শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০২:১৬, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬

রমজানের আগেই সক্রিয় বাজার সিন্ডিকেট

সিন্ডিকেটে বন্দি জনগণ - শেষ পর্ব
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
রমজানের আগেই সক্রিয় বাজার সিন্ডিকেট

বাংলাদেশের মানুষের চিরস্থায়ী দুঃখের নাম নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি। বাজারে অস্থিরতা এ যেন এক স্বাভাবিক ঘটনা। বাজারের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই কারও। সিন্ডিকেটে বন্দি দ্রব্যমূল্য। অন্তর্র্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত দেড় বছরে সবচেয়ে বেশি ভোগাচ্ছে দ্রব্যমূল্য। পণ্যের দাম মানুষকে স্বস্তি দিতে পারেনি। বরং স্বল্প আয়ের মানুষের কষ্ট বাড়িয়েছে। বিগত সরকারের আমলের সেই সিন্ডিকেট ভাঙার কোনো আলামতও মেলেনি এখনো। এরই মধ্যে ডিম-মুরগির সিন্ডিকেটের বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে। সরকারের অগ্রাধিকারে থাকলেও বাজারব্যবস্থায় এখনো নিয়ন্ত্রণ আসেনি। বাজারের তথ্য বলছে, ডিম, মুরগি, সবজি, কাঁচা মরিচ, ভোজ্য তেল, চিনিসহ বেশ কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি অস্থিতিশীল ডিম ও পিঁয়াজের দাম। দু-একটি পণ্যের দাম কমেছে অতি সামান্য। এ ছাড়া প্রধান খাদ্যশস্য চালের যে চড়া দাম ছিল, সেটাও বরং আরও একটু বেড়েছে। জিনিসপত্রের দামের ঊর্ধ্বগতির অন্যতম কারণ হলো সিন্ডিকেট। একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে। তারপর দাম বাড়ায় তাদের ইচ্ছামতো। প্রায় সব আমলেই দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করেছে একটি অসাধু বাজার সিন্ডিকেট। চিনির বাজার অনিয়ন্ত্রিত করা, পিঁয়াজ, আলুর বাজারের দৌরাত্ম্যও আমরা দেখলাম। এসব কিছুর পেছনে যে বাজার সিন্ডিকেট তা আজও কেন ভাঙা সম্ভব হচ্ছে না? বাজারের ওই চাঁদাবাজি আজও কেন বন্ধ করা যাচ্ছে না? পণ্য পরিবহন সিন্ডিকেট কেন ভাঙা যাচ্ছে না?

