শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:৩৯, রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬

অদিতি করিম

আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?

► ৫৪ বছরেও হয়নি মান উন্নয়ন ► কথায় কথায় রাস্তায় নামছেন শিক্ষার্থীরা ► সুদূরপ্রসারী প্রভাব আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থায়
প্রিন্ট ভার্সন
আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?

বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস। স্বাভাবিকভাবেই মানুষের ছোটাছুটি বেশি হয়। দুই দিনের ছুটির আগে মানুষ তাদের হাতের কাজ শেষ করতে চায়। কিন্তু গত ১৫ জানুয়ারির শেষ কর্মদিবসটা ছিল অনেকের জন্য বিভীষিকাময়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় আটকে থাকা মানুষের আহাজারি শুনলে যে-কেউ কষ্ট পাবেন। এদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা কলেজ থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে বের হন। ১২টা ৪০ মিনিটে তারা সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেন। তাদের সঙ্গে যুক্ত হন আরও ছয়টি কলেজের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনরত সাতটি কলেজ হলো ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ ও তিতুমীর কলেজ। শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে মিরপুর সড়ক ও আশপাশের অন্যান্য সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়ে হাজারো মানুষ। গাড়ি না পেয়ে তারা হেঁটে গন্তব্যে যায়। বিকাল ৫টায় আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীদের একজন নাঈম হাওলাদার অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়ে নতুন কর্মসূচি দেন। তিনি বলেন, রবিবারের মধ্যে সরকার ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারি না করলে সোমবার তাঁরা সায়েন্সল্যাব মোড়ে আবারও অবরোধ করবেন। অধ্যাদেশ জারি না হলে সেদিন শিক্ষার্থীরা অধ্যাদেশ মঞ্চ তৈরি করবেন। পরবর্তী কর্মসূচি সেই মঞ্চ থেকে ঘোষণা করবেন।

রাজধানীতে সড়ক অবরোধ করে দাবি আদায়ের আন্দোলন এখন নতুন কিছু নয়। প্রতিদিনই কোনো না কোনো সংগঠন দাবি আদায়ের জন্য রাজপথে অবস্থান নিচ্ছে। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। সংবাদপত্রের খবর বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০২৪ সালের ৮ আগস্টের পর থেকে এ পর্যন্ত ঢাকায় বিভিন্ন দাবি আদায়ের জন্য ১ হাজার ১৩০টি সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। এসব অবরোধের অন্তত ৬০ শতাংশই ছিল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের আন্দোলন। সংবাদগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কারণে ৪২৩ বার সড়ক অবরোধ করেছেন। একই দিনে বিভিন্ন দাবিতে সর্বোচ্চ আটটি সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটে ঢাকায়। কিছু কিছু সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে দুই পক্ষের সংঘর্ষের কারণে। ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের কারণেই ২৩ দিন মিরপুর সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে ছিল। সিটি কলেজ বনাম আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আট দিন একই সড়ক অচল হয়ে পড়ে ছিল। সবচেয়ে বেশি সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে শাহবাগে। ঢাকার অন্যতম এই ব্যস্ত সড়কটি গত ১৭ মাসে অন্তত ৩৫০ দিনই বন্ধ ছিল। এ রাস্তায় বারডেম, পিজি হাসপাতালসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অফিস এবং হাসপাতাল রয়েছে। এসব অবরোধের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হয়েছে হাসপাতালে আসা রোগী এবং তাদের স্বজনরা। এ শহরে এখন ভোগান্তিই যেন মানুষের নিত্যসঙ্গী। একজন মানুষ জানে না কোথায় সড়ক অবরোধ হবে। তারা তাদের কাক্সিক্ষত গন্তব্যে পৌঁছতে পারবে কি না। সড়ক অবরোধের এ সংস্কৃতি শুরু হয়েছে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে। আগস্টের গণ অভ্যুত্থানের পর তারা বিশ্বাস করতে শুরু করেছে যে যেকোনো দাবি আদায়ের জন্য সড়ক অবরোধ সবচেয়ে কার্যকর কৌশল। তাই কখনো পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে, কখনো অটোপাসের দাবিতে তারা সড়ক অবরোধ করছেন। সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন। অন্তর্র্বর্তী সরকারও এ ধরনের চাপের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করছে। সচিবালয় ঘেরাও হলেই অটোপাসের ঘোষণা আসছে। রাস্তা অবরোধ করলেই কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে। সড়ক অবরোধ এখন দাবি আদায়ের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। ফলে শিক্ষার্থীরা এখন শ্রেণিকক্ষের চেয়ে রাজপথেই সপ্রতিভ।

চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা বেরিয়ে এসেছিল। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্ধ ছিল পাঠদান। ১৭ মাসেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো স্বাভাবিক হয়নি। শুধু ঢাকা নয়, সারা দেশেই শিক্ষাঙ্গনে বিরাজ করছে চরম বিশৃঙ্খল অবস্থা। শিক্ষার্থীদের হাতে লাঞ্ছিত হচ্ছেন শিক্ষক। অনেক শিক্ষক ক্লাস নিতে যাচ্ছেন না মবের ভয়ে। ক্ষমতার পালাবদলের সুযোগে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী শিক্ষাঙ্গনগুলোতে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের স্কুল ও কলেজের শিক্ষক পদাধিকারীদের চাপ সৃষ্টি করে পদত্যাগে বাধ্য করছে। তাঁদের মধ্যে উপাচার্য, অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষক যেমন আছেন, তেমন আছেন সাধারণ শিক্ষকও।

এই স্বার্থান্বেষী মহল শিক্ষকদের পদত্যাগে বাধ্য করার পাশাপাশি তাঁদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করছে, কোনো কোনো শিক্ষক সন্ত্রাসী হামলায় আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হয়েছেন। এমনকি নারী শিক্ষকও আক্রমণ থেকে রেহাই পাননি। বিচলিত হওয়ার বিষয় হলো, স্বার্থান্বেষী মহল তাদের এই হীনস্বার্থ উদ্ধার করতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করছে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের জোর করে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। কেউ কেউ নিগৃহীতও হয়েছেন। এর মধ্যে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু শিক্ষকরাও রয়েছেন। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ছাত্রঐক্য পরিষদের নেতারা সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছেন, ৪৯ জন ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু শিক্ষককে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে।

অস্বীকার করার উপায় নেই যে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয় বিবেচনায় স্বেচ্ছাচারী কায়দায় নিয়োগ, পদায়ন ও পদোন্নতি হয়েছে। অনেক মেধাবী শিক্ষককে পেছনে ফেলে অপেক্ষাকৃত কম মেধাবীদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি হয়েছে। এসব কারণে শিক্ষকদের একাংশের মধ্যে বঞ্চনাবোধ ও ক্ষোভ জন্ম হওয়া অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু একটি অন্যায়ের প্রতিকার তো আরেকটি অন্যায় দিয়ে হতে পারে না। আইনি পথেই এর প্রতিকার খুঁজতে হবে। এখানে গায়ের জোর দেখানোর সুযোগ আছে বলে মনে করি না। এ ধরনের ঘটনার কারণে শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করতে ভয় পাচ্ছেন। শিক্ষাজীবন স্বাভাবিক হয়নি এতদিন পরেও।

একেই তো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে আসেনি শিক্ষার পরিবেশ, অন্যদিকে দ্বিতীয় বছরের মতো অন্তর্র্বর্তী সরকার সময়মতো পাঠ্যবই সরবরাহ করতে পারেনি। জানুয়ারির অর্ধেক পেরিয়ে গেলেও এখনো প্রায় ৩ কোটি বই শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছেনি। বর্তমান সরকার শিক্ষাকে কতটা অগ্রাধিকার দিচ্ছে সেই প্রশ্নও উঠেছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্র্বর্তী সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য বিভিন্ন কমিশন গঠন করলেও শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। অথচ নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হলে মানসম্পন্ন তথা বিশ্বমানের শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।

