শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:২৮, রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬

ইরান রণক্ষেত্র, চাপে খামেনি

► এক রাতেই নিহত ২ শতাধিক ► প্রতিদিনই বাড়ছে বিক্ষোভ ও সহিংসতার মাত্রা ► বিদেশিদের দোষ দিচ্ছে সরকার
প্রতিদিন ডেস্ক
প্রিন্ট ভার্সন
ইরান রণক্ষেত্র, চাপে খামেনি

স্বৈরতন্ত্রবিরোধী বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়ে উঠেছে ইরান। এরই মধ্যে আন্দোলন দমনে গুলি চালিয়ে এক রাতে ২ শতাধিক বিক্ষোভকারীকে হত্যা করা হয়েছে। তাতে করে বিক্ষোভ আরও তেতে উঠেছে। রাজধানী তেহরানসহ ৩২ প্রদেশজুড়ে এ বিক্ষোভ উত্তাল রূপ নিয়েছে এবং প্রতিদিনই এর মাত্রা বাড়ছে। সব মিলিয়ে এই প্রথম ইরানের খামেনি সরকার কঠিন চাপে পড়েছে। যদিও সরকার থেকে দাবি করা হচ্ছে, এই বিক্ষোভের মূলে রয়েছে বিদেশি চক্র, বিশেষ করে বিক্ষোভকারীদের সব রকম সহায়তা দিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সূত্র : নিউইয়র্ক টাইমস, রয়টার্স, টাইমস অব ইসরায়েল, এএফপি। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, ইরানে চলমান বিক্ষোভে শুধু রাজধানী তেহরানেই এক রাতে ২০০ জনের বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে। গত শুক্রবার দিনগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ক্ষুব্ধ বিক্ষোভকারীরা বহু সরকারি স্থাপনায় আক্রমণ চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। আক্রমণ থেকে মসজিদও বাদ যায়নি। বিক্ষোভকারীদের হাতে এ সময় ইসলামি বিপ্লবপূর্ববর্তী (ক্ষমতাচ্যুত শাহ আমলের) পতাকা শোভা পেয়েছে। এসব পতাকা তারা বিভিন্ন ভবনে উড়িয়ে দিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, তারা চার দশকের শৃঙ্খল ভাঙতে চলেছে এবং ইরানের আকাশে স্বাধীনতার নতুন সূর্যোদয় ঘটাচ্ছে। তেহরানের এক চিকিৎসক গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শুধু তেহরানের ছয়টি হাসপাতালে ২০৬ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে। যাদের বেশির ভাগ গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে। তবে হাসপাতাল থেকে এসব লাশ সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, উত্তর তেহরানের একটি পুলিশ স্টেশনের বাইরে বিক্ষোভকারীদের মেশিনগান থেকে ব্রাশফায়ার করা হয়েছে। সেখানে অন্তত ৩০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছিল। নিহতদের বেশির ভাগ তরুণ বলে জানিয়েছেন এই চিকিৎসক। বিক্ষোভকারীদের ভাষ্য, অর্থনৈতিক ব্যর্থতা ছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে ইরানি নারীদের ওপর পোশাক, চলাফেরা এবং চিন্তার ওপর যে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, তার মূলে রয়েছে স্বৈরাচারী মোল্লাতন্ত্র। তারা মানুষের মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী, ফতোয়া দিয়ে কোনোদিন মুক্তিকামী মানুষের কণ্ঠরোধ করা যায়নি। মোল্লাতন্ত্রের অন্ধকার রাজত্ব ছিঁড়ে নারীরা আজ নিজেরাই নিজেদের ভাগ্যবিধাতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শোষকের ছবি পুড়িয়ে তারা জানান দিচ্ছে শাসনের দিন শেষ, এবার শুরু হবে মানুষের জয়গান। গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন জায়গায় টানা দুই রাত তীব্র সরকারবিরোধী আন্দোলন হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা তেহরানের একটি মসজিদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে আগুন দিয়েছে ও ১৯৭৯ সালের বিপ্লবপূর্ববর্তী সময়ের পতাকা উড়িয়ে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতের মতো শুক্রবার রাতেও বিক্ষোভ মাসহাদ, তাবরিজ, উরুমিয়াহ, ইসফাহান, কারাজ এবং ইয়জদে ছড়িয়ে পড়ে। বিবিসি ফার্সির একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীরা সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে। তারা সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু কামনা করে, রাজতন্ত্রের (শাহ শাসন) পক্ষে স্লোগান দিচ্ছে। অন্যদিকে বিক্ষোভ সহিংস রূপ ধারণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে ইরান। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দেশটি বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্ররোচণায় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ এখন সহিংস হয়ে উঠেছে।

