শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬

সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি

গণমাধ্যম সম্মিলনে ঐক্যের ডাক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি

সংবাদকর্মীদের সংঘবদ্ধতা ও সম্মিলিত প্রয়াসের প্রয়োজনীয়তার কথা উঠল গণমাধ্যম সম্মিলনে। ঐক্যের ডাক দিলেন দেশের বিশিষ্ট সাংবাদিকরা। সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিকরা মনে করছেন, স্বাধীন সাংবাদিকতা দেশের কল্যাণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য ঐক্য প্রয়োজন। মালিক, সম্পাদক ও সাংবাদিক- সবাই যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যায় তাহলে সংবাদপত্রের ভূমিকা, সাংবাদিকের উন্নয়ন এবং সংবাদপত্রের উন্নয়ন সম্ভব হবে।

গতকাল সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে গণমাধ্যম সম্মিলনে এসব কথা বলেন দেশের সিনিয়র সাংবাদিকরা। সম্পাদক, সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন, মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকরা অংশ নেন এ সম্মিলনে। সকালে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে গণমাধ্যম সম্মিলন শুরু হয়। সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এবং সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদ যৌথভাবে এ সম্মিলনের আয়োজন করে। সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর বলেন, সংবাদপত্র ও অপরাপর গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলো কেবলমাত্র ২০০, ৫০০ বা ৫-১০ হাজার সাংবাদিকের মনের গণতান্ত্রিক আকাক্সক্ষা বাস্তবায়ন করারই একমাত্র হাতিয়ার নয়। এগুলো যদি সচল ও সক্রিয় না থাকে, এগুলো যদি উচ্চকণ্ঠ হতে না পারে, তবে গোটা সমাজের মধ্যেই নানা ধরনের অধিকার ব্যাহত হতে বাধ্য। তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আকাক্সক্ষা সর্বব্যাপী। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আকাক্সক্ষা কোনো অপরাধের আকাক্সক্ষা হতে পারে না। এই গণতান্ত্রিক আকাক্সক্ষাকে বাস্তবায়নে যেসব প্রতিষ্ঠান কাজ করে সেগুলোকে রাষ্ট্র, সরকার, আইনগতভাবে কিংবা পেশিশক্তির মাধ্যমে স্তব্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এর জন্য নিজেদের মধ্যে একদিকে যেমন এই সংঘবদ্ধতার প্রয়োজন, তেমনি সম্মিলিত প্রয়াসগুলো গ্রহণ করা প্রয়োজন।

ডেইলি স্টার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম বলেন, সরকারকে একমাত্র স্বাধীন সাংবাদিকতাই সত্য কথা বলে, আমলাতন্ত্র বা গোয়েন্দা সংস্থা নয়। একটি সরকার যদি সত্যিকার অর্থে স্বাধীন সাংবাদিকতায় বিশ্বাস করে এবং উদারপন্থি দৃষ্টিভঙ্গি লালন করে, তবে তারাই সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে।

সংবিধানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সংবিধানে স্বাধীন বিচার বিভাগ ও স্বাধীন গণমাধ্যমকে বিশেষ সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। কারণ যে সমাজে সাংবাদিকতা শক্তিশালী ও স্বাধীন, সেই সমাজ তত বেশি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন হয়। তিনি আদালত অবমাননা বা কনটেম্পট অব কোর্ট আইনের অপব্যবহার না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আমরা বিচার বিভাগকে হেয় করার জন্য লেখি না। তাদেরও জবাবদিহির মধ্যে রাখতে চাই। বিচার বিভাগ যেন স্বাধীন সাংবাদিকতার সহায়ক শক্তি হয়। প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, নির্বাচিত সরকার এলেই সাংবাদিকরা সব পেয়ে যাবেন, এমন ভাবার কারণ নেই। অতীতে হয়নি, এখনো হবে না। আগামীর ভাবনাটাও আমাদের জন্য সাবধানের, সতর্কতার সঙ্গে ভাবতে হবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রথম আলো সম্পাদক বলেন, ঐক্য, সমঝোতা এবং সংহতি- এই সময়ে আগামী দিনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এটা আমাদের মানতে হবে। যে মতের, যে চিন্তা, যে ভাবনা, যে আদর্শের হোক না কেন সংবাদপত্র, সাংবাদিকতা, নিরাপত্তা ইত্যাদি সব বিষয়ে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। একজনকে আরেকজনের পাশে দাঁড়াতে হবে।