আমরা যদি বিশ্বের ইতিহাস পর্যালোচনা করি, তাহলে দেখব বিপ্লবের পর সেসব দেশই এগিয়ে গেছে যারা শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। গৃহযুদ্ধের অবসানের পর আব্রাহাম লিংকন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষাকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। গড়ে তুলেছিলেন দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষা পরিকল্পনা। সেই পরিকল্পনার ধারাবাহিক বাস্তবায়ন করে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র। সে কারণেই তাদের শিক্ষা আজ বিশ্বসেরা। বলশেভিক বিপ্লবের পর লেনিন শিক্ষাকে সবার ওপরে স্থান দেন। গড়ে তোলেন একটি শিক্ষিত জাতি। ভারতের স্বধীনতার পর জওহরলাল নেহরু শিক্ষার আমূল সংস্কার করেন। বিশ্বমানের শিক্ষাব্যবস্থা তৈরির জন্য নেন সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা। যে কারণে ভারতের শিক্ষার্থীরা এখন বিশ্ব প্রতিযোগিতায় দাপট দেখাচ্ছেন। গুগলের সিইও সুন্দর পিচাইয়ের মতো বিশ্ব করপোরেটপ্রধান তৈরি করছে ভারতের শিক্ষাব্যবস্থা। চীনের বিপ্লবের পর মাও সে তুং শিক্ষায় ব্যয় বাড়ান ব্যাপকভাবে। রক্ষণশীল চীনের শিক্ষার্থীরা এখন হার্ভার্ড, এমআইটিসহ বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আলো ছড়াচ্ছেন। এ রকম উদাহরণ দেওয়া যায় ভূরিভূরি। শিক্ষা ছাড়া বিশ্বের কোনো জাতিরাষ্ট্র উন্নতি করতে পারেনি। কোনো দিন পারবেও না।

আমাদের দুর্ভাগ্য স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরেও আমরা আমাদের দেশের শিক্ষার মান উন্নত করতে পারিনি। আমাদের শিক্ষা বিশ্বের মানদণ্ডে অনেক পিছিয়ে। মেধাবী শিক্ষার্থীরা নিজেদের উদ্যোগে উন্নত শিক্ষার জন্য বিদেশে পাড়ি জমাতেন। কিন্তু গত ১৬ মাসে সেই সুযোগও কমে এসেছে। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের সুযোগ সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে অনেক দেশেই। যুক্তরাজ্যসহ অনেক উন্নত দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য দরজা বন্ধ করে দিয়েছে। এসব নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। উদ্যোগ নিতে হবে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সবচেয়ে বিশৃঙ্খল অবস্থা বিরাজ করছে শিক্ষায়। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়বে আমাদের আর্থসামাজিক অবস্থার ওপর। শিক্ষায় যদি আমরা শৃঙ্খলা ফেরাতে না পারি, তাহলে নতুন বাংলাদেশ দূরের কথা, একটি সুস্থ জাতি হিসেবেও আমরা বিকশিত হতে পারব না। শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতেই হবে। বাংলাদেশের জুলাই আন্দোলনের সমসময়ে আরও দুটি দেশ-নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে আন্দোলন হয়েছে, সরকারের পতন ঘটেছে। কিন্তু আন্দোলনের বিজয়ের পর শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাজীবনে ফিরে গেছেন। বাংলাদেশে তেমনটা হয়নি। এ ব্যর্থতা আমাদের সবার।

সামনে নির্বাচন। আমরা আশা করি খুব শিগগিরই রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করবে। এ ইশতেহারে যেন শিক্ষা গুরুত্ব পায়। নির্বাচনে জয়ী হয়ে যে দলই সরকার গঠন করুক না কেন, তারা যেন শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে উদ্যোগ নেয় সবার আগে। মানসম্মত শিক্ষার জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করে। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা এখন আইসিইউতে। শিক্ষাকে বাঁচাতে দরকার রাজনৈতিক উদ্যোগ এবং জাতীয় ঐকমত্য। আমরা কি পারব শিক্ষাকে বাঁচাতে?

