শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:২১, শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

নাগরিক শোকসভায় শ্রদ্ধা

মৃত্যুঞ্জয়ী খালেদা জিয়া

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
মৃত্যুঞ্জয়ী খালেদা জিয়া

‘জাগতিক সবকিছু ছেড়ে অনন্তলোকে চলে গেলেও দেশবাসীর হৃদয়ে-মননে, গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায়, চর্চায়, সংকটে-স্বপ্নে অবধারিতভাবে যুক্ত আছেন ও চিরদিন থাকবেন বেগম খালেদা জিয়া। গণতন্ত্র, পরমতসহিষ্ণুতা ও দেশপ্রেমের তুলনাহীন উজ্জ্বল প্রতীক এই মহান নেত্রীর ত্যাগ, দৃঢ়তা, দূরদর্শী প্রজ্ঞা, আপন মৃত্তিকা ও মানুষের প্রতি সুগভীর অঙ্গীকার আমাদের সব সময় শক্তি ও সাহস জোগাবে। সত্যের পথে সর্বদা অবিচল আপসহীন প্রত্যয়ী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রেখে যাওয়া আদর্শ, দেশাত্মবোধ স্বপ্নে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে অনিঃশেষ প্রেরণা ও পাথেয় হয়ে থাকবে। বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় স্থায়ী আসন গেড়েছেন তিনি। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের গাঁথায় তাঁর নাম, অবদান ও ভূমিকা গ্রথিত হয়ে থাকবে উজ্জ্বল স্বর্ণাক্ষরে।’ এ কারণেই তিনি অপরাজেয়, অমর, এক মৃত্যুঞ্জয়ী মহীয়সী। রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় গতকাল বিকালে অনুষ্ঠিত নাগরিক শোকসভায় গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে এভাবেই তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জীবনকর্মের স্মৃতিচারণা করেন নাগরিক সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। শোকসভায় দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া সত্যিকার অর্থেই মানুষ ও দেশের নেত্রী হয়ে উঠেছিলেন। যা দলমতনির্বিশেষে তাঁর জানাজায় কোটি মানুষের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই প্রমাণিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান ও খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমানসহ জিয়া পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছির হোসেনের সভাপতিত্বে এতে দেশের শীর্ষ রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, সাংবাদিক, উন্নয়নকর্মী, শিক্ষাবিদ, গবেষক, সম্পাদক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেন। মাগরিবের নামাজের আগে সংক্ষিপ্ত মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়। বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত শোকসভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ, মনির হায়দার প্রমুখ যোগ দেন। এ ছাড়াও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমদ, অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ সিনিয়র নেতারা শোকসভায় অংশ নেন। শুক্রবার বেলা আড়াইটার পর পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকবার্তা পাঠ করেন দৈনিক ইত্তেফাকের নির্বাহী সম্পাদক সালেহ উদ্দিন। সভায় বক্তব্য দেন সভার সভাপতি সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছির হোসেন, বিশিষ্ট কলামিস্ট ও যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমান, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান এস এম এ ফায়েজ, সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও নিউএজ সম্পাদক নূরুল কবীর, আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহ্ফুজ আনাম, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ, আইসিসিবির সভাপতি মাহবুবুর রহমান, সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, লেখক ফাহাম আবদুস সালাম, পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর, খালেদা জিয়ার চিকিৎসক এফ এম সিদ্দিকী, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী দেবাশীষ রায়, ডিপিআইয়ের সভাপতি আবদুস সাত্তার দুলাল, সাবেক কূটনীতিক আনোয়ার হাশিম, ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান, লেখক ও গবেষক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। সবশেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে স্মরণসভা শেষ হয়। সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছির হোসেন বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের নাম খালেদা জিয়া। তিনি সাধারণ রাজনীতিবিদ ছিলেন না, ছিলেন রাজনৈতিক আদর্শ। ব্যক্তিগতভাবে ছিলেন অসাধারণ দৃঢ়চেতা। কঠিন সময়েও চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মানজনক উপাধি দেওয়ার দাবি জানাই।