আমাদের দেশের জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১০ শতাংশের বেশি। কৃষিপণ্য উৎপাদনের পরের ধাপ বাজারজাতকরণ। আর এই জায়গায় ওত পেতে বসে থাকে মধ্যস্বত্বভোগীরা। দেশে সাধারণত ফড়িয়া, আড়তদাররাই এ মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণি। নামমাত্র মূল্যে কৃষিপণ্য কিনে দ্বিগুণ বা তিনগুণ দামে বিক্রি করার মতো জঘন্য কাজই তাদের পেশা! পণ্যমূল্য অত্যধিক বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য দায়ী অসাধু ও অতি মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা তথা মধ্যস্বত্বভোগীরা। তারাই পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করে লাভের সিংহভাগ গ্রাস করছে। তাতে পণ্য উৎপাদনকারীরা যেমন চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ভোক্তারা। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অভিমত, কৃষিপণ্যের মুনাফার ৮০ শতাংশ ভোগ করে মধ্যস্বত্বভোগীরা। অথচ অতিরিক্ত মুনাফার বিরুদ্ধে, মজুতদারির বিরুদ্ধে, নকল ও ভেজালের বিরুদ্ধে বহু আইন আছে এবং তা বাস্তবায়ন করার জন্য সরকার বাস্তবমুখী কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। মূলত সিন্ডিকেট ও মধ্যস্বত্বভোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় পণ্যের দাম বেঁধে দিয়েও ইতিবাচক ফল মিলছে না। পণ্য উৎপাদনকারী ও ভোক্তার মধ্যে যদি সরাসরি সংযোগ ঘটান যেত, তা হলে উৎপাদক ও ভোক্তারা মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য থেকে রক্ষা পেত। এমনিতেও আমাদের দেশে কারণে-অকারণেই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেতে আমরা দেখে থাকি। কোনো অজুহাত পেলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বাড়িয়ে দেওয়া হয়। কখনো রোজা, কখনো ঈদ বা কখনো জাতীয় বাজেট ঘোষণার আগে-পরে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি যেন এক নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অশুভ প্রবণতা দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে। তবে এ প্রবণতা এখন বেড়ে গেছে মাত্রাতিরিক্ত হারে। বলতে গেলে, নিত্যপণ্যের বাজারে অর্থনীতির নিয়মের বদলে এখন সিন্ডিকেটের বিধিবিধান কার্যকর রয়েছে। সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে বেআইনিভাবে এ চক্র লাভবান হলেও ভোক্তার স্বার্থরক্ষায় নিয়োজিত সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোও এর বিরুদ্ধে কার্যত কোনো ব্যবস্থাই নিচ্ছে না। উলটো তারা নিজেদের অসহায়ত্ব প্রকাশ করছে। এর মধ্যেই সামনে রমজান। রমজান ঘিরে এখন থেকেই সক্রিয় হয়েছে সিন্ডিকেট চক্র। বর্তমান বাজার পরিস্থিতির দিকে তাকালেই উদ্বেগের কারণ স্পষ্ট হয়। রমজান শুরুর আগেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সবজির বাজার চড়া। সরবরাহ ঘাটতির অজুহাতে কাঁচা মরিচ, শসা, টম্যাটো, ফুলকপি, শিমসহ বেশির ভাগ শীতকালীন সবজির দাম বেড়েছে। কাঁচা মরিচ কেজিতে ১২০ টাকা, শসা ১১০ থেকে ১২০ টাকা, টম্যাটো ৯০ থেকে ১০০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে অনেক সবজির। মুরগির বাজারেও একই চিত্র। ডিমের দাম আপাতত স্থিতিশীল থাকলেও মুরগির দাম বেড়েছে। ব্রয়লার, দেশি ও পাকিস্তানি মুরগির দাম সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা। রমজানে প্রোটিনের প্রধান উৎস হিসেবে মুরগির চাহিদা বাড়ে। এখনই যদি দাম বাড়তে শুরু করে, তাহলে রমজানে এই পণ্য সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এ বছর রমজান আসছে জাতীয় নির্বাচনের ঠিক পরপরই। পুরো প্রশাসন ও রাজনৈতিক অঙ্গন নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত থাকবে। এই সুযোগে যেন মুনাফালোভী ও সুযোগসন্ধানীরা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে এখন থেকেই সতর্ক থাকতে হবে। নির্বাচন আর রমজান দুটি বড় ঘটনাই মানুষের জীবনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। এ সময়ে সামান্য অব্যবস্থাপনাও বড় ধরনের সামাজিক অসন্তোষ তৈরি করতে পারে। ইতোমধ্যে পণ্য মূল্যবৃদ্ধি আলামত শুরু হয়েছে। আসন্ন রমজান সামনে রেখে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে তেল, চিনি, ছোলা ও ডালের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম পাইকারিতে ৩ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। চট্টগ্রামের বৃহত্তম পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে ইতোমধ্যে এই দাম বাড়ার প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহে প্রায় সব ধরনের নিত্যপণ্যের পাইকারি দাম বেড়েছে। দেশি পিঁয়াজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকা কেজিতে, যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ৩৪-৩৮ টাকা। ভারতীয় পিঁয়াজের দাম কেজিতে ৩ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০-৬৫ টাকা। রসুনের দাম কেজিতে ৩ টাকা বেড়ে ১৩০ টাকায় ঠেকেছে। দুই সপ্তাহ আগে ১০০-১০৫ টাকা দরে বিক্রি হওয়া আদা এখন ১১০-১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোলার দাম ৫ টাকা বেড়ে মানভেদে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডালের বাজারে অ্যাংকর ডালের দাম ২ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৪৮ টাকায়। অন্যদিকে পাইকারি পর্যায়ে ১০০ টাকা বেড়ে প্রতি মণ (৪০ কেজি) চিনি ৩ হাজার ৫০০ টাকা ও পাম অয়েল ৫ হাজার ৯৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রমজানের অন্যতম অনুষঙ্গ সেমাইয়ের দামও প্রতি মণে আগের তুলনায় ১০০-১৫০ টাকা বেড়ে বর্তমানে ১ হাজার ৯৫০ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মূল্যবৃদ্ধির এই চাপের নেপথ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাসে সৃষ্ট এক জটিল প্রতিবন্ধকতা। মূল সংকটের জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে বন্দরের বহির্নোঙর ও কুতুবদিয়া চ্যানেল, যেখানে বর্তমানে শতাধিক পণ্যবাহী জাহাজ আটকা পড়ে আছে। বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষমাণ এসব জাহাজে ৪৫ লাখ টনের বেশি ভোগ্যপণ্য খালাসের অপেক্ষায়। এর মধ্যে ২০টি জাহাজে রয়েছে প্রায় ১২ লাখ টন রমজান-সংশ্লিষ্ট খাদ্যপণ্য, যেমন গম, ভুট্টা, সয়াবিন, ছোলা, ডাল ও ভোজ্য তেল। এ ছাড়া আরও পাঁচটি জাহাজে রয়েছে ২ লাখ টনের বেশি চিনি। শুধু খাদ্যপণ্যই নয়, সাতটি জাহাজে সার ও ২৪টি জাহাজে সিমেন্টের ক্লিংকার খালাসের অপেক্ষায় দিন গুনছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ৫০ হাজার টন ধারণক্ষমতার একটি মাদার ভেসেল (বড় জাহাজ) থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে নদীবন্দর ও টার্মিনালে পণ্য পরিবহন করে সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যে খালাস শেষ করা যায়। কিন্তু বর্তমানে লাইটার জাহাজের তীব্র সংকটের কারণে অপেক্ষার সময় কয়েকগুণ বেড়ে ২০ থেকে ৩০ দিনে দাঁড়িয়েছে। অনেক জাহাজ দিনের পর দিন কোনো পণ্যই খালাস করতে পারছে না। ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেল (ডব্লিউটিসি) বলছে, লাইটার জাহাজের চাহিদা সরবরাহের তুলনায় অনেক বেশি। যেমন, ১৩ জানুয়ারি ৯০টি মাদার ভেসেলের পণ্য খালাসের জন্য ১০৪টি লাইটার জাহাজের প্রয়োজন থাকলেও বরাদ্দ দেওয়া গেছে মাত্র ৫০টি। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এখানেও সক্রিয় সিন্ডিকেট চক্র। লক্ষণীয় বিষয় হলো, যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে, সিন্ডিকেট চক্র তাদের ছত্রছায়ায় বেড়ে ওঠে। তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় হয়ে ওঠে অপ্রতিরোধ্য। তাই বাজারের সিন্ডিকেটসহ সব সিন্ডিকেট ভাঙতে দরকার রাজনৈতিক অঙ্গীকার।