যায়যায়দিনের সম্পাদক শফিক রেহমান বলেন, আমাদের যখন দালাল বলা হয়, দুঃখ লাগে এবং বলবেই না কেন? যারা ছিল কদিন আগে আওয়ামী লীগের পক্ষে তারা সবাই হয়ে গেল এখন বিএনপির পক্ষে, এটা একটা অদ্ভুত ব্যাপার নাকি এটা ম্যাজিক। এই ম্যাজিকের পাল্লায় পড়বেন না। এতে সম্মান বাড়ছে না বরং কমছে। দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, সাংবাদিকতা এখনো বাংলাদেশে সম্মানজনক পেশা হয়ে ওঠেনি। সাংবাদিকরা বর্তমানে যে অবস্থানে আছেন, তা সম্মানজনক নয়। অথচ সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছানো অত্যন্ত জরুরি। শফিক রেহমান আরও বলেন, সাংবাদিকদের প্রতি আমার একটি পরামর্শ, আপনারা একটি বিকল্প ব্যবস্থা করে রাখুন।

ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক রিয়াজ আহমেদ বলেন, আমি শুধু এইটুকুই আশা করি, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যে রাজনৈতিক উত্তরণে আমরা যাব, যারা এই জনগণের ম্যান্ডেট পাবে, তারা যেন আমাদের এই কথাগুলো শুনে, তাহলে হয়তোবা আগামী দিনে স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য তারা একটা পরিবেশ তৈরি করতে সাহায্য করতে পারবে। রংপুরের দৈনিক যুগের আলোর সম্পাদক এবং প্রকাশক মমতাজ শিরীন বলেন, গণমাধ্যমকে রক্ষা করতে হলে সর্বপ্রথম রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে। গণমাধ্যমকে রাজনীতির বাইরে রাখলেই আমরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারব।

নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সহসভাপতি মুনিমা সুলতানা বলেন, রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব থেকে বের হয়ে আসা দরকার। চট্টগ্রামভিত্তিক দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক বলেন, প্রকৃত সাংবাদিকতার পথ রুদ্ধ হলে তথ্যের শূন্যস্থান তৈরি হয়। আর এই শূন্যস্থান দখল করে নেয় ফেক নিউজ বা ভুয়া সংবাদ, যা মানুষকে বিভ্রান্ত করে, সমাজে অস্থিরতা বাড়ায়। গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ বলেন, সাংবাদিকদের মর্যাদা অনেক ক্ষেত্রেই দেওয়া হয় না বা তারা পান না। অনেক ক্ষেত্রে সাংবাদিকতার মানটা রক্ষা করা যাচ্ছে না। এটা রক্ষা করতে না পারার কারণগুলো দূর করতে হবে। সাংবাদিকতার সুরক্ষার জন্য আমরা একটা সাংবাদিকতা সুরক্ষা আইনের সুপারিশ করেছিলাম সংস্কার কমিশন থেকে এবং এই সুরক্ষা আইনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন সবাই। আইন হওয়ার ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে এর আগে তথ্য মন্ত্রণালয়ের যে দুজন উপদেষ্টা ছিলেন তারা অঙ্গীকার করেছিলেন। কিন্তু সে আইনটা হয়নি। আমি বলব, আমরা সুপারিশ জমা দেওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত যতজন গণমাধ্যমকর্মী দেশের বিভিন্ন স্থানে আক্রান্ত হয়েছেন, যেসব গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান আক্রমণের শিকার হয়েছে, এর দায়দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে। কারণ তারা অঙ্গীকার করেও তা বাস্তবায়ন করেনি। যশোর থেকে আসা সাংবাদিক একরাম উদ দৌলা বলেন, একটি ঐক্যের সুবাতাস দেখা যাচ্ছে। ভয়, বাধাহীনভাবে কাজ করতে চাইলে ঐক্যের বিকল্প নেই। গাজীপুরের শ্রীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি এস এম মাহফুল হাসান হান্নান বলেন, সত্যিই ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। অধিকার কেউ কাউকে বিলিয়ে দেয় না, আদায় করে নিতে হয়।

লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি আ হ ম মোশতাকুর রহমান বলেন, সব বিজ্ঞ সাংবাদিক, বিজ্ঞ নেতার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে আমাদের ঐক্য প্রয়োজন। মব ভায়োলেন্সের ক্ষেত্রে আমাদের যে উপলব্ধি হয়েছে, আমি মনে করি ঐক্য দরকার। কিন্তু ঐক্যের কথা বলেও আসলে কি আমরা ঐক্যবদ্ধ হতে পারব?

এই বিভাগের আরও খবর
এনসিপির ছয় নেতা যাচ্ছেন সংসদে
এনসিপির ছয় নেতা যাচ্ছেন সংসদে
৩৫ বছর পর পুরুষ প্রধানমন্ত্রী
৩৫ বছর পর পুরুষ প্রধানমন্ত্রী
মোদিসহ অভিনন্দন বিশ্বনেতাদের
মোদিসহ অভিনন্দন বিশ্বনেতাদের
দৃষ্টি এখন মন্ত্রিসভায়
দৃষ্টি এখন মন্ত্রিসভায়
শত্রুদের হুঁশিয়ারি দিলেন খামেনি
শত্রুদের হুঁশিয়ারি দিলেন খামেনি
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য
১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন
১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন
এ নির্বাচন জাতির জন্য মাইলফলক
এ নির্বাচন জাতির জন্য মাইলফলক
হ্যাঁ ৪ কোটি ৮০ লাখ না ২ কোটি ২৫ লাখ
হ্যাঁ ৪ কোটি ৮০ লাখ না ২ কোটি ২৫ লাখ
যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞ
যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞ
রাজনৈতিক ধারাবাহিক সাফল্যে জামায়াত
রাজনৈতিক ধারাবাহিক সাফল্যে জামায়াত
চূড়ান্ত ফলে কার কত আসন
চূড়ান্ত ফলে কার কত আসন
সর্বশেষ খবর
নতুন আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্র, আসলে কি ঘটছে?
নতুন আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্র, আসলে কি ঘটছে?

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে বৃষ্টি হলে কী হবে?
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে বৃষ্টি হলে কী হবে?

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হাইভোল্টেজ ম্যাচে কাল মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান
হাইভোল্টেজ ম্যাচে কাল মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান

১২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোয়া
খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোয়া

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রোহিতকে ছাড়িয়ে রেকর্ড বইয়ে বাটলার
রোহিতকে ছাড়িয়ে রেকর্ড বইয়ে বাটলার

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কারাগারে পুতিনবিরোধী নাভালনির ওপর বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল : পাঁচ দেশের বিবৃতি
কারাগারে পুতিনবিরোধী নাভালনির ওপর বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল : পাঁচ দেশের বিবৃতি

১৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুনামগঞ্জে বিয়ে নিয়ে বিরোধে প্রবাসী নিহত
সুনামগঞ্জে বিয়ে নিয়ে বিরোধে প্রবাসী নিহত

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে চুরির অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
চাঁদপুরে চুরির অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের আগে দুঃসংবাদ পেল ব্রাজিল
বিশ্বকাপের আগে দুঃসংবাদ পেল ব্রাজিল

২৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তিতে এগিয়ে আসুন, অন্যথায় সুযোগ হারাবেন: জেলেনস্কিকে ট্রাম্প
চুক্তিতে এগিয়ে আসুন, অন্যথায় সুযোগ হারাবেন: জেলেনস্কিকে ট্রাম্প

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আখাউড়ায় পরিবেশ দূষণরোধে শোভাযাত্রা
আখাউড়ায় পরিবেশ দূষণরোধে শোভাযাত্রা

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে তিন বিএনপি নেতাকে স্থায়ী বহিষ্কার
বরিশালে তিন বিএনপি নেতাকে স্থায়ী বহিষ্কার

৩৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

বিএনপিকে অভিনন্দন জার্মানির, ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার
বিএনপিকে অভিনন্দন জার্মানির, ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

শেষ কার্ডটাই ব্যবহার করছে ইরান?
শেষ কার্ডটাই ব্যবহার করছে ইরান?

