শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:১৭, সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

নির্বাচন উপলক্ষে নীরব চাঁদাবাজি

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
নির্বাচন উপলক্ষে নীরব চাঁদাবাজি

আনিস (ছদ্মনাম), একজন ব্যবসায়ী। গত সপ্তাহে তিনি তার অফিসে যাননি। এক সপ্তাহ ধরে তিনি তার সেলফোনটিও বন্ধ রেখেছেন। অফিসের লোকজন জরুরি প্রয়োজনে তার সঙ্গে দেখা করেন গোপনে। না, কোনো পাওনাদারের ভয়ে নয়। তার বিরুদ্ধে নেই কোনো মামলাও। তবুও কেন তার এই আত্মগোপন? অফিসে তার সহকর্মীরা জানালেন, চাঁদাবাজদের হাত থেকে রক্ষা পেতেই বাধ্য হয়ে তিনি এমন পন্থা অবলম্বন করেছেন। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই তার অফিসে চাঁদাবাজি করতে আসতে থাকেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে লোকজন। নির্বাচনের জন্য টাকা লাগবে, এমন চাপ বাড়তেই থাকে, প্রতিদিন। অসহায় এই ব্যবসায়ী কাকে চাঁদা দেবেন, কতজনকে দেবেন? অগত্যা এই আত্মগোপন।

শুধু আনিস একা নন, বাংলাদেশের বড় ব্যবসায়ী থেকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সবারই এখন একই অবস্থা। চাঁদাবাজির অত্যাচার থেকে বাঁচতে বেশির ভাগ বেসরকারি শিল্পোদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী এখন একরকম পলাতক জীবনযাপন করছেন। অফিসে যাচ্ছেন না ঠিকমতো, নিজের মোবাইল ফোন বন্ধ রাখছেন। নীরব চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। এমনিতেই গত দেড় বছর অর্থনীতির অবস্থা ভালো নয়। মব সন্ত্রাস, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, মামলা-হামলায় অস্থির বেসরকারি খাত। নতুন বিনিয়োগের ন্যূনতম পরিবেশ নেই। প্রতিকূল পরিবেশের কারণে প্রতিষ্ঠান চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন শিল্প মালিকরা। অনেকেই শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছেন। এর মধ্যে নির্বাচনি চাঁদাবাজি যেন মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা। নীরব চাঁদাবাজির মহামারি শুরু হয়েছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকেই। আওয়ামী লীগের পতনের পর একশ্রেণির সুযোগসন্ধানী মাঠে নামেন। নানা ধরনের পরিচয়ে তারা দেশজুড়ে শুরু করেন চাঁদাবাজি আর লুটপাট। এই ধারা এখনো অব্যাহত। ক্ষমতার পট পরিবর্তনের ধাক্কায় কেবল চেহারায় বদল ঘটেছে, চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি। সরকার বদলের শুরুর দিকে কিছুটা ‘বিরতি’র পর চাঁদাবাজির হাতবদল হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জেলফেরত শীর্ষ সন্ত্রাসীরা। দলেবলে মাঠে নেমে পড়েছে চাঁদাবাজরা। ডিশ-ইন্টারনেট ব্যবসা, দরপত্র নিয়ন্ত্রণ, পরিবহন, ফুটপাত, বাজার, ঝুট ব্যবসা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও নির্মাণকাজ থেকে চাঁদাবাজি ও আর্থিক সুবিধা আদায়ের ঘটনা ঘটছে দেশের সর্বত্র। চাঁদাবাজদের সবচেয়ে বড় টার্গেট পয়েন্ট হচ্ছে শিল্পাঞ্চল, বাণিজ্যিক এলাকা, বাস, নৌ টার্মিনাল ও হাটবাজার। এই চাঁদাবাজদের বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, সব সময়ই ক্ষমতাসীন দলের অনুগত হয়ে আশ্রয়-প্রশ্রয়ে থাকা। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ১৫ বছরের শাসনামলে ব্যবসায়ী আর বাসিন্দারা অতিষ্ঠ ছিলেন এই চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের অত্যাচারে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সেই সরকারের পতনের পর নির্যাতিতরা ভেবেছিলেন তাদের ভাগ্যে বোধ হয় পরিবর্তন আসবে, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেটা ঘটেনি। বিগত সরকারের আমলের চাঁদাবাজদের ছেড়ে যাওয়া শূন্য আসন পূর্ণ হয়ে গেছে খুব দ্রুতই। সব পয়েন্টেই আবার নতুন করে শুরু হয়েছে দখল ও চাঁদাবাজি। আর এই চাঁদাবাজরাও বর্তমান সময়ে সুবিধাজনক অবস্থায় থাকা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কিছু অসাধু নেতার আশীর্বাদপুষ্ট। তবে পুলিশের চাঁদাবাজি নিয়ে আপাতত তেমন অভিযোগ মিলছে না। এখন শুরু হয়েছে বিভিন্ন দলের প্রার্থীর নামে চাঁদাবাজি। এতে আতঙ্কে রয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

