শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০১:৪৩, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী

আজ সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে হাদিকে
ইমরান রহমান
প্রিন্ট ভার্সন
সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার চেষ্টাকারী দুজন ভারতে পাড়ি জমিয়েছে বলে মনে করছে গোয়েন্দা সূত্র। সূত্রমতে, ঘটনার পর তারা ঢাকা থেকে কখনো বাস, কখনো প্রাইভেট কার, আবার কখনো মোটরসাইকেলে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট পৌঁছায়। সেখানে গ্রিন জোন রিসোর্ট নামে একটি হোটেলে বিশ্রাম নেয়। এরপর সীমান্তের পাচারকারী চক্রের মাধ্যমে শুক্রবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে চলে যায়।

এ সূত্রসহ তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার কয়েক দিন আগে থেকে হাদির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়ে গতিবিধি নজরদারি করা, অস্ত্রের জোগান, গুলির জন্য বিজয়নগর বক্স কালভার্ট এলাকা বেছে নেওয়া, এরপর চারবার গাড়ি বদল করে সীমান্তে পৌঁছানো সবকিছুই ছিল সুপরিকল্পিত। পুরো মিশনে সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে আট-১০ জনের একটি টিম। হামলাকারীদের সীমান্ত পার হতে সহযোগিতা করা পাচার চক্রের মূলহোতাও গ্রেপ্তারের ভয়ে ভারতে চলে গেছে।

তবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, হাদির ওপর হামলার ঘটনায় শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ও মোটরসাইকেল চালক আলমগীর শেখকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের দেশের বাইরে পালিয়ে যাওয়ার কোনো তথ্য নেই। তারা যেন পালিয়ে যেতে না পারে, সেজন্য বিজিবি এবং সব বন্দরকে সতর্ক করা হয়েছে। বিভিন্ন সীমান্তে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রেখেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

ডিএমপি আরও জানায়, শেরপুরের নালিতাবাড়ী সীমান্তের পাচার চক্রের সদস্য সিবিয়ন দিও ও সঞ্জয় চিসিম নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রাতে ডিএমপির একটি সূত্র জানিয়েছে, হাদিকে গুলি করার ঘটনায় আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। এ ছাড়া আরও তিন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে র‌্যাব। সংস্থাটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, রাতে তাদের নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে ফয়সালের স্ত্রী সামিয়া ও শ্যালক শিপু এবং বান্ধবী মারিয়া। শুক্রবার হাদিকে গুলির আগে ও পরে তাদের সঙ্গে ফয়সালের ঘন ঘন ফোনে কথা বলার তথ্য পেয়েছেন তারা।

এদিকে তদন্ত সূত্র জানিয়েছে, সিসিক্যামেরা ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলার সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে নাম্বার প্লেটের সূত্র ধরে এটির মালিক আবদুল হান্নানকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে আদালতে পাঠিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ঢাকা মহানগর হাকিম মো. আবদুল হান্নান শুনানি শেষে তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এ ছাড়া গতকাল বিকালে সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলির ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একযোগে অভিযান চলছে। অভিযুক্তরা যাতে সীমান্ত অতিক্রম করতে না পারে, সেজন্য তাদের পাসপোর্ট ব্লক করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের ধরতে এরই মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে লোক পারাপারের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে এবং এর মালিককে র‌্যাব আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।

তিনি আরও জানান, অভিযুক্তদের কেউ বিদেশে পালিয়ে গেছে কি না, এমন কোনো তথ্য এখনো ইমিগ্রেশন ডেটাবেজে পাওয়া যায়নি। ফয়সাল করিম মাসুদের সর্বশেষ বিদেশযাত্রার তথ্য অনুযায়ী, সে জুলাই মাসে থাইল্যান্ড থেকে দেশে প্রবেশ করে। এরপর তার দেশত্যাগের কোনো রেকর্ড নেই।