এই বিভাগের আরও খবর
এনসিপির ছয় নেতা যাচ্ছেন সংসদে
এনসিপির ছয় নেতা যাচ্ছেন সংসদে
৩৫ বছর পর পুরুষ প্রধানমন্ত্রী
৩৫ বছর পর পুরুষ প্রধানমন্ত্রী
মোদিসহ অভিনন্দন বিশ্বনেতাদের
মোদিসহ অভিনন্দন বিশ্বনেতাদের
দৃষ্টি এখন মন্ত্রিসভায়
দৃষ্টি এখন মন্ত্রিসভায়
শত্রুদের হুঁশিয়ারি দিলেন খামেনি
শত্রুদের হুঁশিয়ারি দিলেন খামেনি
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য
১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন
১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন
এ নির্বাচন জাতির জন্য মাইলফলক
এ নির্বাচন জাতির জন্য মাইলফলক
হ্যাঁ ৪ কোটি ৮০ লাখ না ২ কোটি ২৫ লাখ
হ্যাঁ ৪ কোটি ৮০ লাখ না ২ কোটি ২৫ লাখ
যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞ
যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞ
রাজনৈতিক ধারাবাহিক সাফল্যে জামায়াত
রাজনৈতিক ধারাবাহিক সাফল্যে জামায়াত
চূড়ান্ত ফলে কার কত আসন
চূড়ান্ত ফলে কার কত আসন
সর্বশেষ খবর
বিশৃঙ্খলার অভিযোগে কুষ্টিয়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতার পদ স্থগিত
বিশৃঙ্খলার অভিযোগে কুষ্টিয়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতার পদ স্থগিত

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

সুন্দরবনে ৬ জেলেকে অপহরণ
সুন্দরবনে ৬ জেলেকে অপহরণ

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

তারেক রহমানকে মিশরের অভিনন্দন, সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যাশা
তারেক রহমানকে মিশরের অভিনন্দন, সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যাশা

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

নতুন আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্র, আসলে কি ঘটছে?
নতুন আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্র, আসলে কি ঘটছে?

১২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে বৃষ্টি হলে কী হবে?
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে বৃষ্টি হলে কী হবে?

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হাইভোল্টেজ ম্যাচে কাল মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান
হাইভোল্টেজ ম্যাচে কাল মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোয়া
খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোয়া

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রোহিতকে ছাড়িয়ে রেকর্ড বইয়ে বাটলার
রোহিতকে ছাড়িয়ে রেকর্ড বইয়ে বাটলার

২৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কারাগারে পুতিনবিরোধী নাভালনির ওপর বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল : পাঁচ দেশের বিবৃতি
কারাগারে পুতিনবিরোধী নাভালনির ওপর বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল : পাঁচ দেশের বিবৃতি

৩২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুনামগঞ্জে বিয়ে নিয়ে বিরোধে প্রবাসী নিহত
সুনামগঞ্জে বিয়ে নিয়ে বিরোধে প্রবাসী নিহত

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে চুরির অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
চাঁদপুরে চুরির অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের আগে দুঃসংবাদ পেল ব্রাজিল
বিশ্বকাপের আগে দুঃসংবাদ পেল ব্রাজিল

৪২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তিতে এগিয়ে আসুন, অন্যথায় সুযোগ হারাবেন: জেলেনস্কিকে ট্রাম্প
চুক্তিতে এগিয়ে আসুন, অন্যথায় সুযোগ হারাবেন: জেলেনস্কিকে ট্রাম্প

৪৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আখাউড়ায় পরিবেশ দূষণরোধে শোভাযাত্রা
আখাউড়ায় পরিবেশ দূষণরোধে শোভাযাত্রা

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে তিন বিএনপি নেতাকে স্থায়ী বহিষ্কার
বরিশালে তিন বিএনপি নেতাকে স্থায়ী বহিষ্কার

৪৮ মিনিট আগে | রাজনীতি

বিএনপিকে অভিনন্দন জার্মানির, ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার
বিএনপিকে অভিনন্দন জার্মানির, ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার

৫৪ মিনিট আগে | জাতীয়

শেষ কার্ডটাই ব্যবহার করছে ইরান?
শেষ কার্ডটাই ব্যবহার করছে ইরান?