সাম্প্রতিক সময়ে চাঁদার জন্য গুলি, হামলা ও হত্যায় উৎকণ্ঠা আরও বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধারে অগ্রগতি না থাকায় আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে সন্ত্রাসীরা।

চট্টগ্রামের চান্দনপুরা এলাকা। গভীর রাতে মুখোশধারী দুর্বৃত্তদের গুলিতে কেঁপে ওঠে সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানের বাসভবন। গত ২ জানুয়ারি ভোরের আলোয় কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে একটি সাদা মাইক্রোবাসে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। অভিযোগ রয়েছে, বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের নামে বিদেশি নম্বর থেকে ১০ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না দেওয়ায় ভয় দেখাতেই এ হামলা।

কয়েক দিন আগেও চট্টগ্রামের হামজারবাগে একটি নির্মাণাধীন ভবনে চাঁদা না পেয়ে গুলি ও তিন শ্রমিককে ছুরিকাঘাত করে দুর্বৃত্তরা। একই থানায় দুই স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে লুট হয় প্রায় ৩৫০ ভরি স্বর্ণ। সর্বশেষ বিএডিসি কার্যালয়ে ঢুকে টেন্ডার বাগিয়ে নিতে কর্মচারীদের হত্যার হুমকির অভিযোগ উঠেছে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের বিরুদ্ধে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নির্বাচন ঘিরে খাতভিত্তিক প্রকাশ্য ও নীরব চাঁদাবাজি বেড়েছে।

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে ভয় পায়। সম্প্রতি কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলে আক্রান্ত হন। গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধনে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায় একদল দুর্বৃত্ত। ওই এলাকায় কয়েক মাস ধরে নতুন করে চাঁদাবাজি শুরু হওয়ায় তারা প্রতিবাদ জানাতে জড়ো হয়েছিলেন। মানববন্ধন শুরুর প্রায় আধা ঘণ্টা পর হামলাকারীরা হঠাৎ তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এতে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতাও ছিল দর্শকের। এ ঘটনা থেকেই বোঝা যায়, চাঁদাবাজদের কাছে মানুষ কতটা অসহায়. কতটা বিপন্ন।

দেশে এখন চাঁদাবাজি চলছে সবখানেই। শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে হাটবাজার, শপিং মল থেকে মুদির দোকান, খেয়াঘাট থেকে পাবলিক টয়লেট, চাঁদাবাজির দৌরাত্ম্য কোথায় নেই। চাঁদাবাজরা এখন সরকারের চেয়েও ক্ষমতাবান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ভয় পায়। দেশে এখন কে ক্ষমতাবান তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও ঠিকমতো বুঝতে পারেন না। কার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন আর কার বিরুদ্ধে নেবেন না- সেটা এখন গোলকধাঁধা। কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের চাকরি নিয়ে টানাটানি হয় কি না, এমন আতঙ্কে থাকেন অনেকেই। তাই চাঁদাবাজরা এখন বুক ফুলিয়ে চলে। কেউ কেউ নিজেদের জুলাই যোদ্ধা দাবি করে। বাস্তবে তারা আসলে যে কী তা যাচাই করার সাহস নেই কারও। জুলাই বিপ্লব কি অবাধে চাঁদাবাজির লাইসেন্স দেয়? এসব চাঁদাবাজির কারণে অনেকের কাছেই আজ জুলাই আন্দোলন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। সরকারের কেউ সাহস করে এসব মতলববাজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে না। কেউ তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয় না।