মৃত্যুঞ্জয়ী খালেদা জিয়া

শফিক রেহমান বলেন, যে করেই হোক আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন যেন হয়। সেটার জন্য সবার সহযোগিতার প্রয়োজন। এই শোকসভাকে যদি অর্থবহ করতে হয়, তাহলে এই শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করতে হবে। দয়া করে আপনারা ইলেকশন বানচাল হতে দেবেন না। কোনো একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনায় অথবা একটি সহিংসতার ফলে গোটা জাতির আশা এই নির্বাচন আপনারা নষ্ট করবেন না।

এস এম এ ফায়েজ বলেন, খালেদা জিয়া সব সময় মেধার মূল্যায়ন করতেন। আমি সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারও নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেননি। তাই চাইতেন, মেধার ভিত্তিতে যোগ্য ব্যক্তিরাই দেশ পরিচালনা করুক।

নূরুল কবীর বলেন, খালেদা জিয়া কেবল একটি দলের নেত্রী ছিলেন না, তিনি সত্যিকার অর্থেই মানুষ ও দেশের নেত্রী হয়ে উঠেছিলেন। যা দলমতনির্বিশেষে লাখ লাখ মানুষের তাঁর জানাজায় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে। মানুষ ও রাজনৈতিক নেত্রী হিসেবে খালেদা জিয়ার রুচিশীলতা ও পরিমিতিবোধ আমাকে বরাবরই আকৃষ্ট করেছে। যখন দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে শালীনতা ও সংযমের ঘাটতি প্রকট আকার ধারণ করেছিল তখন খালেদা জিয়া প্রকাশ্যে নিজের বেদনা, ক্ষোভ কিংবা নিন্দাসূচক কোনো বক্তব্য উচ্চারণ করেননি। আপাতদৃষ্টিতে এটি খুব সহজ কথা হতে পারে। কিন্তু এই সংযম, পরিমিতিবোধ ও আত্মমর্যাদা বাংলাদেশের অসহিষ্ণুতার সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, বাংলাদেশের মানুষ অনন্তকাল ধরে বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ রাখবে তাঁর দেশপ্রেম, সাহসিকতা, সততা, নিষ্ঠা, ত্যাগ ও অত্যাচার সহ্য করার অপরিসীম ক্ষমতার কারণে। তিনি এই দেশকে ভালোবাসতেন, এই জনপদকে ভালোবাসতেন। তাঁর তিনটি কথা আমাদের ধারণ করতে হবে। সেগুলো হলো, দেশের বাইরে আমাদের বন্ধু আছে প্রভু নয়; আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা, ওদের হাতে গোলামির জিঞ্জির; দেশের বাইরে আমার কোনো ঠিকানা নেই। এই মন্ত্রগুলো ধারণ করলেই তাঁর দল এবং এই দেশ রক্ষা পাবে। মাহ্ফুজ আনাম বলেন, খালেদা জিয়ার যে শেষ বাণী-জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান, আমরা যেন সবাই এটাকে ধারণ করি। জেল, গৃহবন্দি এত কিছুর পরও উনি যখন ৭ আগস্ট মুক্ত হয়ে ভাষণ দিলেন, সেখানেও তিনি প্রতিশোধের কথা বলেননি। তিনি বলেছিলেন-ধ্বংস নয়, প্রতিশোধ নয়, প্রতিহিংসা নয়, ভালোবাসা, শান্তি ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলি। এই যে উদারতা, সেটা যদি আমরা মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে পারি, তাহলে আমরা জ্ঞানভিত্তিক দেশ গড়ে তুলতে পারব। মাহমুদুর রহমান বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার স্বামীর মতো দেশপ্রেম ছিল। খালেদা জিয়া সংগ্রাম করেছেন গণতন্ত্রের জন্য। এমন দ্বিতীয় কাউকে পাওয়া যাবে না। তিনি কখনো মাথা নত করেননি। বেগম খালেদা জিয়া মানুষের হৃদয়ে ছিলেন। খালেদা জিয়া অগণিত মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন। ড. আসিফ নজরুল বলেন, বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হলে বেগম খালেদা জিয়াকে ধারণ করতে হবে। বেগম খালেদা জিয়া যখন জীবিত ছিলেন, তখন বিভিন্ন প্রোগ্রামে আমি বলতাম-বেগম জিয়া ভালো থাকলে, ভালো থাকবে বাংলাদেশ। আমি বিশ্বাস করি অবশ্যই উনি এখন ভালো আছেন। কিন্তু বাংলাদেশ কি ভালো আছে? বা ভালো থাকবে? যদি বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হয় তাহলে বেগম জিয়াকে ধারণ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার অনেক অসাধারণ কিছু বৈশিষ্ট্য ছিল। উনি সৎ ছিলেন, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, আত্মত্যাগী, পরমতসহিষ্ণু এবং দেশপ্রেমিক ছিলেন। ওনার মধ্যে রুচির এক অবিস্মরণীয় প্রকাশ ছিল।