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলো মস্কো
ইরানের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলো মস্কো

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যান্টনের ব্যাটে ইংল্যান্ডের স্বস্তির জয়
ব্যান্টনের ব্যাটে ইংল্যান্ডের স্বস্তির জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেত্রকোনায় সাহিত্য উৎসব
নেত্রকোনায় সাহিত্য উৎসব

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নোংরা পানি আর দুর্গন্ধে অতিষ্ট পৌরসভার বাসিন্দারা
নোংরা পানি আর দুর্গন্ধে অতিষ্ট পৌরসভার বাসিন্দারা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্ব ভালোবাসা দিবসেও পর্যটক শূন্য কুয়াকাটা সৈকত
বিশ্ব ভালোবাসা দিবসেও পর্যটক শূন্য কুয়াকাটা সৈকত

১ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

নিজের ব্যানার খুলতে রাস্তায় নেমে পড়লেন হাবিবুর রশিদ
নিজের ব্যানার খুলতে রাস্তায় নেমে পড়লেন হাবিবুর রশিদ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিএনপিকে অভিনন্দন জানাল হেফাজতে ইসলাম
বিএনপিকে অভিনন্দন জানাল হেফাজতে ইসলাম

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকা-৫ আসনের ফল স্থগিত ও ভোট পুনর্গণনার দাবি বিএনপি প্রার্থীর
ঢাকা-৫ আসনের ফল স্থগিত ও ভোট পুনর্গণনার দাবি বিএনপি প্রার্থীর

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বৃহস্পতির আকার নিয়ে নতুন তথ্য দিল নাসার মহাকাশযান
বৃহস্পতির আকার নিয়ে নতুন তথ্য দিল নাসার মহাকাশযান

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

দলকে ব্যবহার করে অন্যায় করলে কঠোর ব্যবস্থা : ইশরাক
দলকে ব্যবহার করে অন্যায় করলে কঠোর ব্যবস্থা : ইশরাক

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বোনকে উত্যক্তের প্রতিবাদে যুবককে হত্যা
বোনকে উত্যক্তের প্রতিবাদে যুবককে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘সুন্দরবনের ক্ষতিসাধনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে’
‘সুন্দরবনের ক্ষতিসাধনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে’

১ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

ইয়েমেনিদের জন্য অস্থায়ী সুরক্ষিত মর্যাদা বাতিল ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
ইয়েমেনিদের জন্য অস্থায়ী সুরক্ষিত মর্যাদা বাতিল ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
জামায়াত গাদ্দারি না করলে ফলাফল অন্যরকম হতো: সারোয়ার তুষার
জামায়াত গাদ্দারি না করলে ফলাফল অন্যরকম হতো: সারোয়ার তুষার

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

'বিএনপি যদি ফেরাতে চায়, তবে আমার নেতাকর্মীদেরও দলে নিতে হবে'
'বিএনপি যদি ফেরাতে চায়, তবে আমার নেতাকর্মীদেরও দলে নিতে হবে'

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দুই কুল হারালেন অলি
দুই কুল হারালেন অলি

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যে পদ্ধতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করবে নতুন সরকার
যে পদ্ধতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করবে নতুন সরকার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জামায়াত আমিরকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা
জামায়াত আমিরকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন যাঁরা
মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন যাঁরা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথমবার সংসদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
প্রথমবার সংসদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

'নির্বাচনে যারা আমার সঙ্গে ছিলেন না তারাও নিরাপদে থাকবেন'
'নির্বাচনে যারা আমার সঙ্গে ছিলেন না তারাও নিরাপদে থাকবেন'