এই বিভাগের আরও খবর
৩৫ বছর পর শীর্ষ নেতৃত্বে নারীবিহীন ভোট
৩৫ বছর পর শীর্ষ নেতৃত্বে নারীবিহীন ভোট
শেষ মুহূর্তের জরিপে এগিয়ে বিএনপি
শেষ মুহূর্তের জরিপে এগিয়ে বিএনপি
শঙ্কা থাকলেও ব্যাপক আগ্রহ, রেকর্ডসংখ্যক মানুষ গেছে বাড়িতে
শঙ্কা থাকলেও ব্যাপক আগ্রহ, রেকর্ডসংখ্যক মানুষ গেছে বাড়িতে
দেশজুড়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা
দেশজুড়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা
সবাই সরকারে এলে দেশ চলবে কীভাবে
সবাই সরকারে এলে দেশ চলবে কীভাবে
সচেতনভাবে ভোট দিন
সচেতনভাবে ভোট দিন
ফল প্রকাশের আগ পর্যন্ত শঙ্কামুক্ত নই
ফল প্রকাশের আগ পর্যন্ত শঙ্কামুক্ত নই
যারা নির্বাচিত হবে তাদের সঙ্গেই কাজ
যারা নির্বাচিত হবে তাদের সঙ্গেই কাজ
টাকাসহ আটক বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়
টাকাসহ আটক বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়
ভাষা তার নিজস্ব গতিতে বিবর্তনের দিকে এগিয়ে গেছে
ভাষা তার নিজস্ব গতিতে বিবর্তনের দিকে এগিয়ে গেছে
নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিন ফল মেনে নিন
নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিন ফল মেনে নিন
মুন্সিগঞ্জে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ
মুন্সিগঞ্জে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ
সর্বশেষ খবর
গোপালগঞ্জে ৮ জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ১
গোপালগঞ্জে ৮ জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ১

