুর্থত নির্বাচন এলেই প্রার্থীরা প্রশাসন এবং নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের পক্ষে টানার অনভিপ্রেত এবং অনাকাক্সিক্ষত প্রতিযোগিতা শুরু করেন। নির্বাচনের সঙ্গে দায়িত্ব পালনকারীদের হয় ভয়ভীতি অথবা প্রলোভন দেখানো হয়। যাতে তাঁরা বিশেষ প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেন। ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় অনেক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিরপেক্ষতা হারিয়ে ফেলেন। এতে নির্বাচনের সর্বনাশ হয়। রাজনৈতিক দল এবং সব প্রার্থীকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা প্রশাসনে হস্তক্ষেপ করবে না। নির্বাচনের দায়িত্ব পালনকারীদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করবে না। ‘আমার লোক’ খোঁজার প্রবণতা থেকে সরে আসবে। প্রার্থীরা যদি প্রশাসনের ওপর নির্ভর না করেন তাহলে প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকতে বাধ্য।

পঞ্চমত নির্বাচন এলেই রাজনৈতিক দলে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং অবৈধ দখলদারদের কদর বাড়ে। এরা প্রার্থীদের লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে কাজ করে। এদের মাধ্যমেই নির্বাচনে কালো টাকা আর পেশিশক্তির প্রভাব বাড়ে। এরা জনগণকে ভয় দেখায়, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জোর করে নির্বাচনের জন্য অর্থ আদায় করে। এর ফলে শুধু যে নির্বাচনের পরিবেশই নষ্ট হয় তা নয়, দেশে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়। সন্ত্রাসীদের সঙ্গে রাজনৈতিক দলের অশুভ আঁতাত গণতন্ত্র, সুশাসন এবং দেশের উন্নয়নে বড় বাধা। এবার নির্বাচনে যদি প্রার্থীরা জনগণের চেয়ে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ওপর নির্ভর করেন, তাহলে গণতন্ত্র পথ হারাবে।

প্রধান উপদেষ্টা তাঁর কথা রেখেছেন। ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। এবার রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রমাণ করতে হবে তারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আন্তরিক এবং দায়িত্বশীল। নির্বাচন এমন একটি খেলা যেখানে রাজনৈতিক দলগুলোই খেলোয়াড়। সরকার এবং নির্বাচন কমিশন এখানে রেফারি মাত্র। খেলোয়াড়রা যদি ফাউল করে তাহলে কখনো খেলা সুন্দর হয় না। তফসিল ঘোষণার পর এখন দলগুলোর দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি। তাদের কাজের ওপর নির্ভর করবে আগামী নির্বাচন সেরা নির্বাচন হবে, নাকি নির্বাচনি ট্রেন মাঝ পথে লাইনচ্যুত হবে।

এই বিভাগের আরও খবর
বড় ক্ষতির মুখে পড়ছে বিসিবি
বড় ক্ষতির মুখে পড়ছে বিসিবি
মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিজিবির ওপর হামলা
মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিজিবির ওপর হামলা
নির্বাচনি প্রচারে বাধা-সংঘর্ষ
নির্বাচনি প্রচারে বাধা-সংঘর্ষ
জনজোয়ারে একটি বড় দল ভয় পেয়েছে
জনজোয়ারে একটি বড় দল ভয় পেয়েছে
নির্বাচন বানচাল করতে গুপ্ত হামলা
নির্বাচন বানচাল করতে গুপ্ত হামলা
‘হ্যাঁ’ ভোটে জনমতের জোয়ার
‘হ্যাঁ’ ভোটে জনমতের জোয়ার
এনসিপির চোখ ১৪ আসনে
এনসিপির চোখ ১৪ আসনে
ভোটের মাঠে স্বতন্ত্র নারী প্রার্থীর আধিক্য
ভোটের মাঠে স্বতন্ত্র নারী প্রার্থীর আধিক্য
নির্বাচন বিতর্কিত করতে পারে একটি দল
নির্বাচন বিতর্কিত করতে পারে একটি দল
নীতিগত পার্থক্যের কারণেই ১১-দলীয় জোট ত্যাগ করেছি
নীতিগত পার্থক্যের কারণেই ১১-দলীয় জোট ত্যাগ করেছি
যুক্তরাষ্ট্র-জামায়াত সম্পর্ক ভয়ংকর অশনিসংকেত
যুক্তরাষ্ট্র-জামায়াত সম্পর্ক ভয়ংকর অশনিসংকেত
বেসরকারি খাতে নতুন আতঙ্ক
বেসরকারি খাতে নতুন আতঙ্ক
সর্বশেষ খবর
আওয়ামী লীগ এখন মাফিয়া পার্টি : সালাহউদ্দিন আহমদ
আওয়ামী লীগ এখন মাফিয়া পার্টি : সালাহউদ্দিন আহমদ

