ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ঝাড়খণ্ডে পশ্চিমবঙ্গের এক পরিযায়ী শ্রমিককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সকালে ঝাড়খণ্ডের একটি ঘর থেকে ওই শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
ওই ব্যক্তির নাম আলাউদ্দিন শেখ (৩৬)। তার বাড়ি মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা থানার কুমারপুর পঞ্চায়েতের সুজাপুর গ্রামে। প্রায় পাঁচ বছর আগে কাজের সূত্রে ঝাড়খণ্ডে যান তিনি; সেখানে ফেরিওয়ালার কাজ করতেন। নিহতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, বাংলার শ্রমিক হওয়ার কারণেই আলাউদ্দিনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর প্রমাণ আড়াল করতে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এটি আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত খুন। এ ঘটনায় দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানান তারা।
এদিকে আলাউদ্দিনের মৃত্যুর খবর মুুর্শিদাবাদের সুজাপুর গ্রামে পৌঁছাতেই গতকাল সকালে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তার স্বজন ও স্থানীয়রা। তারা বেলডাঙা থানার মহেশপুর এলাকায় ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে লাশ ফেলে অবরোধ করেন। এতে কলকাতা-উত্তরবঙ্গগামী সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি বেলডাঙা রেলস্টেশনেও অবরোধ করা হয়। ব্যাহত হয় লালগোলা-শিয়ালদহ শাখায় ট্রেন চলাচল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে সেখানে পুলিশ ও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এলিট শাখা র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স মোতায়েন করা হয়। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি বলেন, প্রতিদিন পরিযায়ী শ্রমিকদের ওপরে অত্যাচার হচ্ছে।
ডাবল ইঞ্জিন সরকার অর্থাৎ যেসব রাজ্যে বিজেপি সরকারে রয়েছে, তারাই মানুষের নাম কাটছে, আবার তারাই আমাদের লোকদের পিটিয়ে হত্যা করছে।