চাঁদাবাজরা কোনো দলের হতে পারে না, চাঁদাবাজরা দেশের শত্রু, জনগণের শক্র- এই কথাটা সাহস করে বলে, সরকার চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেনি। ফলে চাঁদাবাজরা গত দেড় বছরে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এবং রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তারা চাঁদাবাজি করেছে ভয়হীনভাবে। চাঁদাবাজ, অবৈধ অস্ত্রধারী, চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করেই সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির জন্য দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই। ফলে নির্বাচনি আমেজ চাঁদাবাজদের জন্য নিয়ে এসেছে আকর্ষণীয় সুযোগ। এই নির্বাচনি মৌসুম চাঁদাবাজদের করেছে আরও বেপরোয়া। যে যেভাবে পারছে শুরু করেছে চাঁদাবাজি। কয়েকজন একত্রিত হয়ে, বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে যাচ্ছে। কোনো প্রার্থী অথবা দলের নামে নির্বাচনি তহবিলের জন্য অর্থ দাবি করছে, না দিলে প্রথমে হুমকি, তারপর মিথ্যা মামলা। আর মামলার পরই শুরু হয় মব সন্ত্রাস। অর্থাৎ হয় আপনি তাদের চাঁদা দেবেন না হলে আপনি প্রবেশ করবেন হয়রানি আর দুর্ভোগের অন্ধকার টানেলে। এরকম একটি ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে আজ দেশে। অবিলম্বে এই অরাজকতা বন্ধ করতে হবে। চাঁদাবাজদের সর্বগ্রাসী তৎপরতা বন্ধ করতে হলে সরকারকে অবিলম্বে কঠোর হতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোকে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য অবস্থান নিতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোকে বলতে হবে, তারা কোনো চাঁদাবাজকে আশ্রয় দেবে না। এই নির্বাচনে সবাই মিলে সম্মিলিতভাবে চাঁদাবাজদের বয়কট করতে হবে। না বলতে হবে চাঁদাবাজকে। চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ না হতে পারলে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বিলীন হয়ে যাবে। নির্বাচনে যারাই জয়ী হোক, চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে তারা জনগণের কল্যাণ করতে পারবে না। আমরা কি পারব চাঁদাবাজি মুক্ত একটি বাংলাদেশ গড়তে? নাকি এই দুর্বৃত্তদের কাছে জিম্মি হয়ে থাকব?

এই বিভাগের আরও খবর
রমজানে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ
রমজানে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ
তৎসম শব্দের গাম্ভীর্য কাটিয়ে ভাষা সাধারণের বোধগম্য হয়েছে
তৎসম শব্দের গাম্ভীর্য কাটিয়ে ভাষা সাধারণের বোধগম্য হয়েছে
কাল বিদায় অন্তর্বর্তী সরকারের
কাল বিদায় অন্তর্বর্তী সরকারের
যথাসময়েই গেজেট হয়েছে, অভিযোগ থাকলে কোর্টে যান
যথাসময়েই গেজেট হয়েছে, অভিযোগ থাকলে কোর্টে যান
ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন
ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন
নতুন সরকারের শপথের পর ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী
নতুন সরকারের শপথের পর ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী
মিষ্টি আর ফুল পাঠালেন মমতা
মিষ্টি আর ফুল পাঠালেন মমতা
আমি পদত্যাগ করিনি
আমি পদত্যাগ করিনি
নির্বাচন নিয়ে যা বললেন রাশিয়ার সিইসি
নির্বাচন নিয়ে যা বললেন রাশিয়ার সিইসি
জুলাই জাদুঘরে ঢুকতে হবে পাঁচ গুণ বেশি টাকা দিয়ে!
জুলাই জাদুঘরে ঢুকতে হবে পাঁচ গুণ বেশি টাকা দিয়ে!
কী ঘটেছিল হাতিয়ায়
কী ঘটেছিল হাতিয়ায়
৩২ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি ১১ দলীয় ঐক্যের
৩২ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি ১১ দলীয় ঐক্যের
সর্বশেষ খবর
টেকনাফে ধরা পড়ল ২০০ কেজির ‘পাখি মাছ’
টেকনাফে ধরা পড়ল ২০০ কেজির ‘পাখি মাছ’

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জানুয়ারির ই-ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়লো
জানুয়ারির ই-ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়লো

২০ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ফরিদপুর-৪ আসনে ৩০ বছর পর ধানের শীষের জয়
ফরিদপুর-৪ আসনে ৩০ বছর পর ধানের শীষের জয়

২৩ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

টম ক্রুজের সঙ্গে ব্র্যাড পিটের লড়াই!
টম ক্রুজের সঙ্গে ব্র্যাড পিটের লড়াই!