শহরকেন্দ্র দখলের আহ্বান রেজা পাহলভির : যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত ইরানের অপসারিত শাহের ছেলে রেজা পাহলভি ইরানিদের আরও লক্ষ্যভিত্তিক বিক্ষোভে নামার আহ্বান জানিয়েছেন। গতকাল এক ভিডিওবার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান। এই বার্তায় পাহলভি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য এখন আর শুধু রাস্তায় নামা নয়, লক্ষ্য হলো শহরের কেন্দ্রগুলো দখল ও ধরে রাখার প্রস্তুতি নেওয়া।’ তিনি রবিবার (আজ) আরও কঠোর বিক্ষোভের ডাক দেন। সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়ার তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবারের বিক্ষোভে ব্যাপক জনসমাগমের প্রশংসা করেন পাহলভি। একই সঙ্গে তিনি জানান, নিজেও ইরানে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং বিশ্বাস করেন খুব দ্রুতই দেশে ফিরতে পারবেন। উল্লেখ্য, রেজা পাহলভির বাবা মোহাম্মদ রেজা পাহলভিকে ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। তিনি ১৯৮০ সালে মারা যান।

ইরানি বাহিনীর ‘রেড লাইন’ ঘোষণা : ইরানের নিয়মিত সেনাবাহিনী ও সেনাবাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দেশটির বিক্ষুব্ধ জনতার উদ্দেশে রেড লাইন ঘোষণা করেছে। গতকাল শনিবার পৃথক বিবৃতিতে এই রেড লাইন ঘোষণা করেছে আইআরজিসি ও সেনাবাহিনী। রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গত দুই রাত ধরে সন্ত্রাসীরা সামরিক ও আইনপ্রয়োগকারী বাহিনীর ঘাঁটিগুলো দখলের চেষ্টা করছে। বেশ কয়েকজন নাগরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা-কর্মীকে হত্যা করেছে এবং সরকারি সম্পত্তিতে অগ্নিসংযোগ করছে। ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে থাকা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লব, রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রীয় সম্পত্তির নিরাপত্তার স্বার্থে আইআরজিসি রেড লাইন ঘোষণা করছে। রাষ্ট্রীয় সম্পত্তির ক্ষতির চেষ্টা করলেই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নতুন করে হুমকি ট্রাম্পের : এদিকে চলমান আন্দোলনের মুখে কঠিক চাপে পড়া খামেনি সরকারকে নতুন করে হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের যদি ইরান সরকার হত্যা করতেই থাকে তাহলে দেশটিতে কঠোর হামলা শুরু হবে। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান (সরকার) বড় বিপদে আছে। আমার কাছে মনে হচ্ছে বিক্ষোভকারীরা অনেক শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে, এমনটি সম্ভব হতে পারে যা কয়েক সপ্তাহ আগে কেউ চিন্তাও করেনি। আমরা খুবই সতর্কতার সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।’ ট্রাম্প আরও বলেছেন, ‘আমি শক্তিশালী বার্তা দিয়েছি, যদি আগের মতো তারা বিক্ষোভকারীদের হত্যা করে, আমরা এর সঙ্গে জড়িত হব। এর অর্থ এই নয় যে আমাদের সেনারা ইরানে যাবে। কিন্তু এর অর্থ হলো, তাদের সেখানে খুবই কঠোর কঠোর হামলা চালাব, যেখানে হামলা চালালে তারা সবচেয়ে আঘাতপ্রাপ্ত হবে। তবে এমনটি হোক আমরা চাই না।’ ইরানের বিক্ষোভকে অসাধারণ উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘ইরানে যা হচ্ছে তা বেশ অসাধারণ। ইরান সরকার বেশ খারাপ করেছে। তারা তাদের নাগরিকদের সঙ্গে খুব খারাপ করেছে। এখন তারা সেটির জবাব পাচ্ছে।’