৪৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলো মস্কো
ইরানের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলো মস্কো

৪৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যান্টনের ব্যাটে ইংল্যান্ডের স্বস্তির জয়
ব্যান্টনের ব্যাটে ইংল্যান্ডের স্বস্তির জয়

৫২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নেত্রকোনায় সাহিত্য উৎসব
নেত্রকোনায় সাহিত্য উৎসব

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নোংরা পানি আর দুর্গন্ধে অতিষ্ট পৌরসভার বাসিন্দারা
নোংরা পানি আর দুর্গন্ধে অতিষ্ট পৌরসভার বাসিন্দারা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্ব ভালোবাসা দিবসেও পর্যটক শূন্য কুয়াকাটা সৈকত
বিশ্ব ভালোবাসা দিবসেও পর্যটক শূন্য কুয়াকাটা সৈকত

১ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

নিজের ব্যানার খুলতে রাস্তায় নেমে পড়লেন হাবিবুর রশিদ
নিজের ব্যানার খুলতে রাস্তায় নেমে পড়লেন হাবিবুর রশিদ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিএনপিকে অভিনন্দন জানাল হেফাজতে ইসলাম
বিএনপিকে অভিনন্দন জানাল হেফাজতে ইসলাম

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকা-৫ আসনের ফল স্থগিত ও ভোট পুনর্গণনার দাবি বিএনপি প্রার্থীর
ঢাকা-৫ আসনের ফল স্থগিত ও ভোট পুনর্গণনার দাবি বিএনপি প্রার্থীর

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বৃহস্পতির আকার নিয়ে নতুন তথ্য দিল নাসার মহাকাশযান
বৃহস্পতির আকার নিয়ে নতুন তথ্য দিল নাসার মহাকাশযান

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

দলকে ব্যবহার করে অন্যায় করলে কঠোর ব্যবস্থা : ইশরাক
দলকে ব্যবহার করে অন্যায় করলে কঠোর ব্যবস্থা : ইশরাক

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বোনকে উত্যক্তের প্রতিবাদে যুবককে হত্যা
বোনকে উত্যক্তের প্রতিবাদে যুবককে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘সুন্দরবনের ক্ষতিসাধনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে’
‘সুন্দরবনের ক্ষতিসাধনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে’

১ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

ইয়েমেনিদের জন্য অস্থায়ী সুরক্ষিত মর্যাদা বাতিল ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
ইয়েমেনিদের জন্য অস্থায়ী সুরক্ষিত মর্যাদা বাতিল ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাউজানে পাইপগান ও কার্তুজ উদ্ধার
রাউজানে পাইপগান ও কার্তুজ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

রুশ হামলায় সব বিদুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে: জেলেনস্কি
রুশ হামলায় সব বিদুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে: জেলেনস্কি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃমি নির্মূল করে যে পাতার রস
কৃমি নির্মূল করে যে পাতার রস

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

সর্বাধিক পঠিত
জামায়াত গাদ্দারি না করলে ফলাফল অন্যরকম হতো: সারোয়ার তুষার
জামায়াত গাদ্দারি না করলে ফলাফল অন্যরকম হতো: সারোয়ার তুষার

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

'বিএনপি যদি ফেরাতে চায়, তবে আমার নেতাকর্মীদেরও দলে নিতে হবে'
'বিএনপি যদি ফেরাতে চায়, তবে আমার নেতাকর্মীদেরও দলে নিতে হবে'

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দুই কুল হারালেন অলি
দুই কুল হারালেন অলি

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যে পদ্ধতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করবে নতুন সরকার
যে পদ্ধতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করবে নতুন সরকার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জামায়াত আমিরকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা
জামায়াত আমিরকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন যাঁরা
মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন যাঁরা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথমবার সংসদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
প্রথমবার সংসদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

১৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

'নির্বাচনে যারা আমার সঙ্গে ছিলেন না তারাও নিরাপদে থাকবেন'
'নির্বাচনে যারা আমার সঙ্গে ছিলেন না তারাও নিরাপদে থাকবেন'

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

২৯৭ আসনের গেজেট প্রকাশ
২৯৭ আসনের গেজেট প্রকাশ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কর্মস্থলে ফিরতে ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের ব্যবস্থা করলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুর
কর্মস্থলে ফিরতে ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের ব্যবস্থা করলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুর

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১ হাজার অতিথি
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১ হাজার অতিথি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলে হান্নান মাসউদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারালেন বাবা
ছেলে হান্নান মাসউদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারালেন বাবা

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ
তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফাঁসির মঞ্চ থেকে সংসদে যাচ্ছেন যে তিনজন
ফাঁসির মঞ্চ থেকে সংসদে যাচ্ছেন যে তিনজন

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকার কোন আসনে কারা বিজয়ী হলেন, ব্যবধান কত
ঢাকার কোন আসনে কারা বিজয়ী হলেন, ব্যবধান কত

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আগের পেশায় ফিরে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা: আলী রীয়াজ
আগের পেশায় ফিরে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা: আলী রীয়াজ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফুল মিষ্টি নিয়ে পরাজিত প্রার্থীর বাড়িতে আব্দুল্লাহ
ফুল মিষ্টি নিয়ে পরাজিত প্রার্থীর বাড়িতে আব্দুল্লাহ

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নাহিদ ইসলামকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা
নাহিদ ইসলামকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে কোন আসনে কে জয়ী
চট্টগ্রামে কোন আসনে কে জয়ী

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

অসচ্ছল হিন্দুদের পাশে নবনির্বাচিত এমপি কায়কোবাদ
অসচ্ছল হিন্দুদের পাশে নবনির্বাচিত এমপি কায়কোবাদ

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সংসদে যাচ্ছেন পিন্টু-টুকু দুই ভাই
সংসদে যাচ্ছেন পিন্টু-টুকু দুই ভাই

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং করে এত ভোট পেয়েছেন পাটওয়ারী : মির্জা আব্বাস
নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং করে এত ভোট পেয়েছেন পাটওয়ারী : মির্জা আব্বাস

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দুই দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার হারাল ভারত
দুই দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার হারাল ভারত

২৩ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

রংপুর বিভাগে ৩৩ আসনে ২৭ জনই নতুন বিজয়ী
রংপুর বিভাগে ৩৩ আসনে ২৭ জনই নতুন বিজয়ী

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ময়মনসিংহে ধানের শীষের দাপট, তবে স্বতন্ত্র ও জামায়াতের চমক
ময়মনসিংহে ধানের শীষের দাপট, তবে স্বতন্ত্র ও জামায়াতের চমক

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মনোনয়ন না পেলেও সংসদে পৌঁছালেন সাত স্বতন্ত্র প্রার্থী
মনোনয়ন না পেলেও সংসদে পৌঁছালেন সাত স্বতন্ত্র প্রার্থী

৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রংপুরে ‘লাঙলের জানাজা’র ছবি ভাইরাল
রংপুরে ‘লাঙলের জানাজা’র ছবি ভাইরাল

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন দুর্বলতা: তারেক রহমান
জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন দুর্বলতা: তারেক রহমান

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংসদের চেয়ে গণভোটে বেশি ভোট পড়া নিয়ে যা বললেন আলী রীয়াজ
সংসদের চেয়ে গণভোটে বেশি ভোট পড়া নিয়ে যা বললেন আলী রীয়াজ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
হারলেন যেসব হেভিওয়েট
হারলেন যেসব হেভিওয়েট

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির সাত বিদ্রোহী জয়ী
বিএনপির সাত বিদ্রোহী জয়ী