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কর্মস্থলে ফিরতে ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের ব্যবস্থা করলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুর
কর্মস্থলে ফিরতে ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের ব্যবস্থা করলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুর

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২৯৭ আসনের গেজেট প্রকাশ
২৯৭ আসনের গেজেট প্রকাশ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১ হাজার অতিথি
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১ হাজার অতিথি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলে হান্নান মাসউদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারালেন বাবা
ছেলে হান্নান মাসউদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারালেন বাবা

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ
তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফাঁসির মঞ্চ থেকে সংসদে যাচ্ছেন যে তিনজন
ফাঁসির মঞ্চ থেকে সংসদে যাচ্ছেন যে তিনজন

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগের পেশায় ফিরে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা: আলী রীয়াজ
আগের পেশায় ফিরে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা: আলী রীয়াজ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকার কোন আসনে কারা বিজয়ী হলেন, ব্যবধান কত
ঢাকার কোন আসনে কারা বিজয়ী হলেন, ব্যবধান কত

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ফুল মিষ্টি নিয়ে পরাজিত প্রার্থীর বাড়িতে আব্দুল্লাহ
ফুল মিষ্টি নিয়ে পরাজিত প্রার্থীর বাড়িতে আব্দুল্লাহ

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নাহিদ ইসলামকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা
নাহিদ ইসলামকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে কোন আসনে কে জয়ী
চট্টগ্রামে কোন আসনে কে জয়ী

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

অসচ্ছল হিন্দুদের পাশে নবনির্বাচিত এমপি কায়কোবাদ
অসচ্ছল হিন্দুদের পাশে নবনির্বাচিত এমপি কায়কোবাদ

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সংসদে যাচ্ছেন পিন্টু-টুকু দুই ভাই
সংসদে যাচ্ছেন পিন্টু-টুকু দুই ভাই

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রংপুর বিভাগে ৩৩ আসনে ২৭ জনই নতুন বিজয়ী
রংপুর বিভাগে ৩৩ আসনে ২৭ জনই নতুন বিজয়ী

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং করে এত ভোট পেয়েছেন পাটওয়ারী : মির্জা আব্বাস
নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং করে এত ভোট পেয়েছেন পাটওয়ারী : মির্জা আব্বাস

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দুই দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার হারাল ভারত
দুই দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার হারাল ভারত

২৩ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

ময়মনসিংহে ধানের শীষের দাপট, তবে স্বতন্ত্র ও জামায়াতের চমক
ময়মনসিংহে ধানের শীষের দাপট, তবে স্বতন্ত্র ও জামায়াতের চমক

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মনোনয়ন না পেলেও সংসদে পৌঁছালেন সাত স্বতন্ত্র প্রার্থী
মনোনয়ন না পেলেও সংসদে পৌঁছালেন সাত স্বতন্ত্র প্রার্থী

৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রংপুরে ‘লাঙলের জানাজা’র ছবি ভাইরাল
রংপুরে ‘লাঙলের জানাজা’র ছবি ভাইরাল

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন দুর্বলতা: তারেক রহমান
জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন দুর্বলতা: তারেক রহমান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংসদের চেয়ে গণভোটে বেশি ভোট পড়া নিয়ে যা বললেন আলী রীয়াজ
সংসদের চেয়ে গণভোটে বেশি ভোট পড়া নিয়ে যা বললেন আলী রীয়াজ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
হারলেন যেসব হেভিওয়েট
হারলেন যেসব হেভিওয়েট

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির সাত বিদ্রোহী জয়ী
বিএনপির সাত বিদ্রোহী জয়ী

পেছনের পৃষ্ঠা

জামানত হারালেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না
জামানত হারালেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বকনিষ্ঠ এমপি হান্নান মাসউদ, বয়োজ্যেষ্ঠ খন্দকার মোশাররফ
সর্বকনিষ্ঠ এমপি হান্নান মাসউদ, বয়োজ্যেষ্ঠ খন্দকার মোশাররফ