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বিসিএলের স্কোয়াড-সূচি ঘোষণা
বিসিএলের স্কোয়াড-সূচি ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজা পুনর্নির্মাণে ৫০০ কোটি ডলারের বেশি সহায়তার ঘোষণা
গাজা পুনর্নির্মাণে ৫০০ কোটি ডলারের বেশি সহায়তার ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ভিসি বুয়েট অধ্যাপক আবদুল হাছিব
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ভিসি বুয়েট অধ্যাপক আবদুল হাছিব

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

গাজা পুনর্গঠনে ৫ বিলিয়ন ডলার দিতে চেয়েছে বিভিন্ন দেশ
গাজা পুনর্গঠনে ৫ বিলিয়ন ডলার দিতে চেয়েছে বিভিন্ন দেশ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশ্চিম তীরের জমি রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে অনুমোদন দিল ইসরায়েল
পশ্চিম তীরের জমি রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে অনুমোদন দিল ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফের শুরু হচ্ছে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক আলোচনা
ফের শুরু হচ্ছে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক আলোচনা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিরোজপুরে ২ বিএনপি নেতা কুপিয়ে জখম
পিরোজপুরে ২ বিএনপি নেতা কুপিয়ে জখম

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোনারগাঁয়ে বস্তাবন্দি যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সোনারগাঁয়ে বস্তাবন্দি যুবকের মরদেহ উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলামের দৃষ্টিতে দেশ গড়ার চ্যালেঞ্জ
ইসলামের দৃষ্টিতে দেশ গড়ার চ্যালেঞ্জ

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মুন্সীগঞ্জে পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে ৩০টি তাজা ককটেল উদ্ধার
মুন্সীগঞ্জে পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে ৩০টি তাজা ককটেল উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফোকলা অর্থনীতি সচল করার পরীক্ষা
ফোকলা অর্থনীতি সচল করার পরীক্ষা

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

যাত্রাবাড়ীতে ছুরিকাঘাতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিহত
যাত্রাবাড়ীতে ছুরিকাঘাতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্মাণাধীন বাড়ির ট্যাংকে মিলল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ
নির্মাণাধীন বাড়ির ট্যাংকে মিলল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জেলেই চোখ পরীক্ষা, মানতে নারাজ ইমরান খানের দল
জেলেই চোখ পরীক্ষা, মানতে নারাজ ইমরান খানের দল

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমারখালীতে ইমামের ওপর হামলার অভিযোগ
কুমারখালীতে ইমামের ওপর হামলার অভিযোগ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নতুন সংসদের যাত্রা হোক পরিবর্তনের অঙ্গীকার দিয়ে
নতুন সংসদের যাত্রা হোক পরিবর্তনের অঙ্গীকার দিয়ে

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

এ ধরনের ‘নতুন সংস্কৃতি’ রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনে: তাহের
এ ধরনের ‘নতুন সংস্কৃতি’ রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনে: তাহের

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সরকারের ব্যাংক ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা
সরকারের ব্যাংক ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা

৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পাকিস্তানকে সহজেই হারিয়ে সুপার এইটে ভারত
পাকিস্তানকে সহজেই হারিয়ে সুপার এইটে ভারত

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মন্ত্রিপরিষদে আলোচনায় সিলেটের এম নাসের রহমান
মন্ত্রিপরিষদে আলোচনায় সিলেটের এম নাসের রহমান

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নতুন চার মহাকাশচারী পৌঁছালেন মহাকাশ স্টেশনে
নতুন চার মহাকাশচারী পৌঁছালেন মহাকাশ স্টেশনে

৬ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিমকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা
পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিমকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়ের গুজব নিয়ে ম্রুণাল বললেন ‌‘টাকা দিয়েও এত পাবলিসিটি পেতাম না’
বিয়ের গুজব নিয়ে ম্রুণাল বললেন ‌‘টাকা দিয়েও এত পাবলিসিটি পেতাম না’

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বিসিএলের চার দলের স্কোয়াড ঘোষণা, থাকছেন না তাসকিন
বিসিএলের চার দলের স্কোয়াড ঘোষণা, থাকছেন না তাসকিন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মার্চ-এপ্রিলে তাপপ্রবাহ ও কালবৈশাখীর আশঙ্কা
মার্চ-এপ্রিলে তাপপ্রবাহ ও কালবৈশাখীর আশঙ্কা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জুলাইয়ে মাঠে গড়াচ্ছে গ্লোবাল সুপার লিগের নতুন আসর
জুলাইয়ে মাঠে গড়াচ্ছে গ্লোবাল সুপার লিগের নতুন আসর