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে : শ্রম উপদেষ্টা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে : শ্রম উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একের উত্থান অপরের পতন
একের উত্থান অপরের পতন

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

থানার সামনে জয় বাংলা’ স্লোগান, আটক ৬
থানার সামনে জয় বাংলা’ স্লোগান, আটক ৬

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী
গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপিএলের এবারের আসরে ব্যাটে-বলে সেরা যারা
বিপিএলের এবারের আসরে ব্যাটে-বলে সেরা যারা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কে ঝরল ইসলামী আন্দোলন নেতার প্রাণ
কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কে ঝরল ইসলামী আন্দোলন নেতার প্রাণ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ময়মনসিংহে বিএনপিতে জাতীয় পার্টির ৫ শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান
ময়মনসিংহে বিএনপিতে জাতীয় পার্টির ৫ শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কেরানীগঞ্জে বিএনপি নেতাকে গুলি, ২৪ ঘণ্টা পেরোলেও মামলা হয়নি
কেরানীগঞ্জে বিএনপি নেতাকে গুলি, ২৪ ঘণ্টা পেরোলেও মামলা হয়নি

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলায় নিহত ২৭
মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলায় নিহত ২৭

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নওগাঁয় নিখোঁজের ১৯ মাস পর যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেফতার ১
নওগাঁয় নিখোঁজের ১৯ মাস পর যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেফতার ১

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন
লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কিয়েভে আরও ৫০০ জেনারেটর পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন
কিয়েভে আরও ৫০০ জেনারেটর পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক জিমেইল অ্যাপেই আসবে সব ই-মেইল, যুক্ত করবেন যেভাবে
এক জিমেইল অ্যাপেই আসবে সব ই-মেইল, যুক্ত করবেন যেভাবে

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ডেমরায় নবীউল্লাহ নবীর ব্যাপক গণসংযোগ
ডেমরায় নবীউল্লাহ নবীর ব্যাপক গণসংযোগ

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটারদের নির্বিঘ্ন ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: আবু জাফর
ভোটারদের নির্বিঘ্ন ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: আবু জাফর

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ঝালকাঠি-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ
ঝালকাঠি-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয় সভা
১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয় সভা

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইউক্রেনকে দনবাস ছাড়তেই হবে: রাশিয়া
শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইউক্রেনকে দনবাস ছাড়তেই হবে: রাশিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমরা দেশ ও জাতিকে আর টুকরো টুকরো করতে চাই না: জামায়াতের আমির
আমরা দেশ ও জাতিকে আর টুকরো টুকরো করতে চাই না: জামায়াতের আমির

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জয়ী হলে দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশন করে গড়ে তোলা হবে: জামায়াত আমির
জয়ী হলে দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশন করে গড়ে তোলা হবে: জামায়াত আমির

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আফ্রিকা ধীরে ধীরে ভেঙে যাচ্ছে, তৈরি হতে পারে নতুন মহাসাগর
আফ্রিকা ধীরে ধীরে ভেঙে যাচ্ছে, তৈরি হতে পারে নতুন মহাসাগর

৬ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

তুরস্ক বিশ্বের কেন্দ্রীয় শক্তিতে আবির্ভূত হবে: এরদোয়ান
তুরস্ক বিশ্বের কেন্দ্রীয় শক্তিতে আবির্ভূত হবে: এরদোয়ান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

র‌্যাবের ওপর হামলার ঘটনায় কালা বাচ্চু গ্রেফতার
র‌্যাবের ওপর হামলার ঘটনায় কালা বাচ্চু গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায় জনগণ তাদের প্রতিহত করবে : আমীর খসরু
যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায় জনগণ তাদের প্রতিহত করবে : আমীর খসরু