এই মাত্র | ভোটের হাওয়া

রাদারফোর্ড–মোতির ঝলকে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে শীর্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ
রাদারফোর্ড–মোতির ঝলকে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে শীর্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টাকা ফেরতসহ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমিরকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
টাকা ফেরতসহ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমিরকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

১০ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

নাগরিকত্ব আইন কঠোর করছে সুইডেন
নাগরিকত্ব আইন কঠোর করছে সুইডেন

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় ভোটকেন্দ্রে অনুপ্রবেশের দায়ে জামায়াত নেতা আটক
বগুড়ায় ভোটকেন্দ্রে অনুপ্রবেশের দায়ে জামায়াত নেতা আটক

১৬ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়: ইরান
ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়: ইরান

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রামে বিদেশি পিস্তলসহ রোহিঙ্গা গ্রেফতার
চট্টগ্রামে বিদেশি পিস্তলসহ রোহিঙ্গা গ্রেফতার

২৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কক্সবাজারে সাত বিএনপি কর্মী আটক
আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কক্সবাজারে সাত বিএনপি কর্মী আটক

৩৭ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ভোট কেনাবেচার প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি
ভোট কেনাবেচার প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানে সামরিক কনভয়ে বিস্ফোরণ
ইরানে সামরিক কনভয়ে বিস্ফোরণ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঝিনাইদহে দাঁড়িপাল্লার এজেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩ রেজাল্ট শিট জব্দ
ঝিনাইদহে দাঁড়িপাল্লার এজেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩ রেজাল্ট শিট জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বগুড়ায় ভোটকেন্দ্রের সামনে ছাত্রদল নেতাকে ছুরিকাঘাত
বগুড়ায় ভোটকেন্দ্রের সামনে ছাত্রদল নেতাকে ছুরিকাঘাত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভোটকেন্দ্রে কি সেলফি তোলা যাবে?
ভোটকেন্দ্রে কি সেলফি তোলা যাবে?

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মির্জাগঞ্জে ভোট কেনার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক, মুচলেকায় মুক্ত
মির্জাগঞ্জে ভোট কেনার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক, মুচলেকায় মুক্ত

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কাল সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কাল সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ভূপাতিত বিমানের সংখ্যা নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন ট্রাম্প
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ভূপাতিত বিমানের সংখ্যা নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপালগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ
গোপালগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পিএসএলে দল পেলেন নাহিদ-ইমন
পিএসএলে দল পেলেন নাহিদ-ইমন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টাকা উদ্ধারের নামে অনেকের ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে : আসিফ মাহমুদ
টাকা উদ্ধারের নামে অনেকের ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে : আসিফ মাহমুদ

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যাচাই শেষে আটক কৃষকদল নেতা মুক্ত
যাচাই শেষে আটক কৃষকদল নেতা মুক্ত