বিপ্লবপূর্ব অবস্থানে ফিরছে ইরান : বিক্ষোভকারীদের হাতে ইসলামি বিপ্লবপূর্ববর্তী পতাকা এবং সে অবস্থানে ফিরে যাওয়ার স্লোগান গুরুত্ব পাওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে ইরান কি ফের ক্ষমতাচ্যুত শাহ আমলে ফিরছে? প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, ক্ষমতাচ্যুত শেষ শাহের ছেলে রেজা পাহলভির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অস্বীকৃতি জানানোর পর নতুন এই জল্পনাকল্পনা শুরু হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের বর্তমান সরকারকে হটাতে তাদের ভিতরের একটি অংশের সঙ্গে সমঝোতা করে থাকতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন। বর্তমান সরকারকে হটাতে পারলে তাদেরই একটি অংশকে তিনি ক্ষমতায় রাখবেন। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে ইরানে শুরু হওয়া ব্যাপক বিক্ষোভের মধ্যে ট্রাম্পের এ অবস্থানকে অনেকে ভেনেজুয়েলায় তাঁর গৃহীত কৌশলের সঙ্গে তুলনা করছেন।

প্রসঙ্গত গত বৃহস্পতিবার পডকাস্ট সঞ্চালক হিউ হিউইট যখন ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করেন, তিনি ৬৫ বছর বয়সি রেজা পাহলভির সঙ্গে দেখা করবেন কি না, তখন ট্রাম্প বিষয়টি এড়িয়ে যান। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি তাঁকে (পাহলভি) দেখেছি, তাঁকে একজন ভালো মানুষ বলেই মনে হয়। কিন্তু এ মুহূর্তে প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর সঙ্গে দেখা করাটা ঠিক হবে কি না, সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই।’ ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও যোগ করেন, ‘আমি মনে করি, আমাদের সবাইকে সুযোগ দেওয়া উচিত। দেখা যাক কে সামনে আসে। আমি নিশ্চিত নই, এই মুহূর্তে (সাক্ষাৎ করা) উপযুক্ত কাজ হবে কি না।’

এদিকে স্টিমসন সেন্টারের মিডল ইস্ট প্রোগ্রামের পরিচালক রান্ডা স্লিম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘ট্রাম্প তেহরানের ক্ষমতার কেন্দ্রগুলোতে একটি বার্তা পাঠাচ্ছেন। বার্তাটি হলো, ভেনেজুয়েলার দিকে তাকান। খামেনিকে সরিয়ে দিন, আমি চুক্তির জন্য প্রস্তুত।’

এই বিভাগের আরও খবর
বড় ক্ষতির মুখে পড়ছে বিসিবি
বড় ক্ষতির মুখে পড়ছে বিসিবি
মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিজিবির ওপর হামলা
মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিজিবির ওপর হামলা
নির্বাচনি প্রচারে বাধা-সংঘর্ষ
নির্বাচনি প্রচারে বাধা-সংঘর্ষ
জনজোয়ারে একটি বড় দল ভয় পেয়েছে
জনজোয়ারে একটি বড় দল ভয় পেয়েছে
নির্বাচন বানচাল করতে গুপ্ত হামলা
নির্বাচন বানচাল করতে গুপ্ত হামলা
‘হ্যাঁ’ ভোটে জনমতের জোয়ার
‘হ্যাঁ’ ভোটে জনমতের জোয়ার
এনসিপির চোখ ১৪ আসনে
এনসিপির চোখ ১৪ আসনে
ভোটের মাঠে স্বতন্ত্র নারী প্রার্থীর আধিক্য
ভোটের মাঠে স্বতন্ত্র নারী প্রার্থীর আধিক্য
নির্বাচন বিতর্কিত করতে পারে একটি দল
নির্বাচন বিতর্কিত করতে পারে একটি দল
নীতিগত পার্থক্যের কারণেই ১১-দলীয় জোট ত্যাগ করেছি
নীতিগত পার্থক্যের কারণেই ১১-দলীয় জোট ত্যাগ করেছি
যুক্তরাষ্ট্র-জামায়াত সম্পর্ক ভয়ংকর অশনিসংকেত
যুক্তরাষ্ট্র-জামায়াত সম্পর্ক ভয়ংকর অশনিসংকেত
বেসরকারি খাতে নতুন আতঙ্ক
বেসরকারি খাতে নতুন আতঙ্ক
সর্বশেষ খবর
শীতে সুস্থ থাকবেন যেভাবে
শীতে সুস্থ থাকবেন যেভাবে