মহিউদ্দিন আহমদ বলেন, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের বড় দুটি অর্জন হলো, তিনি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার স্বল্প সময়ে দেশের সর্বোচ্চ নির্বাহী ক্ষমতা অর্জন। সাধারণ মানুষের মধ্যে তাঁর প্রতি যে গভীর আবেগ ও ভালোবাসা দেখা যায়, তা মূলত তাঁর দীর্ঘ সংগ্রাম এবং ‘ভিক্টিম ইমেজ’-এর প্রতি সহমর্মিতারই বহিঃপ্রকাশ। ২০২৪ সালের আগস্টে মুক্ত হওয়ার পর তাঁর প্রথম বক্তব্যে তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। মাহবুবুর রহমান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তাঁর দায়িত্ববোধ, দৃঢ়তা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে নিজেকে একজন অদম্য শক্তিশালী নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ২০০১-০৬ সালের অর্থনীতির অগ্রগতি এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন দেশের অর্থনীতিকে এক শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করায়। একই সঙ্গে সামাজিক উন্নয়নে তাঁর নেওয়া কিছু পদক্ষেপ ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নেওয়া কর্মসূচি যেমন শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য এবং প্রাথমিক শিক্ষার সহায়তা অনেক বঞ্চিত পরিবারকে নতুন আশার আলো দেখিয়েছে।

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, জাতির এই সন্ধিক্ষণে খালেদা জিয়ার উপস্থিতি, পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা সম্ভবত সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল। অথচ এই সময়ে তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তিনি হয়তো চাইতেন আজকের এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় আমরা সকলে একত্রিতভাবে, নীতিগতভাবে এবং দেশ ও মাতৃকার প্রতি আমাদের ভালোবাসা থেকে যৌথভাবে কাজ করি। তাঁর মতো বহুমাত্রিক জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হতে পারে। খালেদা জিয়া প্রতিটি ক্ষেত্রেই কারিগরি পরামর্শ গ্রহণ করতেন। কিন্তু প্রতিটি পরামর্শকে জাতীয় বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা এবং বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের নিরিখে বিচার করে রাজনৈতিক অঙ্গীকারের মাধ্যমে দেশের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নিতেন।

প্রফেসর ডা. এফ এম সিদ্দিক বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় অবহেলা, লিভার ফাংশন দ্রুত অবনতি ওনাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে। এটা ইচ্ছাকৃত অবহেলা। এটা অমার্জনীয় অপরাধ এবং এটা ওনাকে হত্যা করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

বাসুদেব ধর বলেন, গণতান্ত্রিক সংগ্রামে বাংলাদেশের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে সব সময়ই রাজপথে দেখেছি। সেই রাজপথে আমরাও ছিলাম। সমঅধিকারের দাবি নিয়ে যখনই আমরা সোচ্চার হয়েছি এবং তখনই তাঁর সহানুভূতি পেয়েছি। বাংলাদেশের একটি নাগরিকও যেন ধর্ম বা অন্য কারণে নিগৃহীত না হয় এবং এই নতুন গণতান্ত্রিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যদি তা নিশ্চিত হয়, তবেই খালেদা জিয়ার প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা নিবেদন হবে।