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশে চীনকে মোকাবিলায় নতুন কৌশল ওয়াশিংটনের
বাংলাদেশে চীনকে মোকাবিলায় নতুন কৌশল ওয়াশিংটনের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু
বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জয়পুরহাটে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ১১
জয়পুরহাটে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ১১

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

খোসাসহ পেয়ারা খাচ্ছেন? কী হয় জেনে নিন
খোসাসহ পেয়ারা খাচ্ছেন? কী হয় জেনে নিন

৩ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

মার্শের অণ্ডকোষে রক্তক্ষরণ : বিশ্বকাপ মিশন কী শেষ অজি অধিনায়কের?
মার্শের অণ্ডকোষে রক্তক্ষরণ : বিশ্বকাপ মিশন কী শেষ অজি অধিনায়কের?

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তৎপরতা, স্যাটেলাইট চিত্র কি বলছে?
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তৎপরতা, স্যাটেলাইট চিত্র কি বলছে?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপেই টি-টোয়েন্টিতে ফিরতে পারেন স্মিথ
বিশ্বকাপেই টি-টোয়েন্টিতে ফিরতে পারেন স্মিথ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘কেন্দ্রে ঢুকে প্রভাব বিস্তার’: মিরপুরে জামায়াতের ২ এজেন্টের কারাদণ্ড
‘কেন্দ্রে ঢুকে প্রভাব বিস্তার’: মিরপুরে জামায়াতের ২ এজেন্টের কারাদণ্ড

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোট ঘিরে টাকা ছড়াচ্ছে জামায়াত: সিইসির কাছে অভিযোগ বিএনপির
ভোট ঘিরে টাকা ছড়াচ্ছে জামায়াত: সিইসির কাছে অভিযোগ বিএনপির

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান
রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন ৪ স্বতন্ত্র প্রার্থী
তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন ৪ স্বতন্ত্র প্রার্থী

৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

৬ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতার বিএনপিতে যোগদান
৬ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতার বিএনপিতে যোগদান

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিমানবন্দরে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির ৭৪ লাখ টাকাসহ আটক
বিমানবন্দরে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির ৭৪ লাখ টাকাসহ আটক

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দেওয়াই ছিল একমাত্র লক্ষ্য: পিসিবি চেয়ারম্যান
বাংলাদেশের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দেওয়াই ছিল একমাত্র লক্ষ্য: পিসিবি চেয়ারম্যান

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সব যান বন্ধ নয়: কারা চলাচলে ছাড় পাচ্ছে
সব যান বন্ধ নয়: কারা চলাচলে ছাড় পাচ্ছে

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইন্টারনেট বন্ধ নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন সংশোধন
ইন্টারনেট বন্ধ নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন সংশোধন

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডাবের পানি স্বাস্থ্যের জন্য এতটা কার্যকর কেন?
ডাবের পানি স্বাস্থ্যের জন্য এতটা কার্যকর কেন?

১৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

যে চার উপায়ে জানবেন ভোটার নম্বর
যে চার উপায়ে জানবেন ভোটার নম্বর

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটকেন্দ্রে যেসব কাজ করতে পারবে না পুলিশ
ভোটকেন্দ্রে যেসব কাজ করতে পারবে না পুলিশ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশের সব দোকান-শপিং মল আজ বন্ধ, খোলা কবে?
দেশের সব দোকান-শপিং মল আজ বন্ধ, খোলা কবে?

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

‘কেন্দ্রে ঢুকে প্রভাব বিস্তার’: মিরপুরে জামায়াতের ২ এজেন্টের কারাদণ্ড
‘কেন্দ্রে ঢুকে প্রভাব বিস্তার’: মিরপুরে জামায়াতের ২ এজেন্টের কারাদণ্ড

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটারদের কেন্দ্রে আনার জন্য যানবাহন ব্যবহার নিষিদ্ধ: ইসি
ভোটারদের কেন্দ্রে আনার জন্য যানবাহন ব্যবহার নিষিদ্ধ: ইসি