এই মাত্র | জীবন ধারা

চ্যাটজিপিটিতে বয়স শনাক্তের ফিচার চালু করছে ওপেনএআই
চ্যাটজিপিটিতে বয়স শনাক্তের ফিচার চালু করছে ওপেনএআই

২৯ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ঢাবির কেন্দ্রীয় মসজিদের উন্নয়নে সহায়তার আশ্বাস ধর্ম উপদেষ্টার
ঢাবির কেন্দ্রীয় মসজিদের উন্নয়নে সহায়তার আশ্বাস ধর্ম উপদেষ্টার

৩২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

আওয়ামী লীগ এখন মাফিয়া পার্টি : সালাহউদ্দিন আহমদ
আওয়ামী লীগ এখন মাফিয়া পার্টি : সালাহউদ্দিন আহমদ

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে : শ্রম উপদেষ্টা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে : শ্রম উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একের উত্থান অপরের পতন
একের উত্থান অপরের পতন

৪ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

থানার সামনে জয় বাংলা’ স্লোগান, আটক ৬
থানার সামনে জয় বাংলা’ স্লোগান, আটক ৬

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী
গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপিএলের এবারের আসরে ব্যাটে-বলে সেরা যারা
বিপিএলের এবারের আসরে ব্যাটে-বলে সেরা যারা

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কে ঝরল ইসলামী আন্দোলন নেতার প্রাণ
কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কে ঝরল ইসলামী আন্দোলন নেতার প্রাণ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ময়মনসিংহে বিএনপিতে জাতীয় পার্টির ৫ শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান
ময়মনসিংহে বিএনপিতে জাতীয় পার্টির ৫ শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান

৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কেরানীগঞ্জে বিএনপি নেতাকে গুলি, ২৪ ঘণ্টা পেরোলেও মামলা হয়নি
কেরানীগঞ্জে বিএনপি নেতাকে গুলি, ২৪ ঘণ্টা পেরোলেও মামলা হয়নি

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলায় নিহত ২৭
মিয়ানমারে জান্তার বিমান হামলায় নিহত ২৭

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নওগাঁয় নিখোঁজের ১৯ মাস পর যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেফতার ১
নওগাঁয় নিখোঁজের ১৯ মাস পর যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেফতার ১

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন
লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কিয়েভে আরও ৫০০ জেনারেটর পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন
কিয়েভে আরও ৫০০ জেনারেটর পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে বাংলাদেশ

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক জিমেইল অ্যাপেই আসবে সব ই-মেইল, যুক্ত করবেন যেভাবে
এক জিমেইল অ্যাপেই আসবে সব ই-মেইল, যুক্ত করবেন যেভাবে

৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ডেমরায় নবীউল্লাহ নবীর ব্যাপক গণসংযোগ
ডেমরায় নবীউল্লাহ নবীর ব্যাপক গণসংযোগ

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটারদের নির্বিঘ্ন ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: আবু জাফর
ভোটারদের নির্বিঘ্ন ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: আবু জাফর

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ঝালকাঠি-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ
ঝালকাঠি-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয় সভা
১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয় সভা

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইউক্রেনকে দনবাস ছাড়তেই হবে: রাশিয়া
শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে ইউক্রেনকে দনবাস ছাড়তেই হবে: রাশিয়া

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমরা দেশ ও জাতিকে আর টুকরো টুকরো করতে চাই না: জামায়াতের আমির
আমরা দেশ ও জাতিকে আর টুকরো টুকরো করতে চাই না: জামায়াতের আমির

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জয়ী হলে দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশন করে গড়ে তোলা হবে: জামায়াত আমির
জয়ী হলে দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশন করে গড়ে তোলা হবে: জামায়াত আমির

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আফ্রিকা ধীরে ধীরে ভেঙে যাচ্ছে, তৈরি হতে পারে নতুন মহাসাগর
আফ্রিকা ধীরে ধীরে ভেঙে যাচ্ছে, তৈরি হতে পারে নতুন মহাসাগর

৮ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

তুরস্ক বিশ্বের কেন্দ্রীয় শক্তিতে আবির্ভূত হবে: এরদোয়ান
তুরস্ক বিশ্বের কেন্দ্রীয় শক্তিতে আবির্ভূত হবে: এরদোয়ান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

র‌্যাবের ওপর হামলার ঘটনায় কালা বাচ্চু গ্রেফতার
র‌্যাবের ওপর হামলার ঘটনায় কালা বাচ্চু গ্রেফতার