এদিকে গতকাল প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দেশের অভ্যন্তরে একাধিকবার সন্দেহভাজনদের অবস্থান শনাক্ত করা হলেও বারবার স্থান পরিবর্তনের কারণে এখনো তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। প্রধান সন্দেহভাজন ব্যক্তি যাতে কোনোভাবেই সীমান্ত অতিক্রম করতে না পারে সেজন্য শুক্রবার রাতেই দেশের সব ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে সন্দেহভাজনদের ছবি ও অন্যান্য তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে। সীমান্তে বিজিবি ও র‌্যাবের টহল জোরদার করা হয়েছে। এ হামলার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে এমন আরও কয়েকজন সন্দেহভাজনকে ইতোমধ্যে নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ ছাড়াও সন্দেহভাজনদের হাতের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) পরীক্ষা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে শুটার ফয়সাল করিম ও তার আইটি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল সফট আইটি লিমিটেডের সব ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি)। গতকাল ব্যাংক হিসাব ফয়সাল করিম মাসুদ বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সদস্য। তার মালিকানাধীন ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্টভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাপল সফট আইটি লিমিটেড’ কোম্পানিটি ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া ২০১৬ সালে তৎকালীন সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের পৃষ্ঠপোষকতায় মুক্তিযুদ্ধ ও শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে ‘ব্যাটল অব ’৭১’ নামে একটি কম্পিউটার গেম তৈরি করেছিল ওয়াইসিইউ টেকনোলজি লিমিটেড। ওই প্রতিষ্ঠানের মালিকও ফয়সাল করিম মাসুদ।

হাদির অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক : রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওসমান হাদির অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। পরিস্থিতির উন্নতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া হতে পারে। এভারকেয়ারের সামনে সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক আবদুল আহাদ জানান, হাদির অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে কার্যক্ষমতা বন্ধ হয়ে যাওয়া তার দুই কিডনি আবার সচল হয়েছে। ফুসফুসের কার্যক্রমও অপরিবর্তিত রয়েছে।

হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হবে আজ :  মাথায় গুলিবিদ্ধ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে আজ দুপুরে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হবে। গতকাল রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রেস উইং জানিয়েছে, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশে সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান, এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. জাফর ও ওসমান হাদির ভাই ওমর বিন হাদির মধ্যে এক জরুরি টেলিফোন কনফারেন্সে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।

প্রেস উইং জানায়, প্রয়োজনীয় মেডিকেল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক দল এবং ভ্রমণসংক্রান্ত সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন করা হয়েছে। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের অ্যাক্সিডেন্ট ইমার্জেন্সি বিভাগে তার চিকিৎসার সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের সাংবাদিকদের বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য ওসমান হাদিকে বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এজন্য ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে ধার করে অর্ধকোটি টাকা জোগাড় করা হয়েছে।

দুই উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি কঠোর কর্মসূচি ইনকিলাব মঞ্চের : ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বলেছেন, আমরা মনে করছি, রাষ্ট্রে যারা আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে রয়েছেন, তারা রাষ্ট্রের যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দরকার, তা নিশ্চিত করতে পারছেন না। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, ‘আগামীকালের (সোমবার) মধ্যে ওসমান হাদির ওপর গুলি চালানো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা না হলে আমরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং আইন উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করছি।’ গতকাল রাতে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। আল জাবের বলেন, ওসমান হাদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার সবচেয়ে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। একই সঙ্গে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের শক্তির সবচেয়ে বড় জায়গায় পরিণত হয়েছিলেন। তাই, সরকারের দায়িত্ব ছিল হাদিকে রক্ষা করা। কিন্তু সরকার সেটি করতে ব্যর্থ হয়েছে। সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা আপনাদের ৪৮ ঘণ্টা সময় দিয়েছিলাম। কিন্তু এ সময়ের মধ্যে আপনারা ওসমান হাদির খুনের চেষ্টাকারীকে গ্রেপ্তার করতে পারেননি। ইনকিলাব মঞ্চ ও জনতার মতামতের ভিত্তিতে বলছি, ওসমান হাদি কোনো কারণে নিশ্বাস বন্ধ করলে, সেদিন অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ দিন হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা আশঙ্কা করছি, ‘আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি শ্রেণি উঠেপড়ে লেগেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে, ভারতের কোনো দাসত্ব মেনে নেওয়া হবে না। কোনো রাজনৈতিক দলকেও ভারতের পক্ষপাতি হতে দেওয়া হবে না। আগামীকাল থেকে আমরা সর্বাত্মক প্রতিরোধ পরিস্থিতি গড়ে তুলব। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বাধা দিতে এলে সর্বোচ্চ জবাব দেওয়া হবে।’