আবদুস সাত্তার দুলাল বলেন, ১৯৯৪ সালের আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবসের একটি অনুষ্ঠানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কাছে প্রতিবন্ধীদের জন্য আইন ও নীতিমালার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলাম। তখন খালেদা জিয়া তাঁর নোটবুক এগিয়ে দিয়ে সেখানে দাবিটি লিখে দিতে বলেন। তিনি আশ্বস্ত করেন, তাঁর সরকার প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে কাজ করবে। তাঁর এই আচরণটি ছিল অত্যন্ত মমতাভরা, যা অনেকটা মায়ের মতো ছিল।

 

এই বিভাগের আরও খবর
সেনাপ্রধানের সঙ্গে কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
সেনাপ্রধানের সঙ্গে কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ৫৫ শতাংশ ভোটার
নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ৫৫ শতাংশ ভোটার
দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১৩তম
দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১৩তম
কারচুপি করে পার পাওয়া যাবে না
কারচুপি করে পার পাওয়া যাবে না
ভুল হলে সবাই ক্ষমা করবেন
ভুল হলে সবাই ক্ষমা করবেন
আসছেন সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আসছেন সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পরিবেশ ইতিবাচক নির্বাচন হবে বিশ্বাসযোগ্য
পরিবেশ ইতিবাচক নির্বাচন হবে বিশ্বাসযোগ্য
ভাষাভিত্তিক বই পড়ায় আলাদা টান অনুভব করি
ভাষাভিত্তিক বই পড়ায় আলাদা টান অনুভব করি
নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে দিন
নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে দিন
যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিতে ৮৬ ভাগ পণ্যে শূন্য শুল্ক
যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিতে ৮৬ ভাগ পণ্যে শূন্য শুল্ক
আশাবাদী জামায়াত
আশাবাদী জামায়াত
আত্মবিশ্বাসী বিএনপি
আত্মবিশ্বাসী বিএনপি
সর্বশেষ খবর
ভোট কেনাবেচার প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি
ভোট কেনাবেচার প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি

৮ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানে সামরিক কনভয়ে বিস্ফোরণ
ইরানে সামরিক কনভয়ে বিস্ফোরণ

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঝিনাইদহে দাঁড়িপাল্লার এজেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩ রেজাল্ট শিট জব্দ
ঝিনাইদহে দাঁড়িপাল্লার এজেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩ রেজাল্ট শিট জব্দ

৩৫ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

বগুড়ায় ভোটকেন্দ্রের সামনে ছাত্রদল নেতাকে ছুরিকাঘাত
বগুড়ায় ভোটকেন্দ্রের সামনে ছাত্রদল নেতাকে ছুরিকাঘাত

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভোটকেন্দ্রে কি সেলফি তোলা যাবে?
ভোটকেন্দ্রে কি সেলফি তোলা যাবে?

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মির্জাগঞ্জে ভোট কেনার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক, মুচলেকায় মুক্ত
মির্জাগঞ্জে ভোট কেনার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক, মুচলেকায় মুক্ত

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কাল সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কাল সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ভূপাতিত বিমানের সংখ্যা নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন ট্রাম্প
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ভূপাতিত বিমানের সংখ্যা নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপালগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ
গোপালগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পিএসএলে দল পেলেন নাহিদ-ইমন
পিএসএলে দল পেলেন নাহিদ-ইমন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টাকা উদ্ধারের নামে অনেকের ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে : আসিফ মাহমুদ
টাকা উদ্ধারের নামে অনেকের ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে : আসিফ মাহমুদ

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যাচাই শেষে আটক কৃষকদল নেতা মুক্ত
যাচাই শেষে আটক কৃষকদল নেতা মুক্ত

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশে চীনকে মোকাবিলায় নতুন কৌশল ওয়াশিংটনের
বাংলাদেশে চীনকে মোকাবিলায় নতুন কৌশল ওয়াশিংটনের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু
বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জয়পুরহাটে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ১১
জয়পুরহাটে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ১১

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

খোসাসহ পেয়ারা খাচ্ছেন? কী হয় জেনে নিন
খোসাসহ পেয়ারা খাচ্ছেন? কী হয় জেনে নিন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