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মুন্সীগঞ্জে গণভোটের প্রচারণায় ইউএনও
মুন্সীগঞ্জে গণভোটের প্রচারণায় ইউএনও

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী
চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধুখালিতে অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান, পাইপ গান ও সরঞ্জাম উদ্ধার, আটক ১
মধুখালিতে অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান, পাইপ গান ও সরঞ্জাম উদ্ধার, আটক ১

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বাংলাদেশের নতুন চিঠিতে বিশ্বকাপ নাটকে ফের উত্তাপ
বাংলাদেশের নতুন চিঠিতে বিশ্বকাপ নাটকে ফের উত্তাপ

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বড় বহর: ট্রাম্প
ইরানের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বড় বহর: ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সিদ্ধান্তে যা বললেন কেইন উইলিয়ামসন
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সিদ্ধান্তে যা বললেন কেইন উইলিয়ামসন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুরান ঢাকার সমস্যার স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি ইশরাকের
পুরান ঢাকার সমস্যার স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি ইশরাকের

১৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনের আগে তিন জেলায় না যাওয়ার পরামর্শ যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের
নির্বাচনের আগে তিন জেলায় না যাওয়ার পরামর্শ যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের মার্কা শাপলা কলি, বাবা ভোট চাইছেন ধানের শীষে
ছেলের মার্কা শাপলা কলি, বাবা ভোট চাইছেন ধানের শীষে

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

করবো কাজ, গড়বো দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ: তারেক রহমান
করবো কাজ, গড়বো দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ: তারেক রহমান

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তারা ইসলামের লেবেল লাগিয়ে আমাদের ধোঁকা দিয়েছে: রেজাউল করীম
তারা ইসলামের লেবেল লাগিয়ে আমাদের ধোঁকা দিয়েছে: রেজাউল করীম

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

'আইসিসি করাপ্টেড', ভারতীয় প্রভাবেই কি ভাঙছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট?
'আইসিসি করাপ্টেড', ভারতীয় প্রভাবেই কি ভাঙছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট?

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক সময়ের নিষিদ্ধ জামায়াতের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় যুক্তরাষ্ট্র
এক সময়ের নিষিদ্ধ জামায়াতের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় যুক্তরাষ্ট্র

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘ভারত-পাকিস্তানের ক্ষেত্রে মানে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মানে না’
‘ভারত-পাকিস্তানের ক্ষেত্রে মানে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মানে না’

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিফলে যেতে পারে বিসিবির শেষ চেষ্টাও, যা বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম
বিফলে যেতে পারে বিসিবির শেষ চেষ্টাও, যা বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চালুর কয়েক ঘণ্টায় বন্ধ হলো বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
চালুর কয়েক ঘণ্টায় বন্ধ হলো বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৩ জানুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৩ জানুয়ারি)

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাশিয়া থেকে আসা ট্যাংকার জাহাজ জব্দ করল ফ্রান্স
রাশিয়া থেকে আসা ট্যাংকার জাহাজ জব্দ করল ফ্রান্স

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তারেক রহমানের ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী জনসভা আজ
তারেক রহমানের ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী জনসভা আজ

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ঢাকার শীত নিয়ে নতুন তথ্য দিল আবহাওয়া অফিস
ঢাকার শীত নিয়ে নতুন তথ্য দিল আবহাওয়া অফিস

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা
খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা
বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’
‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পরমাণু যুদ্ধের শেষ বাধাটিও কেটে যাচ্ছে?
পরমাণু যুদ্ধের শেষ বাধাটিও কেটে যাচ্ছে?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্থিক ক্ষতি নয়, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাটাই প্রথম
আর্থিক ক্ষতি নয়, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাটাই প্রথম

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুরান ঢাকার দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করার প্রতিশ্রুতি ইশরাকের
পুরান ঢাকার দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করার প্রতিশ্রুতি ইশরাকের

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি
বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই
ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই ফেলেছিল ডেনমার্ক
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই ফেলেছিল ডেনমার্ক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসনভিত্তিক সংখ্যা প্রকাশ: কোন আসনে কত ভোটার?
আসনভিত্তিক সংখ্যা প্রকাশ: কোন আসনে কত ভোটার?