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
রমজান মাসে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ
রমজান মাসে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদির যোগদান অনিশ্চিত
যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদির যোগদান অনিশ্চিত

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেতাকর্মীদের যে বার্তা দিলেন জামায়াত আমির
নেতাকর্মীদের যে বার্তা দিলেন জামায়াত আমির

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আজিজ খান, এস আলমের ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন
আজিজ খান, এস আলমের ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

'একটা লোকও ভোট দিল না'
'একটা লোকও ভোট দিল না'

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিভিন্ন আসনে ভোট পুনর্গণনার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত জানাল ইসি
বিভিন্ন আসনে ভোট পুনর্গণনার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত জানাল ইসি

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ আসলে কী?
‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ আসলে কী?

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উপদেষ্টাদের দায়িত্ব পালনের সময়সীমা জানালেন রিজওয়ানা হাসান
উপদেষ্টাদের দায়িত্ব পালনের সময়সীমা জানালেন রিজওয়ানা হাসান

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে গাড়ি
নতুন মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে গাড়ি

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শপথের পর সংসদ সদস্যরা কী কী সুযোগ সুবিধা পান
শপথের পর সংসদ সদস্যরা কী কী সুযোগ সুবিধা পান

১৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'কোথাও যাচ্ছি না, আমার শেকড় এই মাটিতেই'
'কোথাও যাচ্ছি না, আমার শেকড় এই মাটিতেই'

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নাহিদ ইসলামের বাসায় তারেক রহমান
নাহিদ ইসলামের বাসায় তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কাল রাজধানীতে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল
কাল রাজধানীতে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পরবর্তী মন্ত্রিসভায় আমার থাকার প্রশ্নই ওঠে না: আসিফ নজরুল
পরবর্তী মন্ত্রিসভায় আমার থাকার প্রশ্নই ওঠে না: আসিফ নজরুল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জামায়াত আমিরের বাসায় তারেক রহমান
জামায়াত আমিরের বাসায় তারেক রহমান

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৩২ আসনে ভোট পুনঃগণনার দাবি জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য
৩২ আসনে ভোট পুনঃগণনার দাবি জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রমজানে স্কুল বন্ধের বিষয়ে যা বলছে অধিদফতর
রমজানে স্কুল বন্ধের বিষয়ে যা বলছে অধিদফতর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভিসা ছাড়াই চীন ভ্রমণ কার্যকর হচ্ছে মঙ্গলবার
ভিসা ছাড়াই চীন ভ্রমণ কার্যকর হচ্ছে মঙ্গলবার

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ৪৯.৯৭% ও জামায়াত ৩১.৭৬% ভোট পেয়েছে: ইসি
বিএনপি ৪৯.৯৭% ও জামায়াত ৩১.৭৬% ভোট পেয়েছে: ইসি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দিল্লির প্রেস মিনিস্টারের চুক্তি বাতিল
দিল্লির প্রেস মিনিস্টারের চুক্তি বাতিল

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির সঙ্গে সরাসরি বসে কথা বলতে ইচ্ছুক ট্রাম্প
খামেনির সঙ্গে সরাসরি বসে কথা বলতে ইচ্ছুক ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সন্ধ্যায় শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন তারেক রহমান
সন্ধ্যায় শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন তারেক রহমান

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পদত্যাগের গুঞ্জন নিয়ে আইজিপি বললেন ‘সংবাদ সত্য নয়’
পদত্যাগের গুঞ্জন নিয়ে আইজিপি বললেন ‘সংবাদ সত্য নয়’

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ দলীয় জোট যৌথভাবেই বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে: আযাদ
১১ দলীয় জোট যৌথভাবেই বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে: আযাদ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এমপিদের শপথ পড়ানোর চিঠি আজই পেতে পারে কমিশন: ইসি আনোয়ারুল
এমপিদের শপথ পড়ানোর চিঠি আজই পেতে পারে কমিশন: ইসি আনোয়ারুল

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ ভারতকেই নিতে হবে: বিবিসির প্রতিবেদন
বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ ভারতকেই নিতে হবে: বিবিসির প্রতিবেদন

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

এক লাখের বেশি ভোটে জয়ী ৩১ প্রার্থী, কোন দলে কত
এক লাখের বেশি ভোটে জয়ী ৩১ প্রার্থী, কোন দলে কত

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রিন্ট সর্বাধিক
খালেদা জিয়ার পর কেউ ওঠেননি সেই লাল বাড়িটিতে
খালেদা জিয়ার পর কেউ ওঠেননি সেই লাল বাড়িটিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

কী ঘটেছিল হাতিয়ায়
কী ঘটেছিল হাতিয়ায়

প্রথম পৃষ্ঠা

জুলাই জাদুঘরে ঢুকতে হবে পাঁচ গুণ বেশি টাকা দিয়ে!
জুলাই জাদুঘরে ঢুকতে হবে পাঁচ গুণ বেশি টাকা দিয়ে!