মার্শের অণ্ডকোষে রক্তক্ষরণ : বিশ্বকাপ মিশন কী শেষ অজি অধিনায়কের?
মার্শের অণ্ডকোষে রক্তক্ষরণ : বিশ্বকাপ মিশন কী শেষ অজি অধিনায়কের?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তৎপরতা, স্যাটেলাইট চিত্র কি বলছে?
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তৎপরতা, স্যাটেলাইট চিত্র কি বলছে?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপেই টি-টোয়েন্টিতে ফিরতে পারেন স্মিথ
বিশ্বকাপেই টি-টোয়েন্টিতে ফিরতে পারেন স্মিথ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘কেন্দ্রে ঢুকে প্রভাব বিস্তার’: মিরপুরে জামায়াতের ২ এজেন্টের কারাদণ্ড
‘কেন্দ্রে ঢুকে প্রভাব বিস্তার’: মিরপুরে জামায়াতের ২ এজেন্টের কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোট ঘিরে টাকা ছড়াচ্ছে জামায়াত: সিইসির কাছে অভিযোগ বিএনপির
ভোট ঘিরে টাকা ছড়াচ্ছে জামায়াত: সিইসির কাছে অভিযোগ বিএনপির

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান
রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ কাতারের আমিরের
ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ কাতারের আমিরের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‌‘গণবিপ্লবী উদ্যোগ’র আত্মপ্রকাশ
নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‌‘গণবিপ্লবী উদ্যোগ’র আত্মপ্রকাশ

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

লাকসামে আচরণবিধি লঙ্ঘন, দুই বিএনপি কর্মীকে জরিমানা
লাকসামে আচরণবিধি লঙ্ঘন, দুই বিএনপি কর্মীকে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন অভিষেক
হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন অভিষেক

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সিদ্ধিরগঞ্জে কেন্দ্রের ভেতরে জামায়াত নেতার অবস্থান নিয়ে উত্তেজনা
সিদ্ধিরগঞ্জে কেন্দ্রের ভেতরে জামায়াত নেতার অবস্থান নিয়ে উত্তেজনা

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কুমিল্লায় ককটেল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার
কুমিল্লায় ককটেল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পিএসএল নিলামে উপেক্ষিত হৃদয়-তাসকিন-তানজিমরা
পিএসএল নিলামে উপেক্ষিত হৃদয়-তাসকিন-তানজিমরা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমেরিকার কাছে ভারতকে বিক্রি করে দিয়েছেন মোদি: রাহুল গান্ধী
আমেরিকার কাছে ভারতকে বিক্রি করে দিয়েছেন মোদি: রাহুল গান্ধী

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন ৪ স্বতন্ত্র প্রার্থী
তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন ৪ স্বতন্ত্র প্রার্থী

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

৬ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতার বিএনপিতে যোগদান
৬ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতার বিএনপিতে যোগদান

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিমানবন্দরে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির ৭৪ লাখ টাকাসহ আটক
বিমানবন্দরে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির ৭৪ লাখ টাকাসহ আটক

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দেওয়াই ছিল একমাত্র লক্ষ্য: পিসিবি চেয়ারম্যান
বাংলাদেশের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দেওয়াই ছিল একমাত্র লক্ষ্য: পিসিবি চেয়ারম্যান

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সব যান বন্ধ নয়: কারা চলাচলে ছাড় পাচ্ছে
সব যান বন্ধ নয়: কারা চলাচলে ছাড় পাচ্ছে

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রতিশোধ নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে পাকিস্তান, পেছনে পড়ল ভারত
প্রতিশোধ নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে পাকিস্তান, পেছনে পড়ল ভারত

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ডাবের পানি স্বাস্থ্যের জন্য এতটা কার্যকর কেন?
ডাবের পানি স্বাস্থ্যের জন্য এতটা কার্যকর কেন?

১৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

ইন্টারনেট বন্ধ নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন সংশোধন
ইন্টারনেট বন্ধ নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন সংশোধন

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে চার উপায়ে জানবেন ভোটার নম্বর
যে চার উপায়ে জানবেন ভোটার নম্বর

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটকেন্দ্রে যেসব কাজ করতে পারবে না পুলিশ
ভোটকেন্দ্রে যেসব কাজ করতে পারবে না পুলিশ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশের সব দোকান-শপিং মল আজ বন্ধ, খোলা কবে?
দেশের সব দোকান-শপিং মল আজ বন্ধ, খোলা কবে?