পেছনের পৃষ্ঠা

চূড়ান্ত ফলে কার কত আসন
চূড়ান্ত ফলে কার কত আসন

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রথমবার সংসদে তাঁরা
প্রথমবার সংসদে তাঁরা

পেছনের পৃষ্ঠা

যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞ
যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞ

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রামে বিএনপির জয়ের নেপথ্যে
চট্টগ্রামে বিএনপির জয়ের নেপথ্যে

নগর জীবন

রংপুরে জাপার অহংকার চূর্ণ
রংপুরে জাপার অহংকার চূর্ণ

নগর জীবন

নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা
নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা

পেছনের পৃষ্ঠা

একটি আসনও পায়নি জাতীয় পার্টি
একটি আসনও পায়নি জাতীয় পার্টি

পেছনের পৃষ্ঠা

শত্রুদের হুঁশিয়ারি দিলেন খামেনি
শত্রুদের হুঁশিয়ারি দিলেন খামেনি

প্রথম পৃষ্ঠা

হ্যাঁ ৪ কোটি ৮০ লাখ না ২ কোটি ২৫ লাখ
হ্যাঁ ৪ কোটি ৮০ লাখ না ২ কোটি ২৫ লাখ

প্রথম পৃষ্ঠা

দৃষ্টি এখন মন্ত্রিসভায়
দৃষ্টি এখন মন্ত্রিসভায়

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজনৈতিক ধারাবাহিক সাফল্যে জামায়াত
রাজনৈতিক ধারাবাহিক সাফল্যে জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

সর্বাধিক ভোটের ব্যবধানে জয় বিএনপির আলমের
সর্বাধিক ভোটের ব্যবধানে জয় বিএনপির আলমের

পেছনের পৃষ্ঠা

অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ব্যর্থ ইউনূস
অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ব্যর্থ ইউনূস

পেছনের পৃষ্ঠা

বাসন্তী ভালোবাসার দিন আজ
বাসন্তী ভালোবাসার দিন আজ

পেছনের পৃষ্ঠা

ঢাকার ২০ আসনের ১৩টিতে বিএনপি ৭ জামায়াত জোট
ঢাকার ২০ আসনের ১৩টিতে বিএনপি ৭ জামায়াত জোট

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন
১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন

প্রথম পৃষ্ঠা

ভোটে জিতলেও ভাগ্য নির্ধারণ আদালতে
ভোটে জিতলেও ভাগ্য নির্ধারণ আদালতে

পেছনের পৃষ্ঠা

দেশের বড় অংশে বিএনপির একচ্ছত্র আধিপত্য
দেশের বড় অংশে বিএনপির একচ্ছত্র আধিপত্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জয়ী হলেন সাত নারী
জয়ী হলেন সাত নারী

পেছনের পৃষ্ঠা

এনসিপির ছয় নেতা যাচ্ছেন সংসদে
এনসিপির ছয় নেতা যাচ্ছেন সংসদে

প্রথম পৃষ্ঠা

ফল স্থগিত ও পুনর্নির্বাচনের দাবি আমিনুলের
ফল স্থগিত ও পুনর্নির্বাচনের দাবি আমিনুলের

পেছনের পৃষ্ঠা

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

চার জেলায় সব আসন জামায়াতের
চার জেলায় সব আসন জামায়াতের

দেশগ্রাম

ক্ষমতার নয়, মানুষের রাজনীতি করি
ক্ষমতার নয়, মানুষের রাজনীতি করি

নগর জীবন

রেকর্ড গড়ে দেশের নেতৃত্বে তারেক রহমান
রেকর্ড গড়ে দেশের নেতৃত্বে তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

২০৩০ সাল পর্যন্ত ব্রাজিলের সঙ্গী আনচেলত্তি
২০৩০ সাল পর্যন্ত ব্রাজিলের সঙ্গী আনচেলত্তি

মাঠে ময়দানে