প্রথম পৃষ্ঠা

ধানের শীষে ৫০, দাঁড়িপাল্লায় পড়েছে ৩২ শতাংশ ভোট
ধানের শীষে ৫০, দাঁড়িপাল্লায় পড়েছে ৩২ শতাংশ ভোট

প্রথম পৃষ্ঠা

মিষ্টি আর ফুল পাঠালেন মমতা
মিষ্টি আর ফুল পাঠালেন মমতা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ইয়াবার আরও ভয়াবহ বিস্তার অপ্রচলিত মাদকে নতুন ভয়
ইয়াবার আরও ভয়াবহ বিস্তার অপ্রচলিত মাদকে নতুন ভয়

পেছনের পৃষ্ঠা

নারী দল নিয়ে কেন লুকোচুরি!
নারী দল নিয়ে কেন লুকোচুরি!

মাঠে ময়দানে

নতুন সরকারের শপথের পর ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী
নতুন সরকারের শপথের পর ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূস সরকারকে কীভাবে মনে রাখবে বাংলাদেশ
ইউনূস সরকারকে কীভাবে মনে রাখবে বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সম্প্রীতির নতুন রাজনীতি
সম্প্রীতির নতুন রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন
ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন

প্রথম পৃষ্ঠা

কাল বিদায় অন্তর্বর্তী সরকারের
কাল বিদায় অন্তর্বর্তী সরকারের

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন : ধর্ম, রাজনীতি ও ব্যক্তিগত জীবন
নির্বাচন : ধর্ম, রাজনীতি ও ব্যক্তিগত জীবন

সম্পাদকীয়

যথাসময়েই গেজেট হয়েছে, অভিযোগ থাকলে কোর্টে যান
যথাসময়েই গেজেট হয়েছে, অভিযোগ থাকলে কোর্টে যান

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশকে নিয়ে মুগ্ধ সুস্মিতা
বাংলাদেশকে নিয়ে মুগ্ধ সুস্মিতা

শোবিজ

আমি পদত্যাগ করিনি
আমি পদত্যাগ করিনি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন নিয়ে যা বললেন রাশিয়ার সিইসি
নির্বাচন নিয়ে যা বললেন রাশিয়ার সিইসি

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ
রমজানে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

আবেগাপ্লুত মেহজাবীন
আবেগাপ্লুত মেহজাবীন

শোবিজ

কাল খোলা আকাশে ব্যতিক্রমী শপথ
কাল খোলা আকাশে ব্যতিক্রমী শপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের ঘোষণা
ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

ভিজিটর ভিসায় গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষাক্রমে ভর্তি নিষিদ্ধ
ভিজিটর ভিসায় গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষাক্রমে ভর্তি নিষিদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

৩২ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি ১১ দলীয় ঐক্যের
৩২ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি ১১ দলীয় ঐক্যের

প্রথম পৃষ্ঠা

জোনায়েদ সাকির বিজয়ে শোকরানা ও মিলাদ মাহফিল
জোনায়েদ সাকির বিজয়ে শোকরানা ও মিলাদ মাহফিল

দেশগ্রাম

তৎসম শব্দের গাম্ভীর্য কাটিয়ে ভাষা সাধারণের বোধগম্য হয়েছে
তৎসম শব্দের গাম্ভীর্য কাটিয়ে ভাষা সাধারণের বোধগম্য হয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিভিন্ন স্থানে বিএনপি-জামায়াত একে-অপরের ওপর হামলা
বিভিন্ন স্থানে বিএনপি-জামায়াত একে-অপরের ওপর হামলা

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোটের পর বড় উত্থান
ভোটের পর বড় উত্থান

পেছনের পৃষ্ঠা

টর্চের আলোয় বাঁচল প্রাণ
টর্চের আলোয় বাঁচল প্রাণ

পেছনের পৃষ্ঠা

রামপুরায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ৪ মার্চ
রামপুরায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ৪ মার্চ

পেছনের পৃষ্ঠা