ইনকিলাব মঞ্চের এ সদস্যসচিব বলেন, ‘আগামীকাল (সোমবার) ইনকিলাব মঞ্চের আয়োজনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বদলীয় এক সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। সব রাজনৈতিক দলকে এ সমাবেশে অংশগ্রহণ করতে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। তবে, যারা ভারতের তাবেদারি করে, তাদের আমরা আমন্ত্রণ জানাচ্ছি না।’

সংবাদ সম্মেলনে ইনকিলাব মঞ্চের অন্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরও খবর
কূটনীতিকদের পরিবারকে দেশে ফিরিয়ে নিচ্ছে ভারত
কূটনীতিকদের পরিবারকে দেশে ফিরিয়ে নিচ্ছে ভারত
দেশ পরিচালনার কর্মপরিকল্পনা জানাল বিএনপি
দেশ পরিচালনার কর্মপরিকল্পনা জানাল বিএনপি
ইসলামী আন্দোলন লড়ছে ২৫৯ আসনে
ইসলামী আন্দোলন লড়ছে ২৫৯ আসনে
বিক্ষোভকারীদের বিচার শুরু ইরানে ব্ল্যাকআউট বহাল
বিক্ষোভকারীদের বিচার শুরু ইরানে ব্ল্যাকআউট বহাল
ইসির সতর্কবার্তা জামায়াত-এনসিপিসহ চার দলকে
ইসির সতর্কবার্তা জামায়াত-এনসিপিসহ চার দলকে
নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে লাগবে তিন-চার মাস
নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে লাগবে তিন-চার মাস
বিশ্ব জঙ্গলের শাসনে ফিরতে পারে না
বিশ্ব জঙ্গলের শাসনে ফিরতে পারে না
ভারতীয় বোর্ডের কাছে মাথানত নয়
ভারতীয় বোর্ডের কাছে মাথানত নয়
চ্যালেঞ্জ জেনেও পোস্টাল ব্যালটের উদ্যোগ
চ্যালেঞ্জ জেনেও পোস্টাল ব্যালটের উদ্যোগ
বাংলাদেশ মানবে না আইসিসির  অযৌক্তিক শর্ত
বাংলাদেশ মানবে না আইসিসির অযৌক্তিক শর্ত
তিনটি ভোটও নেই হুমকি দিচ্ছেন নির্বাচন হতে দেবেন না
তিনটি ভোটও নেই হুমকি দিচ্ছেন নির্বাচন হতে দেবেন না
মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা
মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা
সর্বশেষ খবর
কেরানীগঞ্জে বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যু
কেরানীগঞ্জে বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোরগঞ্জের ছয় আসনে বৈধ প্রার্থী ৪৮ জন
কিশোরগঞ্জের ছয় আসনে বৈধ প্রার্থী ৪৮ জন

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সাভারের চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান, আটক ৩
সাভারের চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান, আটক ৩

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

করাচিতে শপিং মলে আগুন : নিহত ২৮, নিখোঁজ ৮১
করাচিতে শপিং মলে আগুন : নিহত ২৮, নিখোঁজ ৮১

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের আমন্ত্রণে গাজা বোর্ড অব পিসে যুক্ত হলো ইউএই
ট্রাম্পের আমন্ত্রণে গাজা বোর্ড অব পিসে যুক্ত হলো ইউএই

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাণীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নবীজি (সা.)
প্রাণীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নবীজি (সা.)