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায় জনগণ তাদের প্রতিহত করবে : আমীর খসরু
যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায় জনগণ তাদের প্রতিহত করবে : আমীর খসরু

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সর্বাধিক পঠিত
বাংলাদেশের নতুন চিঠিতে বিশ্বকাপ নাটকে ফের উত্তাপ
বাংলাদেশের নতুন চিঠিতে বিশ্বকাপ নাটকে ফের উত্তাপ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বড় বহর: ট্রাম্প
ইরানের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বড় বহর: ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সিদ্ধান্তে যা বললেন কেইন উইলিয়ামসন
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সিদ্ধান্তে যা বললেন কেইন উইলিয়ামসন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুরান ঢাকার সমস্যার স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি ইশরাকের
পুরান ঢাকার সমস্যার স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি ইশরাকের

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনের আগে তিন জেলায় না যাওয়ার পরামর্শ যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের
নির্বাচনের আগে তিন জেলায় না যাওয়ার পরামর্শ যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের মার্কা শাপলা কলি, বাবা ভোট চাইছেন ধানের শীষে
ছেলের মার্কা শাপলা কলি, বাবা ভোট চাইছেন ধানের শীষে

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তারা ইসলামের লেবেল লাগিয়ে আমাদের ধোঁকা দিয়েছে: রেজাউল করীম
তারা ইসলামের লেবেল লাগিয়ে আমাদের ধোঁকা দিয়েছে: রেজাউল করীম

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

'আইসিসি করাপ্টেড', ভারতীয় প্রভাবেই কি ভাঙছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট?
'আইসিসি করাপ্টেড', ভারতীয় প্রভাবেই কি ভাঙছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক সময়ের নিষিদ্ধ জামায়াতের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় যুক্তরাষ্ট্র
এক সময়ের নিষিদ্ধ জামায়াতের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় যুক্তরাষ্ট্র

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘ভারত-পাকিস্তানের ক্ষেত্রে মানে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মানে না’
‘ভারত-পাকিস্তানের ক্ষেত্রে মানে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মানে না’

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিফলে যেতে পারে বিসিবির শেষ চেষ্টাও, যা বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম
বিফলে যেতে পারে বিসিবির শেষ চেষ্টাও, যা বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চালুর কয়েক ঘণ্টায় বন্ধ হলো বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
চালুর কয়েক ঘণ্টায় বন্ধ হলো বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৩ জানুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৩ জানুয়ারি)

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাশিয়া থেকে আসা ট্যাংকার জাহাজ জব্দ করল ফ্রান্স
রাশিয়া থেকে আসা ট্যাংকার জাহাজ জব্দ করল ফ্রান্স

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

তারেক রহমানের ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী জনসভা আজ
তারেক রহমানের ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী জনসভা আজ

১৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পরমাণু যুদ্ধের শেষ বাধাটিও কেটে যাচ্ছে?
পরমাণু যুদ্ধের শেষ বাধাটিও কেটে যাচ্ছে?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকার শীত নিয়ে নতুন তথ্য দিল আবহাওয়া অফিস
ঢাকার শীত নিয়ে নতুন তথ্য দিল আবহাওয়া অফিস

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা
খালেদা জিয়ার তিন আসনে ধানের শীষের প্রার্থী যারা

১৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা
বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’
‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আর্থিক ক্ষতি নয়, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাটাই প্রথম
আর্থিক ক্ষতি নয়, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাটাই প্রথম

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই ফেলেছিল ডেনমার্ক
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েই ফেলেছিল ডেনমার্ক

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরান ঢাকার দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করার প্রতিশ্রুতি ইশরাকের
পুরান ঢাকার দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করার প্রতিশ্রুতি ইশরাকের

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি
বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ‘চুপ’ থাকলেন বিসিসিআই সভাপতি

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই
ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে কারা আছে, কারা নেই

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসনভিত্তিক সংখ্যা প্রকাশ: কোন আসনে কত ভোটার?
আসনভিত্তিক সংখ্যা প্রকাশ: কোন আসনে কত ভোটার?