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচন শেষে কখন রাস্তায় ফিরবে মোটরসাইকেল
নির্বাচন শেষে কখন রাস্তায় ফিরবে মোটরসাইকেল

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটারদের কেন্দ্রে আনার জন্য যানবাহন ব্যবহার নিষিদ্ধ: ইসি
ভোটারদের কেন্দ্রে আনার জন্য যানবাহন ব্যবহার নিষিদ্ধ: ইসি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গৃহকর্মীকে নির্যাতন; আদালতে উঠে এলো বিমানের সাবেক এমডির বাসার লোমহর্ষক বর্ণনা
গৃহকর্মীকে নির্যাতন; আদালতে উঠে এলো বিমানের সাবেক এমডির বাসার লোমহর্ষক বর্ণনা

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নিজেকে ভোট দিতে পারছেন না তাসনিম জারা ও ববি হাজ্জাজ
নিজেকে ভোট দিতে পারছেন না তাসনিম জারা ও ববি হাজ্জাজ

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পাকিস্তান পাশে না দাঁড়ালে কী হতো বাংলাদেশের সঙ্গে
পাকিস্তান পাশে না দাঁড়ালে কী হতো বাংলাদেশের সঙ্গে

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘কেন্দ্রে ঢুকে প্রভাব বিস্তার’: মিরপুরে জামায়াতের ২ এজেন্টের কারাদণ্ড
‘কেন্দ্রে ঢুকে প্রভাব বিস্তার’: মিরপুরে জামায়াতের ২ এজেন্টের কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সিরাজগঞ্জে ‘ভোট কিনতে’ গিয়ে জনতার ধাওয়া খেয়ে পালালো জামায়াত নেতা
সিরাজগঞ্জে ‘ভোট কিনতে’ গিয়ে জনতার ধাওয়া খেয়ে পালালো জামায়াত নেতা

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ঠাকুরগাঁও আমিরকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে: জামায়াত
ঠাকুরগাঁও আমিরকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে: জামায়াত

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মহানাটকীয় টাই, ডাবল সুপার ওভারে আফগানদের বিশ্বকাপ স্বপ্নে ধাক্কা
মহানাটকীয় টাই, ডাবল সুপার ওভারে আফগানদের বিশ্বকাপ স্বপ্নে ধাক্কা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইন্ডিয়ান সুপার লিগের আয় কমে গেছে ৯৭ শতাংশ
ইন্ডিয়ান সুপার লিগের আয় কমে গেছে ৯৭ শতাংশ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অ্যালেন-সাইফার্টের ঝড়ে নিউজিল্যান্ডের বিশ্ব রেকর্ড
অ্যালেন-সাইফার্টের ঝড়ে নিউজিল্যান্ডের বিশ্ব রেকর্ড

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোট কেনার সময় সূত্রাপুর থানা জামায়াতের আমির আটক, কারাদণ্ড
ভোট কেনার সময় সূত্রাপুর থানা জামায়াতের আমির আটক, কারাদণ্ড

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল শুক্রবার: ইসি সানাউল্লাহ
নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল শুক্রবার: ইসি সানাউল্লাহ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোট বেশি পড়লে বিএনপি, কম পড়লে জামায়াত সুফল পাবে : বিআইডিডি
ভোট বেশি পড়লে বিএনপি, কম পড়লে জামায়াত সুফল পাবে : বিআইডিডি

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানের সঙ্গে আলোচনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি রণতরী পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে আলোচনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি রণতরী পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আটক ঠাকুরগাঁও জামায়াতের আমির রমেকের সিসিইউতে ভর্তি
আটক ঠাকুরগাঁও জামায়াতের আমির রমেকের সিসিইউতে ভর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কুমিল্লায় ‘টাকা বিতরণের’ অভিযোগে জামায়াত নেতা আটক
কুমিল্লায় ‘টাকা বিতরণের’ অভিযোগে জামায়াত নেতা আটক

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন বলে দেখার সুযোগ নেই: মাহদী আমিন
সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন বলে দেখার সুযোগ নেই: মাহদী আমিন

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রিন্ট সর্বাধিক