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

দিনভর বিক্ষোভ-রাতভর বৈঠকের পর ইউএপি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত
দিনভর বিক্ষোভ-রাতভর বৈঠকের পর ইউএপি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

যশোরে মুদি দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা, ‘গণপিটুনিতে হামলাকারী’ নিহত
যশোরে মুদি দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা, ‘গণপিটুনিতে হামলাকারী’ নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইনশৃঙ্খলার উন্নতি নেই
আইনশৃঙ্খলার উন্নতি নেই

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২১ জানুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২১ জানুয়ারি)

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভুটান লিগের সেরা উইঙ্গারকে দলে নিলো ফর্টিস
ভুটান লিগের সেরা উইঙ্গারকে দলে নিলো ফর্টিস

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রিনল্যান্ড প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র ইইউ সম্পর্ক কি ভাঙনের পথে?
গ্রিনল্যান্ড প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র ইইউ সম্পর্ক কি ভাঙনের পথে?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের বিষয়টি জনগণকে বোঝাতে হবে: উপদেষ্টা শারমীন মুরশিদ
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের বিষয়টি জনগণকে বোঝাতে হবে: উপদেষ্টা শারমীন মুরশিদ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নড়াইলের দুটি আসনে তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার
নড়াইলের দুটি আসনে তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ফুটবলারদের জন্য মঞ্চ মাতাবে ‘গ্রিন ডে’
ফুটবলারদের জন্য মঞ্চ মাতাবে ‘গ্রিন ডে’

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকীতে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আলোচনা সভা
জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকীতে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আলোচনা সভা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুরে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন পাঁচজন
দিনাজপুরে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন পাঁচজন

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের সেরা অবস্থানে মরক্কো
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের সেরা অবস্থানে মরক্কো

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা
আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জামায়াত-এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি
জামায়াত-এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা
চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় ১০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার
কুমিল্লায় ১০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বগুড়ায় তিন প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার
বগুড়ায় তিন প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রাজশাহীকে হারিয়ে বিপিএলের ফাইনালে চট্টগ্রাম
রাজশাহীকে হারিয়ে বিপিএলের ফাইনালে চট্টগ্রাম

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জিয়াউর রহমানকে হত্যার মাধ্যমে বিএনপিকে হত্যাচেষ্টা করা হয়েছিল : খন্দকার মোশাররফ
জিয়াউর রহমানকে হত্যার মাধ্যমে বিএনপিকে হত্যাচেষ্টা করা হয়েছিল : খন্দকার মোশাররফ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শীতে এলার্জি ঠেকাতে কার্যকর ৫ উপায়
শীতে এলার্জি ঠেকাতে কার্যকর ৫ উপায়

৯ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

চোখের নিচে কালো দাগ!
চোখের নিচে কালো দাগ!

৯ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ট্রাম্পকে এক হাত নিলেন ম্যাক্রোঁ
ট্রাম্পকে এক হাত নিলেন ম্যাক্রোঁ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দৌলতপুরে বাঁশঝাড় ও মাঠ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, দুটি মামলা
দৌলতপুরে বাঁশঝাড় ও মাঠ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, দুটি মামলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জামায়াত-এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি
জামায়াত-এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’
‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ: কঠিন সমীকরণের সামনে বাংলাদেশ
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ: কঠিন সমীকরণের সামনে বাংলাদেশ

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভিক্ষার টাকা সুদে লাগিয়ে তিন বাড়ির মালিক, রয়েছে প্রাইভেট কারও!
ভিক্ষার টাকা সুদে লাগিয়ে তিন বাড়ির মালিক, রয়েছে প্রাইভেট কারও!

৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মানুষ খুন করা সম্রাটের নেশায় পরিণত হয়েছিল, পুলিশকে স্বীকারোক্তি
মানুষ খুন করা সম্রাটের নেশায় পরিণত হয়েছিল, পুলিশকে স্বীকারোক্তি

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরিবর্তন হচ্ছে মন্ত্রণালয়ের নাম
পরিবর্তন হচ্ছে মন্ত্রণালয়ের নাম

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের চাল আমদানির খবরে খুশি ভারতীয় ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশের চাল আমদানির খবরে খুশি ভারতীয় ব্যবসায়ীরা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২ বছরের আগে বাড়ি ভাড়া না বাড়ানোর নির্দেশনা ঢাকা উত্তর সিটির
২ বছরের আগে বাড়ি ভাড়া না বাড়ানোর নির্দেশনা ঢাকা উত্তর সিটির

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুনামগঞ্জ-১: জামায়াত প্রার্থীকে তালাবদ্ধ করে রেখেছে কর্মীরা
সুনামগঞ্জ-১: জামায়াত প্রার্থীকে তালাবদ্ধ করে রেখেছে কর্মীরা

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রতিদিন মধু খাওয়ার উপকারিতা
প্রতিদিন মধু খাওয়ার উপকারিতা

২২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

গাজায় তুরস্ক-কাতারের সেনা মোতায়েনের বিরোধিতা করে যা বললেন নেতানিয়াহু
গাজায় তুরস্ক-কাতারের সেনা মোতায়েনের বিরোধিতা করে যা বললেন নেতানিয়াহু

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান
বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, দুই বন্ধু গ্রেফতার
স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, দুই বন্ধু গ্রেফতার

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফিফা র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ, বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়
ফিফা র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ, বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা
আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়ার প্রশ্নে যা বললেন লিটন
বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়ার প্রশ্নে যা বললেন লিটন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্বাস্থ্যের দুই বিভাগ একত্রিত করার অনুমোদন
স্বাস্থ্যের দুই বিভাগ একত্রিত করার অনুমোদন

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ভারতের চাপে আইসিসি কোনো অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দিলে মানবো না’
‘ভারতের চাপে আইসিসি কোনো অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দিলে মানবো না’

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গ্রিনল্যান্ডে সামরিক প্লেন পাঠালেন ট্রাম্প
গ্রিনল্যান্ডে সামরিক প্লেন পাঠালেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইভ্যালির রাসেল-শামীমাকে ফের গ্রেফতার করলো ডিবি
ইভ্যালির রাসেল-শামীমাকে ফের গ্রেফতার করলো ডিবি

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

২৯ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
২৯ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ঢাকার ১৩টি আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৮ প্রার্থীর
ঢাকার ১৩টি আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৮ প্রার্থীর

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নয়াদিল্লিতে আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে যেভাবে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি
নয়াদিল্লিতে আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে যেভাবে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা মোতায়েন করল ডেনমার্ক
উত্তেজনা বাড়িয়ে গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা মোতায়েন করল ডেনমার্ক

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুঁড়া দুধে ৬৭ ভাগই ভেজাল, শিশুস্বাস্থ্যে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি
গুঁড়া দুধে ৬৭ ভাগই ভেজাল, শিশুস্বাস্থ্যে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি

২১ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

পদ্মা সেতুতে টোল আদায়ের অনন্য মাইলফলক
পদ্মা সেতুতে টোল আদায়ের অনন্য মাইলফলক

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জামায়াত আমিরসহ ৭ নেতাকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ ইসির
জামায়াত আমিরসহ ৭ নেতাকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ ইসির

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পবিত্র রমজানের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ
পবিত্র রমজানের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধর্মকে ব্যবহার না করে সোজাপথে রাজনীতি করুন : মির্জা ফখরুল
ধর্মকে ব্যবহার না করে সোজাপথে রাজনীতি করুন : মির্জা ফখরুল

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
ভয়ংকর জঙ্গল সলিমপুর
ভয়ংকর জঙ্গল সলিমপুর