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন শেষে কখন রাস্তায় ফিরবে মোটরসাইকেল
নির্বাচন শেষে কখন রাস্তায় ফিরবে মোটরসাইকেল

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নিজেকে ভোট দিতে পারছেন না তাসনিম জারা ও ববি হাজ্জাজ
নিজেকে ভোট দিতে পারছেন না তাসনিম জারা ও ববি হাজ্জাজ

৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

গৃহকর্মীকে নির্যাতন; আদালতে উঠে এলো বিমানের সাবেক এমডির বাসার লোমহর্ষক বর্ণনা
গৃহকর্মীকে নির্যাতন; আদালতে উঠে এলো বিমানের সাবেক এমডির বাসার লোমহর্ষক বর্ণনা

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পাকিস্তান পাশে না দাঁড়ালে কী হতো বাংলাদেশের সঙ্গে
পাকিস্তান পাশে না দাঁড়ালে কী হতো বাংলাদেশের সঙ্গে

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সিরাজগঞ্জে ‘ভোট কিনতে’ গিয়ে জনতার ধাওয়া খেয়ে পালালো জামায়াত নেতা
সিরাজগঞ্জে ‘ভোট কিনতে’ গিয়ে জনতার ধাওয়া খেয়ে পালালো জামায়াত নেতা

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ঠাকুরগাঁও আমিরকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে: জামায়াত
ঠাকুরগাঁও আমিরকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে: জামায়াত

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মহানাটকীয় টাই, ডাবল সুপার ওভারে আফগানদের বিশ্বকাপ স্বপ্নে ধাক্কা
মহানাটকীয় টাই, ডাবল সুপার ওভারে আফগানদের বিশ্বকাপ স্বপ্নে ধাক্কা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঝিনাইদহে দাঁড়িপাল্লার এজেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩ রেজাল্ট শিট জব্দ
ঝিনাইদহে দাঁড়িপাল্লার এজেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩ রেজাল্ট শিট জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইন্ডিয়ান সুপার লিগের আয় কমে গেছে ৯৭ শতাংশ
ইন্ডিয়ান সুপার লিগের আয় কমে গেছে ৯৭ শতাংশ

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল শুক্রবার: ইসি সানাউল্লাহ
নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল শুক্রবার: ইসি সানাউল্লাহ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোট কেনার সময় সূত্রাপুর থানা জামায়াতের আমির আটক, কারাদণ্ড
ভোট কেনার সময় সূত্রাপুর থানা জামায়াতের আমির আটক, কারাদণ্ড

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ভূপাতিত বিমানের সংখ্যা নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন ট্রাম্প
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ভূপাতিত বিমানের সংখ্যা নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান
রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভোট বেশি পড়লে বিএনপি, কম পড়লে জামায়াত সুফল পাবে : বিআইডিডি
ভোট বেশি পড়লে বিএনপি, কম পড়লে জামায়াত সুফল পাবে : বিআইডিডি

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আটক ঠাকুরগাঁও জামায়াতের আমির রমেকের সিসিইউতে ভর্তি
আটক ঠাকুরগাঁও জামায়াতের আমির রমেকের সিসিইউতে ভর্তি

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানের সঙ্গে আলোচনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি রণতরী পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে আলোচনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি রণতরী পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় ‘টাকা বিতরণের’ অভিযোগে জামায়াত নেতা আটক
কুমিল্লায় ‘টাকা বিতরণের’ অভিযোগে জামায়াত নেতা আটক

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রিন্ট সর্বাধিক
শেষ মুহূর্তের জরিপে এগিয়ে বিএনপি
শেষ মুহূর্তের জরিপে এগিয়ে বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

ইতিহাসে প্রথম দুই ব্যালটে ভোট
ইতিহাসে প্রথম দুই ব্যালটে ভোট

ভোটের মাঠে

নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশায় দেশবাসী
নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশায় দেশবাসী

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশে গণভোটের ইতিহাস
বাংলাদেশে গণভোটের ইতিহাস