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভারতের পর পাকিস্তানকে উড়িয়ে শিরোপার কাছে সাবিনারা
ভারতের পর পাকিস্তানকে উড়িয়ে শিরোপার কাছে সাবিনারা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র–জামায়াত যোগাযোগ উদ্বেগজনক ইঙ্গিত: ফরহাদ মজহার
যুক্তরাষ্ট্র–জামায়াত যোগাযোগ উদ্বেগজনক ইঙ্গিত: ফরহাদ মজহার

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানে নিহতের ৭৮ শতাংশ খামেনির ‘সমর্থক’, ঢাকায় দূতাবাসের ব্রিফিং
ইরানে নিহতের ৭৮ শতাংশ খামেনির ‘সমর্থক’, ঢাকায় দূতাবাসের ব্রিফিং

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ভাগ্য পরিবর্তন করতে ধানের শীষে ভোট দিন
ভাগ্য পরিবর্তন করতে ধানের শীষে ভোট দিন

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব
মোরাকাবা বা ধ্যানের গুরুত্ব

সম্পাদকীয়

নির্বাচন বিতর্কিত করতে পারে একটি দল
নির্বাচন বিতর্কিত করতে পারে একটি দল

প্রথম পৃষ্ঠা

দূষণ থেকে সার
দূষণ থেকে সার

শনিবারের সকাল

বাদুড়ের নিরাপদ আবাস
বাদুড়ের নিরাপদ আবাস

শনিবারের সকাল

সবজি চাষে ভাগ্যবদল অনিকের
সবজি চাষে ভাগ্যবদল অনিকের

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোটের আগে সীমান্তে সক্রিয় অস্ত্র কারবারিরা
ভোটের আগে সীমান্তে সক্রিয় অস্ত্র কারবারিরা

নগর জীবন

ধোঁয়ায় শ্বাসরোধে যাচ্ছে প্রাণ
ধোঁয়ায় শ্বাসরোধে যাচ্ছে প্রাণ

পেছনের পৃষ্ঠা

সাঁকোই ভরসা ২০ গ্রামের মানুষের
সাঁকোই ভরসা ২০ গ্রামের মানুষের

দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্র-জামায়াত সম্পর্ক ভয়ংকর অশনিসংকেত
যুক্তরাষ্ট্র-জামায়াত সম্পর্ক ভয়ংকর অশনিসংকেত

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি প্রার্থীদের
প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি প্রার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন আশা নেই বিনিয়োগে
নতুন আশা নেই বিনিয়োগে

পেছনের পৃষ্ঠা

একের উত্থান অপরের পতন
একের উত্থান অপরের পতন

সম্পাদকীয়

শতবর্ষের পুরোনো সেই স্বাদ
শতবর্ষের পুরোনো সেই স্বাদ

শনিবারের সকাল

অমিতাভের জুতা কাহিনি
অমিতাভের জুতা কাহিনি

শোবিজ

এখনো নাঈমের ‘ময়না’ শাবনাজ
এখনো নাঈমের ‘ময়না’ শাবনাজ

শোবিজ

নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ
নির্বাচনি কর্মযজ্ঞ

সম্পাদকীয়

অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার
অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

অদম্য শিরিনের পথচলা
অদম্য শিরিনের পথচলা

শনিবারের সকাল

বল সুন্দরীতে বাজিমাত
বল সুন্দরীতে বাজিমাত

শনিবারের সকাল

৩ শতাধিক নেতা কর্মীর বিএনপিতে যোগদান
৩ শতাধিক নেতা কর্মীর বিএনপিতে যোগদান

দেশগ্রাম

বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান
বিশ্বমানবতার কল্যাণে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান

সম্পাদকীয়

সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক
সামনে থাকুক কৃষি ও কৃষক

সম্পাদকীয়

চার জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত
চার জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত

দেশগ্রাম

সূর্যগ্রহণ ও সূর্য সংগ্রামের গল্প
সূর্যগ্রহণ ও সূর্য সংগ্রামের গল্প

শোবিজ

টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ আহত ১৫, বাড়িঘর ভাঙচুর
টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ আহত ১৫, বাড়িঘর ভাঙচুর

দেশগ্রাম

ছেলের শোকে মায়ের মৃত্যু, বাবা হাসপাতালে
ছেলের শোকে মায়ের মৃত্যু, বাবা হাসপাতালে

দেশগ্রাম

পরিত্যক্ত দেখিয়ে ক্লাসরুম ভেঙে দোকান নির্মাণ
পরিত্যক্ত দেখিয়ে ক্লাসরুম ভেঙে দোকান নির্মাণ

দেশগ্রাম

জরাজীর্ণ সেতু, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল
জরাজীর্ণ সেতু, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল

দেশগ্রাম