প্রথম পৃষ্ঠা

দ্বৈত অবস্থানে এনসিপি
দ্বৈত অবস্থানে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

৪৪ পুলিশ নিহতের ঘটনায় ২০ মামলা
৪৪ পুলিশ নিহতের ঘটনায় ২০ মামলা

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রত্যাহার ৩০৫ লড়াইয়ে ১৯৬৭
প্রত্যাহার ৩০৫ লড়াইয়ে ১৯৬৭

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দেশি পোশাকে বিদেশি ট্যাগ
দেশি পোশাকে বিদেশি ট্যাগ

পেছনের পৃষ্ঠা

তিনটি ভোটও নেই হুমকি দিচ্ছেন নির্বাচন হতে দেবেন না
তিনটি ভোটও নেই হুমকি দিচ্ছেন নির্বাচন হতে দেবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

অ্যাম্বুলেন্স থেকে গাড়ি সব সিন্ডিকেটে জিম্মি
অ্যাম্বুলেন্স থেকে গাড়ি সব সিন্ডিকেটে জিম্মি

প্রথম পৃষ্ঠা

জুলাই গণ অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন প্রধান উপদেষ্টার
জুলাই গণ অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন প্রধান উপদেষ্টার

প্রথম পৃষ্ঠা

মুখোমুখি পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীরা
মুখোমুখি পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

কী হবে কুড়িয়ে পাওয়া শিশুর
কী হবে কুড়িয়ে পাওয়া শিশুর

পেছনের পৃষ্ঠা

মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি
মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি

প্রথম পৃষ্ঠা

অন্যরকম পেট কার্নিভাল
অন্যরকম পেট কার্নিভাল

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ ইতালি সামরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা
বাংলাদেশ ইতালি সামরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

জাসদ সর্বহারার আত্মঘাতী রাজনীতি
জাসদ সর্বহারার আত্মঘাতী রাজনীতি

সম্পাদকীয়

বিশ্বকাপ নিয়ে লিটন কিছুই জানেন না
বিশ্বকাপ নিয়ে লিটন কিছুই জানেন না

মাঠে ময়দানে

স্বামীকে খুঁটিতে বেঁধে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ গৃহবধূকে
স্বামীকে খুঁটিতে বেঁধে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ গৃহবধূকে

দেশগ্রাম

মধুমিতার নতুন অধ্যায়
মধুমিতার নতুন অধ্যায়

শোবিজ

ভিন্ন লুকে জয়া
ভিন্ন লুকে জয়া

শোবিজ

বয়স কমাতে নিন এসব কৌশল
বয়স কমাতে নিন এসব কৌশল

রকমারি লাইফ স্টাইল

স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থীকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার
স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থীকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

দেশগ্রাম

সিনেমায় কবির সুমন আসিফের রসায়ন
সিনেমায় কবির সুমন আসিফের রসায়ন

শোবিজ

চার বছর পর শপথ
চার বছর পর শপথ

দেশগ্রাম

শুটিংয়ে ব্যস্ত শীর্ষ তারকারা
শুটিংয়ে ব্যস্ত শীর্ষ তারকারা

শোবিজ

মাহির দুঃস্বপ্ন
মাহির দুঃস্বপ্ন

শোবিজ

যুবদল সদস্যসচিবের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার দাবিতে বিক্ষোভ
যুবদল সদস্যসচিবের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার দাবিতে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল যুবকের
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল যুবকের

দেশগ্রাম

দূষণে বিপন্ন পরিযায়ী পাখি
দূষণে বিপন্ন পরিযায়ী পাখি

সম্পাদকীয়

পূর্বাচলে গাইবেন পার্থ বড়ুয়া-মারুফ
পূর্বাচলে গাইবেন পার্থ বড়ুয়া-মারুফ

শোবিজ

অবৈধ ট্রাক্টরের বিরুদ্ধে অভিযান
অবৈধ ট্রাক্টরের বিরুদ্ধে অভিযান

দেশগ্রাম