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভারতের পর পাকিস্তানকে উড়িয়ে শিরোপার কাছে সাবিনারা
ভারতের পর পাকিস্তানকে উড়িয়ে শিরোপার কাছে সাবিনারা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র–জামায়াত যোগাযোগ উদ্বেগজনক ইঙ্গিত: ফরহাদ মজহার
যুক্তরাষ্ট্র–জামায়াত যোগাযোগ উদ্বেগজনক ইঙ্গিত: ফরহাদ মজহার

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
ভাগ্য পরিবর্তন করতে ধানের শীষে ভোট দিন
ভাগ্য পরিবর্তন করতে ধানের শীষে ভোট দিন

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব

সম্পাদকীয়

নির্বাচন বিতর্কিত করতে পারে একটি দল
নির্বাচন বিতর্কিত করতে পারে একটি দল

প্রথম পৃষ্ঠা

দূষণ থেকে সার
দূষণ থেকে সার

শনিবারের সকাল

সাঁকোই ভরসা ২০ গ্রামের মানুষের
সাঁকোই ভরসা ২০ গ্রামের মানুষের

দেশগ্রাম

বাদুড়ের নিরাপদ আবাস
বাদুড়ের নিরাপদ আবাস

শনিবারের সকাল

ধোঁয়ায় শ্বাসরোধে যাচ্ছে প্রাণ
ধোঁয়ায় শ্বাসরোধে যাচ্ছে প্রাণ

পেছনের পৃষ্ঠা

সবজি চাষে ভাগ্যবদল অনিকের
সবজি চাষে ভাগ্যবদল অনিকের

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোটের আগে সীমান্তে সক্রিয় অস্ত্র কারবারিরা
ভোটের আগে সীমান্তে সক্রিয় অস্ত্র কারবারিরা

নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্র-জামায়াত সম্পর্ক ভয়ংকর অশনিসংকেত
যুক্তরাষ্ট্র-জামায়াত সম্পর্ক ভয়ংকর অশনিসংকেত

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি প্রার্থীদের
প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি প্রার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

একের উত্থান অপরের পতন
একের উত্থান অপরের পতন

সম্পাদকীয়

শতবর্ষের পুরোনো সেই স্বাদ
শতবর্ষের পুরোনো সেই স্বাদ

শনিবারের সকাল

অমিতাভের জুতা কাহিনি
অমিতাভের জুতা কাহিনি

শোবিজ

নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ

সম্পাদকীয়

অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার
অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

এখনো নাঈমের ‘ময়না’ শাবনাজ
এখনো নাঈমের ‘ময়না’ শাবনাজ

শোবিজ

অদম্য শিরিনের পথচলা
অদম্য শিরিনের পথচলা

শনিবারের সকাল

সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক
সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক

সম্পাদকীয়

৩ শতাধিক নেতা কর্মীর বিএনপিতে যোগদান
৩ শতাধিক নেতা কর্মীর বিএনপিতে যোগদান

দেশগ্রাম

বল সুন্দরীতে বাজিমাত
বল সুন্দরীতে বাজিমাত

শনিবারের সকাল

চার জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত
চার জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত

দেশগ্রাম

বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান

সম্পাদকীয়

টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ আহত ১৫, বাড়িঘর ভাঙচুর
টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ আহত ১৫, বাড়িঘর ভাঙচুর

দেশগ্রাম

ছেলের শোকে মায়ের মৃত্যু, বাবা হাসপাতালে
ছেলের শোকে মায়ের মৃত্যু, বাবা হাসপাতালে

দেশগ্রাম

জরাজীর্ণ সেতু, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল
জরাজীর্ণ সেতু, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল

দেশগ্রাম

পরিত্যক্ত দেখিয়ে ক্লাসরুম ভেঙে দোকান নির্মাণ
পরিত্যক্ত দেখিয়ে ক্লাসরুম ভেঙে দোকান নির্মাণ

দেশগ্রাম

সূর্যগ্রহণ ও সূর্য সংগ্রামের গল্প
সূর্যগ্রহণ ও সূর্য সংগ্রামের গল্প

শোবিজ

নিরাময় কেন্দ্রে যুবকের মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের
নিরাময় কেন্দ্রে যুবকের মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের

দেশগ্রাম