ভোটের মাঠে

ভোটের আগে টাকার খেলা
ভোটের আগে টাকার খেলা

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে জানবেন ভোট কেন্দ্র
যেভাবে জানবেন ভোট কেন্দ্র

ভোটের মাঠে

মুন্সিগঞ্জে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ
মুন্সিগঞ্জে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ

প্রথম পৃষ্ঠা

পল্লবীতে পোলিং অফিসারসহ দুই জনের কারাদণ্ড
পল্লবীতে পোলিং অফিসারসহ দুই জনের কারাদণ্ড

পেছনের পৃষ্ঠা

আধিপত্যের সংঘর্ষ টেঁটাবিদ্ধসহ আহত ৯
আধিপত্যের সংঘর্ষ টেঁটাবিদ্ধসহ আহত ৯

দেশগ্রাম

ভোটের উৎসবে মেতেছে দেশ
ভোটের উৎসবে মেতেছে দেশ

সম্পাদকীয়

যারা নির্বাচিত হবে তাদের সঙ্গেই কাজ
যারা নির্বাচিত হবে তাদের সঙ্গেই কাজ

প্রথম পৃষ্ঠা

সিদ্ধিরগঞ্জে কেন্দ্রে জামায়াতের সিল মারার গুজব
সিদ্ধিরগঞ্জে কেন্দ্রে জামায়াতের সিল মারার গুজব

পেছনের পৃষ্ঠা

গুলশানে ভোট দেবেন তারেক রহমান
গুলশানে ভোট দেবেন তারেক রহমান

পেছনের পৃষ্ঠা

দুর্নীতি সূচকে অবনতি
দুর্নীতি সূচকে অবনতি

সম্পাদকীয়

ফল প্রকাশের আগ পর্যন্ত শঙ্কামুক্ত নই
ফল প্রকাশের আগ পর্যন্ত শঙ্কামুক্ত নই

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন সরকারকে আগাম অভিনন্দন
নতুন সরকারকে আগাম অভিনন্দন

সম্পাদকীয়

সবাই সরকারে এলে দেশ চলবে কীভাবে
সবাই সরকারে এলে দেশ চলবে কীভাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষায় নেই কোনো দৃশ্যমান অর্জন
শিক্ষায় নেই কোনো দৃশ্যমান অর্জন

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের নির্বাচন ঘিরে পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তে কড়াকড়ি
বাংলাদেশের নির্বাচন ঘিরে পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তে কড়াকড়ি

পেছনের পৃষ্ঠা

জেন-জির প্রথম নির্বাচন
জেন-জির প্রথম নির্বাচন

সম্পাদকীয়

জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে একটি গোষ্ঠী বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে
জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে একটি গোষ্ঠী বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে

পেছনের পৃষ্ঠা

সালাতের গুরুত্ব
সালাতের গুরুত্ব

সম্পাদকীয়

চা বাগান থেকে গলা কাটা লাশ উদ্ধার
চা বাগান থেকে গলা কাটা লাশ উদ্ধার

দেশগ্রাম

নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিন ফল মেনে নিন
নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিন ফল মেনে নিন

প্রথম পৃষ্ঠা

কঠোর ব্যবস্থা নিতে ইতস্তত করব না
কঠোর ব্যবস্থা নিতে ইতস্তত করব না

পেছনের পৃষ্ঠা

শুল্ক ছাড়ের আড়ালে চাপ কাঠামোগত সংস্কারের
শুল্ক ছাড়ের আড়ালে চাপ কাঠামোগত সংস্কারের

পেছনের পৃষ্ঠা

সংসদ নির্বাচন
সংসদ নির্বাচন

সম্পাদকীয়

ভাষা তার নিজস্ব গতিতে বিবর্তনের দিকে এগিয়ে গেছে
ভাষা তার নিজস্ব গতিতে বিবর্তনের দিকে এগিয়ে গেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

টাকাসহ আটক বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়
টাকাসহ আটক বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়

প্রথম পৃষ্ঠা

সুশাসনের রাষ্ট্র চাই
সুশাসনের রাষ্ট্র চাই

সম্পাদকীয়