পেছনের পৃষ্ঠা

জামানত হারালেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না
জামানত হারালেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বকনিষ্ঠ এমপি হান্নান মাসউদ, বয়োজ্যেষ্ঠ খন্দকার মোশাররফ
সর্বকনিষ্ঠ এমপি হান্নান মাসউদ, বয়োজ্যেষ্ঠ খন্দকার মোশাররফ

পেছনের পৃষ্ঠা

চূড়ান্ত ফলে কার কত আসন
চূড়ান্ত ফলে কার কত আসন

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রথমবার সংসদে তাঁরা
প্রথমবার সংসদে তাঁরা

পেছনের পৃষ্ঠা

যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞ
যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞ

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রামে বিএনপির জয়ের নেপথ্যে
চট্টগ্রামে বিএনপির জয়ের নেপথ্যে

নগর জীবন

রংপুরে জাপার অহংকার চূর্ণ
রংপুরে জাপার অহংকার চূর্ণ

নগর জীবন

নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা
নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা

পেছনের পৃষ্ঠা

একটি আসনও পায়নি জাতীয় পার্টি
একটি আসনও পায়নি জাতীয় পার্টি

পেছনের পৃষ্ঠা

শত্রুদের হুঁশিয়ারি দিলেন খামেনি
শত্রুদের হুঁশিয়ারি দিলেন খামেনি

প্রথম পৃষ্ঠা

হ্যাঁ ৪ কোটি ৮০ লাখ না ২ কোটি ২৫ লাখ
হ্যাঁ ৪ কোটি ৮০ লাখ না ২ কোটি ২৫ লাখ

প্রথম পৃষ্ঠা

দৃষ্টি এখন মন্ত্রিসভায়
দৃষ্টি এখন মন্ত্রিসভায়

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজনৈতিক ধারাবাহিক সাফল্যে জামায়াত
রাজনৈতিক ধারাবাহিক সাফল্যে জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

সর্বাধিক ভোটের ব্যবধানে জয় বিএনপির আলমের
সর্বাধিক ভোটের ব্যবধানে জয় বিএনপির আলমের

পেছনের পৃষ্ঠা

অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ব্যর্থ ইউনূস
অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ব্যর্থ ইউনূস

পেছনের পৃষ্ঠা

বাসন্তী ভালোবাসার দিন আজ
বাসন্তী ভালোবাসার দিন আজ

পেছনের পৃষ্ঠা

ঢাকার ২০ আসনের ১৩টিতে বিএনপি ৭ জামায়াত জোট
ঢাকার ২০ আসনের ১৩টিতে বিএনপি ৭ জামায়াত জোট

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন
১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকার গঠন

প্রথম পৃষ্ঠা

ভোটে জিতলেও ভাগ্য নির্ধারণ আদালতে
ভোটে জিতলেও ভাগ্য নির্ধারণ আদালতে

পেছনের পৃষ্ঠা

দেশের বড় অংশে বিএনপির একচ্ছত্র আধিপত্য
দেশের বড় অংশে বিএনপির একচ্ছত্র আধিপত্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জয়ী হলেন সাত নারী
জয়ী হলেন সাত নারী

পেছনের পৃষ্ঠা

এনসিপির ছয় নেতা যাচ্ছেন সংসদে
এনসিপির ছয় নেতা যাচ্ছেন সংসদে

প্রথম পৃষ্ঠা

ফল স্থগিত ও পুনর্নির্বাচনের দাবি আমিনুলের
ফল স্থগিত ও পুনর্নির্বাচনের দাবি আমিনুলের

পেছনের পৃষ্ঠা

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

চার জেলায় সব আসন জামায়াতের
চার জেলায় সব আসন জামায়াতের

দেশগ্রাম

ক্ষমতার নয়, মানুষের রাজনীতি করি
ক্ষমতার নয়, মানুষের রাজনীতি করি

নগর জীবন

রেকর্ড গড়ে দেশের নেতৃত্বে তারেক রহমান
রেকর্ড গড়ে দেশের নেতৃত্বে তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

২০৩০ সাল পর্যন্ত ব্রাজিলের সঙ্গী আনচেলত্তি
২০৩০ সাল পর্যন্ত ব্রাজিলের সঙ্গী আনচেলত্তি

মাঠে ময়দানে