জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ‘এই নির্বাচন কমিশনের প্রতি আমরা বিশ্বাস রাখতে পারছি না। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা অংশ নেব কি না, এখন সেটি বিবেচনা করার সময় এসেছে। এই নির্বাচনে আমরা অংশ নেব কি না তা এখনো বিবেচনা করতে পারছি না।’
গতকাল রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় ছাত্রদলের নির্বাচন ভবন ঘেরাও কর্মসূচিকে একটি ‘নাটক’ বলে আখ্যায়িত করেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব, ঋণখেলাপি বা ঋণখেলাপির গ্যারান্টারদের অনেককে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে খবর পেয়েছি। এনসিপির মুখপাত্র আরও বলেন, তারা বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অনেকের সঙ্গে বৈঠক করলেন। এরপর তারা এসে রায় দিলেন। এটা যে একপক্ষীয় হয়েছে, তার প্রতিফলন আমরা দেখতে পেয়েছি। আসিফ মাহমুদ বলেন, রায়ের পূর্বমুহূর্তে যে অপরাধী বা অপরাধীর পক্ষের, তাদের সঙ্গে বসে বিচারক রায় দেন। সেই রায় কোনোভাবেই নিরপেক্ষ রায় হওয়ার সুযোগ নেই। এটা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত।
২৭ আসনে প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ এনসিপির : জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোট থেকে নির্বাচন করতে আসন ভাগাভাগিতে এখন পর্যন্ত ৩০টি আসন পেয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এর মধ্যে ২৭ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে দলটি। বাকি তিনটি আসনে কারা জোটের হয়ে ভোট করবেন তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সবশেষ এ জোট থেকে ইসলামী আন্দোলন বেরিয়ে যাওয়ায় এনসিপির আরও আসনে ভোট করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। সেসব আসন নিয়ে সমঝোতা চূড়ান্ত হলে পরে তাদের বাকি প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। ইতোমধ্যে দলটির শীর্ষ নেতারা তাদের নির্বাচনি এলাকায় প্রচারে নেমেছেন। গতকাল ২৭টি আসনে তাদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে দলটি। প্রার্থীদের ছবিসংবলিত পোস্টার শেয়ার করে তাদের পক্ষে ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে ভোট চেয়েছে দলটি। এর মধ্যে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ঢাকা-১১ আসন থেকে ভোট করবেন। এ আসনেই ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। সদস্যসচিব আখতার হোসেন লড়বেন রংপুর-৪ আসনে।